Tag: sonarpur

sonarpur

  • South 24 Parganas: দলের নেতাদের ‘সঙ্গ’ দিতে অস্বীকার করায় ঘরবন্দি তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলার!

    South 24 Parganas: দলের নেতাদের ‘সঙ্গ’ দিতে অস্বীকার করায় ঘরবন্দি তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সোনারপুরে তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্য এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে ঘরবন্দি ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলার পাপিয়া হালদার। দলের এক অংশের নেতারা এলাকায় ব্যাপক তোলাবাজি করছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। সেই সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা প্রতীক দে’র বিয়ের প্রস্তাব অস্বীকার করায় মারধর, হেনস্থার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তুলে বিস্ফোরক হন এই কাউন্সিলার। এমনকি বাড়ির বাইরে বের হলে কটূক্তি এবং অশ্রাব্য গালিগালাজ শুনতে হয় তাঁকে। অবশেষে থানায় পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য, তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের কাছে খোদ তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলারই সুরক্ষিত নন। ঘটনায় তৃণমূল দলের মধ্যেই তীব্র বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়েছে। 

    ঠিক কী অভিযোগ করলেন কাউন্সিলার (South 24 Parganas)?

    সোনারপুরের (South 24 Parganas) তৃণমূল কাউন্সিলার পাপিয়া হালদার অভিযোগ করে বলেন, “আমাকে যে কারণে মানুষ নির্বাচিত করেছেন সেই কাজ আমি করতে পারছি না। এমনকি আমি ঘর থেকে এলাকায় বাইরে বের হতে পারছি না। আমাকে ঘরবন্দি করে রেখেছে দলের কিছু দুষ্কৃতী। আমাকে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গ দিতে হবে বলে চাপ দেওয়া হচ্ছে। বলা হয় তাদের সকল চাহিদা পূরণ করতে হবে আমাকে। আর যদি আমি তা না করি, তা হলে বাড়ির বাইরে বের হলে মারধর করা হবে আমাকে। এমনকি আমার সমস্ত অফিস তালা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমি আমার এক অফিসে গেলে আমার সামনেই অফিসে তালা মেরে অফিস থেকে বের করে দেয় আমাকে। সাধারণ মানুষের জন্য এলাকায় আমি কোনও কাজ করতে পারছি না। অত্যন্ত ভয়ে রয়েছি। ”

    মূল অভিযুক্ত কে?

    সোনারপুরের (South 24 Parganas) তৃণমূল কাউন্সিলার পাপিয়া হালদার এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসাবে প্রতীককুমার দে নামক যুব তৃণমূল নেতার কথা বলেন। এই তৃণমূল নেতা এলাকার প্রভাবশালী। তিনি আগে এই ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর ছিলেন। পাপিয়া হালদার আরও বলেন, “আমার বাড়ির সামনে এসে রাতের বেলায় আমাকে এবং পরিবারকে হুমকি দেয়। মাদকাসক্ত হয়ে বাড়ির সামনে অশ্লীল মন্তব্য করে। আমি মানসিক ভাবে খুব বিপর্যস্ত। পুলিশের কাছে এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি। সেই সঙ্গে দলকে পাশে থাকার কথা বলেছি।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    অপরদিকে অভিযোগের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে সোনারপুরের (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা প্রতীককুমার দে বলেন, “দল তদন্ত করলে সমস্ত অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হবে। দলের যা সিদ্ধান্ত আমি মাথা পেতে নেবো। আমি যে কোনও রকম তদন্তের জন্য প্রস্তুত।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sonarpur: সোনারপুরের সমবায়ে ১০ কোটি টাকার দুর্নীতি, ইডি- সিবিআই চেয়ে আন্দোলনে গ্রাহকরা

    Sonarpur: সোনারপুরের সমবায়ে ১০ কোটি টাকার দুর্নীতি, ইডি- সিবিআই চেয়ে আন্দোলনে গ্রাহকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে (Sonarpur) ১০ কোটির সমবায় দুর্নীতির অভিযোগ, পাওয়া যাচ্ছে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাও। আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পাশাপাশি, ইডি-সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ারে একটি সমবায় সমিতিতে ৫০ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছিল। সেই দুর্নীতির তদন্তে ইতিমধ্যেই ইডি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কোর্ট। সোনারপুরের সমবায়ে উঠল একই দাবি।

    কী বললেন প্রতারিত গ্রাহকরা? (Sonarpur)

    সোনারপুরে (Sonarpur) সমবায় দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। সোনারপুরের লাঙলবেড়িয়া অঞ্চল সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডে ১০ কোটি টাকা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। কামালগাজি-বারুইপুর বাইপাস অবরোধ করে বিক্ষোভ চলে। সমবায় সমিতির গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েও কাজ হয়নি। আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পাশাপাশি, ইডি-সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগ, লাঙলবেড়িয়া অঞ্চল সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডে টাকার হিসেব না মেলায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে গন্ডগোলের বিষয়টি নজরে আসে। এর ফলে গত ৬ মাস ধরে গ্রাহকরা টাকা পাচ্ছেন না। এমনকী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাও মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সমবায় দফতর, বিডিও, এসপি বারুইপুর, স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ককে জানিয়েও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। তাঁদের আরও অভিযোগ, ‘অডিট’ করার নামে প্রহসন চলছে এখানে। সমবায়ের যিনি স্পেশাল অফিসার ছিলেন, সেই সৌগত চক্রবর্তীকে বদলি করা হয়েছে। তিনিই এই ‘ষড়যন্ত্রের মূলচক্রী’ বলে অভিযোগ করছেন বিক্ষোভকারীরা। প্রথমে গ্রাহকরা সমবায় অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান। পরে বারুইপুর কামালগাজি বাইপাস রোড অবরোধ করেন। এই ‘দুর্নীতির তদন্তে’ তাঁরা সিবিআই এবং ইডি তদন্তের দাবি করেছেন। এমনই এক গ্রাহকের কথায়, এটা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্র। গ্রাহকদের অভিযোগ, গত ছ’মাস ধরে ব্যাঙ্কের মোট ৬,৩১৯ জন গ্রাহক তাঁদের জমানো টাকা পাচ্ছেন না। শনিবার লাঙলবেড়িয়ায় এই বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বারুইপুর এবং সোনারপুর (Sonarpur) থানার পুলিশ। পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ উঠে যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা।” রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোনারপুর উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম ও লাভলী মৈত্র সহ একাধিক তৃণমূল নেতানেত্রীর নাম করে তিনি বলেন, “সব দলই ঝান্ডা তুলবে, মানুষ যাকে গ্রহণ করবে সে ক্ষমতায় থাকবে। আপনারা কত বড় মস্তান? আপনাদের থেকে অনেক বড় মস্তান কেষ্ট এখন তিহার জেলে রয়েছে। আপনারা থাকবেন, অন্য কেউ থাকবে না, তা চলতে পারে না। অন্যায়, দুর্নীতি, চুরির প্রতিবাদ হবে না, এটা হতে পারে না। এ জিনিস চলতে দেওয়া যাবে না, জেনে রাখুন মমতা। বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা।”

    সোনারপুর উত্তর কেন্দ্রের বিধায়কের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    রাজ্য সরকারের দুর্নীতি ও অপশাসন নিয়ে সোনারপুরে একটি প্রতিবাদ মিছিল করেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। পরে, প্রতিবাদ সভা থেকে তিনি বলেন, “২০০৯ সালে সোনারপুর উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ লক্ষ ২২ হাজার ৫৫৮ টাকা। ২০১১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের হলফনামায় তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৭১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮০০ টাকা। ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ফিরদৌসী বেগমের সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হয় ১ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭৬০ টাকা। ২০২১ সালে সেই সম্পত্তির পরিমাণ এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়ায় ৬ কোটি ৬৬ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। রকেটের থেকেও বেশি গতিতে বেড়েই চলেছে বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ। এর থেকেই প্রমাণিত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি দুর্নীতি করে হয়েছে। এই চোরেদের উৎখাত করতে হবে।”

    শাসক দলের সঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএমের যোগ নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যের অন্য দুই দল কংগ্রেস ও সিপিএমের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “শাসক দলের সঙ্গে সেটিং রয়েছে দুই দলের। ২০১১ সালে বিরোধী দলনেতা ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র। তখনও বিরোধিতার কোনও ছবি ধরা পড়েনি। ২০১৬ সালে বিরোধী দলনেতা হন আব্দুল মান্নান। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তাঁরাও কোনও আন্দোলন করেননি। বর্তমানে বিরোধী দল বিজেপি। দুর্নীতি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি বার বার সোচ্চার হয়েছে। তাই আগামী দিনে এই পশ্চিমবঙ্গকে রক্ষা করতে বিজেপিকে ক্ষমতায় আসতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share