Tag: sskm

sskm

  • Madan Mitra: “তৃণমূল মমতা-অভিষেকের একার দল নয়”,  এসএসকেএমকাণ্ডে তোপ মদনের

    Madan Mitra: “তৃণমূল মমতা-অভিষেকের একার দল নয়”, এসএসকেএমকাণ্ডে তোপ মদনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে দুর্ঘটনায় জখম এক রোগী ভর্তি করা নিয়ে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের (Madan Mitra) সঙ্গে সংঘাতের সূত্রপাত। আর তার জের কালীঘাট পর্যন্ত পৌঁছে যাবে শনিবার তা দলের কর্মীরাও আঁচ করতে পারেননি। শুক্রবারের ঘটনার জেরে এদিন মদন বাণে বিদ্ধ হয় এসএসকেএম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং মদন মিত্র একে অপরের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিবৃতি পাল্টা বিবৃতি দিয়ে তোপ দাগে। শনিবার দিনভর এই ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় তুলে দিয়েছে। কারণ, মদনের বাণে বিদ্ধ শুধু এসএসকেএম নয়, তৃণমূল সুপ্রিমোও।

    হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে হাসপাতালের ডিরেক্টর মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “হাসপাতাল চত্বরে কোনওরকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। আর এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীও আমাদের পাশে রয়েছেন”। মদন মিত্রের (Madan Mitra) নাম না করে তিনি আরও বলেন, “শুক্রবার রাতে হাসপাতালে যা ঘটেছে, তা অনভিপ্রেত। ইচ্ছাকৃতভাবে চিকিত্সক, স্বাস্থ্যকর্মী, নার্সদের হেনস্থা এবং গালিগালাজ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথা হয়েছে। আমি তাঁকে ঘটনার কথা বিস্তারিত জানিয়েছি। তিনি এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতির কথা বলেছেন।” হাসপাতালের ডিরেক্টর আরও বলেন, “যে কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বা হাসপাতালে কেউ হামলা করলে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে দোষীদের শাস্তি দেওয়া হয়। এসএসকেএম হাসপাতালের ক্ষেত্রেও সেই একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। কাল যাঁরা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাঁদের সকলের ছবি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে। সেই ফুটেজ দেখে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

    কী বললেন মদন মিত্র (Madan Mitra)?

    মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কড়া বার্তায় মদন মিত্রের ক্ষোভের আগুনে কার্যত ঘি ঢেলেছে। পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে মদন মিত্র বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। মূলত তাঁর এই ক্ষোভ যতটা না হাসপাতালের বিরুদ্ধে তার থেকে অনেক বেশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, “তৃণমূল দলটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেকের একার দল নয়। আমাদের মতো সকলকে নিয়ে তৃণমূল গঠিত হয়েছে। তৃণমূল ব্যক্তিগত কারও হলে প্রাইভেট লিমিটেড লেখা থাকত, সেটা তো কোথাও লেখা নেই। আর এই দল করতে গিয়ে কারও শরীরে যদি আঘাতের চিহ্ন লেগে রয়েছে, তো আমারও ২৩ মাস জেল খাটার আঘাত শরীরে রয়েছে। দরকার হলে আমি বিধায়ক পদ ছেড়ে দেব। আমি সোনালি গুহ, দীনেশ ত্রিবেদী, মুকুল রায় নই। আমি মদন মিত্র (Madan Mitra)। উনি আমাকে কী দিয়েছেন?” তিনি আরও বলেন, “ওই তো বিধায়কের মাইনে। যদি ছেড়ে দিতে বলেন, তা ছেড়ে দেব। তেমন হলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। যা পড়াশুনা জানি তাতে টিউশন পড়িয়ে মাসে ৩০ হাজার রোজগার করতে পারব।” এরপর তিনি অনুরোধ করে বলেন, “আমার পরিবারের প্রতি প্রতিহিংসামূলক আচরণ করবেন না। আর আমি বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করলে এক মাসের মধ্যে ভোট করাবেন। আমি নির্বাচিত কামারহাটি থেকে। তৃণমূল আমাকে জেতায়নি। আমাকে জিতিয়েছে কামারহাটির মানুষ।”

    কী নিয়ে বই লেখার কথা বললেন কামারহাটির বিধায়ক (Madan Mitra)?

    বিধায়ক পদ ছেড়ে দিলে কামারহাটির বিধায়ক (Madan Mitra) টিউশন করার কথা বলেছেন। একইসঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “আমি বই লিখব। আর সেই বই বেস্ট সেলার হবে। সারদা মামলায় ২৩ মাস জেলে ছিলাম। আমার বইয়ে সেই সময়করার ঘটনা তুলে ধরব। আমার বিশ্বাস, আমার বই বেস্ট সেলার হবে। আমেরিকার মানুষও পড়বে আমার বই।”

    কী বললেন তৃণমূলের মুখপাত্র?

    তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মদনদা (Madan Mitra) বাম আমল থেকে পিজি হাসপাতালে প্রভাবশালী। দলমত নির্বিশেষে তিনি মানুষের চিকিত্সার ব্যবস্থা করে এসেছেন। কোনও একটি ঘটনায় তাঁর রাগ হয়েছে। তবে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যেটা বলেছে সেটাও একটি দিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Medical College: জেলার মেডিক্যাল কলেজ কী শুধুই বিজ্ঞাপন? এসএসকেএমের নতুন রেকর্ডে নয়া বিতর্ক

    Medical College: জেলার মেডিক্যাল কলেজ কী শুধুই বিজ্ঞাপন? এসএসকেএমের নতুন রেকর্ডে নয়া বিতর্ক

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল: হাসপাতালের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে সরকারি ওয়েবসাইট, সর্বত্র নয়া রেকর্ডের বিজ্ঞাপনে ব্যস্ত রাজ্য সরকার। আর নিজেদের দেওয়া বিজ্ঞাপনেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। রাজ্যের চিকিৎসক মহল জানাচ্ছে, এই নয়া রেকর্ড বাংলার স্বাস্থ্য পরিষেবার রুগ্ন হাল ছাড়া আর কিছুই নয়। জেলা সফরে গেলেই নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। কোচবিহার, হুগলি, কিংবা মেদিনীপুর, যেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যান, একটা নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কথা ঘোষণা করেন। আপাতত রাজ্যের প্রত্যেক জেলাতেই বেশ কয়েকটি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল আর মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রথম সারির সরকারি হাসপাতালের নয়া রেকর্ড, সেই সমস্ত জেলা হাসপাতালের অস্তিত্বকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

    সম্প্রতি এসএসকেএম হাসপাতালে একদিনে আউটডোরে রোগী হয়েছিল ১৭ হাজার। স্বাধীনতার পরে এ এক রেকর্ড। এমনি দাবি করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য ভবনও এই দাবির স্বীকৃতি দিয়ে জানিয়েছে, রোগী পরিষেবায় নয়া নজির গড়েছে এসএসকেএম (SSKM)। কিন্তু, এসএসকেএমের এই রেকর্ড আসলে এ রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার ভগ্ন দশাকেই সামনে নিয়ে এলো বলে মনে করছেন রাজ্যের চিকিৎসক মহল। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এসএসকেএমের মতো সুপার স্পেশ্যালিটি মেডিক্যাল কলেজ, আসলে তৃতীয় স্তরের হাসপাতাল। অত্যন্ত জটিল রোগ ছাড়া এই হাসপাতালে রোগী আসার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়। এটাই আদর্শ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু এ রাজ্যের পরিস্থিতি উল্টো।

    আরও পড়ুন: এবার ভারতীয় মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির মালিকও আম্বানি? জানুন কত টাকায় হচ্ছে হস্তান্তর 

    কেন এমন বলছেন? চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, যে কোনও রোগী তাঁর সমস্যা নিয়ে প্রথমে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাবেন। যা গ্রামে গ্রামে থাকা উচিত। তারপরে সদর হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল। সেখানেও রোগ নিরাময় না হলে, জেলার মেডিক্যাল কলেজে রোগীকে পাঠানো হবে। যদি রোগ অত্যন্ত জটিল হয়, তখন সেই রোগীকে এসএসকেএমের মতো হাসপাতালে রেফার করা হবে। যেমন, স্নায়ুর অত্যন্ত জটিল অস্ত্রোপচার কিংবা হৃদরোগ, কিডনি প্রতিস্থাপন বা লিভারের জটিল অস্ত্রোপচারের মতো সমস্যার সমাধান ছাড়া এই ধরনের হাসপাতালে আসার প্রয়োজন নেই। যখন রাজ্যের জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে, তখন জ্বর, হাঁপানি, স্ত্রীরোগের চিকিৎসার জন্য গ্রাম থেকে বা মফস্বল থেকে সাধারণ মানুষকে কেন কলকাতার হাসপাতালে আসতে হচ্ছে? এখানেই বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, তাহলে কি জেলার মেডিক্যাল কলেজে বা জেলার সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না?

    এসএসকেএম হাসপাতালের কর্মরত ইন্টার্নদের একাংশ জানাচ্ছেন, আউটডোরে যে রোগীরা দেখান, তাদের তিন বার লাইন দিতে হয়। সাধারণত ভোর তিনটে থেকে লাইন হয়। প্রথমে আউটডোরের টিকিট কাটার লাইন, তারপরে চিকিৎসককে দেখানোর আলাদা লাইন। তারপরে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে আরেকটি লাইন। অর্থাৎ, পরিষেবা পাওয়ার জন্য কার্যত রোগীর হয়রানির শেষ থাকে না। জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রশ্ন, এত রোগীকে একদিনে দেখতে হলে চিকিৎসকেরাও কতখানি মনোযোগ দিয়ে দেখতে পারেন, সে নিয়েও প্রশ্ন থাকছে।

    হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের এক অধ্যাপক-চিকিৎসক বলেন, “হিসাব করে দেখেছি ১৩ সেকেন্ডের বেশি সময় একজন রোগীকে দিতে পারছি না। তার সব কথা শোনার সময় হচ্ছে না। এতে রেকর্ড হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু রোগী পরিষেবার মান তলানিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলার হাসপাতালে ঠিকমতো পরিকাঠামো থাকলে এই ভিড় কখনওই হবে না। রোগী পরিষেবাও ভালো হবে। ” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যে সমস্ত সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল উদ্বোধন করেছিলেন, দীর্ঘদিন অভিযোগ, সেখানে পরিকাঠামো নেই। পরিকাঠামোর অভাবে একাধিক বিভাগ বন্ধ হয়ে আছে। ফলে, জেলা থেকে মানুষ বাধ্য হয়ে কলকাতার হাসপাতালে যান। এমনকি আরামবাগ, কোচবিহার, পূর্ব মেদিনীপুরে সম্প্রতি যে সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করেছেন, সেখানেও কোনও পরিকাঠামো নেই বলে অভিযোগ। রেডিওথেরাপি বিভাগের এক অধ্যাপক-চিকিৎসক জানান, গত ১২ বছর তিনি কলেজে পড়াতে পারেননি। কারণ, তাঁকে যে সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে বদলি করা হয়েছে, সেখানে রেডিও থেরাপির ক্লাস নেওয়ার মতো উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। এদিকে ক্যানসারের চিকিৎসা করাতে দীর্ঘ লাইন থাকে কলকাতার সরকারি হাসপাতালে। অনেকে চিকিৎসার সুযোগও পান না।

    রাজ্যের চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় কোনও রকম পরিকল্পনা নেই। বিজ্ঞাপনের জৌলুসে হারিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির খবর। তাই জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ উদ্বোধন হলেও সাধারণ মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন না। দিনের পর দিন সামান্য অসুখেও চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এদিকে ঝাঁ চকচকে বিল্ডিং গড়ে উঠছে। কিন্তু রোগী পরিষেবা তলানিতে গিয়ে ঠেকছে।

  • SSC Recruitment scam: এসএসকেএমে নয়, ভুবনেশ্বর এইমসেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

    SSC Recruitment scam: এসএসকেএমে নয়, ভুবনেশ্বর এইমসেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার, ২৫ জুলাই ভোরেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভুবনেশ্বর উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে রাজ্যের শিল্প-বানিজ্য মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। ভুবনেশ্বর এইমসেই হবে তাঁর শারিরীক পরীক্ষা। সেই রিপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে এসএসকেএমের চিকিৎসকদের রিপোর্ট। বিকেল ৪টের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টে। ইডি আর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষের আইনজীবিদের সওয়ালের পর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিবেক চৌধুরী অন্তর্বর্তী আদেশ অনেকটা এই রকমই।

    এর আগে এসএসকেএমে পার্থর চিকিৎসা নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীর বাদানুবাদ হয় এজলাসে। বিচারপতিও নিজের অবজারভেশনও জানান। ইডির দাবি, এসএসকেএম হাসপাতালে পার্থ ডনের মত আচরণ করছেন। ইডিকে ধমকাচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সহযোগিতা করছে না ইডির সঙ্গে।” এরপরই রাজ্যের মন্ত্রী পার্থকে এইমসে চিকিৎসার প্রস্তাব দেয় ইডি। যদিও পার্থর আইনজীবীরা এসএসকেএম হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসার পক্ষে সওয়াল করেন। দীর্ঘ শুনানির পর। অন্তর্বর্তী আদেশ দেন বিচারপতি চৌধুরী।   

    অন্তর্বর্তী আদেশে বিচারপতি চৌধুরী বলেন পার্থর সঙ্গে তাঁর একজন অ্যাডভোকেট ও এসএসকেএমের একজন চিকিৎসক থাকবেন। ভুবনেশ্বরের এইমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের টিম পরীক্ষা করবেন। চিকিৎসক দলে থাকবেন, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, এন্ডোক্রিনোলজির, রেসপিরেটরি মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। ভুবনেশ্বর এইমস, বেলা তিনটের মধ্যে তাঁদের রিপোর্টের কপি দেবেন, তদন্তকারী সংস্থার অফিসার, এসএসকেএমের চিকিৎসক ও অভিযুক্তের আইনজীবীর হাতে। তদন্তকারী অফিসার তাঁর সফটকপি পৌঁছে দেবেন কলকাতায় তাঁর আধিকারিকদের কাছে। সোমবার বেলা চারটের সময় ফের স্পেশাল কোর্টে হবে শুনানি। 

    ভুবনেশ্বর থেকেই অভিযুক্তকে ভারচ্যুয়ালি হাজির করতে হবে মহামান্য হাইকোর্টের সামনে। সেই রিপোর্ট দেখে আর দুপক্ষের সওয়াল শুনে পার্থ মামলায় চূড়ান্ত রায় দেবে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিকে পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ও দাবি করেছিলেন, তিনি অসুস্থ। জোকা ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, শারীরিক ভাবে সুস্থ অর্পিতা। জোকা ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকরা পার্থকেও সুস্থ বলে সার্টিফিকেট দেন। তারপরই তড়িঘড়ি তিনি অসুস্থতার দাবি করে এসএসকেএমে ভর্তি হন। ইডির দাবি নিম্ন আদালত এই বিষয়ে তাঁদের কোন আপত্তিই শোনেনি। এরপরই শনিবার রাতেই জরুরী ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টে আপিল করে ইডি।  

     

  • Partha Chatterjee: এসএসকেএম নৈব নৈব চ, পার্থর স্বাস্থ্যপরীক্ষা জোকা ইএসআই-তে, প্রয়োজনে তৈরি সেনা হাসপাতালও

    Partha Chatterjee: এসএসকেএম নৈব নৈব চ, পার্থর স্বাস্থ্যপরীক্ষা জোকা ইএসআই-তে, প্রয়োজনে তৈরি সেনা হাসপাতালও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিতের ঘটনা থেকে সতর্ক এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directodate)। এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC scam) গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নিয়মমাফিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা কোথায় করানো হবে, সেই নিয়ে সতর্ক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল।

    অতীতে, সারদা হোক বা নারদ, এসএসসি হোক বা কয়লাপাচার— যে কোনও মামলায় রাজ্যের শাসক দলের কোনও নেতা-মন্ত্রীকে গ্রেফতারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেই, তাঁরা সটান গিয়ে ভরতি হয়ে যাচ্ছেন এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে। যার জেরে, সবকিছু আয়ত্তের মধ্যে থেকেও শেষ মুহূর্তে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে সিবিআই-ইডির (CBI-ED) মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলকে। 

    পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে কান পাতলেই শোনা যায়, এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ড শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠেছে। তাই এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তার জন্য এবার আগাম সতর্কতা অবলম্বন করতে চাইছে ইডি। 

    সূত্রের খবর, ইডি একেবারেই চাইছে না, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এসএসকেএমে করাতে। তাদের পছন্দ সামরিক হাসপাতাল। যে কারণে, ইডি (ED) চাইছে, আদালতে পেশ করার আগে কমান্ড হাসপাতালে (Command Hopsital) মন্ত্রীমশাইয়ের নিয়মমাফিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে।

    তবে, এর জন্য দিল্লি থেকে অনুমতি মেলা প্রয়োজন। ইডি সূত্রে খবর, অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেলের অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল কলকাতা টিম। তা একবার হাতে চলে এলেই, কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো পার্থকে। যদিও, সেই নির্দেশ আসতে দেরি হওয়ায় শেষমেশ জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় রাজ্যের বর্তমান শিল্পমন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিবকে। সেখানেই হয় বিধিমাফিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা।

    এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শেষে অবশেষে শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিজিও কমপ্লেক্সে। আজই তাঁকে সম্ভবত তোলা হবে আদালতে। সেখানে পার্থকে নিজেদের হেফাজতে চাইতে পারে ইডি। একইসঙ্গে আটক করা হয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। গতকাল অর্পিতার ফ্ল্যাটে থেকে নগদ ২১ কোটির বেশি টাকা ও প্রায় ৫০ লক্ষাধিক টাকার গয়না উদ্ধার করেছন তদন্তকারীরা। 

  • SSC recruitment scam: হাসপাতাল-বর্মে রক্ষা অনুব্রতর, পার্থর কী হবে?

    SSC recruitment scam: হাসপাতাল-বর্মে রক্ষা অনুব্রতর, পার্থর কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই(cbi) এড়াতে এসএসকেএমে(sskm) গিয়ে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের(tmc) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(anubrata mondal)। অন্ততঃ বিরোধীদের অভিযোগ এমনই। অনুব্রত পারলেও, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়(partha chaterjee) পারবেন না। কারণ বাধা হয়ে দাঁড়াবে (calcutta high court) হাইকোর্টের রায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ সাফ জানায়, নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে পার্থকে। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি ডিভিশন বেঞ্চে যান পার্থ। চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ জারি করে ডিভিশন বেঞ্চ। 

    গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই তলব করে অনুব্রতকে। পরপর পাঁচবার ডেকে পাঠানো হয়  বীরভূমের এই দাপুটে তৃণমূল নেতাকে। প্রতিবারই নানা অজুহাতে সিবিআই এড়ান তিনি। শেষবারের বেলায় অনুব্রত সটান গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএমে। সিবিআই এড়াতেই অনুব্রত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে দাবি করেন বিরোধীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও হাসির রোল ওঠে।

    নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ এবং গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় নাম জড়ায় এসএসসির বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্তার। ওই ঘটনায় পার্থকে জেরা করার সিদ্ধান্ত নেয় সিবিআই। মামলাকারী আব্দুল গনি আনসারির দায়ের করা নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দেয়, এদিনই বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে পার্থকে। তবে সিবিআই এড়াতে কোনওভাবেই তিনি এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হতে পারবেন না।

    কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন পার্থ। শেষমেশ এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। এই চার সপ্তাহ কোনও তদন্ত করতে পারবে না সিবিআই। তার পরেই স্বস্তির শ্বাস ফেলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। 

    হাইকোর্টের রায় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে না চাইলেও, বিরোধীদের দাবি, সিবিআই এড়াতে রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতাই গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। যার প্রমাণ মিলল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে।  সিবিআই এড়াতে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতারা যে গিয়ে তড়িঘড়ি এসএসকেএমে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন, তার হাতে গরম উদাহরণ রয়েছে আরও। তৃণমূল নেতা মদন মিত্র, প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও সিবিআই এড়াতে হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। 

     

LinkedIn
Share