Tag: ST

ST

  • Suvendu Adhikari: পুজোর আগেই বড় ঘোষণা, রাজ্যে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগের ছাড়পত্র, ১২ হাজার পুলিশকর্মীকে নিয়োগপত্র ১১ অক্টোবর

    Suvendu Adhikari: পুজোর আগেই বড় ঘোষণা, রাজ্যে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগের ছাড়পত্র, ১২ হাজার পুলিশকর্মীকে নিয়োগপত্র ১১ অক্টোবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই রাজ্যবাসীর জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, বিভিন্ন সরকারি দফতরে মোট ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন পদে নিয়োগের প্রস্তাবে মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দিয়েছে। ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে (Police Recruitment)। রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের প্রায় ১২ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের প্রক্রিয়াও এগিয়েছে। আগামী ১১ অক্টোবর প্রথম দফায় যোগ্য প্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কর্মসংস্থান নিয়ে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আছে। আগের সরকার চাকরি চুরি করেছে, চাকরি দেয়নি, আপনার চাকরি ওবিসির জট পাকিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে। কিন্তু এই সরকার ১২ হাজার কনস্টেবলের নিয়োগ করেছে। পিএসসির পরীক্ষা চালু হয়েছে। আপনারা তো নেতিবাচক হলেই দেখান যে, পরীক্ষা শুরু হল না! কিন্তু অনেকগুলো পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। পিএসসি এখন সমস্ত বাকি পড়ে যাওয়া পরীক্ষা নিচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা ১ লাখ  চাকরি দেব। একদম নিশ্চিন্তে থাকুন। সব মিলিয়ে ১ লাখ চাকরি দেবে রাজ্য সরকার। এই অর্থবর্ষে আমরা নিয়োগপত্র দিয়ে দেব।”

    বিভিন্ন দফতরে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগ (Suvendu Adhikari)

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিভিন্ন দফতর মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন নিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজ্য লোকসেবা কমিশন এবং পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, আইন, গণশিক্ষা, সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা, বন, অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি পরিষেবা, সংশোধনাগার-সহ একাধিক দফতরে নিয়োগ হবে। কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন শাখাতেও নিয়োগ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে।

    ১১ অক্টোবর পুলিশের প্রথম দফার নিয়োগপত্র

    পুলিশে নিয়োগের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা দেবীপক্ষে সব করব। পিতৃপক্ষে শুভ কাজ হয় না। দেবীপক্ষ শুরু হয়ে যাবে ১০ তারিখ। ১১ তারিখে আমরা পুলিশের প্রথম ব্যাচকে নিয়োগপত্র তুলে দেব। আমি নিজে থাকব সেখানে।” প্রায় ১২ হাজার পুলিশকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই অধিকাংশ প্রার্থীর বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। যাঁদের শারীরিক পরীক্ষা, নথিপত্র যাচাই-সহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা ১১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ হবে, তাঁদের হাতে ওই দিন নিয়োগপত্র ও পুলিশের পোশাক তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী অবিবাহিতা ছাত্রীরা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় বছরে ১৭ হাজার টাকা করে এবং তৃতীয় বছরে ১৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে। অর্থাৎ তিন বছরে মোট ৫০ হাজার টাকা সহায়তা পাবেন উপযুক্ত ছাত্রীরা। আগামী জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের অর্থ দেওয়া শুরু হবে (Police Recruitment)।কর্মবন্ধুদের মাসিক ভাতাও বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতদিন তাঁরা মাসে ৫ হাজার টাকা করে পেতেন। সেই ভাতা বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করা হয়েছে। চলতি অক্টোবর মাস থেকেই বর্ধিত ভাতা কার্যকর হবে।

    তফশিলি পড়ুয়াদের খাবারের বরাদ্দ বাড়ল

    হস্টেলে থাকা তফশিলি জাতি ও উপজাতি পড়ুয়াদের খাবারের জন্য বরাদ্দও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। মাসিক খাবারের ভাতা ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের তফশিলি জাতি এবং উপজাতি পড়ুয়া যারা হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে, তাদের খাওয়ার জন্য বরাদ্দ আমরা অনেকটাই বৃদ্ধি করলাম।”

    ১০ অক্টোবর থেকে ১১২ জরুরি পরিষেবা

    রাজ্যে দ্রুত পুলিশি পরিষেবা পৌঁছে দিতে ১১২ নম্বরের জরুরি পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর, মহালয়ার দিন থেকে এই পরিষেবা চালু হবে। এর মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশের সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে (Police Recruitment)। সব মিলিয়ে পুজোর আগে নিয়োগ, শিক্ষা, কর্মবন্ধুদের ভাতা এবং পুলিশি পরিষেবা—একাধিক ক্ষেত্রে একগুচ্ছ ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। এর মধ্যে ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন নিয়োগ এবং চলতি অর্থবর্ষে মোট ১ লাখ চাকরি দেওয়ার ঘোষণা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ (Suvendu Adhikari)।

     

  • Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার জন্য প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) সমর্থন করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী (Mayawati)। এই বিলটি পাশ করাতে কয়েক দিনের মধ্যে একটি বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংসদ। এই অধিবেশনেই মহিলাদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাস করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমোর ভিন্ন সুরে যারপরনাই খুশি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মায়াবতী বলেন, “এটি অন্তত মহিলাদের প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি সূচনা।
    সংখ্যাটা হয়তো কম, কিন্তু এটি একটি শুরু, এবং আমরা একে স্বাগত জানাই। ৫০ না হলেও, ৩৩ শতাংশই চলবে।”

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mayawati)

    উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দল বিএসপি আগে থেকেই মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্য কোনও দল এতে রাজি হয়নি, ভবিষ্যতেও সম্মত হবে বলে মনে হয় না। আমরা শ্রদ্ধেয় বিআর আম্বেদকরকেও ধন্যবাদ জানাই, যিনি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।” তিনি জানান, ২০২৩ সালে প্রথম পাশ হওয়া আইন বাস্তবায়িত হতে দেরি হলেও তার দল একে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদিও দেরি হয়েছে, তবুও আমরা একে স্বাগত জানাই। যদি প্রকৃতপক্ষে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের—বিশেষত এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ দেওয়া হয়, তবে তা যথাযথ ও ঐতিহাসিক (Mayawati) হবে।”

    নারী ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াবতী বলেন, “মহিলাদের অধিকার নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও সুস্পষ্ট নীতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীকাল থেকে সংসদের তিন দিনের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও সঠিক নীতি ও ইচ্ছেশক্তির অভাবে তা যথাযথভাবে এগোয়নি। অন্যান্য (Womens Reservation Bill) বঞ্চিত গোষ্ঠীর মতো মহিলারাও এখনও বিভিন্ন অপরাধ ও হিংসার শিকার হচ্ছেন (Mayawati)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মায়াবতীর

    কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দলটির নীতিতে জাতিভেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর ফলে মহিলাদের সংরক্ষণ বিলম্বিত হয়েছে।” মায়াবতী বলেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতিভেদের কারণে এটি গ্রহণ করেনি এবং পরে ধাপে ধাপে তা পাশ করে। ফলে আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়। কারণ ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার, সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে ৮১৫টি আসন রাজ্যগুলির জন্য এবং ৩৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত হবে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকার ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চায়, যাতে ২০২৯ থেকে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যায় (Mayawati)। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সব রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়বে। এই বিশেষ অধিবেশনে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ সংশোধন এবং প্রস্তাবিত (Womens Reservation Bill) ডিলিমিটেশন বিলও নিয়ে আলোচনা হবে।

     

  • Religious Conversion: ‘তফশিলি জাতির সুবিধা সীমিত শুধু হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের জন্যই’, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Religious Conversion: ‘তফশিলি জাতির সুবিধা সীমিত শুধু হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের জন্যই’, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেউ যদি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে এবং তা পালন করে, তাহলে সে আর তফশিলি জাতির মর্যাদা দাবি করতে পারে না।” মঙ্গলবার একটি রায়ে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে সাফ (Religious Conversion) জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত উল্লেখ করেছে, তফশিলি জাতির পরিচয় শুধুমাত্র সেইসব ব্যক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যারা সংবিধানের ১৯৫০ সালের (SC) নির্দেশ অনুযায়ী হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম অনুসরণ করেন। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ১৯৫০ সালের এই আদেশে কোনও ধরনের অস্পষ্টতার সুযোগ নেই।

    তফশিলি জাতির মর্যাদা বাতিল (Religious Conversion)

    আদালত এও জানিয়েছে, ধারা ৩-এ অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কোনও ধর্মে ধর্মান্তরিত হলে, ব্যক্তির জন্ম যাই হোক না কেন, তার তফশিলি জাতির মর্যাদা সঙ্গে সঙ্গে এবং সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে যায়। বিচারপতিরা বলেন, “এই বিধিনিষেধ চূড়ান্ত এবং অচল।” আদালত জানিয়েছে, “সংবিধান, সংসদ বা রাজ্য বিধানসভা প্রণীত কোনও আইনের অধীনে কোনও সুবিধা, সুরক্ষা, সংরক্ষণ বা অধিকার এমন ব্যক্তিকে দেওয়া যাবে না, যিনি ধারা ৩ অনুযায়ী তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য নন। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ এবং এর কোনও ব্যতিক্রম নেই। একজন ব্যক্তি একই সঙ্গে ধারা ৩-এ উল্লিখিত ধর্মের বাইরে অন্য ধর্ম পালন করে তফশিলি জাতির সদস্যপদ দাবি করতে পারেন না।”

    খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন অভিযোগকারী

    এই রায়টি একটি মামলার শুনানির সময় দেওয়া হয়, যেখানে এক ব্যক্তি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে একজন পাদ্রি হিসেবে কাজ করছিলেন। ধর্মান্তরের পরেও তিনি তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে অভিযোগ দায়ের করেন, দাবি করেন যে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন (Religious Conversion)। এই দাবি চ্যালেঞ্জ করে অভিযুক্ত পক্ষ জানায়, তিনি আর তফশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত নন। তাই ওই আইনের সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার তাঁর নেই। সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সঙ্গে সহমত পোষণ করে জানিয়ে দেয়, কোনও ব্যক্তি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ ও চর্চা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর তপশিলি জাতির মর্যাদা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শেষ হয়ে যায় (Supreme Court)।

    এসসি-এসটি আইন

    জানা গিয়েছে, মামলাটি একটি ফৌজদারি আবেদনের মাধ্যমে শুরু হয়, যেখানে এসসি-এসটি আইনের ৩(১)(আর), ৩(১)(এস), ৩(২)(ভিএ) ধারা-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৫০৬ ও ৩২৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগকারী, যিনি পিট্টালাভানিপালেম গ্রামে রবিবারের প্রার্থনা পরিচালনা করেন, অভিযোগ করেন, তিনি বারবার হামলা, প্রাণনাশের হুমকি এবং তাঁর পরিবারের ওপর আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁকে জাতিগত গালিগালাজ করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে তিনি মামলা দায়ের করেন (Religious Conversion)। তদন্ত শেষ হয়ে চার্জশিট দাখিল হওয়ার পর, অভিযুক্ত হাইকোর্টে আবেদন করে মামলাটি খারিজ করার দাবি জানান। অভিযুক্তের যুক্তি ছিল, এসসি এবং এসটি আইনের অধীনে এফআইআর দায়ের করা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ অভিযোগকারী খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং একজন পাদ্রি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “১৯৫০ সালের সংবিধান (শিডিউল কাস্টস) আদেশ স্পষ্টভাবে জানায়, যে ব্যক্তি আর হিন্দুধর্ম অনুসরণ করেন না, তাঁকে তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে না (Religious Conversion)।”

  • Baba Kartik Oraon: দেশজুড়ে পালিত হল বাবা কার্তিক ওরাঁওয়ের জন্মশতবার্ষিকী

    Baba Kartik Oraon: দেশজুড়ে পালিত হল বাবা কার্তিক ওরাঁওয়ের জন্মশতবার্ষিকী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৯ অক্টোবর দেশজুড়ে পালিত হল বাবা কার্তিক ওরাঁওয়ের (Baba Kartik Oraon) জন্মশতবার্ষিকী। মহান, অথচ বিস্মৃত-প্রায় এই নেতাকে স্মরণ করল দেশ। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা এই মানুষটি সংসদে হয়ে উঠেছিলেন ভারতের বনবাসী (Vanvasi) সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বর। কার্তিক ওরাঁও শিক্ষাবিদ, রাষ্ট্রনায়ক এবং জাতীয়তাবাদী চিন্তক। তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের জন্য। স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের অস্থির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতার পক্ষে লড়াই চালিয়েছিলেন তিনি।

    ধর্মনিষ্ঠ নেতা (Baba Kartik Oraon)

    জাতীয় কংগ্রেসের এই প্রবীণ নেতা ছিলেন ধর্মনিষ্ঠ। জাতীয় আদর্শের প্রতি তাঁর দৃঢ় মানসিকতার কারণে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে নানা সময় মতবিরোধ হয়েছে তাঁর। কার্তিকের উত্তরাধিকার কেবল মধ্য ভারতের আদিবাসী উন্নয়নের কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তিনি ধর্মান্তরণ আন্দোলনেরও বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁর মতে, ধর্মান্তরণ আন্দোলন ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বন্ধনকে বিপন্ন করেছিল।কার্তিকের অন্যতম সাহসী পদক্ষেপগুলির একটি ছিল ১৯৬৭ সালে, যখন তিনি সংসদে একটি ব্যক্তিগত সদস্য বিল উত্থাপন করেন। বিলটির নাম “তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতি (অর্ডার) সংশোধন বিল, ১৯৬৭ (Baba Kartik Oraon)।”

    তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতি (অর্ডার) সংশোধন বিল, ১৯৬৭

    এই বিলটি সংবেদনশীল হলেও, জরুরি সমস্যার সমাধান চেয়েছিল। প্রস্তাবিত সংশোধনের মূল কথা ছিল সহজ, যদিও তার প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। বিলটির নির্যাস হল, যাঁরা তাঁদের প্রথাগত আদিবাসী ধর্ম ছেড়ে খ্রিস্টান কিংবা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, তাঁরা আর তফসিলি জনজাতির জন্য নির্ধারিত সরকারি সুবিধা পাওয়ার অধিকারী নন। তাঁর মতে, ইতিবাচক পদক্ষেপের লক্ষ্যই ছিল হিন্দু সমাজের অন্তর্গত সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত জনগোষ্ঠীগুলিকে উন্নীত করা, ধর্মীয় সমতার ছদ্মবেশে নতুন ধরনের শোষণকে উৎসাহিত করা নয়।

    বিলটি সংসদের যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছিল। দু’বছর নিবিড় আলোচনা ও পর্যালোচনার পর ১৯৬৯ সালের নভেম্বর মাসে কমিটি (Vanvasi) তাদের রিপোর্ট জমা দেয়। সেখানে কার্তিকের অবস্থানকেই সমর্থন করা হয়। কার্তিক বিশ্বাস করতেন, আদিবাসী ধর্ম ও হিন্দু ধর্ম একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেই কার্তিককেই এদিন স্মরণ করল গোটা দেশ (Baba Kartik Oraon)।

LinkedIn
Share