Tag: ssc scam

ssc scam

  • Siddharth Majumdar: রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল, পদত্যাগ করলেন এসএসসি চেয়ারম্যান ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

    Siddharth Majumdar: রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল, পদত্যাগ করলেন এসএসসি চেয়ারম্যান ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক স্তরে পরিবর্তনের হাওয়া এবার শিক্ষা দফতরেও। সরকারি বিভিন্ন বিভাগে চুক্তিভিত্তিক বা বর্ধিত মেয়াদে কর্মরত আধিকারিকদের ইস্তফা দেওয়ার পালা অব্যাহত। সেই ধারায় সোমবার পদত্যাগপত্র জমা দিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddharth Majumdar) এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Ganguly)। উল্লেখ্য এই দফতরগুলিতে তৃণমূলের শাসনে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। শিক্ষক নিয়োগে প্রচুর পরিমাণে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে সরব হয়েছিল আমজনতা।

    শিক্ষা দফতরে সংস্কারের পথে নতুন সরকার (Siddharth Majumdar)

    বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা দফতরকে ঘিরে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় নতুন বিজেপি সরকার এই বিভাগে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে শিক্ষা দফতরের পরিকাঠামো পুনর্গঠন করাই এখন এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সূত্রের খবর, দফতরের কার্যপ্রণালীতে গতি আনতে এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি গড়ে তুলতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ইস্তফা দিলেন সিদ্ধার্থ ও রামানুজ

    সিদ্ধার্থ মজুমদার

    এসএসসি দফতরে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিলেন প্রাক্তন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতির জটিল আবহে ২০২২ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddharth Majumdar)। তাঁর কার্যকালেই নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় সচল করার চেষ্টা হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তৎকালীন সরকার তা ছয় মাস বৃদ্ধি করেছিল। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সোমবার তিনি শিক্ষা সচিবের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান।

    রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়

    মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দীর্ঘকালীন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Ganguly)। গত সপ্তাহেই তাঁর তত্ত্বাবধানে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এরপরই তিনি ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে মুখ্যসচিবের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

    আঞ্চলিক ও স্থানীয় স্তরেও পরিবর্তনের জোয়ার

    কেবল শীর্ষ পদেই নয়, এসএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের চেয়ারম্যানরাও একে একে পদত্যাগ করতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি, রাজ্যের প্রতিটি স্কুল ও কলেজের পরিচালনা সমিতির (Governing Body) মেয়াদ পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদসহ বিভিন্ন স্তরে যাঁদের পদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে বা যাঁদের বয়সসীমা পেরিয়ে গিয়েছে, তাঁদের দ্রুত সরিয়ে নতুন ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নবগঠিত সরকার। শিক্ষা ক্ষেত্রে শুদ্ধিকরণ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

  • SSC Scam: মৃত প্যানেলকে ইঞ্জেকশনে বাঁচানোর চেষ্টা! সুপার নিউমেরারি পদ বাতিল হাইকোর্টের

    SSC Scam: মৃত প্যানেলকে ইঞ্জেকশনে বাঁচানোর চেষ্টা! সুপার নিউমেরারি পদ বাতিল হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে সুপার নিউমেরারি বা অতিরিক্ত শূন্যপদ (SSC Scam) তৈরির সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। গতকাল বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চকারি বহাল রাখার রায়ে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই উচ্চ আদালতের অন্য একটি রায়ে বেজায় ধাক্কা খেল মমতা সরকার। বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর বেঞ্চে সুপার নিউমেরারি পদ তৈরি নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, রাজ্যের সিদ্ধান্তকে অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। বিচারপতি সাফ জানান, নিয়মিত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও ভাবেই সুপার নিউমেরারি পদে নিয়োগ করা যায় না।

    ১৬০০ সুপার নিউমেরারি পদ খারিজ (SSC Scam)

    শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ প্রাথমিকে শরীরশিক্ষা এবং কর্মশিক্ষা বিষয়ে ওয়েটিং লিস্ট থেকে অতরিক্ত শূন্যপদ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৬০০ সুপার নিউমেরারি পদ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগের জন্য ২০২২ সালের ১৯ মে এবং ১৪ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার এই দুই বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তিনি রায় দান করার সময় বলেন, “আদালতের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণে এই অতিরক্ত শুন্যপদগুলি বেআইনি (SSC Scam), মৃত প্যানেলকে ইঞ্জেকশন দয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ওই পদে কোনও নিয়োগ নয়, ২০১৯ সালের প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর তৈরি করা হয়েছে এই শূন্যপদে। কারণ পদগুলি বৈধ নয়। অতিরিক্ত শূন্যপদে নিয়োগ করতে হলে শূন্যপদ ঘোষণা করতে হয়।” তবে উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি মামলার বিষয়ে শুনানি হবে আগামী জানুয়ারি মাসে।

    চরম ধাক্কা মমতা সরকারের

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে সুপার নিউমেরারি পদ (SSC Scam) তৈরির উপর অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। উল্লেখ্য যে ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলায় সুপার নিউমেরারি সিদ্ধান্ত ছিল, সেখানে অবশ্য হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। তবে রাজ্য সরকার গত এপ্রিল মাসে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিল। রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল, উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুপার নিউমেরারি পদে নিয়োগের অনুমতি দিক আদালত। কিন্তু ৭ মে হাইকোর্টে এই পদের উপর স্থগিতাদেশ বহাল রাখেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এরপর মামলা ডিভিশন বেঞ্চে গেলে ফের বিচারপতি বসুর একক বেঞ্চেই পাঠানো হয় মামলা।

  • SSC scam: “ডিভিশন বেঞ্চের রায় অযোগ্যদের হাতে বড় অস্ত্র”, ৩২ হাজার বহালে প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    SSC scam: “ডিভিশন বেঞ্চের রায় অযোগ্যদের হাতে বড় অস্ত্র”, ৩২ হাজার বহালে প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC scam) মামলায় ৩২০০০ নিয়োগকে মানবিক দৃষ্টিকোণে বহাল রেখেছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতিদের সাফ কথা, সমস্ত তথ্য এবং প্রমাণের সাপেক্ষে মামলায় ভুক্তভুগিদের পরিবার এবং গত ৯ বছর ধরে চাকরি করার ভিত্তিতে বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলার সিদ্ধান্তকে ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের রায়কে টেনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এসএসসি নিয়োগ দুর্নিতি মামলায় এক এক বেঞ্চে এক এক বিচারপতির আলাদা আলাদা মত। আমি মনে করি আইন এবং বিচার প্রক্রিয়ায় সব সময় তথ্য এবং নথি দেখে ন্যায় বিচার দেওয়া উচিত।”

    অভিজিৎ বাবু ঠিক জায়গাটা ধরে ছিলেন (SSC scam)

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC scam) মামলা এবং ৩২০০০ চাকরি বহাল প্রসঙ্গে বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, “এসএসসি ২৬ হাজার চাকরি বাতিলে বিচারপতিরা (Calcutta High Court) কি মানবিক আচরণ করেননি? প্রাথমিকের ক্ষেত্রে ৯ বছরের চাকরি এবং পরিবারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এক-একটি বেঞ্চে বিচারপতিরা এক-এক রকমের মত প্রকাশ করে থাকেন। সিঙ্গেল বেঞ্চে রায় ছিল তথ্য ভিত্তিক। আর ডিভিশন বেঞ্চের রায় ছিল মানবিক। সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার হলফনামা দিয়ে স্বীকার করা হয়েছে যে ঠিক ভাবে নিয়ম মেনে নিয়োগ করা হয়নি। ফলে ডিভিশন বেঞ্চের রায় অযোগ্য বা টাকা দিয়ে যে রায় দেওয়া হয়েছে, তা কার্যত তাদের হাতে বড় অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে কোনও নিয়োগ স্বচ্ছভাবে হয়নি। সম্প্রতি পুলিশের যে নিয়োগ পরীক্ষা হয়েছে সেখানেও কোনও রকম কার্বন কপি দেওয়া হয়নি। আমার মনে হয় প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে জায়গাটা ধরে ছিলেন সেখানে সেই জায়গায় কোনও বেঠিক হওয়ার প্রশ্ন নেই। টাকার দিয়ে মমতার সরকার চাকরি বিক্রি যে করেছে সেকথা আদালতেও বার বার প্রমাণিত হয়েছে।”

    সমস্ত বঞ্চিতরা এখনও সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC scam) মামলার রায়ে (Calcutta High Court) প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, “আদালতের দেওয়া রায়ের কপি বিস্তারিত ভাবে হাতে পেলে আরও বিশ্লেষণ করব। তবে এটাও ঠিক সমস্ত বঞ্চিতরা এখনও সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন। তবে আজকের রায়ে যারা চাকরি করেছে তাদের উদ্দেশে কিছু বলার নেই। কারণ তারাও পরিস্থিতির স্বীকার। আমার সহানুভূতি তাদের সঙ্গে সবসময় রয়েছে। তবে মানিক ভট্টাচার্য যে কুকর্ম করেছেন তার পিছনে মুখ্যমন্ত্রী নিজে রয়েছেন। পদ্ধতি গত ত্রুটির কথা আদালত স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে। ৩২ হাজারে কথা ভেবে মানবিক দৃষ্টিকোণে রায় দিয়েছে। তারা এখন কি করবেন এটা সম্পূর্ণ তাদের বিষয়।”

    বঞ্চিত পরিবারের কোনও মূল্য নেই?

    এইমামলার (SSC scam) অপর দিকে বঞ্চিতদের পক্ষে আদালতে লড়াই করেছেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তিনি মামলার রায় নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নামক গ্রহণ যতদিন থাকবে, ততদিন আপনাদের খুব একটা কিছু হবে না। যারা এখন পড়াশোনা করছেন তারাও নিশ্চয়ই দেখছেন রাজ্যে কী চলছে। চুরির সময়কালটা বেশি হয়ে গেলে মনে হয় চুরি মান্যতা পেয়ে যায়।। যারা বঞ্চিত হয়েছে তাদের পরিবারের কোনও মূল্য নেই?”

    লড়াই চলবে

    আদালতের (Calcutta High Court) মানবিক যুক্তির কথাকে তুলে ধরে তরুণজ্যোতি আরও বলেন, “মানবিকতা আর ন্যায়বিচার (SSC scam) এক জিনিস নয়। সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সেলিব্রেশন সেই পার্থক্যটাই আড়াল করছে। সুপ্রিম কোর্টে এমন বহু রায় আছে, ত্রিপুরা চাকরি বাতিল মামলা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক এসএসসি মামলার জাজমেন্ট—যেখানে দুর্নীতির চাকরি বাতিলের নীতি স্পষ্ট। আজকের রায়ে বেঞ্চ জানাল, দুর্নীতির তদন্ত আগের মতোই চলবে এবং যাদের বিভিন্ন ইস্যু সহ রিজার্ভেশন নিয়ে যে সিঙ্গেল বেঞ্চে মামলাগুলি চলছে তাদের কেস সিঙ্গেল বেঞ্চে চলবে। আদালতের রায় শিরোধার্য। লড়াই চলবে। এ রায় যেদিকেই যেত, শেষ কথা তো সুপ্রিম কোর্টেই হত—এখনও হবে। এ লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে। বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা আজ সবটাই বুঝতে পারছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যতদিন তৃণমূল থাকবে ততদিন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি চলবে।”

  • Calcutta High Court: ৩২ হাজার শিক্ষকের স্বস্তি, চাকরি বাতিল হচ্ছে না জানাল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ৩২ হাজার শিক্ষকের স্বস্তি, চাকরি বাতিল হচ্ছে না জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি বহাল থাকছে বত্রিশ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের। হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চের র্যবেক্ষণ, দীর্ঘ ৯ বছর পর চাকরি বাতিল হলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। বিচারপতি বলেন, “যাঁরা ৯ বছর ধরে কাজ করছেন তাঁদের পরিবারের কথাও ভাবতে হবে। যাঁরা সফল হননি তাঁদের জন্য সব ড্যামেজ করা যায় না।”

    ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ

    প্রাথমিক স্কুলের ৩২ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি বাতিল করে দিয়েছিলেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৪ সালের ‘টেট’-এর ভিত্তিতে ২০১৬ সালে প্রাথমিকে প্রায় ৪২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়াতেই বেনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরে ২০২৩ সালের মে মাসের ১২ তারিখ ওই মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশে চাকরিচ্যুত হন প্রশিক্ষণহীন ৩২ হাজার শিক্ষক। মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, কোর্ট যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন পুরো বিষয়টি বিবেচনা করতে হয়েছে। এখানে প্রসঙ্গ উঠে এসেছে সিবিআই-এরও। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর বক্তব্য, আদালত কোনও ‘রোমিং এনকোয়ারি’ চালাতে পারে না।

    গোটা প্রক্রিয়াকে নষ্ট করা যায় না

    দ্বিতীয়ত, যাঁরা এতদিন ধরে চাকরি করছিলেন, তাঁদের পড়াশোনা করানোর ধরনের উপর কোনও প্রশ্ন ওঠেনি। তৃতীয়ত, যখন এই সাক্ষাৎকার পর্ব (ইন্টারভিউ প্রসেস) চলছিল, সেই সময় যিনি পরীক্ষক ছিলেন তিনি টাকা নিয়ে অতিরিক্ত নম্বর দিয়েছেন তাঁর কোনও প্রমাণ নেই। যার ফলে গোটা সাক্ষাৎকার পর্বে যে গলদ হয়েছে সেটা একেবারে বলা যাচ্ছে না। এদিন কোর্ট এও বলেছে, মামলা যাঁরা করেছিলেন, তাঁরা কেউ চাকরি করছিলেন না। ফলে যাঁরা পাশ করেননি তাঁদের জন্য গোটা প্রক্রিয়াকে নষ্ট করা যায় না। আর সেই যুক্তিতেই ডিভিশন বেঞ্চ একক বেঞ্চের রায়কে খারিজ করল।

    একগুচ্ছ অভিযোগ

    প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ ওঠে। মামলাকারীদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের নিয়োগের আইন মানা হয়নি। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ বিধি মানা হয়নি।নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও সিলেকশন কমিটি ছিল না। থার্ড পার্টি এজেন্সি প‍্যানেল তৈরি করেছিল। অ‍্যাপটিটিউট টেস্ট নেওয়া হয়নি। অ‍্যাপটিটিউট টেস্টের কোনও গাইডলাইনই ছিল না। অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়। ⁠কাট অব মার্কস নিয়ে উপযুক্ত তথ‍্য ছিল না বোর্ডের কাছে। শূন‍্যপদের অতিরিক্ত নিয়োগ হয়। এবং ⁠নূন্যতম যোগ্যতা নেই, এমন প্রার্থীরাও চাকরি পান। তবে এদিন সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ জানায় কিছু নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে, কিন্তু তার জন্য সবার চাকরি বাতিল করা উচিত বলে মনে করে না হাইকোর্ট।

     

     

     

  • SSC Scam: বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার

    SSC Scam: বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC Scam) শিক্ষক নিয়োগে এবার ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে বললেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। কমিশনকে সাফ নির্দেশ, টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া প্রার্থীর নাম, ঠিকানা সব কিছুকে প্রকাশ্যে আনতে হবে। উল্লেখ্য, অযোগ্যদের নামের তালিকা প্রকাশ করার বিষয়ে সুপ্রিমকোর্ট থেকে আগেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। একই দাবিতে যোগ্য প্রার্থীরা কমিশনের বিরুদ্ধে বারবার রাস্তায় নেমেছে। কিন্তু রাজ্য সরকার এবং এসএসসির ঘুম ভাঙেনি। ফলে এবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ ঠিক কবে কার্যকর হয় তাই এখন দেখার।

    দ্রুত তালিকা প্রকাশ করতে হবে (SSC Scam)

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) থেকে সুপ্রিমকোর্ট সর্বত্র বারবার দাগিদের তালিকা প্রকাশের কথা জানিয়ে একাধিকবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসএসসি তালিকা প্রকাশ করলেও তা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে দাগিদের আর পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না বলেও সাফ নির্দেশ ছিল উচ্চ আদালতের। কিন্তু পরীক্ষায় অযোগ্যদের বসার ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। খোদ যোগ্য প্রার্থীরাই অযোগ্যদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন। হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, “এসএসসি কমিশন (SSC Scam) দাগিদের নাম, অভিভাবকের নাম, রোল নম্বর সমস্ত কিছু দিয়ে বিস্তারিত ভাবে প্রকাশ করবে। এবার দ্রুত তালিকা প্রকাশ করতে হবে।” উল্লেখ্য গত ২৭ নভেম্বর এসএসসি ১ হাজার ৮০৬ জন দাগি নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক যাঁরা চাকরি করছিলেন তাঁদের যাবতীয় তথ্য সমেত নাম প্রকাশ করেছে।

    তালিকায় শিক্ষক-শিক্ষিকা, এবং অশিক্ষক কর্মীরা রয়েছেন

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এসএসসি (SSC Scam) গ্রুপ সি-গ্রুপ ডি-র ৩৫১২ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে ৭২৯৩ জনের অযোগ্য নাম জানিয়েছিল। এবার আগামী বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জনের সম্পূর্ণ নাম প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এখন এসএসসিকে আউট অফ প্যানেল, র‍্যাঙ্ক জাম্প এবং ওএমআর মিস ম্যাচদের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তবে নিয়োগ যাতে স্বচ্ছ হয় সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। এই তালিকায় শিক্ষক-শিক্ষিকা, এবং অশিক্ষক কর্মীরা রয়েছেন। এসএসসি ৩৫১২ জনের দাগি অশিক্ষ কর্মীদের তালিকা এবং দাগি ১ হাজার ৮০৬ জন নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক-শিক্ষকদের বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে তাঁরা সকলেই চাকরি করছিলেন।

    তৃণমূলের রাজত্বে সবচেয়ে বড়সড় দুর্নীতি হল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি। সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়েছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সদ্য জামিনে জেলের বাইরে এসেছেন। সমস্ত সাক্ষ্য, তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দুর্নীতি বিষয়ে তদন্ত করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যে চার্জশিট জমাও করেছে। এখন দোষীদের শাস্তি ঘোষণা কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

  • SSC Scam: তালিকায় অযোগ্যরা? ফল বেরোতেই ফের এসএসসি নিয়ে মামলা বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে

    SSC Scam: তালিকায় অযোগ্যরা? ফল বেরোতেই ফের এসএসসি নিয়ে মামলা বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে জেলে বসেই তোলাবাজি করছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডলে অডিও পোস্ট করে শুভেন্দুর অভিযোগ, এখনও চাকরির জন্য টাকা তুলছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। অবিলম্বে এই কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করুক ইডি। অপরাধী প্রমাণিত হলে নিয়োগ দুর্নীতির সব মামলা রাজ্য থেকে সরানো হোক। ইডির কাছে এমনই আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু। সম্প্রতি এসএসসি ২০২৫-এর একাদশ-দ্বাদশের ফল প্রকাশ হয়েছে। তবে তা নিয়েও এক গুচ্ছ বিতর্ক দানা বেঁধেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না মানার অভিযোগে ফের মামলা দায়ের হয়েছে।

    জেলে বসেই চাকরি বিক্রি করছেন জীবনকৃষ্ণ 

    জেলে বসেই চাকরি বিক্রি করছেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। মোবাইল ফোনের স্ক্রিনশট ও অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এটাই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সততার প্রতীক’? প্রশ্ন তুলে কণ্ঠস্বর পরীক্ষার জন্য ইডি-র কাছে আর্জি জানিয়েছন তিনি। শুভেন্দু বলেন, এক্সামের রেজাল্টেও যেভাবে প্রভাব খাটিয়েছেন, জেলে উনি ফোন ব্যবহার করছেন। জেলে গিয়ে কিছু হবে না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে হবে। এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো চোরেরা, জীবনকৃষ্ণ সাহাদের মতো চোরেদের ইডি ধরে পাঁচ দিন, দশ দিন পিসি-তে রাখছে, তারপর তো জেলে পাঠাতে হচ্ছে। জেলে তো ফাইভ স্টার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর পর ইডি-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। এদিন তৃণমূল বিধায়কের কণ্ঠস্বর বলে দাবি করে, একাধিক অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে, শুভেন্দু অধিকারী আরও লিখেছেন, ইডি-কে অনুরোধ করছি, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করে দেখুন এবং দোষী প্রমাণিত হলে, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির মামলাগুলি পশ্চিমবঙ্গের বাইরে সরানোর চেষ্টা করুন।

    নতুন তালিকাতেও অযোগ্যদের নাম 

    শনিবর রাতেই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য, কল ফর ভেরিফিকেশন তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। সেই তালিকা ঘিরেও নতুন করে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। ভয়ঙ্কর অভিযোগ, এবারেও তালিকাতে অনেক অযোগ্যের নাম রয়েছে। এখন প্রশ্ন আবারও, কীভাবে তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারলেন? সুপ্রিম কোর্ট যেখানে আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল, অযোগ্যদের সবার আগে বাদ দিতে হবে, তাঁরা যেন কোনওভাবেই পরীক্ষায় না বসতে পারেন। সেখানে মামলাকারীর বক্তব্য, একাদশ দ্বাদশের ফলপ্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকজন অযোগ্যের নাম তালিকায়। এমনকি তাঁদের কয়েকজন ইন্টারভিউতেও ডাক পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষকদের নামেক তালিকায় নাম রয়েছে ক্লার্কদেরও। এই নিয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। মামলা গ্রহণ করেছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। চলতি সপ্তাহেই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।

    আদালতমুখী হওয়ার সিদ্ধান্ত

    কাট অফ’ যেখানে ৭০ শতাংশের বেশি, সেখানেই থমকে নতুনরা। পূর্ণ নম্বর ৬০ পেয়েও চাকরি হয়নি একাধিক প্রার্থীর। মোট ২০ হাজারের সামান্য বেশি প্রার্থী ডাক পেয়েছেন। আবার ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের আন্দোলনের প্রথম সারির নেতৃত্বের অনেকেই ডাক পেলেন না। তবে এখনই আন্দোলন বা আদালতমুখী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না তাঁরা। তবে এহেন পরিস্থিতিতে রবিবারই একটি চাঞ্চল্যকর নাম প্রকাশ্যে আসে। নীতীশ রঞ্জন প্রামাণিক! তাঁর নাম রয়েছে অযোগ্যদের তালিকায়। কিন্তু তাঁর নাম রয়েছে একাদশ দ্বাদশের পাশ করা চাকরিপ্রার্থীদের তালিকাতেও। ইন্টারভিউয়ের জন্যও ডাক পেয়েছেন তিনি। অর্থাৎ চিহ্নিত অযোগ্যই ডাকা পেয়েছেন ইন্টারভিউয়ের জন্য। আর এই অভিযোগ সামনে আসতেই SSC-র নতুন ফল নিয়ে নতুন বিতর্ক তুঙ্গে। ধীরে ধীরে আরও অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।

    বিশেষভাবে সক্ষম, তাই আবেদন

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চিহ্নিত অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করেছিল এসএসসি। এরপর চিহ্নিত অযোগ্যদের কেউ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বসার জন্য আবেদন জানালেও তাঁদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়, বিশেষভাবে সক্ষম চাকরিহারারা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। নীতীশের পরিবার দাবি করছে, বিশেষভাবে সক্ষম, তাই আবেদন করতে পেরেছেন । কিন্তু যাঁদের নাম ‘দাগীদের’ তালিকায়, তাঁরা আদৌ পরীক্ষায় বসতে পারবেন কিনা, তা স্পষ্ট বলা ছিল না সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারকপিতে। এবার এই বিষয়টিকে সামনে রেখেই নতুন করে মামলা হল হাইকোর্টে।

     বিচারপতি অমৃতা সিনহা মামলা গ্রহণ করেন

    সোমবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ এক পার্টটাইম শিক্ষক। মামলাকারীর দাবি, অভিজ্ঞতার জন্য কোনো নম্বর পাবেন না পার্টটাইম শিক্ষকরা বলে জানায় এসএসসি। যদিও তার অনেক সহকর্মী অভিজ্ঞতার জন্য নম্বর পেয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কোনও ‘অযোগ্য’ প্রার্থীর নাম ইন্টারভিউ তালিকায় থাকার কথা নয়। তবে তা সত্ত্বেও তালিকায় রয়েছেন বহু ‘অযোগ্য’। ফিরদৌস শামিম বলেন, “ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তাতে সুবিধা পেয়েছেন ‘অযোগ্য’রা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও ‘অযোগ্য’ প্রার্থী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। কিন্তু ইন্টারভিউ তালিকায় বহু ‘অযোগ্য’র নাম রয়েছে। এটা অসম্ভব বিষয়।” বিচারপতি অমৃতা সিনহা মামলা গ্রহণ করেন। আগামী বুধবার মামলা শুনানি সম্ভাবনা।

LinkedIn
Share