Tag: Special Intensive Revision

  • Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে।’ সাফ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারের (CEO) বিরুদ্ধে পুলিশে দায়ের করা অভিযোগগুলির তীব্র নিন্দাও করেছে কমিশন (Intimidatory Tactics)। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই ধরনের পুলিশি অভিযোগ প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে কোনও রকম ভয় বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করা হবে না।

    কমিশনের সাফ কথা (Intimidatory Tactics)

    কমিশনের বক্তব্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্তম্ভ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, এবং সেই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের যে কোনও প্রচেষ্টার মোকাবিলা করা হবে কঠোরভাবে।নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, এই ধরনের ভীতি প্রদর্শনের কৌশল শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবেই এবং সংবিধান অনুযায়ী কমিশন তার দায়িত্ব পালন করে যাবে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন (Intimidatory Tactics) কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুলিশি অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কমিশনের মতে, এই অভিযোগগুলি ‘পরিকল্পিত, ভিত্তিহীন এবং ভীতিপ্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা’।

    অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একাধিক সরকারি পোস্টে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা এমন সংবাদ প্রতিবেদন লক্ষ্য করেছে যেখানে বলা হয়েছে (Election Commission), ২০২৬ সালের জন্য যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তাকে কেন্দ্র করে দুই শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিকের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযোগ (Intimidatory Tactics) দায়ের হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ২০২৬ সালের এসআইআর সংক্রান্ত আইনগত দায়িত্ব পালনকারী আধিকারিকদের ভয় দেখিয়ে দমন করার এক স্থূল প্রচেষ্টা।” কমিশনের সাফ কথা, “নির্বাচনী যন্ত্রকে ভয় দেখিয়ে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা এবং সংবিধানস্বীকৃত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিপথে চালিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই (Election Commission) ধরনের ভীতিপ্রদর্শনমূলক কৌশল নিঃসন্দেহে ব্যর্থ হতে বাধ্য (Intimidatory Tactics)।”

    নিরপেক্ষতা রক্ষার অঙ্গীকার

    কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনী আধিকারিকরা সংবিধান অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে যে এসআইআর প্রক্রিয়াটি চলছে, তা সম্পূর্ণভাবে আইন ও প্রতিষ্ঠিত বিধি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। কমিশনের ইঙ্গিত, তারা এই অভিযোগগুলিকে বিচ্ছিন্ন বা ব্যক্তিগত অভিযোগ হিসেবে দেখছে না, বরং এগুলিকে একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। কোন পরিস্থিতিতে এই অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের কড়া বার্তা, “এই ধারাবাহিক ও মনগড়া অভিযোগগুলির নেপথ্যে থাকা ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটনে চেষ্টার কসুর করা হবে না। শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে আইনের শাসন এবং সত্যই (Intimidatory Tactics)।” নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় তাদের অঙ্গীকারের কথাও জানিয়ে দিয়েছে আরও একবার (Election Commission)।

    জনস্বার্থেই কাজ

    রাজ্যে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের দৃঢ় সংকল্পের কথা তুলে ধরে কমিশন জানিয়েছে, বাহ্যিক চাপ বা ভয়ভীতির মুখেও পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থা দৃঢ়তা ও নৈতিকতার সঙ্গে, সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে কাজ করে যাবে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রবীণ ভোটারের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার ওই দুই প্রবীণ ভোটার শুনানির নোটিশ পাওয়ার পরের মারা যান। এই নোটিশগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর নিয়ে বিতর্ক

    পুরুলিয়া জেলার বছর বিরাশির দুর্জন মাঝির ছেলের অভিযোগ, তাঁর বাবার নাম ২০০২ সালের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের সময় প্রস্তুত করা কাগজে থাকা ভোটার তালিকায় থাকলেও, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা সংশ্লিষ্ট তালিকায় সেই নাম নেই। অভিযোগ, এই অসঙ্গতির কারণেই ওই প্রবীণ ভোটারকে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয় (Election Commission)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত শুনানির সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই ওই প্রবীণ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেন। অভিযোগকারীরা এই ঘটনার জন্য সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-কে দায়ী করেছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগ

    ভোটার তালিকার ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ২৭ ডিসেম্বর জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তির কথা উল্লেখ করেছে। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালের এসআইআরের ভোটার তালিকায় প্রায় ১.৩ লাখ ভোটারের নাম রয়েছে, কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে যাঁদের নাম অনলাইন ডেটাবেসে প্রতিফলিত হয়নি, তাঁদের কোনও শুনানিতে হাজির হতে হবে না (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের মতে, পুরানো ভোটার তালিকার ডিজিটাল রূপান্তরের সময় সৃষ্ট প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যাতে কোনও ভোটার হয়রানি বা অযথা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য

    কমিশনের আধিকারিকরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকার নির্ভুলতা বাড়ানো, যার মধ্যে রয়েছে দ্বৈত নাম বাদ দেওয়া, ভুল সংশোধন করা এবং যোগ্য ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা। প্রকৃত বা বৈধ ভোটারদের বাদ দেওয়া বা ভয় দেখানো এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য নয়। উল্লেখ্য, এসআইআর একটি সংবেদনশীল প্রক্রিয়া, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত রাজ্যগুলিতে, যেখানে নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়মিত কড়া নজরদারির মধ্যে থাকে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশন একাধিকবার জানিয়েছে যে, এসআইআর ২০২৬ সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং আইনি বিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে এই প্রক্রিয়ায় একাধিক সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও দাবি কমিশনের (Intimidatory Tactics)।

  • SIR In Bengal: রাজ্যে ৮৫ লক্ষের বাবার নামে গলদ! দেড় কোটিরও বেশি ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে নামছে কমিশন

    SIR In Bengal: রাজ্যে ৮৫ লক্ষের বাবার নামে গলদ! দেড় কোটিরও বেশি ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে নামছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শেষ হয়েছে এনুমারেশন প্রক্রিয়া। এনুমারেশন ফর্মের তথ্য দেখে চোখ কপালে উঠেছে কমিশনের। কোথাও ভোটারের চেয়ে তাঁর বাবা বা মা মাত্র ১৫ বছরের বড়। কোথাও আবার ঠাকুরদা বা ঠাকুরমার চেয়ে ভোটার ৪০ বছরেরও ছোট নয়। মাঝে এক প্রজন্ম ব্যবধানের পরেও বয়সের ফারাক ৪০ বছরের কম। কোথাও ভোটারের সঙ্গে তাঁর বাবা-মায়ের বয়সের ফারাক ৫০ বছরেরও বেশি। আবার অনেক জায়গায় বদলে গিয়েছে বাবার নামই। দেখা গিয়েছে রাজ্যে ৮৫ লক্ষ ভোটারের বাবার নামে গলদ। সাড়ে ১৩ লক্ষ ভোটারের বাবা-মায়ের নাম এক।

    বাবার নামে গলদ

    কমিশন সূত্রে খবর, মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ ৪৫ হাজার ৯১১ ভোটারের তথ্যে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। ওই তথ্যগুলি যাচাই করে দেখা হবে। যেমন, বহু ক্ষেত্রে ৬ জনেরও বেশি ভোটার এনুমারেশন ফর্মে বাবার নাম একই উল্লেখ করেছেন। এমন ২৪ লক্ষ ২১ হাজারেরও বেশি ভোটারকে চিহ্নিত করেছে কমিশন। বর্তমান সমাজব্যবস্থার প্রেক্ষিতে এনুমারেশন ফর্মের তথ্যগুলি সন্দেহজনক ঠেকছে কমিশনের। ১৫ বছরের কম বয়সে বাবা হয়েছেন, এরকম সংখ্যা ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার। ৪০ বছরেরও কম বয়সে ঠাকুরদা হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার। বিস্তারিত যদি তথ্যগুলো যাচাই করা হয়, তাহলে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যে সাড়ে ১৩ লক্ষ ভোটারের ক্ষেত্রে একই ব্যক্তির নাম বাবা – মা হিসেবে এসেছে। অর্থাৎ পরিবারে একজনের ক্ষেত্রে বাবার নাম যা ওই পরিবারে, আরেকজনের ক্ষেত্রে বাবার নাম মায়ের জায়গায় এসেছে। এরা প্রত্যেকেই বৈধ ভোটার কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে সূত্রের খবর।

    ২০০২ সালের তালিকায় নাম নেই কেন

    কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে এমন বহু ভোটার রয়েছেন যাঁদের বয়স ৪৫ বছরের বেশি, অথচ ২০০২ সালের তালিকায় তাঁদের নাম ছিল না। এমনও ২০ লক্ষ ৭৪ হাজার ভোটারকে চিহ্নিত করেছে কমিশন। এই ভোটারদের বয়স এখন যদি ৪৫ বছরও হয়, তা-ও ২০০২ সালে তাঁদের বয়স হওয়ার কথা অন্তত ২২ বছর। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নাম কেন ওই সময়ের ভোটার তালিকায় ছিল না, তা খতিয়ে দেখতে চায় কমিশন। যদিও কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, নামের বানান ভুল থাকলে সেগুলিকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে যে সব ফর্মে উল্লেখ্যযোগ্য বদল দেখা যাচ্ছে, সেগুলিকেই মূলত যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেমন পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের এক বুথে কোনও এক ভোটারের বাবার নাম ২০০২ সালের তালিকায় ছিল নিরঞ্জন। এখন তা বদলে হয়ে গিয়েছে নিরাপদ। এই ধরনের বদলগুলিকেই বেশি করে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    লিঙ্গের তথ্যেও অমিল

    ১৩ লক্ষেরও বেশি ভোটারের লিঙ্গের তথ্যেও অমিল ধরা পড়েছে এনুমারেশন ফর্মে। সব মিলিয়ে মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ ৪৫ হাজার ৯১১ ভোটারের তথ্য যাচাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কমিশন নিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিক (বিএলও)-এরা এই তথ্য যাচাই করার জন্য পুনরায় সন্দেহের তালিকায় থাকা এই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাবেন। সূত্রের খবর, বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাইয়ের পরেও কোনও সন্দেহের অবকাশ থাকলে ওই ভোটারদের কমিশনের শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে রোল অবজারভারদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সরব বিরোধীরা

    এই তথ্য সামনে আসার পরই স্বাভাবিকভাবে সরব বিরোধীরা। বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “পুরোটাই আসলে ভেজাল। ভোটে জেতার জন্য বিভিন্ন সময়ে বামেরা, তারপর তৃণমূল সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করেছেন। আসল ভোটারদের ভোট দিতে দেননি। ১৫ বছরে যারা বাবা হয়েছে, তারাই আসলে ভূতুড়ে ভোটার হয়ে এইসব লোকদের জিতিয়ে এসেছে।” কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যে ৯৯.৯৬ শতাংশ ভোটারের এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় দেখা গেছে, রাজ্যে অনুপস্থিত, মৃত, স্থানান্তরিত বা একাধিক স্থানে তালিকাভুক্ত ভোটারের সংখ্যা ৫৮ লক্ষের বেশি। আপাতত এসব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তথ্য যাচাই শেষ হওয়ার পর ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে, ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নির্ভুল রাখার জন্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন ও এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত সকল তথ্য খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

  • Suvendu Adhikari: দিল্লিতে শাহী বৈঠকে শুভেন্দু, কমিশনের দফতরেও গেলেন বিরোধী দলনেতা

    Suvendu Adhikari: দিল্লিতে শাহী বৈঠকে শুভেন্দু, কমিশনের দফতরেও গেলেন বিরোধী দলনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই বুধবার দিল্লি গেলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দেখা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে। শাহের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি, এদিন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও (Election Commission) যান শুভেন্দু। দেখা করেন নির্বাচন কমিশনার বিবেক জোশীর সঙ্গে।

    অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাত

    বুধবার দিল্লি গিয়েছিলেন শুভেন্দু। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। সংসদে অমিত শাহের অফিসে তাঁদের বৈঠক হয়। মিনিট ২৫ কথা হয়। তবে কী কথা হয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি শুভেন্দু। সূত্রের খবর, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে শাহের সঙ্গে কথা হয়েছে শুভেন্দুর।

    নির্বাচন কমিশনের দফতরে শুভেন্দু

    সেইসঙ্গে দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান শুভেন্দু। দেখা করেন নির্বাচন কমিশনার বিবেক জোশীর সঙ্গে। জানা গিয়েছে, কমিশনে একাধিক অভিযোগ জানান তিনি। দলের নির্দেশে তিনি নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন বলে বিরোধী দলনেতা জানান। নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, “২৬, ২৭ ও ২৮ নভেম্বর বিএলও-দের কাছ থেকে ওটিপি নিয়ে যেভাবে ১ কোটি ২৫ লক্ষ নাম ডিজিটাইজড করা হয়েছে, সেটা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক গতিবিধি। অনেক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর বাবার নাম, মায়ের নাম পাল্টে দিয়ে এটা করা হয়েছে। একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এটা দেখবেন।”

    কমিশনকে চিঠিতে শুভেন্দুর দাবি

    এসআইআর এর প্রথম দফার কাজকর্মে বাংলায় বুথ লেবেল অফিসারদের নানাভাবে তৃণমূল ম্যানেজ করেছে বলে বিজেপির অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে এসআইআর (SIR) এর দ্বিতীয় দফা প্রক্রিয়া শুরুর আগে কমিশনকে মঙ্গলবার চিঠি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী । মঙ্গলবার পাঠানো চিঠিতে কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করে শুভেন্দু সতর্ক করেছেন, “এই পর্যায়ে কোনও আপস হলে চিরস্থায়ী ক্ষতি হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সততায়।” চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর দ্বিতীয় ধাপ পুরো প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারণ, এই ধাপেই দাবি-আপত্তি, নথি জমা ও খতিয়ে দেখার কাজ হয়। সেই কাজেই নাকি ‘অতিমাত্রায় অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব’ খাটানো হচ্ছে বলে “নির্ভরযোগ্য ও ধারাবাহিক রিপোর্ট” পাচ্ছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই অভিযোগগুলির কারণেই প্রশ্নের মুখে পড়ছে এসআইআর-এর নিরপেক্ষতা।

    মাইক্রো অবজার্ভারের তত্ত্বাবধানে স্ক্রুটিনি

    শুভেন্দুর দাবি, এসআইআর এর দ্বিতীয় ধাপকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরাপদ রাখতে নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে দু’টি ব্যবস্থা নিতে হবে। এক, পুরো প্রক্রিয়াই রাখতে হবে মাইক্রো অবজার্ভারের কঠোর তত্ত্বাবধানে। এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই মাইক্রো অবজার্ভারদের কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হওয়া জরুরি। দুই, দাবি-আপত্তি শুনানি ও যাচাইয়ের কাজ ১০০ শতাংশ সিসিটিভি–র আওতায় রাখতে হবে। এবং সেই সমস্ত ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে এসআইআর-এর শেষ দিন পর্যন্ত। তাঁর দাবি, এটা না হলে কারচুপি আটকানো অসম্ভব। চিঠিতে আরও লেখা আছে, ভোটার তালিকা দ্রুত ত্রুটি মুক্ত না হলে ভবিষ্যতের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই নির্বাচন কমিশনকে “অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও কঠোর নজরদারি” নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

  • SIR in Bengal: এনুমারেশন ফর্মে ভুল এন্ট্রি সংশোধনের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের

    SIR in Bengal: এনুমারেশন ফর্মে ভুল এন্ট্রি সংশোধনের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিরোধীদের দাবি মেনেই বিএলও অ্যাপে আনা হল বড় বদল। সোমবারই বদল আনা হয় অ্যাপে। এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) সংগ্রহ করার পর বিএলও-রা অ্যাপের মাধ্যমে এন্ট্রি করে থাকেন। সেই অ্যাপে এবার এল ‘এডিট‘ অপশন। বিএলও-রা একবার নাম এন্ট্রি করে ফেললে সেটি আর বদলানোর কোনও উপায় ছিল না এতদিন পর্যন্ত। এবার নির্বাচন কমিশন এমন ব্যবস্থা চালু করল যে ইআরও-রা ওই অ্যাপে এডিট করতে পারবে। অর্থাৎ বিএলও-দের কোনও ভুল হলে ইআরও-রা তা পরিবর্তন করতে পারবে।

    ভুল এন্ট্রি হয়ে থাকলে সংশোধন

    কমিশন সূত্রে খবর, ভোটারদের তথ্য এন্ট্রি করার ক্ষেত্রে কোনও ভুল হয়ে থাকলে এ বার তা সংশোধন করা যাবে। সোমবারই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করছে কমিশন (Election Commission)। জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর জন্য যে অতিরিক্ত সময় পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে এই ভ্রম সংশোধনের কাজ সেরে ফেলতে হবে। ভোটারদের তথ্য ডিজিটাইজ করার সময় ‘ভুল এন্ট্রি’ করা নিয়ে সম্প্রতি নানা জায়গা থেকে অভিযোগ উঠছিল। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কমিশনের কাছে বিএলও এবং ইআরও-দের বিরুদ্ধে ভুল এন্ট্রি করার অভিযোগ এনেছিলেন। কারও কারও দাবি, বিএলএ-দের চাপে পড়ে অনেক ক্ষেত্রে ভুল এন্ট্রি করতে বাধ্য হচ্ছিলেন বিএলও-রা। সেই আবহেই এই পদক্ষেপ করেছে কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজ ইতিমধ্যে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। তার পরেও অতিরিক্ত সময় পাওয়া গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কোথাও কোনও ভুল এন্ট্রি হয়ে থাকলে তা সংশোধন করতে পারবেন বিএলও-রা।

    বিরোধী দলনেতার অভিযোগকে মান্যতা

    উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী সোমবার সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ জানিয়েছেন, বিএলও-দের চাপ দিয়ে ওটিপি নিয়ে আইপ্যাকের লোকেরা অবৈধভাবে নাম ঢুকিয়ে দিচ্ছে। সোমবার শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপির প্রতিনিধিরা সিইও দফতরে হাজির হন। একাধিক দাবি জানিয়ে এদিন ডেপুটেশন দিয়েছেন তাঁরা। তারপরই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত। পর্যবেক্ষক আসার পর বিএলও অ্যাপে এই আমুল পরিবর্তন করা হল বলে জানা যাচ্ছে। কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এমনিতেও ভুল এন্ট্রি থাকলে শুনানিপর্বে সব তথ্য যাচাই করা হবে। কিন্তু এখন জানানো হচ্ছে, ভুল এন্ট্রি আগে থেকেই সংশোধন করে ফেলতে হবে।

  • SIR in Bengal: মৃত ২১ লক্ষ, নিখোঁজ ৫ লক্ষ, ভুয়ো…! বাংলায় এখনও পর্যন্ত বাদের খাতায় ৪৩ লক্ষের বেশি ভোটার

    SIR in Bengal: মৃত ২১ লক্ষ, নিখোঁজ ৫ লক্ষ, ভুয়ো…! বাংলায় এখনও পর্যন্ত বাদের খাতায় ৪৩ লক্ষের বেশি ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত ৪৩ লক্ষ ৩০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কমিশনের (Election Commission) দেওয়া তথ্য় অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট চারটি ক্ষেত্রে ভাগ করে প্রাথমিক পরিসং‌খ্যান জানানো হয়েছে। আপাতত খসড়া তালিকায় থাকছেন না এই ভোটাররা। এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং সংগ্রহের মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে এই ‘বাদের তালিকা’। যাতে রয়েছে মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ এবং ভুয়ো ভোটার।

    কাদের নাম বাদ যাচ্ছে তালিকায়

    কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২১ লক্ষ ৪৫ হাজার মৃত ভোটার চিহ্নিত হয়েছে। নিখোঁজ ভোটারের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার। স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যা সোমবার পর্যন্ত ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার। ৯৮ হাজার ৬০০ ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত হয়েছে। কমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, এর মধ্যে নিঁখোজ ভোটারের যে পরিসংখ্যান প্রাথমিক ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তার হেরফের হতে পারে। কারণ, নিখোঁজ হিসেবে যে ভোটারদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের কারও কারও খোঁজ মিললেও মিলতে পারে। কারণ, রবিবারই কমিশনের তরফে এসআইআর-এর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৪ ডিসেম্বরের বদলে ফর্ম বিলি ও সংগ্রেহর কাজ চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। যদিও সংখ্যার অদলবদল হলেও, তা খুবই নগণ্য হবে বলেই মনে করছেন কমিশনের কর্তারা।

    কোন জেলায় কীরকম কাজ

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি মৃত ভোটার চিহ্নিত হয়েছে উত্তর কলকাতা লোকসভা এলাকায়। আর সংখ্যার দিক থেকে তা সর্বাধিক উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। ফলে কমিশনের খাতায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারেই বলেই প্রাথমিক অনুমান সিইও দফতরের আধিকারিকদের। কিন্তু নির্দিষ্ট সংখ্যা কত, তা স্পষ্ট হবে ১৬ ডিসেম্বর। ওই দিনই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তাঁরা জানিয়েছে, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ‘আনকালেক্টেড ফর্ম’ অর্থাৎ বিএলও-র কাছে ভোটারের তরফ থেকে জমা না পড়া এনুমারেশন ফর্মের পরিসংখ্যান ৭ শতাংশ। এছাড়াও একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে ফর্ম ডিজিটাইজডের কাজ। এখনও পর্যন্ত এই ডিজিটাইজডের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বসিরহাট উত্তর। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে ডিজিটাইজড হয়েছে ৯৬.০৫ শতাংশ ফর্ম। আনকালেক্টেড ফর্মের নিরিখেও ‘সাফল্য‘ পেয়েছে এই বিধানসভা কেন্দ্র। মাত্র ৩.৩৭ শতাংশ ফর্ম এখনও ‘আনকালেক্টেড‘, যা গোটা রাজ্য়ের নিরিখে সবচেয়ে কম। আর সবচেয়ে বেশি ‘আনকালেক্টেড ফর্ম‘ রয়েছে ব্যারাকপুরে। মোট ১৫.৬২ শতাংশ।

  • SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহেই এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা দেওয়ার শেষ দিন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত ২৭ লক্ষ ৭১ হাজার ফর্ম আন কালেকটেড। এর মধ্যে মৃত ১৫ লক্ষ ৫৩ হাজার মৃত। খুঁজে পাওয়া যায়নি ২ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটারকে। স্থানান্তরিত হয়েছেন ৮ লক্ষ ৮৮ হাজার। ডুপ্লিকেট বা ডবল এন্ট্রি রয়েছে ৫৮ হাজার ১৬৪ ভোটারের নাম। তাঁদের নাম খসড়ায় আসবে না। তাঁদের আলাদা তালিকা বের করবে কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকার পর এটা প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করতে রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে কমিশন।

    আলাদা আলাদা করে প্রকাশিত হবে তালিকা

    কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, সবার নামই থাকবে খসড়া তালিকায়। কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বুথে তালিকা বেরোবে। মৃত বা অন্য কারণে বাদ পড়াদের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে। মৃত ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, কিন্তু বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিতে গিয়ে যখন বিএলও-রা দেখতে পাবেন, সেই ব্যক্তি মৃত, সেটা মার্ক করে ডিলিট করা যাবে। ২০২৫-এর তালিকায় নাম রয়েছে, অথচ নির্দিষ্ট ঠিকানায় বাড়ি গিয়ে তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল না, তাঁদের নাম বাদ যাবে। যাঁদের ‘ডবল এন্ট্রি’ রয়েছে, অর্থাৎ একই কেন্দ্রে বা আলাদা কেন্দ্রে নাম রয়েছে ভোটারের, সেই নাম বাদ যাবে।

    বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র

    একই সঙ্গে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, আরও বেশি সংখ্যক ভোট গ্রহণ কেন্দ্র তৈরির ক্ষেত্রে নতুন ভাবনা-চিন্তা শুরু করা হয়েছে। বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র। ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গোটা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বস্তি এলাকা, উঁচু বহুতল আসান, আর গেটেড কমপ্লেক্সে নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। আর পুরো কাজ করতে হবে কমিশনের নির্দেশ মেনেই। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে ইতিমধ্যেই সেই চিঠি এসেছে। সেই চিঠিতেই কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মধ্যে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি হলে সেই অনুযায়ী করতে হবে পদক্ষেপ। বাস্তবতা মাথা রেখেই বহুতল আবাসন, বস্তি, নতুন টাউনশিপের জন্য নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০ হাজারের সামান্য বেশি। এবার প্রায় আরও ১৪ হাজার বুথ বাড়তে চলেছে বলে খবর। সেই ক্ষেত্রের রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে বুথের সংখ্যা হতে পারে ৯৪ হাজারের বেশি।

    রোল অবজার্ভার নিয়োগ

    রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal) আরও স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করতে কমিশন পশ্চিমবঙ্গের জন্য একজন স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে। ১৯৯০ ব্যাচের রাজ্য ক্যাডারের আইএএস সুব্রত গুপ্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশও জারি হয়েছে। এবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় আলাদা করে নির্বাচনী রোল অবজার্ভারও নিয়োগ করেছে কমিশন। ১২টি বড় জেলার জন্য ১২ জন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসারকে রোল অবজার্ভার পদে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তাদের কাজ হবে-জেলা স্তরে ডিইও অর্থাৎ জেলা শাসক এবং ইআরও-দের কাজ পর্যালোচনা করা। কোথাও ভুল হলে ধরিয়ে দেওয়া এবং এসআইআরের প্রতিটি ধাপ যেন কমিশনের নির্দেশ মতো হয়, তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি কোনও রাজনৈতিক দলকে সিইওর সঙ্গে দেখা করতে হলে আগাম সময় চেয়ে নিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়।

     

     

     

     

     

  • SIR in Bengal: রাজ্যে এখনও ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিং-এ মেলেনি! কী হবে এদের, কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে এখনও ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিং-এ মেলেনি! কী হবে এদের, কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। এখন হিসেব-নিকেশের পালা। ফর্ম বিলি করার পর সংগ্রহ করার কাজও প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৬ কোটি ভোটারের ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ হওয়ার পথে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১৪ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। আর এবার সামনে এল আরও একটি হিসেব। কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ লক্ষ ভোটারের ম্যাপিং হয়নি। চলতি এসআইআর প্রক্রিয়ায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত রাজ্যে ৬ কোটির বেশি এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশন হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে সেগুলি ম্যাপিংয়ের আওতায় আনা হয়। তাতে দেখা যায় আপাতত রাজ্যের ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম শেষ এসআইআরের সঙ্গে ম্যাপিং করানো যাচ্ছে না।

    ম্যাপিং কী, কীভাবে হয়

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) নিয়ম হল, ২০০২-এর সমীক্ষার লিস্টের সঙ্গে নাম মেলাতে হবে। যদি কোনও ভোটার ২০০২-এর পরে ভোটার হয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে ওই সমীক্ষার লিস্টে থাকা বাবা-মা বা দাদু-দিদার নাম মেলাতে হবে। এটাই হল ম্যাপিং। সেই ম্যাপিং-এ ২৬ লক্ষ নাম মেলেনি বলেই জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ ৫ শতাংশের নাম মেলেনি। এ বছর প্রকাশিত সর্বশেষ ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০০২ সালে শেষ এসআইআর-তালিকা ইতিমধ্যেই মিলিয়ে দেখা হয়েছে। দুই তালিকায় কত জনের নাম অভিন্ন, দেখা হয় তা। সঙ্গে দেখা হয়, এখনকার ভোটার তালিকায় থাকা কোনও ভোটারের মা-বাবার নাম গত এসআইআরের তালিকায় রয়েছে কি না। এই মিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টরা চিহ্নিত হয়ে যান এমনিতেই। এবার ম্যাপিংয়ে অন্য রাজ্যকেও জুড়ে দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ২০০২ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজ্য ধরে ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে দেশে এসআইআর হয়েছিল। তখনকার তালিকায় কোনও ভোটার বা তাঁর পরিবারের নাম থাকলেও, পরে তাঁরা বাংলায় চলে আসেন। ফলে সেই সব ভোটারকেও ম্যাপিংয়ে আনা প্রয়োজন। কারণ, তাঁরাও দেশের নাগরিক। তাই বাংলার সঙ্গে অন্য রাজ্যের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা হয়েছে। সেখানেই এই ২৬ লক্ষের নাম উঠে এসেছে। তবে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। এখনও অনেক ডিজিটাইজেশনের কাজ বাকি। তাই সংখ্যাটা যে বাড়বে তা স্বাভাবিক।

    শুনানিতে ডাকা হবে ভোটারকে

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, নাম মিলছে না মানেই চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাবে এমনটা নয়। ২০০২-এর সঙ্গে ম্যাপিং না হলে শুনানিতে ডাকা হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে। তাঁকে প্রমাণপত্র বা যোগ্য ভোটার হওয়ার জন্য নথিপত্র জমা করতে হবে। তাতে যদি কমিশন সন্তুষ্ট হয়, তাহলে নতুন এসআইআর তালিকায় জায়গা পাবে ওই ভোটারের নাম, নাহলে নাম বাদ যাবে। কমিশনের বক্তব্য, যাঁদের তথ্য মিলেছে, তাঁদের আলাদা করে কোনও নথিপত্র বা প্রমাণ দাখিল করতে হবে না। কমিশনের দেওয়া আবেদনপত্র (এনুমারেশন ফর্ম) ভর্তি করলেই চলবে। যাঁদের নামের মিল বা সূত্র পাওয়া যাবে না, তাঁদের ক্ষেত্রে নথিপত্র-যাচাই করা হবে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজারেরও বেশি। তার মধ্যে বুধবার পর্যন্ত বিলি হয়েছে ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬৮ হাজারেরও বেশি ফর্ম। অর্থাৎ, প্রায় ৯৯.৮ শতাংশ। ডিজিটাইজেশন হয়েছে ৬ কোটি ১ লক্ষ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৭৮ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম।

  • SIR: এসআইআর-এর জন্য কোনও ওটিপি চাওয়া হচ্ছে না! ভোটারদের সাবধান করল কমিশন

    SIR: এসআইআর-এর জন্য কোনও ওটিপি চাওয়া হচ্ছে না! ভোটারদের সাবধান করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর-এর (SIR) জন্য কোনও ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) দিতে হবে না। সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে স্পষ্ট ভাবে তা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের নির্বাচন কমিশন কিংবা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এসআইআর-এর জন্য কারও থেকে ওটিপি চাইছে না। এর আগে অভিযোগ উঠেছিল যে, কমিশনের নাম ভাঁড়িয়ে বহু মোবাইল ফোনে ওটিপি পাঠানো হচ্ছে এবং ফোন করে বলা হচ্ছে এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য ওই ওটিপি জরুরি। অনেকেই তা বিশ্বাস করে ওই ভুয়ো ওটিপি নম্বর বলে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ জানায় কমিশনের কাছে। মনে করা হচ্ছে, অসাধু উপায়ে টাকা পয়সা হাতানোর জন্যই একটা চক্র এই কাজ করছে।

    কেন এই বিবৃতি

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, সাইবার প্রতারণা ক্রমশ বাড়ছে। এই অবস্থায় এনুমারেশন ফর্ম পূরণকে হাতিয়ার করে সাইবার প্রতারকরা যাতে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা না করতে পারে, তার জন্য সতর্ক করল কমিশন। কারণ, ফর্ম ঠিকমতো পূরণ হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে সাধারণ মানুষ বিচলিত থাকবেন। ফলে ফর্মে ভুল রয়েছে জানিয়ে বিএলও কিংবা কমিশনের নাম করে কেউ ফোন করে ওটিপি চাইলে, অনেকে প্রতারকদের ফাঁদে পা-ও দিতে পারেন। তাই রীতিমতো প্রেস বিবৃতি দিয়ে সিইও অফিস জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশন কিংবা সিইও অফিস এসআইআর সংক্রান্ত কাজের জন্য কখনও কারও মোবাইলে ওটিপি পাঠায় না। এবং ফোন করে ওটিপি জানতে চায় না। সিইও অফিসের এই প্রেস বিবৃতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে কলকাতা পুলিশও। গত ৪ নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা শুরু হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিয়ে আসছেন বুথ স্তরের আধিকারিকেরা। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা দেখে সেই অনুযায়ী এই ফর্ম পূরণ করতে হচ্ছে। তার পর তা জমা নিয়ে কমিশনের নির্দিষ্ট অ্যাপে এই সংক্রান্ত তথ্য আপলোড করছেন বিএলওরা। রবিবার রাত ৮টার বুলেটিনে কমিশন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ৯৯ শতাংশের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি হয়ে গিয়েছে।

    আজ কলকাতায় কমিশনের টিম

    আজ, মঙ্গলবার ১৮ নভেম্বর কলকাতায় আসছে কমিশনের বিশেষ টিম। এদিন কলকাতা উত্তর ও কলকাতা দক্ষিণের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে তারা। দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বৈঠক হবে। এরপর বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে কমিশনের বিশেষ টিমের প্রতিনিধিরা বৈঠক করবেন। এদিনই কৃষ্ণনগর রওনা দেবে কমিশনের টিম। রাতে সেখানে থাকবে। তারপর ১৯ নভেম্বর নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে বৈঠক করবে। ২০ নভেম্বর মালদায় পৌঁছবে কমিশনের টিম। সেখানে বৈঠক করে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে চেপে কলকাতায় ফিরে আসবে। কলকাতায় রাতে থাকবে কমিশনের টিম। ২১ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে নিউটাউনে ইভিএমের ফার্স্ট লেভেল চেকিং (FLC) নিয়ে একটি কর্মশালায় যোগ দেবেন কমিশনের প্রতিনিধিরা।

  • SIR Form Fill Up: অনলাইনে ঘরে বসেই পূরণ করুন এসআইআর ফর্ম! জেনে নিন স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    SIR Form Fill Up: অনলাইনে ঘরে বসেই পূরণ করুন এসআইআর ফর্ম! জেনে নিন স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) আবেদন নেওয়া শুরু করল নির্বাচন কমিশন। কোনও ভোটার বাড়ির বাইরে থাকলে অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম ফিল আপ করতে পারেন। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের ওয়েবসাইটে (https://ceowestbengal.wb.gov.in/) অনলাইন এনুমারেশন ফর্ম মিলছে। কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট-এ গিয়েও কেউ চাইলে ওই ফর্ম পূরণ করতে পারেন।

    কী ভাবে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করবেন?

    প্রথমে ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে। এর পর অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে এপিক নম্বরের সঙ্গে মোবাইল নম্বর অথবা ইমেল আইডি লিঙ্ক থাকতে হবে। এপিক কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক না-থাকলে অনলাইনে এসআইআরের ফর্ম পূরণ করা যাবে না। রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে ওটিপি আসবে। সেটি বসিয়ে কমিশনের সাইটে লগইন করতে হবে। এর পরে প্রথমে রাজ্য বেছে নিতে হবে। তার পরে এপিক কার্ড নম্বর বসাতে হবে। এপিক বসানোর পরে তালিকার সঙ্গে নাম না মিললে, বিএলও-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। নাম না-মিললে আবার মোবাইল নম্বর বসাতে হবে। পুনরায় সেই নম্বরে ওটিপি আসবে। তা বসিয়ে অনলাইনে জমা করতে হবে। এর পরে তিনটি অপশন আসবে। প্রথম, নিজের নাম (শেষ এসএইআরের তালিকায় যেটি রয়েছে সেটি দিতে হবে। দ্বিতীয়, বাবা অথবা মায়ের নাম (শেষ এসএইআরের তালিকায় যেটি রয়েছে সেটি দিতে হবে। তৃতীয় অপশনে থাকবে শেষ এসএইআরের তালিকায় বাবা অথবা মায়ের নাম নেই। এর পর, সেখান থেকে উপযুক্ত অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। তার পর ২০০২ সালের বিধানসভা কেন্দ্র, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর বসাতে হবে। বিএলওদের সামনে বসে অফলাইন মাধ্যমে যে ভাবে ফর্ম পূরণ করতে হত, সে ভাবেই অনলাইনে করতে হবে। সেখানে একটি ছবি লাগবে। ফর্ম জমা দেওয়ার পরে করার আধার কার্ডের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বরে ওটিপি আসবে। সেটি বসানোর পরেই এনুমারেশন ফর্ম জমা করা যাবে।

    স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    স্টেপ ১: নির্বাচন কমিশনের নয়া ওয়েবসাইট https://ceowestbengal.wb.gov.in-এ যান।
    স্টেপ ২: সাইন আপ করতে পারেন অথবা ফোন নম্বর কিংবা এপিক নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে পারেন।
    স্টেপ ৩: ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে এসআইআর এনুমারেশন অনলাইন ফর্ম।
    স্টেপ ৪: ফর্ম ফিল আপ করার আগে নিজের পাসপোর্ট সাইজের ছবির স্ক্যানড কপি হাতের কাছে রাখুন। পরের স্টেপে সেই ছবির স্ক্যান্ড কপি আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ৫: যে কলামগুলি ফিল আপ করতে হবে সেগুলি হল, জন্মের তারিখ, আধার নম্বর (ঐচ্ছিক), মোবাইল নম্বর, পিতার নাম, পিতার এপিক নম্বর (যদি থাকে),মায়ের নাম, মায়ের এপিক নম্বর (যদি থাকে), বিবাহিত হলে স্বামী বা স্ত্রীর নাম, স্বামী বা স্ত্রীর এপিক নম্বর (যদি থাকে)।
    স্টেপ ৬: সবশেষে সাদা পাতায় সই করে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ৭: এরপর ক্লিক করুন সাবমিটে।
    স্টেপ ৮: ডিক্লেরেশন পেজে একাধিক অপশন রয়েছে। সিলেক্ট করতে হবে যথাযথ অপশন।
    স্টেপ ৯: ২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম থাকলে বা বাবা-মায়ের নাম থাকলে তাঁদের সেই কপি স্ক্রিনশট আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ১০: ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারও নামই না থাকলে কমিশনের নির্দেশ করে দেওয়া ১১টির নথির যে কোনও একটি ডকুমেন্টে টিক দিতে হবে।
    স্টেপ ১১: সবশেষে সাবমিট বটনে ক্লিক করুন।

    অযথা আতঙ্কিত হবেন না

    ভোটার তালিকায় (Voter List) কোনও যোগ্য নাগরিক যেন বাদ না যান, আবার অযোগ্য কেউ যাতে ঢুকে না পড়েন— এই লক্ষ্যেই দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (Special Intensive Revision বা SIR)। রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বক্তব্য শুনে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। জেলায় জেলায় এসআইআর ঘোষণার পর আত্মহত্যার অভিযোগও সামনে আসছে। কিন্তু, অযথা আতঙ্কিত না হয়ে কমিশন যে এনুমারেশন ফর্মের ব্যবস্থা করেছে, সেটি ধাপে ধাপে কীভাবে ফিলআপ বা পূরণ করবেন, জেনে নিন। নির্বাচন কমিশন বারবার আশ্বস্ত করলেও এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ঘুম উড়েছে অনেকেরই। বাড়িতে না থাকলে কীভাবে ফর্ম পূরণ করবেন, তা ভেবেই চিন্তায় ছিলেন অনেকে। অবশেষে প্রযুক্তিগত ত্রুটি সারিয়ে ওয়েবসাইটও খুলে দিয়েছে কমিশন। শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই খুলে দেওয়া হয়েছে সেই ওয়েবসাইট। এসআইআর নিয়ে ভোটারদের মধ্যে হাজার প্রশ্ন। ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় নাম না-থাকলে কী হবে? সেই চিন্তায়ও ভুগছেন অনেকে। যদিও কমিশন জানিয়েছে, চিন্তার কারণ নেই। ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় নিজের নাম বা বাবা-মায়ের নাম থাকলে কোনও নথি দিতে হবে না। তা ছাড়াও ১১টি নথি ব্যতীত নাগরিকত্ব প্রমাণ করার যে কোনও নথি দিলেই তা গ্রাহ্য হবে।

  • SIR: এসআইআর পরিচালনা সাংবিধানিক অধিকার, নির্দেশ দিতে পারেনা আদালত, সুপ্রিম কোর্টে বলল কমিশন

    SIR: এসআইআর পরিচালনা সাংবিধানিক অধিকার, নির্দেশ দিতে পারেনা আদালত, সুপ্রিম কোর্টে বলল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা দাখিল করেছে। সেখানে তারা জানিয়েছে যে ভোটার তালিকায় চলমান বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) পরিচালনার সম্পূর্ণ অধিকার তাদেরই রয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের হলফনামায় উল্লেখ করেছে, দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে যে এসআইআর পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, তা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক অধিকার। তাই আদালত এই বিষয়ে কোনও নির্দেশ দিতে পারে না। যদি আদালত এই ধরনের নির্দেশ দেয়, তাহলে তা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতার উপর হস্তক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে।

    আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায়ের জনস্বার্থ মামলা

    সম্প্রতি আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায় শীর্ষ আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলায় তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন, যাতে ভারতে যে কোনো নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তার যুক্তি ছিল, দেশের রাজনীতি এবং নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে এটি জরুরি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, তারা চায় না শীর্ষ আদালত এই ধরনের নির্দেশ দিক। কমিশনের পক্ষ থেকে আদালতে দাখিল করা হলফনামায় বলা হয়েছে, সংবিধানের ধারা ৩২৪ অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি ও সংশোধনের একমাত্র কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশন, এবং অন্য কোনো সংস্থা বা ব্যক্তি এতে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। কমিশন আরও জানিয়েছে, ভোটার তালিকার যথাযথতা নিশ্চিত করতে এসআইআর অপরিহার্য, এবং তারা সর্বদা এই দায়িত্বের বিষয়ে সতর্ক ও দায়িত্বশীল। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমরা ভোটার তালিকাকে সঠিক রাখার বিষয়ে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এই কাজ নিয়মিতভাবে সম্পন্ন করা হয় (SIR)।

    বিহারে বাদ ৬৫ লাখ নাম (SIR)

    প্রসঙ্গত, কয়েক মাস পর বিহারে ভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। জানা গেছে, সেই রাজ্যে ইতিমধ্যেই এসআইআর-এর (SIR) মাধ্যমে প্রায় ৬৫ লাখ অবৈধ ভোটারের নাম বাদ গেছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগ মৃত ভোটারের নাম, কিছু স্থায়ীভাবে অন্য রাজ্যে বসবাসকারী ভোটার, এবং এমন কিছু ভোটারও রয়েছে যাদের নাম একাধিক জায়গায় তালিকাভুক্ত ছিল।

LinkedIn
Share