Tag: Sheikh Mujibur Rahman

Sheikh Mujibur Rahman

  • Sheikh Hasina: ‘নির্বাসন ভেঙে চলতি বছরই বাংলাদেশে ফিরব’, গোপন ডেরা থেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি হাসিনার

    Sheikh Hasina: ‘নির্বাসন ভেঙে চলতি বছরই বাংলাদেশে ফিরব’, গোপন ডেরা থেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর দুয়েক ধরে দেশের বাইরে থাকতে বাধ্য হলেও, তাঁর মন যে সেই বাংলাদেশেই (Bangladesh) পড়ে রয়েছে, সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।  বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার দাবি, চলতি বছরেই তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর ভাষায়, “এটি ব্যক্তিগত ক্ষমতায় ফেরার প্রশ্ন নয়, বরং বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই।” হাসিনা জানান, তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। বিচারব্যবস্থাকে ব্যবহার করে আওয়ামি লিগকে নেতৃত্বশূন্য করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না’ (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। ১৯৭৫ সালে আমার পরিবারের প্রায় সবাইকে হারিয়েছি। একাধিকবার আমায় হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই মানুষের পাশে থেকেছি। তাই সব বাধা অতিক্রম করে এ বছরই দেশে ফিরব।” আওয়ামি লিগের সাংগঠনিক শক্তি প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “দলটি কাগুজে কোনও সংগঠন নয়, বরং বাংলার মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি রাজনৈতিক শক্তি। অতীতে বহুবার নিষিদ্ধ ও নির্যাতনের শিকার হলেও, প্রতিবারই জনগণের সমর্থনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আওয়ামি লিগ।” তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও অর্থনীতিকে দুর্বল করেছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং উগ্রবাদের বিস্তার ঘটেছে। এসব কারণে জনগণ আওয়ামি লিগের শাসন কালের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে নতুন করে মূল্যায়ন করছে (Sheikh Hasina)।

    ‘নিষেধাজ্ঞা গণতন্ত্রের পরিপন্থী’

    আওয়ামি লিগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “কোনও রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আওয়ামি লিগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক মামলার অবসান এবং রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে (Bangladesh)।” তিনি বলেন, “যদি রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ দেওয়া না হয়, তাহলে জনগণের ক্ষোভই আওয়ামি লিগের জন্য নয়া পথ তৈরি করে দেবে।”

    ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরে যাচ্ছে বাংলাদেশ’

    বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে হাসিনার অভিযোগ, ৫ অগাস্টের পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর ধারাবাহিক আঘাত এসেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে হামলা, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং উগ্রবাদী শক্তির উত্থানের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।” আওয়ামি লিগের রাজত্বে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং সামাজিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও দাবি করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina)।

    ‘গোপন সমঝোতার প্রশ্নই আসে না’

    বিএনপির সঙ্গে আওয়ামি লিগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে গোপন আলোচনার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে হাসিনা বলেন, “গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বিচার কোনও গোপন সমঝোতার বিষয় নয়। এগুলি জনগণের সাংবিধানিক অধিকার।” তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগ কারও দয়ার ওপর রাজনীতি করে না। জনগণের সমর্থন ও সাংবিধানিক অধিকারের ভিত্তিতেই দলটি রাজনীতি করে যাবে (Bangladesh)।”

    সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ

    বাংলাদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, মন্দির ভাঙচুর, লুটপাট, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতায় বাধা অব্যাহত রয়েছে। আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো বলেন, “সংখ্যালঘুরা কোনও ভোটব্যাঙ্ক নন। তাঁরা বাংলাদেশের সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।”

    ‘আমার হৃদয় বাংলাদেশেই’

    নির্বাসিত জীবন প্রসঙ্গে হাসিনা জানান, ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে দেশের মানুষের অধিকারই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রতিদিন দেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখেন, খোঁজখবর নেন দলীয় নেতা-কর্মীদের এবং আন্তর্জাতিক মহলের কাছে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন (Sheikh Hasina)। ই-মেলের মাধ্যমে দেওয়া এই সাক্ষাৎকার পর্বের একেবারে শেষে হাসিনা বলেন, “জনগণের শক্তিতেই বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র ফিরে আসবে। আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামি লিগও ফের ঘুরে দাঁড়াবে (Bangladesh)।”

     

  • Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতৃত্বদানকারী শেখ মুজিবর রহমানকে (Sheikh Mujibur Rahman) বিশ্বাসঘাতক (Traitor) আখ্যা দিল পাক সেনাবাহিনী। মুজিবর বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা। গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশান্তরিত হন তিনি। পাক সেনা শেখ মুজিবরকে পাকিস্তানেরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে তুলনা করেছে। বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান। এত সবের পরেও কোনও প্রতিবাদ করেনি বাংলাদেশ। পাক সেনার এই বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে এটা স্পষ্ট হয় যে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে যে সৌহার্দ্য দেখানো হয়, তা আসলে উপরিতলের এবং স্বল্পমেয়াদি। উভয় পক্ষের আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্খা পূরণের জন্যই এই সম্পর্ক। যদিও সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি ১৯৭১ সালে যুদ্ধের গভীর ক্ষত এখনও দগদগে হয়ে রয়েছে।

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্য (Sheikh Mujibur Rahman)

    ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সৌহার্দ্য সত্যিই ভূ-রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছিল। ২০২৪ সালে এক সহিংস ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ইসলামাবাদ ও ঢাকার ঐতিহাসিক শত্রুতার সম্পর্ক এক ঝটকায় রূপ নেয় বহুল প্রশংসিত কৌশলগত অংশীদারিত্বে। দ্রুত অনুষ্ঠিত হয় দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ, উচ্চপর্যায়ের এবং সামরিক স্তরের কূটনৈতিক সফর। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয়ে একের পর এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় (Sheikh Mujibur Rahman)।

    লোক দেখানো সৌহার্দ্য!

    তবে রাওয়ালপিন্ডি থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বিবৃতি দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ে ওঠা এই নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঘিরে থাকা উচ্ছ্বাসকে ভেঙে দুরমুশ করে দিয়েছে। এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে লোক দেখানো এই সৌহার্দ্য কি কেবলমাত্র উপরিতলের, আর ভেতরে ভেতরে কি এখনও আগুনের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে ছাইয়ের মতো গভীর অবজ্ঞা ও শত্রুতা (Traitor)? যে একই পাক সেনাবাহিনী একদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে একের পর এক প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে, তেমনি অন্যদিকে সেই সেনাবাহিনীই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জনককে হেয় ও অপমান করছে। ফলে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে গড়ে ওঠা এই ঘনিষ্ঠতার নেপথ্যে প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়েই উঠেছ গুরুতর প্রশ্ন।

    জঙ্গি কার্যকলাপ

    পাকিস্তান কি ভারতবিরোধী অবৈধ জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর জন্য বাংলাদেশকে শুধুই একটি ব্যাকইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে? বাংলাদেশ কি ধীরে ধীরে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য একটি উর্বর ও প্রস্তুত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠছে? পাকিস্তান কি বাংলাদেশকে কেবলমাত্র ভারত-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখছে (Sheikh Mujibur Rahman)? শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক মন্তব্য এসব গভীর সন্দেহকে আরও তীব্র করে তুলেছে। প্রসঙ্গত, মুজিবরই সেই মানুষ যিনি বলেছিলেন, “ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও বলব আমি বাঙালি, বাংলা আমাদর দেশ, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে।” তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে ওঠার আগেই তিনি এই নামটির সঙ্গে নিজের অস্তিত্ব এক করেছিলেন। তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচিত হতে পারে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই অর্থে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অভিন্ন (Traitor)।

    দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন

    ১৯৫৫ সালের অগাস্ট মাসে করাচিতে পাকিস্তান জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছিল। দিনটি ছিল ২৫ অগাস্ট। এক পর্যায়ে সংসদে মাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে শেখ মুজিবর রহমান তাঁর গমগমে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরে স্পিকারকে বললেন, স্যার আপনি দেখবেন, ওরা পূর্ববাংলা নামের পরিবর্তে পূর্ব-পাকিস্তান নাম রাখতে চায়। আমরা বহুবার বলেছি, আপনারা এ দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন। বাংলা শব্দটার একটি নিজস্ব ইতিহাস আছে, আছে এর একটা ঐতিহ্য। আপনারা এই নাম পরিবর্তন করতে চাইলে আমাদের জনগণের সঙ্গে আলাপ করতে হবে (Sheikh Mujibur Rahman)।

    বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিল পাকিস্তান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এ দেশের নাম ছিল পূর্ববাংলা। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্রে পূর্ব বাংলার নয়া নামকরণ হয় পূর্ব-পাকিস্তান। সুতরাং, এটা পরিষ্কার পূর্ব বাংলাকে পূর্ব-পাকিস্তান করার যে চক্রান্ত চলছিল, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান জাতীয় সংসদে তার প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি যে এই ভূখণ্ডের নামের ব্যাপারে অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিলেন, এটাই তার প্রমাণ (Traitor)। ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, শেখ মুজিব পূর্ব-পাকিস্তানকে স্বাধীন করতে চাইছেন। এই মামলা দাঁড় করানোর জন্য যে কাগজপত্র প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তার মধ্যে ছিল বেনামে লেখা কতগুলো চিঠি ও একটি চিরকুট। তাতে লেখাছিল, বাংলাদেশ (Sheikh Mujibur Rahman)।

LinkedIn
Share