Tag: Shubman Gill

Shubman Gill

  • Vaibhav Sooryavanshi: চোখের জলে শেষ আইপিএল! ডাগআউটে ভেঙে পড়ল বৈভব, কাপ না জিতলেও কিশোর সূর্যবংশী জিতল মন

    Vaibhav Sooryavanshi: চোখের জলে শেষ আইপিএল! ডাগআউটে ভেঙে পড়ল বৈভব, কাপ না জিতলেও কিশোর সূর্যবংশী জিতল মন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৫ বছর। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত নাম এই কিশোর। ব্যাট হাতে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে আইপিএল ২০২৬-কে নিজের মঞ্চে পরিণত করেছিল বৈভব সূর্যবংশী। তবে ক্রিকেট যে শুধুই পরিসংখ্যানের খেলা নয়, তা আরও একবার প্রমাণ হল শুক্রবার রাতে। ব্যক্তিগতভাবে দুরন্ত ইনিংস খেলেও দলের পরাজয় মেনে নিতে পারল না রাজস্থান রয়্যালসের এই কিশোর তারকা। গুজরাট টাইটান্সের কাছে কোয়ালিফায়ার-২ ম্যাচে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর ডাগআউটে বসেই চোখের জল ফেলতে দেখা গেল তাকে।

    পঞ্জাবের মুল্লানপুরে অবস্থিত মহারাজা যাদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে টেলিভিশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে আবেগঘন সেই দৃশ্য। রাজস্থানের ডাগআউটে চুপচাপ বসে বৈভব। মুখে হতাশার ছাপ, চোখে জল। পরিস্থিতি সামাল দিতে তার পাশে এসে দাঁড়ান সতীর্থরা। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাডেজাকেও দেখা যায় কিশোর ক্রিকেটারকে সান্ত্বনা দিতে। দলের সাপোর্ট স্টাফ ও ম্যানেজার রোমি ভিন্দরও তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। একসময় ক্যামেরার নজর এড়াতে তোয়ালে দিয়ে মুখ ঢাকতেও দেখা যায় বৈভবকে।

    আবারও ব্যাট হাতে বিস্ফোরণ

    ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসকে বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয় বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ৪৭ বলে ৯৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে সে। শুরুতে মহম্মদ সিরাজ ও কাগিসো রাবাডার বিরুদ্ধে কিছুটা সতর্ক থাকলেও পরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেয়। একসময় মনে হচ্ছিল আরও একটি শতরান অপেক্ষা করছে তার ব্যাটে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৯৬ রানেই থামতে হয়। ফলে শেষ চার ইনিংসের মধ্যে তৃতীয়বার নব্বইয়ের ঘরে আউট হওয়ার হতাশা সঙ্গী হয় তার। তবে বৈভবের এই ইনিংসের সুবাদেই রাজস্থান রয়্যালস নির্ধারিত ২০ ওভারে ২১৫ রানের বিশাল স্কোর তোলে। সেই মুহূর্তে অনেকেই মনে করেছিলেন, ফাইনালে ওঠার পথে এগিয়ে রয়েছে রাজস্থান।

    গিল-সুধর্শনের ঝড়ে উড়ে গেল রাজস্থান

    কিন্তু রান তাড়ায় নেমে গুজরাট টাইটান্সের দুই ওপেনার শুভমন গিল এবং সাই সুদর্শন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। দু’জনে মিলে মাত্র ৭৭ বলে ১৬৭ রানের বিধ্বংসী উদ্বোধনী জুটি গড়েন। সাই সুধর্শন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও গিল অত্যন্ত পরিণত ইনিংস খেলেন। মাত্র ৪৭ বলে শতরান পূর্ণ করে গুজরাটকে জয়ের একেবারে কাছে পৌঁছে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সাত উইকেট হাতে রেখেই ২১৫ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে গুজরাট টাইটান্স। এর ফলে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যায় রাজস্থান রয়্যালসের।

    হারলেও ইতিহাস গড়ল বৈভব

    রাজস্থান ফাইনালে উঠতে না পারলেও বৈভব সূর্যবংশীর আইপিএল ২০২৬ মরশুম ক্রিকেট ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নেবে। ১৬ ম্যাচে সে করেছে ৭৭৬ রান। গড় ৪৮.৫০ এবং অবিশ্বাস্য ২৩৭.৩১ স্ট্রাইক রেট। মরশুম শেষে তার মাথাতেই ওঠে অরেঞ্জ ক্যাপ। কিন্তু শুধু রান নয়, গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই একের পর এক রেকর্ড গড়েছে এই কিশোর বিস্ময়।

    আইপিএল ২০২৬-এ বৈভব সূর্যবংশীর উল্লেখযোগ্য কীর্তি—

    • ● বলের হিসেবে সবচেয়ে দ্রুত ১,০০০ আইপিএল রান (৪৪০ বল)
    • ● ইনিংসের হিসেবে দ্বিতীয় দ্রুততম ১,০০০ আইপিএল রান (২৩ ইনিংস)
    • ● টি-২০ ইতিহাসে এক মরশুমে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৫০০ পাওয়ারপ্লে রান
    • ● এক টি-২০ প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক পাওয়ারপ্লে রানের রেকর্ড
    • ● ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে কিশোর ক্রিকেটার হিসেবে অন্যতম সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ
    • ● ৭৭৬ রান, স্ট্রাইক রেট ২৩৭-এরও বেশি
    • ● এক আইপিএল মরশুমে সর্বাধিক ৬৫টি ছক্কা

    সংখ্যার বাইরে এক মানবিক ছবি

    বৈভব সূর্যবংশী নিঃসন্দেহে আইপিএল ২০২৬-এর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার। বিশ্বের সেরা বোলারদের বিরুদ্ধে তার নির্ভীক ব্যাটিং, ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা এবং রেকর্ড ভাঙার ধারাবাহিকতা ক্রিকেটপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছে। তবে মরশুমের শেষ রাতে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রইল না তার ৭৭৬ রান, ৬৫ ছক্কা কিংবা অরেঞ্জ ক্যাপ। বরং ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে থেকে যাবে ডাগআউটে বসে থাকা এক কিশোরের চোখের জল— যে নিজের সেরাটা দেওয়ার পরও দলকে ফাইনালে তুলতে পারেনি। সম্ভবত এটাই খেলাধুলার সবচেয়ে নির্মম এবং একইসঙ্গে সবচেয়ে সুন্দর দিক। ব্যক্তিগত সাফল্য যত বড়ই হোক, দলের স্বপ্ন ভেঙে গেলে একজন প্রকৃত প্রতিযোগীর কাছে তার মূল্য অনেক কম। আর সেই কারণেই পরাজয়ের রাতে চোখের জলে ভেঙে পড়া বৈভব সূর্যবংশী আরও একবার প্রমাণ করল, সে শুধু এক অসাধারণ প্রতিভাই নয়, দলের জন্য নিবেদিত এক প্রকৃত যোদ্ধাও।

    কাপ হয়ত অধরা থেকে গেল, কিন্তু কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর মন জিতে নিয়েছে ১৫ বছরের কিশোর।

  • Indian Men’s Cricket Team: নতুন বছরে ঠাসা সূচি, জেনে নিন ২০২৬ সালে কোথায় কাদের বিরুদ্ধে খেলবে টিম ইন্ডিয়া?

    Indian Men’s Cricket Team: নতুন বছরে ঠাসা সূচি, জেনে নিন ২০২৬ সালে কোথায় কাদের বিরুদ্ধে খেলবে টিম ইন্ডিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে টিম ইন্ডিয়ার ক্রিকেট মরশুম শুরু হচ্ছে আগামী ১১ জানুয়ারি। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত। নতুন বছরে টিম ইন্ডিয়া ঘরোয়া সিরিজ, বিদেশ সফর এবং আইসিসির বড় টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। ২০২৭ একদিনের বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মাদের কাছে।

    জানুয়ারি থেকে জুনের লড়াই

    ২০২৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত। ১১, ১৪ ও ১৮ জানুয়ারি খেলা তিনটি হবে বরোদা, রাজকোট ও ইন্দোরে। এরপর রয়েছে কিউয়িদের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ। ২১, ২৩, ২৫, ২৮ ও ৩১ জানুয়ারি খেলাগুলি হবে নাগপুর, রায়পুর, গুয়াহাটি, বিশাখাপত্তনম ও তিরুঅনন্তপুরমে। এরপর রয়েছে ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বকাপ। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে হবে টুর্নামেন্ট। খেলা শুরু ৭ ফেব্রুয়ারি। ফাইনাল ৮ মার্চ। এরপর মার্চের শেষে শুরু হয়ে যাবে আইপিএল। চলবে মে মাস অবধি। আইপিএলের পর আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবে টিম ইন্ডিয়া। জুনে আফগানিস্তান আসবে ভারতে। খেলবে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে। দিন এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

    জুলাই-আগস্টে ইংল্যান্ড সফর

    জুলাইয়ে ভারত যাবে ইংল্যান্ড সফরে। খেলবে পাঁচটি টি–টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে। ১, ৪, ৭, ৯, ১১ জুলাই টি–টোয়েন্টি ম্যাচগুলি হবে চেস্টার লি স্ট্রিট, ম্যাঞ্চেস্টার, নটিংহ্যাম, ব্রিস্টল ও সাউদাম্পটনে। আর ১৪, ১৬ ও ১৯ জুলাই একদিনের ম্যাচগুলি হবে বার্মিংহাম, কার্ডিফ ও লর্ডসে। আগস্টে ভারত যাবে শ্রীলঙ্কা সফরে। খেলবে দুই টেস্টের সিরিজ। এই সিরিজের দিনও এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

    সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২২ গজের লড়াই

    সেপ্টেম্বরে ভারত যাবে বাংলাদেশ সফরে। খেলবে তিনটি ওয়ানডে ও সমসংখ্যক টি–টোয়েন্টি ম্যাচ। এরপর ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবর চলবে এশিয়ান গেমসে। জাপানে এই টুর্নামেন্টে আবার ক্রিকেট ফিরছে। এরপর আবার আফগানিস্তান আসবে ভারতে। খেলবে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ। এরপর দেশের মাটিতে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ওয়ানডে ও পাঁচ টি–টোয়েন্টির সিরিজ। অক্টোবর–নভেম্বরে ভারত যাবে নিউজিল্যান্ড সফরে। খেলবে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও পাঁচটি টি–টোয়েন্টি। এই সিরিজের দিন এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কা আসবে ভারত সফরে। রয়েছে তিনটি ওয়ানডে ও সমসংখ্যক টি–টোয়েন্টি ম্যাচ।

    টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দখলে রাখার লড়াই

    এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যই দেশের মাটিতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০২৪ সালে জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। তাই বিশ্বকাপ রক্ষার দায়িত্ব এবার সূর্যদের। দলও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই মেগা টুর্নামেন্ট। সূর্যকুমার যাদবের অধিনায়কত্বে এই টুর্নামেন্টে খেলতে নামবে ভারত। কিউয়িদের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে নিজেদের একবার যাচাই করে নেবেন সূর্যরা।

     

  • India T20 World Cup Squad: টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা ভারতের, বাদ শুভমান, ফিরলেন রিঙ্কু-ইশান

    India T20 World Cup Squad: টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা ভারতের, বাদ শুভমান, ফিরলেন রিঙ্কু-ইশান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যটার সূর্যকুমারের ফর্ম নিয়ে চিন্তা থাকলেও, অধিনায়ক সূর্যকুমারের ওপরই ভরসা রাখল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। আর তাই, আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে, সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বেই খেলবে ভারত।

    শনিবার, টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল বিসিসিআই। তাতে সবচেয়ে বড় চমক, সহ-অধিনায়ক শুভমান গিলের বাদ পড়া। বেশ কিছু দিন ধরেই, ক্রিকেটের কনিষ্ঠ ফর্ম্যাটে রান পাচ্ছিলেন না শুভমান। সদ্যসমাপ্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজেও তেমনভাবে দাগ কাটতে পারেননি টেস্ট দলের অধিনায়ক। যে কারণে, তাঁর বাদ পড়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিলই। তাতে শিলমোহর দিল টিম ম্যানেজমেন্ট।

    দলে জায়গা পেলেন যাঁরা…

    এদিনের মুম্বইয়ে বোর্ডের সদর দফতরে বৈঠকে বসে অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচক কমিটি। ছিলেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও। বৈঠকের পর দল ঘোষণা বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ, তাই দলে চার জন নিয়মিত স্পিনারকে রাখা হয়েছে। স্পিন বোলিং আক্রমণে রাখা হয়েছে দুই লেগ স্পিনার কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তীকে। তাঁদের সঙ্গে অলরাউন্ডার কোঠায় আছেন অক্ষর প্যাটেল ও ওয়াশিংটন সুন্দর। ঘোষিত ১৫ জনের দলে ডাক পেয়েছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার ইশান কিসান। সঞ্জু স্যামসনের বিকল্প ব্যাটার এবং বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে তাকে। পেস বোলিং আক্রমণে অবধারিতভাবে আছেন জসপ্রীত বুমরা। তার সঙ্গে অর্শদীপ সিং ও হার্শিত রানাকে নেওয়া হয়েছে। পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে রাখা হয়েছে হার্দিক পান্ডিয়া ও শিভম দুবেকে।

    বিশ্বকাপের ঘোষিত ১৫…

    ভারতের দলটা এরকম: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), জশপ্রীত বুমরা, অর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), ওয়াশিংটন সুন্দর, ইশান কিসান (উইকেটকিপার), রিঙ্কু সিং।

    ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু বিশ্বকাপ

    ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপ। যুগ্ম আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। ফাইনাল ৮ মার্চ। গত বারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত প্রথম দিনই এই টুর্নামেন্টে তাদের অভিযান শুরু করছে। ৭ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে প্রথম ম্যাচ খেলবে টিম ইন্ডিয়া। বোর্ড জানিয়েছে, বিশ্বকাপের এই দলই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জানুয়ারিতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে।

  • India Vs South Africa: ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না, আমরা পারিনি’’ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর মানলেন গম্ভীর

    India Vs South Africa: ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না, আমরা পারিনি’’ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর মানলেন গম্ভীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেস্টে অপরাজিত রইল বাভুমার নেতৃত্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকা (India Vs South Africa)। ভারতের মাটিতে ১৫ বছর পর টেস্ট ম্যাচে জয় পেল প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৯৩ রানে অলআউট হয়ে গেল ভারতীয় দল। ইডেন গার্ডেন্সে ৩০ রানে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ শেষে দলের ব্যর্থতা মেনে নিলেন কোচ গৌতম গম্ভীর। জানালেন, পিচ নিয়ে কোনও ক্ষোভ নেই তাঁর। ভারতীয় দলের হেড কোচের কথায়, ‘আমরা এই পিচই চেয়েছিলাম। আমরা যে পিচ চেয়েছি সেই পিচই পেয়েছি। এখানকার কিউরেটর আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন। আমার মনে হয় না এই উইকেটে ব্যাটিং করা কঠিন ছিল। এই উইকেট মানসিক কাঠিন্যের পরীক্ষা নেয়। যারা ভালোভাবে রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করতে পেরেছে, তারা রান করেছে।’

    পিচ নয়, দল পারেনি মানলেন গম্ভীর

    শনিবার খেলার শেষে পুজারা বলেছিলেন, ইডেন গার্ডেন্সের এই পিচে চতুর্থ ইনিংসে ১২০ রান তাড়া করাও কঠিন হতে পারে। তাঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে দিলেন ঋষভ পন্থেরা। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস ১৫৩ রানে শেষ হওয়ায় ভারতের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৪ রান। সেই রান তুলতেই কেঁপে গেল শুভমন গিলহীন ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ। ৯৩ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। নিজেদের পছন্দের পিচে ৩০ রানে হেরে গেল গৌতম গম্ভীরের দল। পিচ নিয়ে তিন দিন ধরে নানা কথা হলেও গম্ভীর ম্যাচ হেরে কোনও অভিযোগ করলেন না। বরং নিজেদের ব্যর্থতা মেনে নিলেন। গম্ভীর মানতে চাননি ইডেনের ২২ গজ স্পিন সহায়ক ছিল। জোরে বোলারদের বেশি উইকেট পাওয়ার তথ্যকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছেন। রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গম্ভীর বলেছেন, ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না। খেলার উপযোগী ছিল। টেম্বা বাভুমা তো রান করল। ওয়াশিংটন সুন্দরও ভাল ব্যাট করল। অক্ষরও তো খেলল। খেলা যাবে না, এমন উইকেট তো ছিল না। জানি না কেন বার বার স্পিন সহায়ক পিচ বলা হচ্ছে! জোরে বোলারেরাই বেশি উইকেট পেয়েছে এই টেস্টে। ব্যাটারদের টেকনিক, মানসিক শক্তি এবং ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয় এ রকম পিচে। আমরা পারিনি।’’

    ভারতের কাঁটা বাভুমা

    ভারতের (India Vs South Africa) লক্ষ্য ‘কঠিন’ করে দিলেন টেম্বা বাভুমা। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ককে আউট করতেই পারলেন না জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ, রবীন্দ্র জাদেজারা। ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন চোট সারিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ব্যাটার। ম্যাচের প্রথম দিনই ইডেনের ২২ ব্যাটারদের বধ্যভূমি হিসাবে চিহ্নিত হয়ে গিয়েছিল। সেই পিচেই অপ্রতিরোধ্য দেখাল বাভুমাকে। ১৩৬ বলের ইনিংসে নিজের দলকে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে দিলেন বাভুমা। একমাত্র ব্যাটার হিসাবে ইডেন টেস্টে অর্ধশতরান করলেন। ৫০ রান করতেই ইডেনের দর্শকেরা দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানালেন তাঁকে। বাভুমার লড়াই ছাড়া রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ভাল ব্যাট করলেন করবিন বসও (২৫)। তিনি আউট হওয়ার পর অবশ্য ভারতকে বেশি বেগ পেতে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকাকে অল আউট করতে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সফলতম জাদেজা ৫০ রানে ৪ উইকেট নেন। ২ রানে ২ উইকেট সিরাজের। ৩০ রানে ২ উইকেট কুলদীপ যাদবের। ১টি করে উইকেট নেন অক্ষর এবং বুমরা।

    কেমন খেলল ভারত

    ওয়াশিংটন সুন্দর (৩১) ছাড়া ভারতের আর কারও মধ্যে বাভুমাসুলভ লড়াই দেখা গেল না। প্রথম ওভারেই মার্কো জানসেনের বলে আউট হয়ে যান যশস্বী জয়সওয়াল (০)। তৃতীয় ওভারে জানসেন তুলে নেন লোকেশ রাহুলের (১) উইকেট। ১ রানে ২ উইকেট হারানো দলের ইনিংস মেরামত করার চেষ্টা করেন ওয়াশিংটন এবং ধ্রুব জুরেল। উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়ার পর সাইমন হারমারকে অযথা ছক্কা মারতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিলেন জুরেল (১৩)। এর পর হারমারের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে দলকে খাদের কিনারায় পৌঁছে দেন পন্থ (২)। লাভ হয়নি জাদেজার (১৮) আগ্রাসী ব্যাটিংয়েও। ২২ গজের এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে চেষ্টা করে গেলেন ওয়াশিংটন। তাঁকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে পারলেন না কেউ। অক্ষর শেষবেলায় আগ্রাসী ব্যাটিং করে চেষ্টা করেছিলেন একটা। কিন্তু হারমারের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে গেলেন ২৬ রান করে। বাউন্ডারির দিকে মুখ করে দৌড়ে দুরন্ত ক্যাচ নিলেন বাভুমা। তাঁর ওই ক্যাচই ১৫ বছর পর ভারতের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট জয় নিশ্চিত করে দেয়। স্পিন সহায়ক উইকেটে সাইমন হারমারের বল খেলতে সমস্যা পড়লেন ভারতীয়েরা। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট নিলেন। খরচ করলেন ২১ রান। ১৫ রানে ২ উইকেট মার্কো জানসেনের। ৩৭ রানে ২ উইকেট কেশব মহারাজের।

    লজ্জার রেকর্ড

    দেশের মাটিতে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে এটি ভারতের (India Vs South Africa) সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০০৬ সালে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ ইনিংসে ১০০ রানে অল আউট হয়েছিল ভারত। সেই রেকর্ড এ দিন ভেঙে গেল। সব মিলিয়ে টেস্টে এটি ভারতের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান তাড়া করতে গিয়ে হার। ১৯৯৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বার্বাডোজে ১২০ রান তাড়া করতে পারেনি ভারত। দেশের মাটিতে এটিই ভারতের সর্বনিম্ন রান তাড়া করতে গিয়ে হার। গত বছর স্পিন সহায়ক উইকেটে খেলতে গিয়ে নিউ জ়িল্যান্ডের কাছে ০-৩ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ় হেরেছিল গম্ভীরের ভারত। এ বার হার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। একই ভাবে। দু’টেস্টের সিরিজ় জেতার আর সুযোগ নেই ভারতের সামনে। গুয়াহাটিতে জিতে খুব বেশি হলে ড্র করতে পারেন শুভমনেরা।

  • India vs South Africa: নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ইডেন, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্যে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত ভারত

    India vs South Africa: নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ইডেন, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্যে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে কলকাতা। ইডেনে শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত–দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট। তবে, দিল্লি বিস্ফোরণের পর দেশে জারি হয়েছে উচ্চ সতর্কতা তাই নিরাপত্তায় কোনওরকম ফাঁক রাখতে চায় না কলকাতা পুলিশ। গোটা ইডেনকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। খেলা চলাকালীন দর্শকদের ভিড়ের মধ্যেই থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশ, আর বাইরে–ভিতরে ফেন্সিং জুড়ে মোতায়েন থাকবে বিশাল বাহিনী। ক্লাবহাউস ও ভিভিআইপি জোনেও থাকবেন সিনিয়র অফিসাররা। এছাড়াও স্টেডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, কুইক রেসপন্স টিম (QRT) সহ একাধিক বিশেষ ইউনিট মোতায়েন থাকবে।

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য

    ছ’বছর পর আবার ইডেন গার্ডেনে ফিরছে টেস্ট ক্রিকেট। বহুপ্রতীক্ষিত ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্ৰিকা (India vs South Africa) ম্যাচকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে উন্মাদনা। কিন্তু ভারত অধিনায়ক শুভমন গিল জানিয়ে দিলেন, এই ম্যাচ শুধু আবেগ নয়। বরং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের পথে এক বড় পরীক্ষা। আর তাই প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকাকে তিনি যেমন সমীহ করছেন, তেমনই চ্যালেঞ্জ নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত বলেও জানালেন। গিল বলেন, “বুধবার পিচ যেমন দেখেছিলাম, আজ এসে দেখছি একটু আলাদা। কাল সকালে আবার দেখলেই নিশ্চিতভাবে বোঝা যাবে। আপাতত দেখে মনে হচ্ছে পিচ শুকনো, যেখানে রিভার্স সুইং ভূমিকা নিতে পারে।”

    ইডেনের পিচ নিয়ে চিন্তা

    ইডেনের কিউরেটরের কাছে ভারতীয় দল নাকি আবদার করেছে প্রথম দিন থেকেই বল টার্ন করানোর। তবে গিল এও মনে করিয়ে দেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার হাতেও মহারাজ, মুত্থুস্বামী, হারমারের মতো স্পিনার আছে। তাই লড়াই যে সমানে সমান হবে, সেটা বলাই যায়।” রঞ্জিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও মহম্মদ শামির বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই গিল স্পষ্টভাবে বলেন, “শামি ভাইয়ের মতো বোলারকে বাদ দেওয়া সত্যিই কঠিন। কিন্তু সিরাজ, বুমরাহ, আকাশ প্রত্যেকেই দারুণ ফর্মে আছে। এই সিদ্ধান্ত নির্বাচকদের। আমাদের পেসাররা জানে, ভারতের পিচে কীভাবে সফল হতে হয়।” সিরিজের গুরুত্বের প্রসঙ্গে গিল বলেন, “বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে গেলে এই সিরিজে ভালো খেলতেই হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা খুবই শক্তিশালী দল। কঠিন মুহূর্ত আসবে, কিন্তু আমরা জানি কীভাবে সেটা সামলাতে হয়। চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত আমরা।”

    নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ইডেন

    দিল্লি বিস্ফোরণের পর শুধু মাঠের ভিতরে নয়, ইডেনের চারপাশেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে তৈরি হচ্ছে বাঙ্কার, যেখানে থাকবেন কমব্যাট ফোর্সের সদস্যরা। স্টেডিয়াম ঘিরে বেশ কয়েকটি রাস্তায় শুক্রবার থেকে যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ আনা হবে। এছাড়াও স্টেডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, কুইক রেসপন্স টিম (QRT) সহ একাধিক বিশেষ ইউনিট মোতায়েন থাকবে। ম্যাচের ৫ দিন ইডেন গার্ডেন সহ ময়দান এলাকায় সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত সমস্ত রকম পণ্যবাহী যানচলাচল (Kolkata) বন্ধ রাখা হবে।

    দুরন্ত ফর্মে ভারত

    শুভমান গিলের (Shubman Gill) নেতৃত্বে ভারতীয় নতুন টেস্ট দল বর্তমানে দুরন্ত ফর্মে রয়েছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের (India vs England Test Series) বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ড্র করেছিল ব্লু ব্রিগেডরা। এরপর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের (India vs West Indies Test Series) বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে জয় ছিনিয়ে নিয়ে প্রভাব ফেলেছে তারা। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa Test Series) বিপক্ষে লাল বলের ক্রিকেটে মাঠে নামতে চলেছে ঋষভ পন্থরা (Rishabh Pant)। এই বছর প্রথমবারের মতো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (WTC) ফাইনালে পৌঁছেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তারা ফাইনালে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার (AUS vs SA) বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল। গুরুত্বপূর্ণ ফাইনালে শক্তিশালী অজি বাহীনিদের ৫ উইকেটে হারিয়ে আইসিসি (ICC) ট্রফি জয় করে প্রোটিয়ারা। ফলে ভারতের বিপক্ষে তাদের আসন্ন টেস্ট সিরিজ জমজমাট হয়ে উঠতে চলেছে।

     

  • India vs Australia:  চার ঘণ্টা দেরিতে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছল ভারতীয় দল, কোহলির পোস্ট ঘিরে অবসরের জল্পনা

    India vs Australia: চার ঘণ্টা দেরিতে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছল ভারতীয় দল, কোহলির পোস্ট ঘিরে অবসরের জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) কি এবার পুরোপুরি প্রাক্তন! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আঙিনায় আর কতদিন খেলবেন বিরাট ভাই, এখন সেই প্রশ্নই চলছে কোহলি অনুরাগীদের মনে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে অস্ট্রেলিয়ার (India vs Australia) পার্‌থে গিয়ে পৌঁছেছে ভারতীয় দল। সেই দলে রয়েছেন বিরাট কোহলিও। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে তিনি এমন একটি পোস্ট করেছেন, যা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, কোহলি হয়তো এক দিনের ক্রিকেট থেকেও অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে ফেলেছেন। আবার অন্য অংশের ধারণা, কোহলি খেলা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কতটা দায়বদ্ধ সেটাই বোঝা গিয়েছে পোস্টে। বৃহস্পতিবার ঠিক সকাল ১০টায় ১৩ শব্দের একটি পোস্ট লিখেছেন কোহলি। বাংলায় তার অর্থ, “যখনই কেউ হাল ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তখনই সে সত‍্যিকারের ব্যর্থ।”

    কোহলির পোস্ট ঘিরে জল্পনা

    কোহলির এই পোস্টের সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনার মিল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অস্ট্রেলিয়া সিরিজে কোহলি এবং রোহিত শর্মা ব্যর্থ হলে এটাই তাঁদের শেষ সিরিজ হতে চলেছে। ভবিষ্যতে হয়তো ভারতীয় দলে তাঁদের আর বিবেচনা করা হবে না। দুই তারকা ক্রিকেটারই এখন শুধু ৫০ ওভারের ক্রিকেটে খেলেন। তাই অস্ট্রেলিয়া সিরিজে সাফল্য পাওয়া দু’জনের কাছেই জরুরি। ভাল খেলার ব্যাপারে তিনি কতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সেটাই কোহলির পোস্টে ধরা পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কোহলি হয়তো এখনই খেলা ছাড়ার কথা ভাবতে চান না। তাঁর স্বপ্ন ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলা। তাই জন্যই তিনি হাল না ছাড়ার বার্তা দিয়েছেন। কারণ অবসরের ভাবনা মাথায় আনলেই হয়ত তিনি ব্যর্থ হতে পারেন।

    পারথে পৌঁছল ভারতীয় দল

    অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ (India vs Australia) শুরুর আগেই সমস্যায় পড়েছে ভারতীয় দল। চার ঘণ্টা দেরিতে সে দেশে পৌঁছোছে ভারতীয় দলের একাংশ। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে প্রথম দল পৌঁছেছে পার্‌থে। হোটেলে গিয়ে সটান নিজেদের ঘরে চলে গিয়েছেন ক্রিকেটারেরা। সকলকেই ক্লান্ত এবং বিধ্বস্ত দেখিয়েছে। দিল্লি থেকে ১৫ অক্টোবর সকাল ৯টার বিমানে সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা ছিল ভারতীয় দলের। সেখান থেকে পার্‌থের বিমান ধরার কথা ছিল। সব ঠিকঠাক থাকলে বুধবার রাতের মধ্যেই পার্‌থে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল ভারতের। তা হয়নি। দিল্লি থেকে বিমানই ছেড়েছে প্রায় চার ঘণ্টা দেরিতে, দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ। স্বাভাবিক ভাবেই সিঙ্গাপুর থেকে নির্ধারিত বিমান ধরতে পারেনি ভারতীয় দল। সিঙ্গাপুর থেকে পরের বিমানে কোহলিরা পৌঁছোন পার্‌থে। হোটেলে ঢোকেন ভোর প্রায় ৪টে নাগাদ। টিম বাস থেকে প্রথমেই নেমে আসেন রোহিত (Rohit Sharma)। তার পর কোহলি, শ্রেয়স আয়ার, শুভমন গিল, কেএল রাহুল, যশস্বী জয়সওয়াল, অর্শদীপ সিং, হর্ষিত রানারা একে একে নেমে হোটেলে ঢুকে যান।

    রোহিত-কোহলিকে ঘিরে উন্মাদনা

    অস্ট্রেলিয়ায় মিচেল মার্শদের বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ান ডে এবং পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলবে ভারতীয় দল। ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু হবে সিরিজ। শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় দলের জন্য বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। তার পরেও ভারতীয় দলের টিম হোটেলের বাইরে কিছু ভক্ত অপেক্ষা করছিলেন প্রিয় নায়কদের এক ঝলক দেখার আশায়। তবে ক্লান্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা ভক্তদের ছবি তোলা বা সই শিকারিদের খুব একটা সুযোগ না দিয়ে হোটেলে প্রবেশ করেন। রোহিত, কোহলিকে (Virat Kohli) নিয়েই উৎসাহ ছিল বেশি। এক সমর্থক হাজির হয়েছিলেন দু’জনের ছবি দিয়ে বাঁধানো একটি ফ্রেম নিয়ে। ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের আশা দুই মহাতারকা রোহিত ও বিরাট অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজে দারুণ খেলবেন। প্রথম বার ওয়ান ডে-তে নেতৃত্ব দিতে চলা শুভমন গিলও দুই মহারথীকে দলের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলে বার্তা দিয়েছেন।

  • India vs West Indies: শতরান শুভমনেরও! ৫১৮ রানের পাহাড়, ভারতের বিপক্ষে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    India vs West Indies: শতরান শুভমনেরও! ৫১৮ রানের পাহাড়, ভারতের বিপক্ষে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যশস্বী জয়সওয়ালের ১৭৫, শুভমান গিলের অপরাজিত ১২৯ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে রানের ৫১৮ রানের পাহাড় গড়ল ভারত (India vs West Indies)। জবাবে শুরুটা ভাল করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার জন ক্যাম্পবেল এবং তেগনারিন চন্দ্রপল। মহম্মদ সিরাজ কিংবা জশপ্রীত বুমরা শুরুতে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। সপ্তম ওভারে অধিনায়ক গিল বল তুলে দেন রবীন্দ্র জাদেজাকে। তাঁর বলেই ১০ রানে আউট হন ক্যাম্পবেল। ফরওয়ার্ড শর্ট লেগে দুরন্ত ক্যাচ নেন সুদর্শন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তখন ২১। কিন্তু শেষবেলায় দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপাকে ক্যারিবিয়ানরা। দ্বিতীয় টেস্টে দ্বিতীয় দিনের শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে ১৪০। চালকের আসনে ভারত।

    চালকের আসনে ভারত

    দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ (ind vs wi 2nd test match)। টসে জিতে এই ম্যাচে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক শুভমান গিল। প্রথম ম্যাচ জিতে এমনিতেই সিরিজে এগিয়ে আছে ভারত। আত্মবিশ্বাসের দিক দিয়েও যথেষ্ট ভালো জায়গায় আছে গৌতম গম্ভীরের ছেলেরা। প্রথম দিনের শেষে ১৭৩ রানে অপরাজিত ছিলেন যশস্বী। এদিন মাত্র ২ রান যোগ করে অধিনায়ক গিলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ১৭৫ রানে রান আউট হন যশস্বী। হাতছাড়া হয় দ্বিশতরান। কিন্তু ইংল্যান্ডের মাটিতে যে ছন্দে ছিলেন, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন শুভমন। আরও একটি অনবদ্য শতরান। ১৯৬ বলে ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ইনিংসে ছিল ২টি ছয় এবং ১৬টি চার। দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় টিম ইন্ডিয়ার নেতাকে যোগ্য সঙ্গত দেন নীতিশ কুমার রেড্ডি এবং ধ্রুব জুরেল। ২টি ছয় এবং ৪টি চারের সাহায্যে ৫৪ বলে ৪৩ রান করেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। ৭৯ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৪৪ রান করেন জুরেল।

    শুভমনের নজির

    টেস্টে গিলের এটি দশম সেঞ্চুরি। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান এখন শুভমনের। দিল্লি টেস্ট নিয়ে মোট ৩৯ ম্যাচ খেলেন গিল। ২৭৫৭ রান। গড় ৪২.৪১। সর্বোচ্চ রান ২৬৯। ইতিমধ্যেই ১০টি শতরান এবং ৯টি অর্ধশতরান করে ফেলেছেন। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সাইকেলে ৪৬ ম্যাচ খেলেন কোহলি। তাঁর রান ২৬১৭। গড় ৩৫.৩৬। সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২৫৪। সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীদের তালিকায় একনম্বরে জো রুট। তাঁর রান ৬০৮০। গড় ৫২.৮৬। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ এবং মার্নাস লাবুশেন। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সাইকেলে কোহলিকে পিছনে ফেলে ভারতীয়দের মধ্যে এখন একনম্বরে শুভমন।

  • Team India: রোহিত যুগের অবসান! এক দিনের ক্রিকেটেও অধিনায়ক শুভমন, ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট জয় ক্যাপ্টেন গিলের

    Team India: রোহিত যুগের অবসান! এক দিনের ক্রিকেটেও অধিনায়ক শুভমন, ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট জয় ক্যাপ্টেন গিলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে রোহিত যুগের অবসান। এক দিনের ক্রিকেটেও অধিনায়কত্ব হারালেন রোহিত শর্মা। দলের নতুন অধিনায়ক শুভমন গিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতানো রোহিত নেতৃত্ব হারালেও দলে থাকলেন। জায়গা হয়েছে বিরাট কোহলিরও। টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর দু’জনকে নিয়েই প্রশ্ন ছিল। বলা হয়েছিল, এক দিনের দলেও সুযোগ পাবেন না। কিন্তু দু’জনকেই অস্ট্রেলিয়া সফরের দলে রাখা হল। তবে দলে জায়গা হয়নি মহম্মদ শামির।

    ২০২৭ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই পরিবর্তন

    ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই নেতৃত্বে বদল করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সে সময় রোহিত খেলার মতো পরিস্থিতিতে না থাকলে নতুন কাউকেই নেতৃত্বের দায়িত্ব দিতে হবে। তাই আগে থেকেই শুভমনকে দায়িত্ব দিয়ে তাঁকে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দিলেন জাতীয় নির্বাচকেরা। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকেই রোহিত শর্মার পরিবর্তে টিম ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন পাঞ্জাবের এই ক্রিকেটার। টেস্ট দলের পরে এ বার একদিনের ক্রিকেটেও তাঁর উপরেই ভরসা রাখল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।

    আড়াই দিনেই ম্যাচ শেষ

    শনিবার, দিনটা শুভই হল শুভমনের। ঘরের মাঠে শুভ-মহরৎ ক্যাপ্টেন শুভমন গিলের। তাঁর টেস্ট ক্যাপ্টেন্সির শুরুটা হয়েছিল ইংল্যান্ডে। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে শেষ অবধি সিরিজ ড্র করেছিল শুভমনের ভারত। ঘরের মাঠে প্রথম বার টেস্টে টিমকে নেতৃত্ব দিলেন। জয় দিয়েই শুরুটা হল শুভমনের। নিজে ব্যাট হাতে অবদানও রাখলেন। তেমনই নজর কাড়লেন ক্যাপ্টেন্সিতে। আমেদাবাদে প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ও ১৪০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারাল ভারত। সিরিজে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে আগামী ১০ অক্টোবর। আমেদাবাদে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৬২ রানেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুটিয়ে দিয়েছিল ভারত। মহম্মদ সিরাজ চার উইকেট নিয়েছিলেন। নতুন বলে তাঁর পারফরম্যান্স বেশি নজর কেড়েছিল। জসপ্রীত বুমরা তিন উইকেট নিয়েছিলেন। অন্য দিকে, স্পিনার কুলদীপ যাদব ২ উইকেট। ভারতের ব্যাটাররা বাকি কাজটা সেরে নেয়। যে কারণে মাত্র আড়াই দিনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সহজে ম্যাচ জিতে নিল ভারত।

    অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের দল

    অজিভূমে ভারতের সফর শুরু হবে ১৯ অক্টোবর পারথ স্টেডিয়ামে। দ্বিতীয় ওয়ানডে ২৩ অক্টোবর, অ্যাডিলেড ওভালে। ২৫ অক্টোবর সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে তৃতীয় ওয়ানডে। টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি থেকে দূরে থাকা কোহলি এবং অধিনায়ক রোহিতকে দেখার জন্য এখন থেকেই উন্মাদনার পারদ চড়ছে। ওয়ানডে সিরিজের পর ২৯ অক্টোবর ক্যানবেরার মানুকা ওভালে শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। পরের ম্যাচগুলি রয়েছে রয়েছে ৩১ অক্টোবর, ২ নভেম্বর, ৬ নভেম্বর, ৮ নভেম্বর।

    এক দিনের দল: শুভমন গিল (অধিনায়ক), শ্রেয়স আয়ার (সহ-অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, অক্ষর প্যাটেল, লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক), নীতীশ কুমার রেড্ডি, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা, মহম্মদ সিরাজ, অর্শদীপ সিং, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, ধ্রুব জুরেল (উইকেটরক্ষক) এবং যশস্বী জয়সওয়াল।

    টি-টোয়েন্টি দল: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), শুভমন গিল (সহ-অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল, জীতেশ শর্মা (উইকেটরক্ষক), বরুণ চক্রবর্তী, জসপ্রীত বুমরা, অর্শদীপ সিং, কুলদীপ যাদব, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), হর্ষিত রানা, রিঙ্কু সিং এবং ওয়াশিংটন সুন্দর।

  • India Vs Pakistan: “ফারহানের বন্দুকের জবাবে ব্রহ্মস নিক্ষেপ অভিষেকদের”, অকপট প্রাক্তন পাক স্পিনার কানেরিয়া

    India Vs Pakistan: “ফারহানের বন্দুকের জবাবে ব্রহ্মস নিক্ষেপ অভিষেকদের”, অকপট প্রাক্তন পাক স্পিনার কানেরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান হাফসেঞ্চুরির পর ব্যাটকে বন্দুকের মতো ধরে সেলিব্রেশন করেন। গান (বন্দুক)-এর জবাব রানে দিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। সাহিবজাদার বন্দুকের জবাবে ব্রহ্মস মিসাইল নিক্ষেপ করলেন অভিষেক ও গিল, এমনই অভিমত পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিনার দানিশ কানেরিয়ার। রবিবার এশিয়া কাপের সুপার ফোরে ভারতের কাছে হেরে গিয়েছে পাকিস্তান। তার আগেই অবশ্য দেশে-বিদেশে নিন্দিত হচ্ছে পাকিস্তান দল। সৌজন্যে পাক ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানের উচ্ছ্বাসের একটি ধরন। অর্ধশতরানের পর ব্যাটটিকে নিয়ে বন্দুক ধরার মতো একটি বিশেষ কায়দায় উচ্ছ্বাস করেছেন তিনি, যা সমালোচনার মুখে পড়েছে।

    বন্দুকের জবাবে ব্রহ্মস

    দুবাইয়ে ভারতের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান করে ‘গান সেলিব্রেশন’ করেছিল পাকিস্তানের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। বন্দুক যেমনভাবে ধরে, সেরকম কায়দায় ব্যাট করে গুলি চালানোর মতো সেলিব্রেশন করেছিল। আর সেই অদৃশ্য ‘গুলিটা’ ফারহানদের শরীর ফুঁড়ে ঢুকে গেল। শুধু তাই নয়, ব্রহ্মস মিসাইলে যেরকমভাবে পাকিস্তানি অসংখ্য সামরিক ছাউনির অবস্থা হয়েছিল, ফারহানদের হাল সেরকমই করে দিলেন অভিষেক শর্মা এবং শুভমন গিলরা। রবিবার দুবাইয়ে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭১ রান তোলে পাকিস্তান। ভারত যদি ঠিকঠাক ক্যাচ ধরত, তাহলে সলমন আঘাদের রান এতটা হত না। কিন্তু ভারতের বাজে ফিল্ডিংয়ের সুযোগ নেন তাঁরা। ক্যাচ ফস্কানোর মাশুল হিসেবে গুনতে হয় প্রায় ৯০ রান। পাকিস্তানেরর হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেছেন গান-সেলিব্রেশন করা ফারহান। যদিও ব্যাট করতে নেমেই তাঁর এই আচরণের জবাব দেন দুই ভারতীয় ওপেনার। শাহিন আফ্রিদিকে ছয় মেরে ইনিংসের শুরু করেন অভিষেক। গিল-অভিষেকের ইনিংসের প্রশংসা করে পাক স্পিনার কানেরিয়া বলেন, “ফারহানের বন্দুকের জবাবে ব্রহ্মস নিক্ষেপ করেছেন অভিষেকরা।”

    বিতর্কিত উচ্ছ্বাস

    পাকিস্তানের হয়ে শুরুটা ভালই করেছিলেন ফারহান। হার্দিক, বুমরার উপর দাপট দেখিয়ে দ্রুত গতিতে রান তুলছিলেন। দশম ওভারে অক্ষর প্যাটেলের একটি বল মিড উইকেটের উপর শট খেলে অর্ধশতরান পূরণ করেন। এর পরেই ব্যাটের হাতলটিকে কাঁধের কাছে রেখে এমন ভাবে উচ্ছ্বাস করেন, যেন মনে হচ্ছে বন্দুক চালাচ্ছেন। খেলাধুলোর জগতে এই ধরনের উচ্ছ্বাস ‘একে৪৭ সেলিব্রেশন’ নামে পরিচিত। মুহূর্তের মধ্যে এই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় সমালোচনা। পহেলগাঁওয়ের হত্যাকাণ্ড এবং ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সম্পর্ক মোটেই ভালো নয়। এশিয়া কাপে দুই দেশ মুখোমুখি হবে কি না, তা নিয়েই নিশ্চয়তা ছিল না। তার উপর প্রথম ম্যাচের পর করমর্দন-বিতর্কে তোলপাড় হয় ক্রিকেটবিশ্ব। সে সবের মাঝে ফারহানের এই উচ্ছ্বাস বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-কে কটাক্ষ করতেই এই উচ্ছ্বাস করেছেন ফারহান। সাধারণ সমর্থকরা তো বটেই, ধারাভাষ্যকারেরাও এই আচরণ মেনে নিতে পারেননি। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে।

    ভারতের পাল্টা জবাব

    ম্যাচের শুরুতেই অভিষেক শর্মা শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলেই ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করেন। এই শটের মাধ্যমে তিনি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ভারতের হয়ে একাধিকবার ইনিংসের প্রথম বলে ছক্কা মারা প্রথম ব্যাটার হন। ম্যাচে অভিষেক ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা হাঁকান এবং গিলের সঙ্গে প্রথম উইকেটে মাত্র ৯.৫ ওভারে ১০৫ রানের জুটি গড়েন। গিলও নিজের ইনিংসে ৮টি চার মারেন। অভিষেক তাঁর ৫০তম টি-টোয়েন্টি ছক্কাটি হাঁকান নিজের ৩৩১তম বল খেলার মধ্যেই, যা তাকে পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত এই মাইলফলক ছোঁয়া ব্যাটার করে তোলে। এছাড়াও, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে তিনি যুবরাজ সিং-এর রেকর্ড (২৯ বল) ভেঙে দেন। প্রাক্তন পাক স্পিনার কানেরিয়া মনে করেন, ব্যাট হাতেই জবাব দিয়েছেন অভিষেক। এমনকি অর্ধশতরানের পর অভিষেকে ‘ফ্লাইং কিস সেলিব্রেশন’ নিয়ে কানেরিয়া বলেন, “ভালোবেসে মুখের উপর জবাব দিয়েছে ভারত।”

    গিল-অভিষেকের ট্যুইট ভাইরাল

    দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপ ২০২৫-এর সুপার ফোরের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে ভারত। ম্যাচে ওপেনার অভিষেক শর্মা এবং শুভমান গিলের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভারত পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারায়। অভিষেক ৩৯ বলে ৭৪ এবং গিল ২৮ বলে ৪৭ রান করেন, যার সৌজন্যে পাকিস্তানের দেওয়া ১৭২ রানে লক্ষ্য ৭ বল বাকি থাকতেই করে ফেলে টিম ইন্ডিয়া। ম্যাচ চলাকালীন অভিষেক ও গিলের সঙ্গে পাকিস্তানি পেসার শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। অভিষেক শর্মা যখন পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফের একটি বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠান, তখন রউফ রেগে যান এবং অভিষেককে স্লেজ করতে শুরু করেন। অভিষেকও চুপ করে থাকেননি। দু’জনের মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আম্পায়ারদের হস্তক্ষেপ করতে হয়। পাকিস্তানি প্লেয়াররা তাদের গালি দিচ্ছিল বলেও ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন অভিষেক শর্মা। মাঠে বিপক্ষকে নিজেদের ব্যাটের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার পর ম্যাচ শেষে অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। যেই পোস্ট মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। দুজনেই এক্সে চার শব্দের বার্তা দিয়ে কটাক্ষ করেন পাকিস্তান দলকে। গিল লেখেন, “খেলাই কথা বলে, শব্দ নয়” (Game speaks, not words) এবং অভিষেক লেখেন, “তোমরা কথা বলো, আমরা জয় করি” (You talk, we win)। চলতি প্রতিযোগিতাতে চারটি ম্যাচেই জিতেছে ভারত।

  • India Beats Pakistan: ‘‘ভারত-পাকিস্তান আর কোনও লড়াই-ই নয়’’! অভিষেক-গিলের দাপটে ম্যাচ জিতে সাহসী জবাব সূর্যর

    India Beats Pakistan: ‘‘ভারত-পাকিস্তান আর কোনও লড়াই-ই নয়’’! অভিষেক-গিলের দাপটে ম্যাচ জিতে সাহসী জবাব সূর্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বনাম পাকিস্তান এখন আর কোনও লড়াই-ই নয়। এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচ ৬ উইকেটে জিতে পাকিস্তানের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ভারত পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে মাঠের পাশাপাশি মাঠের বাইরেও মাইন্ড গেমে নেমেছিল পাকিস্তান। সূর্যকুমার যাদবের বিরুদ্ধে অভিযোগের হুংকার, এশিয়া কাপ বয়কটের দাবি, একাধিক সমস্যা তৈরি করে আলোচনায় থাকার চেষ্টায় ছিল। কিন্তু খেলার মাঠে পারফরম্যান্স সেই তলানিতেই। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এ দিনও দু’দলের ক্রিকেটারেরা হাত মেলাননি। তবে আগের দিনের মতো ভারত সাজঘরের দরজা বন্ধ করেনি। আসলে খেলাটা তো মাঠেই জিতে গিয়েছে ভারত।

    ভারতকে থামানোর ক্ষমতা নেই

    ভারতকে থামানোর ক্ষমতা নেই পাকিস্তানের। সেটাই ফের দেখা গেল এশিয়া কাপের সুপার ফোরের লড়াইয়ে। ভারত জেতার পরে শোনা গেল ‘চক দে’। ম্যাচ জেতায় সুপার ফোরের পয়েন্ট তালিকায় সবার উপরে চলে গেল ভারত। সূর্যকে সাংবাদিক সম্মেলনে এক পাকিস্তানি সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করেন, এই ‘ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা’ নিয়ে তিনি কী বলবেন? ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘‘এই প্রশ্নের উত্তরে আমি একটা কথা বলতে চাই। আমার মনে হয় আপনাদের সকলের ভারত-পাকিস্তান লড়াই নিয়ে এ বার প্রশ্ন করা বন্ধ করা উচিত।’’ এখানেই থেমে থাকেননি ভারত অধিনায়ক। বলেন, ‘‘আমার মতে, যদি দুটো দল ১৫-২০টা ম্যাচ খেলে এবং স্কোরলাইন ৭-৭, অথবা ৮-৭ হয়, তবেই সেটাকে ভালো ক্রিকেট বলা যায়। আমি সঠিক পরিসংখ্যান জানি না। কিন্তু একটা দলের পক্ষে যদি স্কোরলাইন ১৩-০, ১০-১ হয়, তা হলে এখন আর এটা কোনও লড়াই নয়। আর কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়।’’ সত্যিই ক্রিকেটে গত ১৫ বছরে ভারত পাকিস্তানের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে। ৩১টি ম্যাচের মধ্যে ২৩টিতেই জিতেছে ভারত।

    পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার প্রয়োজন ছিল

    পরিসংখ্যান যাই হোক, ভারত-পাকিস্তান লড়াই তা সে বাইশ গজেও হোক আর সীমান্তে সবসময় উত্তেজনার। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বারবার তা চোখে পড়েছে। ম্যাচে ভারতের ইনিংস চলাকালীন শাহিন আফ্রিদিকে কোনও কথার জবাব দিতে এগিয়ে গিয়েছিলেন শুভমন গিল। কয়েক বল পরেই আবার অন্য এক দৃশ্য। এ বার হ্যারিস রউফের সঙ্গে ঝামেলা হয় অভিষেক শর্মার। তখন স্পষ্ট বোঝা যায়নি কী হয়েছে। তবে বিষয়টি যে গুরুতর ছিল এটা ম্যাচের পরেই বুঝিয়ে দিয়েছেন অভিষেক। জানিয়েছেন, পাকিস্তান বড্ড বেশি বাড়াবাড়ি করছিল। সেটারই জবাব ব্যাট হাতে দিয়েছেন তিনি। ম্যাচ শেষে অভিষেক বলেন, “পাকিস্তানের বোলারেরা বেশি বাড়াবাড়ি করছিল। কোনও কারণ ছাড়াই আমাদের দিকে তেড়ে আসছিল, তর্ক করছিল। আমার সেটা একেবারেই পছন্দ হয়নি। তাই জন্যই ওদের জবাব দেওয়া দরকার ছিল। দলকে জেতাতে চেয়েছিলাম। সেটা পেরেছি।” এশিয়া কাপের চারটি ম্যাচেই ভালো খেলেছেন অভিষেক। রবিবারই প্রথম অর্ধশতরান এল তাঁর ব্যাট থেকে। সাফল্যের নেপথ্যে দলের সমর্থনের কথা উল্লেখ করেছেন অভিষেক। বলেছেন, “যখন দেখবেন কোনও ব্যাটার এত ভালো খেলছে, তখন বুঝবেন নিশ্চয়ই তাঁর পাশে দল রয়েছে। কোচ এবং অধিনায়ক আমাকে খুবই সমর্থন করে। তাই জন্যই এত ভালো খেলার সাহস পাই।”

    শুভমন-অভিষেক ঝড়

    টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১৭১ খুব একটা খারাপ স্কোর নয়। পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ৫ উইকেটে ১৭১ রান। সেই রান তাড়া করতে নেমে ভারত দাদাগিরি দেখাল। অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিলের ব্যাট শুরু থেকেই চলতে শুরু করল। শাহিন আফ্রিদিকে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে অভিষেক রান তাড়া শুরু করেছিলেন। খেলা যত এগোল ভারতের দুই ওপেনার ততই মারমুখী ব্যাটিং শুরু করে দিলেন। অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিলের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ধুয়ে গেল পাক বোলিং আক্রমণ। ৯.৫ ওভারেই ভারত ১০৫ করে ফেলে। শুভমন গিল ৪৭ রানে আশরাফের বলে বোল্ড হন। রুদ্রমূর্তি ধরেন অভিষেক। নাগাড়ে আক্রমণ করে যান পাক বোলারদের। পাক বোলাররা কোথায় বল ফেলবেন তাই বুঝে উঠতে পারছিলেন না। শেষমেশ আবরারের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। যাওয়ার আগে ৩৯ বলে ৭৪ করে যান তিনি। ৬টি চার ও পাঁচটি ছক্কা মারেন তিনি। আউট হওয়ার আগের বলেই ছক্কা মেরেছিলেন অভিষেক। পরের বলেও মারতে গিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। বাকি কাজটা সারেন তিলক (১৯ বলে ৩০ অপরাজিত) ও হার্দিক। ৭ বল বাকি থাকতে ছয় উইকেটে ভারত ম্যাচ জেতে।

    পাকিস্তান ম্যাচই রানে ফেরার মঞ্চ

    তিন ম্যাচে ৩৫ রান করা শুভমনকে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য রানে ফিরতেই হত। পাকিস্তান ম্যাচেই সেই মঞ্চটা বেছে নিয়েছিলেন শুভমন। শনিবার ঐচ্ছিক অনুশীলন থাকলেও তিনি অনুশীলন করেছিলেন। আর অনুশীলন করিয়েছিলেন তাঁর ওপেনিং সতীর্থ তথা ছোটবেলার বন্ধু অভিষেক শর্মা। তার প্রতিফলন দেখা গেল রবিবার। আকাশে শট খেলার দিকে নজর দেননি শুভমন। বরং মাটিতে রেখে বল বাউন্ডারিতে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন। ইনিংসে আটটি চারই তার প্রমাণ। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুভমনের সঙ্গে শতরানের জুটি গড়ে ভারতের চাপ অনেকটাই হালকা করে দেন অভিষেক। ছোটবেলা থেকেই দু’জনে একসঙ্গে খেলেছেন। সেই প্রসঙ্গে বললেন, “স্কুলে পড়ার সময় থেকেই আমরা একসঙ্গে খেলছি। একে অপরকে সঙ্গ দিতে পছন্দ করি। আগেই ঠিক করে নিয়েছিলাম, আজই কিছু একটা করতে হবে। যে ভাবে শুভমন খেলছিল সেটা দারুণ লেগেছে।”

LinkedIn
Share