Tag: Student Union Election

  • Jamia Millia Islamia: জামিয়ায় বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, অনলাইনে ক্লাসের সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের

    Jamia Millia Islamia: জামিয়ায় বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, অনলাইনে ক্লাসের সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালুর দাবিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া (Jamia Millia Islamia) বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষ বাধে। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েক জন অনশনেও বসেছিলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পরেই অনলাইনে ক্লাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেন (Students Guards Clash) কর্তৃপক্ষ।

    উত্তেজনার সূত্রপাত (Jamia Millia Islamia)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, বিক্ষোভরত পড়ুয়ারা যে তাঁবুগুলির নীচে অবস্থান করছিলেন, সেগুলি সরাতে শুরু করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন পুনর্বহাল করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে এই দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন তাঁরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মেহতাব আলম রিজভির অভিযোগ, শুক্রবার কংগ্রেসের দুই সাংসদ ইমরান প্রতাপগড়ি এবং ইমরান মাসুদ বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশ করেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পাঁচিল টপকে ক্যাম্পাসে ঢুকে পরিবেশ উত্তপ্ত করেন। তাঁদের উপস্থিতি পড়ুয়াদের উসকে দিয়েছে বলেও অভিযোগ রিজভির। তাঁর বক্তব্য, পড়ুয়াদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    তবে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সর্বভারতীয় ছাত্র সংগঠন এআইএসএ। সংগঠনের অভিযোগ, কোনও প্ররোচনা ছাড়াই অনশনরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কর্তৃপক্ষ।

    হিংসার জেরে ভাঙা হয়েছিল ছাত্র সংসদ

    উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ক্যাম্পাসে হিংসার জেরে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ছাত্র সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় হিংসার কারণে পঠনপাঠনও ব্যাহত হয়। আন্দোলনকারীরা এখন ওই ছাত্র সংসদ পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছেন (Jamia Millia Islamia)।

    এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে ভারতবিরোধী স্লোগান লেখাকে কেন্দ্র করেও সম্প্রতি উত্তেজনা ছড়ায়। ওই স্লোগানের সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের যোগ রয়েছে বলে দাবি ওঠে। ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

    গত ২১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে লেখা চিঠিতে সিপিআই(এম)-এর সাংসদ জন ব্রিটাস প্রায় দু’দশক ধরে (Students Guards Clash) বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচিত ছাত্র সংসদ না থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন। বাক্‌স্বাধীনতা ও সংগঠন গঠনের সাংবিধানিক অধিকার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ছাত্র অধিকার সংক্রান্ত নির্দেশিকা এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে লিংডো কমিটির সুপারিশের উল্লেখ করে ছাত্র সংসদ পুনর্বহালের পক্ষে সওয়াল করেন (Jamia Millia Islamia) তিনি।

     

  • Gen Z: নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রতি নতুন প্রজন্মের গভীর আস্থা, ওড়িশায় বিপুল জয় এবিভিপির

    Gen Z: নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রতি নতুন প্রজন্মের গভীর আস্থা, ওড়িশায় বিপুল জয় এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৮ বছরের বিরতির পর ওড়িশার বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতে ছাত্রসংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বিপুল জয় লাভ করেছে অখিল ভারতীয় শিক্ষার্থী পরিষদ (ABVP)। তরুণ প্রজন্ম বা ‘জেন-জি’ (Gen-Z)-র এই রায়কে দেশের রাজনীতির জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।দিল্লি সমেত সর্বত্র ‘জেন-জি’ নাম দিয়ে আন্দোলনে নামে বিশৃঙ্খলা, অসভ্যতামি করা হলেও, ‘জেন-জি’ যে জাতীয়তাবাদের সাথে আছেই আছে তা প্রমাণ হল ওড়িশায়।

    নির্বাচনের ফলাফল

    ওড়িশার মোট ১৩টি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৮টিতে সভাপতি পদে এবং ১১টিতে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছে এবিভিপি। এর পাশাপাশি রাজ্যের ৩৪৬টি কলেজের মধ্যে ২০৮টি কলেজে সভাপতি এবং ২২১টি কলেজে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছে এবিভিপি (ABVP)। ভুবনেশ্বরের উৎকলা বিশ্ববিদ্যালয়, কটকের রেভেনশ বিশ্ববিদ্যালয়, সম্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেওনঝড়ের ধরনীধর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবিভিপি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে।

    বছরের পর বছর ধারাবাহিক কাজ

    এবিভিপির (ABVP) এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সারা বছর ধরে চালানো বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কাজ। এবিভিপির ওড়িশা রাজ্য নেতৃত্বের মতে, এটি কোনো সাময়িক রাজনৈতিক ফল নয়। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অধিকার রক্ষা, ক্যাম্পাসের নানা সমস্যা সমাধান এবং ‘হোয়াই আই স্ট্যান্ড’ (Why I Stand) প্রচারের মাধ্যমে যে বিশ্বাস অর্জিত হয়েছে, তারই প্রতিফলন এই বিপুল ভোট।

    অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝির প্রতিক্রিয়া

    এবিভিপির এই বিশাল জয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ওড়িশায় এই জয় প্রমাণ করে যে দেশের তরুণ সমাজ ‘দেশ প্রথম’ (Nation First) নীতিকেই সমর্থন করছে। মিথ্যা, বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী রাজনীতিকে তরুণ সমাজ প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি এবিভিপি-কে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, এই ফলাফল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের প্রতি নতুন প্রজন্মের (Gen Z) গভীর আস্থা প্রকাশ করে। তিনি নতুন নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের কাছে শৃঙ্খলা, জ্ঞান ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    নতুন নেতৃত্বের সূচনা

    ৮ বছর পর এই নির্বাচন (ABVP) হওয়ায় ওড়িশার কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আবার নতুন করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও ছাত্র রাজনীতির সক্রিয়তা ফিরে এসেছে। নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তাঁরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ক্যাম্পাসের সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন।

  • ABVP: কেরলের কলেজে এসএফআই শাসনের অবসান, সব প্রধান পদেই জয়ী এবিভিপি

    ABVP: কেরলের কলেজে এসএফআই শাসনের অবসান, সব প্রধান পদেই জয়ী এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের ত্রিপুনিথুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বড়সড় পালাবদল। দীর্ঘদিন ধরে কলেজের ছাত্র সংসদে প্রভাব ধরে রেখেছিল এসএফআই। তাদের সরিয়ে এ বার সংসদের নিয়ন্ত্রণ নিল এবিভিপি (ABVP)। নির্বাচনে ছ’টি প্রধান পদেই জয়ী হয়েছে এবিভিপি। কলেজটি (Kerala Tripunithura College) দীর্ঘদিন ধরেই এসএফআইয়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

    জানা গিয়েছে, চেয়ারপার্সন পদে জয়ী হয়েছেন স্নিগ্ধা এম হরি। ভাইস চেয়ারপার্সন হয়েছেন আদিত্য টি এ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বিগ্নেশ ভট্ট। ম্যাগাজিন সম্পাদক হয়েছেন বিগ্নেশ ডি এবং আর্টস ক্লাব সম্পাদক পদে জয় পেয়েছেন অঞ্জলি টি। বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিয়ন কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়েছেন নিবেদ্যা কে এন। দ্বিতীয় স্নাতক প্রতিনিধি এবং দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর প্রতিনিধি পদে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে শিবানি আর এবং অবনী সি বি।

    চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কলেজটিতে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের প্রভাব ছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বার সেই দীর্ঘ আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে এবিভিপির এই ফলাফল ত্রিপুনিথুরার ছাত্র রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে উঠে এসেছে।

    জয়ী এবিভিপি (ABVP)

    ফল প্রকাশের পর এবিভিপির তরফে এই জয়কে এসএফআইয়ের কথিত “ছাত্রবিরোধী নীতির” বিরুদ্ধে ছাত্রদের রায় হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংগঠনের এক প্রতিনিধির দাবি, ত্রিপুনিথুরার এই ফল কেরলের অন্যান্য কলেজে এবিভিপির সংগঠনগুলিকেও উৎসাহিত করবে।

    এবিভিপির আরও অভিযোগ, আগের এসএফআই-নিয়ন্ত্রিত ছাত্র সংসদগুলি সংস্কৃত ভাষা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি। ছাত্রদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। এসএফআইয়ের কার্যকালে পর্যাপ্ত ছাত্রকল্যাণমূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেছে এবিভিপি।

    পুরসভায়ও পালাবদল

    ত্রিপুনিথুরার বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গেও এই ফলকে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি ত্রিপুনিথুরা পুরসভার নিয়ন্ত্রণ নেয় বিজেপি। ২০২৫ সালের স্থানীয় নির্বাচনে বিজেপি ২১টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হয়; বাম গণতান্ত্রিক জোট পেয়েছিল ২০টি এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ১২টি আসন। পরে পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদও দখল করে (ABVP) বিজেপি।

    তবে পুরসভা নির্বাচন এবং কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন পৃথক বিষয়। তাই কলেজের এই ফলকে বৃহত্তর জনমতের সরাসরি প্রতিফলন বলা বোধহয় ঠিক হবে না। সরকারি সংস্কৃত কলেজটি মহাত্মা গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মেনেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন পরিচালিত হয় (Kerala Tripunithura College)।

    ত্রিপুনিথুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজে দীর্ঘদিনের এসএফআই-প্রভাবের পর এবিভিপির এই জয় কেরলের ক্যাম্পাস রাজনীতিতে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে রাজনৈতিক পরিসর দখলের প্রতিযোগিতাকে নতুন মাত্রা দিল (ABVP) বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

     

LinkedIn
Share