Tag: satya nadella

  • Jayshree Ullal: সত্য নাদেলা বা সুন্দর পিচাই নন, হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্টের শীর্ষে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও জয়শ্রী উল্লাল

    Jayshree Ullal: সত্য নাদেলা বা সুন্দর পিচাই নন, হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্টের শীর্ষে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও জয়শ্রী উল্লাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের প্রযুক্তি দুনিয়ায় সবচেয়ে ধনী ভারতীয় বংশোদ্ভূত সত্য নাদেলা ও সুন্দর পিচাইয়ের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দুই সংস্থার সিইও হওয়া সত্ত্বেও, বর্তমানে তাঁদের কেউই শীর্ষ স্থানে নেই। হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট ২০২৫ অনুযায়ী (Hurun India Rich List), এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন অ্যারিস্টা নেটওয়ার্কসের প্রেসিডেন্ট ও সিইও জয়শ্রী উল্লাল (Jayshree Ullal)। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০,১৭০ কোটি টাকা, যা তাঁকে বিশ্বে সবচেয়ে ধনী ভারতীয় পেশাদার ম্যানেজার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সদ্য প্রকাশিত এই তালিকায় মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলা রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৯,৭৭০ কোটি টাকা। গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই রয়েছেন সপ্তম স্থানে, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৫,৮১০ কোটি টাকা।

    শিক্ষা ও ব্যক্তিগত জীবন

    জয়শ্রী উল্লাল (Jayshree Ullal) জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬১ সালের ২৭ মার্চ, লন্ডনে। তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ব্লুমবার্গ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, পাঁচ বছর বয়সে তিনি ভারতে চলে আসেন। তাঁর বাবা একজন পদার্থবিদ ছিলেন এবং ভারতের শিক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি আইআইটি (Indian Institutes of Technology) প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নয়াদিল্লির কনভেন্ট অব জেসাস অ্যান্ড মেরি স্কুলে পড়াশোনা করার পর, বাবার পেশাগত কারণে তিনি সান ফ্রান্সিসকোতে চলে যান। লিঙ্কডইন প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি সান ফ্রান্সিসকো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৮৬ সালে সান্তা ক্লারা ইউনিভার্সিটি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৫ সালে তাঁকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করা হয়।

    কর্মজীবনের শুরু ও সাফল্য

    কর্মজীবনের শুরুতে তিনি সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে কাজ করেন এবং এএমডি (Advanced Micro Devices) ও ফেয়ারচাইল্ড সেমিকন্ডাক্টর-এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলান জয়শ্রী উল্লাল (Jayshree Ullal)। পরে ক্রেসেন্ডো কমিউনিকেশনস-এ ভাইস প্রেসিডেন্ট (মার্কেটিং) পদে থাকাকালীন, ১৯৯৩ সালে সংস্থাটি সিসকোর হাতে অধিগ্রহণ হয়। এরপর তিনি সিসকো সিস্টেমস-এ সংস্থার সুইচিং ডিভিশনকে একটি বড় ব্যবসায়িক ইউনিটে পরিণত করেন। ২০০৮ সালে সিসকো ছেড়ে তিনি অ্যারিস্টা নেটওয়ার্কসে যোগ দেন। সেই সময়ে অ্যারিস্টায় কর্মী সংখ্যা ছিল মাত্র ৩০ জনেরও কম, এবং সংস্থাটি একটি আইন সংস্থার বেসমেন্ট থেকে কাজ করত। জয়শ্রী উল্লালের নেতৃত্বে সেই সংস্থাই আজ বিশ্ব ক্লাউড নেটওয়ার্কিং বাজারের অন্যতম বড় নাম। ২০০৮ সাল থেকে অ্যারিস্টা নেটওয়ার্কসের নেতৃত্বে রয়েছেন জয়শ্রী উল্লাল। তাঁর নেতৃত্বে এই ক্লাউড নেটওয়ার্কিং সংস্থা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফোর্বস-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে অ্যারিস্টার রাজস্ব দাঁড়ায় ৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। বর্তমানে তিনি সান ফ্রান্সিসকোতেই বসবাস করেন।

  • Microsoft: এশিয়ায় সব চেয়ে বড় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ভারতকে দিল মাইক্রোসফট

    Microsoft: এশিয়ায় সব চেয়ে বড় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ভারতকে দিল মাইক্রোসফট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ায় এ পর্যন্ত সব চেয়ে বড় বিনিয়োগ ভারতেই করার প্রতিশ্রুতি দিল মাইক্রোসফট (Microsoft)। লগ্নির পরিমাণ ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা জানান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই সংস্থার সিইও সত্য নাদেলা। তিনি বলেন, “ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ,(PM Modi), ভারতের এআই সুযোগ নিয়ে মূলক আলোচনার জন্য। দেশের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করতে মাইক্রোসফট ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে। এটি এশিয়ায় আমাদের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। এটি ভারতের এআই প্রথম ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, দক্ষতা এবং সার্বভৌম সক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (Microsoft)

    নাদেলার সঙ্গে সাক্ষাৎকারের পর যারপরনাই খুশি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্ব ভারতের প্রতি আশাবাদী! সত্য নাদেলার সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এশিয়ায় মাইক্রোসফটের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে ভারতকে দেখতে পেয়ে আমি আনন্দিত। ভারতের যুব সমাজ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবন করবে এবং একটি উন্নত বিশ্ব গড়তে এআইয়ের শক্তিকে ব্যবহার করবে (Microsoft)।”

    কী বলল মাইক্রোসফট

    বৈঠকের কিছুক্ষণ পরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ভারতে সংস্থার ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আগের ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ধারাবাহিকতা—যা আগামী দু’বছরে বেঙ্গালুরুতে ক্লাউড এবং এআই পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন ডেটা সেন্টার স্থাপন। এর ফলে কোম্পানির ভারতে সর্ববৃহৎ হাইপারস্কেল উপস্থিতি নিশ্চিত হবে। ওই বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, “ভারত তার এআই যাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এমন এক সময়, যা বৃহৎ মাত্রায় প্রভাব সৃষ্টির জন্য এবং নেতৃত্ব দেওয়ার দৃঢ় সংকল্পে পরিপূর্ণ। প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক রূপান্তরের অনুঘটক হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে দেশটি এক অগ্রগামী এআই রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে আজ আমরা এশিয়ায় আমাদের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ, চার বছরে ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নির কথা ঘোষণা করছি।”

    লগ্নির পরিমাণ

    উল্লেখ্য, চার বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ মাইক্রোসফটের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, ডিজিটাল পরিকাঠামো তৈরির প্রতিযোগিতায় বৈশ্বিক সফটওয়্যার জায়ান্টদের কাছে ভারত একটি অত্যন্ত মূল্যবান বাজার (Microsoft)। অক্টোবর মাসেই গুগলের প্রধান সুন্দর পিচাই জানিয়েছিলেন, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এআই কেন্দ্র স্থাপনের কথাও বলেছেন। এটি ভারতে সংস্থাটির এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। গুগল আদানি গ্রুপের সঙ্গে অংশীদারিত্বে বিশাখাপত্তনমে একটি ডেটা সেন্টার ও (PM Modi) এআই বেস নির্মাণ করছে, যা হবে আমেরিকার বাইরে তাদের সব চেয়ে বড় কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটি আগামী পাঁচ বছরে ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছে (Microsoft)।

LinkedIn
Share