Tag: Social Media Propaganda

  • CJP Opposition Ecosystem: দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ভুয়ো সাংবাদিক আইডি-এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও নিয়ে বিতর্ক, তদন্তে একাধিক অভিযোগ

    CJP Opposition Ecosystem: দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ভুয়ো সাংবাদিক আইডি-এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও নিয়ে বিতর্ক, তদন্তে একাধিক অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার বিরোধিতায় আয়োজিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ভুয়ো সাংবাদিক পরিচয়পত্র বিক্রি, রাজনৈতিক প্রচার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে (CJP Opposition Ecosystem)। অভিযোগ, সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা বা সংবাদমাধ্যমে কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে সংবাদকর্মীর পরিচয়পত্র, সদস্যপদ শংসাপত্র এবং অন্যান্য নথি দেওয়া হচ্ছিল। বিক্ষোভের সময় সরকার ও দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচার করার অভিযোগও উঠেছে (Independent Journalists)। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং বিরোধী শিবিরের সাম্প্রতিক বিক্ষোভকে ঘিরে এই অভিযোগগুলি সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলনকে জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরা হলেও, অভিযোগ, এর প্রচারে রাজনৈতিক বার্তা, সোশ্যাল মিডিয়ায় সংগঠিত প্রচার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যবহৃত হয়েছে।

    পরিচয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন (CJP Opposition Ecosystem)

    অভিযোগ, ‘ইন্ডিয়ান প্রেস ইউনিয়ন’, ‘নিড২৪’ এবং ‘এফএনএফ’-এর মতো সংগঠন ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাংবাদিক পরিচয়পত্র, প্রতিবেদকের পরিচিতি, সদস্যপদ শংসাপত্র এবং গাড়ির স্টিকার বিক্রির ব্যবস্থা ছিল। পরিচয়পত্রের দাম ঘোরাফেরা করেছে ৫৯৯ টাকা থেকে ১,৭৯৯ টাকার মধ্যে। কিছু ক্ষেত্রে প্রতিবেদকের পরিচিতি তৈরির জন্য ৯৯৯ টাকা এবং ডিস্ট্রিক্ট ব্যুরো চিফ ব্যবহারের জন্য বার্ষিক ২৫ হাজার টাকার সদস্যপদের কথা বলা হয়েছে।

    ‘হিন্দ মিডিয়া নেটওয়ার্ক’ নামে একটি ওয়েবসাইটে ৫৯৯ টাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয়পত্র ও প্রতিবেদকের পরিচিতির পাশাপাশি ৩,৫০০ টাকায় মাইক্রোফোনের সরঞ্জাম বিক্রির বিজ্ঞাপন থাকার অভিযোগ উঠেছে। ‘নিড২৪ নিউজ’-এর ক্ষেত্রে প্রতিবেদকের পরিচিতি এবং ডিস্ট্রিক্ট ব্যুরো চিফ ডেজিগনেশন দেওয়ার জন্য পৃথক মূল্য নির্ধারণের কথা সামনে এসেছে।

    অভিযোগের আরও একটি দিক হল, কয়েকটি সদ্য তৈরি সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট নিজেদের প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যম হিসেবে তুলে ধরতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি সাক্ষাৎকারের ভিডিও ব্যবহার করেছিল। একটি সংগঠন ২০১৬ সাল থেকে কাজ করার দাবি করলেও, সেই দাবির সমর্থনে পর্যাপ্ত প্রমাণ মেলেনি বলেই উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভিডিও নিয়ে গ্রেফতার

    বিক্ষোভ ঘিরে বিভ্রান্তিকর প্রচারের অভিযোগের মধ্যে দিল্লি পুলিশ ২৪ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। অভিযোগ, তিনি সহকারী পুলিশ কমিশনার বিবেক ভগতকে এক মহিলা বিক্ষোভকারীর সঙ্গে অসদাচরণ করতে দেখা যাচ্ছে—এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছিলেন।

    ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামের ‘নিউজ আইনা টুডে’ নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো হয়। সেটিকে আসল সিসিটিভি ফুটেজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ভিডিওতে এক পুলিশকর্মীর আপত্তিকর আচরণের দৃশ্যের সঙ্গে সহকারী পুলিশ কমিশনার বিবেক ভগতের ছবি, নাম ও পদবি দেখানো হয়েছিল। এর ফলে ওই পুলিশ আধিকারিককে মিথ্যাভাবে জড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।

    ৪ অক্টোবর পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণকারী দল ভিডিওটি চিহ্নিত করে। এর পর সাইবার থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়। তদন্তে অ্যাকাউন্টটির সঙ্গে হরিয়ানার পালওয়ালের বাসিন্দা নাদিম আহমেদ আমিনের যোগসূত্র মেলে। তাঁকে ৫ অক্টোবর মেওয়াট থেকে আটক করা হয় (CJP Opposition Ecosystem)।

    জিজ্ঞাসাবাদে আমিন স্বীকার করেছেন বলে তদন্তকারীদের দাবি, ৩ অক্টোবর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সরঞ্জাম ব্যবহার করে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করা, বিক্ষোভকারীদের উত্তেজিত করা এবং অশান্তি সৃষ্টি করাই তাদের উদ্দেশ্য ছিল বলে অভিযোগ। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মনজিৎ শেওরানের বক্তব্য, এই প্রচারের লক্ষ্য ছিল বিশৃঙ্খলা তৈরি করা এবং দাঙ্গা উসকে দেওয়া (Independent Journalists)।

    অভিযোগকারী মহিলার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক

    সহকারী পুলিশ কমিশনার বিবেক ভগতের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলা এক মহিলার পরিচয় নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলেও, বাস্তবে ছিলেন সিজেপির সক্রিয় কর্মী।

    রোজি নামের ওই মহিলা সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত মুখ। তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৬১ হাজারেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে। ৩ অক্টোবর অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মী নেহা বোরাকে আটক করার সময় বিবেক ভগত তাঁর সঙ্গে অসদাচরণ করেছিলেন বলে অভিযোগ রোজির। পরে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই পুলিশ আধিকারিককে ‘যৌন নিপীড়ক’ বলে আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ।

    ৬ সেপ্টেম্বর সিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালনাকারী দলের পরিচয় প্রকাশ করে একটি পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানে রোজিকে প্রচার ও সংবাদ সংগ্রহের সমন্বয়কারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্টেও সিজেপির প্রতি সমর্থনের পরিচয় পাওয়া যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে বিতর্ক

    সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০২০ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলন এবং উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার প্রসঙ্গও সামনে এসেছে। অভিযোগ, সেই সময়ও বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক বিক্ষোভ, উত্তেজনামূলক ভাষণ এবং বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। পরে যান চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ অবরোধ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

    ২০২০ সালের দাঙ্গায় ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং কয়েকশো মানুষ জখম হয়েছিলেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন গোয়েন্দা ব্যুরোর কর্মী অঙ্কিত শর্মা এবং পুলিশকর্মী রতনলাল। উপ-পুলিশ কমিশনার অমিত শর্মাও গুরুতর আহত হন।

    দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ৫২/২০২০ নম্বর এফআইআর দায়ের করেছিল। প্রসিকিউশনের বক্তব্য ছিল, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জির বিরোধিতায় আয়োজিত বিক্ষোভের আড়ালে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হয়েছিল। উমর খালিদ, শার্জিল ইমাম, তাহির হুসেন, খালিদ সাইফি, ইশরাত জাহান, গুলফিশা ফতিমা, নাতাশা নারওয়াল, দেবাঙ্গনা কলিতা, আথার খান এবং সফুরা জারগর-সহ একাধিক ব্যক্তির নাম ওই মামলায় উঠে আসে। তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও আইনি অবস্থান পৃথকভাবে বিবেচ্য।

    বর্তমান বিক্ষোভকে ঘিরে একই ধরনের পরিকল্পনার অভিযোগ উঠলেও, দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য নির্ভরযোগ্য তদন্তের ফল প্রয়োজন (CJP Opposition Ecosystem)।

    সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র বিক্রি নিয়ে প্রশ্ন

    এই বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা। গণতন্ত্রে সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব হল জনসাধারণকে তথ্য দেওয়া, ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজের পর্যালোচনা করা। সেই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তথ্যের নির্ভুলতা, স্বচ্ছতা এবং সম্পাদকীয় স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কিন্তু অর্থের বিনিময়ে সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেওয়া হলে প্রকৃত সংবাদকর্মী ও রাজনৈতিক প্রচারকর্মীর মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে, কোনও ব্যক্তি নিজেকে স্বাধীন সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে রাজনৈতিক যোগসূত্র গোপন করলে বা যাচাই না করা তথ্যকে সত্য হিসেবে প্রচার করলে সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভিডিওকে আসল প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হলে সেই বিপদ আরও বাড়ে। এমন ভিডিও জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে, কোনও ব্যক্তির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তেজনা ছড়াতে পারে। সংবাদমাধ্যমের পরিচয় ব্যবহার করে নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ এলাকায় প্রবেশ কিংবা নিয়ম ভাঙার চেষ্টা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।

    দিল্লি পুলিশের সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র সংক্রান্ত নিয়ম কঠোর করার সিদ্ধান্তের পর কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নিজেদের স্বাধীন সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেছেন বলেও অভিযোগ (Independent Journalists)।

    সব মিলিয়ে, বিক্ষোভ ঘিরে ভুয়ো পরিচয়পত্র, রাজনৈতিক প্রচার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভিডিও ব্যবহারের অভিযোগ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণের ভিত্তিতে দায় নির্ধারণ এবং প্রকৃত সাংবাদিকতার পরিচয় সুরক্ষিত রাখাই এখন গুরুত্বপূর্ণ (CJP Opposition Ecosystem)।

     

  • Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) সংক্রান্ত বিতর্ককে কেন্দ্র করে ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল (Osman Faizan Ali)। এই বিক্ষোভকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলির ভূমিকা নিয়ে।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Osman Faizan Ali)

    প্রতিবাদ কর্মসূচিটি হয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) উদ্যোগে। আন্দোলনটিকে ছাত্র-যুবদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরা হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিভিন্ন পোস্টার ও প্রচারসামগ্রীতে ওসমান ফয়জান আলির ছবি দেখা গিয়েছে। বেশ কয়েকটি প্ল্যাকার্ডে তাঁর পরিচয় হিসেবে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ান ওসমান ফয়জান আলি – ফ্রম ইউএসএ’। বিক্ষোভকারীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, তাঁদের অনেকেই পোস্টারে থাকা ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কয়েকজন আবার জানান, সংগঠকদের কাছ থেকে তাঁরা পোস্টার পেয়েছেন এবং ছবিতে থাকা ব্যক্তির সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই।

    কে এই ওসমান ফয়জান আলি?

    জানা গিয়েছে, ওসমান মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘@bbm_india_’-এ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ও নিট ইস্যু নিয়ে একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব কনটেন্টে আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি প্রশাসনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ইঙ্গিতও উঠে এসেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। ১ জুন ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দিল্লি পুলিশের উদ্দেশে মন্তব্য করতে গিয়ে ওসমান বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবেগ ও উত্তেজনা উসকে দিতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ভিডিওতে সরাসরি কোনও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ডাক দেওয়া হয়নি (Osman Faizan Ali)। সম্প্রতি প্রকাশিত আরও একটি ভিডিওতে তিনি দিল্লি পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানান। তবে সেই ভিডিওতেও আন্দোলন আটকে দিলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘Button Ballot Movement by Osman Faizan Ali’-এর পুরনো কিছু কনটেন্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি হায়দরাবাদ ও সেকেন্দ্রাবাদের ভোটারদের এআইএমআইএম (AIMIM) এবং কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থন করার ডাক দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যে বিজেপিকে পরাজিত করার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ককরোচ জনতা পার্টি-সমর্থন এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বিজেপি-বিরোধী অবস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে অবশ্য ওসমানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি (CJP)।

    বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমার যুগে দ্রুত বদলাচ্ছে রাজনৈতিক আন্দোলনের চরিত্র। এখন দেশের বাইরে অবস্থান করেও কোনও ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে আন্দোলনের বয়ান গঠন, জনমত প্রভাবিত করা এবং প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রচার করার সুযোগ পাচ্ছেন (Osman Faizan Ali)। যন্তর মন্তরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কতটা, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা প্রচারসামগ্রীর উৎস সম্পর্কে কতটা সচেতন, এবং সর্বোপরি, বিদেশে থেকে অনলাইন সক্রিয়তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনায় অনলাইন প্রচার, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং জনআন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে (CJP) আরও বিস্তৃত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Osman Faizan Ali)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

LinkedIn
Share