Tag: Summit

  • BJP: ‘‘রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’’, বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভকে ‘অশ্বডিম্ব’ উল্লেখ শমীক-শুভেন্দুর

    BJP: ‘‘রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’’, বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভকে ‘অশ্বডিম্ব’ উল্লেখ শমীক-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার এক আমজনতার আইওয়াশের চেষ্টা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)! বুধবার থেকে শুরু হয়েছে দু’দিন ব্যাপী বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভ। মুখ্যমন্ত্রীর এই আইওয়াশের চেষ্টাকে তুলোধনা করল বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, বেঙ্গল বিজনেস সামিটে একের পর এক মউ স্বাক্ষরিত হলেও, রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে শিল্পোন্নয়ন হয়নি বলেও দাবি তাদের। শুধু তাই নয়, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে যতগুলি বেঙ্গল বিজনেস সামিট হয়েছে, তাতে কতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং কত টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেভইয়ার্ড’ (BJP)

    ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেভইয়ার্ড’ নামের এই পুস্তিকায় এখনও পর্যন্ত কতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, বিজিবিএসে মোট কত টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তার বিশদ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ফি বছর কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে রাজ্যে আয়োজন করা হয় বেঙ্গল বিজনেস সামিটের। দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা অংশ নেন এই সামিটে। রাজ্যে শিল্পোন্নয়নের উদ্দেশে আয়োজন করা হয় এই সম্মেলনে। সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজন হয় ভুরিভোজেরও। বিরোধীদের অভিযোগ, শেষে সেই সামিট প্রসব করে আক্ষরিক অর্থেই অশ্বডিম্ব। নতুন বছরের মার্চ-এপ্রিলেই যেহেতু রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, তাই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০২৬ সালের বিজিবিএস হবে ভোটের পরে। তবে এর গতি বজায় রাখতে সরকার আয়োজন করেছে এই কনক্লেভের।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ-বাণ

    একেই কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “এবার মুখ্যমন্ত্রী ভারাক্রান্ত এবং ক্লান্ত। তাই নিউটাউনে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের বদলে তাঁর বাড়ির কাছে ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে দু’দিনের বিজনেস সামিট করছেন। রাজ্যের (BJP) বিপর্যয়ের বিষয়টি পুস্তিকার আকারে প্রকাশ করেছি। বিজেপি এই পুস্তিকা আগামী কয়েক দিনে পশ্চিমবঙ্গের (Mamata Banerjee) সব স্তরে এবং বুথ স্তরে ক্যাম্পেনিংয়ের আকারে পৌঁছে দেওয়ার একটা উদ্যোগ নিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।”

    শমীকের তির

    বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ভারী শিল্প ছাড়া বাংলা মুক্তি পাবে না। তৃণমূল ৯২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সিপিএম এমন অবস্থা করে দিয়ে গিয়েছে যে কেউ লিজ নিতেও চাইবে না। তাও মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে সবটা দেখবে। কিন্তু তা হয়নি।” শমীকের কথায় উঠে আসে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গও। তিনি জানান, শিল্পের জন্য যদি জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হয় (BJP), তাহলে সেটাও করতে হবে, তবে তার আর্থিক অংশীদারি দিতে হবে সেই সব কৃষকদের যাঁদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। গেরুয়া সৈনিক বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেন বাংলাকে গুজরাট, মহারাষ্ট্র হতে দেব না। অথচ সেই মহারাষ্ট্রেই বিদেশি বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় বেশ কয়েকগুণ বেশি। পাততাড়ি গুটিয়ে এ রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন একের পর এক শিল্পপতি (Mamata Banerjee)।”

    শুভেন্দুর ফিরিস্তি

    শুভেন্দুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তার ঠিক পরের বছর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৯০টি, লগ্নির ঘোষণা করা হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার। ২০১৭ সালে মউ চুক্তি হয়েছিল ১১০টি, ঘোষণা করা হয়েছিল বিনিয়োগ করা হবে ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। উনিশে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৮৬টি। করোনা অতিমারির পরে ২০২২ সালে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল ৩ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার। তার পরের বছর ৩ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা। এই বছর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৮৮টি। শুভেন্দুর অভিযোগ, এতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হলেও কার্যকর হয়নি তার সিংহভাগই (BJP)।

    শিল্প কোথায়

    এই সম্মেলন করতে গিয়ে খরচ হয়েছে কত, তারও ফিরিস্তি দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, ২০১৬ সালে বাণিজ্য সম্মেলনে ৩০ কোটি, ২০১৭ সালে ৩৫ কোটি, ২০১৮ সালে ৪০ কোটি, উনিশে ৪৫ কোটি, ২৩ সালে ৫০ কোটি এবং ২০২৪ সালে খরচ হয়েছে ৬৭ কোটি টাকা (Mamata Banerjee)। মোট বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ২০ লাখ কোটি টাকা এবং ৮০০টি মউ স্বাক্ষরিত হলেও, কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে লগ্নির পরিমাণ শূন্য। যেটুকু বিনিয়োগ হয়েছে, তা মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে। বড় কোনও শিল্প এ রাজ্যে হয়নি (BJP)।

  • Putin Modi Meet: বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন পুতিন, মোদির সঙ্গে কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Putin Modi Meet: বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন পুতিন, মোদির সঙ্গে কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে (Annual Summit) যোগ দিতে ভারতে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin Modi Meet)। আগামী ৪-৫ তারিখ ভারতে কাটাবেন তিনি। এই সময়ের মধ্যেই পুতিন বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। সাক্ষাৎ করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও। উল্লেখ্য, এটি গত চার বছরে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দেশের নেতাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ করে দেবে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Putin Modi Meet)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আসন্ন রাষ্ট্রীয় সফরটি ভারত ও রাশিয়ার নেতৃত্বকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির পর্যালোচনা করার, ‘বিশেষ এবং সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’কে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করার এবং পারস্পরিক স্বার্থসম্পন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলিতে মতবিনিময় করার সুযোগ করে দেবে।” ক্রেমলিনের তরফেও বলা হয়েছে, আলোচনার বিস্তৃত পরিসর রয়েছে, যেখানে রাজনীতি, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও বৈশ্বিক বিষয়-সহ বহু ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকারি একটি নোটে ক্রেমলিন জানিয়েছে, “এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের ব্যাপক অ্যাজেন্ডা বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারত্বের আওতায় সর্বাঙ্গীনভাবে আলোচনা করার সুযোগ দেবে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও বিবেচনা করা হবে।”

    প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা

    সূত্রের খবর, শীর্ষ সম্মেলনে (Annual Summit) ভারত ও রাশিয়া মূলত প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবে। ভারত আরও এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে চায়। কারণ ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় এগুলি খুবই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। তিনটি ইউনিট এসে গিয়েছে। আরও দুটি আসার কথা আগামী বছরে। কেন সরবরাহে দেরি হচ্ছে রাশিয়ার কাছে তা জানতে চাইবে ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ন্যাশনাল সিকিউরিটি সামিটে বলেন, “এস-৪০০ সংক্রান্ত আলোচনা হলেও এই বৈঠকে এ সম্পর্কে কোনও ঘোষণা আশা করবেন না। এই বৈঠক দুপক্ষের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বৃহত্তর দিকগুলিতে কেন্দ্রীভূত থাকবে।” শুধু তা-ই নয়, ভারত অন্যান্য প্রকল্পে দেরির বিষয়টিও উত্থাপন করবে, যার মধ্যে রয়েছে সুখোই আপগ্রেড। রাশিয়ার সু–৫৭ যুদ্ধবিমানের প্রতি সম্ভাব্য আগ্রহ নিয়েও আলোচনা করবে দুই দেশ। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জেরে ভারত রাশিয়া থেকে কম তেল কিনছে। তাই রাশিয়া ভারতকে অপরিশোধিত তেলের ওপর অতিরিক্ত ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে (Putin Modi Meet)।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানা এবং শান্তি প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হবে দুই রাষ্ট্রনেতার। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই এই সংঘাতের দ্রুত অবসানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেছেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি প্রচেষ্টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি লিখেছেন, “এই সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি।” প্রসঙ্গত, এই আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ঘনিষ্ঠ অংশীদার, এবং ভারত শান্তিকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি এই সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে চায়। পুতিন-মোদির আলোচনার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে বাণিজ্য। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মূল কারণ হল, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে তেল কিনছে। তবে রাশিয়ার প্রধান তেল কোম্পানির ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়া নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দিতে পারে এই আমদানি (Annual Summit)।

    বাণিজ্য বৃদ্ধিতে প্রভাব

    ভবিষ্যতে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ভারত ও রাশিয়া উভয় দেশই ভারতের রফতানি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করবে, বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, যন্ত্রপাতি এবং কৃষি পণ্যের ক্ষেত্রে। বৈঠকে অসামরিক বিমান চলাচল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, বিনিয়োগ প্রকল্প এবং শ্রমিকদের যাতায়াতের বিষয়গুলিও আলোচনায় থাকবে (Putin Modi Meet)। আলোচনায় উঠে আসবে ভারত-রাশিয়া অংশীদারিত্ব পুনরুজ্জীবনের কথাও। পুতিনের এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিমী দেশগুলির চাপের কারণে ভারত কিছুদিন ধরে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে অপেক্ষাকৃত নীরব ও সীমিত রেখেছিল। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে দুই দেশের সম্পর্ক আবারও শক্তিশালী হতে শুরু করেছে, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে। ভারত প্যান্টসার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ভরোনেজথ রাডার-সহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, এই সফর উভয়পক্ষকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক এবং সাংস্কৃতিক বিভিন্ন বিষয়ে রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের বিস্তৃত অ্যাজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেবে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ

    ভারত ও রাশিয়ার এই আলোচনার নেপথ্যে একটি বড় কারণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ। ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছে এবং ভারতকে রাশিয়া থেকে কম তেল কেনার জন্য চাপ দিচ্ছে (Putin Modi Meet)। আমেরিকার নয়া আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার জ্বালানি খাতের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলির জন্য আরও কঠোর শাস্তি আরোপ হতে পারে। এই সব বিষয়ই ভারতকে এই সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বাধ্য করেছে। কারণ ভারত চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া – দুই দেশের সঙ্গেই শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রাখতে। এজন্য অবশ্য দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতে রাজি নয় নরেন্দ্র মোদির ভারত (Annual Summit)।

    ভারতে আসছেন পুতিন

    সাত বছর আগে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থিতিতে সই হয়েছিল এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের ঐতিহাসিক চুক্তি। শুক্রবার সেখানেই ফের বৈঠক করতে চলেছেন এই দুই রাষ্ট্র প্রধান। সরকারি সূত্রের খবর, সেখানে অন্তত ৫৬ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সমঝোতা সংক্রান্ত মউ স্বাক্ষরিত হতে পারে।২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরুর পরে এই প্রথমবার ভারতে আসছেন পুতিন। প্রতিরক্ষার পাশাপাশি তাঁর এই সফরে নির্মাণক্ষেত্র, বয়নশিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্র নিয়ে নতুন পথে হাঁটার সূচনা করতে পারে ভারত ও রাশিয়া। রাশিয়ার ওই ক্ষেত্রগুলিতে ভারতীয় পেশাদারদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও ঘোষণা করতে পারেন পুতিন (Putin Modi Meet)।

    পোল্যান্ডের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য

    এদিকে, পুতিনের ভারত সফর নিয়ে যখন নয়াদিল্লিতে চলছে চূড়ান্ত ব্যস্ততা, তখন ভারতে এসেছেন পোল্যান্ডের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রী ওয়াদিস্লাও তোফিল বার্তোজুক্সি। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব আশাবাদী এই ভেবে যে উনি (পুতিন) যখন দিল্লিতে আসবেন, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁকে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বলবেন। আমি আগেই বলেছি, ছ-সাত মাস আগেই যখন আমি এখানে ছিলাম, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদি, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পুতিনকে ইউক্রেনে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে না বলেছিলেন। তাঁরা দুজনেই সঠিক কাজটিই করেছেন। তাই আমি আশা করি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুতিনকে বলবেন, দেখুন (Annual Summit) প্রেসিডেন্ট, আপনার ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করা উচিত। কারণ এই সংঘর্ষ থেকে আমাদের, আপনার বা অন্য কারও কোনও লাভ নেই। কারণ এটি ভারতকেও প্রভাবিত করে। কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাশিয়ার দুটি বড় কোম্পানি থেকে তেল কেনা নিষিদ্ধ করেছেন। রাশিয়া থেকে ভারতের একটি বিশাল সরবরাহ রয়েছে, যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে (Putin Modi Meet)।”

  • G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ (G20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগ প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। এগুলির মধ্যে রয়েছে, গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি, আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম, ড্রাগ–টেরর নেক্সাস মোকাবিলা উদ্যোগ, ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপ এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগগুলি সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে সহায়তা করবে।” তিনি এও জানান, ভারতের সভ্যতাগত মূল্যবোধ ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করতে পারে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)

    জি২০ গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যগত জ্ঞান যা সুদীর্ঘকাল ধরে টেকসই জীবনযাপনের পরীক্ষিত মডেল উপস্থাপন করে, তা নথিভুক্ত করা হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “ভারতের এই ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। এটি আমাদের সম্মিলিত জ্ঞানকে আরও সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।” তিন দিনের সফরে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিয়েছেন জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানেই তিনি বলেন, “আফ্রিকার উন্নয়ন বৈশ্বিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভারত সব সময়ই আফ্রিকার পাশে থেকেছে। আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভে একটি ট্রেইন–দ্য–ট্রেইনার মডেল গ্রহণ করা হবে, যার লক্ষ্য আগামী দশকে আফ্রিকায় এক মিলিয়ন প্রশিক্ষিত ও শংসাপত্রপ্রাপ্ত ট্রেইনার তৈরি (PM Modi) করা।”

    যৌথ লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হল আগামী দশ বছরে আফ্রিকায় দশ লক্ষ প্রশিক্ষণ-প্রাপ্ত প্রশিক্ষক তৈরি করা। এই প্রশিক্ষকরাই পরে লাখ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবেন। এই উদ্যোগ একটি ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এটি স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং আফ্রিকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।”  জি২০ গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার সময় শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে আমরা এক সঙ্গে কাজ করলে আরও শক্তিশালী হই। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জি২০ সদস্য দেশের প্রশিক্ষিত চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করা, যারা যে কোনও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সঙ্কট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত মোতায়েন হতে প্রস্তুত থাকবে।” মাদক পাচার রোধ এবং ফেন্টানিলের মতো বিপজ্জনক পদার্থের বিস্তার বন্ধ করতে ড্রাগ-টেরর নেক্সাস মোকাবিলায় একটি জি-২০ (G20 Summit) উদ্যোগ গঠনেরও পরামর্শ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির পরামর্শ

    তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের আওতায় আমরা অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সরঞ্জামকে একত্র করতে পারি। তবেই মাদক-সন্ত্রাস অর্থনীতিকে দুর্বল করা সম্ভব।” জি২০ ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপের প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জি২০ মহাকাশ সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট তথ্য উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য কৃষি, মৎস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো কাজের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করা যেতে পারে।” তিনি ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ গঠনের প্রস্তাবও দেন, যা পুনর্ব্যবহার, আরবান মাইনিং, সেকেন্ড-লাইফ ব্যাটারি প্রকল্প এবং অন্যান্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)। এই উদ্যোগের লক্ষ্যই হল সরবরাহ শৃঙ্খলা নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথ তৈরি করা (G20)।

  • G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগের প্রস্তাব মোদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ (G20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে ছ’টি নয়া উদ্যোগ প্রস্তাব করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। এগুলির মধ্যে রয়েছে, গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি, আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম, ড্রাগ–টেরর নেক্সাস মোকাবিলা উদ্যোগ, ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপ এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগগুলি সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে সহায়তা করবে।” তিনি এও জানান, ভারতের সভ্যতাগত মূল্যবোধ ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করতে পারে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)

    জি২০ গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যগত জ্ঞান যা সুদীর্ঘকাল ধরে টেকসই জীবনযাপনের পরীক্ষিত মডেল উপস্থাপন করে, তা নথিভুক্ত করা হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “ভারতের এই ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। এটি আমাদের সম্মিলিত জ্ঞানকে আরও সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল অর্জনের জন্য ভবিষ্যতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।” তিন দিনের সফরে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দিয়েছেন জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানেই তিনি বলেন, “আফ্রিকার উন্নয়ন বৈশ্বিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভারত সব সময়ই আফ্রিকার পাশে থেকেছে। আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভে একটি ট্রেইন–দ্য–ট্রেইনার মডেল গ্রহণ করা হবে, যার লক্ষ্য আগামী দশকে আফ্রিকায় এক মিলিয়ন প্রশিক্ষিত ও শংসাপত্রপ্রাপ্ত ট্রেইনার তৈরি (PM Modi) করা।”

    যৌথ লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হল আগামী দশ বছরে আফ্রিকায় দশ লক্ষ প্রশিক্ষণ-প্রাপ্ত প্রশিক্ষক তৈরি করা। এই প্রশিক্ষকরাই পরে লাখ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবেন। এই উদ্যোগ একটি ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। এটি স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং আফ্রিকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।”  জি২০ গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এটি স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থার সময় শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে আমরা এক সঙ্গে কাজ করলে আরও শক্তিশালী হই। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জি২০ সদস্য দেশের প্রশিক্ষিত চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল গঠন করা, যারা যে কোনও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সঙ্কট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত মোতায়েন হতে প্রস্তুত থাকবে।”

    মাদক পাচার রোধে জোর

    মাদক পাচার রোধ এবং ফেন্টানিলের মতো বিপজ্জনক পদার্থের বিস্তার বন্ধ করতে ড্রাগ-টেরর নেক্সাস মোকাবিলায় একটি জি-২০ (G20 Summit) উদ্যোগ গঠনেরও পরামর্শ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের আওতায় আমরা অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সরঞ্জামকে একত্র করতে পারি। তবেই মাদক-সন্ত্রাস অর্থনীতিকে দুর্বল করা সম্ভব।” জি২০ ওপেন স্যাটেলাইট ডেটা পার্টনারশিপের প্রস্তাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জি২০ মহাকাশ সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট তথ্য উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য কৃষি, মৎস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো কাজের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত করা যেতে পারে।” তিনি ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সার্কুলারিটি ইনিশিয়েটিভ গঠনের প্রস্তাবও দেন, যা পুনর্ব্যবহার, আরবান মাইনিং, সেকেন্ড-লাইফ ব্যাটারি প্রকল্প এবং অন্যান্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)। এই উদ্যোগের লক্ষ্যই হল সরবরাহ শৃঙ্খলা নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথ তৈরি করা (G20)।

  • S Jaishankar: ভারত-আমেরিকা শুল্ক-যুদ্ধের আবহেই মালয়েশিয়ায় জয়শঙ্কর-রুবিও বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা হল?

    S Jaishankar: ভারত-আমেরিকা শুল্ক-যুদ্ধের আবহেই মালয়েশিয়ায় জয়শঙ্কর-রুবিও বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনের (ASEAN Summit) ফাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মালয়েশিয়ায় আয়োজিত এই সম্মেলনে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যে বাণিজ্য আলোচনা চলছে, তার প্রেক্ষিতেই হয় এই বৈঠক। এক্স হ্যান্ডেল একটি পোস্টে জয়শঙ্কর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক-সহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলি নিয়ে হওয়া আলোচনার প্রশংসা করেন।

    কোয়াত্রার বক্তব্য (S Jaishankar)

    এদিকে, রবিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন কোয়াত্রা মার্কিন সেনেটের বিদেশ সম্পর্ক কমিটির র‍্যাঙ্কিং সদস্য জিন শাহিনের সঙ্গে বৈঠকে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য চুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং তেল ও গ্যাস বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কোয়াত্রা লিখেছেন, “এসএফআরসিডেমস-এর সেনেট বিদেশ সম্পর্ক কমিটির র‌্যাঙ্কিং সদস্য সেনেটর শাহিনের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আমাদের আলোচনা মূলত পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য চুক্তি প্রতিষ্ঠা, ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং আমাদের অঞ্চলের অভিন্ন ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়েই কেন্দ্রীভূত ছিল।”

    নরেন্দ্র মোদির অবস্থান

    ভারতের রাষ্ট্রদূত রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবস্থানও তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত, এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় এমন একটা সময়, যখন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীয়ূষ গোয়েল সাফ জানিয়ে দেন, ভারত কোনও বাণিজ্য চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করে স্বাক্ষর করবে না এবং এমন কোনও শর্ত মেনে নেবে না যা অংশীদার দেশগুলি ভারতের বাণিজ্যিক স্বাধীনতাকে সীমিত করে। তিনি এও বলেন, “বাণিজ্য চুক্তি শুধুমাত্র শুল্ক বা কর সম্পর্কিত নয়, বরং এটি পারস্পরিক আস্থা গঠন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক স্থাপন এবং বৈশ্বিক ব্যবসায়িক সহযোগিতার জন্য একটি মজবুত কাঠামো তৈরির ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ (S Jaishankar)।”

    ওয়াশিংটনের সঙ্গে যে বাণিজ্য আলোচনা চলছে, তার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “অতি স্বল্পমেয়াদি প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আগামী ছ’মাসের মধ্যে কী ঘটবে তা নিয়ে নয়। এটি কেবল আমেরিকায় ইস্পাত বিক্রি করার ক্ষমতা নিয়েও নয়।” অন্যদিকে, বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল জানান, ভারতের সঙ্গে (ASEAN Summit) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। উভয় পক্ষই অধিকাংশ বিষয়ে একমত হওয়ার পথে। এ থেকে স্পষ্ট, শীঘ্রই একটি পারস্পরিকভাবে লাভজনক চুক্তি হতে যাচ্ছে (S Jaishankar)।

LinkedIn
Share