Tag: T-20 World Cup 2026

  • T-20 World Cup 2026: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ! আমেদাবাদে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

    T-20 World Cup 2026: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ! আমেদাবাদে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের বিজয়রথ ছুটছে। সুপার এইট তো হল, এবার লক্ষ্য সেমিফাইনাল! ভারতীয় দল আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) চারটি ম্যাচের চারটিতেই জিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সুপার এইটে উঠেছে। সেমিফাইনালের লক্ষ্যে সুপার এইটে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছেন সূর্যরা। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দু’বছর আগে বার্বাডোজে বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত প্রোটিয়াদের হারিয়েই বিশ্বকাপ জিতেছিল। প্রোটিয়াদের সামনে মধুর প্রতিশোধের সুযোগ।

    লড়াই যেন আরও কঠিন

    গ্ৰুপ লিগে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছিল ভারত (India vs South Africa)। এবার লড়াই যেন আরও কঠিন। একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া সে ভাবে কোনও দলই দাগ কাটতে পারেনি। এ বার লড়াই আলাদা। সুপার এইটে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে চলেছে জিম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সূর্যকুমার যাদবের লক্ষ্য থাকবে তিন প্রতিপক্ষকে জয় করে তার অপ্রতিরোধ্য রথকে সেমিফাইনালে নিয়ে যাওয়া। তবে, এটা এত সহজ হবে না। তিনটি দলই শক্তিশালী, এবং এটি একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচটিকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে মনে করা হচ্ছে। জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজও শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ খাড়া করে দেবে৷

    নেট রান-রেট গুরুত্বপূর্ণ

    টিম ইন্ডিয়া এই রাউন্ডে তাদের তিনটি ম্যাচের তিনটিতেই জয়লাভ করে, তাহলে তারা সরাসরি সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে। ভারত তিনটি ম্যাচের মধ্যে দুটি জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে গ্রুপের বাকি দলগুলির থেকে নেট রান রেট ভাল রাখতে হবে। শেষ চারে যাওয়ার জন্য প্রতিটি দলকে কমপক্ষে দুটি ম্যাচ জিততে হবে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভারতীয় দল এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচই জিতেছে এবং এই গ্রুপে তাদের নেট রান রেটই সেরা। ভারতের নেট রান রেট ২.৫ এর উপরে, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই পয়েন্টেরও কম।

    কাঁটে কে টক্কর

    প্রোটিয়াদের সামনে বদলার চ্যালেঞ্জ, আর ভারতের সামনে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির সুযোগ। সেই কারণেই রবিবারের এই ম্যাচে যে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা একবায়ে বলা যায়। গ্রুপ পর্বে দুই দলকেই দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গিয়েছে। ভারত চার ম্যাচের চারটিতেই জয় পেয়েছে। পর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকাও সমান দাপট দেখিয়ে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ‘সুপার–৮’–এ পৌঁছেছে। এর আগে আমেদাবাদের মাটিতেই নিজের তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে প্রোটিয়ারা। ফলত, পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন মহারাজরা। অন্যদিকে একমাত্র নেদারল্যান্ডস ম্যাচ বাদ দিয়ে কোনও ম্যাচেই ‘কালো মাটি’র পিচ পায়নি ভারত।

    পরিসংখ্যানে কে কতটা এগিয়ে

    তবে পরিসংখ্যানের নিরিখে প্রোটিয়াদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারত। টি-২০ বিশ্বকাপে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে মোট ৭ ম্যাচে ৫ বার জিতেছে ভারত, ২ বার দক্ষিণ আফ্রিকা। এই প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর ১৮৬, সর্বনিম্ন ১১৮। অন্যদিকে, ভারতের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ ১৭২, সর্বনিম্ন ১১৬ রান। এদিকে সামগ্রিকভাবে টি-২০ ক্রিকেটে দুই দলের মধ্যে ৩১টি ম্যাচ হয়েছে। সেখানে ভারত জিতেছে ১৮টি, দক্ষিণ আফ্রিকা ১২টি, আর একটি ম্যাচের ফল হয়নি।

    স্পিন মন্ত্রেই সাফল্যের রসায়ন

    এই পিচে স্পিনের সাহায্য নিতে দেখা যেতে পারে দুই অধিনায়ককে। এমনিতেও স্পিন মন্ত্রে ভর করেই ভারতের তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মাকে আউট করে চলেছেন বিপক্ষের খেলোয়াড়রা। তিন ম্যাচ খেলে ফেললেও অভিষেকের রানের খাতা খোলেনি। তাঁকে নিয়ে চিন্তায় থাকবে ভারতীয় শিবির। শুক্রবার তাঁর সঙ্গে অনেকক্ষন আলোচনা করতে দেখা গেল কোচ গৌতম গম্ভীরকে। বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল যতই বলুন, অভিষেককে নিয়ে দল চিন্তিত নয়,ভারতীয় দলকে দেখে সেটা মনে হওয়ার উপায় নেই। স্পিনের বিরুদ্ধেই আগামিকাল শুরু করবে দুই দল। একদিকে ভারতের হাতে রয়েছেন বরুন চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেলের মতো তারকারা। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছেন কেশব মহারাজ, ট্রিস্টান স্টাব্সরা। ফলত, যতই রানের আশা করা যায়, ততই স্পিন জুজু যেন আঁকড়ে বসছে দুই দলকে।

    ভারতের চিন্তা অভিষেক

    অভিষেক শর্মা টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। মাত্র সপ্তাহ দুয়েক আগেও ফর্মের ভিত্তিতে অভিষেকের সঙ্গে কিষানকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। স্যামসন ও অভিষেক— দু’জনই ২০২৪ সালে দারুণ ফর্মে ছিলেন। কিন্তু ২০২৫-এর শেষে স্যামসন বেঞ্চে চলে যান, আর অভিষেক বিশ্বের শীর্ষ র‌্যাঙ্কিং ব্যাটসম্যান হন। যদিও শুভমান গিলকে জায়গা দিতে স্যামসনকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অভিষেককে বিশ্রাম দেওয়ার মতো কারণ তখন ছিল না। ভারতের সহকারী কোচ মর্নে মর্কেল (Morne Morkel) অবশ্য জানিয়েছেন, অভিষেকের জায়গায় স্যামসনকে আনার কোনও পরিকল্পনা আপাতত নেই। তিনি বলেন, ‘অভিষেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় এবং ও খুব তাড়াতাড়িই ভালো খেলবে।’ শুধু অভিষেক নয়, ভারতের বড় চিন্তা ফিল্ডিংও। টানা ক্যাচ মিস করে চলেছে দল। ইতিমধ্যেই ভারত ফেলেছে মোট ৯ ক্যাচ। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধেই ৩টি। যদি গ্ৰুপ পর্যায়ের মতো সুপার এইটেও ক্যাচ ফেলতে শুরু করে দল, কপালে দুর্ভোগ অপেক্ষা করবে ভারতের জন্য।

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ

    অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান (উইকেটকিপার), তিলক বর্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রিঙ্কু সিং, অর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী এবং জশপ্রীত বুমরা।

  • T-20 World Cup 2026: সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত! কবে, কোথায়, কাদের বিরুদ্ধে খেলবেন সূর্যরা?

    T-20 World Cup 2026: সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত! কবে, কোথায়, কাদের বিরুদ্ধে খেলবেন সূর্যরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের (T-20 World Cup 2026) গ্রুপ পর্বে ভারতের শেষ ম্যাচ নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার কলম্বোর মাঠে পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করে ফেলেছে ভারত। সেখানে তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে সূর্যকুমার যাদবদের। কবে কোথায় হবে সেই ম্যাচ হবে তা-ও জানা গিয়েছে। সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত। লড়াই হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে। তার আগে বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও জয়ের ধারা বজায় রাখতে চায় গুরু গম্ভীরের ছেলেরা। সুপার এইট-এর লড়াইয়ের কলকাতায় একটি ম্যাচ খেলবে ভারত। তাই ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে মহানগরী।

    সুপার এইটে দু’টি গ্রুপ

    বিশ্বকাপের সুপার এইটে দু’টি গ্রুপ রয়েছে। গ্রুপ ‘এক্স’ ও গ্রুপ ‘ওয়াই’। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল থেকে যে দুই দল নক আউটে উঠবে, তাদের আলাদা আলাদা গ্রুপে রাখা হবে। তবে সুপার এইটে আটটি দল আগে থেকে ধরে রাখা হয়েছে। তারা গ্রুপ পর্বে যে স্থানেই শেষ করুক না কেন, নক আউটে নির্দিষ্ট জায়গাতেই খেলবে। সুপার এইটে ভারতের তিনটি ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। অন্য গ্রুপে রয়েছে, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও সম্ভাব্য পাকিস্তান।

    লড়াই কঠিন

    সুপার এইটে আগামী রবিবার ভারতের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। গতবার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ভারত সেখানে দারুণ জয় পায়। সূর্যকুমারের দল দারুণ ছন্দে। ২৬ ম্যাচের মধ্যে ২৫টা ম্যাচ জিতেছে। ফলে সুপার এইটের লড়াইয়েও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভারতের সামনে জিম্বাবোয়ে। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দিয়েছে সিকান্দার রাজার দল। সেটাই কিছুটা হলেও চিন্তার কারণ। সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ১ মার্চ মুখোমুখি ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ম্যাচ হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। ক্যারাবিয়ানরা আপাতত দাপুটে ফর্মে। দক্ষিণ আফ্রিকাও সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক। ভারতও অবশ্য ছন্দেই রয়েছে। তবু সুপার এইট অন্য পরীক্ষা। এখানে ভুলের জায়গা কম। সামান্য স্খলনে গুনতে হতে পারে বিরাট মাশুল। তাই সদা সতর্ক ভারত। ঘরের মাঠে ট্রফি ধরে রাখতে মরিয়া সূর্যরা।

    টি-২০ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়ার ‘সুপার-৮’ সূচি

    ২২ ফেব্রুয়ারি – ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা (নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, আমেদাবাদ)

    ২৬ ফেব্রুয়ারি – ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে (এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম, চেন্নাই)

    ০১ মার্চ – ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা)

  • T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পাশে নেই অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির বিরুদ্ধে অসহায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করে বিপাকে পড়েছে পিসিবি। টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও ভারত ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু সরাসরি আইসিসিকে কিছু জানায়নি। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু তারপরই রক্তচক্ষু রাঙায় আইসিসি। এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান। কিন্তু কোনও সাপোর্ট মেলেনি। পাশে দাঁড়ায়নি অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত ম্যাচ বয়কটের কথা আইসিসিকে জানায়নি। যার ফলে আরও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কোনও আইনি অবস্থানও নেই পাকিস্তানের

    সূত্রের খবর, পিসিবির পাশে দাঁড়াতে চায়নি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তানের কোনও লোকাস স্ট্যান্ডি নেই। কোনও আইনি অবস্থানও নেই। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বাকি ক্রিকেট বোর্ডগুলো। পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেখানে বয়কটের প্রসঙ্গ ওঠেনি। পাকিস্তানের মেয়েদের দলের ভারতীয় এ দলের বিরুদ্ধে খেলার কথা। এইক্ষেত্রে কোনও আপত্তি জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট কেন? আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান সব ম্যাচ কলম্বোয় খেলবে। শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু। তাই কোনও সমস্যা হওয়ার কথা না পাকিস্তানের। বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের এই অবস্থান মানতে পারছে না বাকি বোর্ডগুলো।

    পাকিস্তানের ওপর কী কী শাস্তি

    পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামে তাহলে আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচটি ভারতকে ওয়াকওভার হিসেবে দেওয়া হবে। ভারতকে পয়েন্ট পেতে হলে তাদের মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি ভারতের অধিনায়ক (Suryakumar Yadav) টসের জন্য মাঠে আসেন এবং পাকিস্তান অধিনায়ক (Salman Ali Agha) না আসেন, তাহলে ম্যাচ রেফারি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ এবং ২ পয়েন্ট ভারতকে দিয়ে দেবে। ডিফল্ট করা দল (পাকিস্তান) কে ২০ ওভারের পুরো ইনিংস খেলেছে কিন্তু ০ রান করেছে বলে ধরা হবে। এতে তাদের নেট রান রেট অনেক কমে যাবে, ফলে তারা অন্য ম্যাচগুলো জিতলেও শেষ ৮-এ ওঠা খুব কঠিন হবে। তবে, আর্থিক ও বাণিজ্যিক শাস্তিই পিসিবি-র আসল সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু টুর্নামেন্ট নয়, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমে টাকা রোজগারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রচারকারী সংস্থা আনুমানিক $২৫ মিলিয়ন থেকে $৩০ মিলিয়ন বিজ্ঞাপন আয় হারাবে। তারা আইসিসি-র কাছে ছাড় চাইতে পারে। আইসিসি এই আইনি দাবি ও আর্থিক ক্ষতি সরাসরি পিসিবি-র ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। আইসিসি পিসিবি-র বার্ষিক আয়ের অংশ আটকে রাখতে পারে, যা পাকিস্তানের ক্রিকেট বাজেটের প্রায় ৭০-৮০%। এতে বোর্ড আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।

    আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন

    আইসিসির “সরকারি হস্তক্ষেপ” ধারা অনুযায়ী, সদস্য বোর্ডগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, সরকারি হস্তক্ষেপ এড়াতে হবে। যদিও প্রাক্তন পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, সরকারি নির্দেশ মানলে পাকিস্তান আইসিসি-র শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে, কিন্তু পাকিস্তানের “নির্বাচিত অংশগ্রহণ” এখনও টুর্নামেন্টের সততার লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে (১৯৯৬ ও ২০০৩)-এ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে দলগুলো ম্যাচ বয়কট করেছিল (যেমন Australia, Sri Lanka-র ম্যাচ বাদ দিয়েছিল)। তবে, পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা-তে, যেটা নিরপেক্ষ ভেন্যু, ম্যাচ বয়কট করছে, তাই সরকারি হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই। তাই, এই পদক্ষেপ সরাসরি আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন।

LinkedIn
Share