Tag: Supratim Ghosh

Supratim Ghosh

  • SSC Scam: ইডির দফতরে হাজিরা শান্তনু ঘনিষ্ঠ আকাশের! আর কী কী তথ্য পেল তদন্তকারীরা?

    SSC Scam: ইডির দফতরে হাজিরা শান্তনু ঘনিষ্ঠ আকাশের! আর কী কী তথ্য পেল তদন্তকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ সুপ্রতিম ঘোষ ওরফে আকাশ। বুধবার বেলা ১২টার পর ইডি দফতরে ঢোকেন আকাশ এবং নিলয় মালিক। রাত ১০টার পর তাঁরা সেখান থেকে বার হন। গত শনিবার হুগলির বলাগড়ের রিসর্টে শান্তনু-‘ঘনিষ্ঠ’ আকাশ, বিশ্বরূপ প্রামাণিক এবং নিলয় মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তাঁদেরকে ফের বেশ কিছু নথি নিয়ে ইডি দফতরে আসতে বলা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, খাতায়কলমে বলাগড়ের ওই রিসর্টের মালিক আকাশ। তাঁদের দাবি, আদতে ওই রিসর্টের মালিক বর্তমানে ইডির হেফাজতে থাকা বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ই। এদিন ইডি কেন ডেকেছিল সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যান আকাশ।

    কে এই নিলয়?

    বলাগড়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) অভিযুক্ত শান্তনুর (Shantanu Banerjee) রিসর্টে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করা হয়েছিল নিলয় মালিককেও (Niloy Malik)। জানা গিয়েছে, পেশায় সিভিক পুলিশ ছিলেন এই নিলয়। পরে ধৃত শান্তনু বন্দোপাধ্যায়ের প্রোমোটিং সংস্থার ডিরেক্টর হয়ে উঠেছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, সেই সংস্থার অংশীদার ছিলেন শান্তনুর স্ত্রী। তবে ২০২১ সালে হঠাৎই শান্তনুর স্ত্রীর সেই সংস্থা থেকে নাম সরে যায় নিলয় মালিকের। সূত্রের খবর শান্তনুর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা বন্দোপাধ্যায়ের সংস্থায় ডিরেক্টর থাকাকালীন তার কাছে যে সকল নথি ছিল সেসব নিয়ে নিলয়কে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি।

    আরও পড়ুন: ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধারের লিঙ্ক করানোর সময়সীমা বাড়ল! জানুন বিস্তারিত

    ইডি সূত্রে খবর এই নিলয়ের নামে গাড়ি থেকে শুরু করে একাধিক সম্পত্তিও কিনেছিলেন শান্তনু। এইসব তথ্যের ভিত্তিতেই ফের তলব করা হয় নিলয়কে। যদিও ইডির কাছে নিলয় দাবি করে, বহুদিন থেকে শান্তনু ও তার পরিবারের যোগাযোগ নেই তার। পূর্বে সম্পর্ক থাকলেও দেড় বছর ধরে ধাবার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয়। একাধিক সংস্থায় শান্তনুর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে পুরশুড়ার তৃণমূল কর্মী রাকেশ মণ্ডলেরও। তৃণমূল কর্মী রাকেশ ধনেখালি ব্লক অফিসের যুব দফতরের ঠিকা কর্মী। পাশাপাশি বালি ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। 

    নাম জড়াল আরও অনেকের?

    হুগলি জেলায় দুর্নীতি চক্রে এ বার আরও এক তৃণমূল নেতার নাম সামনে এল। তিনি হলেন হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ গোপাল রায়। অভিযোগ, গোপালকে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন অনেকেই। তাঁদের মধ্যে অনেকের চাকরি গিয়েছে আদালতের নির্দেশে (Hooghly News)। চাকরির জন্য গোপালকে কয়েক লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি চাকরিহারাদের। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নেতা গোপাল। তিনি বলেন, “পুরোটাই চক্রান্ত। আমি চুরি করে থাকলে, জেল খাটব, ইডি-সিবিআইয়ের কাছে যাব। আমি টাকা নিইনি। ২০১৮ সালে আমি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম। জানিয়েছিলাম, এখানে একটা চক্র চলছে। এর বিরুদ্ধে আমি লড়াই করেছিলাম।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share