Tag: swadeshi

  • RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত উৎসাহজনক এবং অনুপ্রেরণামূলক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ। আরএসএসের জাতীয় স্তরের বার্ষিক সাধারণ সভা অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শুরু হয়ছে কেরলের সমালখায়। কেরালায় স্বয়ংসেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজার হাজার মুসলিম ও খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Centenary Programmes)। সেখানে তাঁদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করা হয়। সভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আজ, শুক্রবার, ১৩ মার্চ। ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে সভার উদ্বোধন করেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

    কেরলে আরএসএসের তিনদিনের সভা (RSS)

    তিনদিনের এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেরলের সমালখার পট্টিকল্যাণায় অবস্থিত মাধব সৃষ্টি ক্যাম্পাসে। সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ সাংবাদিকদের সভার উদ্বোধন এবং সভা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রধান সুনীল আম্বেকরও। মুকুন্দ জানান, যেহেতু এই সভাটি আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই সারা দেশ থেকে ১৪০০-রও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। সভার শুরুতে সম্প্রতি প্রয়াত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এঁদের মধ্যে ছিলেন শিবকথা বর্ণনাকারী সৎগুরু দাস মহারাজ, পরিবেশবিদ মাধব গাডগিল, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লোকসভার স্পিকার শিবরাজ পাটিল, পরিবেশকর্মী সালুমারাদা থিম্মাক্কা, প্রত্নতত্ত্ববিদ কেএন দীক্ষিত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল, তামিল চলচ্চিত্র প্রযোজক এভিএম সারাভানন, মিজোরামের প্রাক্তন রাজ্যপাল স্বরাজ কৌশল, শিক্ষাবিদ বিনয় হেগড়ে, কমিউনিস্ট নেতা আর নল্লাকান্নু এবং প্রবীণ সাংবাদিক তথা সম্পাদক প্রফুল্ল গোবিন্দ বরুয়া।

    কী জানালেন সহ সরকার্যবাহ

    সহ সরকার্যবাহ জানান, আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সমাজের সজ্জন শক্তির সমর্থন ও অংশগ্রহণ স্বয়ংসেবকদের অত্যন্ত উৎসাহিত করেছে (Centenary Programmes)। আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ২ অক্টোবর ২০২৫ নাগপুরে শুরু হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। এর একদিন আগে ভারত সরকার আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে। তিনি জানান যে আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে দুই ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে-এক, সংগঠনের বিস্তার এবং দুই, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানো। এই প্রেক্ষিতেই গৃহ সম্পর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রান্তে স্বয়ংসেবকরা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছেছেন এবং প্রায় ৩.৯ লক্ষ গ্রামে গিয়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলেও এই কর্মসূচি চলছে (RSS)। এই কর্মসূচিতে স্বয়ংসেবকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং কোনও জাতি বা সম্প্রদায়গত পক্ষপাত ছাড়াই আরএসএস সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করাই লক্ষ্য

    কেরালার উদাহরণ দিয়ে মুকুন্দ জানান, সেখানে স্বয়ংসেবকরা ৫৫,০০০-এরও বেশি মুসলিম পরিবার এবং ৫৪,০০০-এরও বেশি খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা আন্তরিকভাবে তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন (Centenary Programmes)। তিনি এও জানান, সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৩৬,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলি শহর, গ্রাম এবং দূরবর্তী জনজাতি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তাঁরা প্রথমবার এমন উষ্ণতা ও আত্মীয়তার অনুভূতি পাচ্ছেন। মুকুন্দ জানান, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যে নাগরিক সংগোষ্ঠীরও আয়োজন করা হয়েছে।

    পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ

    এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে সমাজে পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। এই পাঁচটি পরিবর্তন হল, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা, আত্মগৌরব ও স্বদেশি ভাবনা, পরিবার ব্যবস্থা সংরক্ষণ এবং নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই জাতি ও সমাজকে মহান করা সম্ভব (RSS)। তিনি জানান, সরসংঘচালক মোহন ভাগবত রাজ্য রাজধানী ও চারটি প্রধান বড় শহরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চার মহানগরের অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ১০০০-এরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে (Centenary Programmes)।

    ক্রমেই বাড়ছে আরএসএসের শাখা

    সংগঠনের বিস্তার সম্পর্কে তিনি জানান, গত এক বছরে দেশের বহু নতুন জায়গায় নতুন শাখা শুরু হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে গ্রাম ও ছোট শহরে আরও বেশি শাখা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে (RSS)। আরএসএস নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। মণিপুরে শান্তি ও স্থিতিশীলতার উন্নত পরিস্থিতিও উৎসাহজনক। এই প্রচেষ্টায় আরএসএস স্বয়ংসেবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পড়শি দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুকুন্দ। যদিও আশা করেন, আগামী দিনে তাঁদের অবস্থার উন্নতি হবে। মুকুন্দ বলেন, “আরএসএসের উদ্দেশ্য হল সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে জাতি গঠনের কাজে এগিয়ে যাওয়া।”

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি চলবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে (RSS)।তিনি জানান, আরএসএস সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে (Centenary Programmes)। এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় সহ প্রচার প্রধান নরেন্দ্র ঠাকুর, প্রদীপ জোশি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। আরএসএসের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশের ৫১,৭৪০টি জায়গায় ৮৩,১২৯টি শাখা পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫,৬৮৩ টি জায়গায় ৮৮,৯৪৯টি শাখা। অর্থাৎ এক বছরে ৩,৯৪৩টি নয়া জায়গা যেমন যুক্ত হয়েছে, তেমনি মোট শাখাও বেড়েছে ৫,৮২০টি। এটি সংগঠনের ধারাবাহিক বিস্তারকে নির্দেশ করে।

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৩৭,০৪৮টি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৩.৫ কোটি মানুষ। এই সম্মেলনগুলি শহর, গ্রাম, জনজাতি ও দূরবর্তী অঞ্চলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে পঞ্চ পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যার মূল বিষয় হল সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সচেতনতা (Centenary Programmes), কুটুম্ব প্রবোধন, আত্মগৌরব এবং নাগরিক কর্তব্য পালন (RSS)।

     

  • Nirmala Sitharaman: বাজেটে স্বদেশি-প্রথম অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitharaman: বাজেটে স্বদেশি-প্রথম অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজেট ২০২৬–২৭ পেশ করে তিনি এদিন একটি বিস্তৃত স্বদেশি-প্রথম (Swadeshi First Strategy) অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরেন। এতে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে দেশীয় উৎপাদন, প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা এবং ভ্যালু-চেন সংহতকরণ। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী ছ’দফার একটি কাঠামোর কথা ঘোষণা করেন, যার লক্ষ্য স্বদেশি শিল্পকে প্রধান চালিকাশক্তি করে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করা। এই কাঠামোর মাধ্যমে কেবল সংযোজন বা আমদানি-বিকল্পের বাইরে গিয়ে গভীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, রফতানি প্রতিযোগিতা ও দেশীয় মেধাস্বত্ব (IP) গড়ে তোলার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ছ’টি স্তম্ভ (Nirmala Sitharaman)

    অর্থমন্ত্রী যে ছ’টি স্তম্ভের কথা বলেছেন, সেগুলি হল, সাতটি কৌশলগত ও অগ্রগামী খাতে স্বদেশি উৎপাদনের ব্যাপক সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান ও আঞ্চলিক অর্থনীতি রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী শিল্পক্ষেত্রের পুনরুজ্জীবন, লক্ষ্যভিত্তিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার মাধ্যমে ‘চ্যাম্পিয়ন’ এমএসএমই গড়ে তোলা, পরিকাঠামোয় বড়সড় বিনিয়োগ, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং নগরভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রথম তিনটি স্তম্ভে স্বদেশি উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে, যা প্রযুক্তিগত গভীরতা (Swadeshi First Strategy), দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল এবং কর্মসংস্থাননির্ভর বৃদ্ধির প্রতি সরকারের অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত দেয়। স্বদেশি উদ্যোগের অন্যতম বড় ঘোষণা হল ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন (ISM) ২.০, যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০,০০০ কোটি টাকা। আইএসএম ১.০–এর মাধ্যমে ভারতে সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি (Nirmala Sitharaman) ও ফ্যাব্রিকেশন ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছিল। নতুন পর্যায়ে শিল্পনির্ভর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গঠনের ওপর জোর দেওয়া হবে।

    সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি

    এই পর্যায়ে ভারতীয় প্রয়োজন অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও উপকরণ উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। লক্ষ্য হল, পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় মেধাস্বত্বভিত্তিক যন্ত্র ও উপকরণ উৎপাদন। এর মাধ্যমে কেবল অ্যাসেম্বলির সীমা ছাড়িয়ে সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু-চেনের প্রতি স্তরে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতকে বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বাজেটে বায়োফার্মা শক্তি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এ জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০,০০০ কোটি টাকা (Swadeshi First Strategy)। এই উদ্যোগের আওতায় রয়েছে তিনটি নতুন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফার্মাসিউটিক্যাল  (Swadeshi First Strategy)এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (NIPER) স্থাপন, সাতটি এনআইপিইআরের পরিকাঠামোর উন্নয়ন, ১,০০০টি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল কেন্দ্র গঠন এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO)–কে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা।

    ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টে আমদানি

    স্মার্টফোন, অটোমোবাইল ও প্রতিরক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম ঘোষণা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হল দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল গভীর করা এবং স্বদেশি উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো।গুরুত্বপূর্ণ খনিজের কৌশলগত প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে রেয়ার আর্থ করিডর স্থাপনের কথা (Nirmala Sitharaman) ঘোষণা করা হয়েছে। এই করিডরগুলিতে খনন, প্রক্রিয়াকরণ, গবেষণা ও স্থায়ী চুম্বক উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়া হবে, যা বৈদ্যুতিক যান, উইন্ড টারবাইন ও প্রতিরক্ষা খাতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Swadeshi First Strategy)। বিশেষায়িত ও বাল্ক কেমিক্যাল উৎপাদনে ভারতের অবস্থান মজবুত করতে তিনটি বিশেষ কেমিক্যাল পার্ক স্থাপনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শিপিং কন্টেইনার উৎপাদনের জন্য নতুন একটি প্রকল্পও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০,০০০ কোটি টাকা। লক্ষ্য হল, আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক স্বদেশি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো।

    উচ্চাভিলাষী সমন্বিত কর্মসূচি

    বস্ত্র খাতে বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উচ্চাভিলাষী সমন্বিত কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে (Swadeshi First Strategy)। ‘চ্যালেঞ্জ মোড’-এ বড় টেক্সটাইল পার্ক গড়ে তোলা হবে, যেখানে বেসরকারি সংস্থাগুলি দরপত্রের মাধ্যমে পার্ক নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পাবে, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ও মূল্য সংযোজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং বস্ত্র খাতের জন্য পাঁচ দফার সহায়তা প্যাকেজ। এগুলি হল, প্রাকৃতিক, কৃত্রিম ও আধুনিক ফাইবারে আত্মনির্ভরতা (Nirmala Sitharaman), টেক্সটাইল এক্সপ্যানশন অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট স্কিমে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও পরীক্ষণের সুবিধা, ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্প কর্মসূচি, টেক্স-ইকো উদ্যোগে (Swadeshi First Strategy) পরিবেশবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন, সামারাথ ২.০ (SAMARTH 2.0) শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ দক্ষতা উন্নয়ন। এছাড়াও মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য খাদি, হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্পকে ব্র্যান্ডিং, বাজার সংযোগ, প্রশিক্ষণ ও মান নির্ধারণের মাধ্যমে শক্তিশালী করা।

    ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টার

    আঞ্চলিক বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের সমস্যা মোকাবিলায় ২০০টি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টার পুনরুজ্জীবনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। এমএসএমইদের জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার ‘চ্যাম্পিয়ন ফান্ড’, এবং দুটি হাই-টেক টুল রুম স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। মজবুত উৎপাদনের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে কার্বন ক্যাপচার, ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড স্টোরেজ (CCUS) প্রযুক্তির জন্য (Nirmala Sitharaman)। বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা ও ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই স্বদেশির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ আগেই ইলেকট্রনিক্স ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজে (Swadeshi First Strategy) আমদানি নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিল (Swadeshi First Strategy)। বাজেট বক্তৃতায় নির্মলা বলেন, “আত্মনির্ভরতাকে পথপ্রদর্শক হিসেবে রেখে আমরা দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কমিয়েছি।” পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় মেধাস্বত্ব, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিকাঠামো, রেয়ার আর্থ প্রক্রিয়াকরণ এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্প পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর দিয়ে সরকার ভ্যালু-চেনের উচ্চ স্তরে ওঠার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

LinkedIn
Share