Tag: Social Media

Social Media

  • Mobile Phone: লাগাতার মোবাইল ঘেঁটে চলেছেন? জানেন কী হতে চলেছে? বিপদ বাড়ছে কতটা? 

    Mobile Phone: লাগাতার মোবাইল ঘেঁটে চলেছেন? জানেন কী হতে চলেছে? বিপদ বাড়ছে কতটা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কখনও কাজের জন্য, আবার কখনও নিছক বিনোদন। কখনও আবার অবসর যাপনে, সর্বদাই মোবাইল আমাদের নিত্যসঙ্গী। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের দিনের অধিকাংশ সময়ই কাটছে মোবাইলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রোল করে কিংবা সার্চ ইঞ্জিনেই কাটে দিনের অনেকটা সময়। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস বাড়াচ্ছে বিপদ। মাত্র ১৬-১৭ বছর বয়স থেকেই দেখা দিতে পারে সমস্যা। হতে পারে মারাত্মক বিপত্তি। তাই সাবধান করছেন বিশেষজ্ঞ মহল (Mobile Phone)। বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেও তাঁরা জানাচ্ছেন। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের দরকার সচেতনতা। না হলে পরবর্তী জীবনে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও তাঁরা জানাচ্ছেন।

    লাগাতার স্ক্রিনে স্ক্রোল কী বিপদ বাড়াচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মোবাইল কিংবা ল্যাপটপের টাচ স্ক্রিনে লাগাতার স্ক্রোল করলে একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। অধিকাংশ মানুষ এই বিষয়ে সচেতন নয়। তার জেরেই সমস্যা আরও জটিল হচ্ছে।

    স্নায়ুতন্ত্রে গভীর প্রভাব ফেলছে (Mobile Phone)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লাগাতার স্মার্ট ফোন ব্যবহারের জেরে স্নায়ুতন্ত্রে গভীর প্রভাব পড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তর্জনী, বৃদ্ধাঙ্গুলি এবং কনিষ্ঠা এই তিনটি আঙুল দিয়েই মূলত স্মার্টফোন ধরে রাখা হয় বা ল্যাপটপে টাইপ করা হয় কিংবা স্ক্রোল করা হয়। আর দেহের একাধিক পেশি এবং স্নায়ুর যোগাযোগ থাকে। এই তিনটি আঙুল লাগাতার ব্যবহারের ফলে স্নায়ুর উপরে মারাত্মক চাপ পড়ে। অতিরিক্ত চাপের জেরে স্নায়ুর কার্যকারিতা হারায় (Mobile Phone)। পাশপাশি পেশি সংকুচিত হওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়। অর্থাৎ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ঠিকমতো সামঞ্জস্য বজায় থাকে না। তাই একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে‌।

    কোমর, পিঠ এবং ঘাড়ের পেশি ও স্নায়ু, হাড়ের সমস্যা

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লাগাতার মোবাইল Mobile Phone কিংবা ল্যাপটপ ব্যবহারের জেরে দেহের মূলত তিনটি অংশে মারাত্মক চাপ পড়ে। কোমর, পিঠ এবং ঘাড়। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এক অদ্ভুত ভঙ্গিতে বসে ব্যবহারকারী স্ক্রিনে চোখ আটকে রাখেন। একটানা ওই অদ্ভুত ভঙ্গিতে বসার জেরে ঘাড়ের পেশি স্টিফ বা শক্ত হয়ে যায়। কার্যকারিতা কমে। আবার পিঠের পেশিতেও মারাত্মক টান অনুভব হয় (Mobile Phone)। কোমরের হাড়েও ব্যথা অনুভব হয়। একনাগাড়ে বসে থাকার জেরেই এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তাই স্পন্ডেলাইসিসের মতো রোগের প্রকোপও বাড়ছে।

    বাড়ছে চোখের সমস্যা (Mobile Phone)

    চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের পাশপাশি শিশুদের মধ্যেও বাড়ছে চোখের সমস্যা। দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যাও বাড়ছে। বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই চোখের শুষ্কতা বা ড্রাই আই-র মতো রোগের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। এর ফলে চোখে নানা রকম সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। কোন কিছু একনাগাড়ে দেখার ক্ষমতাও কমছে। তার কারণ লাগাতার মোবাইল কিংবা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা বলেই মনে করছেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মোবাইল কিংবা ল্যাপটপের ব্যবহার নিয়ে সচেতনতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই সচেতনতা একেবারেই নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বিনোদনের জন্য মোবাইল অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহার হচ্ছে (Mobile Phone)। এর ফলে স্মৃতিশক্তি কমছে। সৃজনশীল কাজের দক্ষতাও কমছে। দিনে কতক্ষণ মোবাইল বা ল‌্যাপটপে সময় কাটানো হচ্ছে সে বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি। কখনই একটানা‌ আধঘণ্টার বেশি সময় স্ক্রিনে কাটানো উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের পরামর্শ, ছোট থেকেই স্ক্রিন টাইম নির্দিষ্ট করে রাখা জরুরি। না হলে বিপদ মারাত্মক। প্রয়োজনে শিশুদের কাউন্সেলিং করতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Social Media: দিনরাত চোখ শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায়! কোন রোগের কবলে পড়ছেন জানেন কি?

    Social Media: দিনরাত চোখ শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায়! কোন রোগের কবলে পড়ছেন জানেন কি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে, সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) চোখ না রাখলে দিন যেন সম্পূর্ণ হয় না। দিনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন দেওয়া হয়, তেমন আবার নিজের দিনভর নানা কাজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়ার অভ্যাস তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের। অফিস কিংবা ক্লাসের মাঝেও সময় পেলেই অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকেন। আবার অনেকের সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রোল করতে করতে সময়ের হিসেব রাখাই কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস বিপদ বাড়াচ্ছে। দিনের অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানোর অভ্যাস, একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। তবেই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়? (Social Media)

    বিশ্ব জুড়েই জনপ্রিয়তা বাড়ছে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের। মূলত তরুণ প্রজন্মের কাছেই বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে এই সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মগুলো। আমেরিকার একদল গবেষক বিশ্ব জুড়ে তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় অভ্যস্ত প্রজন্ম নিয়ে এক গবেষণা চালিয়েছেন। আর সেখানেই উঠে এসেছে একাধিক বিপদের ঝুঁকির আশঙ্কা। তাঁদের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, অতিরিক্ত সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটালে শরীর ও মনের একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এই অভ্যাসে তাদের নানা কাজের মধ্যে গভীর প্রভাব পড়ছে। তাই এবিষয়ে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    আসক্তি বাড়ায় সোশ্যাল মিডিয়া

    মনোরোগ‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) অতিরিক্ত সময় কাটানোর অভ্যাস আসক্তি বাড়ায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় দিনের অধিকাংশ সময় কাটানোর অভ্যাস মস্তিষ্কে এক ধরনের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। তার জেরেই এক ধরনের আসক্তি বাড়ায়। আর এই আসক্তির জেরে যে কোনও বিষয়ে আসক্তির প্রবৃত্তি বাড়ায়। এর জেরে সামাজিক জীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে অন্যদের সঙ্গে মেশা ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কমে। ক্রমাগত লাইক, কমেন্ট এবং ফলোয়ার বাড়ানোর ইচ্ছে এই আসক্তিকে আরও বাড়িয়ে তোলে‌। ফলে জটিলতা আরও বাড়ে।

    মনঃসংযোগ নষ্ট করে (Social Media)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনের অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটালে মনোসংযোগ নষ্ট হয়। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় অধিকাংশ ভিডিও খুব কম সময়ের হয়। তার জেরে বড় কোনও ছবি দেখা কিংবা দীর্ঘ সময় একটি বই পড়ার জন্য যে‌ ধরনের ধৈর্য্য দরকার তা থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে একটা কাজ যত্ন করে করার জন্য যে ধরনের ক্ষমতা প্রয়োজন হয়, মস্তিষ্কের সেই ক্ষমতা কমতে থাকে। যে কোনও কাজে মনঃসংযোগ হারায়। কোনও কাজ দীর্ঘ সময় ধরে করতে হলে এক ধরনের বিরক্তি তৈরি হয়। যার প্রভাব কাজে পড়ে।

    ড্রাই আইয়ের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে

    সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) অতিরিক্ত সময় কাটানোর ফলে চোখের শুষ্কতার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। এমনই জানাচ্ছেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ড্রাই আই কিংবা চোখের শুষ্কতার মতো রোগ অর্থাৎ, চোখ দিয়ে লাগাতার জল পড়া, চোখ জ্বালা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া আর চোখে এক ধরনের যন্ত্রণা অনুভব হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মোবাইলের স্ক্রিনের আলো দীর্ঘ সময় চোখে পড়ার জেরে বিশেষত রাতে অন্ধকার ঘরে দীর্ঘ সময় মোবাইল দেখার জেরে এই চোখের শুষ্কতার সমস্যা বাড়ে।

    সমস্যা এড়াতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Social Media)

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়া এখন জীবনের ওতোপ্রোত অংশ। কোনও ভাবেই তাকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া যাবে না। বিনোদন এবং সামাজিক যোগাযোগ ছাড়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ঘোষণা, সরকারি তথ্যও অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জানতে পারা যায়। তাই এই প্ল্যাটফর্মগুলো বাদ দেওয়া যাবে না। তবে কতটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাদ্দ থাকবে, সে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ সতর্ক না থাকলে একাধিক শারীরিক ও মানসিক জটিলতা বাড়বে। কখনই একটানা আধঘণ্টার বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানো যাবে না। পাশপাশি , কোনও জরুরি কাজের মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) সময় কাটানোর অভ্যাস বাদ দিতে হবে। তবেই মনঃসংযোগ নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যা কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: প্রজাতন্ত্র দিবসে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছাবার্তা শাহজাহানের! কী করছে পুলিশ?

    Sheikh Shahjahan: প্রজাতন্ত্র দিবসে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছাবার্তা শাহজাহানের! কী করছে পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামলা চালানোর ১৯ দিনের মাথায় ফের ইডি সন্দেশখালিতে হানা দিয়েছিল। ১৯ খানা তালা ভেঙে তৃণমূলের বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে ঢুকেছিলেন ইডি আধিকারিকরা। শাহজাহান ও তাঁর বাড়ির লোকজন কারও কোনও হদিশ মেলেনি। তাঁর অনুগামীরাও উধাও। সেই বেপাত্তা শাহজাহান ফের সক্রিয় সমাজ মাধ্যমে। সাধারণতন্ত্র দিবসে সমাজ মাধ্যমে দলীয় কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সন্দেশখালির দাপুটে এই তৃণমূল নেতা।

    সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছা বার্তা দেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)

    পুলিশ প্রশাসনের দাবি, তারা শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) হন্যে হয়ে খুঁজছে। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকার পরও পুলিশ তার নাগাল পাচ্ছে না। ফেরার তৃণমূল নেতা কোথায়, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। অন্তরালে থেকে শেখ শাহজাহান ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানান। শুধু তাই নয় ফেসবুকের প্রোফাইল পিকচারও বদল করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি সচল রাখার জন্য ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তাঁর অনুগামীরা চালিয়ে যাচ্ছেন? না অন্য কেউ ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছেন? আর তৃণমূল নেতা যদি নিজেই এসব করে থাকেন, তাহলে পুলিশ তাঁর গতিবিধির হদিশ পাচ্ছে না কেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান কোথায় তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা চলছে। এরমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে ফের সরগরম বঙ্গের রাজনীতি।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    সন্দেশখালি কাণ্ডের পর তৃণমূল নেতাকে কেন এখনও গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ, সরব বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এর আগে বলেছিলেন, শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) কোথায় আছে তা পুলিশ জানে। তাই, পুলিশ তাঁকে ধরছে না। শুক্রবার বসিরহাটের হাসনাবাদ ব্লকে মিছিল করেন। সেখানে শাহজাহান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শাহজাহান গর্তে ঢুকে আছেন।” তবে, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দাদাগিরি, হম্বিতম্বির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    Asansol: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দাদাগিরি, হম্বিতম্বির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির (Asansol) সহ-সভাপতি সিদ্ধার্থ রানার দাদাগিরির ভাইরাল ভিডিও এল প্রকাশ্যে। ব্লক সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁরই গাড়ির চালক অন্য এক গাড়ির চালককে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত ওই দৃশ্য দেখে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন পথচলতি মানুষ। ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এই সময় ওই নেতা নিজের গাড়ি থেকে নেমে রীতিমতো দাদাগিরি শুরু করে দেন এবং হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ। আর ওই তৃণমূল নেতার হম্বিতম্বির ভিডিও রেকর্ডিং করে বিক্ষুব্ধ জনতা ছড়িয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোলের জামুড়িয়ায় তপসি রেল ব্রিজের নিচে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে। যদিও ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’।

    ঘটনার বিবরণ (Asansol)

    আসানসোল থেকে জামুড়িয়া ফিরছিলেন জামুড়িয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের দু’নম্বর ব্লকের সভাপতি তথা জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সিদ্ধার্থ রানা। তপসি ব্রিজের কাছে রেলগেট পড়ে যায় এবং তা খোলার পরই যানজট লেগে যায়। অনেকেই রং সাইডে ঢুকে পড়েন। এরকমই এক গাড়ির চালককে গালিগালাজ করে বেধড়ক মারধর করেন সভাপতির গাড়ির চালক, এমনটাই অভিযোগ এবং ওই চালক হুমকি দিয়ে বলেন যে তাঁর মাথার উপর তৃণমূল নেতাদের হাত রয়েছে। কেউ কিছু করতে পারবে না। এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ পথচলতি মানুষ (Asansol)।

    কী বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি? (Asansol)

    সিদ্ধার্থ রানা বলেন, “আমি গাড়ি পাশে দাঁড় করিয়ে বাথরুম গিয়েছিলাম। এসে দেখি ঝামেলা হচ্ছে। এক ভদ্রলোকের মাথা ফাটা রয়েছে। আমি বলি, চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ ছাড়াও যদি সাত-দশ দিন চাকরিতে অনুপস্থিত থাকেন, তার যাবতীয় খরচও বহন করবো। তা সত্ত্বেও তারা মারমুখী হয়ে উঠেছিল। আমার গাড়ির চালক গাড়ি থেকে বাইরে বের হয়নি। তাহলে কে উনাকে মারল, তা উনি ভালো বলতে পারবেন।”

    সাধারণ মানুষ বিপদে, তোপ বিজেপির

    বিজেপির আসানসোল (Asansol) জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যেভাবে কংগ্রেস গোটা দেশ থেকে এক প্রকার শেষ হয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস শেষ হয়ে যাবে। কেউ তাদের নেতাকর্মীকে খুঁজে পাবে না। তাদের সম্বন্ধে কারও কাছে কোনও খবর থাকবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী থেকে নেতা সকলেই যে ভাবে গোটা রাজ্য জুড়ে অত্যাচার শুরু করেছে, তাতে সাধারণ মানুষ চরম বিপদে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: লক্ষ্য ২০২৪ লোকসভা ভোট! সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক জোর দিচ্ছে বিজেপি

    BJP: লক্ষ্য ২০২৪ লোকসভা ভোট! সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক জোর দিচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। প্রচারের কাজে কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না বিজেপি (BJP)। ২০২৪ লোকসভা ভোটে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়েছে গেরুয়া শিবির (BJP)। বিজেপি (BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যে দেশের ৩০ শতাংশ মানুষের কাছে পৌঁছানো হবে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে। ২০২৪ সালের জয়ের লক্ষ্যে অগাস্ট মাসের ২৭ তারিখ থেকে উত্তরপ্রদেশে শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর কার্যশালা, যা চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত.

    সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবশালীদের কাছে টানছে গেরুয়া শিবির (BJP)

    জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়াতে জনপ্রিয় রয়েছেন এমন ব্যক্তিত্বদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে বিজেপি (BJP)। যাঁদের সাবস্ক্রাইবার ২০ হাজার থেকে ১ লাখ পর্যন্ত রয়েছে তাঁদেরকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে বিজেপির প্রচারের কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, জেলাস্তর ধরে কাজ করার জন্য বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার পর্যন্ত যাঁদের ফলোয়ার রয়েছে তাঁদেরকেও জোড়া হচ্ছে বিজেপির সঙ্গে। পাশাপাশি নতুন দুটি অ্যাপও আনতে চলেছে বিজেপি (BJP)। জানা গিয়েছে, কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছাড়াও জনসাধারণের সঙ্গেও সংযোগ করতে কাজে লাগবে এই অ্যাপ দুটি।

    সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি (BJP)

    ভারতবর্ষে ৭৯ কোটি মানুষ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। ৭৬ কোটিরও বেশি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই সংখ্যা ৯০ কোটিতে পৌছাবে ২০২৫ নাগাদ। লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতে স্মার্ট ফোন, ইন্টারনেট ব্যবস্থা এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে ভরপুর ব্য়বহার করতে চাইছে বিজেপি (BJP)। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও এখন পৌঁছে গেছে স্মার্ট ফোন। এই সুবিধায় মোদি সরকারের জনমুখী কর্মসূচির প্রচার সেরে ফেলতে চাইছে গেরুয়া শিবির (BJP)। ২০১৪ সালে ২৮২টি আসন নিয়ে কেন্দ্রের মসনদে বসে বিজেপি। সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়েছিল। দেশের যুবসমাজকে বিজেপির কাছে আনতে সাহায্য করেছিল সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচার। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ২০১৯ সালেও সোশ্যাল মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বিজেপির জয়ে। ২০২৪-এর ভোটেও একইভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার ভরপুর ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি (BJP)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সোশ্যাল মিডিয়াতেও রাহুল গান্ধীকে জোর ধাক্কা মোদির, বলছে রিপোর্ট

    PM Modi: সোশ্যাল মিডিয়াতেও রাহুল গান্ধীকে জোর ধাক্কা মোদির, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়াতেও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুধুমাত্র ফলোয়ারের সংখ্যার ভিত্তিতেই নয়, উপরন্তু নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন পোস্টের এনগেজমেন্টও অনেকটাই বেশি রাহুল গান্ধীর পোস্টগুলির তুলনায়। বর্তমান এক্স, পূর্বতন ট্যুইটার, ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম এই সমস্ত কিছুতেই এগিয়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ট্যুইটারে এগিয়ে মোদি (PM Modi)

    বর্তমানে ট্য়ুইটারে মোদির ফলোয়ার রয়েছেন  প্রায় ১০ কোটি, অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর ট্যুইটারে ফলোয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লাখ। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদির ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট প্রায় ৮০ লাখ এনগেজমেন্ট পেয়েছে বিগত এক মাসে। যেখানে রাহুল গান্ধীর ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের এনগেজমেন্টের সংখ্যা ২৩.৪৩ লাখ ওই একই সময়ের মধ্যে। আরও দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বিগত তিন মাসে এনগেজমেন্ট পেয়েছে ৫৮ লাখ ২৩ হাজার।

    ফেসবুকেও মোদির (PM Modi) জয় জয়কার 

    অন্যদিকে, ফেসবুকে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ফলোয়ার সংখ্যা রয়েছে প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ। অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর এই ফলোয়ার সংখ্যা ৬৭ লাখ। সূত্রের খবর, ফেসবুকে নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন পোস্টগুলির এনগেজমেন্ট হয়েছে ৫৭.৮৯ লাখ বিগত এক মাসে। ওই একই সময়ের মধ্যে রাহুল গান্ধীর পোস্টগুলির এনগেজমেন্ট হয়েছে ২৮.৩৮ লাখ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চলতি বছরে এনগেজমেন্ট পেয়েছে ৩.২৫ কোটি অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর এনগেজমেন্ট ১.৪৮ কোটি।

    ইউটিউবে মোদির (PM Modi) অনেক পিছনে রাহুল গান্ধী

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ইউটিউবের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বর্তমানে ৬৫ লাখ। অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর ইউটিউব সাবস্ক্রাইবার ২৭ লাখের কিছু বেশি। বিগত এক মাসে নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন ভিডিও ২৫ কোটি ভিউ হয়েছে, অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ৪ কোটি ৮২ লাখ। ইনস্টাগ্রামেও নরেন্দ্র মোদির বর্তমান ফলোয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর ক্ষেত্রে এই সংখ্যা মাত্র ৪০ লাখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fact Check Unit: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের

    Fact Check Unit: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো খবরের রমরমা থামাতে এবং ভুয়ো খবরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং জনমানসে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধিনস্থ প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)-র  নিজস্ব ফ্যাক্ট চেক ইউনিট (এফসিইউ)-কে সরকারি ফ্যাক্ট চেক সংস্থা (Fact Check Unit) হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করল মোদি সরকার। এই মর্মে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে। 

    বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে (Fact Check Unit)

    ২০ মার্চ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের তথ্য প্রযুক্তি (মধ্যস্থতা নির্দেশিকা এবং ডিজিটাল) এর নিয়ম ৩ এর উপ-ধারা (১)-এর উপ-ধারা (৫) এর বিধানের অধীনে পিআইবি এফসিইউ-কে সরকারি ফ্যাক্ট চেক ইউনিট হিসেবে কার্যকর করা হয়েছে। ভুয়ো খবর প্রতিরোধের লক্ষ্যে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভীষণভাবেই সমন্বয় রেখে যৌথভাবে কাজ করে চলেছে তথ্য প্রযুক্তি ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। 

    এফসিইউ কীভবে কাজ করে?

    ২০১৯ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পিআইবি অধীনস্থ ফ্যাক্ট চেক ইউনিট (Fact Check Unit)। ভুয়ো খবর, ভুল তথ্যের সৃষ্টিকর্তা এবং প্রচারকারীদের নিয়ন্ত্রণ করাই মূল লক্ষ্য এই সংস্থার। ভারত সরকারকে নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সন্দেহজনক এবং ভুয়ো তথ্য সম্পর্কে রিপোর্ট করার জন্য পরিষেবা প্রদান করে থাকে। সরকারী নীতি, উদ্যোগ এবং প্রকল্প সম্পর্কিত কোনও ভুয়ো তথ্য থেকে থাকলে, তার বিরুদ্ধে যাতে সরকারের কাছে অভিযোগ দায়ের করা যায় বা সেই বিষয়ে যাতে সরকারের গোচরে আনা যায়, সেই মঞ্চ প্রদান করে ফ্যাক্ট চেক ইউনিট। একইভাবে, এফসিইউ সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ, শনাক্ত করে এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচার প্রতিরোধ করে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করে দেয় যে, সরকার সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দ্রুততার সঙ্গে সংশোধন করা হয়েছে।

    বিভিন্ন মোডের মাধ্যমে চেক করে এফসিইউ (Fact Check Unit)

    নাগরিকরা হোয়াটসঅ্যাপ (+918799711259), ইমেল (pibfactcheck@gmail.com), Twitter (@PIBFactCheck) এবং PIB-এর ওয়েবসাইট (https://factcheck) সহ বিভিন্ন মোডের মাধ্যমে পিবিআই ফ্যাক্ট চেক ইউনিটের (Fact Check Unit) সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  •  Lakshadweep Tourism: লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ-ঝড়, গুগলে সার্চ বৃদ্ধি ৩৪০০ শতাংশ!

     Lakshadweep Tourism: লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ-ঝড়, গুগলে সার্চ বৃদ্ধি ৩৪০০ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় আছড়ে পড়েছে  ‘লাক্ষাদ্বীপ ট্যুরিজম’ ও ‘ভিজিট লাক্ষাদ্বীপ’ ঝড়। গত এক সপ্তাহে, ভ্রমণ সংক্রান্ত অনলাইন সার্চে সকলকে ছাপিয়ে গিয়েছে একটাই নাম— লাক্ষাদ্বীপ।

    গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাক্ষাদ্বীপে (Lakshadweep Tourism) গিয়েছিলেন একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কথা ঘোষণা করতে। সেইসঙ্গে এই দ্বীপের সমুদ্র সৈকতে স্নরকেলিং করেছেন। সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক মনোরম ছবি বিনিময় করে পর্যটকদের ছুটি কাটানোর জন্য উৎসাহ দেন তিনি। এরপর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন মলদ্বীপের ৩ মন্ত্রী। অভিযোগ করে বলা হয়, মলদ্বীপের পর্যটন থেকে নজর ঘোরাতে লাক্ষাদ্বীপের পর্যটনকে প্রচার করছেন মোদি।

    এরপর থেকেই ভারতের বহু পর্যটক মলদ্বীপের ভ্রমণসূচি বাতিল করছেন। বাতিল হয়েছে হাজার-হাজার বিমান টিকিট। বাতিল হয়েছে শয়ে-শয়ে রুমের বুকিং। শুধু সাধারণ পর্যটক নন, ভারতের পর্যটন ব্যবসায় জড়িত একটি ভ্রমণ সংস্থাও মালদ্বীপের ট্যুর বাতিল করেছেন। সমাজিক মাধ্যমে ‘বয়কট মলদ্বীপ’ এবং ‘লাক্ষাদ্বীপ ট্যুরিজম’ লিখে ব্যাপাক প্রচার চলছে। সেই প্রচারে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছেন বলি তারকা থেকে শুরু করে ভারতের ক্রিকেটাররা। সমাজমাধ্যমে লাক্ষাদ্বীপের ছবি ভাইরাল হতেই সেখানে বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের ঝোঁক হু হু করে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনলাইনে সার্চ করার আগ্রহও প্রচুর বেড়ে গিয়েছে।

    কী বলছে মেক মাইট্রিপ (Lakshadweep Tourism)?

    অনলাইনে ট্র্যাভেল এজেন্সি মেক মাইট্রিপ পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছে, এই লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism) নিয়ে অনলাইনে সার্চ বেড়ে গিয়েছে ৩৪০০ শতাংশ। সামজিক মাধ্যমে একাধিক ট্রেন্ড এবং হ্যাশট্যাগ চলছে প্রচুর পরিমাণে। মোদিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের কারণে শুধু ভারতেই নয় এশিয়া, ইউরোপ, অ্যামেরিকা থেকেও বাড়ছে সার্চের পরিমাণ। লাক্ষাদ্বীপে ভ্রমণের চাহিদা এখন পর্যটকদের কাছে প্রচুর।

    ৩৬টি ছোট ছোট দ্বীপের সমূহ লাক্ষাদ্বীপ

    লাক্ষা, আমিনদিভি, মনিকয় দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ৩২ বর্গ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে এই লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism)। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে মত ৩৬টি দ্বীপ রয়েছে। লাক্ষা পর্যটন বিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে এই দ্বীপে বেড়াতে যেতে হয়। বছরের অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময় হল ভ্রমণ করার আদর্শ সময়। এই দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশ ভীষণ ভাবে পর্যটকদের মনকে মুগ্ধ করবে। এখানে ঘুরে দেখার সুন্দর জায়গাগুলি হল-

    আগাত্তি দ্বীপপুঞ্জ

    লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep Tourism) প্রবেশদ্বার হল এই আগাত্তি দ্বীপ। বিশ্বের অন্যতম সুন্দর লেগুন (নোনা জলের উপহ্রদ) রয়েছে এখানে। এখানে সুইমিং, স্বরকেলিং, কায়াকিংয়ের মতো ওয়াটার স্পোর্টস করার সুযোগ রয়েছে।

    বাঙ্গারাম দ্বীপপুঞ্জ

    আগাত্তি দ্বীপের খুব কাছেই হল বাঙ্গারাম দ্বীপ। এখানে মানুষ বসবাস করে না। ফসফোরেসেন্ট প্লাঙ্কটনের জন্য বাঙ্গারাম দ্বীপ আসেন পর্যটকরা। এই সৈকত রাতে নীলাভ হয়। ডলফিন, অক্টোপাস, ফ্রগফিস দেখা যায়।

    মিনিকয় দ্বীপ

    উত্তর দ্বীপপুঞ্জের ২০০ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত এই দ্বীপ। এই দ্বীপ অন্যতম বড় লেগুন। এখানে ১১ গ্রামের ক্লাস্টার রয়েছে। এইগুলিকে আভাহ নামে পরিচিত।

    কালপেনি দ্বীপপুঞ্জ

    স্বচ্ছ এবং নীল জলের জন্য বিখ্যাত এই দ্বীপ। এখানে সুইমিং, স্নরকেরিং করার ব্যবস্থা রয়েছে।

    কাভারাত্তি দ্বীপপুঞ্জ

    এই দ্বীপ পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় জায়গা। স্থানীয় বাজার বেশ দর্শনীয় স্থান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shah-Nadda in Bengal: বাংলায় দেড় হাজার ‘সাইবার যোদ্ধা’দের বিশেষ বার্তা শাহ-নাড্ডার

    Shah-Nadda in Bengal: বাংলায় দেড় হাজার ‘সাইবার যোদ্ধা’দের বিশেষ বার্তা শাহ-নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতীতে ভোট এলে চোখে পড়ত দেওয়াল লিখন। এখন প্রচার হয় ‘ফেসবুক ওয়ালে’। জনমত গঠনে এখন সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমাজ মাধ্যমে কাঁটাতারের বাধা নেই। এক লহমায় সাত-সমুদ্র তেরো নদীর পারেও পৌঁছে দেওয়া যায় বার্তা। তাই আসন্ন লোকসভা ভোট (Loksabha Election) প্রচারে সাইবার-যোদ্ধাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Shah-Nadda in Bengal)। কলকাতায় দলের সাইবার টিমকে সেই রণকৌশলই বুঝিয়ে দিলেন শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

    কী বললেন শাহ

    স্বেচ্ছায় যাঁরা বিজেপির সমর্থন বাড়াতে কাজ করেন, সেই ‘সাইবার যোদ্ধা’দের উৎসাহ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে আইটি-সোশাল মিডিয়া টিমের বৈঠকে বার্তা দিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘৩৫টি পদ্ম ফোটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে সাইবার যোদ্ধারা’। পাশাপাশি এদিন তৃণমূলের দুর্নীতি, তোষণ, হিংসার ঘটনাকে সামনে আনার সঙ্গে কৃষক ও উন্নয়ন বিরোধী তৃণমূলের নীতিকে প্রকাশ্যে আনার নির্দেশও দেন শাহ। 

    সাইবার যোদ্ধাদের উৎসাহ

    মঙ্গলবার কলকাতায় রাজ্য নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন তাঁরা। বৈঠক শেষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বেরিয়ে জানান, সাইবার যোদ্ধাদের উৎসাহ দিয়ে গিয়েছেন দুই নেতা। তিনি জানিয়েছেন, এই সাইবার যোদ্ধাদের জন্যই বিজেপি ২০১৯ সালে ভাল ফল করেছিল, ২০২১ সালে ৩ থেকে ৭৭ (বিধায়ক সংখ্যা) হওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁদের ভূমিকা যথেষ্ট।

    সূত্রের খবর, কেন্দ্রের জনমুখী প্রকল্পগুলি আরও বেশি করে বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। রাজ্যে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মন্ত্রী জেলবন্দি রয়েছেন, সেই সব দুর্নীতি নিয়ে আরও সরব হতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়াকে আরও বেশি করে ব্যবহার করে শাসক দল তৃণমূলকে কোণঠাসা করার মন্ত্রই দেওয়া হয়েছে তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Yo Yo Test: ইয়ো-ইয়োতে পাশ রোহিত-হার্দিক, কিং কোহলিকে হারিয়ে ফিটনেস টেস্টে সেরা শুভমন

    Yo Yo Test: ইয়ো-ইয়োতে পাশ রোহিত-হার্দিক, কিং কোহলিকে হারিয়ে ফিটনেস টেস্টে সেরা শুভমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইয়ো ইয়ো টেস্টে (Yo Yo Test) পাশ করার খবর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছিলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। পাস মার্ক ১৬.৫। সেখানে বিরাট কোহলির ইয়ো ইয়ো টেস্টের স্কোর ১৭.২। যা দেখে অনেকেই তাঁর পিঠ চাপড়াতে শুরু করেছিলেন। কারণ, ফিটনেসের দিকে কোহলি বরাবর ভারতীয় দলে অনেক এগিয়ে। তাই অনেকের মনে হয়েছিল এটাই হয়তো সেরা স্কোর, তাই ঘটা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। কিন্তু সেই ভুল ভাঙতে বেশি সময় লাগেনি। এখনও পর্যন্ত যে সব ভারতীয় ক্রিকেটার ইয়ো ইয়ো টেস্ট দিয়েছেন, তার মধ্যে ফেল করার খবর নেই। রোহিত শর্মা থেকে হার্দিক পান্ডিয়া ভালোভাবেই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করেছেন। বিসিসিআই সূত্রের খবর, সবচেয়ে বেশি স্কোর করেছেন শুভমান গিল। ১৮.৭ পয়েন্ট পেয়েছেন তরুণ এই ওপেনার। যা বিরাট কোহলির থেকে অনেকটাই বেশি।

    ধমক খেলেন কোহলি

    বিরাট কোহলিও কয়েক বছর আগে ইয়ো ইয়ো টেস্টে প্রায় ১৯ স্কোর করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে অনেকেই কোহলিকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি। কেউ কেউ লিখেছেন, ” তাহলে তো বিরাট কোনও রকমে পাস করেছে।” কেউ আবার  প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে কি ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের ফিটনেস (Yo Yo Test) লেভেল পড়ছে? যাই হোক, এটা বলতে অসুবিধা নেই কোহলির ফিটনেসে বয়সের ছাপ স্পষ্ট। আসলে বিরাটের সময়টা মনে হয় ভালো যাচ্ছে না। ইয়ো ইয়ো টেস্টের ফল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বিসিসিয়েইয়ের রোষানলে কোহলি। তাঁকে সতর্কও করা হয়েছে। বোর্ডের এক কর্তা বলেন, ” ইয়ো ইয়ো টেস্ট দলের আভ্যন্তরীন ব্যাপার। সেটা কখনওই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা উচিত নয়। এই ব্যাপারে দলের প্রত্যেক সদস্যকে সতর্ক থাকতে হবে।”

    আরও পড়ুন: দুরন্ত থ্রোয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজ, সঙ্গে প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতাও

    ভারতীয় দলের প্রস্তুতি শিবির

    আগামী ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর আলুরে চলবে ভারতীয় দলের প্রস্তুতি শিবির। যা শুরু হয়েছে শুক্রবার। তারপর টিম ইন্ডিয়া এশিয়া কাপ খেলতে শ্রীলঙ্কা যাবে। তাই শিবির চলাকালীন ধাপে ধাপে ইয়ো ইয়ো টেস্ট হবে স্কোয়াডের প্রত্যেক ক্রিকেটারের। লোকেশ রাহুল দলে থাকলে তার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা রয়েছে। সেই কারণে তাঁর টেস্ট হবে পরে। তবে আশার আলো, শুক্রবার এক ঘন্টা ব্যাট করেছেন লোকেশ। আসলে কোচ দ্রাবিড় ব্যাটিংকে শক্তিশালী করতে চাইছেন বিশ্বকাপের আগে। শিবিরে প্রথম দিনে তাই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের জন্য এক ঘন্টা করে ব্যাটিংয়ে সময় বরাদ্দ হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share