Tag: Singh

  • Rajnath Singh: “হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স”! ‘হোয়াইট-কলার টেরর’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাজনাথের

    Rajnath Singh: “হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স”! ‘হোয়াইট-কলার টেরর’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’-এর (White Collar Terror) প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি সতর্ক করে বলেন, মূল্যবোধহীন উচ্চশিক্ষা সমাজের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। শুক্রবার রাজস্থানের ভোপাল নোবেলস্ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ এই মন্তব্য করেন। গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    রাজনাথের বক্তব্য (Rajnath Singh)

    রাজনাথ জানান, ওই হামলায় অভিযুক্তরা সকলেই শিক্ষিত ও যোগ্য চিকিৎসক ছিল। এই ঘটনাকে তিনি এমন এক জ্বলন্ত উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা প্রমাণ করে যে কেবলমাত্র শিক্ষা থাকলেই নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হয় না। রাজনাথের বক্তব্য অনুযায়ী, শিক্ষার সঙ্গে নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার সংযোগ না থাকলে তা সমাজের পক্ষে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। শিক্ষাব্যবস্থায় মূল্যবোধের গুরুত্বের ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি (Rajnath Singh)।

    ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’

    দেশে বর্তমানে উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’। উচ্চশিক্ষিত হয়েও সমাজ ও দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছেন এক শ্রেণির মানুষ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “দিল্লির বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, তাদের মধ্যে চিকিৎসকও ছিল, এক হাতে ডিগ্রি, আর পকেটে আরডিএক্স। এই ঘটনাই স্পষ্ট করে দেয় যে, কেবল শিক্ষালাভই যথেষ্ট নয়, শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা ও চরিত্রগঠনও (White Collar Terror) জরুরি।” ১০ নভেম্বর দিল্লির রেড ফোর্ট এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে একটি বিস্ফোরকবোঝাই গাড়িতে। ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৫ জনের। গাড়িটি চালাচ্ছিল উমর-উন-নবি নামে এক চিকিৎসক। ঘটনার তদন্তে নেমে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি পরে একটি তথাকথিত ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’-এর সন্ধান পায় (Rajnath Singh)।

    গ্রেফতার ৩ চিকিৎসক

    এই মডিউলের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তিন চিকিৎসক মুজাম্মিল গনাই, আদিল রাদার এবং শাহিনা সইদ-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, শিক্ষিত ও পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাই এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এদিকে, ঘটনার প্রেক্ষাপটে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পেশাগত সাফল্য অর্জন নয়, নৈতিকতা, মূল্যবোধ (White Collar Terror) এবং মানবিক চরিত্র গঠনের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। যে শিক্ষা ব্যবস্থা জ্ঞান দেওয়ার পাশাপাশি বিনয়, চরিত্রবোধ ও ধর্ম, অর্থাৎ ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষা দিতে ব্যর্থ, তা কখনও সম্পূর্ণ হতে পারে না।”

    এমন শিক্ষা মারাত্মক পরিণতির কারণ হতে পারে

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Rajnath Singh)। রাজনাথ বলেন, “জঙ্গিরা সব সময় অশিক্ষিত হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী হলেও নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও প্রজ্ঞার অভাব থাকে। এই মূল্যবোধের ঘাটতিই শেষ পর্যন্ত তাদের অপরাধের পথে ঠেলে দেয়।” ধর্ম প্রসঙ্গে রাজনাথ জানান, ধর্ম মানেই শুধু মন্দির, মসজিদ বা গির্জায় প্রার্থনা করা নয়। তাঁর কথায়, “ধর্ম আসলে কর্তব্যবোধ। শিক্ষা যদি ধর্ম ও নৈতিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে তা সমাজের কোনও কাজে আসে না। অনেক সময় এমন শিক্ষা মারাত্মক পরিণতির কারণও হতে পারে।”

    উচ্চশিক্ষিতরাও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে

    তিনি আরও বলেন, “এই কারণেই অনেক সময় দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরাও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে।” ভারতের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি, এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে দেশ (Rajnath Singh)। এই অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজনাথের মতে, ভবিষ্যতের দক্ষ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে (White Collar Terror)।

  • Rajnath Singh: “সিন্ধু অঞ্চল একদিন ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে”, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “সিন্ধু অঞ্চল একদিন ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে”, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিন্ধু (Sindh) অঞ্চল আজ ভারতের সঙ্গে নেই, কিন্তু সীমান্ত বদলাতে পারে এবং একদিন এই অঞ্চল ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে।” রবিবার নয়াদিল্লতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে অন্তত এমনই বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সিন্ধুপ্রদেশ (Rajnath Singh) অর্থাৎ সিন্ধু নদের আশপাশের অঞ্চল ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়। ওই অঞ্চলে বসবাসকারী সিন্ধি জনগণের একটা বড় অংশই ভারতে চলে আসেন। একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “সিন্ধি হিন্দুরা, বিশেষ করে এলকে আডবাণীর মতো নেতাদের প্রজন্মের মানুষ, সিন্ধু অঞ্চলের ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াটা কখনওই মেনে নেননি।”

    কী বললেন রাজনাথ (Rajnath Singh)

    তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণী তাঁর বইগুলির একটিতে লিখেছিলেন, সিন্ধি হিন্দুরা, বিশেষত তাঁর প্রজন্মের মানুষ, এখনও পর্যন্ত সিন্ধুর ভারত থেকে আলাদা হয়ে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেননি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “শুধু সিন্ধুতেই নয়, সমগ্র ভারতে হিন্দুরা সিন্ধু নদকে পবিত্র বলে মনে করেন। সিন্ধুর অনেক মুসলমানও বিশ্বাস করেন যে সিন্ধ নদের জল মক্কার জমজম জলের মতোই পবিত্র। এটি আডবাণীজির উদ্ধৃতি।” রাজনাথ বলেন, “আজ সিন্ধুর ভূমি ভারতের অংশ না হলেও, সভ্যতার দৃষ্টিতে সিন্ধু চিরকালই ভারতের অংশ থাকবে। আর ভূমির ব্যাপারে বলতে গেলে, সীমান্ত বদলাতে পারে। কে জানে, আগামী দিনে সিন্ধু আবার ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে কি না। আমাদের সিন্ধুর মানুষ, যাঁরা সিন্ধু নদকে পবিত্র মনে করেন, তাঁরা সর্বদাই আমাদের আপনজন। তাঁরা যেখানেই থাকুন না কেন, তাঁরা আমাদেরই থাকবেন।”

    প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতা

    প্রসঙ্গত, ২২ সেপ্টেম্বর মরোক্কোয় প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় রাজনাথ বলেন, “আমি আশাবাদী যে ভারতের কোনও আগ্রাসী পদক্ষেপ না নিয়ে পিওকে ফিরে পাওয়া সম্ভব হবে। কারণ সেখানকার বাসিন্দারা দখলদারদের হাত থেকে মুক্তি দাবি করছেন।” তিনি বলেন, “পিওকে নিজেই আমাদের হবে। পিওকে দাবির সূচনা শুরু হয়ে গেছে, নিশ্চয়ই স্লোগান দিতেও শুনেছেন (Sindh)।” প্রসঙ্গত, বহুবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতে ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নানা সময় একই দাবি জানিয়েছেন, অমিত শাহ, রাজনাথ সিংয়ের মতো বিজেপির শীর্ষ নেতারা। এবার এবার পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ ভারতে ফেরানোর দাবি জানালেন রাজনাথ। এদিন সিন্ধি সম্প্রদায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “২০১৭ সালে তৎকালীন দেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। সেই সময় দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, সিন্ধু ছাড়া ভারত অসম্পূর্ণ (Rajnath Singh)।”

    “আমার জন্মস্থান আর ভারতের অংশ নয়”

    উল্লেখ্য, ১৯২৭ সারের ৮ নভেম্বর সিন্ধুপ্রদেশের (বর্তমানে পাকিস্তানে) রাজধানী করাচিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আডবাণী। পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, “আমার জন্মস্থান আর ভারতের অংশ নয়।” এদিন সেই প্রসঙ্গের অবতারণা করে রাজনাথ বলেন, “দেশভাগের পর সিন্ধু নদের একটি বড় অংশ পাকিস্তানে চলে যায় (Sindh)। সমগ্র সিন্ধুপ্রদেশ পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়।” এর পরেই তিনি বলেন, “কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, আমাদের কাছে সিন্ধু নদ, সিন্ধু অঞ্চল এবং সিন্ধিদের গুরুত্ব কমে গিয়েছে। এটি এখনও হাজার হাজার বছর আগের মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “সিন্ধু শব্দটি ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং সিন্ধি সম্প্রদায়ের সঙ্গে জড়িত।” জাতীয় সঙ্গীতের কথা উল্লেখ করে রাজনাথ বলেন, “আজও মানুষ গর্বের সঙ্গে পঞ্জাব, গুজরাট, মারাঠা গান গায়। তারা এই গান গাইতে থাকবে এবং চিরকাল গাইবে। যতক্ষণ আমরা বেঁচে আছি, ততক্ষণ গাইব (Rajnath Singh)।”

    পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, ‘এই ধরনের মন্তব্য হিন্দুত্ববাদী মানসিকতার প্রকাশ এবং তা প্রতিষ্ঠিত বাস্তবকে চ্যালেঞ্জ করে। এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের বিরোধী।’ এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে ভারতকে অনুরোধ করেছে পাকিস্তান (Sindh)। রাজনাথের এহেন মন্তব্য ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। বলেছে, যে সিন্ধু ১৯৪৭ সাল থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিচ্ছেদ্য প্রদেশ। এটি পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ এবং এর রাজধানী করাচি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। পাকিস্তানের মতে, সিন্ধুর ভারতে যোগদানের কথা বলা কেবল এই অঞ্চলে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা এবং যে কোনও মূল্যে এটি এড়ানো উচিত (Rajnath Singh)।

  • Neeraj Chopra: ‘গোল্ডেন বয়’-এর মুকুটে নয়া পালক, নীরজ চোপড়া হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল

    Neeraj Chopra: ‘গোল্ডেন বয়’-এর মুকুটে নয়া পালক, নীরজ চোপড়া হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গোল্ডেন বয়’ নীরজ চোপড়ার Neeraj Chopra) মুকুটে নয়া পালক। অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে টেরিটোরিয়াল আর্মিতে সাম্মানিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত করা হল। নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় আয়োজিত এই “পিপিং সেরিমনি” নীরজ চোপড়ার জীবনের আর একটি গৌরবময় মাইলফলক হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে রইল। নীরজ হলেন সেই ক্রীড়াবিদ, যিনি বিশ্বমঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন একাধিকবার। অনুষ্ঠান চলার সময়ই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) নীরজ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

    কী বললেন রাজনাথ? (Neeraj Chopra)

    এই জ্যাভলিন চ্যাম্পিয়নের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “নীরজ অধ্যবসায়, দেশপ্রেম এবং শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের ভারতীয় চেতনার জীবন্ত প্রতীক।” রাজনাথ নীরজের প্রেরণাদায়ী যাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করেন। হরিয়ানার একটি ছোট্ট গ্রাম থেকে শুরু করে তিনি কীভাবে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের শীর্ষে পৌঁছলেন, তাঁর সেই অসামান্য সাফল্য এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “লেফটেন্যান্ট কর্নেল (সাম্মানিক) নীরজ চোপড়া শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা এবং জাতীয় গৌরবের সর্বোচ্চ আদর্শের প্রতীক। তিনি ক্রীড়া জগতের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন (Neeraj Chopra) সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, ভারতীয় সেনা ও টেরিটোরিয়াল আর্মির প্রবীণ আধিকারিকরা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    নীরজের পথ চলা

    ২০১৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন নীরজ। সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রাচীন ও সর্বাধিক সম্মানিত পদাতিক রেজিমেন্ট রাজপুতানা রাইফেলসে যোগ দেন। নীরজ ইতিহাসে নিজের নাম অমর করে তুলেছেন ২০২০ সালে, টোকিও অলিম্পিক্সে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে ভারতের প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী অ্যাথলিট হয়ে। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিক্সে রৌপ্যপদক জয় এবং ২০২৩ সালে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতে নীরজ প্রমাণ করেছেন, তিনি বিশ্বের অন্যতম ধারাবাহিক জ্যাভলিন থ্রোয়ার।

    এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস এবং ডায়মন্ড লিগ প্রতিযোগিতায়ও একাধিক স্বর্ণপদক জয় করেছেন নীরজ। এভাবে বিশ্বমঞ্চে নীরজ উজ্জ্বল করেছেন ভারতের নাম (Rajnath Singh)। নীরজের ব্যক্তিগত সেরা থ্রো ৯০.২৩ মিটার (২০২৫) ভারতীয় ক্রীড়া ইতিহাসে এক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি (Neeraj Chopra) শুধু শারীরিক দক্ষতার নয়, বরং জাতীয় গৌরব ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।

LinkedIn
Share