Tag: students

students

  • Attack: ভাটপাড়ায় স্কুলে এসে পড়ুয়াদের উপর এভাবে হামলা চালাল প্রতিবেশী যুবক! কেন জানেন?

    Attack: ভাটপাড়ায় স্কুলে এসে পড়ুয়াদের উপর এভাবে হামলা চালাল প্রতিবেশী যুবক! কেন জানেন?

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ স্কুলের টিফিনের সময় ছোট ছোট পড়ুয়ারা নিজেদের মধ্যে খেলা করছিল। তাতে একটু চিত্কার হয়েছে। এটাই অপরাধ। আর তার জেরেই প্রতিবেশী অমিত সাউয়ের কাঁচা ঘুম ভেঙে যায়। সমস্ত রাগ গিয়ে তার স্কুল পড়ুয়াদের উপর পড়ে। আর দুপুর বেলায় কাঁচা ঘুম ভাঙানোর অপরাধে নিজের বাড়ি থেকে লাঠি নিয়ে সটান হাজির হয় বাড়ি পাশে থাকা স্কুলে। আর লাঠি দিয়ে স্কুলের গেটের সামনে মহানন্দে খেলা করতে থাকা পড়ুয়াদের বেধড়ক পেটায় (Attack) বলে অভিযোগ। ভাটপাড়ার ৪ নম্বর গলির সর্বোদয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্কুলের মধ্যে এসে এভাবে পড়ুয়াদের লাঠিপেটা (Attack)  করতে দেখে সকলেই হতবাক হয়ে গিয়েছেন। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অমিত সাউ নামে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর কেন সে এভাবে স্কুল পড়ুয়াদের মেরেছে তা পরিষ্কার নয়। তার মানসিক চিকিত্সা করা জরুরি। আদালতে বিষয়টি বলব।

    ঠিক কী ঘটেছিল? Attack

     প্রতিবেশী ওই যুবকের আচমকা হামলার (Attack)  জেরে ১৭ জন স্কুল পড়ুয়া জখম হয়। ক্লাস টু, থ্রি এবং ফোরের পড়ুয়া রয়েছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিত্সা করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই অভিভাবকরা পড়ুয়াদের সঙ্গে নিয়ে ভাটপাড়া থানার সামনে হাজির হন। তাঁরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এক অভিভাবক বলেন, আমার ছেলে ক্লাস থ্রিতে পড়ে। সে বন্ধুদের সঙ্গে টিফিনের সময় খেলা করছিল। সেই সময় ওই যুবক এসে আমার ছেলে সহ বন্ধুদের বেধড়ক মেরেছে (Attack) । এটা হতে পারে না। স্কুলের মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা ওই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। অন্য এক অভিভাবক বলেন, ওই যুবকের হামলায় (Attack)  আমার ছেলে জখম হয়েছে। ও মানসিকভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ও ভয়ে সিঁটিয়ে থাকছে। কারও সঙ্গে কথা বলছে না। আসলে খেলা করার সময় আচমকা হামলা (Attack)  চালিয়েছে বলে ও চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত যুবক প্রকাশ্যে যাতে আর বাইরে বের হতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে এই ধরনের ঘটনা সে আরও করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School: ডিএ-র দাবিতে ধর্মঘটে শিক্ষকরা সামিল হওয়ার অপরাধে স্কুলে একী করল তৃণমূল?

    School: ডিএ-র দাবিতে ধর্মঘটে শিক্ষকরা সামিল হওয়ার অপরাধে স্কুলে একী করল তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ধর্মঘটে অন্যান্য সরকারি কর্মীদের সঙ্গে সামিল হয়েছিলেন গঙ্গারামপুরের পর্ত্তিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (School) শিক্ষক শিক্ষিকারা। এটাই ছিল এই স্কুলের শিক্ষকদের অপরাধ। শুধুমাত্র সেই কারণে শনিবার তাঁরা স্কুলে (School)  গিয়ে দেখেন আগে থেকেই স্কুলে তালা ঝুলছে। খোঁজ নিয়ে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানতে পারেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা এই তালা ঝুলিয়েছে। শাসক দলের নেতারা তালা লাগিয়েছে, সেই তালা ভাঙা সাহসও কারও নেই। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা একজন সিভিককে পাঠিয়ে নিজেদের দায় এড়িয়েছেন। এই বিষয়টি শুধু পর্ত্তিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নয়, পাশের রাঘবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই ঘটনা ঘটেছে। তালা মারার ঘটনা অন্যদের জানাতে চাইলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

     কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা? School

     বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ও যৌথ মঞ্চের সদস্যরা ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন। গঙ্গারামপুর পর্ত্তিপাড়া, রাঘবপুর সহ একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারাও ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন। শনিবার স্কুলে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকারা দেখেন তালা ঝুলছে।এদিকে ঠাঁই রোদে স্কুলের সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাশাপাশি পড়ুয়ারাও দাঁড়িয়ে ছিলেন। দুপুর একটার পর তৃণমূল নেতৃত্ব তালা খুলে দেন। দুপুর একটার পর স্কুল খোলার কারণে আজ স্কুলে মিড ডে মিলও হয়নি। এবিষয়ে পর্ত্তিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (School)  প্রধান শিক্ষিকা নূপুর সাহা বলেন, ধর্মঘটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আগেই জানানো হয়েছিল। পুরো বিষয়টি জানানোর পরে আমরা ধর্মঘটে সামিল যোগ দিয়েছিলাম। আমাদের এই অপরাধে স্কুলে তালা মেরে দেওয়া হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা স্কুলে তালা ঝোলানোর পাশাপাশি অকথ্য ভাষায় আমাদের গালিগালাজ করে।ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানিয়ে কোনো লাভ হয়নি।

    এবিষয়ে নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক শংকর ঘোষ বলেন, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। ধর্মঘট, আন্দলোন করা এটা গণতান্ত্রিক অধিকার। এই বিষয়ে সরকারকেও উদ্যোগ নেওয়া উচিত। আমরা যারা ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলাম আমাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিতেই পারে। এটি সম্পূর্ণ আইনি ব্যাপার। এভাবে স্কুল বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের হেনস্থা করার অধিকার কারও নেই। এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করতে বলুন না, উনি তো বলেছিলেন শিক্ষকরা ধর্মঘট করলে তাদের বেতন কাটা যাবে। যারা স্কুলে তালা মারল তাদেরও মাইনে কাটা উচিত। তাদের কাছ থেকে একদিনের টাকা নেওয়া উচিত। একদিনের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ল, বাচ্চাদের ক্ষতি হল তার দায় কে নেবে। তৃণমূল তো এটাই চায়। হীরক রাজাও স্কুল বন্ধ করে দিয়েছিল। এই নতুন হীরক রানি ও তাঁর দলবল স্কুল বন্ধ করে দিতে চায়। এরা যত বেশি জানে তত বেশি মানে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Education: ‘উন্নয়নের শপথ’ কি নামেই? খুদে পড়ুয়াদের ক্লাসরুমেও ঢুকে পড়ছে বিষধর সাপ!

    Education: ‘উন্নয়নের শপথ’ কি নামেই? খুদে পড়ুয়াদের ক্লাসরুমেও ঢুকে পড়ছে বিষধর সাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলে ঢুকে পড়ছে বিষধর সাপ। বৃষ্টি হলেই ফুটো হওয়া টিনের চাল দিয়ে জল পড়ছে ক্লাসরুমে। এমনকী বৃষ্টির জল স্কুল চত্বরেও ঢুকে পড়ছে। এছাড়া টিনের গরমে নাজেহাল অবস্থা খুদে পড়ুয়াদের (Education)। এমনই বেহাল দশা বালুরঘাট শহর লাগোয়া খিদিরপুরের শান্তিময় ঘোষ স্মৃতি কলোনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

    স্কুলের বেহাল দশা, আতঙ্কিত পড়ুয়ারা

    অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ওই স্কুল সংস্কার করা হয়নি। জেলার প্রায় অধিকাংশ স্কুলের ছাদ পাকা হলেও এখনও ওই স্কুলের ছাদ হয়নি। তাই বৃষ্টি ও ঝড়বাদলে চরম দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়। শুধু ওই স্কুল (Education) নয়, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়েই বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার হয়নি। অনেক স্কুলের বিল্ডিং পুরনো ও জীর্ণ দশায় পরিণত হয়েছে। কোথাও বা ছাদের একাংশ খসে পড়ছে। যা নিয়ে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট শহরের সীমানা বরাবর ওই স্কুলটি (Education) অবস্থিত। ১৯৮৯ সালের হলেও ওই স্কুল এখনও টিনের। চারদিকে দেওয়াল থাকলেও একেবারে জীর্ণ। একটিমাত্র ঘর ও একটি রান্নাঘর নিয়েই চলছে স্কুল। ছাত্র সংখ্যা ২৫ জন। শিক্ষিকা ২ জন। কিন্তু ওই স্কুলের বেহাল দশায় দিন দিন পড়ুয়ার সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। স্কুলের চারদিকই ঢোবা-জঙ্গলে পরিপূর্ণ। তাই এই গরমে সাপের উৎপাত বাড়ছে। যা নিয়ে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্কও বাড়ছে। 

    কী বলছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ও জেলা সংসদ চেয়ারম্যান?

    এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নীতা ঘোষ দাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের স্কুল (Education) খারাপ হয়ে আছে। স্কুল সংস্কারের জন্য দফতরে জানিয়েছি। ওই স্কুলের এক ছাত্রের অভিভাবক মিলন মোহন্ত বলেন, স্কুলে সাপ ঘুড়ে বেড়ায়। টিন ফুটো হয়ে জল পড়ে। এমনকী বৃষ্টির জল ঢুকে যায়। যার ফলে আমরা খুব উদ্বিগ্ন। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান সন্তোষ হাঁসদা বলেন, কিছু স্কুল (Education) খারাপ আছে। সেই রিপোর্ট আমার কাছে এসেছে। তবে স্কুলগুলি কেন সংস্কার হচ্ছে না, তা নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School:  স্কুলে ২৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতে ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা! কোথায় দেখে নিন

    School: স্কুলে ২৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতে ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা! কোথায় দেখে নিন

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বাংলা মাধ্যমে পড়ার অনীহা, নাকি অভিভাবকদের ইংরেজি মাধ্যমে ভর্তি করার প্রবণতা? যে কোন কারণেই হোক বাংলা মাধ্যম স্কুল গুলিতে কিভাবে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমছে তা কোন্নগর জোড়াপুকুরে নগেন্দ্রনাথ কুন্ডু বিদ্যালয়ে (School) গেলেই বোঝা যায়। প্রায় ৫০ বছরের পুরানো স্কুল। এক সময় স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের ভিড়ে গম গম করত। এলাকার অধিকাংশ ছেলেমেয়েরা এই স্কুলেই (School)  পড়শুনা করেছেন। কিন্তু, এখন স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকলেও নতুন করে কেউ আর ভর্তি হতে চায় না। এই স্কুলের (School) পরিকাঠামোতে কোন গলদ নেই। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে মিড ডে মিল সবই চালু। স্কুলে এখন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন ১০ জন। ২ জন শিক্ষা কর্মী রয়েছেন। আর ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২৭ জন। পড়়ুয়ার অভাবে রাজ্যে ৮ হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামীদিনে এই স্কুল সেই পথেই হাঁটছে।

    কেন কমছে স্কুলের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা? School

    এই স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ানা হয়। সাধারণত যে স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত রয়েছে, সেখানেই অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের ভর্তির বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এই বিষয় নিয়ে স্কুলের (School) এক শিক্ষিকা দীপান্বিতা চক্রবর্তী বলেন, ২০২১ সালে অন্য স্কুল (School) থেকে বদলি হয়ে এই স্কুলে এসেছি। তখন থেকে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কম। আমার মনে হয়েছে, বর্তমান অভিভাবকদের ইংরেজি স্কুলে পড়ানোর প্রবণতা বাড়ছে। সেই কারণে শুধু এই স্কুলে (School)  নয় সারা রাজ্যের বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলি ধুঁকছে। অভিভাবকরা সাধারণত চেষ্টা করেন পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে একেবারে উচ্চমাধ্যমিক অবধি একই স্কুলে (School) রেখে দিতে। কিন্তু এই স্কুলে (School)  সেই ব্যবস্থা নেই। স্কুলের মাঠের অবস্থাও ভাল না। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। পঠনপাঠনকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়। আশা রাখব, ভবিষ্যতে এই অবস্থা থাকবে না।

    স্কুলটি কোন্নগর পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে পড়ে। স্থানীয় কাউন্সিলর বাবলু পাল বলেন, এই স্কুল বহু পুরোনো। বর্তমানে এর গরিমা হারালেও একসময় এই স্কুল রমরম করে চলতো। আসলে বিগত সরকারের ভ্রান্ত শিক্ষানীতি, প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি উঠিয়ে দেওয়া এবং বর্তমানে শিক্ষায় ইংরেজির গুরুত্ব ,সব কিছু ধরে দেখা যাবে এখনকার অভিভাকরা চাইছেন ছেলেমেয়েরা ইংরেজি ভালো করে শিখুক। তাই তারা বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে (School) ভর্তি করাতে চান। সেই জন্যই এই ধরণের বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলি ডুবছে। দুঃখের বিষয় যাঁরা শিক্ষক হওয়ার জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন তাঁরাই আবার তাঁদের উত্তরসূরি দের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে দিচ্ছেন। কি আর হবে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share