Tag: Social Media

Social Media

  • PM Modi Video: ‘‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’’, যুবকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা মোদির, মন্ত্রীদের দিলেন ইনস্টাগ্রাম নির্দেশ

    PM Modi Video: ‘‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’’, যুবকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা মোদির, মন্ত্রীদের দিলেন ইনস্টাগ্রাম নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের ভিডিও বার্তার পর দেশের যুবসমাজের কাছ থেকে যে বিপুল সাড়া পেয়েছেন, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, তরুণদের ভালোবাসা ও ইতিবাচক পরামর্শ তাঁর সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।

    ভিডিও বার্তায় কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বন্ধুরা, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। গত রাতে আপনাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। আপনারা যেভাবে সেই ভিডিওতে সাড়া দিয়েছেন এবং ইতিবাচক পরামর্শ দিয়েছেন, তার জন্য প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আপনাদের এই ভালোবাসা অব্যাহত থাকবে এবং আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। ধন্যবাদ, ধন্যবাদ বন্ধুরা।’’

    প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন ভিডিওতে ব্যাপক সাড়া

    প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রকাশের মাত্র আট মিনিটের মধ্যে ভিডিওটি ২৫ লক্ষেরও বেশি ভিউ পায়। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামে ২০ মিনিটের মধ্যেই ১০ লক্ষের বেশি লাইক পড়ে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে এবং কঠোর শাস্তির বিধান আনতে একটি খসড়া আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আলোচনা করবে।

    আগের রাতের ভিডিওতে কী বার্তা দিয়েছিলেন?

    প্রায় তিন মিনিটের ওই ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘’’চলতি সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনেই প্রস্তাবিত বিলটি দ্রুত পাস করানোর জন্য সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। সেই ভিডিও প্রকাশের পর রাতারাতি ইনস্টাগ্রামে প্রায় ১০ লক্ষ নতুন অনুসারীও যুক্ত হয়েছে তাঁর অ্যাকাউন্টে। প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এটি কোনও ছোটখাটো বিষয় নয়। লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকদের এটি গভীরভাবে কষ্ট দিয়েছে।’’ তিনি স্পষ্ট জানান, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনায় আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল যাতে কোনও ছাত্রছাত্রীর একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়।’’

    মন্ত্রীদের ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সামাজিক মাধ্যমের গুরুত্ব নিয়ে বিশেষ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, তিনি মন্ত্রীদের উদ্দেশে জানতে চান, তাঁদের মধ্যে কতজন নিয়মিত ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ এখন ইনস্টাগ্রামে সময় কাটান। তাই সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, সিদ্ধান্ত ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির তথ্য তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে মন্ত্রীদের আরও বেশি সক্রিয়ভাবে এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা উচিত।’’ সরকারের সঙ্গে যুবসমাজের যোগাযোগ আরও জোরদার করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে বৈঠকে তিনি উল্লেখ করেন।

  • Toyota Kirloskar: দূষিত জ্বালানির কারণেই সমস্যা হয়েছিল গাড়িতে, মালিকের অভিযোগ নস্যাৎ করে জানিয়ে দিল টোয়োটা কির্লোস্কার মোটর

    Toyota Kirloskar: দূষিত জ্বালানির কারণেই সমস্যা হয়েছিল গাড়িতে, মালিকের অভিযোগ নস্যাৎ করে জানিয়ে দিল টোয়োটা কির্লোস্কার মোটর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহারের কারণে গাড়িতে সমস্যা হয়েছে। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছিলেন এক টয়োটা হাইক্রস গাড়ির মালিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেটি ব্যাপক ভাইরাল হয়। তার পরেই নড়েচড়ে বসেন টোয়োটা কির্লোস্কার (Toyota Kirloskar) মোটর কর্তৃপক্ষ। শনিবার তাঁরা জানিয়ে দেন, ওই অভিযোগ মোটেই ঠিক নয়। সংস্থার দাবি, সমস্যার মূল কারণ ছিল দূষিত জ্বালানি (Contaminated Petrol), ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নয়।

    টোয়োটা কির্লোস্কার মোটরের অভিযোগ (Toyota Kirloskar)

    সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টয়োটা হাইক্রস এমনভাবে তৈরি, পরীক্ষা এবং অনুমোদিত হয়েছে যাতে ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। এই বিষয়ে সংস্থা বলেছে, “গাড়িটির বিস্তারিত কারিগরি পরীক্ষা করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে সমস্যার কারণ ছিল দূষিত জ্বালানি। আমাদের পরীক্ষায় গাড়ির কোনও যন্ত্রাংশ বা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কোনও ক্ষতির খোঁজ মেলেনি।” টোয়োটা আরও জানিয়েছে, নিয়মিত পরিষেবা পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রথমে গাড়ির জ্বালানির ট্যাঙ্ক এবং জ্বালানি বহনের নল সম্পূর্ণ খালি করে পরিষ্কার করা হয়। এরপর নির্ধারিত মানের ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ভরে গাড়িটি ফের পরীক্ষা করা হয়। সংস্থার দাবি, পরীক্ষায় গাড়িটি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে বলে নিশ্চিত হওয়ার পর সেটি মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে (Toyota Kirloskar)।

    গাড়ি খারাপের কারণ ভেজাল জ্বালানি

    ওই গাড়ির মালিকের অভিযোগ প্রসঙ্গে সংস্থা সাফ স্পষ্ট জানিয়েছে, “এই ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে দূষিত ও নিম্নমানের জ্বালানির কারণে ঘটেছে। এর সঙ্গে ইথানল মিশ্রিত পেট্রলের কোনও সম্পর্ক নেই।” গাড়ি চালকদের উদ্দেশে টয়োটা কির্লোস্কার মোটরের পরামর্শ, জ্বালানিতে ভেজাল বা দূষণের ঝুঁকি কমাতে শুধুমাত্র অনুমোদিত ও বিশ্বস্ত জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা উচিত। এর পাশাপাশি, এই ধরনের বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের পরিবর্তে সরকারি বা সংস্থার বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা তথ্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে সংস্থার অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র বা গ্রাহক সহায়তা (Contaminated Petrol) পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে টয়োটা কির্লোস্কার মোটরের তরফে (Toyota Kirloskar)।

     

  • Suvedu Adhikari: সমাজমাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ জুড়ে নিলেন শুভেন্দু, এখনও ‘প্রাক্তন’ লিখলেন না মমতা! বদলে কী করলেন?

    Suvedu Adhikari: সমাজমাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ জুড়ে নিলেন শুভেন্দু, এখনও ‘প্রাক্তন’ লিখলেন না মমতা! বদলে কী করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজমাধ্যমে শনিবার নিজের পরিচয় বদলালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvedu Adhikari)। নামের সঙ্গে জুড়লেন ‘মুখ্যমন্ত্রী’ পরিচয়। তবে ভাঙলেন কিন্তু মচকালেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ বা এক্স হ্যান্ডলে নিজের নামের পাশে এতদিন ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী’ লেখেননি মমতা। শুধু উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ। আজ থেকে সমাজমাধ্যমে মমতার নতুন পরিচয়— ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (পঞ্চদশ, ষোড়শ এবং সপ্তদশ বিধানসভা)’।

    সমাজমাধ্যমে পরিচয় বদল

    অন্য দিকে, শনিবার শপথ নেওয়ার পরে শুভেন্দুর সমাজমাধ্যম-পরিচয় হয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’। গত ৪ মে বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের পরাজয়ের পরেও প্রথা মেনে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা। সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী ৭ মে পর্যন্ত তাঁর সরকারের মেয়াদ ছিল। সেই রাতে পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেন রাজ্যপাল আরএন রবি। অর্থাৎ, বিধানসভার অস্তিত্বও আর নেই। কিন্তু সমাজমাধ্যমে তিনি নিজের পরিচয় পরিবর্তন করেননি। শনিবার সকাল পর্যন্ত সেখানে নিজেকে ‘পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী’ বলে পরিচিত করছেন তিনি। তাঁর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ বা এক্স হ্যান্ডল খুললেই সেই পরিচয় দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু বেলা গড়াতেই তা বদলে গেল। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বলছে ২৯৪ (ভোট হয়েছে ২৯৩ আসনে) আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন বিজেপি জিতে নিয়েছে। শাসকদল তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে শুভেন্দুর কাছে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা।

    কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়াতে পরিবর্তন

    কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়াতেও বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটানো হল। ‘আনফলো’ করা হয়েছে সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। অন্যদিকে ‘ফলো’র তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের এক্স অ্যাকাউন্ট। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অফিস অর্থাৎ পিএমও এবং অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককেও সংযুক্ত করা হয়েছে ‘ফলো’র তালিকায়। আগে থেকেই কলকাতা পুলিশের এক্স হ্যান্ডেলে ফলো’র তালিকায় ছিলেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল এবার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তাই শুধু নয়, তিনি নিজেও ভবানীপুরে হেরে গিয়েছেন। ফলে এই মুহূর্তে তিনি লোকসভা এবং বিধানসভার সদস্য নন। তার বিরোধী দলনেতা হওয়ারও কোনও সুযোগ নেই। তিনি এখন শুধুই তৃণমূলের চেয়ারপারসন।

    কেন ফলো করা হতো না প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে

    বলাই বাহুল্য কলকাতা পুলিশের এই সিদ্ধান্তের পেছনে নির্বাচনী ফলাফল একটি কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক আছে। কোনও কোনও মহলের বক্তব্য, সরকারি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে পুলিশের কাজের স্বার্থেই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে ফলোর তালিকায় রাজনৈতিক প্রশাসনিক এবং সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম ফলো’র তালিকায় থাকা বাঞ্ছনীয়। সেই কারণেই প্রশ্ন উঠেছে এতদিন কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের ফলো’র তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, পিএমও, হোম মিনিস্ট্রি সহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও মন্ত্রকের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল কেন ফলো করা হতো না?

  • Indian Army: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে শিথিলতা আনল ভারতীয় সেনা, তবে অব্যাহত রইল কড়া শর্ত

    Indian Army: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে শিথিলতা আনল ভারতীয় সেনা, তবে অব্যাহত রইল কড়া শর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনা (Indian Army) তাদের সোশ্যাল মিডিয়া নীতিতে কিছুটা শিথিলতা এনেছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন সেনা জওয়ান ও অফিসাররা ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম শুধুমাত্র দেখার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। তবে কোনও পোস্ট করা, লাইক দেওয়া বা মন্তব্য করার অনুমতি নেই। আগের সব নিরাপত্তা সংক্রান্ত কঠোর নিয়মই বহাল থাকবে। এই নির্দেশিকা সেনার সব ইউনিট ও বিভাগে পাঠানো হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য—জওয়ানদের অনলাইনে সচেতন রাখা, প্রয়োজনীয় তথ্য নজরে আনা এবং ভুয়ো বা বিভ্রান্তিকর তথ্য চিহ্নিত করা। এমন তথ্য ধরা পড়লে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন সেনা সদস্যরা।

    কোন অ্যাপে কী নিয়ম

    দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তার স্বার্থে ভারতীয় সেনা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য আলাদা গাইডলাইন জারি করে আসছে। অতীতে বিদেশি গোয়েন্দাদের ‘হানি ট্র্যাপ’-এ পড়ে সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের ঘটনাও ঘটেছে। সাধারণ তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যাল, স্কাইপ-এ। তবে কেবল পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গেই যোগাযোগ করা যাবে। প্রাপকের পরিচয় নিশ্চিত করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ব্যবহারকারীর। ইউটিউব, এক্স, কোরা, ইনস্টাগ্রাম-এ কেবল তথ্য ও জ্ঞান অর্জনের জন্য ‘প্যাসিভ অংশগ্রহণ’ অনুমোদিত। কোনও ভিডিও, পোস্ট বা ব্যবহারকারী-তৈরি কনটেন্ট আপলোড করা নিষিদ্ধ। লিঙ্কডইন-এ শুধু চাকরি সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য এবং জীবনবৃত্তান্ত আপলোডের অনুমতি রয়েছে।

    সেনাপ্রধানের বার্তা

    সম্প্রতি চাণক্য ডিফেন্স ডায়ালগে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী সমাজমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। তরুণ জেন জি রিক্রুটদের মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে সেখানে। জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “রিঅ্যাক্ট করা আর রেসপন্ড করার মধ্যে পার্থক্য আছে।” রিঅ্যাক্ট মানে না ভেবে তৎক্ষণাৎ জবাব দেওয়া, আর রেসপন্ড মানে বিশ্লেষণ করে, পরিকল্পনা করে উত্তর দেওয়া। তাই সেনার নির্দেশ—এক্স বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম দেখুন, কিন্তু এখনই উত্তর দেবেন না; সেটা অবসরের পরের জন্য তুলে রাখুন। এতে শত্রুপক্ষের কাছেও স্পষ্ট বার্তা যায় যে ভারতীয় সেনা কখনও হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয় না।

    অতীত থেকে বর্তমান

    ২০১৭ সালে তৎকালীন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ ভামরে সংসদে জানিয়েছিলেন, এই নিয়মগুলির উদ্দেশ্য তথ্যের অপব্যবহার রোধ করা। ২০১৯ পর্যন্ত, সেনা সদস্যদের কোনও সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে যোগ দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। ২০২০ সালে, অপব্যবহারের ঘটনার পর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামসহ ৮৯টি অ্যাপ ডিলিট করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে কঠোর নজরদারির মধ্যে কিছু প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের অনুমতি মেলে—ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স, লিঙ্কডইন, কোরা, টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন আপডেটে সেনা সদস্যরা খবর পড়া, চাকরির খোঁজ বা রেজিউমে আপলোড করতে পারবেন, তবে প্রতিটি নিরাপত্তা নিয়ম অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে।

    অপারেশন সিঁদুরের উদাহরণ

    অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন সেনার অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলই ছিল নির্ভরযোগ্য তথ্যের একমাত্র উৎস। পাকিস্তানের একাধিক এক্স অ্যাকাউন্ট আগেই বাহাওয়ালপুর ও কোটলিতে অভিযান নিয়ে গুজব ছড়ালেও, ভারতীয় সেনা রাত ১টা ৫১ মিনিটে যাচাই করা তথ্য প্রকাশ করে পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দেয়। এই নতুন নীতিতে একদিকে যেমন ডিজিটাল সচেতনতা বাড়বে, তেমনই জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে সেনার কঠোর অবস্থানও অটুট থাকছে।

LinkedIn
Share