Tag: T-20 World Cup

T-20 World Cup

  • T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পাশে নেই অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির বিরুদ্ধে অসহায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করে বিপাকে পড়েছে পিসিবি। টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও ভারত ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু সরাসরি আইসিসিকে কিছু জানায়নি। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু তারপরই রক্তচক্ষু রাঙায় আইসিসি। এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান। কিন্তু কোনও সাপোর্ট মেলেনি। পাশে দাঁড়ায়নি অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত ম্যাচ বয়কটের কথা আইসিসিকে জানায়নি। যার ফলে আরও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কোনও আইনি অবস্থানও নেই পাকিস্তানের

    সূত্রের খবর, পিসিবির পাশে দাঁড়াতে চায়নি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তানের কোনও লোকাস স্ট্যান্ডি নেই। কোনও আইনি অবস্থানও নেই। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বাকি ক্রিকেট বোর্ডগুলো। পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেখানে বয়কটের প্রসঙ্গ ওঠেনি। পাকিস্তানের মেয়েদের দলের ভারতীয় এ দলের বিরুদ্ধে খেলার কথা। এইক্ষেত্রে কোনও আপত্তি জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট কেন? আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান সব ম্যাচ কলম্বোয় খেলবে। শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু। তাই কোনও সমস্যা হওয়ার কথা না পাকিস্তানের। বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের এই অবস্থান মানতে পারছে না বাকি বোর্ডগুলো।

    পাকিস্তানের ওপর কী কী শাস্তি

    পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামে তাহলে আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচটি ভারতকে ওয়াকওভার হিসেবে দেওয়া হবে। ভারতকে পয়েন্ট পেতে হলে তাদের মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি ভারতের অধিনায়ক (Suryakumar Yadav) টসের জন্য মাঠে আসেন এবং পাকিস্তান অধিনায়ক (Salman Ali Agha) না আসেন, তাহলে ম্যাচ রেফারি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ এবং ২ পয়েন্ট ভারতকে দিয়ে দেবে। ডিফল্ট করা দল (পাকিস্তান) কে ২০ ওভারের পুরো ইনিংস খেলেছে কিন্তু ০ রান করেছে বলে ধরা হবে। এতে তাদের নেট রান রেট অনেক কমে যাবে, ফলে তারা অন্য ম্যাচগুলো জিতলেও শেষ ৮-এ ওঠা খুব কঠিন হবে। তবে, আর্থিক ও বাণিজ্যিক শাস্তিই পিসিবি-র আসল সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু টুর্নামেন্ট নয়, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমে টাকা রোজগারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রচারকারী সংস্থা আনুমানিক $২৫ মিলিয়ন থেকে $৩০ মিলিয়ন বিজ্ঞাপন আয় হারাবে। তারা আইসিসি-র কাছে ছাড় চাইতে পারে। আইসিসি এই আইনি দাবি ও আর্থিক ক্ষতি সরাসরি পিসিবি-র ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। আইসিসি পিসিবি-র বার্ষিক আয়ের অংশ আটকে রাখতে পারে, যা পাকিস্তানের ক্রিকেট বাজেটের প্রায় ৭০-৮০%। এতে বোর্ড আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।

    আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন

    আইসিসির “সরকারি হস্তক্ষেপ” ধারা অনুযায়ী, সদস্য বোর্ডগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, সরকারি হস্তক্ষেপ এড়াতে হবে। যদিও প্রাক্তন পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, সরকারি নির্দেশ মানলে পাকিস্তান আইসিসি-র শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে, কিন্তু পাকিস্তানের “নির্বাচিত অংশগ্রহণ” এখনও টুর্নামেন্টের সততার লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে (১৯৯৬ ও ২০০৩)-এ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে দলগুলো ম্যাচ বয়কট করেছিল (যেমন Australia, Sri Lanka-র ম্যাচ বাদ দিয়েছিল)। তবে, পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা-তে, যেটা নিরপেক্ষ ভেন্যু, ম্যাচ বয়কট করছে, তাই সরকারি হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই। তাই, এই পদক্ষেপ সরাসরি আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন।

  • Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেভাবে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশবাসীর বিশ্বাসভঙ্গ হচ্ছে, তেমনই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল বিসিবি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (Bangladesh Cricket Board) বিতর্কিত পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে (M Najmul Islam) ফের আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান পদে ফিরিয়ে আনল বিসিবি। মাত্র কয়েক দিন আগেই তাঁকে সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল। এম নাজমুল ইসলাম তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ বলায় তাঁর পদত্যাগ চেয়েছিলেন সে দেশের ক্রিকেটাররা। প্রতিবাদে এক দিন বন্ধ থাকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা। চাপের মুখে তাঁকে বহিষ্কার করে বিসিবি। সেই নাজমুলকেই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    ফিরলেন নাজমুল

    ১৫ জানুয়ারি প্রবল চাপের মুখে এম নাজমুল ইসলামকে আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান-সহ সব দায়িত্ব থেকে অপসারিত করা হয়। সেই সময় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল (Aminul Islam Bulbul) জানিয়েছিলেন, ‘সংস্থার স্বার্থে এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্যই’এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু এরপর নাজমুলের বিরুদ্ধে জারি হওয়া শো-কজ নোটিসের জবাব খতিয়ে দেখে বিসিবির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। কমিটির মতে, তাঁর ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক’। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ফের দায়িত্বে ফেরানো হয় তাঁকে। আমজাদ হোসেনের কথায়, ‘নাজমুল ইসলাম তাঁর শো-কজের জবাব জমা দিয়েছেন। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তা খতিয়ে দেখে সন্তুষ্ট!’ এই ঘটনাটি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    এই সিদ্ধান্তের শিকড়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য। এম নাজমুল ইসলাম প্রাক্তন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালকে (Tamim Iqbal) ফেসবুক পোস্টে ‘পরীক্ষিত ভারতীয় দালাল’ বলে আক্রমণ করেন। যা চাপের মুখে তিনি মুছেও ফেলেন। অন্যদিকে তামিম জানিয়ে দেন, টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎকেই অগ্রাধিকার দিতেন। পাশাপাশি উঠতে থাকা বিতর্কের মুখে না থেমে নাজমুল দাবি করেন, বিশ্বকাপ বয়কট হলে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত নয়। এমনকি মাঠে খারাপ খেললে বোর্ডেরও টাকা ফেরত চাওয়ার অধিকার থাকা উচিত। এমন মন্তব্য, স্বভাবতই, আগুনে ঘি ঢালে। মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ দেখান ক্রিকেটাররা। খেলোয়াড়দের সংগঠন সিডব্লিউএবি-এর (CWAB) সভাপতি মহম্মদ মিঠুন (Mohammad Mithun) নাজমুলের পদত্যাগ দাবি করেন। সেই সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত (Najmul Hossain Shanto), মেহেদি হাসান মিরাজ-সহ (Mehidy Hasan Miraz) একাধিক তারকা ক্রিকেটার বয়কট করেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (Bangladesh Premier League)। এর জেরে অধিকাংশ ম্যাচ স্থগিত হয়, একসময় বিসিবি অনির্দিষ্টকালের জন্য টুর্নামেন্ট বন্ধের ঘোষণাও করে। পরে বোর্ড ও ক্রিকেটারদের বৈঠকের পর নির্দিষ্ট শর্তে খেলায় ফেরেন ক্রিকেটাররা। সেই সময়ই নাজমুলের বিরুদ্ধে শো-কজ জারি হয়। তবে নাজমুলের পুনর্বহালের পর, বোর্ড প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় ক্রিকেটারদের অসহায় মনে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খেলোয়াড় নাজমুলের পুনর্বহালের খবর শুনে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এটা তো খুবই ভালো খবর! এতেই বোঝা যাচ্ছে এখানে সব কিছু কীভাবে হচ্ছে।’’ তাঁর কথা থেকেই স্পষ্ট, বিসিবি’র উপর আস্থা হারাচ্ছেন তাঁরা।

  • Shikhar Dhawan: হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ! বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে মর্মাহত ধাওয়ান

    Shikhar Dhawan: হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ! বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে মর্মাহত ধাওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহম্মদ ইউনুসের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু নিধনের ঘটনা যেন থামছেই না। কয়েকদিন আগেই ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে প্রকাশ্যে এসেছিল হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণের ঘটনা। কেবল তাই নয়, গাছের সঙ্গে বেঁধে মাথার চুল কেটে নেওয়া হয় ৪০ বছরের ওই মহিলার। এই নারকীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন শিখর ধাওয়ান (Shikhar Dhawan)। পৈশাচিক এই ঘটনাকে ‘হৃদয়বিদারক’ আখ্যা দিয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার।

    নৃশংস হামলার খবর পড়ে যন্ত্রণাবিদ্ধ

    ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার শিখর লেখেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দু বিধবার উপর নৃশংস হামলার খবর পড়ে যন্ত্রণাবিদ্ধ হয়েছি। কোথাও, কারওর সঙ্গে এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার প্রার্থনা, নির্যাতিতা যেন ন্যায়বিচার ও সমর্থন পান।’ পুলিশের কাছে অভিযোগে ওই মহিলা জানিয়েছেন, আড়াই বছর আগে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পুরসভার ৭নং ওয়ার্ড নদীপাড়ার বাসিন্দা শাহিন ও তাঁর ভাইয়ের কাছে ২০ লক্ষ টাকায় তিন শতক জমি-সহ একটি দোতলা বাড়ি কিনেছিলেন। এরপর থেকেই মূল অভিযুক্ত শাহিনের কুনজরে পড়েন তিনি। তাঁকে অতীতে একাধিকবার অশালীন প্রস্তাবও দিয়েছিল যুবক। তাতে রাজি না হওয়ায় নানাভাবে হয়রানি করা হয় ওই মহিলাকে। গত শনিবার সন্ধায় আচমকাই বাড়িতে ঢোকে শাহিন এবং তাঁর সঙ্গী হাসান। দু’জনে মিলে তাঁকে ধর্ষণ করে। পাশাপাশি সেদিন ওই মহিলার কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩৭ হাজার টাকা) দাবিও করে দুই অভিযুক্ত। তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা আত্মীয়দেরও পর্যন্ত নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। এরপর ওই বিধবা চিৎকার শুরু করলে মহিলাকে গাছে বেঁধে চুল কেটে দেয়। এই ঘটনা ভিডিও করে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে গত তিন সপ্তাহে এখনও পর্যন্ত সাত জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে দোকানদার, রোষের শিকার হয়েছেন প্রত্যেকেই।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্যা

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের প্রভাব দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের উপরেও পড়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাঁটাই করে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তারপর থেকে এই বিষয়ে সুর চড়া করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এমনকী ঘুরপথে ‘প্রতিহিংসা’ চরিতার্থ করার চেষ্টা শুরু করে তারা। মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার ‘বদলা’ হিসেবে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না আসার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক আরও গভীর হয়েছে। আইসিসি-কে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। তবে, বিসিবি-র অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। বলা হয়েছে, ভারতে কোনও সমস্যা নেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেললে সেখানেই খেলতে হবে। তবে এই আবহে বিসিবি জানিয়েছে, দেশের সম্মান বা ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে তারা খেলতে যাবে না। বুধবার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, বাংলাদেশ চাইছে তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক।

    বিপিএল-ছাড়লেন ভারতীয় সঞ্চালিকা ঋধিমা

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অন্যতম উপস্থাপক হিসাবে কাজ করছিলেন ঋধিমা পাঠক। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর তাঁকে আর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতে দেখা যাচ্ছে না। মনে করা হয়েছিল, মুস্তাফিজুর বিতর্কের জেরে ভারতীয় সঞ্চালিকাকে বাদ দিয়েছেন বাংলাদেশের সম্প্রচারকারী চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। ঋধিমা জানিয়েছেন, তিনি নিজেই বিপিএল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। বিপিএল থেকে ঋধিমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। তৈরি হচ্ছিল নতুন বিতর্ক। তবে ঋধিমা নিজেই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, স্বেচ্ছায় বিপিএল থেকে সরে এসেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে সরিয়ে দেয়নি। বিবৃতি দিয়ে ঋধিমা বলেছেন, ‘‘আমাকে বিপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এমন একটা জল্পনা ছড়িয়েছে। এটা ঠিক নয়। আমি নিজেই সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমার কাছে আমার দেশ সব সময় সকলের আগে। যে কোনও ব্যক্তিগত দায়িত্বের চেয়ে ক্রিকেট খেলা অনেক বেশি মূল্যবান বলে মনে করি। বছরের পর বছর সততা, শ্রদ্ধা, আবেগের সঙ্গে ক্রিকেটের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। এটার কোনও পরিবর্তন হবে না। আমি সততা, স্বচ্ছতা এবং খেলার পাশেই থাকব।’’

  • CSK vs KKR:  বিধ্বংসী ব্যাটিং বড় ভরসা নাইটদের, পর পর দুই ম্যাচ হেরে আজ কেকেআর-এর সামনে চেন্নাই

    CSK vs KKR: বিধ্বংসী ব্যাটিং বড় ভরসা নাইটদের, পর পর দুই ম্যাচ হেরে আজ কেকেআর-এর সামনে চেন্নাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত অপরাজেয় কেকেআর। জয়ের পথ থেকে সরতে নারাজ নাইট শিবির। মঙ্গলবার চিপকে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে নামার আগে সতর্ক গৌতম গম্ভীর। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক যে দেল সে দলকে সবসময়ই সমীহ করা উচিত মত গোতির। তবে প্রথম তিন ম্যাচের মতোই বিধ্বংসী ব্যাটিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে প্রস্তুত কলকাতা। আর পরপর দুই ম্যাচ হেরে নাইটদের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে চেনা পরিবেশের সুযোগ নিতে মরিয়া মাহিরা।

    কে কোন জায়গায়

    চার ম্যাচে চেন্নাইয়ের খাতায় দু’টি জয় ও দু’টি হার৷ এই মুহূর্তে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে তারা৷ সোমবার পয়েন্ট টেবিলে দু’নম্বরে থাকা কেকেআরের বিরুদ্ধে নামছে সিএসকে৷ আইপিএল ইতিহাসে নাইটরা কখনই প্রথম তিনটি ম্যাচে পরপর জেতেনি৷ এই মরশুমে সেই কাজটাই করে দেখিয়েছেন গৌতম গম্ভীর, চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত এবং শ্রেয়স আইয়াররা৷ শুরু থেকে প্রতিপক্ষ বোলিংয়ের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ব্যাট করে, নাস্তানাবুদ করে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে কেকেআর৷ আর এখানেই ঘরের মাঠে খেলার ফায়দা নিতে চাইছে চেন্নাই৷ সুনীল নারাইন, ফিল সল্ট, শ্রেয়স আইয়ার, রিঙ্কু সিং এবং আন্দ্রে রাসেলদের বিধ্বংসী ব্যাটিংকে রুখতে স্পিন সহায়ক উইকেট বানাতে পারে সিএসকে৷ সেক্ষেত্রে ঋতুরাজরা নিজেরাও বিপাকে পড়তে পারেন। কারণ, নাইট শিবিরে সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তী, সুয়াশ শর্মার মতো স্পিনার রয়েছে৷ তাই জয়ে ফিরতে হলুদ ব্রিগেডকে লড়াই করতেই হবে। 

    ধোনিদের ঘরে রিঙ্কু

    আইপিএলে চেন্নাইয়ের সঙ্গে ম্যাচের প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে চেন্নাই সুপার কিংসের (CSK) ড্রেসিংরুমে ঢুকে পড়লেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের তারকা রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। তবে প্রতিপক্ষের কৌশল জানতে নয়, গিয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের সব ফরম্যাটে সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে দেখা করতে। মাহির সঙ্গে নিজের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেছেন রিঙ্কু সিং। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে রিঙ্কু সিংয়ের ওই ইন্সটাগ্রাম পোস্টে প্রায় ১ লক্ষ ৫৫ হাজার লাইক পড়েছে।

    মাহির মতো না হলেও ইতিমধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটে ফিনিশার হিসেবে বেশ নাম করেছেন রিঙ্কু। তাই হয়তো আইপিএল নয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বিদেশের মাঠে খেলার জন্য মাহির থেকে জরুরি টিপস নিতেই সিএসকে-র সাজঘরে ভারতীয় ক্রিকেটের নয়া তারকা রিঙ্কু সিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ! নিউ-ইয়র্কে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ! নিউ-ইয়র্কে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup) ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচ হতে চলেছে নিউ ইয়র্কে। আমেরিকার শেষ জনগণনা অনুযায়ী নিউইয়র্কেই সব থেকে বেশি ভারতীয় বসবাস করেন। সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়ের সংখ্যা ৭ লাখ ১১ হাজারের বেশি। পাশাপাশি, প্রায় এক লাখ পাকিস্তানি বসবাস করেন। তাই নিউ ইয়র্কেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    ভারত-পাক ম্যাচের জন্য নয়া স্টেডিয়াম

    আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T-20 World Cup) যৌথ ভাবে আয়োজন করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আমেরিকা। আইসিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ ইয়র্কের শহরতলির পপ-আপ স্টেডিয়ামে হবে বসবে ধুন্ধুমার ক্রিকেট যুদ্ধের আসর। ফের বাইশ গজে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan)। এর জন্য ৩৪ হাজার দর্শক আসন বিশিষ্ট অস্থায়ী স্টেডিয়ামে তৈরি করা হবে। নিউ ইয়র্কে স্টেডিয়াম নেই, তা নয়। তবে ক্রিকেটের উপযোগী স্টেডিয়াম নেই সেখানে। রয়েছে আরও একটি সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় দর্শকাসনের স্টেডিয়ামও নেই। তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জন্য নতুন স্টেডিয়াম তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকার ক্রিকেট সংস্থা।

    আরও পড়ুন: আর কেউ পরতে পারবেন না ধোনির জার্সি! মাহির ৭ নম্বর জার্সি সংরক্ষণ বিসিসিআই-এর

    ভারতীয় সময় দেখে হতে পারে খেলা

    বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিনটে ভেন্যু বাছাই করা হয়েছে— ফ্লোরিডার সেন্ট্রাল ব্রডওয়ার্ড পার্ক, টেক্সাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম এবং ম্যানহাটনের ডাউনটাউন থেকে ২৫ মাইল দূরের লং আইল্যান্ডের আইজেনওয়ার পার্ক। দিল্লি এবং নিউইয়র্কের সময়ের ব্যবধান সাড়ে দশ ঘণ্টা। ভারতের টেলিভিশন দর্শকদের কথা বিবেচনা করে ভারতীয় দলের ম্যাচগুলি সেই সময় মতো হবে। উল্লেখ্য টি-২০ বিশ্বকাপ হবে ৪-৩০ জুন। আইসিসির তরফে এখনও গ্রুপবিন্যাস করা হয়নি। ২০১৩ সালের পর থেকে ভারত এবং পাকিস্তানকে প্রতিটি আইসিসি ট্রফিতেই এক গ্রুপে রাখা হচ্ছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হচ্ছে না। টি ২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল কোথায় হবে, তা এখনও চূড়ান্ত না হলেও অনুমান করা হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বার্বাডোজে চূড়ান্ত লড়াই হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kapil Dev: ভারতীয় দলকে চোকার্স তকমা! জানেন কী বললেন কপিল দেব?

    Kapil Dev: ভারতীয় দলকে চোকার্স তকমা! জানেন কী বললেন কপিল দেব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) সেমিফাইনাল থেকে ভারতের বিদায় কেউ যেন মেনে নিতে পারছেন না। ঘোর যেন কিছুতেই কাটছে না। অনেকেই রোহিত শর্মাদের (Rohit Sharma) ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত। তবে ৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের অধিনায়ক কপিল দেব কিন্তু আগেভাগেই বলেছিলেন, বিরাট কোহলিরা এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবেন না। তখন অবশ্য হারিয়ানা হ্যারিকেনের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। যদিও বাস্তবে মিলে গেল কপিলের বাণী।

    কপিলের কথায়

    ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের কথায়, ‘‌চোকার্স শব্দটা এখন ভারতীয় দলের সঙ্গে যায়। তীরে এসে তরী ডোবে। অর্থাৎ চোক করে যায় ভারতীয় দল।’‌ তবে ক্রিকেটারদের অতিরিক্ত সমালোচনা করাটাও কপিলের পছন্দ নয়। তিনি বলেছেন, ‘‌অতিরিক্ত সমালোচনা ঠিক নয়। মানছি ভারতীয় দল অত্যন্ত খারাপ ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু একটা ম্যাচ দিয়ে সব বিচার হয় না। এই ক্রিকেটাররাই দেশকে অনেক সম্মান এনে দিয়েছে।’‌ সেমিফাইনালের হার নিয়ে কপিলের মত, ‘‌পরিস্থিতিটা খুব ভাল কাজে লাগিয়েছে ইংরেজ ব্যাটাররা। ভারতকে পুরো উড়িয়ে দিয়েছে।’‌ ভারতীয় দলকে কেন চোকার্স বলা হচ্ছে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রাক্তন পেসার। কপিলের কথায়, ‘একবার দুবার না একটা দল বার বার খেতাবের এত কাছে পৌঁছেও খালি হাতে ফিরছে। এই দলকে চোকার্স বলবে না তো কি বলবে? বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক বলেন, দল থেকে ছাঁটাই করতে হবে অনেককে। নতুন প্লেয়ারদের জন্য দলে জায়গা দিতে হবে। 

    আরও পড়ুন: রোহিতদের পারফরম্যান্সে খুশি নয় বিসিসিআই! দলে একগুচ্ছ পরিবর্তনের সম্ভাবনা

    সমালোচক গম্ভীর 

    ২০১৩ সালের পর আর আইসিসি ট্রফি জেতেনি ভারত। কখনও সেমিফাইনাল, ফাইনাল তো কখনও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে। সমালোচনা করেছেন গৌতম গম্ভীরও। ২০০৭ সালে উদ্বোধনী টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। তারপর গত ১৫ বছরে আর ট্রফি আসেনি। সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন গম্ভীর। ফাইনালে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকেই। সেই গম্ভীর বলেছেন, ‘‌যাঁরা সাফল্য এনে দিতে পারবে, তাঁদের উপরই ভরসা রাখা উচিত।’

     

  • T20 World Cup: নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তান

    T20 World Cup: নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র একটি ম্যাচের অপেক্ষা। তারপরেই মেলবোর্নে হতে পারে মহারণ। নিউজিল্যান্ডকে সাত উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে রোহিতরা হারাতে পারলেই ফের মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। এবার ফাইনাল। 

    ১৩ বছর পর বিশ্বকাপের হাতছানি

    এক সময় সেমিফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত ছিল। সুপার ১২-এ নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দেওয়ায় সেমিফাইনালের রাস্তা খুলে যায়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তারপর দাপটে জয় আর শেষ চারের ম্যাচে বুধবার নিউজিল্যান্ডকে এক কথায় উড়িয়ে দিল বাবর আজমের পাকিস্তান। এদিন একমাত্র টস ভাগ্য নিউজিল্যান্ডের সহায় ছিল। প্রথমে ব্যাট করে কেন উইলিয়ামসনের দল ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান তোলে। ড্যারিল মিচেল অর্ধশতরান করেন। জবাবে মহম্মদ রিজওয়ান এবং বাবর আজমের জোড়া অর্ধশতরানের ভর করে সাত উইকেট বাকি থাকতে জয়ের প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় পাকিস্তান। ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪২ বলে ৫৩ রান করেন বাবর। ৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৩ বলে ৫৭ রান করেন রিজওয়ান। শেষমেশ ম্যাচের সেরার পুরস্কার ওঠে রিজওয়ানের হাতে। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কেন উইলিয়ামসন। বল করতে নেমে প্রথম ওভারেই কিউইদের ধাক্কা দেয় পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির চতুর্থ বলেই ফিরে যান দলের ওপেনার ফিন অ্যালেন। আফ্রিদির সোজাসুজি নেমে আসা বল আড়াআড়ি ভাবে খেলতে গিয়েছিলেন অ্যালেন। লাইন ফস্কান এবং সোজা এলবিডব্লিউ। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ডেভন কনওয়ে এবং কেন উইলিয়ামসন। সেখানেও বাধা পেতে হয়। শাদাব খানের দুর্দান্ত থ্রোয়ে ২১ রানেই ফিরে যান কনওয়ে। এরপরে একমাত্র ড্যারিল মিচেল দাঁড়াতে পেরছিলেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান ঝড় তোলেন। আর পিছনফিরে তাকাতে হয়নি পাকিস্তানকে।

    আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে ব্রিটিশ-রাজে নৈশভোজ টিম ইন্ডিয়ার! কেন জানেন?

    মেলবোর্নে মহারণের অপেক্ষা

    ২০০৭-এর পর আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের মঞ্চ তৈরি হয়ে গেল। ২০০৭ সালে যেমন পাকিস্তানকে ফাইনালে হারিয়ে উদ্বোধনী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে মেলবোর্নে,এখনই সেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট অনুরাগীরা। আবার ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে চাইবে পাকিস্তান। সেই ফাইনালে ভারতকে দাঁড়াতেই দেননি মহম্মদ আমিররা। তবে কী হবে তা সময় বলবে? আপাতত বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডকে হারাতে হবে ভারতকে! তবেই মহারণ।

     

  • T-20 World Cup: দক্ষিণ আফ্রিকার হার বদলে দিল সমীকরণ! টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    T-20 World Cup: দক্ষিণ আফ্রিকার হার বদলে দিল সমীকরণ! টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (T-20 World Cup) ফের অপ্রত্যাশিত হার। নেদারল্যান্ডসের কাছে সুপার ১২-এর শেষ ম্যাচ হেরে ছিটকে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে এর ফলে সেমি-ফাইনালে উঠে এল ভারত। ডাচদের হারালেই শেষ চার নিশ্চিত হত টেম্বা বাভুমার দলের। ফলে প্রোটিয়াদের অপ্রত্যাশিত পরাজয়ে আজ জিম্বাবোয়ে ম্যাচ খেলতে নামার আগেই ভারত চলে গেল সেমি-ফাইনালে। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে কে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছয় , সেদিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

    আজকের দক্ষিণ আফ্রিকার নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে এই পরাজয়ে আরও একবার চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) ফাইনালে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল। দক্ষিণ আফ্রিকার মত শক্তিশালী দল যে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবে এটি একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। ২০২২ টি-২০ বিশ্বকাপে রবিবারের আগে খুব একটা খারাপ পারফরম্যান্স কিন্তু করেনি টেম্বা বাভুমার দল। শুধুমাত্র পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাদের হারতে হয়েছিল। কিন্তু, নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রোটিয়াদের এই পরাজয় বিশ্বকাপের পুরো খেলাটাকেই ঘুরিয়ে দিল। আজ, রবিবার সকালের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে প্রোটিয়াদের ১৩ রানে হারিয়ে দেয় টুর্নামেন্ট থেকে আগেই ছিটকে যাওয়া ডাচরা (NED vs SA)। নিজেদের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকাকেও নিয়ে গেল তারা।

    রবিবার বিশ্বকাপের ( T-20 World Cup)  ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নেদারল্যান্ডস তোলে ৪ উইকেটে ১৫৮ রান। ডাচদের প্রথম চার ব্যাটারই ভাল পারফর্ম করেন। তবে অকারম্যানের পারফরমেন্স নজরে আসার মত ছিল। মাত্র ২৬ বলে ৪১ করেন তিনি। তবেএর উত্তর দিতে এসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৪৫ রানেই আটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপের মুখে কোনও প্রোটিয়া ব্যাটারই তেমনভাবে নজর কাড়তে পারেননি। এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা হারে ১৩ রানে।

    আজ যদি দক্ষিণ আফ্রিকা জিতে যেত তবে, সেমিফাইনালে নিশ্চিত চলে যেত। সেক্ষেত্রে আজ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারতকে জিততে হত। আবার পাকিস্তান (Pakistan) এবং বাংলাদেশ (Bangladesh) কার্যত ছিটকে যেত বিশ্বকাপ থেকে। কিন্তু নেদারল্যান্ডের কাছে হেরে পুরোটাই বদলে দিল প্রোটিয়ারা। এই একই স্টেডিয়ামে আপাতত শুরু হয়েছে পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ। তবে ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে ম্যাচ মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। 

  • T20 World Cup: বিরাট রেকর্ড কোহলির! সচিনকে পিছনে ফেলে বিদেশের মাঠে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কে জানেন?

    T20 World Cup: বিরাট রেকর্ড কোহলির! সচিনকে পিছনে ফেলে বিদেশের মাঠে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকরও এখন তাঁর পিছনে। বিদেশের মাটিতে ভারতের সর্বাধিক আন্তর্জাতিক রান স্কোরার বিরাট কোহলি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বিরাটের নামে রয়েছে ৩৩৫০ আন্তর্জাতিক রান। গড় ৫৬.৭৭,যার মধ্যে ১১টি সেঞ্চুরি এবং ১৮টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সচিনের সংগ্রহে ৩৩০০ রান। বিদেশের মাটিতে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সচিনই ছিলেন প্রথম। অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও শ্রীলঙ্কার মাটিতে ২৬৮৬ রান করেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। ইংল্যান্ডের মাটিতে ২৬২৬ রান করেছেন বান্দ্রার বাদশা। এই তালিকায় দ্রাবিড়ও রয়েছেন। ভারতের বর্তমান হেড কোচ ইংল্যান্ডের মাটিতে ২৬৪৫ রান করেছিলেন। এখন সবাইকে পিছনে ফেলে দিলেন কিং কোহলি।

    চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিরাট ব্যাটেই দিশেহারা প্রতিপক্ষ। পুরনো মেজাজে ফিরেছেন কোহলি (Virat Kohli)। পাকিস্তানের (৫৩ বলে অপরাজিত ৮২ রান) পর নেদারল্য়ান্ডসের (৪৪ বলে অপরাজিত ৬২) বিরুদ্ধে ব্যাক-টু-ব্যাক ঝকঝকে ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাময়িক ছন্দপতন। তবে বুধবার অ্যাডিলেড ওভালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ফের ঝলসে উঠল তাঁর ব্যাট। এই ম্যাচে চতুর্থ ওভারে ব্যাট করতে নেমে ৪৪ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১৬ রান করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় প্রথম স্থান এখন বিরাটের। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল মাহেলা জয়াবর্ধনের নামে। 

    আরও পড়ুন: অ্যাকশনে ভরপুর সিনেমা দিয়ে প্রত্যাবর্তন বলিউড বাদশার, মুক্তি পেল ‘পাঠান’- এর টিজার

    অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বরাবরই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন কোহলি। এদিনের ঝকঝকে ইনিংসের পর তিনি বলেন, “যখনই জানতে পেরেছিলাম যে, বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ায় হবে, তখনই বুঝে গিয়েছিলাম যে, ভালো ক্রিকেটীয় শটই এখানে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। আমি জানতাম আমার অস্ট্রেলিয়ায় খেলার অভিজ্ঞতা দলের জন্য কাজে লাগবে। আমি এখানকার মাঠে খেলতে ভালোবাসি। নেট সেশন থেকে শুরু করে ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ায় ঘরের মতো অনুভূতি হয়। এমসিজি-র নক হোক বা অ্যাডিলেড। আমি এখানে ব্যাটিং উপভোগ করি।” তবে এদিনের ম্যাচ যে  ক্লোজ গেম ছিল তা জানান বিরাট। 

     

  • T-20 world cup: ‘মানকড়িং’ আউটের পক্ষে সওয়াল হার্দিকের! জানেন কাকে বলে মানকড়িং?

    T-20 world cup: ‘মানকড়িং’ আউটের পক্ষে সওয়াল হার্দিকের! জানেন কাকে বলে মানকড়িং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মানকড়িং’ আউট নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন ভারতীয় দলের অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে মানকড়িং আউট নিয়ে আমার কোনও আপত্তি নেই। কারণ এটা ক্রিকেট আইনেই আছে। নন স্ট্রাইকার এন্ডের ব্যাটসম্যান যদি ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যায় তাহলে বোলার তাকে রান আউট করতেই পারে। এতে অন্যায় কিছু দেখছি না। আমার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটলে সোজা মাঠ থেকে বেরিয়ে যাব। এক্ষেত্রে বোলারের কোনও দোষ নেই। বরং দোষটা আমারই। কারণ আমি ক্রিকেটের নিয়মের তোয়াক্কা করিনি। বোলার ডেলিভারি রিলিজ করার আগেই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়াটা অন্যায়। তাই ব্যাটসম্যানকে রান আউট করাটা অন্যায় নয়।’

    আরও পড়ুন: হটস্টারের ভিউয়ার্সে রেকর্ড! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আবেগ -উন্মাদনায় ভাসল ক্রীড়াপ্রেমীরা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত পাকিস্তান ম্যাচে মানকড়িং এর সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ শামি। তিনি ডেলিভারি রিলিজ করার আগেই ক্রিজ থেকে অনেকটা বেরিয়ে গিয়েছিলেন এক পাক ব্যাটসম্যান। শামি চাইলেই তাঁকে রান আউট করতেই পারতেন। এই দৃশ্য সামনে আসার পরই হার্দিককে এই প্রশ্ন ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ভারতীয় অলরাউন্ডারটির কথাতে এটা স্পষ্ট যে, ক্রিকেটের স্পিরিট নিয়ে যতই কথা বলা হোক ব্যাটসম্যানের অন্যায় কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়। যাঁরা এই ধরনের আউট নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁদের সমালোচনাই করেছেন হার্দিক। বুঝিয়ে দিয়েছেন, সুযোগ পেলে তিনিও এই উপায় অবলম্বন করবেন ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, ‘ক্রিকেটে স্পিরিট নিয়ে যাঁরা এত কথা বলছেন তাঁরা নিয়মটা ফলো করছেন না কেন? তাহলে তো কোনও সমস্যাই হয় না। আর এই ধরনের আউট যদি এতই অক্রিকেটীয় সুলভ হয়ে থাকে, তাহলে তো নিয়মটাই বদলে ফেলা উচিত।’

    আরও পড়ুন: কোহলির বদলে কোনও পাক ক্রিকেটার হলে ম্যাচটা হেরে যেত! বিরাট স্বীকারোক্তি কামরান আকমলের

    উল্লেখ্য, এই আউটের জনক প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বিনু মানকড়। ১৯৪৭ সালে প্রথম তিনি এই ধরনের আউট করেছিলেন। তারপর থেকে নন স্ট্রাইকার এন্ডের ব্যাটসম্যান ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর বোলার যদি রান আউট করেন, তাহলে সেটাকে ‘মানকড়িং’ আউট বলা হয়ে থাকে। সম্প্রতি বিনু মানকড়ের পরিবার এর প্রতিবাদ জানান। যার পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসি এটাকে শুধুই রান আউট তকমা দেয়। আইপিএলে অশ্বিন আউট করেছিলেন বাটলারকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share