Tag: SIR in West Bengal

  • Suvendu Adhikari: “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন, কোনও মতুয়ার নাম বাদ যাবে না” মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন, কোনও মতুয়ার নাম বাদ যাবে না” মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকা থেকে কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ দিতে দেওয়া হবে না বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে এসআইআর-এ (SIR In West Bengal)ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে যে আশঙ্কায় রয়েছে মতুয়া সমাজ, তা কিছুটা নিরসন করার চেষ্টা করেন শুভেন্দু। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ (Bangaon) শহরে আরএস মাঠে মতুয়া ধর্ম মহা সম্মেলনে তাঁর বার্তা – ভোটার তালিকা (Voter List) থেকে কোনও মতুয়ার নাম বাদ দিতে দেব না। তবে রোহিঙ্গা মুসলিমদের (Rohingya Muslim) নাম থাকতেও দেব না। একই সঙ্গে তিনি এ তথ্যও দেন যে, সিএএ-তে (CAA) ইতিমধ্যে ৬০ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন। ১ হাজারের বেশি শংসাপত্রও পেয়ে গিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন

    বিজেপি দাবি করে আসছে, রাজ্যের ভোটার তালিকায় অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি (Bangladeshi) এবং রোহিঙ্গাদের নাম ভরে গেছে। এসআইআর হলে সেই নাম বাদ যাবে যে সংখ্যাটা হতে পারে ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম যাওয়ার মধ্যে যদি ১ লক্ষ মতুয়ারা থাকেন তাহলে এটুকু সহ্য করতে হবে। কিন্তু মতুয়াগড়ে সভা করে শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা – একটি নামও তিনি বাদ দিতে দেবেন না। কিন্তু বুধবার বনগাঁয় দাঁড়িয়ে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বললেন, “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন। মতুয়াদের কথা কেন্দ্র সবসময় ভাবে। তাই জন্যই সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কারও কোনও চিন্তা নেই। কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ যাবে না।”

    ভুল বোঝাচ্ছে তৃণমূল

    শুভেন্দুর বক্তব্যে এদিন ফিরে আসে তৃণমূলের ভুল বোঝানো প্রসঙ্গ। বলেন, এসআইআর নিয়ে মানুষকে লাগাতার ভুল বুঝিয়ে আসছে তৃণমূল, ঠিক যেমন এনআরসি-সিএএ নিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছে। বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, একদিকে সিএএ-র বিরোধিতা করছে সরকার, অন্যদিকে মানুষকে আবেদনও করতে বলছে। এটা দ্বিচারিতা ছাড়া কিছু নয়, আক্রমণ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। এসআইআর-এ নাম তোলা নিয়ে এখনও রীতিমতো চিন্তায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিরাট অংশের মতুয়া সমাজ। কারণ তাঁদের মধ্যে অনেকের কাছেই যথাযোগ্য ডকুমেন্টস নেই। এমন পরিস্থিতিতে এসআইআর আতঙ্কে তাঁরা রীতিমতো ভয়ে কাঁটা। এদিন এসআইআর নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যদি কারও এসআইআর-এ নোটিশ দেওয়া হয়। তবে আপনারা যাবেন, ভয় পাবেন না। ৮৫ বছরের বেশি বয়স্কদের লাইনে দাঁড়ানোর দরকার নেই। তাঁদের বাড়িতে লোক আসবে।”

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    প্রসঙ্গত, বুধবারই অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ (All India Matua Sangha) দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে। মতুয়া মহাসঙ্ঘের পক্ষ থেকে ৬ সদস্যকে নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যান শান্তনু ঠাকুর। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। ওনাকে জানিয়েছি, মতুয়ারা নাগরিকত্ব পেতে চলেছে।”

    হিন্দু কেশাগ্র কেউ স্পর্শ করতে পারবেন না

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গে এসআইআর (SIR in Bengal) নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “নাম যদি ইআরও কাটে। আমি অশোক কীর্তনিয়ার কাছে ফরম্যাট পাঠাব। ইও-র কাছে আবেদন করবেন। সেও যদি বাতিল করেন, তাহলে সিইও-র কাছে আবেদন করবেন। আর সিইও অফিসে আবেদনের বিষয় দায়িত্ব নেবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হিন্দু কেশাগ্র স্পর্শ করতে কেউ পারবেন না।” এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “সিএএ-র সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে মতুয়াবাড়ির সার্টিফিকেট কেন্দ্রীয় সরকার গ্রহণ করছে,করবে। এখনও অবধি ৬০ হাজার মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেছেন।”

    মতুয়া সমাজকে ভোটব‍্যাঙ্কের চোখে দেখেন মমতা

    উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকার মতুয়া সমাজকে ভোটব‍্যাঙ্কের চোখে দেখেন। তাই তাঁদের মধ্যে নানা ভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করেন। মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে বিভাজন ঘটানোর চেষ্টাও আমরা দেখেছি। মমতাবালা ঠাকুরকে ব্যবহার করে ঠাকুরবাড়িতে অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’শুভেন্দু বলেন, ‘‘সিএএ পাশ হওয়ার পরে গোটা দেশে কোথাও বিরোধিতা হয়নি। কিন্তু এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্যা-ক্যা-ছি-ছি বলে মিছিল করতে নেমেছিলেন। বলেছিলেন সিএএ মানেই এনআরসি। তাঁর ভুল বোঝানোয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেকে বিভ্রান্ত হন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীরা তাঁদের রাস্তায় নামান। তার ফলে অনেক অশান্তি হয়, ক্ষয়ক্ষতি হয়। ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে ফাটল ধরে।’’ এনআরসির ভয় দেখিয়ে রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটের পুরোটাই মমতা নিজের ঝুলিতে পুরে ২০২১ সালে ভোটে জিতেছিলেন বলে শুভেন্দু দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘‘সিএএ কার্যকর হওয়ার পরে এটা প্রমাণ হয়েছে যে, এটা এনআরসি নয়। কিন্তু আবার একটা ভোট এসেছে। তাই আবার ভয় দেখাতে হবে। এ বার হাতিয়ার করেছেন এসআইআর-কে।’’

    মতুয়াদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করেছেন মোদি

    প্রমথরঞ্জন ঠাকুরের আমল থেকে মতুয়াদের ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আন্দোলন শুরু হলেও দশকের পর দশক বিষয়টি নিয়ে কোনও সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ করেনি বলে শুভেন্দু অভিযোগ করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘‘২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ে শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে সভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন যে, মতুয়াদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা তিনি করবেন। সিএএ পাশ করিয়ে তিনি কথা রেখেছেন। আর মমতা মিথ‍্যাচার করে, অপপ্রচার করে হিন্দুদের দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। ঠাকুরবাডিতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা করি।’’

     

     

     

  • SIR in Bengal: বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনেও মিলবে এনুমারেশন ফর্ম, জানেন কীভাবে পূরণ করবেন?

    SIR in Bengal: বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনেও মিলবে এনুমারেশন ফর্ম, জানেন কীভাবে পূরণ করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) এনুমারেশন ফর্ম পাওয়া যাবে অনলাইনেও। বৃহস্পতিবার থেকে কারা, কী ভাবে সেই ফর্ম পূরণ করতে পারবেন তা জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। আগ্রহীরা কমিশনের ওয়েবসাইটে গেলে ফর্মের লিঙ্ক মিলবে। এ ছাড়া, কমিশনের একটি অ্যাপও রয়েছে এই কাজের জন্য। বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও) রাজ্য জুড়ে মঙ্গলবার থেকে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা শুরু করেছেন। কমিশন জানিয়েছে, যাঁরা বিএলওদের কাছ থেকে সশরীরে ফর্মটি নিতে পারছেন না, তাঁরা এখন থেকে অনলাইন ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে পারবেন।

    কারা অনলাইনে ফিল আপ করবেন

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মূলত, কর্মসূত্রে যাঁরা বাইরে থাকেন, তাঁদের জন্য এই ব্যবস্থা। মঙ্গলবার থেকেই অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ চালু হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তা সম্ভব হয়নি। কমিশন জানিয়েছিল, যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে। বুধবার অনলাইনে ফর্ম পাওয়ার দিন ঘোষণা করা হল। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের ওয়েবসাইটে (https://ceowestbengal.wb.gov.in/) অনলাইন এনুমারেশন ফর্ম মিলবে। কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট-এ গিয়েও কেউ চাইলে ওই ফর্ম পূরণ করতে পারেন।

    আপলোডের প্রক্রিয়া পোর্টালেই বিস্তারিত বলা থাকবে

    ইতিমধ্যে রাজ্য জুড়ে ৮০ হাজারের বেশি বিএলওকে এসআইআর-এর কাজে নিয়োগ করেছে কমিশন। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন, ফর্ম বিলি করছেন এবং ভোটারদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত রাজ্যে ১ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়ে গিয়েছে। বিএলওদের কাজ পর্যবেক্ষণ এবং ভোটারদের সাহায্যের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এজেন্ট (বিএলএ) নিয়োগ করেছে। কমিশনের এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, “ফর্মগুলি অনলাইনে চলে এলে, যারা বিএলও-দের কাছ থেকে ফর্ম নিতে পারছেন না, তারা অনলাইনেই ফর্ম পূরণ করে জমা করতে পারবেন। প্রথমে ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে এবং অনলাইনে পূরণ করতে হবে। এরপর পূরণ করা ফর্মটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আপলোড করতে হবে। আপলোডের প্রক্রিয়া পোর্টালেই বিস্তারিত বলা থাকবে।”

    কীভাবে ফর্ম পূরণ করবেন

    ফর্মের একেবারে ওপরে ভোটারের নাম, ভোটার কার্ড নম্বর এবং ঠিকানা ছাপা থাকবে। সেই সঙ্গে ছাপা থাকবে পার্ট নম্বর, বুথ নম্বর এবং ভোটার কার্ডের পুরনো ছবি। এখানে পুরনো ছবির পাশে লাগাতে হবে ভোটারের এখনকার ছবি। লিখতে হবে, জন্মের তারিখ ও মোবাইল নম্বর। আধার নম্বর দিতেও পারেন, নাও পারেন। নিচে এই কলামে লিখতে হবে বাবার নাম এবং যদি থাকে, তাহলে বাবার এপিক নম্বর। এরপর লিখতে হবে মায়ের নাম। এবং যদি থাকে মায়ের ভোটার কার্ডের নম্বর। বিবাহিত হলে জানাতে হবে স্বামী বা স্ত্রীর নাম। স্বামী বা স্ত্রীর এপিক থাকলে দিতে হবে তার নম্বর। ২০০২-এর ভোটার তালিকায় কারও নিজের নাম থাকলে, তাঁকে ফর্মের বাঁদিকের টেবল ফিল-আপ করতে হবে। সেখানে নিজের নাম, ভোটার আইডি নম্বর, বাবা বা মায়ের নাম, সম্পর্ক, জেলার নাম, রাজ্যের নাম এবং ২০০২ সালে যে বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছিলেন, তার নাম এবং নম্বর দিতে হবে।

    যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই

    ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ভোটার কিংবা তাঁর মা-বাবা-ঠাকুরদা কারও নাম না থাকলে কী করণীয়? সেক্ষেত্রে তাঁকে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট করে দেওয়া নথি পেশ করতে হবে। যাঁদের নিজের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তবে তাঁর মা-বাবার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে, সেই ভোটারদের ডানদিকের টেবলটি ফিল-আপ করতে হবে। প্রথমে যিনি ফর্ম ফিলাপ করছেন তাঁর মা বাবা অথবা ঠাকুরদা ঠাকুমার মধ্যে যার নাম ২০০২ এর তালিকায় আছে সেই ব্যক্তির নাম লিখতে হবে। এখানে সেই ব্যক্তির ভোটার আইডি নম্বর দিতে হবে । ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় সেই ব্যক্তির যে আত্মীয়র নাম ছিল তা লিখতে হবে। ভোটার তালিকায় যে সম্পর্কের উল্লেখ ছিল তা দিতে হবে। এরপর জেলার নাম রাজ্যের নাম দিতে হবে । এরপর ২০০২ এর ভোটার তালিকা যে বিধানসভা কেন্দ্রে নাম ও নম্বর উল্লেখ ছিল তা দিতে হবে।

    কোন কোন নথি লাগবে?

    নিম্নলিখিত ডকুমেন্টগুলির যেকোনও একটি হলেই হবে—

    ১) সরকারি কর্মচারীর পরিচয়পত্র বা পেনশন স্লিপ।

    ২) ১ জুলাই ১৯৮৭ তারিখের আগের ব্যাঙ্ক/পোস্ট অফিস/এলআইসি ইত্যাদি নথি।

    ৩) বার্থ সার্টিফিকেট।

    ৪) পাসপোর্ট।

    ৫) মাধ্যমিক বা হায়ার সেকেন্ডারির সার্টিফিকেট।

    ৬) সরকারি কর্তৃপক্ষের দেওয়া বাসস্থানের সার্টিফিকেট।

    ৭) ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট।

    ৮) কাস্ট সার্টিফিকেট।

    ৯) ন্যাশানাল সিটিজেন রেজিস্টার(যেক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।

    ১০) স্থানীয় প্রশাসনের পারিবারিক রেজিস্টার।

    ১১) জমি বা বাড়ির দলিল।

  • SIR in Bengal: এসআইআর নিয়ে মনে নানা প্রশ্ন! বিএলও-দের সঙ্গে সরাসরি কথার সুযোগ, হেল্পলাইন নম্বর চালু কমিশনের

    SIR in Bengal: এসআইআর নিয়ে মনে নানা প্রশ্ন! বিএলও-দের সঙ্গে সরাসরি কথার সুযোগ, হেল্পলাইন নম্বর চালু কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR in Bengal) নিয়ে মানুষের নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। তাদের তরফে চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন। জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নাগরিকরা ১৯৫০ (1950) এই ভোটার হেল্পলাইন নম্বর ব্যবহার করতে পারবেন। এই নম্বরের সাহায্যে বিএলও- দের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা যাবে। যাবতীয় প্রশ্ন করা যাবে তাঁদের। পাওয়া যাবে উত্তরও।

    নাগরিকদের সকল প্রশ্ন ও অভিযোগের দ্রুত সমাধান

    এসআইআর (SIR in Bengal) পর্ব মসৃণ ভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ‘ন্যাশনাল ভোটার হেল্পলাইন’ (এনভিএইচ) এবং দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং জেলা পর্যায়ের হেল্পলাইন সক্রিয় করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য—নাগরিকদের সকল প্রশ্ন ও অভিযোগের দ্রুত সমাধান। কমিশন (Election Commission of India) সূত্রের খবর, ‘ন্যাশনাল কনট্যাক্ট সেন্টার’ (এনসিসি) হবে সমগ্র দেশের কেন্দ্রীয় হেল্পলাইন। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টোল-ফ্রি নম্বরে (১৮০০-১১-১৯৫০) নাগরিকেরা যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রশিক্ষিত কর্মীরা ভোটারদের ভোট সংক্রান্ত তথ্য ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। প্রতিটি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং জেলার জন্য আলাদা করে স্টেট কনট্যাক্ট সেন্টার (এসসিসি) ও ডিস্ট্রিক্ট কনট্যাক্ট সেন্টার (ডিসিসি) তৈরি করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দৈনিক সরকারি দফতরের সময়সূচি মেনে সারা বছর এগুলো চালু থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভাষায় পরিষেবা দেবে। ছুটির দিন ছাড়া বাকি সব দিনেই সারা বছর অফিস আওয়ার্সে কাজ করবে এইসব কনট্যাক্ট সেন্টার।

    সমস্ত অনুরোধের নিষ্পত্তি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে করতে হবে

    বিশেষ নিবিড় সমীক্ষাপর্ব (SIR in Bengal) সংক্রান্ত প্রতিটি অভিযোগ ও প্রশ্ন ‘ন্যাশনাল গ্রিভ্যান্স সার্ভিস পোর্টাল ২.০ (এমসিএসপি ২.০)-র মাধ্যমে ‘রেকর্ড ও ট্র্যাক’ (নথিভুক্ত ও চিহ্নিত) করা হবে। চালু হয়েছে ‘বুক আ-কল উইথ বিএলও’ সুবিধা— যার মাধ্যমে নাগরিকেরা সরাসরি তাঁদের বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-র সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। এটি ‘ইসিআইনেট’ প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। নাগরিকেরা ‘ইসিআইনেট অ্যাপ’ ব্যবহার করেও নির্বাচন আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। এবং সমস্ত অনুরোধের নিষ্পত্তি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নিশ্চিত করতে সিইও, ডিইও এবং ইআরও-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও পুরনো অভিযোগ জানানোর পদ্ধতিগুলো আগের মতোই চালু থাকবে বলে কমিশনের (Election Commission of India) তরফে জানানো হয়েছে। নাগরিকেরা ইমেলে অভিযোগ পাঠাতে পারবেন (complaints@eci.gov.in)।

    বিএলও-দের কড়া বার্তা কমিশনের

    আগামী ৪ নভেম্বর ২০২৫ থেকে রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) কাজে যোগ দেওয়ার সময় বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে কাজে যোগ না-দিলে পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি কমিশনের। সাসপেন্ড করার মতো পদক্ষেপ করা হবে বলেও তারা জানিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে কাজে যোগ না-দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে খবর, কয়েকটি জেলায় বিএলও-রা এসআইআর প্রক্রিয়ায় এখনও অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁরা নানা বাহানা দিচ্ছেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অবিলম্বে বিএলও-দের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। সেইমতো মুর্শিদাবাদ-সহ কয়েকটি জেলায় বিএলও-দের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলেও এখনও পর্যন্ত বিএলও-দের নিয়ে মাথাব্যথা কমিশনের। রাজ্যের ৮০ হাজারের বেশি বুথে বিএলও নিয়োগ করা হলেও, কিছু জায়গায় পদ শূন্য রয়েছে। সেখানে নিয়োগ করা যাচ্ছে না। এসআইআর নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক তৈরি হতেই অনেকে আর কাজ করতে ইচ্ছুক নন। এর আগেও কাজ করতে না চাওয়ায় এক হাজারের বেশি বিএলও-কে শোকজ করেছিল কমিশন (Election Commission of India)। এখন নির্দেশে কাজ না হলে সরাসরি সাসপেন্ড করার দিকে যাচ্ছে কমিশন।

  • Election Commission: অগাস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বাংলায় শুরু ‘SIR’! সীমান্ত-জেলাগুলিতে ভোটার তালিকায় সংশোধনের হিড়িক

    Election Commission: অগাস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বাংলায় শুরু ‘SIR’! সীমান্ত-জেলাগুলিতে ভোটার তালিকায় সংশোধনের হিড়িক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হতে চলেছে নিবিড় সমীক্ষা (Special Intensive Revision – SIR)। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অগাস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই রাজ্যে শুরু হবে এই বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রসঙ্গত, বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এই প্রেক্ষাপটে, নিবিড় সমীক্ষা বা SIR রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এর মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করা সম্ভব হবে (SIR) এবং বহু ভুয়ো ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে (Election Commission)।

    বিএলওদের ভাতা দ্বিগুণ করল কমিশন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়ে গিয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধন ও বিশেষ ড্রাইভের কাজে যুক্ত বিএলও এবং সুপারভাইজারদের ন্যূনতম বাৎসরিক বেতন এক ধাক্কায় প্রায় দ্বিগুণ করেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, বুথ লেভেল অফিসাররা বছরে ১২ হাজার টাকা এবং বিএলও সুপারভাইজাররা ১৮ হাজার টাকা করে পাবেন। পাশাপাশি, বিশেষ ড্রাইভের জন্য বিএলওদের অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা ইনসেনটিভও দেবে কমিশন।  দেশজুড়ে ভোটার তালিকা সংশোধন, নবীন ভোটার যুক্তকরণ এবং মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো পরিচালনার জন্য বুথ লেভেল অফিসাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রতি বছর হাজার হাজার বিএলও, সুপারভাইজার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এই কাজে নিযুক্ত থাকেন। নির্বাচন কমিশনের মতে, তাঁদের এই প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিতেই এই আর্থিক সংস্কার।

    বাংলার সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে কার্ড সংশোধনের হিড়িক

    বিহারে SIR-এর সময় দেখা গিয়েছে, লক্ষ লক্ষ মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সর্বমোট সংখ্যা ৫২ লাখ বলে জানিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে চিহ্নিত হয়েছে এমন বহু ভোটার, যাঁরা এখন আর বিহারের স্থায়ী বাসিন্দা নন কিংবা যাঁদের নাম একাধিক জায়গায় রয়েছে। বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে অনেকেরই একাধিক রাজ্যে ভোটার কার্ড রয়েছে—এদেরও তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিহারের তালিকা সংশোধনের আবহে পশ্চিমবঙ্গে গত এক সপ্তাহে ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ অনলাইনে ভোটার তালিকা সংশোধনের (Election Commission) জন্য আবেদন করেছেন। কেউ নাম সংশোধনের জন্য, কেউ ঠিকানা বদলের জন্য। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে এই আবেদন বেশি।

    বিরোধীদের আপত্তি, কমিশনের জবাব (Election Commission)

    বিহারে নিবিড় সমীক্ষা শুরুর পর থেকেই বিরোধী দলগুলি কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানাতে শুরু করে। তাদের প্রশ্ন ছিল—এটার দরকার কী ছিল? এই প্রেক্ষিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “মৃত ভোটার অথবা বিদেশি নাগরিকদের কোন যুক্তিতে ভোটার তালিকায় রাখা যেতে পারে? SIR বা নিবিড় সমীক্ষা একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।” এদিকে পশ্চিমবঙ্গে নিবিড় সমীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কমিশনকে। অন্যদিকে, বিজেপি পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে— মুখ্যমন্ত্রী কাদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছেন? নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতার বিরুদ্ধে কেন তিনি সরব হচ্ছেন (Election Commission)? বাংলায় SIR হলে ‘ ৯০ লক্ষ নাম বাদ’ যাওয়ার আশঙ্কা আগেই করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। এখানেই প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। তাদের দাবি, অর্থাৎ, মুখ্যমন্ত্রী ভালোভাবেই জানেন, রাজ্যে কত ভুয়ো ভোটার রয়েছে। সেই নামগুলি কাটা গেলে, তৃণমূলের ভোট অনেকটাই কমে যাবে, সেই আশঙ্কা থেকেই কি বাধা দিচ্ছে রাজ্যের শাসক দল?

LinkedIn
Share