Tag: sir

  • SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার, অমীমাংসিত নামের নিষ্পত্তি কতদিনে?

    SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার, অমীমাংসিত নামের নিষ্পত্তি কতদিনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্চের শেষেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় (SIR in Bengal) অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা ৬০ লক্ষ ৬ হাজারের নাম নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ মার্চে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হলে, তার আগে কোনওভাবেই বিবেচনাধীন লিস্ট প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এমনই মনে করছে নির্বাচন কমিশন। তাই আজ, শনিবার ৭ মার্চ ঝাড়খণ্ড থেকে রাজ্যে আসছেন ১০০ জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন। ওড়িশা থেকেও আসবেন আরও ১০০ জুডিশিয়াল অফিসার। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব বর্ধমান- এই আটটি জেলার বিবেচনাধীনের তালিকার নিষ্পত্তি করবেন তাঁরা।

    ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে আসছেন বিচারকরা

    রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-পর্বে এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ ভোটারের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি করেছেন বিচারকেরা। শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘শনিবার ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারকরা আসবেন তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজের জন্য।’’ রাজ্য এসআইআর প্রক্রিয়ায় জীবিত কয়েক জন ভোটারকে ‘মৃত’ বলে চিহ্নিত করে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে সিইও মনোজ বলেন, ‘‘যদি কোনও জীবিতকে, মৃত ভোটার হিসাবে দেখানো হয়, তবে আমাদের কাছে অভিযোগ জানান। অভিযোগ জানালে আমরা পদক্ষেপ করব। দেখা হবে কার গাফিলতিতে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে? কেন করা হয়েছে? ইচ্ছাকৃত কেউ নাম বাদ দিয়েছেন কি না? কমিশন কি জীবিত কারও নাম বাদ দিতে পারে?’’

    কতদিনে কাজ শেষ হওয়ার আশা

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেখানে ৬০ লক্ষের নাম অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জুডিশিয়াল অফিসাররা ওই অমীমাংসিতদের নথি খতিয়ে দেখছেন। এই মুহূর্তে কাজ করছেন ৫০১ জন জুডিশিয়াল অফিসার। হিসেব বলছে, গড়ে ১ লক্ষ ৪০ হাজার একদিনে নিষ্পত্তি হলেও এক থেকে দেড় মাস সময় লেগে যাবে। যাঁরা শনিবার রাজ্যে আসছেন, তাঁদের কাজ শুরু করতে আগামী সপ্তাহ সময় লেগে যাবে। তাঁরা কাজে যোগ দিলে বাছাই এবং নিষ্পত্তির গতি বেড়ে যাবে। অন্যদিকে রাজ্যে আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ৯ মার্চ আটটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবে। রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, অমীমাংসিতের তালিকার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যাতে ভোট ঘোষণা না হয়। তারা এই বিষয়টা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সামনে তুলে ধরবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। ফুল বেঞ্চ আসার কয়েকদিনের মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার নিয়ম রয়েছে। তা যদি হয়, তাহলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে ৬০ লক্ষের নিষ্পত্তি কোনওমতেই সম্ভব নয় বলেই মনে করছে কমিশন।

  • Election Commission: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর, ৯ মার্চ রাজ্যের ফুল বেঞ্চ আসার সম্ভাবনা

    Election Commission: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর, ৯ মার্চ রাজ্যের ফুল বেঞ্চ আসার সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপের সমান্তরালে প্রশাসনিক তৎপরতাও এখন তুঙ্গে। সম্প্রতি ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সম্ভাব্য পশ্চিমবঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে জল্পনা তীব্রতর হয়েছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে কমিশন (Election Commission) এখন অন্তিম মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছে।

    নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সফর (Election Commission)

    সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ দু’দিনের সফরে রাজ্যে আসতে পারে। এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সাধারণত কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের এই ধরনের পরিদর্শনের পরপরই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বা তফসিল ঘোষণা করা হয়। এই সফরে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

    ভোটার তালিকা ও এসআইআর বিতর্ক

    এবারের নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত বিষয় হলো ভোটার তালিকার সংশোধন। এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। খসড়া তালিকায় (SIR) ৭ কোটি ৮ লক্ষেরও বেশি নাম থাকলেও, বিভিন্ন কারণে প্রায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার নাম বাদ পড়েছে। বর্তমানে রাজ্যে অনুমোদিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ বা বিবেচনাধীন পর্যায়ে রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নামগুলোর যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং যোগ্য প্রমাণিত হলে সম্পূর্ণ তালিকার মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার (Election Commission) নিশ্চিত করা হবে।

    বুথ বিন্যাস ও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    ভোটার সংখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে কমিশন (Election Commission) এবার নতুন করে বড় আকারের বুথ পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০,৬৮১টি। তবে নাগরিক সুবিধার কথা মাথায় রেখে বহুতল আবাসনগুলোতে কিছু অতিরিক্ত বুথ করা হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) আসতে শুরু করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশই থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদের মতো স্পর্শকাতর জেলাগুলোতে।

    নির্বাচনের সম্ভাব্য নির্ঘণ্ট ও পর্যায়

    ২০২১ সালের নির্বাচন আট দফায় অনুষ্ঠিত হলেও, ২০২৬-সালে কয় দফায় হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে। নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনা করে কমিশন সম্ভবত ছয় থেকে সাত দফায় ভোট গ্রহণ করতে পারে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নতুন বিধানসভা গঠনের বাধ্যবাধকতা থাকায়, মার্চের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ভোট ঘোষণার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকাই (SIR) হলো মূল ভিত্তি। সেই তালিকার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক দায়িত্ব। আগামী সপ্তাহে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সফরের পর বাংলার নির্বাচনী চিত্রটি আরও স্পষ্ট হবে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর একটি নির্বাচনের (Election Commisison) প্রত্যাশায় এখন দিন গুনছে গোটা রাজ্য।

  • SIR in Bengal: প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা! আপনার নাম আছে কি না জানবেন কীভাবে?

    SIR in Bengal: প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা! আপনার নাম আছে কি না জানবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে ভোটার তালিকার (SIR in Bengal) বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষে আজ শনিবারই প্রকাশিত হতে চলেছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR Final List)। কমিশন সূত্রে খবর চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকতে পারে প্রায় ৭ কোটি ৮ লাখের। চূড়ান্ত তালিকাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বেড়েছে মানুষের মধ্যে। নাম তালিকায় থাকবে কি না, নাম না থাকলেই বা কী করবেন? রাজ্যবাসীর মনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন দুই পদ্ধতিতেই দেখতে পাবেন ভোটার তালিকা। অনলাইনে দুই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারবেন। দু’টি ওয়েবসাইট হল voters.eci.gov.in ও electoralsearch.eci.gov.in। এপিক নম্বর ও ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করে আপনার নাম দেখতে পারবেন।

    চূড়ান্ত তালিকায় কীভাবে দেখবেন নাম

    এসআইআর-এর পর প্রকাশিত তালিকায় নাম রয়েছে কি না দেখতে এপিক নম্বর দিয়ে electoralsearch.eci.gov.in-এ গিয়ে সার্চ করতে হবে। এপিক নম্বর না থাকলে ফোন নম্বর দিয়েও সার্চ করতে পারেন। মা-বাবার নাম দিয়েও সার্চ করতে পারবেন। এছাড়া voters.eci.gov.in-এ গিয়ে ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করতে হবে। নিজের পোলিং বুথে নাম খুঁজতে পারেন। চূড়ান্ত তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা অফলাইনেও জানতে পারবেন। তার জন্য কমিশন নির্ধারিত সরকারি অফিস, বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত ভবনে যেতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের মোবাইল অ্যাপ ইসিআইনেট (ECINET)-এ লগ ইন করে নির্দিষ্ট স্থানে নিজের নাম ও এপিক নম্বর দিলেই স্ক্রিনে ভেসে উঠবে ভোটার সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য।

    চূড়ান্ত তালিকায় নাম না থাকলে কী করবেন

    এসআইআর তালিকায় নাম না থাকলে ১৫দিনের মধ্যে ডিইও-র কাছে আবেদন করতে পারবেন। সমাধান না হলে সিইও-র কাছে যেতে হবে। সেখানেও যদি আবেদন গৃহীত না হয়, তাহলে ফর্ম ৬ ডাইনলোড করে নতুন করে ভোটার হিসেবে নাম তুলতে পারবেন। মনোনয়ন জমার শেষ দিনের ১০ দিন আগে ফর্ম ৬ জমা দিতে হবে। রাজ্যজুড়ে ধাপে ধাপে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। বাঁকুড়ায় (Bankura) প্রকাশিত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা (SIR Final List)। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, বাঁকুড়া থেকে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। বাঁকুড়া পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে, বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ে টাঙানো হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। বাঁকুড়ার পাশাপাশি, উত্তর কলকাতাতে (North Kolkata) ১৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলায় জেলায় প্রকাশ করা হচ্ছে ভোটার তালিকা।

    নির্বাচন কমিশনের দফতরে বাড়তি নিরাপত্তা

    সকাল থেকেই নির্বাচন কমিশনের দফতরে রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। কেন্দ্রীয় বাহিনীরও বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে রাজ্য জুড়ে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে আগাম কলকাতা পুলিশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। তালিকায় আপনার নাম রয়েছে কি না, দেখা যাবে নির্বাচন কমিশনের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট থেকে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলিকে পেন ড্রাইভে তালিকা দেওয়া হবে। এখনই বিএলও-দের কাছে তালিকা পাওয়া যাবে না। তবে বিডিও এবং এসডিও অফিসে তালিকা টাঙানো হবে। চূড়ান্ত তালিকা থাকবে জেলাশাসকের কার্যালয়েও। ইতিমধ্যে তালিকা ছাপানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। তালিকার হার্ড কপি পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার (BLO)-দের কাছে। নিজের বুথে গিয়ে বিএলও-র সঙ্গে যোগাযোগ করলেই সরাসরি তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না, তা দেখে নেওয়া যাবে। তালিকা প্রকাশের পর দ্রুত নিজের নাম মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

    কত লক্ষের নাম বাদ

    কমিশন সূত্রে খবর, তিনটি ভাগে তালিকা প্রকাশ করা হবে। অ্যাপ্রুভড বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার, অমীমাংসিত ভোটার ও বাতিল হওয়া ভোটার।এর মধ্যে অমীমাংসিত ভোটারদের নিয়েই বাড়ছে সংশয়, তৈরি হয়েছে জটিলতা। রাজ্যে মোট ৬০ লক্ষ ৬ হাজার অমীমাংসিত ভোটার রয়েছে। কমিশনের আশ্বাস আপাতত অমীমাংসিত ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন। তারপর দফায় দফায় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করবে কমিশন। কমিশন সূত্রে এখনও পর্যন্ত পাওয়া হিসেব অনুযায়ী, আপাতত চূড়ান্ত তালিকায় অতিরিক্ত ৯ লক্ষের নাম বাদ পড়তে চলেছে। অর্থাৎ খসড়া তালিকায় যে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ পড়েছিল, চূড়ান্ত তালিকায় তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরও ৯ লক্ষ। সবমিলিয়ে আপাতত ৬৮ লক্ষ নাম বাতিল। এছাড়া, ৬০ লক্ষ ভোটারের তথ্যে অসংগতি মেলায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সূচি বেরলে গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা হবে, আশঙ্কায় সুকান্ত

    ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হতে চলেছে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন শেষে শনিবারই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এরপরে ধীরে ধীরে প্রকাশিত হতে চলেছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। কিন্তু এবার এই তালিকা প্রকাশ নিয়েই বড় আশঙ্কা প্ৰকাশ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কত নাম বাদ পড়বে জানি না। সেটা নির্বাচন কমিশন বলবে। আমরা চাইব কোনও বৈধ নাগরিকের নাম যেন বাদ না যায়। সূচি বেরলে অনেকে গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা করবে। প্রশাসনকে ও নির্বাচন কমিশনকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় চলছে গত কয়েকমাস। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের হাইপ্রোফাইল বৈঠকে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি তাঁর গ্রেফতারি দাবি জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

     

     

     

     

     

     

  • SIR in Bengal: “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন”, রাজ্যকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    SIR in Bengal: “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন”, রাজ্যকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। তার আগে ফের সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ রাজ্য। এ যেন এসআইআর ঠেকানোর মরিয়া প্রয়াস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার রাজ্যের হয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। কলকাতা হাইকোর্টের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু হয়েছে তা তিনি টেনে নিয়ে গেলেন সুপ্রিম কোর্টে। এবার জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ নিয়ে কমিশনকে কাঠগড়ায় টানল রাজ্য। তবে রাজ্যের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দেয়নি শীর্ষ আদালত।

    রাজ্যের দাবি

    শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে রাজ্যের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য় যে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে কোনও ভাবেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই মর্মে কমিশন অবৈধ ভাবে নানা নির্দেশিকা জারি করছে বলেও অভিযোগ কপিল সিব্বলের। তবে এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। কমিশনের জারি করা নির্দেশিকাগুলি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-বিরোধী বলেও যুক্তি দিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, “পিছন দরজা দিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতিকে এড়িয়ে কোন নথি গ্রহণ হবে, কোন নথি গ্রহণ হবে না সেই বিষয়েও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।”

    আদালতের জবাব

    রাজ্য়ের সওয়ালকারীর যুক্তি শোনার পরেই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ করা বন্ধ করুন। এবার এর নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।” একই বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কমিশন ছাড়া আর কে প্রশিক্ষণ দেবে? আমরা স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে দিয়েছি কোন কোন ডকুমেন্টস গৃহীত হবে। আমাদের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। তা কোনও ভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।” পাশাপাশি জুডিশিয়াল অফিসার নিয়ে তাঁর আরও পর্যবেক্ষণ, “আমাদের বিচারকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে তা নিশ্চিত করা রাজ্য সরকার এবং কমিশন দুই তরফের দায়িত্ব। এসআইআর প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে কার্যত ফাঁকা করে দিয়েছি।” তখনই আদালত জানিয়ে দেয়, এসআইআর-এর কাজে কোনও রকম বাধা সহ্য করা হবে না।

  • SIR in Bengal: প্রস্তুত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা, ৩ ক্যাটেগরিতে থাকবে সব ভোটারদের নাম

    SIR in Bengal: প্রস্তুত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা, ৩ ক্যাটেগরিতে থাকবে সব ভোটারদের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই,অর্থাৎ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি, প্রকাশিত হতে চলেছে এসএইআরের (SIR in Bengal) চূড়ান্ত তালিকা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই তালিকায় নাম থাকছে ৭ কোটি ৮ লক্ষের। প্রথমে ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ভোটার ছিল। সেখান থেকে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, চূড়ান্ত তালিকায় সকলের নাম থাকবে, তবে তিনটি বিভাগে— অ্যাপ্রুভড বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার, অমীমাংসিত ভোটার, বাদ পড়া ভোটার।

    কীভাবে প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা

    কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় (SIR Final List) ৭ কোটি ৮ লক্ষকে একাধিক ক্যাটাগরিতে ভাগ করা থাকবে। দেখা যাবে ‘ডিলিটেড’ বা বাদ পড়া ভোটার ক্যাটাগরি, থাকবে ‘নিস্পত্তি হয়নি’ অমীমাংসিত ভোটার ক্যাটেগরি। এছাড়াও থাকবে ‘অ্যাপ্রুভড’ ক্যাটেগরি বা অনুমোদনপ্রাপ্ত ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, যাঁদের নাম থাকবে তাঁদের নামের পাশে ‘অ্যাপ্রুভড’ লেখা থাকবে। নাম বাদ গেলে থাকবে ‘ডিলিটেড’ লেখা। এছাড়া যাঁদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে তাঁদের নামের পাশে থাকবে ‘অ্যাডজুডিকেশন’। যাঁদের এখনও তথ্য বাছাইয়ের কাজ চলছে। শনিবার, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলেও এখনও ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র আওতায় অনেক নাম। নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও বাকি। এরাজ্যের বর্তমান এবং প্রাক্তন বিচারকরা ইতিমধ্যেই নথি যাচাইয়ের কাজ করছেন। কিন্তু এসআইআরের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবার ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে আনা হচ্ছে সিভিল জজদের।

    কতদিন পর্যন্ত তালিকায় সংশোধন

    কমিশন বলছে, যাদের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা যুক্তিগত অসঙ্গতি রয়েছে কিন্তু এখনও (২৮ তারিখের আগে পর্যন্ত) যাচাই হয়নি কিংবা পরবর্তীতে যাচাই হয়েছে তাও পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। এককথায়, যে সকল ভোটারদের এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, তাঁদেরও চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা দেবে কমিশন। কিন্তু অমীমাংসিত হিসেবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যেদিন ভোট ঘোষণা হবে, যত দফায় ভোট হবে ও দফা অনুযায়ী মনোনয়ন জমার শেষ দিন অবধি একটি করে সাপ্লিমেন্ট ভোটার তালিকা বের করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, ডিএম অফিস, বিডিও অফিস, পঞ্চায়েত ভবনের মতো কমিশন নির্ধারিত বিভিন্ন সরকারি অফিসে এই তালিকা টাঙানো থাকবে। এছাড়াও রয়েছে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট, সেখান থেকেও তালিকা দেখতে পাওয়া যাবে।

  • West Bengal Assembly Election: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ঘোষণা! কী বলল কমিশন?

    West Bengal Assembly Election: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ঘোষণা! কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বের হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ভোটার যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন কি পিছিয়ে যাবে? তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা এখন শিরোনামে। চূড়ান্ত তালিকার পর সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কীভাবে বের হবে, তাতে নাম না থাকলে কি করবে, তা নিয়েও কমিশন (West Bengal Assembly Election) মত প্রকাশ করেছে। তবে এসআইআর কাজ শেষ হওয়ার মধ্যেই কি বিধানসভার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে তা নিয়েও কমিশন (Election Commission) কী জানাচ্ছে আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    ২৮ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্রের বেঞ্চ মঙ্গলবার বলেছে, “২৮ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (West Bengal Assembly Election) প্রকাশের শেষ দিন। যদি ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ কিংবা ‘আনম্যাপড ক্যাটেগরি’ যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হয়, সেক্ষেত্রে এই ভোটার তালিকা ধাপে ধাপে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে।” শুক্রবার ভোটার তালিকা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ না হলে ঠিক কত নাম বাদ হতে চলেছে তা-ও সম্পূর্ণরূপে ওইদিন বোঝা যাবে না। ২৮ তারিখের পরেও ধাপে ধাপে তালিকা প্রকাশ করতে পারবে কমিশন (Election Commission)। ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ হওয়া সেই তালিকাগুলিতে বাদ ভোটারের পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে।

    মনোনয়ন পর্যন্ত লিস্ট বের হবে

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার আগেই ভোট ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকার বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশের আগেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে অসুবিধা নেই। শুক্রবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলেও এখনই ভোটারদের নাম বাদের হিসাবে মিলবে না। মনোনয়ন পর্যন্ত যে কটি লিস্ট বের হবে তা নিয়েই বিধানসভার নির্বাচন হবে। কমিশন (Election Commission) আরও জানিয়েছে, নতুন করে বুথের বিন্যাস হবে না। ৮০ হাজার ৬৮১ বুথে ভোট হবে। যদি আগে বলা হয়েছিল একটি বুথে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ভোটার থাকবে না। বুথ বিন্যাসের পর রাজ্যে ১৩ হাজার ৮১৬ বুথ বেড়ে ছিল। ফলে বুথের সংখ্যা ৯৪ হাজার ৪৯৭টি। তবে এসআইআর-এর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে বুথের বিন্যাস সম্ভব নয়। তবে বহু তলের জন্য ৬০ থেকে ৭০টি অতিরিক্ত বুথ যুক্ত হতে পারবে।

    মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা

    খসড়া তালিকা (West Bengal Assembly Election) প্রকাশের সময় ভোটার তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছিল। শুনানি পর্বে বাদ গিয়েছে প্রায় আরও প্রায় ৮ লক্ষ নাম। ১ মার্চ থেকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দুই দফায় ১০ তারিখের মধ্যে মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন (Election Commission)। তবে সূত্রের খবর, মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই সম্ভবত বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেবে কমিশন। দোল ও হোলি মিটলেই নির্ঘণ্ট প্রকাশ করা হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২১ সালে ৮ দফা বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।

  • Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    Bomb Scare in Courts: এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক! কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে টার্গেট করা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে মঙ্গলবার একযোগে বোমাতঙ্কের (Bomb Scare in Courts) ইমেল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয় বিচারপ্রক্রিয়া। আতঙ্কে আদালত চত্বর থেকে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের সরাতে গিয়ে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্য ছড়ায় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টে। আদালত সূত্রে খবর, প্রধান বিচারকের ইমেলে বোমা রাখার দাবি করা হয়। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড নিয়ে পৌঁছে যায় পুলিশ। পুরো ভবন খালি করে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর সন্দেহজনক কিছু মেলেনি।

    এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বোমাতঙ্ক

    শুধু কলকাতা নয়। আসানসোল, বহরমপুর, চুঁচুড়া, দুর্গাপুরে জেলা আদালতেও বোমাতঙ্ক ছড়ায়। সূত্রের খবর মেল ও ফোনে বোমা থাকার হুঁশিয়ারি এসেছে৷ কোনও একটা জায়গাতে নয়, একাধিক জেলা আদালতে প্রায় একই প্যাটার্নে বোম থাকার হুশিয়ারি দিয়েছে কেউ বা কারা! কিন্তু কেন? কেন রাজ্যের আদালতগুলিকে হঠাৎ টার্গেট করা হচ্ছে? কেনই বা রাজ্যের একাধিক জেলা আদালতে বোম থাকার খবর কেউ বা কারা ছড়িয়ে দিচ্ছে? সম্প্রতি এসআইআর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে হবে এসআইআর প্রক্রিয়া। এসআইআর-এ সমস্ত রকমের অসঙ্গতি দেখার জন্য জুডিসিয়াল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত৷ জেলা স্তরের জাজদের জুডিসিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগের কথা বলে আদালত। আবার এই জুডিসিয়াল অফিসারদের পরামর্শ দেবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। এসআইআর-এর কাজে গতি এনে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ‍্যে তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণ তালিকা প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে বাকিটা পরে অতিরিক্ত তালিকা হিসেবে প্রকাশ করা যাবে বলেও জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই সোমবার কাজে নেমে পড়েছেন অনেক জাজ। তারপরই জেলায় জেলায় আদালতে এই বোমাতঙ্ক কি নেহাত কাকতালীয় নাকি কোনও ষড়যন্ত্র? উঠছে সেই প্রশ্নও।

    বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই লক্ষ্য

    এদিকে, বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী জানিয়েছন। নবান্নে আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, কলকাতা, কৃষ্ণনগর, বহরমপুর-সহ একাধিক আদালতে বোমা রাখার হুমকি ইমেল এসেছে। সাধারণ মানুষ ও বিচারকরা সমস্যায় পড়েছেন ঠিকই, তবে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পান্ডে জানান, প্রশাসন সব পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার বলেন, ব্যাঙ্কশাল ও সিটি সিভিল কোর্টে হুমকি ইমেল এসেছিল। দু’টিই ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে কে বা কারা আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • West Bengal Elections 2026: কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, নিজের কায়দায় লড়বো, হুঙ্কার শমীকের

    West Bengal Elections 2026: কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, নিজের কায়দায় লড়বো, হুঙ্কার শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, এবারের ভোট আমরা নিজেদের কায়দায় লড়ব।” বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বিজেপির জয় নিশ্চিত করতে বিজেপি জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ১ মার্চ থেকে জোরদার প্রচার করতে ময়দানে নামবে বিজেপি। এই ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বিশেষ ইঙ্গিত দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)।

    নিজের সামর্থ দিয়ে লড়বে (West Bengal Elections 2026)

    রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “কেউ যদি বিজেপিকে ভোট না দিতে চান, তা তাঁদের সিদ্ধান্ত। তাতেও রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতায় (West Bengal Elections 2026) আসা আটকানো যাবে না। এসআইআর তালিকা প্রকাশ,  কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন বা কত দফায় ভোট, এই সব নিয়ে আমাদের চিন্তা নেই। বিজেপি নিজেদের কৌশলেই শান্তিপূর্ণভাবে মানুষের কাছে পৌঁছবে এবং ভোটের হার বাড়ানোর চেষ্টা করবে। সবটাই এবার নিজের সামর্থ দিয়ে লড়বো।”

    বিজেপি এক দিকে যেমন জেলায় জেলায় আরও শক্তিশালী সংগঠন করতে পেরেছে, তেমনি তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতি, মানুষের মনে তৃণমূলের সম্পর্কে ব্যাপক বিদ্বেষ তৈরি করেছে। এই ভাবনাকে মাথায় রেখে বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোর কদমে ময়দানে নামতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আটকানো যাবে না বিজেপিকে

    সংখালঘু ভোট প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “সংখ্যালঘুরা যদি ভোট দিতে না চান, তাহলে সেটা তাঁদের নিজেদের সিদ্ধান্ত। তবে তার উপর নির্ভর করে বিজেপির ক্ষমতায় (West Bengal Elections 2026) আসাকে আটকানো যাবে না।” নির্বাচন কমিশন (ECI) ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছে, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে তাদের নিষ্ক্রিয় রাখা হবে না। অতীতে বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছিল, তা এ বার আর যাতে না হয়, সেদিকেই নজর দেওয়া হবে।

    দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, বেকারত্বের মতো ইস্যুর কারণে তৃণমূল সরকার ব্যাপক চাপের মধ্যে। অপর দিকে বিজেপি এই বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক জনমত গড়তে ময়দানে নেমেছে।  বিজেপি নিজেদের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।

  • Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরাসরি কাজে পাঠাতে হবে। কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force) বসিয়ে রাখা যাবে না। রাজ্যকে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর  ভূমিকা নিয়ে নানা ভাবে প্রশ্ন ওঠে। অনেকবার আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় রাখার কথাও বলা হয়। তাই নির্বাচন  কমিশন এবার সাফ নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের প্রশাসনকে।

    নির্বাচন কমিশনের হাতে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ (Election Commission)

    রাজ্যে ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের প্রেক্ষিতে শাসক বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) হাতে যদি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তাহলে কাজ হবে। আর বাহিনী (Central Force) রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে থাকলে, কোনও দিনই কাজ করতে পারবে না। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, বাহিনী এনে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। যদিও শাসক দল লোকসভার ভোট হোক আর বিধানসভার ভোট সবেতেই বরাবর আপত্তি করে থাকে। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির হয়ে কাজ করে নির্বাচন কমিশন। কখনও কখনও ভোট কর্মীরাও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করাতে নারাজ। বাহিনীকে কীভাবে কমিশন কাজে লাগাবে তাই নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠছে।

    কোথায় কত বাহিনী

    মার্চেই প্রথম সপ্তাহে রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। দুই দফায় বাহিনী আসবে রাজ্যে। ১ মার্চ রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। ১০ মার্চ বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। ৪৮০ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে থাকছে সিআরপিএফ ২৩০ কোম্পানি, বিএসএফ ১২০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৩৭ কোম্পানি, আইটিবিপি ৪৭ কোম্পানি ও এসএসবি ৪৬ কোম্পানি।

    স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে

    সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ও রাজ্য পুলিশ প্রশাসন।  বৈঠকেই নির্বাচন কমিশন প্রশ্ন তুলেছে ভোটের কাজে বাহিনী এসে কি বসে থাকবে? তাই  কমিশনের নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরাসরি জায়গায় পাঠিয়ে কাজে লাগাতে হবে। এখন কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে জিপিএস থাকবে। সেই সঙ্গে কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্য প্রশাসন সবটাতেই পর্যবেক্ষণ করবে। বৈঠকের পর রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। নির্বাচন ভালোভাবেই হবে।

    বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “প্রথম কথা হল কমিশনের যদি আজও চোখ না ফোটে, তাহলে কোনওদিনই চোখ ফুটবে না। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টেরই নির্দেশ মানছে না, তাহলে কমিশনের কথা কেন শুনবে? একটা বিষয় খুব স্পষ্ট, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিচালনার দায়িত্ব যদি রাজ্য সরকারের কোনও মন্ত্রকের হাতে থাকে, তাহলে সেই বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে। কোনও কাজ হবে না। বাহিনীকে (Central Force) নির্বাচন কমিশনের হাতে রেখে কাজ করাতে হবে।” অপর দিকে বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূল নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “ মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য যত মিলিটারি, আধাসামরিক বাহিনী (Central Force) নিয়ে আসা হয়েছে। এখন সৈন্য নামিয়ে মানুষকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি।

  • Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (SIR) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বিশেষ দিনক্ষণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নথি যাচাই এবং সমাধানের জন্য ভিন রাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি যে ভিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ।

    ২৫০ জন জেলা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা জজ  নিযুক্ত (Supreme Court)

    প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) এদিন নির্দেশ দেওয়ার সময় বলেন, “আমরা কলকাতা হাইকোর্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেয়েছি। একজন অফিসার যদি ৫০টি অভিযোগ খতিয়ে দেখেন, তাহলে মোট যত অফিসার নিয়োগ হচ্ছে, সেই অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে ৮০ দিন সময় লাগবে। একই ভাবে সিভিল জজ যাদের তিন বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের ব্যবহার করা উচিত।” তবে কাদের ব্যবহার করা হবে তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। মোট ৮০ লক্ষ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। ২৫০ জন জেলা জজ এবং অ্যাডিশনাল জেলা জজ পদমর্যাদা বিচারপতি নিয়োগ করা হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা (SIR) প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি আর অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে নিয়মিত।

    চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের সুবিধার জন্য এসআইআর-এর (SIR) নিয়ম-নীতি সম্পর্কে স্বচ্ছতার সঙ্গে অবগত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আধার কার্ড এবং অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্যতা পাবেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘কাট অফ ডেট’ অনুযায়ী তথ্যের নথি গৃহীত হবে। দায়িত্বে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারকে তথ্য এবং ডকুমেন্টসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে এআরও এবং এইআরও। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেছেন, “কোন ভোটাররা নাম তালিকা ভুক্ত করতে এগিয়ে এলেন, তা আমাদের চিন্তার বিষয় নয়। আমাদের চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।” প্রধান বিচারপতির এই নির্দেশের পর যদিও রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভিন রাজ্যের বিচারকরা বাংলা ভাষা বুঝবেন না।” তখন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের মানুষ ভাষা বোঝেন। একসময় পুরো এলাকায় বাংলার ছিল।

LinkedIn
Share