Tag: singur

singur

  • Locket Chatterjee: গর্ভবতীদের ইউএসজি-র নামে কী চলছে! সিঙ্গুরে মহিলা চিকিৎসকদের হাতেনাতে ধরলেন লকেট

    Locket Chatterjee: গর্ভবতীদের ইউএসজি-র নামে কী চলছে! সিঙ্গুরে মহিলা চিকিৎসকদের হাতেনাতে ধরলেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে সিঙ্গুর হাসপাতাল নিয়ে এবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ তথা এবারের লোকসভা ভোটের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন। আর সেই মেশিনেই চলছে গর্ভবতী মহিলাদের পরীক্ষা। খোদ হাসপাতালে দাঁড়িয়েই এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর তা নিয়েই হাসপাতালে পড়ে গেল ব্যাপক শোরগোল।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Locket Chatterjee)

    রবিবার সকালে আচমকাই সঙ্গে বেশ কিছু কাগজপত্র নিয়ে সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে পৌঁছন লকেট। হাসপাতালে পৌঁছেই কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন দিয়ে হাসপাতালে গর্ভবতী মহিলাদের পরীক্ষা করানো হচ্ছে। লকেটের অভিযোগ, সাত বছর আগে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন। আর সেই মেশিনই এখনও ব্যবহার করা হচ্ছে সিঙ্গুর ও হরিপাল গ্রামীণ হাসপাতালে। রবিবার সকালে সেই নথি হাতে নিয়ে সিঙ্গুর হাসপাতালে (Singur hospital) যান বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। 

    রোগীর আত্মীয়দের সতর্কবার্তা লকেটের (Locket Chatterjee)

    চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি হাসপাতালে আসা রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি এবং আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন যে মেয়াদ উত্তীর্ণ, তা নিয়েও সাধারণ মানুষকে সাবধান করেন। জানা গিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে ওই আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিনের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। ২০২২ সালে তা রিন্যুয়ালের জন্য আবেদনপত্র পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তা হয়নি।

    লকেটের বক্তব্য 

    কর্তব্যরত চিকিৎসকদেরও নথি দেখিয়ে প্রশ্ন করেন লকেট। এক মহিলা চিকিৎসককে লকেট বলেন, “আপনারা এতদিন ধরে যেটা করেছেন, যেটা সহ্য করেছেন, সেটা একজন মহিলা হিসাবে করা উচিত হয়নি। চাকরির জন্য আমরা নিজেদের বিবেক বেচে দিতে পারি না।” লকেটের প্রশ্নের মুখে পড়ে  চিকিৎসক আমতা আমতা করে বলেন, “আমাদের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। ডিসিশন তো জেলা থেকে হয়।” লকেট (Locket Chatterjee) পাল্টা বলেন, “আপনারা আমাকে কেন জানাননি? হুগলির সাংসদকে জানানোর প্রয়োজন ছিল।” এমনকি মেয়াদ উত্তীর্ণ আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন নিয়ে তাঁদের কাছে কোনও তথ্য নেই বলেও জানান কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।
    এ প্রসঙ্গে এক কর্তব্যরত চিকিৎসক অর্পিতা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “প্রেগন্যান্সিতে তো অনেক রকম ক্লিনিক্যাল সায়েন্সে অনেক কিছু বোঝা যায়। আমাদের রিপোর্ট দেখে কোথাও কোনও খটকা লাগত, আমরা বাইরে থেকে আরও একবার ইউএসজি (USG) করিয়ে আনতে বলতাম। আমাদের কাছে কোনও তথ্য ছিল না, এই মেশিন ২০১৭ সালে মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে আমাদের কিছু রিপোর্ট দেখে সমস্যা মনে হচ্ছিল, আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই।”

    আরও পড়ুন: এলাকায় পানীয় জলের অভাব! প্রচারে বেরিয়ে ক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য  

    অন্যদিকে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, একটি সংস্থা সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে এই পরিষেবা দেয়। নিদির্ষ্ট সময় অন্তর তার লাইসেন্স রিনিউ করতে হয়। এক্ষেত্রে সংস্থাটির লাইসেন্স আছে কি না তা খতিয়ে দেখে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে মেশিনের মেয়াদ উত্তীর্ণ বলে কিছু হয় না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: ফের রাজ্যে মোদি! সভা করবেন হাওড়া ও সিঙ্গুরে

    PM Narendra Modi: ফের রাজ্যে মোদি! সভা করবেন হাওড়া ও সিঙ্গুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে ভোটপ্রচারে (Lok Sabha Election 2024) আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সঙ্গে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। সবে লোকসভা ভোটের দুদফা মিটেছে। বাংলার ৪২ টি আসনের মধ্যে উত্তরবঙ্গের ৬ কেন্দ্রে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। আগামী ৭ মে উত্তরে দুই আসনের সঙ্গে ভোটগ্রহণ শুরু দক্ষিণবঙ্গেও। আর তার আগে ফের বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    হাওড়ায় জনসভা মোদির (PM Narendra Modi)

    রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী শনিবার হাওড়ায় জনসভা করবেন মোদি। ওই দিন মোদির সভামঞ্চে উপস্থিত থাকবেন হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী এবং উলুবেড়িয়ার বিজেপি প্রার্থী অরুণ উদয় চৌধুরী। 

    সিঙ্গুরে সভা মোদির  

    বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী শনিবার কলকাতাতেই রাত্রিবাস করবেন মোদি। তার পরের দিনই হুগলি জেলার সিঙ্গুরে সভা করার কথা রয়েছে তাঁর। আগামী ২০ মে হুগলির তিন লোকসভা কেন্দ্রেই ভোট। ওই দিনই নির্বাচন হবে হাওড়া এবং উলুবেড়িয়া কেন্দ্রেও। তার আগে জমি আন্দোলনের জন্য সংবাদ শিরোনামে থাকা সদা আলোচ্য এলাকা সিঙ্গুরে সভা করতে চলেছেন মোদি (PM Narendra Modi)। ওই সভায় উপস্থিত থাকবেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অরূপকান্তি দিগর, হুগলির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং শ্রীরামপুরের প্রার্থী কবীরশঙ্কর বসু। 
    প্রসঙ্গত, গত ১ মার্চ আরামবাগে সভা করেছিলেন মোদি। এরপর গত বৃহস্পতিবার কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। রাজভবনে রাত্রিবাস করে শুক্রবার তিনি (PM Narendra Modi) বর্ধমান, কৃষ্ণনগর এবং বোলপুরে সভা করেন। আর এর এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই ফের হাওড়ায় জনসভা করবেন মোদি।   
    উল্লেখ্য, ২০১৯ লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) তুলনায় চব্বিশের নির্বাচনে বেশি আসন পেতে জোরকদমে চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। চলতি লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য বিজেপির হয়ে প্রচারে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi), কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ একাধিক শীর্ষ নেতারা। ভোট প্রচারে এসে একাধিক প্রচার সভা থেকে সন্দেশখালি কাণ্ড সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন মোদি। এবার উত্তরের পর দক্ষিণবঙ্গের প্রচারে আসছেন মোদি। এবারে যে পাঁচটি কেন্দ্রের প্রার্থীদের জন্য মোদি সভা করবেন, সেগুলির মধ্যে এক মাত্র হুগলি বাদে বাকি কেন্দ্রগুলিতে গত বার জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। এ বার এই পাঁচটি আসনের মধ্যে বেশ কয়েকটিতে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে বিজেপি। মোদির প্রচার ওই কেন্দ্রগুলির কর্মীদের উজ্জীবিত করবে বলেই মনে করছে বিজেপি।  

    আরও পড়ুন: ৫০-৬০ কিমি বেগে আসছে কালবৈশাখী ঝড়, উত্তাল হতে পারে সমুদ্র, সতর্কতা জারি দক্ষিণবঙ্গে 

    দিলীপ ঘোষের সমর্থনে জনসভা শাহর 

    মোদির (PM Narendra Modi) পাশাপাশি রাজ্যে একের পর এক নির্বাচনী জনসভা করছেন শাহও। বিজেপি সূত্রে খবর আগামী সোমবার তিনি (Amit Shah) বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) সমর্থনে সভা করবেন। ওই সভায় দিলীপের পাশাপাশি উপস্থিত থাকতে পারেন আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী আলুয়ালিয়াও। উল্লেখ্য এর আগে গত মঙ্গলবার বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অসীম সরকারের সমর্থনে সভা করেন শাহ। আর এবার দিলীপ ঘোষের সমর্থনে সভা করতে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Singur: সিঙ্গুরের তৃণমূলে বিরাট ধস! ২০০ জন কর্মী লকেটের হাত ধরে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Singur: সিঙ্গুরের তৃণমূলে বিরাট ধস! ২০০ জন কর্মী লকেটের হাত ধরে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারের আবহেই হুগলিতে তৃণমূলে বিরাট ভাঙন। রবিবার সিঙ্গুরে (Singur) তৃণমূলনেত্রী প্রতিমা দাস এবং তাঁর অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে পদ্মশিবিরে পতাকা নিয়ে তৃণমূলকে উৎখাত করার হুঙ্কার দেন প্রতিমা। অবশ্য এই ঘটনায় তৃণমূল খুব একটা চিন্তিত নয় বলে জানিয়েছে জেলা তৃণমূল।

    পশ্চিম বারুইপাড়ায় যোগদান মেলা (Singur)

    গতকাল রবিবার সিঙ্গুরের (Singur) পশ্চিম বারুইপাড়া এলাকায় বিজেপির তরফ থেকে আয়োজিত যোগদান মেলায় তৃণমূল থেকে আগত কর্মীদের বিজেপির পদ্ম আঁকা পতাকা তুলে দেন লকেট। সদ্য বিজেপিতে যোগদান করা তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে প্রতিমা হলেন সিঙ্গর পঞ্চায়েত সমিতির দুই বারের প্রাক্তন সভাপতি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বারুইপাড়া পলতাগড় এলাকার তৃণমূল কর্মী প্রদীপ দাস, শুকদেব দাস, রূপশ্রী পাত্র-সহ আরও অনেকে যোগদান করলেন। ওই দিন যোগদান পর্বের আগে পশ্চিম বারুইপাড়া এলাকার কালীমন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী লকেট।

    কী বললেন লকেট?

    হুগলি (Singur) লোকসভার বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আজ প্রায় ২০০ জন তৃণমূল কর্মী এবং সিপিএম কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। প্রত্যেকেই নরেন্দ্র মোদির কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিজেপিতে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। এই যোগদানে মহিলাদের একটা বড় সংখ্যা ছিল। সংগঠন আরও শক্তিশালী হল। তৃণমূলের দুর্নীতি মানুষের মনে জাগরণ ঘটিয়েছে।”

    প্রতিমার বক্তব্য

    বিজেপিতে যোগদান করে প্রতিমা এদিন বলেন, “তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূলকে উৎখাত করতে হবে। সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার, বগটুইয়ের গণহত্যা সব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আজ আমি বিজেপিতে যুক্ত হয়েছি। তৃণমূলে থাকার সময়েও আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। কিন্তু এই লড়াইয়ে একা ছিলাম। সুশাসনের কামনায় বিজেপিতে যোগদান করলাম।” তবে এই প্রতিমা সিঙ্গুরের (Singur) মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের অনুগামী ছিলেন। প্রতিমা ২০১৮ সাল পর্যন্ত সমিতির সভাপতি এবং ২০১৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত সহকারী সভাপতি ছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার সইফুদ্দিনের গোপান জবানবন্দি নিতে কোর্টে আবেদন সিবিআই-এর

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বিজেপির এই যোগদান সভাকে ঘিরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সিঙ্গুর (Singur) ব্লক সভাপতি আনন্দমোহন ঘোষ বলেন, “প্রতিমা আগে দলে থাকেলও সম্প্রতি তাঁর কাজ দলে সক্রিয়তা ছিল না। সেই জন্য দল গতবারের পঞ্চায়েতে টিকিট দেয়নি। ফলে তাঁর না থাকা তৃণমূলে কোনও প্রভাব ফেলবেনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দুধের শিশুকে সপাটে গালে চড়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ

    Hooghly: দুধের শিশুকে সপাটে গালে চড়, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের দুধের শিশুকে গালে কষিয়ে চড় মারার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে। তৃণমূল নেত্রী আবার অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা। কর্মী। ওই শিক্ষিকার মারে ওই ছোট্ট গালে পাঁচ আঙুলের ছাপ পড়ে যায় বলে অভিযোগ। অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরের বড়া বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর নাম যাদবী ঘোষ। তিনি হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। অন্যান্য দিনের মতো এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এলাকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা আসে। অভিযোগ, শুক্রবার স্কুল চলাকালীন তিন বছরের ওই পড়ুয়ার গালে চড় মারেন অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিক্ষিকা। এতটাই জোরে ওই শিশুটির গালে তিনি মেরেছেন যে কিছুক্ষণের জন্য সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। আর বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিভাবকরা সেখানে জড়ো হয়। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা তথা তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর বক্তব্য, তৃণমূল নেত্রী বলে তিনি নিজের দায়িত্ববোধ ভুলে গিয়েছেন। তিন বছরের দুধের শিশুর গায়ে এভাবে কেউ হাত তোলে। যদিও ছেলেটা দুষ্টুমি করে বা পড়া না পারে তারজন্য এভাবে কাউকে মারধর করা উচিত। আমরা ওই নেত্রীর কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এরপর এলাকার মানুষ থানায় খবর দেন।

    তৃণমূল নেত্রী কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেত্রী যাদবী ঘোষ বলেন, এখানে ৬ মাস কাজ করছি। কেউ আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ আনতে পারবে না। আর এখানে আমি তৃণমূল নেত্রী নয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা। ছাত্রকে মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এরকম অভিযোগের কোনও ভিত্তিই নেই। এ কাজ আমি করিনি। করতে পারি না। এটা ইচ্ছা করে করা হচ্ছে। তবে, তারা কেন করছে না আমি বুঝতে পারছি না। সমস্ত পড়ুয়াদের আমি ভালোবাসি।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ব্যুমেরাং, মমতার সিল্ক হাব তৈরির স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ল কৃষকদের জমি আন্দোলনে

    Hooghly: ব্যুমেরাং, মমতার সিল্ক হাব তৈরির স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ল কৃষকদের জমি আন্দোলনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরে কৃষকদের বাধায় টাটাদের ন্যানো কারখানার জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি তৎকালীন রাজ্য সরকার। কৃষকদের আন্দোলনের পাশে সেই সময় ছিল তৃণমূল। এখন সরকারে তৃণমূল। এবার সেই হুগলি জেলায় সিল্ক হাব করতে গিয়ে কৃষকদের বাধার মুখে পড়লেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তৃণমূল কাউন্সিলরের সামনেই চলল বিক্ষোভ। এবার ঘটনাস্থল শ্রীরামপুর। সিঙ্গুর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে স্রেফ কৃষকদের বাধায় তৃণমূল সরকার সিল্ক হাব করতে পারল না।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Hooghly)

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) শ্রীরামপুর পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রভাস নগরে সিল্ক হাব হবে বলে ২০১৬ সালে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু জমিজটে সেই সিল্ক হাব তৈরির কাজ থমকে ছিল এতদিন। কয়েকদিন আগে সেখানে নীচু জমি ভরাট করতে মাটি ফেলা শুরু হয়েছে। প্রায় কুড়ি একর জমির উপর গড়ে উঠবে সিল্ক হাব। বুধবার সকালে প্রস্তাবিত সিল্ক হাবের জায়গা মাপজোক করতে যান এসডিএলআরও দফতরের কর্মীরা। ছিলেন শ্রীরামপুর পুরসভার কাউন্সিলররাও। সেই সময় তাঁরা কৃষকদের বাধার মুখে পড়েন। সরকারি আধিকারিকদের ঘিরে ধরে তাঁদের দাবি জানাতে থাকেন কৃষকদের।

    বিক্ষোভকারী কৃষকরা কী বললেন?

    কৃষকদের বক্তব্য, বহুদিন ধরে এই জমিতে চাষ করে আসছেন। এই জমিতে সিল্ক হাব হলে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। এই জমিতে আমরা ৪০-৫০ বছর চাষ করি। সরকারি খাস জমি বলছে, সেটা কী করে হয়? আর খাস জমি যদি হয়, তাহলে সেই জমিতে আবাসের ঘর কী করে হয়? আমরা চাই সিল্ক হাব হোক, আমাদের পুনর্বাসন দিয়ে যা হওয়ার হোক। না হলে আমরা আন্দোলন শুরু করব। কোনওভাবে এখানে সিল্ক হাব হতে দেব না।

    প্রশাসনের আধিকারিকরা কী বললেন?

    যদিও প্রশাসনের দাবি, সরকারি কিছু খাস জমি পড়ে রয়েছে, সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী সিল্ক হাব করার কথা বলেছিলেন। এর মধ্যে দিয়ে হুগলির (Hooghly) শ্রীরামপুর ও বৈদ্যবাটির সিল্ক প্রিন্টিংকে এক ছাতার তলায় আনা হবে। এর ফলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও হবে। পুরভার কাউন্সিলর সন্তোষ সিং, পিন্টু নাগরা বলেন, ‘সরকারি খাস জমিতে সিল্ক হাব তৈরি হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কৃষক দরদী। কোনও কৃষককে বঞ্চিত করা হবে না। আমরা বলেছি, জমির কাগজ যদি কিছু থাকে তা নিয়ে আসুন, পুরসভায় দেখান। মুখের কথায় হবে না। যদি কাগজ থাকে কাজ বন্ধ থাকবে। আর কাগজ না থাকলে প্রশাসন নিজের মতো করে ব্যবস্থা নেবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: “সিঙ্গুরের লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের সমর্থন ছিল না”, মমতার দাবিকে নস্যাৎ শুভেন্দুর

    Hooghly: “সিঙ্গুরের লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের সমর্থন ছিল না”, মমতার দাবিকে নস্যাৎ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কলকাতায় বিজেপির মেগা ইভেন্ট। আসবেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর এই সভা সফল করে তোলার উদ্দেশে রাজ্যের বিভিন্ন কোণে কোণে ছুটছেন বিজেপি নেতারা। সোমবার রাতে ঠিক একই কারণে সিঙ্গুরে (Hooghly) যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উপচে পড়া জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু সিঙ্গুরের বর্তমান অবস্থার জন্য শাসক দলকে দায়ী করে বলেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বোকামি এবং গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর ভদ্রতার সুযোগ নিয়ে এ রাজ্যের নেত্রী শিল্পকে ভাগিয়ে দিয়েছেন গুজরাটে।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Hooghly)?

    হুগলির (Hooghly) সিঙ্গুরে বুড়াশান্তির মাঠে শুভেন্দুর সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন চাকরি চুরি, রেশন চুরির ১০০ দিনের কাজ, বার্ধক্য, বিধবা ভাতা, আবাস যোজনা দুর্নীতির প্রতিবাদে সরব হন বিজেপি নেতারা। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিঙ্গুর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “২০০৬ সালে সিঙ্গুরের যাঁরা জমির মালিক হিসাবে চেক নিয়ে নিয়েছিল, তাঁদের মধ্যে থেকে সামান্য কজন বর্গাদারকে নিয়ে সিঙ্গুরে শিল্প-কারখানার বিরোধিতা করতে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রামের দুটো লড়াই এক লড়াই নয়। সিঙ্গুরের লড়াইতে সাধারণ মানুষের সমর্থন ছিল না।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজকের এই সিঙ্গুরকে শ্মশানে পরিণত করেছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদারতা এবং প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর মতো মহান ব্যক্তির ভদ্রতার সুযোগ নিয়ে এই রাজ্যের নেত্রী শিল্পকে ভাগিয়ে দিয়েছেন গুজরাটে। সিঙ্গুরকে ধ্বংস করেছেন তিনি।”

    তীব্র আক্রমণ বেচারাম মান্নাকে

    রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্নাকে এদিন আক্রমণ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু বলেন, “সিঙ্গুর টাটার কারখানায় (Hooghly) চুনসুড়কি সাপ্লাই করতেন বেচারাম মান্না। আমি জানি তিনি একটা বিড়িকে নিভিয়ে নিভিয়ে কীভাবে খেতেন। আগে ফাটা পায়জামা পড়তেন। একটা পাঞ্জাবি পাঁচদিন পড়তেন, তারপর ধুতে দিতেন। তিনি এখন সারাদিনে তিনটে সিল্কের পাঞ্জাবি পরেন। পিছনে তুলো লাগানো লম্বা সিগারেট খান। অনেক কিছু করেছেন, কোথা থেকে হয়েছে জানি না। তবে আমাদের ভারতবর্ষে ইডি আছে। মাটির ভিতরে জিনিস থাকলেও খুঁজে বের করতে পারে ইডি। কেউ ভাবতে পেরেছিল দেড়শো কেজি ওজনের, পঁচাত্তর বছরের একটা বুড়োর নাম পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যিনি মমতার একজন প্রিয় পার্থদা ছিলেন। অপার ঘরে ঢুকেই ৫১ কোটি মাল দুদিনে বেরিয়েছে। এই দুর্নীতির হিসাব নেবো আমারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Singur: সেই সিঙ্গুরেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! জমি অধিগ্রহণে গিয়ে এবার ঘাড়ধাক্কা খেল মমতার দফতর

    Singur: সেই সিঙ্গুরেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! জমি অধিগ্রহণে গিয়ে এবার ঘাড়ধাক্কা খেল মমতার দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। নিয়ম মেনে জমি অধিগ্রহণ করে টাটা গোষ্ঠী হুগলির সিঙ্গুরে (Singur) ন্যানো কারখানা তৈরি করছিল। ৯০ শতাংশ কারখানা তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিল। দো-ফসলি জমি নষ্ট করে শিল্প করা যাবে না, এই অজুহাত দেখিয়ে চাষিদের বন্ধু হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে আন্দোলন শুরু করেছিল তৃণমূল। তৃণমূলের আন্দোলনে পিছু হটতে বাধ্য হয় টাটা গোষ্ঠী। সিঙ্গুর আন্দোলনের উপর ভর করে রাজ্যে বামফ্রন্টকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। এরপর এক যুগ কেটে গিয়েছে। এবার সেই সিঙ্গুর, সেই জমির গেরো! আর তাতেই মমতা সরকারের আমলে জুয়েলারি হাবের ভবিষ্যৎ শিকেয়। আপাতত হন্যে হয়ে জমি খুঁজছে হুগলি জেলা প্রশাসন। এলাকার মানুষের বাধায় জুয়েলারি হাব করার জন্য তৃণমূল সরকার সিঙ্গুরে জমি পায়নি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কর্তাদের দাবি, সমস্যা মিটিয়ে দ্রুত এই কাজ করা হবে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Singur)

    এদিকে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, সিঙ্গুরে (Singur) নসিবপুর পঞ্চায়েতে সরকারি খাস জমিতে ০.২৩ একর জমিতে সিঙ্গুর ইমিটেশন জুয়েলারি ক্লাস্টার গড়ার পরিকল্পনা হয়েছিল। ঠিক হয়েছিল, সেখানে ৩৮টি ইউনিট থাকবে। এর মাধ্যমে হাজার পাঁচেক মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কাজ পাবেন, মিলবে নানা ধরনের সুবিধা। গত মার্চ মাসেই সরকারি কর্তারা জমি মাপতে এলাকায় গিয়েছিলেন। কিন্তু, সেখানে তাঁরা বাধা পান। টাটাদের যেভাবে বাধা দেওয়া হয়েছিল, ঠিক একইভাবে এলাকার মানুষ সরকারি ওই আধিকারিকদের বাধা দেন। ব্লক প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা পৌঁছলেও জট কাটেনি। এলাকার মানুষ সরকারি আধিকারিকদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখিয়ে বলেছিলেন, এই জমি বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তা কিছুতেই করতে দেওয়া হবে না। জেলা প্রশাসন বহু চেষ্টা করেও চাষিদের মন জয় করতে পারেনি। আর তাই বছরের প্রায় প্রথম দিক থেকে জমি নিয়ে এই হাব তৈরিতে সমস্যা হলেও বছর শেষেও এই সমস্যা মিটল না। সিঙ্গুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি টুম্পা ঘোষ বলেন, ‘জায়গাটা নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’ বিরোধীদের বক্তব্য, এই ঘটনা থেকে প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে সিঙ্গুরেও মাটি হারাচ্ছে তৃণমূল। চাষিরাও আর দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকারের উপর আর ভরসা রাখতে পারছে না। এই সিঙ্গুর তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছে, এই সিঙ্গুরই তৃণমূলকে ডোবাবে।

    কী বললেন জেলা শিল্প কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার?

    জেলা শিল্প কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার সুমনলাল গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘সিঙ্গুরে (Singur) জুয়েলারি হাবের জন্য আগে যে জমি দেখা হয়েছিল সেখানে কিছু সমস্যা আছে। আমরা নতুন জমি খুঁজছি। আমরাও চেষ্টা করছি, যত দ্রুত সম্ভব জমি খুঁজে এই ক্লাস্টারের কাজ চালু করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Singur: টাটার ভাঙা কারখানা থেকে লোহার রড, টিনের শেড, ক্যানাল পাইপ ইত্যাদি দেদার লুট! দায় কার?

    Singur: টাটার ভাঙা কারখানা থেকে লোহার রড, টিনের শেড, ক্যানাল পাইপ ইত্যাদি দেদার লুট! দায় কার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ভাগ্যে আরও এক ‘টাটানগর’ গড়ে ওঠার স্বপ্ন দুরমুশ হয়ে গিয়েছিল ২০০৮ সালে। ন্যানো কারখানা, কার্যত জমি আন্দোলনের নিচে চাপা পড়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের আর কোনও সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যায়নি। ট্রাইবুনালের নির্দেশে সুদ সহ ক্ষতিপূরণের টাকা দিতে হবে মমতার সরকারকে। জমি বাঁচাও আন্দোলনের পর থেকেই নির্মীয়মাণ কারখানাকে মাঝ পথে ফেলে রেখে, নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিল টাটা। সেই সময়ে সিঙ্গুরের (Singur) মাঠে পড়েছিল ভারী ভারী নির্মাণসামগ্রী। কোটি কোটি টাকার ছিল সরঞ্জাম। কিন্তু সব কেমন যেন স্রেফ উবে গেল! কিন্তু এই চুরি করল কারা?

    নির্মাণসামগ্রী লুটের অভিযোগ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিঙ্গুরের (Singur) এই জমিতে যে কারখানা নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল, সেখানে ছিল কোটি কোটি টাকার সামগ্রী। এই সামগ্রী ব্যাপক ভাবে চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। লোহার রড, টিনের শেড, ক্যানাল পাইপ এবং ব্যবহার করার নানা যন্ত্রপাতি কার্যত লুট হয়েছে বলে দাবি এলাকার মানুষের।

    প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তা

    স্থানীয় (Singur) সূত্রে জানা গিয়েছে যে এলাকায় চুরি ঠেকাতে পুলিশ তেমন ভাবে সক্রিয়তা দেখায়নি। এলাকার মানুষ প্রথম দিকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন পুলিশকে। পুলিশ সেই মতো হাতে গোনা কয়েকটা সিসিটিভি লাগালেও, পরে সেগুলিকে খুলে নিয়ে চলে যায় চোরেরা। কিন্তু পুলিশ কোনও দোষীদের চিহ্নিত করে উঠতে পারেনি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    সিঙ্গুরে (Singur) এই নির্মাণ সামগ্রী চুরির ঘটনায় হুগলি জেলার বিজেপি যুবমোর্চার সদস্য সৌমিত্র পাখিরা শাসকদল তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, “যখন রাজ্যে কারখানা নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল, সেই সময় থেকেই নির্মাণসামগ্রী চুরি হতে শুরু করে। শিল্প চলাকালীন শ্রম চুরি হয়। রড, বালি, পাথর, কাঠ সব চুরি করে নিয়েছে তৃণমূলের নেতারা।”

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    সিঙ্গুরে (Singur) তৃণমূল নেতা দুধকুমার ধারা বামেদের দিকে দোষ ঠেলে বলেন, “যত চুরি হয়েছে বাম আমলে। যে সময়ে চুরি হয়েছে সেই সময় রাজ্যের ক্ষমতায় সিপিএম ছিল। সব দায় তাঁদেরকেই নিতে হবে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Singur: এখনও রাজনীতির ময়দান হিসেবেই সিঙ্গুরকে ব্যবহার করছে তৃণমূল, ক্ষোভ এলাকাবাসীর

    Singur: এখনও রাজনীতির ময়দান হিসেবেই সিঙ্গুরকে ব্যবহার করছে তৃণমূল, ক্ষোভ এলাকাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঙ্গুর (Singur) নিয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। আর্বিট্রাল ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুসারে, টাটাকে কারখানা করতে না দেওয়ার কারণে, রাজ্য সরকারকে সুদ-সহ ৭৬৫.৭৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর এই নির্দেশ আসার পর থেকেই এলাকার মানুষ বলছেন, ‘সিঙ্গুর এখন রাজনীতির ময়দান’। বিগত দিনের বাম সরকার যেমন রাজনীতি করেছে, ঠিক একইরকম ভাবে বর্তমান তৃণমূল শাসকও রাজনীতি করছে। কার্যত সিঙ্গুরের ইচ্ছুক এবং অনিচ্ছুক চাষিদের শিল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত করেছে তৃণমূল। 

    রাজনীতির ময়দান সিঙ্গুর (Singur)

    টাটা গোষ্ঠীকে সুদ-সমেত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ আসার পর থেকেই সিঙ্গুর (Singur) হল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সিঙ্গুর আন্দোলনের নামে, তৃণমূল কংগ্রেস শিল্প-কারখানার সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে। অপর দিকে বাম আমলে ছিল না শিল্প গড়ে তোলার উপযুক্ত পরিবেশ। এর ফল ভুগতে হয়েছে সিঙ্গুর সহ সারা রাজ্যের মানুষকে। শিল্পের বিরোধিতা, নাকি জমি বাঁচাও আন্দোলন? এই দুইয়ের জন্য এলাকার মানুষ বাম এবং তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলেছে। ফলে বাস্তবে সিঙ্গুরের ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে নষ্ট করে দিয়েছে বলে মনে করছেন মানুষ। তাই আজ ইচ্ছুক-অনিচ্ছুক সকল চাষিরা যে বিরাট চক্রান্তের শিকার হয়েছেন, তাও বুঝতে সক্ষম হয়েছেন।

    সিঙ্গুরের চাষিদের বক্তব্য

    সিঙ্গুরের (Singur) অনিচ্ছুক চাষি ভুবন গারাই বলেন, “আমি সেই সময় জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করেছিলাম, কিন্তু শিল্প চেয়েছিলাম। বাম আমলের আগে এই রাজ্য শিল্পে এক নম্বরে ছিল। কিন্তু ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে সব কলকারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। সব সরকার মিথ্যাবাদী।” আবার ইচ্ছুক চাষি শক্তিপদ মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম শিল্প হোক। কিন্তু রাজনীতির খেলায় না হল শিল্প, না হল চাষ। আমাদের যুব সামজের জন্য বড় সুযোগ ছিল। বর্তমান তৃণমূল সরকার চাষিদের ঠকিয়েছে।”

    সিঙ্গুরের মাস্টারমশাইয়ের বক্তব্য

    বিপুল পরিমাণ ক্ষতিপূরণের বিষয়ে সিঙ্গুরের (Singur) মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য বলেন, “টাটার কোনও দোষ নেই, আদতে তাঁদের ক্ষতি হয়েছে অনেক। কারখানা করতে চেয়েও তাঁরা করতে পারেননি। বাম সরকারের ভুলের জন্যই টাটারা চলে যেতে বাধ্য হন।” আন্দোলনের অন্যতম মুখ রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য বলেন, “তৎকালীন রাজ্যপাল-এর মধ্যস্থতায় চুক্তিও হয়, কিন্তু সেই চুক্তি তৎকালীন বাম সরকার মানেনি। কারণ পলিটব্যুরো নেতারা সায় দেয়নি। টাটা চলে যাওয়ার পিছনে আমাদের আন্দোলন আংশিক দায়ী হলেও, পুরোপুরি দোষ ছিল তৎকালীন বাম সরকারের।”

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    সিঙ্গুরের (Singur) বিজেপি নেতা সঞ্জয় পাণ্ডে অবশ্য আশাবাদী, আবার সিঙ্গুরে শিল্প হবেই।ট্রাইব্যুনালের রায়কে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে শিল্প হবে। ওই জমিতেই হবে কারখানা, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় আমাদের কথা দিয়ে গেছেন।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: টিকিট না পেয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ উগরে দিলেন সিঙ্গুরের তৃণমূল নেতা

    Panchayat Vote: টিকিট না পেয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ উগরে দিলেন সিঙ্গুরের তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছেই। এবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Vote) প্রার্থী না হতে পারায় ফেসবুকে ক্ষোভ উগরে দিলেন সিঙ্গুর আন্দোলনের অন্যতম মুখ দুধকুমার ধাড়া। সিঙ্গুর (Singur) পঞ্চায়েত সমিতির ৩ নম্বর আসনে দলীয় তালিকায় নাম ছিল দুধকুমার ধাড়ার। সেই মতো মনোনয়নও জমা দিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, এরপর দলের প্রতীক অন্য একজন পেয়ে যায়। এ নিয়ে দুধকুমার জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলা চিঠিও খেলেন সিঙ্গুর আন্দোলনের এই কৃষক নেতা।

    আরও পড়ুুন: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    কী লিখলেন দুধকুমার?

    ফেসবুকে দুধকুমার ধাড়া লেখেন, ‘‘এই নির্বাচনে আমাকে বেড়াবেড়ি পিএস ৩ আসনে দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য নাম দেওয়া হয়। সেই মতো নমিনেশন জমা দিই। কিন্তু জানতে পারলাম আমাকে প্রার্থী করা হচ্ছে না। কারণ জানতে বেচারাম মান্নার কাছে যাই। আমার অপরাধ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কোনও অপরাধ নেই’। ‘এত বড় অপমান সহ্য করতে পারছি না।’’ দুধকুমারের আরও প্রশ্ন, ‘‘২০০৩ সাল থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে দীর্ঘদিন দলের কাজ করার পরও কেন তিনি টিকিট পেলেন না?’’ দুধকুমারের এই পোস্ট নিয়ে জোর শোরগোল ছড়িয়েছে জেলার রাজনীতিতে। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দুধকুমার বলেন, “এই পোস্ট আমার অপমানের পোস্ট। আমাকে যে অপমান করা হল তার বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছি।”

    দুধকুমারের পরিবর্তে কে প্রার্থী হলেন?  

    জানা গিয়েছে, দুধকুমার ধাড়ার আসনে যিনি দলীয় প্রতীক পেয়ে প্রার্থী হয়েছেন, তিনিও সিঙ্গুর জমি আন্দোলনেরই অন্যতম আরেক মুখ তথা হুগলি জেলা পরিষদের বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ মানিক দাস। মানিক বলেন, “উনি টিকিট পেয়েছিলেন তা আমার জানা ছিল না। আগে থেকে কেউই জানত না, কে কোথায় টিকিট পাবে। দল যেটা ভাল মনে করেছে সেটা করেছে। আমিও ভেবেছিলাম জেলা পরিষদে টিকিট পাব কিন্তু দল দেয়নি। তাতে আমার কিছু বলারও নেই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share