Tag: SC/ST Act

  • Mahkumbh Viral Girl: মহাকুম্ভ মেলায় ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা!

    Mahkumbh Viral Girl: মহাকুম্ভ মেলায় ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মহা কুম্ভ মেলায় (Mahkumbh Viral Girl) ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা! অন্তত, এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে আসেন মোনালিসা। কারণ তিনি বিয়ে করেছিলেন মুসলিম যুবক ফারমান খানকে (Farman Khan)। ওই ঘটনায় মোনালিসার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই তরুণী আসলে অপ্রাপ্তবয়স্ক। জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশনের (NCST) তদন্তেও প্রকাশ পায় পরিবারের দাবির সত্যতা। কমিশনের চেয়ারপার্সন অন্তর সিং আর্য এই তদন্তের নেতৃত্ব দেন। তিনি নিশ্চিত করেন, মোনালিসা আদতে এক নাবালিকা। তিনি পারধি আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।

    ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র (Mahkumbh Viral Girl)

    মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বরের সরকারি হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, মোনালিসার জন্ম ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে। অর্থাৎ, বিয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্রই ১৬ বছর। এও জানা গিয়েছে, কেরালায় একটি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের ভিত্তিতে তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ফারমান খানের। যে মন্দিরে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে তাঁরা প্রমাণপত্র হিসেবে দাখিল করেছিলেন শুধুই আধার কার্ড। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রদেশ পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), তফশিলি জাতি ও উপজাতি আইন (SC/ST Act) এবং শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের (POCSO Act) অধীনে এফআইআর দায়ের করেছে। প্রশাসন কেরালার একটি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে নিবন্ধিত ভুয়ো নথি বাতিল করার নির্দেশও দিয়েছে (Mahkumbh Viral Girl)।

    সমন জারি

    জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশন কেরল এবং মধ্যপ্রদেশের ডিজিপিদের সমন জারি করেছে এবং ২২ এপ্রিল কমিশনের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁদের (Farman Khan)। এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতি ৩ দিন অন্তর বিস্তারিত রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত মাসেই কেরলের একটি মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন মোনালিসা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়া মারাঠি মুসলিম যুবক ফারমান খানকে। তখনই তাঁর পরিবার দাবি করেছিল, মোনালিসা নাবালিকা। যদিও মোনালিসা স্বয়ং জানিয়েছিলেন তিনি প্রাপ্তবয়স্ক। সে সংক্রান্ত শংসাপত্র যে জাল, তা জানা (Farman Khan) গিয়েছে তদন্তে। ফারমানের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে পকশো মামলা (Mahkumbh Viral Girl)।

  • Religious Conversion: ‘তফশিলি জাতির সুবিধা সীমিত শুধু হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের জন্যই’, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Religious Conversion: ‘তফশিলি জাতির সুবিধা সীমিত শুধু হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের জন্যই’, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেউ যদি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে এবং তা পালন করে, তাহলে সে আর তফশিলি জাতির মর্যাদা দাবি করতে পারে না।” মঙ্গলবার একটি রায়ে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে সাফ (Religious Conversion) জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত উল্লেখ করেছে, তফশিলি জাতির পরিচয় শুধুমাত্র সেইসব ব্যক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যারা সংবিধানের ১৯৫০ সালের (SC) নির্দেশ অনুযায়ী হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম অনুসরণ করেন। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ১৯৫০ সালের এই আদেশে কোনও ধরনের অস্পষ্টতার সুযোগ নেই।

    তফশিলি জাতির মর্যাদা বাতিল (Religious Conversion)

    আদালত এও জানিয়েছে, ধারা ৩-এ অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কোনও ধর্মে ধর্মান্তরিত হলে, ব্যক্তির জন্ম যাই হোক না কেন, তার তফশিলি জাতির মর্যাদা সঙ্গে সঙ্গে এবং সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে যায়। বিচারপতিরা বলেন, “এই বিধিনিষেধ চূড়ান্ত এবং অচল।” আদালত জানিয়েছে, “সংবিধান, সংসদ বা রাজ্য বিধানসভা প্রণীত কোনও আইনের অধীনে কোনও সুবিধা, সুরক্ষা, সংরক্ষণ বা অধিকার এমন ব্যক্তিকে দেওয়া যাবে না, যিনি ধারা ৩ অনুযায়ী তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য নন। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ এবং এর কোনও ব্যতিক্রম নেই। একজন ব্যক্তি একই সঙ্গে ধারা ৩-এ উল্লিখিত ধর্মের বাইরে অন্য ধর্ম পালন করে তফশিলি জাতির সদস্যপদ দাবি করতে পারেন না।”

    খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন অভিযোগকারী

    এই রায়টি একটি মামলার শুনানির সময় দেওয়া হয়, যেখানে এক ব্যক্তি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে একজন পাদ্রি হিসেবে কাজ করছিলেন। ধর্মান্তরের পরেও তিনি তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে অভিযোগ দায়ের করেন, দাবি করেন যে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন (Religious Conversion)। এই দাবি চ্যালেঞ্জ করে অভিযুক্ত পক্ষ জানায়, তিনি আর তফশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত নন। তাই ওই আইনের সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার তাঁর নেই। সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সঙ্গে সহমত পোষণ করে জানিয়ে দেয়, কোনও ব্যক্তি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ ও চর্চা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর তপশিলি জাতির মর্যাদা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শেষ হয়ে যায় (Supreme Court)।

    এসসি-এসটি আইন

    জানা গিয়েছে, মামলাটি একটি ফৌজদারি আবেদনের মাধ্যমে শুরু হয়, যেখানে এসসি-এসটি আইনের ৩(১)(আর), ৩(১)(এস), ৩(২)(ভিএ) ধারা-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৫০৬ ও ৩২৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগকারী, যিনি পিট্টালাভানিপালেম গ্রামে রবিবারের প্রার্থনা পরিচালনা করেন, অভিযোগ করেন, তিনি বারবার হামলা, প্রাণনাশের হুমকি এবং তাঁর পরিবারের ওপর আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁকে জাতিগত গালিগালাজ করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে তিনি মামলা দায়ের করেন (Religious Conversion)। তদন্ত শেষ হয়ে চার্জশিট দাখিল হওয়ার পর, অভিযুক্ত হাইকোর্টে আবেদন করে মামলাটি খারিজ করার দাবি জানান। অভিযুক্তের যুক্তি ছিল, এসসি এবং এসটি আইনের অধীনে এফআইআর দায়ের করা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ অভিযোগকারী খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং একজন পাদ্রি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “১৯৫০ সালের সংবিধান (শিডিউল কাস্টস) আদেশ স্পষ্টভাবে জানায়, যে ব্যক্তি আর হিন্দুধর্ম অনুসরণ করেন না, তাঁকে তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে না (Religious Conversion)।”

LinkedIn
Share