Tag: Sunil Deodhar

  • Hindu Code of Conduct: বারাণসীতে সংস্কৃতি সংসদের আয়োজন, ব্রিটেনে থাকা মনুস্মৃতি পাণ্ডুলিপি ফেরানোর উদ্যোগ

    Hindu Code of Conduct: বারাণসীতে সংস্কৃতি সংসদের আয়োজন, ব্রিটেনে থাকা মনুস্মৃতি পাণ্ডুলিপি ফেরানোর উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সনাতন ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রাচীন জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ সামনে রেখে আগামী ৩ থেকে ৫ নভেম্বর বারাণসীতে হবে সংস্কৃতি সংসদ ২০২৬। তিন দিনের এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সমাবেশে প্রস্তাবিত ‘হিন্দু আচরণবিধি’ (Hindu Code of Conduct), ব্রিটেনে সংরক্ষিত মনুস্মৃতির ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি ভারতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভারতীয় দর্শন ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পাবে। জানা গিয়েছে, বারাণসীর রুদ্রাক্ষ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই সমাবেশে অংশ নেবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ধর্মীয় নেতা, সাধুসন্ত, ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং যুব প্রতিনিধিরা। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের সভ্যতাগত ঐতিহ্যকে শক্তিশালী করা এবং নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের আধ্যাত্মিক ও বৌদ্ধিক উত্তরাধিকারের সংযোগ স্থাপন করাই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য (Varanasi Sanskriti Sansad)। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি ও গঙ্গা মহাসভার সাধারণ সম্পাদক স্বামী জিতেন্দ্রানন্দ সরস্বতী এবং সংস্কৃতি সংসদের আয়োজক কমিটির সভাপতি তথা বিজেপির প্রাক্তন জাতীয় সম্পাদক সুনীল দেওধর।

    হাজার হাজার সাধুসন্তের যোগদানের সম্ভাবনা (Hindu Code of Conduct)

    আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংস্কৃতি সংসদে ১২৭টি ধর্মীয় সম্প্রদায়, ১৩টি আখড়া এবং ১৮টি খালসার প্রতিনিধির অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে শিখ সম্প্রদায়ের তিনটি বিশিষ্ট আখড়ার প্রতিনিধিরাও থাকবেন। আয়োজকদের অনুমান, সমাবেশে ৩ হাজারেরও বেশি সাধুসন্ত এবং ৭ হাজারেরও বেশি যুব প্রতিনিধি যোগ দেবেন। ধর্মীয় ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা এবং ভারতের নিজস্ব জ্ঞানব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে এই অনুষ্ঠান।সাড়ে চারশো বছরেরও বেশি ঐতিহ্যসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আয়োজকদের বর্ণনায় উঠে এসেছে শ্রী কাশী বিদ্বৎ পরিষদের নাম। অংশগ্রহণকারী ধর্মীয় সংগঠনগুলিকে দিশা দেখানোর দায়িত্বে থাকবে এই প্রতিষ্ঠানের।

    আলোচনায় প্রস্তাবিত ‘হিন্দু আচরণবিধি’

    সংস্কৃতি সংসদ ২০২৬-এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে চলেছে প্রস্তাবিত ‘হিন্দু আচরণবিধি’। উদ্যোক্তাদের পরিকল্পনা, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, সামাজিক দায়িত্ব এবং সনাতন ঐতিহ্য পালনের ক্ষেত্রে এই আচরণবিধির মাধ্যমে দিশা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।অবশ্য এই প্রস্তাবিত আচরণবিধির নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু, পরিধি এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয়নি (Hindu Code of Conduct)।

    ব্রিটেন থেকে মনুস্মৃতির পাণ্ডুলিপি ফেরানোর উদ্যোগ

    সংস্কৃতি সংসদের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ঐতিহাসিক মনুস্মৃতির পাণ্ডুলিপি ভারতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ। আয়োজকদের দাবি, ১৭৯৩ সালে ব্রিটিশরা এই পাণ্ডুলিপিগুলি ভারত থেকে নিয়ে গিয়েছিল এবং বর্তমানে সেগুলি লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটির কাছে রয়েছে। পাণ্ডুলিপিগুলি দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ শুরু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পাণ্ডুলিপিগুলির প্রকৃত ইতিহাস, বর্তমান অবস্থান এবং মালিকানা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন (Varanasi Sanskriti Sansad)। বিদেশে সংরক্ষিত ভারতের অন্যান্য ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি ও গুরুত্বপূর্ণ নথি শনাক্তকরণ, নথিভুক্তকরণ এবং সংরক্ষণের বিষয়েও আলোচনা হবে। সম্ভব হলে সেগুলি দেশে ফিরিয়ে আনার পথ খোঁজার কথা জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের মতে, এর মাধ্যমে ভারতের বৌদ্ধিক ঐতিহ্য রক্ষা করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রাচীন জ্ঞানসূত্রের সঙ্গে পরিচিত করানো সম্ভব হবে।

    তরুণ প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও জ্ঞানচর্চায় যুক্ত করার পরিকল্পনা

    ধর্মীয় আলোচনা ছাড়াও তরুণ প্রজন্মকে ভারতের দর্শন, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক গ্রন্থ এবং দেশীয় জ্ঞানব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত করানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ৭ হাজারেরও বেশি যুব প্রতিনিধির সম্ভাব্য অংশগ্রহণের কথা জানিয়ে আয়োজকেরা দাবি করেছেন, ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান যেন কেবল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তার চর্চা ও সংরক্ষণ অব্যাহত থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ (Hindu Code of Conduct)।

    ‘রাষ্ট্র আগে’ ভাবনার প্রসঙ্গ তুললেন সুনীল দেওধর

    সাংবাদিক সম্মেলনে সুনীল দেওধর সংস্কৃতি সংসদকে ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয় সুদৃঢ় করা এবং ‘রাষ্ট্র আগে’ ভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বারাণসী কেন্দ্র থেকে নরেন্দ্র মোদির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রসঙ্গ তুলে দেওধর দাবি করেন, সেই সময় কয়েকটি আদর্শগত আক্রমণের মোকাবিলা করতে সাধুসন্তরা একজোট হয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, সেই উদ্যোগ থেকেই সংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তী সময়ে সংস্কৃতি সংসদের সূচনা। বর্তমানে প্রতি দু’বছর অন্তর এই সমাবেশের আয়োজন করা হয় বলে জানান তিনি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এবং হিন্দুত্ব নিয়ে করা মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন দেওধর। তাঁর দাবি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ও হিন্দুত্বের আদর্শে নারীশক্তির গুরুত্ব স্বীকৃত (Varanasi Sanskriti Sansad)।

    ত্রিপুরার ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

    ত্রিপুরায় এক জনজাতি সম্প্রদায়ের বালককে ঘিরে একটি ঘটনা নিয়েও অভিযোগ তোলেন দেওধর। তাঁর দাবি, কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এক মুসলিম ইউটিউবার ওই বালকের প্রতি অপমানজনক আচরণের জন্য দায়ী। ঘটনাটিকে উত্তর-পূর্ব ভারতের জনজাতি সম্প্রদায়গুলির সঙ্গে দেশের অন্যান্য অংশের মানুষের বিভেদ তৈরির বৃহত্তর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলেও অভিযোগ করেন তিনি। হিন্দু উৎসব চলাকালীন ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন বক্তারা। তাঁদের বক্তব্য, এই ধরনের ঘটনা সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও প্রভাব ফেলতে পারে। ধর্মীয় উৎসবে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে অভিযুক্ত রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে সতর্ক করে বক্তারা জানান, এই ধরনের হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে সাধুসন্ত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে (Hindu Code of Conduct)।

    ধর্ম, ইতিহাস ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে আলোচনায় গুরুত্ব

    গঙ্গা মহাসভার আয়োজনে এবং অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি, অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদ ও শ্রী কাশী বিদ্বৎ পরিষদের নির্দেশে সংস্কৃতি সংসদ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ধর্মীয় আচরণবিধি, ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণ, সাংস্কৃতিক শিক্ষা, যুবসমাজের অংশগ্রহণ এবং জাতীয় পরিচয়—বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই সমাবেশে আলোচনা হওয়ার কথা (Varanasi Sanskriti Sansad)। সূত্রের খবর, ৩ থেকে ৫ নভেম্বর বারাণসীতে এই আয়োজন ঘিরে প্রস্তাবিত হিন্দু আচরণবিধি এবং ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। একই সঙ্গে হিন্দুত্ব, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ভারতের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার নিয়ে চলমান বৃহত্তর বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এই সমাবেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্যও নজরে থাকবে (Hindu Code of Conduct)।

     

  • Nivedita Menon: ‘ভারত মনহুস দেশ’! প্রাক্তন জেএনইউ অধ্যাপিকা নিবেদিতা মেননের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক, দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়

    Nivedita Menon: ‘ভারত মনহুস দেশ’! প্রাক্তন জেএনইউ অধ্যাপিকা নিবেদিতা মেননের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক, দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ‘মনহুস দেশ’ বলে উল্লেখ। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপিকা নিবেদিতা মেননের (Nivedita Menon) একটি সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের (India Controversy) সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক আন্দোলনের ফলে দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত বারো বছরে তাঁদের মধ্যে এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছিল যে তাঁরা সবসময় অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে থাকতেন।” সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহল, শিক্ষাজগত, প্রাক্তন ক্রীড়াবিদ, লেখক, সমাজকর্মী-সহ বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বহু মানুষ সমাজমাধ্যমে তাঁর মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। সমালোচকদের একাংশের দাবি, এই ধরনের মন্তব্য দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং দেশের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে।

    অজয় জাদেজার কড়া প্রতিক্রিয়া

    প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার অজয় জাদেজা নিবেদিতা মেননের (Nivedita Menon) মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “ভারতকে ‘মনহুস দেশ’ বলা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তাঁর মতে, এমন মন্তব্য দেশের কোটি কোটি মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হানে এবং একজন শিক্ষাবিদের কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়।”

    সুনীল দেওধরের মন্তব্য

    ভারতীয় জনতা পার্টির প্রাক্তন জাতীয় সম্পাদক সুনীল দেওধরও এই ঘটনায় সরব হন। তিনি ভগিনী নিবেদিতার (Nivedita Menon) প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “ভগিনী নিবেদিতা নিজের জন্মভূমি ছেড়ে ভারতকে নিজের দেশ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ভারতীয় সংস্কৃতি, দর্শন ও আধ্যাত্মিক ভাবধারাকে বিশ্বজুড়ে তুলে ধরেছিলেন। একই নাম বহন করলেও নিবেদিতা মেননের বক্তব্য সম্পূর্ণ বিপরীত। ধরনের মন্তব্য ভগিনী নিবেদিতার আদর্শেরও অবমাননা করে।” পাশাপাশি দেশভাগের ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও তুলে ধরেন বিজেপির প্রাক্তন জাতীয় সম্পাদক।

    নিবেদিতা মেননকে (Nivedita Menon) কটাক্ষ নিরঞ্জন কুমারের

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক নিরঞ্জন কুমার বলেন, “নিবেদিতা মেননের (Nivedita Menon) মতো ব্যক্তিরা এই দেশের মাটি, জল, বাতাসে বড় হয়েছেন এবং জনগণের করের অর্থে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। তাই দেশের প্রতি তাঁদের নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। নিজের দেশকে ‘অভিশপ্ত’ বলে উল্লেখ করা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অনেকেই ভারতকে ছোট করে দেখিয়ে অন্য দেশের প্রশংসা করেন, অথচ ভারতের উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং মানবিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন না।”

    মেননের মন্তব্যের সমালোচনা লেখক রতন শারদারের

    লেখক ও বিশ্লেষক রতন শারদাও সমাজমাধ্যমে নিবেদিতা মেননের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “যখন নিজেদের মতামতের একচেটিয়া প্রভাব থাকে না, তখনই কিছু মানুষ দেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করতে শুরু করেন।”

    সমালোচকেরা মুখে ভারতের সাফল্যের কথা

    নিবেদিতা মেননের (Nivedita Menon) বক্তব্যের বিরোধিতায় অনেকেই ভারতের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেছেন। সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারত গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তাঁরা স্মরণ করিয়ে দেন, অতিমারির সময় ভারত শুধু নিজেদের নাগরিকদের জন্য নয়, বিশ্বের বহু দেশের কাছেও টিকা পৌঁছে দিয়েছিল। এছাড়াও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত দেশেও ভারত দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। সমালোচকদের বক্তব্য, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মানবিক ভূমিকা পালনকারী একটি দেশকে ‘মনহুস’ বলে আখ্যা দেওয়া বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    নতুন করে আলোচনায় অতীতের বিতর্কও

    নিবেদিতা মেননের (Nivedita Menon) অতীতের একাধিক বক্তব্যও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। সমালোচকদের দাবি, কাশ্মীর প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ভারতীয় সেনাবাহিনী সম্পর্কে বক্তব্য এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তাঁর অবস্থান অতীতেও বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। এছাড়াও একটি আলোচনায় তথাকথিত ‘লাভ জিহাদ’ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য নিয়েও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিরোধীদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে তাঁর বক্তব্য জাতীয়তাবাদী মতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়েছে।

    তীব্র মতভেদ, জারি বিতর্ক (India Controversy)

    নিবেদিতা মেননের (Nivedita Menon) সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ঘিরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, দেশের ভাবমূর্তি এবং জনবুদ্ধিজীবীদের সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে তাঁর সমর্থকদের দাবি, প্রত্যেক নাগরিকের নিজের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে সমালোচকদের বক্তব্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে দেশের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করা উচিত নয়। সব মিলিয়ে নিবেদিতা মেননের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। সমাজমাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

LinkedIn
Share