Tag: SARBANANDA SONOWAL

SARBANANDA SONOWAL

  • Indian Seafarers Dead: হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, শোক প্রকাশ কেন্দ্রের, পাশে থাকার বার্তা সোনোয়ালের

    Indian Seafarers Dead: হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, শোক প্রকাশ কেন্দ্রের, পাশে থাকার বার্তা সোনোয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি মৃতদেহ ভারতে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীর কাছে পালাউ-ফ্ল্যাগযুক্ত বাণিজ্যিক জাহাজ এমটি সেট্টেবেলোতে হামলার ঘটনায় (Settebello Tragedy) নিহত হন ওই তিন ভারতীয় নাবিক।

    সর্বানন্দ সোনোয়ালের বক্তব্য (Indian Seafarers Dead)

    বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে সোনোয়াল জানান, প্রথমে নিখোঁজ হিসেবে চিহ্নিত তিন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে এবং তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ঘটনা ভারতের সামুদ্রিক সম্প্রদায়ের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। সোনোয়াল জানান, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দ্রুত উদ্ধার হওয়া নাবিকদের ভারতে ফিরিয়ে আনা এবং মৃতদের মরদেহ তাঁদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে যথাযথভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যায়। জানা গিয়েছে, হামলার সময় এমটি সেট্টেবেলো জাহাজে মোট ২৪ জন ভারতীয় নাবিক কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাকি তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবারে।

    মৃত নাবিকদের পরিবারে কান্নার রোল

    উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার বাসিন্দা নিহত নাবিক শিবানন্দ চৌরাসিয়ার বাড়িতে কান্নার রোল। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হতেই পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। শিবানন্দের ভগ্নিপতি সঞ্জয় চৌরাসিয়া জানান, ঘটনার আগের সন্ধ্যায়ই তাঁর সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল। তখন তিনি ইরানের একটি জাহাজে থাকার কথা বললেও, কোনও বিপদের কথা জানাননি। শিবানন্দের বাবা রামজি চৌরাসিয়া বলেন, “শেষবার রাত ৯টার দিকে কথা হয়েছিল এবং ছেলে জানিয়েছিল সব কিছু ঠিক আছে। পরে খবর আসে জাহাজে বোমা হামলা হয়েছে।” প্রতিবেশীদের দাবি, শিবানন্দই ছিলেন চৌরাসিয়া পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। তাঁর আয়েই ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছিল ওই পরিবারের আর্থিক অবস্থার।

    উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের

    এদিকে, ফরওয়ার্ড সিম্যানস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক মনোজ যাদব জানিয়েছেন, হামলার পর থেকেই জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তখনই ঘটনার বিস্তারিত তথ্যও যাচাই করা হয় (Settebello Tragedy)।অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করবে, ফেলবে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব। এতে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উন্নয়নশীল দেশগুলিই। তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছিল, ওমানের উপকূলের কাছে এমটি সেট্টেবেলো জাহাজে হামলার ঘটনায় তারা নজর রাখছে, এবং ওমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযানের তদারকি করছে। এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে ভারত সরকার। শুধু তা-ই নয়, জোর দিয়েছে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর (Settebello Tragedy)।

     

  • INSV Kaundinya Crew: প্রথম বিদেশ সফর শেষ করল ভারতীয় নৌবাহিনীর আইএনএসভি কৌন্ডিন্য

    INSV Kaundinya Crew: প্রথম বিদেশ সফর শেষ করল ভারতীয় নৌবাহিনীর আইএনএসভি কৌন্ডিন্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রাচীন সামুদ্রিক ঐতিহ্যের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচিত হল বুধবার। গুজরাটের পোরবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথম বিদেশ সফর সফলভাবে সম্পন্ন করে ওমানের মাস্কাট বন্দরে নোঙর করল ভারতীয় নৌবাহিনীর ঐতিহ্যবাহী পালতোলা জাহাজ আইএনএসভি কৌন্ডিন্য। বন্দরে পৌঁছনোর পর জাহাজটিকে দেওয়া হয় বিশেষ ওয়াটার স্যালুট। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই ঐতিহ্যবাহী ‘স্টিচড সেল শিপে’র এই সাফল্যকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামুদ্রিক ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবনের প্রচেষ্টার এক উজ্জ্বল নিদর্শন বলে অভিহিত করেছেন কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল।

    নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ (INSV Kaundinya Crew)

    তিনি বলেন, “আইএনএসভি কৌন্ডিন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ। ভারতের প্রাচীন জাহাজ নির্মাণ কৌশলকে পুনরুজ্জীবিত করে তা বিশ্বের দরবারে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরাই ছিল তাঁর সংকল্প।” মন্ত্রী বলেন, “এই জাহাজ আমাদের সামুদ্রিক ঐতিহ্যের কালজয়ী শক্তি, দক্ষতা ও টেকসই উদ্ভাবনের প্রতীক।” মন্ত্রী জানান, ইনএসভি কৌন্ডিন্যের নকশা অনুপ্রাণিত পঞ্চম শতাব্দীর একটি জাহাজ থেকে, যার চিত্র অজন্তা গুহার দেওয়ালে পাওয়া গিয়েছে। জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে কিংবদন্তি ভারতীয় নাবিক কৌন্ডিন্যর নামে, যিনি ভারত মহাসাগর পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পৌঁছেছিলেন।

    স্টিচড সেলিং ভেসেল

    জাহাজটি ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর গুজরাটের পোরবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। অভিযানে অংশ নেন চারজন অফিসার ও ১৩ জন নৌসেনা। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন কমান্ডার বিকাশ শেওরান, এবং অফিসার-ইন-চার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কমান্ডার ওয়াই হেমন্ত কুমার। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব সান্যালও এই অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন এবং তিনি নিয়মিতভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় যাত্রার আপডেট শেয়ার করেন। আইএনএসভি কৌন্ডিন্য একটি ঐতিহ্যবাহী স্টিচড সেলিং ভেসেল, যা ভারতের প্রাচীন সামুদ্রিক ইতিহাসে ব্যবহৃত সেলাই করা কাঠের জাহাজ নির্মাণ পদ্ধতিকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।

    অর্থায়ন করে সংস্কৃতি মন্ত্রক

    এই প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুলাই মাসে সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং হোডি ইনোভেশনসের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে শুরু হয়। প্রকল্পটির অর্থায়ন করে সংস্কৃতি মন্ত্রক। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কিল লেয়িং-এর পর, কেরালার দক্ষ কারিগরদের একটি দল ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে জাহাজটি নির্মাণ করেন। মাস্টার শিপরাইট বাবু শঙ্করনের  নেতৃত্বে নারকেল ফাইবার, কয়ার দড়ি ও প্রাকৃতিক রেজিন ব্যবহার করে কাঠের তক্তা সেলাই করে তৈরি করা হয় জাহাজের গঠন। প্রাচীন জাহাজগুলির কোনও নীলনকশা না থাকায়, অজন্তার গুহাচিত্র ও অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র থেকে নকশা নির্ধারণ করা হয়।
    জাহাজটির নকশা ও কাঠামোগত স্থায়িত্ব যাচাই করা হয় আইআইটি মাদ্রাজের ওশান ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে হাইড্রোডাইনামিক মডেল টেস্টিং এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিগত মূল্যায়নের মাধ্যমে।

    জাহাজটির পালে রয়েছে গণ্ডভেরুণ্ড ও সূর্য প্রতীক, সামনের অংশে খোদাই করা সিংহ-ওয়ালি, এবং ডেকে শোভা পাচ্ছে হরপ্পা যুগের আদলে তৈরি পাথরের নোঙর, যা প্রাচীন ভারতীয় সামুদ্রিক সংস্কৃতির প্রতিফলন। আইএনএসভি কৌন্ডিন্য শুধুমাত্র একটি জাহাজ নয়, বরং এটি ভারতের প্রাচীন সমুদ্রযাত্রা, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের দীর্ঘ ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • India Maritime Week: ২০৪৭-এর মধ্যেই লক্ষ্যপূরণ! বিশ্বে বৃহৎ জাহাজ নির্মাণকারী দেশ হওয়ার পথে ভারত

    India Maritime Week: ২০৪৭-এর মধ্যেই লক্ষ্যপূরণ! বিশ্বে বৃহৎ জাহাজ নির্মাণকারী দেশ হওয়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি জাহাজ নির্মাতা দেশের অন্যতম হয়ে উঠতে চলেছে ভারত। ২০৪৭ সালের মধ্যেই এই সাফল্য মিলবে। “বিকশিত ভারত ২০৪৭” লক্ষ্য সামনে রেখে কেন্দ্র সরকার এবার জোর দিচ্ছে স্বনির্ভর সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে। ভারতের বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল সোমবার (২৭ অক্টোবর) মুম্বইয়ে আয়োজিত ইন্ডিয়া মেরিটাইম উইক ২০২৫ (IMW 2025) অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন যে, দেশীয় জাহাজ বহর এবং জাহাজ নির্মাণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

    ১০ লক্ষ কোটি টাকার সমঝোতা চুক্তি

    জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল বলেন, “আমাদের নিজস্ব জাহাজ না থাকার কারণে প্রতি বছর বিদেশি শিপিং কোম্পানিগুলিকে ৭০-৭৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়। আমরা নিজেদের ফ্লিট এবং ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ বাড়িয়ে প্রতি বছর প্রায় ৪-৫ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারব। এটাই আমাদের স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্য।” এই অনুষ্ঠানে মোট ১০ লক্ষ কোটি টাকার সমঝোতা চুক্তি (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্যে ১.৫৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে জাহাজ নির্মাণ খাতে বিনিয়োগের জন্য। সোনোয়াল জানান, গত এক দশকে ভারতের বন্দরগুলির বার্ষিক পণ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা ১,৩৫০ মিলিয়ন টন থেকে বেড়ে ২,৭০০ এমটিপিএ (MTPA) হয়েছে। আগামী ২০৪৭ সালের মধ্যে এই ক্ষমতা ১০,০০০ এমটিপিএ-তে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রুজ পর্যটনে দশগুণ বৃদ্ধি এবং উপকূল ও অভ্যন্তরীণ জলপথে কার্গো পরিবহণের অংশীদারি ১২ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও অংশীদারিত্বের ঘোষণা করা হয়।

    ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা চুক্তি

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, সরকার সামুদ্রিক খাতের বাজেট ছয়গুণ বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, ১০ বিলিয়ন ডলারের বধভন বন্দর প্রকল্প এবং ৫ বিলিয়ন ডলারের গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ভারতের বৈশ্বিক সামুদ্রিক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এদিন ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে একটি সামুদ্রিক সহযোগিতা চুক্তি (Maritime Cooperation MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় রটারডাম ও ভারতের প্রধান বন্দরগুলির মধ্যে একটি সবুজ ও ডিজিটাল সি করিডর (Green and Digital Sea Corridor) গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া আদানি পোর্টস, জেএসডব্লিউ ইনফ্রাস্ট্রাকচার, গোয়া শিপইয়ার্ড এবং আবু ধাবি পোর্টস গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি দেশি-বিদেশি সংস্থার সঙ্গে সবুজ জাহাজ নির্মাণ, আর্থিক বিনিয়োগ ও বন্দর সম্প্রসারণ সংক্রান্ত একাধিক ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এই সম্মেলনে। বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত, ভারতের সামুদ্রিক খাতের এই বিশাল উদ্যোগ দেশকে শুধু আত্মনির্ভরতার পথে নয়, বরং বৈশ্বিক জাহাজ নির্মাণের মানচিত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছে দিতে চলেছে।

LinkedIn
Share