Tag: Special Intensive Revision (SIR)

  • Assam Election Commission: অসমে বিশেষ সংশোধনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    Assam Election Commission: অসমে বিশেষ সংশোধনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি অসমে বিশেষ সংশোধন (SR) ২০২৬-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই তালিকায় রাজ্যের ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রই অন্তর্ভুক্ত। সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে অসমে মোট ২ কোটি ৪৯ লাখ ৫৮ হাজার ১৩৯ জন ভোটার রয়েছেন।

    চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে (Assam Election Commission)

    নির্বাচন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খসড়া ভোটার তালিকার তুলনায় চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৮৫ জন। খসড়া তালিকায় যেখানে মোট ভোটার ছিল ২ কোটি ৫২ লাখ ১ হাজার ৬২৪ জন, সেখানে ঝাড়াই-বাছাই শেষে এই সংখ্যা কমেছে। অসমের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Chief Electoral Officer) জানান, সংশোধন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত দাবি ও আপত্তিগুলির নিষ্পত্তি এবং বিস্তারিত যাচাইয়ের পরই এই চূড়ান্ত পরিসংখ্যান নির্ধারিত হয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকার লিঙ্গভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভোটারদের মধ্যে প্রায় সমতা বজায় রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ২৪ লাখ ৮২ হাজার ২১৩ জন এবং মহিলা ভোটার ১ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৮৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৩৪৩।

    খসড়া ভোটার তালিকা

    বিশেষ সংশোধন ২০২৬-এর জন্য সমন্বিত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫। তার আগে, ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত অসমজুড়ে ব্যাপক বাড়ি-বাড়ি যাচাই অভিযান (house-to-house verification) চালানো হয়। এই সময় বুথ লেভেল অফিসাররা (BLOs) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য যাচাই করেন এবং সংশোধন ও সংযোজনের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করেন।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর, নাগরিকদের ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়। নির্বাচন আধিকারিকরা জানান, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে সমস্ত আবেদন সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হয়েছে। এদিকে, নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার সময়সূচিতেও পরিবর্তন এনেছে। সেখানে ভোটার তালিকার চূড়ান্ত প্রকাশের তারিখ বাড়িয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ করা হয়েছে। বৃহৎ পরিসরে তথ্য সংগ্রহ এবং ভোটকেন্দ্রগুলির যথাযথ যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আবার নাগরিকদের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। কমিশনের মতে, নির্ভুল ও আপডেটেড ভোটার তালিকা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।

     

LinkedIn
Share