Tag: Sialkot

  • Pakistan: পাকিস্তানে শতাব্দীপ্রাচীন হিন্দু মন্দির ভাঙার অভিযোগ, কাঠগড়ায় উগ্রপন্থী, প্রশাসন

    Pakistan: পাকিস্তানে শতাব্দীপ্রাচীন হিন্দু মন্দির ভাঙার অভিযোগ, কাঠগড়ায় উগ্রপন্থী, প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) পাঞ্জাব প্রদেশের নারোয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে শতাব্দীপ্রাচীন হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার অভিযোগকে ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ২১ অগাস্ট ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের একটি দল মন্দিরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে (Hindu Temple Demolished) দেয়। সেই সময় স্থানীয় রাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের একাংশ ঘটনাটি বন্ধ করার পরিবর্তে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেন বলেও অভিযোগ করেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার পর মন্দিরটি প্রবল বৃষ্টির কারণে নিজে থেকেই ভেঙে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয় রাজস্ব আধিকারিকদের কয়েকজন। যদিও সেই দাবি পত্রপাট খারিজ করে দিয়েছেন স্থানীয় মানুষ, সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষাকারী সংগঠন এবং একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। তাঁদের দাবি, মন্দিরটির কাঠামো যথেষ্ট মজবুত ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে আবহাওয়ার নানা প্রতিকূলতা সহ্য করেও সেটি দাঁড়িয়ে ছিল। মন্দিরের চূড়াও অক্ষত অবস্থায় স্পষ্টভাবে দেখা যেত।

    জমি দখলের কারণেই ভাঙা হল মন্দির! (Pakistan)

    অভিযোগ, মন্দিরটি ভেঙে ফেলার পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল তার জমি দখল করা। প্রায় এক হাজার বর্গমিটার জমির উপর অবস্থিত এই মন্দিরের জমি পাশের একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরনো এই মন্দিরটি ছিল লাহোর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে।

    ঘটনার সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্র ইসলামপন্থী সংগঠন তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তানের সদস্যদের যোগ থাকার অভিযোগও সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্র এবং সংখ্যালঘু সংগঠনগুলির দাবি, ২১ অগাস্ট একদল উগ্রপন্থী মন্দির চত্বরে পৌঁছে সেটি ভেঙে ফেলে। তাঁদের হাতে বিল্ডিং ভাঙার সরঞ্জাম এবং অন্যান্য উপকরণ ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অথচ মন্দির ভাঙার সময় পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও কার্যকর হস্তক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ।

    এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, মন্দিরটির সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা রাজস্ব দফতরের আধিকারিকরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কিংবা পুলিশের নজরে না এনে বৃষ্টির কারণে মন্দিরটি ধসে পড়েছে বলে দাবি করেন। অথচ ওই সময় ভারী বৃষ্টির কারণে আশপাশের অন্য কোনও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এলাকা জলমগ্ন হয়ে যাওয়া, নিকাশি ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা এমন কোনও পরিস্থিতিরও খবর নেই, যার ফলে মন্দিরের মতো একটি পুরনো অথচ শক্তপোক্ত কাঠামো সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে পারে (Hindu Temple Demolished)।

    দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

    পাকিস্তান মসীহা মিল্লাত পার্টি এই ঘটনায় পাঞ্জাব সরকারের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। দলের চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রা জানিয়েছেন, তিনি গত ২৮ অগাস্ট পাঞ্জাবের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে দেখা করে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। সেখানে মন্দির ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দির রক্ষায় ব্যর্থ হওয়া সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করার আবেদন জানানো হয়েছে।

    সাহোত্রার অভিযোগ, মন্দির ভেঙে ফেলার পর তার চূড়ার পিতলের ধাতব অংশ, অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী এবং ইটও ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এর উদ্দেশ্য ছিল মন্দিরটির অস্তিত্বের যতটা সম্ভব চিহ্ন মুছে ফেলা।

    তিনি আরও জানান, মন্দিরের লাগোয়া জমি অতীতে পাকিস্তানের পরিত্যক্ত সম্পত্তি ট্রাস্ট বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বছরের পর বছর ইজারার অর্থ পরিশোধ না করা এবং নির্ধারিত উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার না করার অভিযোগে পরে সেই ইজারা বাতিল করা হয়। এরপর সম্পত্তিটির বিভিন্ন অংশে একাধিক ব্যক্তি বেআইনিভাবে দখল করে বসেন বলে অভিযোগ।

    কী বলছে রাজস্ব দফতরের প্রতিবেদন

    সাহোত্রা রাজস্ব দফতরের একটি প্রতিবেদনের কথাও (Pakistan) উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, ওই প্রতিবেদনে মন্দিরের আবাসিক অংশ এবং সম্পত্তির অন্যান্য অংশে বেআইনি দখলদার হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম চিহ্নিত করা হয়েছিল। তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি শিয়ালকোটের পরিত্যক্ত সম্পত্তি ট্রাস্ট বোর্ডের উপ-প্রশাসক একটি নির্দেশ জারি করে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইজারার অধিকার বাতিল করেন। একই সঙ্গে বেআইনি দখলদারদের উচ্ছেদ এবং সম্পত্তিটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই নির্দেশ বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন সাহোত্রা।

    হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা রতন লালও মন্দির ধ্বংসের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, জেলা প্রশাসন এবং পরিত্যক্ত সম্পত্তি ট্রাস্ট বোর্ড মন্দির ও তার জমি রক্ষায় যথেষ্ট পদক্ষেপ করেনি। বেআইনি দখলদারদের সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এর ফলেই শেষ পর্যন্ত এক শতাব্দীরও বেশি পুরানো ধর্মীয় কাঠামোটি ধ্বংসের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তাঁর দাবি (Hindu Temple Demolished)।

    রতন লাল বলেন, “জেলা প্রশাসন এবং পরিত্যক্ত সম্পত্তি ট্রাস্ট বোর্ড মন্দিরের স্থানটি রক্ষা করতে কিংবা সেখানে থাকা বেআইনি দখলদারদের সরিয়ে দিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তাদের ব্যর্থতার সুযোগেই মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করতে হবে।”

    পরিত্যক্ত সম্পত্তি ট্রাস্ট বোর্ডের বক্তব্য

    অন্যদিকে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ট্রাস্ট বোর্ডের এক প্রবীণ আধিকারিক রানা ইফতিখারের দাবি, মন্দিরটি প্রবল বৃষ্টির কারণেই ভেঙে পড়ে। তিনি জানান, সরকারি নথিতে মন্দিরটির কোনও নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ নেই। যদিও তিনি কবুল করেছেন এটি অত্যন্ত পুরানো এবং আনুমানিক ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরানো কাঠামো।

    ইফতিখার বলেন, “মন্দিরটির নাম আমাদের নথিতে নেই। তবে এটি খুবই পুরানো একটি স্থাপনা। এর বয়স আনুমানিক ১০০ থেকে ১২৫ বছর। প্রবল বৃষ্টির কারণেই এটি ভেঙে পড়েছে।”

    তবে সরকারি আধিকারিকের এই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং সংখ্যালঘু সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তাঁদের দাবি, মন্দিরটি কোনও দুর্যোগে হঠাৎ ধসে পড়েনি, বরং পরিকল্পিতভাবে সেটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। মন্দিরের ইট এবং চূড়ার ধাতব অংশ সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাকেও তাঁরা পরিকল্পিত ধ্বংসের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে দেখছেন (Pakistan)।

    হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    পাকিস্তানে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের গ্রামীণ অঞ্চলে বহু পুরনো মন্দির ইতিমধ্যেই অস্তিত্ব হারিয়েছে বলে সংখ্যালঘু সংগঠনগুলির অভিযোগ। তাঁদের বক্তব্য, ধর্মীয় স্থাপনা সংরক্ষণের পরিবর্তে একের পর এক স্থাপনা অবহেলা, দখল কিংবা ধ্বংসের মুখে পড়ছে। এর ফলে পাকিস্তানের গ্রামীণ এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ ক্রমশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে (Pakistan)।

    সিরাজ গ্রামের এই মন্দিরটি প্রায় এক শতাব্দী বা তারও বেশি সময় ধরে ওই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে দাঁড়িয়ে ছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। মন্দিরটির চূড়া দূর থেকেও দেখা যেত। তাই হঠাৎ প্রবল বৃষ্টিতে সেটি সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে—এই সরকারি ব্যাখ্যা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

    প্রশ্ন যেখানে…

    প্রশ্ন হল, মন্দিরটি সত্যিই প্রাকৃতিক কারণে ভেঙে পড়েছিল, নাকি জমি দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে সেটি ধ্বংস করা হয়েছিল। একই সঙ্গে মন্দির ভাঙার সময় প্রশাসন ও পুলিশ কেন কোনও পদক্ষেপ করল না এবং জানুয়ারিতে সম্পত্তি খালি ও সিল করার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তা কেন কার্যকর করা হয়নি, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে। সংখ্যালঘু সংগঠনগুলির দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত (Hindu Temple Demolished) কারণ খুঁজে বের করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে এবং মন্দিরের জমি ও অবশিষ্ট কাঠামো পুনরুদ্ধার করতে হবে (Pakistan)।

     

  • India-Pakistan War: ভাসতে পারে শিয়ালকোট, চেনাবের ৪টি লকগেট খুলল ভারত, হু হু করে জল ঢুকছে পাকিস্তানে

    India-Pakistan War: ভাসতে পারে শিয়ালকোট, চেনাবের ৪টি লকগেট খুলল ভারত, হু হু করে জল ঢুকছে পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ার স্ট্রাইকের পাশাপাশি পাকিস্তানে ‘ওয়াটার স্ট্রাইক’ (India-Pakistan War)। খুলে দেওয়া হল চন্দ্রভাগা বাঁধ। হু হু করে জল ঢুকছে পাকিস্তানে। ভারতের দিকে কুনজর দিলে, কী পরিণতি হতে পারে, তা জল-স্থল-আকাশপথে বুঝিয়ে দিচ্ছে ভারত। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতের মিশাইল হানায় লন্ডভন্ড পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহর। এবার ভসে যেতে পারে চন্দ্রভাগার তীরবর্তী পাকিস্তানের বিভিন্ন জেলা।

    বন্যার আশঙ্কা শিয়ালকোটে

    পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাত হিসাবেই প্রথমে সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করেছিল ভারত সরকার। বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সিন্ধু ও উপনদী চন্দ্রভাগা, ঝিলমের জল। পাকিস্তানের রাতারাতি শুকিয়ে মরার মতো অবস্থা হয়, কারণ এই নদীগুলির উপরই নির্ভরশীল পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ কৃষিকাজ। এবার খুলে দেওয়া হল চন্দ্রভাগা বাঁধ। রামবানসহ জম্মু-কাশ্মীরের অনেক স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে কয়েকদিন ধরে । পাশাপাশি রামবানে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি এবং ভূমিধ্বসের ঘটনাও ঘটেছে। এর ফলে জলের স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। তাই বাঁধের লকগেট খুলে দেওয়া হয়েছে। রামবানে সালাল বাঁধের চারটি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ ছিল এই লকগেট। সেই লকগেটগুলো খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই কয়েকগুন বেড়ে যায় চন্দ্রভাগার জল। যেকোনও মুহূর্তেই ভেসে যেতে পারে পাকিস্তানের শিয়ালকোট। এই আশঙ্কায় সেখানকার শয়ে শয়ে মানুষ নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে।

    চন্দ্রভাগা নদীতে বেড়েছে জলস্রোত

    দুই দিন আগে, চেনাব বা চন্দ্রভাগার বাগলিহার বাঁধ আটকে জলের মর্ম বুঝিয়ে দিয়েছিল ভারত। কয়েক ঘণ্টা জল আটকে দেওয়ায় শুকিয়ে মরার আতঙ্কে হাহাকার করে উঠেছিল পাকিস্তান। সেদেশের কৃষি-শিল্পের অনেকটাই নির্ভর করে এই চেনাবের জলের উপর। এবার সেই চেনাবেরই চার চারটি লক গেট খুলে দিল ভারত। এর জেরে এবার বন্যায় ভাসতে পারে পাকিস্তান। জম্মুতে অতি ভারী বৃষ্টির পর পাকিস্তানে এখন বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চেনাব নদীতে নির্মিত বাগলিহার বাঁধের চারটি ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে শুক্রবারই। বৃহস্পতিবার এই চেনাব নদীতেই নির্মিত রিয়াসি সালাল বাঁধের ৩টি ফটকও খুলে দেওয়া হয়। বাঁধের ফাটক দিয়ে প্রচুর পরিমাণে জল বের হচ্ছে। শুক্রবারের খবর অনুসারে, চন্দ্রভাগা নদীর উপর সালাল বাঁধের ৪টি লকগেট খুলে দিয়েছে ভারত। এর ফলে চন্দ্রভাগা নদীতে একলাফে বেড়েছে জলস্রোত। ভারত জল ছাড়ায় এবার পাকিস্তানের শিয়ালকোটে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে পারে হু হু করে। এমন চলতে থাকলে পাকিস্তানের ওই অঞ্চল বন্যায় ভেসে যেতেও পারে।

LinkedIn
Share