Tag: surendranath college

surendranath college

  • Surendranath College Scandal: ইউনিয়ন রুমে উইয়ে খাওয়া টাকার পাহাড়! সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ভিতরে এসি বেডরুম, ব্যাগভর্তি নোট, অস্ত্র উদ্ধার ঘিরে তোলপাড়

    Surendranath College Scandal: ইউনিয়ন রুমে উইয়ে খাওয়া টাকার পাহাড়! সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ভিতরে এসি বেডরুম, ব্যাগভর্তি নোট, অস্ত্র উদ্ধার ঘিরে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে একাধিক চাঞ্চল্যকর সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কলেজের দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ইউনিয়ন রুমে মশা দমনের ওষুধ স্প্রে করতে গিয়ে উদ্ধার হয়েছে দুটি ব্যাগ ভর্তি উইপোকায় ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। পাশাপাশি কলেজের ছাদে মিলেছে দুটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বিলাসবহুল ঘর, যেখানে ছিল খাট, আলমারি, বালিশ, তোয়ালে-সহ নানা সামগ্রী। উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, কন্ডোম, ভর্তি সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও।

    উইয়ে খাওয়া ২ ব্যাগভর্তি টাকা!

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে কলকাতা পুরসভার কর্মীরা কলেজের ইউনিয়ন রুম খুলতে বলেন। অধ্যাপকদের অনুমতি নিয়ে ঘরের তালা ভাঙার পর আলমারির ভিতর থেকে দুটি ব্যাগে রাখা বিপুল পরিমাণ ১০০ ও ৫০০ টাকার পুরনো নোট উদ্ধার হয়। নোটগুলির অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে পারে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক তৃণমূল নেতার নিয়ন্ত্রণে ছিল ওই ইউনিয়ন রুম। সেখান থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, বহু অ্যাডমিট কার্ড, ভর্তি ফর্ম, কন্যাশ্রী প্রকল্প সংক্রান্ত নথি-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজ উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া কলেজের ছাদে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পাওয়া গিয়েছে একাধিক মদের বোতল এবং কন্ডোম। এগুলি কারা ব্যবহার করত এবং কোনও অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে এর যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    পাঁচতলায় জোড়া এসি ঘর!

    এদিকে কলেজের পাঁচতলায় দুটি বিলাসবহুল এসি কক্ষেরও সন্ধান মেলে। ঘরগুলিতে খাট, আলমারি, আধুনিক শৌচালয় এবং সংলগ্ন ছাদ রয়েছে। চাবি না মেলায় তালা ভেঙে ঘরগুলি খোলা হয়। উপস্থিত কলেজ কর্তৃপক্ষও এমন ব্যবস্থার অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন। কলেজের টিচার-ইন-চার্জ পূর্ণেন্দু প্রকাশ পাল জানান, পরিচালন সমিতির বৈঠকে একটি রেস্ট রুম তৈরির আলোচনা হয়েছিল ঠিকই, তবে এই ধরনের দুটি পূর্ণাঙ্গ শোয়ার ঘর রয়েছে, সে বিষয়ে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। অভিযোগ উঠেছে, ওই ঘরগুলি তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি।

    তৃণমূলের দুর্নীতির প্রমাণ, বললেন সজল

    ঘটনার জেরে সরব হয়েছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের ছাত্রনেতারা দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি চালিয়েছেন এবং সেই সূত্রেই বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছিল। গত সপ্তাহেই তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের আর্থিক অনিয়ম নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলে দাবি করেন। সজল ঘোষের বক্তব্য, উদ্ধার হওয়া অর্থ সাধারণ মানুষের টাকা এবং ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে তা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলেও দাবি তাঁর।

    দায়ী সুদীপ-নয়না, দাবি সজলের

    এছাড়াও সজল ঘোষ অভিযোগ করেন, এই গোটা ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়িকা নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কলেজগুলিকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া অর্থ সেই চক্রেরই অংশ। তিনি ঘটনার তদন্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডির হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালাচ্ছে।

  • Surendranath College: সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার পাঁশকুড়ায়, রহস্য ঘনীভূত

    Surendranath College: সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার পাঁশকুড়ায়, রহস্য ঘনীভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় রেললাইনের ধার থেকে এক কলেজ পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম স্বাগত বণিক। তিনি কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath College) প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায়। হাবড়া নয়, পাঁশকুড়ায় কী করে কলকাতার কলেজ পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হল, তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Surendranath College)

    গত ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিয়ালদা যাচ্ছেন বলে হাবড়ার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath College) স্ট্যাটিস্টিক্স বিভাগের পড়ুয়া স্বাগত। তার পর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ নেই। মোবাইলটিও বাড়িতে ফেলে যান তিনি। কোনও খোঁজখবর না পেয়ে স্বাগতর বাড়ির লোকেরা হাবড়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। রবিবার গভীর রাতে পুলিশ জানায়, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার কাছে ক্ষীরাই স্টেশনে রেললাইনের পাশ থেকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় একটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে দেখা যায়, সেই দেহটিই স্বাগতর। এ খবর বাড়িতে আসতেই সকলে ভেঙে পড়েন। বাড়িতে শিয়ালদা যাচ্ছি বলে বেরিয়ে পাঁশকুড়ায় কেন তিনি পৌঁছেছিলেন, তা নিয়ে দানা বাঁধছে রহস্য। মেধাবী ওই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় বন্ধুদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলছেন স্বাগতর বাড়ির লোকজন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, পাঁশকুড়ায় তাঁদের কোনও আত্মীয়-পরিজনও থাকেন না। স্বাগতর কোনও বন্ধুর বাড়িও ওই এলাকায় নয়। তা হলে শিয়ালদা থেকে প্রজেক্টের ‘বাইন্ডিং’ নিয়ে আসার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্বাগত পাশকুঁড়ায় কী করে গেলেন? যদি আত্মহত্যার উদ্দেশ্য থাকত, তা হলে তো হাবড়া থেকে শিয়ালদা যাওয়ার পথেই করতে পারত। পাঁশকুড়ায় তাঁকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা চাই, প্রশাসন দয়া করে সত্যিটা বার করুক। তাঁদের আরও বক্তব্য, এর পিছনে ওর বন্ধুবান্ধবের কোনও পরিকল্পনা আছে। ও তো চলে গিয়েছে, আর ফিরবে না। কিন্তু, ভবিষ্যতে যাতে আর কোনও মা-বাবাকে এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে না হয়, সে জন্য প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে। প্রশাসনের পক্ষেই একমাত্র সত্য বের করা সম্ভব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সঙ্গে সংঘাতে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কর্তৃপক্ষ, কেন জানেন?

    Barrackpore: বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সঙ্গে সংঘাতে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কর্তৃপক্ষ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্পত্তি কর বৃদ্ধি নিয়ে বারাকপুর (Barrackpore) ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সঙ্গে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরোধ চলছিল। এবার তা সংঘাতের আকার নিল। সম্পত্তি কর ইস্যুতে কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল। কোনও আবেদন, নিবেদন নয়, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে লিখিতভাবে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল তারা বর্ধিত সম্পত্তি করের টাকা দিতে পারবে না। বর্তমানে যে এক লক্ষ ১৫ হাজার ৭৬৯ টাকার সম্পত্তিকর দেন তাই দেবে, তার বেশি এক টাকাও তারা দেবে না। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সিইও মমতা কানসেকে চিঠি দিয়ে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    কী নিয়ে বিরোধ?

    ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রতি তিন বছর অন্তর সম্পত্তি কর ধার্য হয়। তিন বছর আগে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের সম্পত্তি কর ছিল ৭৫ হাজার টাকা। তা বেড়ে ১ লক্ষ ১৫ হাজার করা হয়েছিল। বছরে কলেজ কর্তৃপক্ষ সেই করই দিত। এবার সেই সম্পত্তি কর ৭০ গুণ বাড়ানো হয়েছে। এক ধাক্কায় ৭০ লক্ষ টাকা করে প্রতি বছর সম্পত্তি কর দিতে বলা হয়েছে। কয়েকদিন আগেই বারাকপুর (Barrackpore) ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের পক্ষ থেকে নতুন সম্পত্তি কর বৃদ্ধির বিষয়টি জানানো হয়েছে। আর তা দেখেই মাথায় হাত কলেজ কর্তৃপক্ষের।

    কী বললেন সুরেন্দ্রনাথ কলেজের অধ্যক্ষ?

    ব্যারাকপুর (Barrackpore) রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজের অধ্যক্ষ মনোজিৎ রায় বলেন, গত চার বছরে কলেজ বিল্ডিং একটুও বাড়ানো হয়নি। কিছু মেন্টেনেন্স এর কাজ করা হয়েছিল। রং করা হয়েছে। আমরা উচ্চ শিক্ষা প্রদান করি। আমাদের মতো প্রতিষ্ঠানে সম্পত্তি কর ধার্য করা উচিত্ নয়। তবুও, ধার্য করা হলে তার একটি নিয়ম থাকা দরকার। তাই সম্পত্তিকর কখনও এক ধাক্কায় বেড়ে ৭০ লক্ষ ৫১ হাজার ৮৫০ টাকা হতে পারে না। বর্তমানে যে টাকা সম্পত্তিকর দেওয়া হচ্ছে, সেই টাকাই দেওয়া হবে। বাড়তি কোনও টাকা দিতে পারবে না কলেজ কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত সম্পত্তিকর দিতে হলে আমাদের তা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকেই নিতে হবে। স্কুল শিক্ষা দপ্তর তো আমাদের তা দেবে না। ফলে সাড়ে সত্তর লক্ষ টাকা কিছুতেই দেওয়া সম্ভব নয়।

    কী বললেন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের আধিকারিক?

    কয়েকদিন আগেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের পক্ষ থেকে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ৭০ গুণ সম্পত্তিকর বৃদ্ধি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ উষ্মা প্রকাশ করতেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের তরফে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের অধ্যক্ষকে ফোন করে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের ল্য অফিসার দীপক রজ্জক জানান, অধ্যক্ষর সঙ্গে কথা হয়েছে। তার সঙ্গে আলোচনা হবে। তখন কমিয়ে দেওয়া হবে। একটি নিয়ম মেনে সম্পত্তিকরের মূল্যায়ন হয়েছিল। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে বার্ষিক প্রস্তাবিত সম্পত্তিকর ধার্য হয়েছে। সেই চিঠি পাঠানো হয়েছিল। আলোচনা করে তা ঠিক করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share