Tag: Shoaib Akhtar

Shoaib Akhtar

  • Drug Allegations Against Pakistan: শোয়েবরা ভারতে মাদক পাচার করতেন, বিরোধিতাতেই মৃত্যু উলমারের! বিস্ফোরক দাবি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন আমলার

    Drug Allegations Against Pakistan: শোয়েবরা ভারতে মাদক পাচার করতেন, বিরোধিতাতেই মৃত্যু উলমারের! বিস্ফোরক দাবি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন আমলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের (Drug Allegations Against Pakistan) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন আন্ডার সেক্রেটরি আরভিএস মণি। তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার এবং মহম্মদ আসিফ (Shoaib Akhtar-Mohammad Asif) যখনই ভারতে আসতেন, তখনই নিজেদের সঙ্গে মাদক নিয়ে আসতেন। তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানের টিম মাদক চালানের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই ড্রাগ ট্র্য়াফিকিংয়ের ক্ষেত্রে আইএসআই-এর হাত ছিল। মাদক পাচারের বিরোধিতা করার জন্যই পাকিস্তানের প্রাক্তন কোচ বব উলমারকে খুন হতে হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

    মাদক পাচারের বিরোধিতা করাই কাল উলমারের

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন আমলার বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে ক্রিকেটমহলে। ২০০৬ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ করে আরভিএস মণি বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান ক্রিকেট দল বা কোনও প্রতিনিধি দল ভারতে এলে সঙ্গে মাদক নিয়ে আসত। এ ভাবে ভারতে মাদক পাচারের চেষ্টা করত পাকিস্তান। নিজেদের ব্যবহারের জন্য মোটেও মাদক নিয়ে আসতেন না পাক প্রতিনিধি বা খেলোয়াড়েরা। পাকিস্তানের প্রাক্তন কোচ উলমার ক্রিকেটারদের দিয়ে মাদক পাচারের বিরোধিতা করেছিলেন। বিষয়টি পাচারকারীদের পছন্দ ছিল না। তার পর ২০০৭ সালে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর কথা সকলে জানেন।’’ উল্লেখ্য, বব উলমার ২০০৭ সালে ১৮ মার্চ মারা যান। তখন তিনি পাকিস্তান দলের কোচ ছিলেন। আয়ারল্যান্ডের কাছে কিংসস্টোন, জামাইকাতে হারের পর তাঁকে হোটেলে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।

    জঙ্গি হামলার ৩০ শতাংশ অর্থই মাদক পাচার থেকে

    আসলে আরভিএস রবি ছিলেন একজন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অফিসার। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ইন্টারনাল সিকিউরিটি ডিভিশনে কাজ করেছেন। এখন তিনি অবসর কাটাচ্ছেন। ২০১৩ সালের অগাস্টে ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট নেন। ওই সময় তিনি নগরোন্নয়ন দফতরের আন্ডার সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করছিলেন। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর একটি পোডকাস্টেই তিনি ড্রাগ ট্র্যাফিকিং নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন। এই পডকাস্টে তিনি অভিয়োগ করেন, জঙ্গি হামলার ৩০ শতাংশ ফান্ডিং আসে মাদক পাচার থেকে। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতে জঙ্গি হামলার ৩০ শতাংশ অর্থই আসত মাদক ব্যবসা থেকে। আসলে পাকিস্তানের সরকারি নীতিই হল ভারতে মাদক পাচার করা। সে কারণেই আমরা সে সময় বলতাম, জালালাবাদে ফলন বেশি হলে ভারতের উপর হামলাও বেশি হবে।’’

    ক্রিকেটারদের মাধ্যমেও চলত মাদক পাচার

    মণির দাবি, ‘‘ক্রিকেটারদের মাধ্যমেও বেশ কয়েক বার মাদক পাচারের চেষ্টা হয়েছে। শোয়েব আখতার এবং মহম্মদ আসিফ যুক্ত ছিল। এই দুই ক্রিকেটারই মাদক নিয়ে আসার কথা স্বীকার করেছিলেন। তার পর পাকিস্তানের দূতাবাস তাঁদের দেশে ফেরত পাঠিয়েছিলেন।’’ উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে শোয়েব এবং আসিফের শরীরে নিষিদ্ধ ড্রাগ পাওয়া গিয়েছিল। ডোপিংয়ের জন্য শোয়েবক দু’বছরের জন্য এবং আসিফকে এক বছরের জন্য নির্বাসিত করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। দু’জনকেই সে বার ভারতে আয়োজিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল থেকে শেষ মুহূর্তে বাদ পড়তে হয়েছিল। ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হওয়ায় পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়। মণির দাবি, শুধু এই দু’জন নন। পাকিস্তানের আরও কয়েক জন ক্রিকেটার ভারতে মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আসেনি।

  • Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) জঙ্গি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মহলে (Terror Network Connections) নানা অভিযোগ রয়েছে। এবার পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা পেসার শোয়েব আখতারের (Shoaib Akhtar) পরিবারের একটি শোকানুষ্ঠান ঘিরে নতুন করে উসকে দিয়েছে সেই বিতর্ক। শোয়েবের বড় ভাই শাহিদ আখতারের (Shahid Akhtar) জানাজায় লস্কর-ই-তৈবার (LeT)-র একাধিক শীর্ষ নেতার উপস্থিতির ভিডিও এবং ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা।

    শোয়েব আখতারের ভাইয়ের মৃত্যু

    গত ২৪ জুন শাহিদ প্রয়াত হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানান শোয়েব। তিনি “Returned to Allah” লিখে শোকপ্রকাশ করেন এবং জানাজার সময় এবং জায়গা সম্পর্কেও তথ্য ভাগ করে নেন। ইসলামাবাদে আয়োজিত ওই জানাজায় বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    জানাজায় লস্কর নেতারা!

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিও এবং ছবিতে দাবি করা হয়েছে, জানাজায় উপস্থিত ছিলেন লস্কর-ই-তৈবার (LeT) ডেপুটি প্রধান সইফুল্লাহ কাসুরি (Saifullah Kasuri)। সূত্রের দাবি, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও (Pahalgam) জঙ্গি হামলার অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রী তিনি। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগ (Pakistan Markazi Muslim League)-এর সভাপতি ইনাম-উর-রহমান কাম্বোহ (Inam-ur-Rehman Kamboh)-কে-ও। উল্লেখ্য, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগকে লস্কর-ই-তৈবার রাজনৈতিক শাখা হিসেবে দেখা হয়। সংগঠনটি গঠিত হয় জামাত-উদ-দাওয়া (JuD) এবং মিল্লি মুসলিম লিগের (MML) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর। এই দুই সংগঠনের সঙ্গেই রাষ্ট্রসঙ্ঘ ঘোষিত জঙ্গি হাফিজ সইদের (Hafiz Saeed) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। ভিডিওতে আরও যাঁদের উপস্থিতির দাবি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন লস্করের ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি আবদুল্লাহ তুর (Abdullah Toor), PMML-এর জোনাল জেনারেল সেক্রেটারি হাফিজ উমর (Hafiz Umar) এবং খিদমত কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ ভাট্টি (Amjad Bhatti)।

    পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গ

    ভারতের দাবি মতো, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল (Pakistan) জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলায় ২৫ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। হামলার দায় কবুল করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (The Resistance Front বা TRF), যাকে ভারত লস্কর-ই-তৈবার প্রক্সি সংগঠন হিসেবেই চিহ্নিত করে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অভিযোগ, সইফুল্লাহ কাসুরি এই (Terror Network Connections) হামলার অন্যতম মূল চক্রী। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাক সরকার।

    নতুন করে উঠছে প্রশ্ন

    জানাজায় লস্কর নেতাদের প্রকাশ্য উপস্থিতির ভিডিও সামনে আসার পর পাকিস্তানে জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ এবং তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে উঠছে মেলা প্রশ্ন। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, এই ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের স্বাধীনভাবে সক্রিয় থাকার বিষয়টিকেই সামনে তুলে ধরছে। এদিকে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া আর একটি ভিডিওয় সইফুল্লাহ কাসুরিকে দাবি করতে শোনা যায়, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাঁকে বিভিন্ন সরকারি বৈঠক ও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় এবং সেনা সদস্যদের জানাজায় ইমামতি করার অনুরোধও করে। তবে এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, পাকিস্তানের মাটিতে একাধিক জঙ্গি সংগঠন নিরাপদ আশ্রয় ও কার্যকলাপের সুযোগ পেয়ে থাকে। পাকিস্তান অবশ্য (Terror Network Connections) বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা সব (Pakistan) ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরোধী এবং জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে।

     

  • Shoaib Akhtar: ভারত ছাড়া এশিয়া কাপ হয় না! শোয়েব আখতারের কথায় সমালোচনার ঝড় পাকিস্তানে

    Shoaib Akhtar: ভারত ছাড়া এশিয়া কাপ হয় না! শোয়েব আখতারের কথায় সমালোচনার ঝড় পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত না খেললে এশিয়া কাপ জৌলুস হারাবে,অভিমত পাকিস্তানের প্রাক্তন জোরে বোলার শোয়েব আখতারের (Shoaib Akhtar)। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তানে এশিয়া কাপ খেলতে দল পাঠানো হবে না। নাছোড়বান্দা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড-ও। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়ে গিয়েছিল চলতি বছর ৫০ ওভারের এশিয়া কাপ হবে পাকিস্তানে। কিন্তু ভারত পাক-ভূমে দল পাঠাতে নারাজ। এই প্রেক্ষিতে শোয়েবের (Shoaib Akhtar) এই মন্তব্য আগুনে ঘি ঢালল। এ হেন মন্তব্যের জেরে  শোয়েবের কপালে  জুটতে পারে দেশদ্রোহী তকমাও।

    শোয়েবের ভারত-প্রীতি

    ভারতঘেঁষা হিসেবে খ্যাতি রয়েছে শোয়েবের (Shoaib Akhtar)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারতীয়দের থেকে প্রচুর ভালবাসা পেয়েছি। এশিয়া কাপে ভারত না খেললে ওদের অভাব অনুভব করব। এশিয়া কাপ পাকিস্তানে হোক কিংবা শ্রীলঙ্কায়, ভারতের খেলা দেখতে চাই।” প্রাক্তন জোরে বোলারের মতে, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা না খেললে প্রতিযোগিতা আকর্ষণ হারাবে। বিরাট কোহলির ব্যাটিং দেখার জন্যও মুখিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন জোরে বোলার। তিনি বলেছেন, ‘‘কোহলিকে আবার আগের মতো ব্যাট করতে দেখলে আমি এক দমই অবাক হব না। ও যথেষ্ট অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।’’

    দুই বোর্ডের লড়াই

    সম্প্রতি, দুই ক্রিকেট বোর্ডের লড়াইয়ের ফলে এশিয়া কাপ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। প্রতিযোগিতা কোথায়, কীভাবে হবে— তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। ভারতীয় বোর্ডের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের একাংশ। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে সহমত নন শোয়েব (Shoaib Akhtar)।

    আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের! আইপিএলের আগে ছন্দে লিটন

    দু’দিন আগেই ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান নাজম শেঠি। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভারত ছাড়া কোনও দেশ-ই পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে না। যত উদ্বেগ ভারতের। মার্চ মাসেই সমস্যা সমাধানে বৈঠকে বসার কথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির। এর মধ্যে শোয়েবের (Shoaib Akhtar) মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে গোটা পাকিস্তানে। শোয়েবের কথায়, খেলা কোথায় হবে তা নিয়ে ভাবতে চান না তিনি শুধু এশিয়া কাপে ভারতীয় দলকে খেলতে দেখতে চান।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sachin-Shoaib: করাচি টেস্টে সচিনকে ইচ্ছাকৃত আঘাত করতে চেয়েছিলেন! স্বীকারোক্তি শোয়েবের

    Sachin-Shoaib: করাচি টেস্টে সচিনকে ইচ্ছাকৃত আঘাত করতে চেয়েছিলেন! স্বীকারোক্তি শোয়েবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাইশ গজে সচিন-শোয়েব ‘শত্রুতা’ বিশ্বক্রিকেটে একসময় অন্যতম ‘হটকেক’ ছিল। খেলার মাঠে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর দ্বৈরথের সূত্রপাত হয় ইডেন গার্ডেন্স থেকে। তারপর তা দীর্ঘায়িত হয় প্রায় একযুগ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লড়াইয়ে শেষ হাসিটি হেসেছেন ‘মাস্টার ব্লাস্টার’, (Sachin Tendulkar)।

    কিন্তু তাঁকে কুপোকাৎ করার কোনও সুযোগ ছাড়েননি ‘রাউলপিণ্ডি এক্সপ্রেস’ ওরফে শোয়েব আখতার (Shoaib Akhtar)। এমনকি একবার নাকি জেনেবুঝে শারীরিক আঘাতও করতে চেয়েছিলেন সচিনকে। সম্প্রতি এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছে প্রাক্তন পাক-পেসার।    

    আরও পড়ুন: নিজের স্বপ্নের একাদশ খোলসা করলেন শচীন, কারা রয়েছেন সেই দলে?
     
    ২০০৬ সালের ভারতের পাকিস্তান সফরের ঘটনা। শোয়েব এক সাক্ষাৎকারে জানান, “আমি বিষয়টা পরিষ্কার করে জানাতে চাই। ২০০৬ সালে করাচি টেস্টে আমি সচিনকে ইচ্ছাকৃত ভাবে আঘাত করতে চেয়েছিলাম। যেভাবেই হোক সেই টেস্টে আমি সচিনকে আহত করতে বদ্ধপরিকর ছিলাম। ইনজামাম বারবার উইকেট বরাবর বল করতে বলছিল। কিন্তু আমার লক্ষ্য ছিল সচিনকে হিট করা। একবার আমার বল ওর হেলমেটে লাগে। ভেবেছিলাম বোধহয় মারা যাবে। কিন্তু পরে যখন ভিডিও দেখলাম, তখন দেখি সচিন নিজের মাথা বাঁচিয়ে নিয়েছে। এরপরও আমি ওকে আঘাত করার চেষ্টা করি। অন্যদিকে আসিফের বলে ব্যাট করতেও হিমশিম খাচ্ছিল ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। আসিফ দারুণ বল করেছিল।’ 

    সিরিজটি হাতছাড়া হয় ভারতীয় ক্রিকেট দলের। তৃতীয় ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে আউট হন সচিন। এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬ রান করেন তিনি। এই টেস্টেই হ্যাটট্রিক করেন ইরফান পাঠান। প্রথম ইনিংসে চারটি ও দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটি উইকেট নিয়ে আসিফ বেশ চাপে ফেলেছিলেন ভারতীয় দলকে। ৩৪১ রানের ব্যবধানে জয়ী হয় পাকিস্তান। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পাকিস্তানের কাছে হেরে যায় ভারত।  

    আরও পড়ুন: বলিউডে পা রাখছেন সচিন-কন্যা সারা, জল্পনা বি-টাউনে

    এর আগে আসিফ একটি সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছিলেন যে, “করাচি টেস্টে (Karachi Test) শোয়েবের বলের মুখোমুখি হতে অনেক সময়ই নিজের চোখ বন্ধ করে নিচ্ছিলেন সচিন। এক্সপ্রেসের গতিতে বল করছিলেন শোয়েব।” 

    কেন এমন হিংসাত্মক হয়ে উঠেছিলেন শোয়েব? উত্তরে পাক-পেসার জানিয়েছেন,  আগ্রাসী মেজাজ এই ভাবনার মূল কারণ। যেন-তেন-প্রকারে সচিনের ব্যাট সেই মুহূর্তে থামাতে চেয়েছিলেন তিনি। দলের জয়ের পথে সচিনকেই সবচেয়ে বড় কাঁটা বলে মনে করেছিলেন ওই ফাস্ট বোলার। যদিও অনেক চেষ্টার পরেও সচিনকে ওই টেস্টে আউট করতে পারেননি শোয়েব। 

     

LinkedIn
Share