Tag: Suvendu Adhikari Cabinet

  • Bengal ANTF-ATS: মাদক চক্র ও জঙ্গি কার্যকলাপে লাগাম! এএনটিএফ-এটিএস গড়ছে রাজ্য, হাজারের বেশি নতুন পদে অনুমোদন

    Bengal ANTF-ATS: মাদক চক্র ও জঙ্গি কার্যকলাপে লাগাম! এএনটিএফ-এটিএস গড়ছে রাজ্য, হাজারের বেশি নতুন পদে অনুমোদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদক পাচার থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ—দুই ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় রাজ্যের পুলিশি পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার পথে হাঁটল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে অ্যান্টি নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্স (ANTF) এবং অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এই দুই বিশেষায়িত বাহিনীর কাজ পরিচালনার জন্য এক হাজারেরও বেশি নতুন পদ তৈরির অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রশাসনিক সূত্রের মতে, রাজ্যে মাদক পাচারের চক্র এবং জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আরও দ্রুত ও সমন্বিত অভিযান চালানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত। নতুন পরিকাঠামোর ফলে তদন্ত, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং আন্তঃজেলা অভিযান আরও সংগঠিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

    চার জেলায় এএনটিএফ থানা, তৈরি হবে ৫৯১টি পদ

    রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তার তত্ত্বাবধানে অ্যান্টি নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্স গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাহিনীর কার্যক্রমকে জেলা স্তরে আরও কার্যকর করতে দুর্গাপুর, মালদা, খড়্গপুর ও নদিয়ায় চারটি পৃথক এএনটিএফ থানা তৈরি করা হবে। এই চারটি থানাকে কেন্দ্র করে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে মোট ৫৯১টি নতুন পদ তৈরির অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। ফলে নিষিদ্ধ মাদকের প্রবেশ, আন্তঃরাজ্য পাচার এবং মাদকচক্রের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে তা ভাঙার ক্ষেত্রে বিশেষায়িত পুলিশি অভিযান আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।

    জঙ্গি দমনে এটিএস, ৪৬১টি স্থায়ী পদ

    মাদকবিরোধী ব্যবস্থার পাশাপাশি জঙ্গি কার্যকলাপ মোকাবিলায় অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড বা এটিএস গঠনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে রাজ্য সরকার। এমন সময়ে এই বিশেষ বাহিনীর জন্য পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ৪৬১টি স্থায়ী পদ তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, রাজ্যে যখন পাক আইএসআই গুপ্তচর থেকে জঙ্গি মডিউলের খোঁজ মিলতে শুরু করেছে। এর পাশাপাশি এটিএস-এর তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজের জন্য আরও ৫ জন কর্মী নিয়োগ করা হবে। অর্থাৎ মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী দুই বিশেষায়িত কাঠামোকে শক্তিশালী করতে মোট এক হাজারেরও বেশি নতুন পদ তৈরির পথে এগোল রাজ্য।

    মহিলা কমিশনেও বাড়ছে কর্মী

    শুধু মাদক ও সন্ত্রাস মোকাবিলা নয়, প্রশাসনিক এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে বুধবার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। নারী নির্যাতন ও হয়রানি সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৬৮টি নতুন পদ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের আইন বিভাগের অধীনে ওয়েস্ট বেঙ্গল লিগ্যাল সার্ভিস ক্যাডারে ৬ জন ল’ অফিসার নিয়োগ করা হবে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাঁদের মোতায়েন করা হবে। আসানসোল ও দুর্গাপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের জন্যও একটি করে, অর্থাৎ মোট ২টি ল’ অফিসার পদ তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশ ফাঁড়ি থেকে বিসিএস—একাধিক ক্ষেত্রে নতুন পদ

    প্রশাসনিক পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে একাধিক ক্ষেত্রেও পদ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। বারুইপুরের সূর্যপুরে নতুন গ্রামীণ পুলিশ ফাঁড়ির জন্য ১৯টি পদ তৈরি করা হবে। কলকাতা হাইকোর্টের কার পুলের জন্য তৈরি হচ্ছে ১০টি চালক পদ। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC)-এর সদস্য সংখ্যা ৬ থেকে বাড়িয়ে ১০ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ

    এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, বন্যা কবলিত এলাকায় মন্ত্রী ও বিধায়কদের রাতেই পৌঁছে গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘাটাল সার্কিট বাঁধ বরাবর নারায়ণী ও দুধের বাঁধ খালের মোহনায় দুটি পাম্প হাউস তৈরির জন্য ২৪.৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সুন্দরবনে জরুরি নদীবাঁধ এবং স্লুইস সংস্কারের জন্য ৩.১০ কোটি টাকার জমি কেনার সিদ্ধান্তও হয়েছে।

    ২,২৫০ কোটি টাকার কৃষি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্কের (ADB) সহায়তায় রাজ্যে ২,২৫০ কোটি টাকার ‘পশ্চিমবঙ্গ সমন্বিত চাষ, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কার্বন ক্রেডিট প্রকল্প’ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কৃষি, পরিবেশ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে একসঙ্গে যুক্ত করে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

    শিল্প পার্কে জমি, ৬৮ হাজারের বেশি কর্মসংস্থানের দাবি

    শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। ডব্লিউবিআইডিসিএলের অধীনে থাকা ৮টি শিল্প পার্কের ২৪টি ইউনিটে ৪৬৩.১৪ একর এবং ৬,৩৯৭.২৩ বর্গফুট জমি বিভিন্ন সংস্থাকে দীর্ঘমেয়াদি লিজে দেওয়ার অনুমোদন হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৬২,৭১২টি কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে ডব্লিউবিআইআইডিসি-র অধীনে থাকা ৪টি শিল্প পার্কের ৯টি ইউনিটে ৭৮.১৭ একর জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে আরও ৫,৮৭২টি কর্মসংস্থান তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই ক্ষেত্র মিলিয়ে শিল্পখাতে ৬৮ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়ার কথা।

    চা-বাগানে পর্যটন ব্যবসার পরিসর বাড়ল

    চা শিল্পের সঙ্গে পর্যটনকে যুক্ত করার ক্ষেত্রেও নীতিগত পরিবর্তন এনেছে রাজ্য। ‘চা পর্যটন ও আনুষঙ্গিক ব্যবসা নীতি, ২০১৯’ সংশোধন করে চা-বাগানের মোট জমির সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ, তবে সর্বাধিক ১৫০ একর জমি পর্যটন ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একদিকে মাদক ও জঙ্গি দমনে বিশেষায়িত বাহিনী গঠন, অন্যদিকে প্রশাসন, বন্যা মোকাবিলা, শিল্পায়ন ও পর্যটনে একাধিক সিদ্ধান্ত—বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের পুলিশি ও প্রশাসনিক পরিকাঠামো ঢেলে সাজানোর একাধিক পদক্ষেপের অনুমোদন মিলল।

  • Suvendu Adhikari Cabinet: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে কোন দফতর? চমকে দেওয়া দায়িত্ব বণ্টনের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ

    Suvendu Adhikari Cabinet: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে কোন দফতর? চমকে দেওয়া দায়িত্ব বণ্টনের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে প্রথম দফায় আরও পাঁচ জন মন্ত্রী শপথ নেন। এরপর ১ জুন দ্বিতীয় দফায় শপথ গ্রহণ করেন রাজ্যের আরও ৩৫ জন মন্ত্রী। এই ৩৫ জনের মধ্যে— ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এবার হয়ে গেল তাঁদের দফতর বণ্টন।

    উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে বিশেষ গুরুত্ব

    নতুন মন্ত্রিসভা গঠনে আঞ্চলিক ভারসাম্যের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ১০ জন মন্ত্রী স্থান পেয়েছেন রাজ্য মন্ত্রিসভায়। একই সঙ্গে জঙ্গলমহল অঞ্চলকেও উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিজ জেলা পূর্ব মেদিনীপুর থেকেও চার জন মন্ত্রী মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। এছাড়া মন্ত্রিসভায় রয়েছেন ৭ জন মহিলা মুখ।

    দিল্লিতে বৈঠকের পর চূড়ান্ত দফতর বণ্টন

    দফতর বণ্টনের আগে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা নিতিন নবীনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়। বুধবার নবান্ন থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টনের সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিজের কাছেই রাখলেন শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিজের অধীনেই রেখেছেন। তাঁর হাতে থাকা দফতরগুলি হল—

    • ● স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিষয়ক
    • ● তথ্য ও সংস্কৃতি
    • ● বিদ্যুৎ
    • ● ভূমি ও ভূমি সংস্কার
    • ● উদ্বাস্তু ও পুনর্বাসন

    শুভেন্দুর সরকারের নতুন টিমে কোন মন্ত্রী কোন দফতরের দায়িত্ব পেলেন

    পূর্ণ মন্ত্রী

    • ● দীপক বর্মন – স্কুলশিক্ষা এবং আবাসন দফতর এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতর
    • ● তাপস রায়- শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ
    • ● শঙ্কর ঘোষ- পর্যটন, সংসদীয় বিষয়ক
    • ● মনোজ কুমার ওঁরাও- বন ও পরিবেশ
    • ● অর্জুন সিংহ- পরিবহণ এবং শ্রম
    • ● গৌরী শঙ্কর ঘোষ-গণশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার এবং অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ
    • ● জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়- উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
    • ● স্বপন দাশগুপ্ত- অর্থ
    • ● শারদ্বত মুখোপাধ্যায়-স্বাস্থ্য
    • ● কল্যাণ চক্রবর্তী- তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন
    • ● অরূপ কুমার দাস- সেচ ও জলপথ
    • ● অজয় কুমার পোদ্দার-পূর্ত এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি
    • ● দুধকুমার মণ্ডল- কৃষি
    • ● নিশীথ প্রামাণিক- উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন
    • ● অশোক কীর্তনীয়া- খাদ্য সরবরাহ, সমবায়
    • ● ক্ষুদিরাম টুডু- অনগ্রসর, সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা
    • ● দিলীপ ঘোষ- পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন
    • ● অগ্নিমিত্রা পাল- পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর

    স্বাধীন দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী

    • ● মালতি রাভা রায়- নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও কর্মসংস্থান এবং পরিসংখ্যান দফতর
    • ● রাজেশ মাহাতো- প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও মৎস্য দফতর
    • ● ইন্দ্রনীল খাঁ- ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং ক্রেতা সুরক্ষা দফতর

    প্রতিমন্ত্রী

    • ● জোয়েল মুর্মু- আদিবাসী উন্নয়ন এবং সেচ ও জলপথ
    • ● হরেকৃষ্ণ বেরা- উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
    • ● আনন্দময় বর্মন- অর্থ
    • ● অশোক দিন্দা- কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প ও বস্ত্র
    • ● নাদিয়ার চাঁদ বাউরি- পূর্ত এবং অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ
    • ● বিশাল লামা- মাদ্রাসা শিক্ষা
    • ● শান্তনু প্রামাণিক- পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, খাদ্য ও সরবরাহ
    • ● মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র- শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি
    • ● উমেশ রাই- নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক, সংসদীয় বিষয়ক
    • ● পূর্ণিমা চক্রবর্তী- পর্যটন
    • ● কৌশিক চৌধুরী- শিক্ষা এবং অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা
    • ● ভাস্কর ভট্টাচার্য- শ্রম এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি
    • ● দিবাকর ঘরামি- সমবায়, বন ও পরিবেশ
    • ● অমিয় কিস্কু- কৃষি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন
    • ● কলিতা মাজি- আবাসন
    • ● গার্গী দাস ঘোষ- বিদ্যুৎ, অপ্রচলিত এবং পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তি
    • ● বিরাজ বিশ্বাস- উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং আইন ও বিচার
    • ● দীপঙ্কর জানা- সুন্দরবন বিষয়ক
    • ● সুমনা সরকার- স্বাস্থ্য
LinkedIn
Share