Tag: security

security

  • Paris Olympics 2024: প্যারিস পৌঁছল ‘কে-৯’ স্কোয়াড, অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়রা

    Paris Olympics 2024: প্যারিস পৌঁছল ‘কে-৯’ স্কোয়াড, অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) সুরক্ষার দায়িত্বে থাকছে ভারতের কমান্ডো বাহিনীর ‘কে-৯’ স্কোয়াডের ১০টি কুকুর (Special Dogs)। অলিম্পিক্সে জঙ্গি হামলা রুখতেই পাঠানো হয়েছে এই সারমেয় টিমকে। টিমে রয়েছে বেলজিয়ান শেফার্ড ম্যালিনোইস প্রজাতির কুকুর। এই প্রজাতিরই কুকুর হদিশ দিয়েছিল আল কায়দার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের। এই প্রজাতির কুকুর ব্যবহার করে মার্কিন সেনা বাহিনীও।

    ফরাসি শেখানো হয়েছে কুকুরদের (Paris Olympics 2024)

    ভারতের এই কমান্ডো কুকুরদের সচরাচর বোমা ও আইইডি শনাক্ত করার কাজে লাগানো হয়। নকশাল-বিরোধী অভিযানেও শামিল হয় এই সারমেয়কুল। প্রবল ঘ্রাণশক্তির জন্য তামাম বিশ্বেই ভীষণ জনপ্রিয় এই প্রজাতির কুকুর। ইতিমধ্যেই তারা পৌঁছে গিয়েছে ফ্রান্সের রাজধানীতে। এই দলের দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক জানান, অলিম্পিক্সের জন্য এই কুকুরদের আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে (Paris Olympics 2024)। তারা যাতে ফরাসি ভাষা বুঝতে পারে, সেই প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এই সারমেয় দলে রয়েছে ভাস্ট এবং ডেনবি-ও। সিআরপিএফের বেঙ্গালুরুর প্রশিক্ষণ স্কুল থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে এই দুই কুকুরকে।

    লাদেনকে ধরিয়ে দিয়েছিল এই কুকুরই

    প্রসঙ্গত, প্যারিস অলিম্পিক্সে ভারতীয় জওয়ান ও কুকুরদের কাজে লাগানোর অনুরোধ জানিয়েছিল ফরাসি সরকার। সেই কারণেই ভারত থেকে গিয়েছে এই বিশেষ দল। সুরক্ষার দায়িত্বে থাকছে ভারতের আধা সামরিক বাহিনীর ১০টি বিশেষ দলও। প্রতিযোগিতার সময় স্টেডিয়ামগুলিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে তারা। ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল লাদেন। মার্কিন সেনাকে তার সন্ধান দিয়েছিল বেলজিয়ান শেফার্ড ম্যালিনোইস প্রজাতির কুকুরই। এদের বৈশিষ্ট্য হল, সন্দেহপ্রবণ কাউকে দেখলে এরা চিৎকার করে না। মাথা নেড়ে ইঙ্গিত দেয় নিরাপত্তারক্ষীদের। তাই সন্দেহজনক ব্যক্তিটি যে নিরাপত্তারক্ষীদের টার্গেট হয়ে গিয়েছে, তা ঘূণাক্ষরেও টের পায় না তারা। তাই পালিয়েও যেতে পারে না। ফলে তাদের ধরে ফেলাটা সহজ হয় নিরাপত্তারক্ষীদের পক্ষে।

    আরও পড়ুন: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    চলতি বছর প্যারিস অলিম্পিক্স শুরু হবে ২৬ জুলাই। শেষ হবে অগাস্টের ১১ তারিখে। এই দিনগুলিতে স্টেডিয়াম প্রহরায় থাকবে ভারতের এই সারমেয়কুল। ভাস্ট এবং ডেনবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ সিআরপিএফ। তারা জানিয়েছে, প্যারিস পাঠানোর আগে তাদের প্রায় ১০ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের (Special Dogs) কী কাজ করতে হবে, তা-ও শিখিয়ে পড়িয়ে নেওয়া হয়েছে (Paris Olympics 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP Candidate: তৃতীয় দফা ভোটের আগে সাত বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    BJP Candidate: তৃতীয় দফা ভোটের আগে সাত বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম, দ্বিতীয় দফার পর এবার তৃতীয় দফার ভোটের জন্য সেজে উঠছে গোটা দেশ। ভোটের তাপে ফুটছে বাংলাও। ৭ মে ভোট রয়েছে জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণে। তৃতীয় দফা ভোটের আগে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্য সফর করে গিয়েছেন। তবে, তৃতীয় দফায় যে সব এলাকায় ভোট রয়েছে, আগেই প্রধানমন্ত্রী সভা করে গিয়েছেন। ভোটের এই আবহের মধ্যে এবার আরও সাতজন বিজেপি প্রার্থীর (BJP Candidate) নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    তালিকায় বিজেপির কোন কোন প্রার্থী রয়েছেন? (BJP Candidate)

    রাজ্যে বিজেপির প্রার্থী (BJP Candidate) পদ ঘোষণা হওয়ার পর পরই সন্দেশখালির রেখা পাত্রের পাশাপাশি বহরমপুরের নির্মল সাহা, মথুরাপুরের অশোক পুরকাইত, জয়নগরের অশোক কান্ডারী, রায়গঞ্জের কার্তিক পাল, ঝাড়গ্রামের প্রনথ টুডু-র কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। সন্দেশখালির রেখা পাত্র প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের হামলার মুখে পড়েছিলেন। তাঁর গাড়িতেও হামলা হয়েছিল। ঘটনাচক্রে রেখা পাত্র আক্রান্ত হওয়ার পর পরই তাঁর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ফলে, ভোট যত এগিয়ে আসছে তৃণমূলের সন্ত্রাসও চারিদিকে বাড়ছে। ফলে, প্রার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই আরও সাতজন প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভোটের সুরক্ষায় মাঠে নেমে পড়েছে আধা সেনা। দিকে দিকে চলছে টহল। এদিকে শেষবেলার প্রচারে ঝাঁপিয়েছে শাসক বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই। এবার আরও সাতজন প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, তালিকায় নাম রয়েছে, বোলপুরের পিয়া সাহা, আরামবাগের অরূপ দিগার, উলুবেড়িয়ার অরুণ উদয় পাল চৌধুরী, দমদমের শীলভদ্র দত্ত, কৃষ্ণনগরের অমৃতা রায়, দক্ষিণ কলকাতার দেবশ্রী চৌধুরী এবং উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে এই প্রার্থীদের। জানা যাচ্ছে, পাঁচ জন করে সিআইএসএফ জওয়ানরা ঘিরে থাকবেন বিজেপি প্রার্থীদের। শনিবার থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার কথা রয়েছে বিজেপির সাত প্রার্থীর।  

    আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    Arabul Islam: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তাঁর দাপটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকায় কারও কথা বলার সাহস ছিল না। তৃণমূলের সেই দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam) এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশ-প্রশাসন ও জেলার দলীয় নেতৃত্বকে এ বিষয়ে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তার আবেদনও করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কেন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আরাবুল? (Arabul Islam)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে আরাবুলের (Arabul Islam) দাপট কমছে। এর আগে পঞ্চায়েতে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিল। দুদিন আগে ফের নিজের খাসতালুকে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর ভাঙড়-২ নম্বর ব্লকে একটি সভা ছিল। সেখানে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে বক্তব্য রাখতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যার নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল। তার জেরে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। দীর্ঘক্ষণ বিডিও অফিসে আটকে রাখা হয়। এই ঘটনা ভাঙড়ে প্রথম নয়। পঞ্চায়েতে ভোটপর্বেও বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন আরাবুল। ফলে, নিজের খাসতালুকে জমি হারাতে শুরু করেছেন আরাবুল। তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। এবার আইএসএফের কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পরার পর  থেকেই নিরাপত্তাহীনতা ভুগতে শুরু করেছেন তিনি।

    কী বললেন আরাবুল?

    আরাবুল বলেন, আমরা বারবার প্রশাসনকে জানাচ্ছি। প্রশাসন কতটা নিরাপত্তা আমাদের দিতে পারে সেটা প্রশাসন জানে। সেটা নিয়ে আর কিছু বলব না। আমি রাজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে আমাদের জেলা নেতৃত্বকে বারবার বলেছি। আমাদের যে কোনও সময় প্রাণহানির আশঙ্কা আছে। আচমকা আমার তিনজন সিকিউরিটিকে তুলে নেওয়া হল। কোনও কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখুন।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বলেছেন?

    এই প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজমুদার বলেন, আরাবুলের (Arabul Islam) ভয়ে এলাকায় মানুষ কথা বলতে পারতেন না। তিনি এখন ভয় পাচ্ছেন। এটা ভাবতেও অবাক লাগছে। তৃণমূলের জমি যে আলগা হচ্ছে এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিল প্রতারকরা, কীভাবে?

    Fraud: অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিল প্রতারকরা, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই জামতারা গ্যাংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বারাকপুর জুড়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা (Fraud) করার অভিযোগ উঠেছিল একটি দলের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। মূল পান্ডার খোঁজে তল্লাশি শুরু করছে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার রাজ্য পুলিশের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী কালীচরণ মাঝি প্রতারকদের খপ্পড়ে পড়লেন। তিনি বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের প্রাক্তন দেহরক্ষী ছিলেন। প্রতারকরা কয়েক দফায় তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৭ লাখ ১৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ইতিমধ্যেই বারাকপুর সাইবার ক্রাইম থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। একজন পুলিশ কর্মীর অ্যাকাউন্ট সাফ করে দেওয়ার ঘটনায় যথেষ্ট উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কীভাবে প্রতারণা? (Fraud)

    রাজ্যজুড়ে অনলাইন প্রতারণা (Fraud) চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আধার কার্ড জালিয়াতি করে বহু মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা সাফ করে দিচ্ছে প্রতারকরা। অনলাইনে প্রতারকদের বিরুদ্ধে পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে। অনেককে গ্রেফতারও করেছে। কিন্তু, প্রতারকদের এই জালিয়াতি বন্ধ করতে পারছে না পুলিশ। নিত্য নতুন কৌশল ব্যবহার করে প্রতারকরা মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, কালীচরণ মাঝি রাজ্য পুলিশের কর্মী ছিলেন। তিনি থাকেন সোদপুরে। তিনি পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। মাসখানেক আগে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। স্বাভাবিকভাবে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবসরকালীন অনেক টাকাই গচ্ছিত ছিল। এই গচ্ছিত টাকার একটা বড় পরিমাণ প্রতারকরা হাতিয়ে নেয়। কালীচরণবাবু বলেন, আমার মোবাইলের মেসেজে একটা নম্বর আসে। এরপর একটা অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। বিদ্যুতের বিল আপডেট নেই বলে জানানো হয়। আমি বিল মিটিয়ে দিয়েছি। অফিস যাচ্ছি বলার পর ফোনের অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তি বলেন, অফিস যাওয়ার প্রয়োজন নেই। একটি ওটিপি দিচ্ছি। সেটা শেয়ার করলেই বিল আপডেট হয়ে যাবে। ওটিপি শেয়ার করতেই পর পর মোবাইলে মেসেজ আসে। এরপর কয়েক দফায় আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৭ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ বলেন, রাজ্যজুড়ে প্রতারণা (Fraud)  চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অবসরকালীন তিনি যে টাকা পেয়েছিলেন, সেই টাকার একটা বড় অংশ প্রতারকরা হাতিয়ে নিয়েছে। পুলিশে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। আমাদের দাবি, যে বা যারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: আজ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, নজরে কমিশনের ভূমিকা!

    Panchayat Election 2023: আজ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, নজরে কমিশনের ভূমিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার রাজ্যে দশম পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) ভোট গণনা। সমতলের ২০ জেলায় ত্রিস্তরীয় ও পাহাড়ে দুই জেলায় দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোটের গণনা শুরু হবে সকাল আটটায়। গণনার জন্য রাজ্যে মোট ৩৩৯টি গণনা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গণনা কেন্দ্র থাকছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৮টি, মুর্শিদাবাদে ২৬। এরপরই রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৫, পূর্ব বর্ধমানে ২৩টি, বাঁকুড়াতে ২২টি, উত্তর ২৪ পরগনায় ২২টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২১টি, পুরুলিয়ায় ২০টি, বীরভূমে ১৯টি, নদিয়ায় ১৮টি, হুগলিতে ১৮টি, মালদায় ১৫টি, হাওড়ায় ১৪টি, কোচবিহারে ১২টি, জলপাইগুড়িতে ১০টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮টি, ঝাড়গ্রামে ৮টি, পশ্চিম বর্ধমানে ৮টি, উত্তর দিনাজপুরে ৮টি, আলিপুরদুয়ারে ৬টি, দার্জিলিঙে ৫টি, কালিম্পংয়ে ৪টি। গণনা পর্ব মসৃণ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    গণনা কেন্দ্রের বাইরে ১৪৪ ধারা

    গত শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্র করে বিপুল রাজনৈতিক হিংসা ও অশান্তির সাক্ষী থেকেছে রাজ্য। গণনা পর্বে তার পুনরাবৃত্তি আটকাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ব্যাপক সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রেই মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এছা়ডা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ ও ভিন রাজ্যের পুলিশও গণনা কেন্দ্রের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করবে। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে থাকছে সিসিটিভির নজরদারি। গণনা কেন্দ্রের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। তবে ভোটের মতো এক্ষেত্রেও বাস্তবে কী হবে, তা নিয়ে বিরোধীরা যথেষ্ট সন্দিহান। কমিশন জানিয়েছে, প্রথমে ভোটকর্মীদের ভোট গণনা করা হবে। তারপর গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং পরিশেষে জেলা পরিষদের আসনে ভোট গণনা হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা  জানান, গণনা পর্ব পুরো শেষ হতে ১২ জুলাই পেরিয়ে যেতে পারে।

    প্রেক্ষাপট

    শনিবার পঞ্চায়েত ভোটের দিনই (Panchayat Election 2023) বিভিন্ন জেলা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। রাজনৈতিক হিংসায় শুধু মাত্র ভোটের দিন প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। জায়গায় জায়গায় ভোট লুট,  ছাপ্পা, ব্যালট বাক্সে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনেক বুথে একঘণ্টার মধ্যেই ভোট গ্রহণ শেষ হয়ে যায়। আবার কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখাও মেলেনি। বেশ কিছু রাজনৈতিক সংঘর্ষে ভোটদান বন্ধ হয়ে যায়। ভোট শেষের পরেই জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন৷ সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে কোন জেলায় কতগুলি বুথে পুনরায় ভোট হবে, তার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রবিবারই তার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সেই মতো সোমবার রাজ্যের ৬৯৪ কেন্দ্রে শুরু হয় পুনর্নির্বাচন। অন্যদিকে পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে হানাহানির যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় বিএসএফের আইজি এবং রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    কমিশনের নির্দেশিকা

    অন্যদিকে কমিশন সোমবার এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, গণনার (Panchayat Election 2023) সময় যে ব্যালক পেপারের পিছনে প্রিসাইডিং অফিসারের সিল ও স্বাক্ষর থাকবে না, সেই ব্যালটকে বাতিল বলে ঘোষণা করা হবে। গণনা কেন্দ্রে একমাত্র কাগজ আর পেন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে। পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী অবস্থায় যে হানাহানির ঘটনা ঘটেছিল, তা ফের আবারও যেন না হয়, সেইজন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গণনার দশদিন পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে রাজ্যে। এখন দেখার বিষয় একটাই যে ছাপ্পার মুখে ছাই ফেলতে আদৌ কি কমিশন সত্যিই প্রশংসনীয় হয়ে উঠবে নাকি প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মুখ পোড়াবে সকলের কাছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda School: সেই বন্দুকবাজ উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল? হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ

    Malda School: সেই বন্দুকবাজ উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল? হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দুকবাজের তাণ্ডবের পর এখনও থমথমে পুরাতন মালদা থানার মুচিয়ার চন্দ্রমোহন হাইস্কুল (Malda School)। স্কুলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চন্দ্রমোহন হাইস্কুল এবং মুচিয়া এলাকা রয়েছে থমথমে। এদিন স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার ছিল একেবারেই সামান্য। বহু অভিভাবক আতঙ্কের কারণে নিজেদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানোর সাহস পাননি। শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত থাকলেও তাঁদের একটি অফিসঘরে গুটি-শুটি মেরে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এখন তো নিরাপত্তা দেওয়া রয়েছে। এটা কতদিন থাকবে? আগামী দিনে যে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না, তা নিশ্চিত করে কে বলতে পারে। তাই আমরা চাই পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হোক।এদিকে বুধবার রাতে মালদার পুলিশ সুপার তাঁর নিজস্ব অফিসে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানিয়েছেন, এই ধরনের উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র বিহার অথবা ঝাড়খণ্ড থেকেই সংগ্রহ করে থাকতে পারে অভিযুক্ত বন্দুকবাজ দেব বল্লভ। তবে এই ঘটনার পিছনে তাঁর পারিবারিক সমস্যাই মূলত জড়িত রয়েছে। তা বলে স্কুলে ঢুকে এমন ঘটনা ঘটাবে, এটা পরিকল্পনা মাফিক। আমাদের পুলিশ অফিসার ও কর্মীরা দারুণ কাজ করেছে। যেভাবে চন্দ্রমোহন হাইস্কুলের ক্লাস সেভেনের ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষিত রেখে পুলিশ অফিসাররা ওই বন্দুকবাজকে ধরেছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়।

    কার হাত ঘুরে আগ্নেয়াস্ত্র এল, তদন্তে পুলিশ

    পুলিশ সুপার সাংবাদিক বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, এই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র কার মাধ্যমে অভিযুক্ত দেব বল্লভ আমদানি করল, সে ব্যাপারেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে মালদা আদালতের মাধ্যমে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হবে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হয়তো অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। পুলিশ সুপার বলেন , ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা দফতর, জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তাদের নিয়ে একটি বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। যেখানে প্রতিটি স্কুলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেসব নিয়েই মূলত আলোচনা করা হবে। স্কুল (Malda School) চলাকালীন গেট বন্ধ রাখা, বিভিন্ন স্কুলে সিসি ক্যামেরা বসানো, প্রয়োজনে স্কুলে নিরাপত্তার যাতে ব্যবস্থা করা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা করা হবে।

    আগেও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হয়েছিল অভিযুক্ত

    এদিকে পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, গত দেড় বছর আগে বন্দুক হাতে প্রশাসনের কর্তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হয়েছিল অভিযুক্ত এই দেব বল্লভ। সেই সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় সেই আগ্নেয়াস্ত্রটি। কিন্তু তারপরে আবারও নতুন করে উন্নত মানের নাইনএমএম পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন অভিযুক্ত কোথা থেকে জোগাড় করল? এমনকী পেট্রোল বোমা বানাতে শিখল কীভাবে, এসবের পিছনে কোনও জঙ্গি সংগঠনের মদত রয়েছে কিনা, সে ব্যাপারেও পুলিশ নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি। কিন্তু পুরো বিষয়টি (Malda School) নিয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছেন পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • President Of India: বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে আসছেন রাষ্ট্রপতি, কার আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের?

    President Of India: বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে আসছেন রাষ্ট্রপতি, কার আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুড়ে সাজ সাজ রব। আর পাঁচদিন পর ২৮ মার্চ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মু আসছেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এই প্রথম রাজ্য সফরে আসছেন তিনি। তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কড়াকড়ি থাকবে। রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তায় কোনও ধরনের খামতি রাখতে নারাজ ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি, জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। সেই কারণে দেশের প্রথম নাগরিকের সফরের আগেই শান্তিনিকেতন সহ যে যে সম্ভাব্য জায়গায় তিনি যেতে পারেন, তা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। তবে, বিষধর সাপই এখন রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ। ফলে, নিরাপত্তার জন্য বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বনদপ্তরের  কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি শুক্রবার সাপ ধরায় পারদর্শী বন দপ্তরের একটি দল বিশ্বভারতী গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি সফরের বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়? President of India

    রাষ্ট্রপতির (President of India)  সফরকে ঘিরে তুঙ্গে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির নির্দেশে শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জে একটি বৈঠকও হয়। বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি (President of India)  যে সকল সম্ভাব্য জায়গাগুলিতে যেতে পারেন, তাও পরিদর্শন করেন আধিকারিকরা। রবীন্দ্র ভবন, রবীন্দ্র অতিথি গৃহ, বিনয় ভবন লাগোয়া হেলিপ্যাডও ঘুরে দেখেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। রাস্তার ধারে থাকা বিভিন্ন আগাছা ছেঁটে ফেলারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলেও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিষধর সাপ। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর পরিদর্শনের সময় সাপের উপদ্রবের বিষয়টির কথা আধিকারিকরা জানতে পারেন। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বভারতীতে বিষধর সাপের উপদ্রব রয়েছে। জঙ্গল ঘেরা লালবাঁধ, পম্পা লেকে বিষধর সাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পড়ুয়া থেকে শুরু করে অধ্যাপকরা। সেই কারণে রাষ্ট্রপতির সফর চলকালীন স্নেক ক্যাচার রাখার নির্দেশ দিয়েছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা।

     বিষধর সাপ নিয়ে কী বক্তব্য বনদপ্তরের? President of India

    বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্রভবনের অতিথিশালা, শ্যামলী, কোনার্ক, উদয়ন, লালবাঁধ, পম্পা লেক এই এলাকাগুলিতে প্রচুর ঝোঁপ-জঙ্গল রয়েছে। তার উপর সূর্যের আলো না পড়ায় স্যাঁতসেতে। তাই সাপের আশ্রয়স্থল। সাপের উপস্থিতি দেখেই ঘুম গিয়েছে রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের। সঙ্গে সঙ্গেই বন দপ্তরকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপরেই বনদফতরের আধিকারিকরা বিশ্বভারতীতে যান। এডিএফও শ্রীকান্ত ঘোষ বলেন, বুধবারই বন দফতরের টিম বিশ্বভারতীতে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। আমি নিজেও গিয়েছিলাম। উদয়ন, কলাভবনের বেশ কিছু জায়গায় সাপ আছে। ইতিমধ্যেই বন দপ্তরের একটা টিম বিশ্বভারতীতে পৌঁছে গেছে। যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার সব নেওয়া হবে। আজ থেকে রাষ্ট্রপতির (President of India)  সফর শেষ হওয়া পর্যন্ত বিশ্বভারতীতে থাকবে ওই দলটি। আমাদের দিক থেকে সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচীর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে আদালতে কী জানাল কেন্দ্র?

    Congress: কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচীর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে আদালতে কী জানাল কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন কংগ্রেস (Congress) নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী । সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে সেই মামলার শুনানি ছিল। একইসঙ্গে কংগ্রেসের (Congress)  ওই নেতা কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছিলেন।  পুলিশের অতি সক্রিয়তা নিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে রিপোর্টও তলব করেছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তাঁর মন্তব্য ছিল, কোনও নোটিস না পাঠিয়ে নাগরিকের অধিকার ক্ষুন্ন করেছে পুলিশ। কীসের ভিত্তিতে মাঝরাতে পুলিশ কৌস্তভের বাড়ি গেল তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে আদালতে। কেস ডায়েরিও খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে রিপোর্ট তলব করার পাশাপাশি সিআরপিএফের কাছে বিচারক জানতে চান, তারা নিরাপত্তা দিতে পারবে কি না। আজ, সোমবার সমস্ত রিপোর্টই জমা পড়ে। সেখানেই কেন্দ্র জানিয়ে দেয়, সিআরপিএফ-নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়।

    কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তা নিয়ে আদালতে কী জানাল কেন্দ্র? Congress

    কংগ্রেস নেতার বাড়ি সিআরপিএফ মোতায়েন নিয়ে আদালতে শুনানি ছিল। সেখানে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়,কৌস্তভের বাড়িতে আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা সম্ভব নয়। সিআরপিএফ-এর অফিস থেকে কৌস্তভ বাগচীর বাড়ির দূরত্ব বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত বলে আদালতে জানায় কেন্দ্র। অন্যদিকে, এদিন আদালতে রিপোর্টও পেশ করেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা পরামর্শ দেন, এই সমস্যার কোনও সমাধানসূত্র বের করা সম্ভব কি না তা নিয়ে আইনজীবীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করুন। একইসঙ্গে বিচারপতি মান্থা মন্তব্য করেন, কৌস্তভ বাগচী একজন আইনজীবী। মুখ্যমন্ত্রীও সকলের মুখ্যমন্ত্রী। এই দুর্ভাগ্যজনক বিতর্কের শেষ হওয়া দরকার।

    গত ৩ মার্চ মধ্যরাতে আইনজীবী তথা কংগ্রেস (Congress)  নেতা কৌস্তভ বাগচীর বাড়িতে কোনওরকম নোটিস ছাড়াই হানা দেয় পুলিশ। ৪ মার্চ সকালে কৌস্তভকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের ৮ ঘণ্টার মধ্যে জামিনও পেয়ে যান তিনি। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন কৌস্তভ। তাঁর বিরুদ্ধে চলা পুলিশি তদন্তে স্থগিতাদেশ দেয় কোর্ট। কোর্টের অনুমতি ছাড়া কোনও থানা কৌস্তভের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে না বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা। এর আগে রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে কংগ্রেস নেতার বাড়িতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Security:  রাতারাতি তুলে নেওয়া হল বারাকপুর মহকুমার বহু তৃণমূল নেতার নিরাপত্তা রক্ষী, জানেন কী তালিকায় কারা রয়েছেন?

    Security: রাতারাতি তুলে নেওয়া হল বারাকপুর মহকুমার বহু তৃণমূল নেতার নিরাপত্তা রক্ষী, জানেন কী তালিকায় কারা রয়েছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের ছোট, মাঝারি, বড় মাপের নেতাদের নিরাপত্তার জন্য কারও কাছে একজন, কারও কাছে আবার দুজন করে নিরাপত্তা রক্ষী ছিল। কিন্তু, আচমকাই কমিশনারেটে পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ৪১ জন দাপুটে তৃণমূল নেতার কাছে থেকে রাতারাতি নিরাপত্তা রক্ষী তুলে নেওয়া হল। এরমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন। এছাড়া এই তালিকায় জগদ্দলের প্রাক্তন বিধায়ক পরশ দত্ত, উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী রয়েছেন। আর ব্যারাকপুর কমিশনারেট এলাকায় যে সব নেতারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলেন, নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়, খড়দহ পুরসভার কাউন্সিলর সুকণ্ঠ বনিক, নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং, উত্তর দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাস, খড়দহ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সায়ন মজুমদার, নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পরিষদ সদস্য সনত্ দে, ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান পরিষদ সদস্য অমিত গুপ্তা, ভাটপাড়া পুরসভার কাউন্সিলর অরুণ ব্রহ্ম সহ একাধিক নেতা রয়েছেন। অবশ্য বারাকপুর পুলিস কমিশনারেট এর বক্তব্য, পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, পুলিশ কমিশনারেটের এই নির্দেশিকা ঘিরে শাসক দলের অন্দরে নেতাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসতেই অনেক নেতা তাঁদের ক্ষোভের বিষয়টি চেপে রাখতে পারেননি। তাঁদের বক্তব্য, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। এই অবস্থায় নিরাপত্তা না তোলায় দরকার ছিল। অনেকেই ফের নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষী ফিরে পাওয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গায় তদারকি করা শুরু করেছেন। একটি সূত্রে থেকে জানা গিয়েছে, কয়েকজন নেতার ফের নিরাপত্তা রক্ষী ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফলে, অনেকে ফের নিরাপত্তা রক্ষী ফিরে পেতে পারে।

    তৃণমূল নেতাদের কেন নিরপত্তা রক্ষী দেওয়া ছিল?

    ২০২২ সালে রাজ্যের অন্যান্য পুরসভার মতো ব্যারাকপুর মহকুমার সব পুরসভায় পুরভোট হয়। পুরভোটের সময় ১৩ মার্চ পানিহাটি পুরসভার কাউন্সিলর অনুপম দত্তকে আগরপাড়া স্টেশন রোডে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। প্রকাশ্যে এই খুনের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের তৃণমূলের জন প্রতিনিধিরা। পুলিশ কমিশনারের কাছে তাঁরা নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছিলেন। পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে কমিশনারেট এলাকায় অধিকাংশ দাপুটে তৃণমূলের জন প্রতিনিধিদের নিরপত্তা রক্ষীর ব্যবস্থা করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC ODI World Cup 2023: বাড়ানো হল নিরাপত্তা! ভারত-পাক মহারণের সময় আকাশে উড়বে ড্রোন

    ICC ODI World Cup 2023: বাড়ানো হল নিরাপত্তা! ভারত-পাক মহারণের সময় আকাশে উড়বে ড্রোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে ১৪০ কোটি ভারতবাসী, অন্য দিকে ৩৭ কোটি পাকিস্তানি, পাহাড় প্রমাণ চাপ নিয়েই শনিবার মহালয়ার দুপুরে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে হতে চলেছে মহারণ। বিশ্বকাপের (ICC ODI World Cup 2023) মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান, (INDIA VS PAKISTAN) এটাই ক্রিকেটের সেরা উৎসব। শহরের হোটেলগুলিতে কোনও জায়গা নেই। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ৪০ হাজার মানুষ বাইরে থেকে শহরে এসেছেন শুধুমাত্র খেলা দেখার জন্য। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত গুজরাত পুলিশ। 

    নিরাপত্তার ঘেরাটোপ

    ইডেন, চিপক, চিন্নাস্বামী কিংবা কোটলা—প্রতিটি মাঠই শহরের উপকেন্দ্রে। ফলে যে কোনও বড় ম্যাচ ঘিরে সমর্থকদের উত্তেজনার আঁচ সহজে উপলব্ধি করার সুযোগ মেলে। মোতেরায় সেটা নেই। সাধারণ দর্শক তো দূরে থাক, মাঠে আশেপাশের বস্তিগুলো কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। বসেছে বড় গেট। দেওয়া হয়েছে পরিচয়পত্র। নিরাপত্তারক্ষীদের অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাইরে পা ফেলার উপায় নেই। সত্যিই নজিরবিহীন নিরাপত্তা। গুজরাত পুলিশের হাজার হাজার কনস্টেবল থাকছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। দুই দলের জন্য নিযুক্ত হয়েছে এনসিজি কমান্ডো। ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা ঘন ঘন টহল দিচ্ছেন। চলছে নাকা তল্লাশি।

    কেন বাড়ল নিরাপত্তা

    কয়েক দিন আগে ই-মেল করে স্টেডিয়াম উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একটি ‘উড়ো মেল’ ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে গুজরাত প্রশাসনের। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবুও নিশ্চিন্ত হতে পারছে না রাজ্য সরকার। ম্যাচের আগের দিন আরও নিরাপত্তা বাড়ানো হল আহমেদাবাদে। গুজরাত ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি ধনরাজ নাথওয়ানি বলেন, ‘‘আইসিসি ও বিসিসিআইয়ের নির্দেশ মেনেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশ্বকাপের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছি না। ড্রোন দিয়ে নজরদারি চলবে। পাশাপাশি অনেক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। শুধু স্টেডিয়াম নয়, আশপাশের এলাকার দিকেও নজর রাখা হবে। পাশাপাশি দর্শকদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় সে দিকেও লক্ষ্য রাখব।’’

    আরও পড়ুন: পিতৃপক্ষ ও দেবীপক্ষের মিলনক্ষণ মহালয়া! এই দুই পক্ষ আসলে কী?

    আকাশে উড়বে ড্রোন

    নিরাপত্তার স্বার্থে ১২টি ড্রোন ওড়ানো হবে মাঠের চারপাশে। এক টানা ১২ ঘণ্টা ওড়ার ক্ষমতা রয়েছে তাদের। ১২০ মিটার উচ্চতায় উড়তে পারে এই ড্রোনগুলি। প্রত্যেকটিতে উন্নত মানের ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। তার ফলে অনেক নীচ থেকে নজর রাখা যাবে। মাঠের চারদিকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত নজর রাখা হবে ড্রোনগুলি দিয়ে। এছাড়াও নিরাপত্তার জন্য থাকবে গুজরাত পুলিশ, এনএসজি, হোমগার্ড ও র‍্যাফ। সবমিলিয়ে মোট ১১ হাজার জনকে নিরাপত্তাকর্মী মাঠ ও শহরের বিভিন্ন জায়গায় থাকবেন বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। বৈধ প্রবেশপত্র ছাড়া মাঠ চত্বরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।   

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share