Tag: Satellite

Satellite

  • ISRO Satellite Launch: ‘অন্বেষা’কে কক্ষপথে স্থাপনের আগে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে নামল ইসরো

    ISRO Satellite Launch: ‘অন্বেষা’কে কক্ষপথে স্থাপনের আগে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে নামল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ইসরোর পিএসএলভি-সি৬২ মিশন তৃতীয় ধাপে গিয়ে ব্যর্থ হল। জানা গিয়েছে, পিএসএলভি রকেটের সফল উৎক্ষেপণ হলেও, তৃতীয় স্তরে গিয়ে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে ১৬টি স্যাটেলাইটই হারিয়ে যায়। বেলা প্রায় পৌনে ১১টা নাগাদ ইসরোর চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন বলেন, ‘‘অভিযানের তৃতীয় ধাপে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, যে কারণে রকেটের গতিপথে বিচ্যুতি ঘটেছে। আমরা সব কিছু খতিয়ে দেখছি। শীঘ্রই অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।’’

    তৃতীয় ধাপেই দেখা দেয় বিপত্তি

    ইসরোর প্রধান জানিয়েছেন, পিএসএলভি অভিযানের চারটি ধাপ থাকে— দু’টি সলিড এবং দু’টি লিকুইড ধাপ। এর মধ্যে তৃতীয় ধাপেই দেখা দেয় বিপত্তি। হঠাৎ ভেহিকেলের উচ্চতা এবং গতিবেগ ন্যূনতম প্রয়োজনীয় মানের অনেক নীচে নেমে যায়। ভেহিকেলের রোল রেট এবং উড্ডয়নের পথেও বিচ্যুতি দেখা দেয়। এমনটা হলে আর কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়া যায়নি ‘অন্বেষা’কে। মহাকাশে হারিয়ে যায় বাকি ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহও। ইসরো প্রধান ভি নারায়ণন সব কেন্দ্র থেকে ডেটা সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করার কথা বলেছেন। তিনি জানান, সোমবার সকালে পিএসএলভি সি৬২ মানে ইওএস-এন১ এর উৎক্ষেপণ হয়েছিল। কিন্তু উৎক্ষেপণের পর পিএসএলভি সি৬২ রকেট তার নির্ধারিত পথ থেকে সরে যায়। এই কারণে রকেটটি আগের ঠিক করা পথ অনুসারে এগোতে পারেনি। ইসরো সব গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে ডেটা সংগ্রহ করে পুরো প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করতে যাচ্ছে। যদি এই পরিকল্পনা সফল হত তাহলে মহাকাশ বিজ্ঞানের জগতে ভারত এর একটা সাফল্য বড় অর্জন হত।

    তদন্ত কমিটি গঠন 

    সোমবার ঠিক সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে পিএসএলভি-সি৬২ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহ। যাত্রার শুরুতে রকেটের বুস্টারগুলো সফলভাবে আলাদা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু উড্ডয়নের প্রায় আট মিনিট পর, তৃতীয় ধাপে গিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। ইসরো বলেছে, রকেটটি তার নির্ধারিত পথ থেকে সরে গিয়েছে। এর কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তবে এই মুহূর্তে যান্ত্রিক ত্রুটির আসল কারণ স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

    ‘অন্বেষা’কে স্থাপন করা গেল না

    পিএসএলভি-সি৬২ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেওয়া কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে ছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-এর তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ ‘অন্বেষা’ও, যার পোশাকি নাম ইওএস-এন১। নজরদারির জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশ থেকে ছবি তুলতে পারত। নির্ভুল মানচিত্রও তৈরি করতে পারত। কক্ষপথে স্থাপন করা গেলে ভারতের শত্রু দেশগুলির কোথায় কী রাখা আছে, তা-ও চিহ্নিত করে দিতে পারত অন্বেষা। একই রকেটে পাঠানো হয়েছিল আরও ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহকে, যার মধ্যে ভারতের বেসরকারি সংস্থা ‘ধ্রুব স্পেস’-এর সাতটি কৃত্রিম উপগ্রহও ছিল। এ ছাড়াও ছিল ফ্রান্স, নেপাল, ব্রাজিল-সহ বিভিন্ন দেশের মোট আটটি কৃত্রিম উপগ্রহ। এর সঙ্গে ছিল ভারতীয় শিক্ষার্থীদের তৈরি পেলোড, বেসরকারি সংস্থার গবেষণা সরঞ্জাম এবং স্পেনের একটি বিশেষ যন্ত্র।

  • AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়কগুলিতে টোল ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে ভারত (AI Based Tolling System)। ২০২৬ সালের শেষাশেষি ন্যাশনাল হাইওয়েতে সম্পূর্ণ স্যাটেলাইট ও এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গডকরি। সরকারের এহেন উদ্যোগের ফলে টোল প্লাজায় অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে (India) যাবে, সাশ্রয় হবে জ্বালানি, কমবে দূষণ এবং সামগ্রিকভাবে লজিস্টিকস ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়বে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (AI Based Tolling System)

    এই নয়া ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (MLFF) টোলিং সিস্টেমের মাধ্যমে। এটি একটি প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যার সাহায্যে যানবাহন টোল পয়েন্টে না থেমে বা গতি কমানো ছাড়াই চলাচল করতে পারবে। এই উন্নত এএমপিএম টোলিং সিস্টেমে ফাস্ট্যাগ, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রিডার, অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিকগনিশন (ANPR) ক্যামেরা এবং এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ একসঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে যানবাহনের নির্ভুল শনাক্তকরণ ও টোল আদায় নিশ্চিত হবে এবং টোল পয়েন্টে যান চলাচল অবাধ থাকবে।

    সড়ক পরিবহণ

    ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় জমা দেওয়া একটি লিখিত সরকারি উত্তরের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রক ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো পদ্ধতিতে টোল আদায়ের পাইলট প্রকল্প চালু করেছে (India)। এমএলএফএফ (MLFF) কাঠামোয় গ্যান্ট্রিতে স্থাপিত আরএফআইডি রিডার এবং এএনপিআর ক্যামেরা একসঙ্গে কাজ করে। ফলে একটি দ্বৈত সুরক্ষিত ও অত্যন্ত নির্ভুল টোল আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়। ফাস্ট্যাগ ও নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে যানবাহন শনাক্ত করা হয় এবং কোনও শারীরিক বাধা বা টোল বুথ ছাড়াই ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে টোল ফি বাবদ ধার্য করা টাকা কেটে নেওয়া হয় (AI Based Tolling System)।

    বাড়বে গাড়ির গতি

    গডকরি জানিয়েছেন, একবার এই ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে যানবাহনগুলি টোল বুথ দিয়ে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতেও চলাচল করতে পারবে। এটি বর্তমান ব্যবস্থার থেকে বড় পরিবর্তন, যেখানে টোল বুথ পার হওয়ার সময় গাড়িকে থামতে ও আবার চালু করতে হয়।রাজ্যসভা রিপোর্টের সঙ্গে যুক্ত পরিশিষ্ট অনুযায়ী, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজায় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। সেগুলির মধ্যে রয়েছে, গুজরাটের এনএইচ-৮-এর ভরুচ–সুরাট অংশে চোরিয়াসি, এনএইচ-৪৪-এর পানিপথ–জালন্ধর অংশে ঘারাউন্ডা, দিল্লি–জয়পুর করিডরে মনোহরপুরা, শাহজাহানপুর ও দৌলতপুরায় এবং দিল্লির আরবান এক্সটেনশন রোড–২ করিডরের  মুন্ডকায়।

    সরকার বাধাহীন টোল আদায় ব্যবস্থার বিপুল সুফলের ওপরও ভরসা করছে। মন্ত্রকের করা মূল্যায়ন অনুযায়ী টোল বুথে সারি দেওয়ার প্রয়োজন তুলে দিলে জ্বালানি ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটবে এবং একই সঙ্গে কমবে যানবাহন থেকে নির্গত দূষণের পরিমাণও (AI Based Tolling System)। গডকরির দাবি, জ্বালানি অপচয় কমানো এবং টোল ফাঁকি রোধের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তিটি প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা (India) সাশ্রয়ে সহায়ক হবে। পাশাপাশি, পণ্যের নির্বিঘ্ন চলাচল লজিস্টিকস দক্ষতা বাড়াবে, যার ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। টোল বুথ ও ব্যারিয়ার না থাকায় পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচও কমবে বলেই আশা। সেক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগ ও পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে আর অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে না (AI Based Tolling System)।

  • Spy Satellites: মহাকাশে ভারতের ৫২টি গোয়েন্দা উপগ্রহ! ২২,৫০০ কোটি টাকার বাজেট, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Spy Satellites: মহাকাশে ভারতের ৫২টি গোয়েন্দা উপগ্রহ! ২২,৫০০ কোটি টাকার বাজেট, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সুরক্ষায় আসছে আরও গতি। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের পর কেন্দ্রের মোদি সরকার দেশের গোয়েন্দা সক্ষমতা জোরদার করতে একটি বৃহৎ স্যাটেলাইট প্রকল্প (Spy Satellites) শুরু করেছে। ‘স্পেস বেসড সার্ভেইল্যান্স (SBS-3)’ নামের এই প্রকল্পটির জন্য ২২,৫০০ কোটি টাকা (প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার) বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS) প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এই কৃত্রিম উপগ্রহপুঞ্জের (Satellite Constellation) মাধ্যমে নজরদারির ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে ভারত।

    কেন এই পদক্ষেপ

    এই প্রকল্পে সরকারকে পথ দেখাতে চলেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)। এমন ৫২টি স্যাটেলাইট (Spy Satellites)  লঞ্চ করতে চলেছে ইসরো, যারা মেঘ ভেদ করেও স্পষ্ট দেখতে পারবে। রাতের আকাশও বাধা হবে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সীমান্ত কড়া নজরে রাখতেই এমন পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এখন অন্তত ১০টি স্যাটেলাইট সারাক্ষণ দেশের সুরক্ষার জন্য কাজ করে চলেছে।

    নয়া প্রকল্পের হালচাল

    ‘স্পেস বেসড সার্ভেইল্যান্স (SBS-3)’ প্রকল্পের আওতায় ৫২টি গোয়েন্দা স্যাটেলাইটের একটি কনস্টিলেশন (Satellite Constellation) বা নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। এর মধ্যে ৩১টি তৈরি করবে তিনটি বেসরকারি সংস্থা — অনন্ত টেকনোলজিস, সেন্টাম ইলেক্ট্রনিক্স, এবং আলফা ডিজাইন টেকনোলজিস, বাকি ২১টি তৈরি করবে ইসরো (ISRO)। আগে এই প্রকল্প শেষ করতে চার বছর সময় নির্ধারিত ছিল, কিন্তু এখন সেই সময়সীমা কমিয়ে ১২ থেকে ১৮ মাস করা হয়েছে। ইলন মাস্কের স্পেসএক্স (SpaceX) এই প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছে। স্যাটেলাইটগুলো (Spy Satellites) ধাপে ধাপে তৈরি ও উৎক্ষেপণ করা হবে। অনন্ত টেকনোলজিসের মতো কোম্পানিগুলো নিজস্বভাবে কিছু স্যাটেলাইটের ডিজাইন ও নির্মাণ করবে, যার জন্য তারা আগেই প্রযুক্তিবিদদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোর সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার ব্যবহৃত হবে। উৎক্ষেপণের জন্য দুটি বিকল্প রয়েছে — ইসরোর ভারী রকেট এলভিএম৩ অথবা স্পেসএক্সের রকেট। প্রতিটি উৎক্ষেপণের আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদন আবশ্যক।

    কী কাজে ব্যবহৃত হবে স্যাটেলাইটগুলি

    স্যাটেলাইটগুলি মূলত ভারতের সীমান্ত নজরদারিতে (Spy Satellites) ব্যবহার হবে, বিশেষ করে পাকিস্তানের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য। পাশাপাশি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ — যেমন বন্যা ও ভূমিকম্পের সময় — জরুরি সহায়তা প্রদানেও এই স্যাটেলাইটগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, এই প্রকল্প ভারতের জন্য এক বিশাল অগ্রগতি। এটি শুধুমাত্র সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করবে না, বরং দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়নেও সহায়তা করবে। একইসঙ্গে ভারতের বেসরকারি মহাকাশ সংস্থাগুলোর জন্য এটি এক সুবর্ণ সুযোগ। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক মানের প্রকল্পে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারতীয় মহাকাশ খাত আরও এগিয়ে যাবে।

    সীমান্ত সতর্কতায় ছদ্ম উপগ্রহ

    এখন পাক সীমান্ত এলাকায় নজরদারি চালাতে ব্যবহৃত হয় রিস্যাট টু বি। অনুপ্রবেশকারীদের ওপর সদা সজাগ দৃষ্টি রাখে এই উপগ্রহ। দীর্ঘ দিন ধরেই জাতীয় নিরাপত্তা এবং নজরদারি বৃদ্ধির জন্য ছদ্ম-উপগ্রহ তৈরিরও চেষ্টা চালাচ্ছেন এ দেশের প্রতিরক্ষা গবেষকেরা। অবশেষে সাফল্যও পেয়েছেন তাঁরা। স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক এয়ারশিপের প্রথম সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ‘ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ বা ডিআরডিও। বিশ্বের গুটিকতক দেশের হাতে রয়েছে এই প্রযুক্তি। সেই তালিকায় এ বার নাম উঠল ভারতের। অত্যাধুনিক এই এয়ারশিপ শত্রুর উপর নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ‘গেম চেঞ্জার’ হতে যাচ্ছে, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

    অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের পিছনে ইসরোর উপগ্রহ

    ইসরোর চেয়ারম‌্যান ড. ভি নারায়ণান সম্প্রতি বলেন, “পাকিস্তান-সহ দেশের ১১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার সীমান্ত ইসরো মনিটর করছে অনবরত (Spy Satellites) । দেশের সবাই নিরাপদ।” ত্রিস্তরীয় সেনা দেশের নিরাপত্তার মূল পাহারাদার হলে তার সহচর হয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’-কে যারা চূড়ান্ত সাফল‌্য এনে দিয়েছে তারা ইসরো। কারণ জঙ্গিদের ঘরে ঢুকে সাফল্যের সঙ্গে মিসাইল হানা সম্ভব হওয়ার অন‌্যতম নেপথ‌্য কারিগর ছিল দেশের এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। কারণ জঙ্গিদের সঠিক অবস্থান জেনে দিয়েছিল বিগত দু-তিন বছরে মহাকাশে পাঠানো তাদেরই অন্তত ১০০টি উপগ্রহ (Satellite Constellation), যার মধ্যে ৫৬টি এই মুহূর্তে ঠিক উপর থেকে দেশের কোণায় কোণায় দৃষ্টি রেখে চলেছে।

  • ISRO: তিন উপগ্রহকে কক্ষপথে স্থাপন করার লক্ষ্যে সফল উৎক্ষেপণ ইসরোর

    ISRO: তিন উপগ্রহকে কক্ষপথে স্থাপন করার লক্ষ্যে সফল উৎক্ষেপণ ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সাফল্যের তালিকায় এক নয়া সংযোজন। শুক্রবার অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে SSLV-D2 উৎক্ষেপণের মাধ্যমে একসঙ্গে তিনটি উপগ্রহ লঞ্চ করল ইসরো (ISRO)।

    ইসরো প্রধান এস সোমানাথ একটি লাইভস্ট্রিমের মাধ্যমে জানান, স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল নামক রকেটটি স্যাটেলাইট EOS-07 (আর্থ-অবজারভেশন স্যাটেলাইট-07), জানুস-1 এবং AzaadiSAT-2 কে ৪৫০ কিলোমিটার কক্ষপথে স্থাপন করেছে। ইসরোর (ISRO) মতে, SSLV ব্যবহার করা হয় ৫০০ কেজি পর্যন্ত ওজনের স্যাটেলাইটকে তার কক্ষপথে উৎক্ষেপণ করতে। ইসরো জানিয়েছে, তিনটি স্যাটেলাইট ৪৫০ কিলোমিটার দূরে একটি বৃত্তাকার কক্ষপথে স্থাপন করা হবে।

     

    এদিন সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে এই নতুন রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়। এই রকেট অত্যন্ত কম খরচে তৈরি করা হয়েছে। এটাই এই রকেটের বিশেষত্ব। সহজেই একাধিক উপগ্রহকে তার কক্ষপথে স্থাপন করতে পারে এই রকেট।

    আরও পড়ুন: শনিবার বঙ্গ সফরে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি! কাটোয়া ও কাঁথিতে সভা করবেন নাড্ডা

    প্রসঙ্গত, এর আগে ইসরো গত বছরের নভেম্বরে আর্থ অবজার্ভেশন স্যাটেলাইট ও আটটি ন্যানো স্যাটেলাইট মহাকাশে সফলভাবে পাঠিয়েছে। সম্প্রতি বাণিজ্যিক ভাবে মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ শুরু করছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। তারই অঙ্গ হিসেবে এই ধরনের পরিকল্পনা।   

    ইসরোর পরিকল্পনায় একাধিক অভিযান 

    সম্প্রতি ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ ঘোষণা করেছেন, আরও একধাপ এগিয়ে নতুন চন্দ্রাভিযানের সঙ্গে সঙ্গে সৌর অভিযানের পদক্ষেপও নিচ্ছে ইসরো (ISRO)। তিনি জানিয়েছেন, “আসলে পৃথিবীর আশপাশে এই ব্রহ্মাণ্ডে কী ঘটে চলেছে, তা বোঝা খুবই দরকারি। আদিত্য-এল১ এই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। ১৫ বছর আগে VELC একটি ধারণা দিয়েছিল মাত্র। এবার তার জটিল, যৌগিক স্তরগুলি আমাদের বুঝতে হবে। ইসরো ও আইআইএ-র মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য এটাই সবচেয়ে ভাল বিষয়।” আগামী জুন বা জুলাই মাসে এই অভিযান শুরু হতে পারে। এই কাজে ইসরোকে সাহায্য করতে পারে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স। মঙ্গল জয়েরও প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরো। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Skylight: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন কতটা সক্রিয়? খতিয়ে দেখল সেনা

    Skylight: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন কতটা সক্রিয়? খতিয়ে দেখল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের উপগ্রহ ব্যবস্থা কতটা সক্রিয় সম্প্রতি তার মহড়া দিয়েছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। আগামী দিনে কখনও কোন সংঘাত হলে দেশের উপগ্রহ সংযোগ (Satelite System) কতটা সহনশীল তা পরখ করে দেখা হয়েছে এই মহড়াতে। আর্মির এই স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন অ্যাসেটকে ২৫ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত কার্যকরী করা হয়েছিল। তার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয়েছে স্কাইলাইট। তবে সুরক্ষার জন্য গোটা ব্যবস্থাটিতে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় মতিলাল ভোরার যোগের স্বপক্ষে প্রমাণ পায়নি ইডি!

    বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, রাশিয়া, ইউক্রেন সংঘাতকে ঘিরে নতুন করে শিক্ষা নিচ্ছে একাধিক দেশের সেনাবাহিনী। চিনের সঙ্গে যে উত্তরের সীমান্ত রয়েছে সেটাও উদ্বেগের একটি বিষয়। সেকারণে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনা বাহিনী। মূলত ভূগঠনগত একটি সমস্যা ওই সীমান্তে থেকেই গিয়েছে। যে কোনও সময়ে চিন বা পাকিস্তানেক সঙ্গে যুদ্ধ লাগতে পারে। তাই তখন যাতে দেশকে কোনও বিপদে পড়তে না হয়, তাই আগে থেকে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সেনার মধ্যে গোপন বৈঠক! আকাশসীমা লঙ্ঘন নিয়ে আলোচনা

    মূলত সেনার অন্দরে এরোস্পেস টেকনোলজি কতটা রয়েছে সেটাও দেখা হয়। আধিকারিকদের মতে, সেনার হাতে ইসরোর একাধিক উপগ্রহ, যানবাহনের মাথার উপরে থাকা পোর্টেবল টার্মিনাল, মানুষের দ্বারা বহনকারী টার্মিনাল রয়েছে। এই মহড়া চলাকালীন সমস্ত স্যাটেলাইট ব্যবস্থাকে কার্যকর করা হয়েছিল। ইসরোও এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ছাড়পত্র মিলেছে ১৫টির, সেনা চায় ৯৫টি! জানুন এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য

    সেনা সূত্রের খবর, আগামী দিনে যুদ্ধে স্পেস একটি জটিল জায়গা দখল করবে। আধুনিক প্রযুক্তি এমন দিকে এগোচ্ছে যে মহাকাশ থেকেই নিয়ন্ত্রিত হতে পারে যুদ্ধের গতি।আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সেনা চাইছে নিজের জন্য একটি স্যাটেলাইটের ব্যবস্থা তৈরি করতে। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ধরনের উপগ্রহের ব্যবস্থা থাকলে শুধু পদাতিক সেনাদের জন্য নয়, সব জায়গায় এটা সহায়তা করবে।

     

LinkedIn
Share