Tag: T20 World Cup

T20 World Cup

  • T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’! বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও খাদের কিনারে আনল ইউনূস প্রশাসন

    T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’! বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও খাদের কিনারে আনল ইউনূস প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বর্তমানে এমন একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে, এখান থেকে ফেরা সহজ নয়। ভারত-বিদ্বেষে অন্ধ কট্টরপন্থীদের তোয়াজ করতে গিয়ে দেশের ক্রিকেটকে গাঢ়় অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)। টি-২০ বিশ্বকাপ শুধুই একটি টুর্নামেন্ট নয়, আইসিসি-র-র এমন একটি মঞ্চ, যেখানে ক্রিকেট বিশ্বে একটি দেশের, একটি দলের ভবিষ্যত্‍ তৈরি হয়। আর সেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’ বাংলাদেশ। তাদের পরিবর্ত হিসেবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দিল আইসিসি। ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে নিজেদের জেদ বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। একাধিক বৈঠক, আল্টিমেটামের পরেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে জাতীয় দলকে ভারতে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তাই বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হল না। টুর্নামেন্টের মূল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দিয়ে গ্রুপ ‘সি’ তে জায়গা দেওয়া হল স্কটল্যান্ডকে। শনিবার, ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ইমেল পাঠিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহের নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আইসিসি-র প্রোটোকল ভঙ্গ

    টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে আলোচনার পর বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় আইসিসি শেষ পর্যন্ত বিকল্প পথ বেছে নেয়। বিসিবির পক্ষ থেকে আইসিসির ‘ডিসপিউট রেজোলিউশন’ কমিটির কাছে আপিল করা হলেও কমিটি জানিয়ে দেয়, এ সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার ক্ষমতা তাদের নেই। আইসিসির এক গোপন সূত্র জানায়, নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার ডেডলাইনের মধ্যে বিসিবি আনুষ্ঠানিক ভাবে জানায়নি দল ভারত সফর করবে কি না। উল্টে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে অবস্থান জানানোর কারণে প্রোটোকল ভঙ্গ হয়েছে এ অভিযোগও উঠে আসে। ফলে আইসিসি আর অপেক্ষা না করে বিকল্প দল নির্ধারণের পথেই হাঁটে।

    এই সিদ্ধান্ত সংগঠনিক

    বিসিবি চূড়ান্তভাবে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপে ভারত সফর না করার কথা জানায়। এর ফলে সময় নষ্ট না করে স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশের জায়গায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। টুর্নামেন্ট শুরু ১৫ দিনেরও কম সময় বাকি থাকায় এই সিদ্ধান্ত সংগঠনিক দিক থেকেও অনেকটাই সুবিধাজনক বলে মনে করেন আইসিসি কর্তারা। আরও একটি ঘটনা বড় প্রভাব ফেলেছে এ ক্ষেত্রে। আইসিসি-কে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানোর আগেই ঢাকায় একটি সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সেখানেই বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামও জানান, তাঁরা বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কাতেই খেলতে চান। এই ঘটনার ফলে আইসিসি-র নিয়ম ভঙ্গ করে বাংলাদেশ। সে কারণেই কড়া পদক্ষেপ আইসিসি-র। বাংলাদেশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্বকাপ থেকে তাদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে। স্কটল্যান্ডকেও জানানো হয়েছে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার কথা।

    বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী খেলবে স্কটল্যান্ড

    স্কটল্যান্ড সরাসরি বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী গ্রুপ ‘সি’তে খেলবে। তাদের প্রথম ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালি এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের মুখোমুখি। ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে নেপালের বিপক্ষে খেলবে ইউরোপের প্রতিনিধিরা। যোগ্যতা অর্জনের মানদণ্ডে স্কটল্যান্ডই ছিল সবচেয়ে এগিয়ে আইসিসি টি ২০ র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে এখনো বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়া দলগুলির মধ্যে তাদের অবস্থান ছিল সর্বোচ্চে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সেও পূর্ণ সদস্যদের বিরুদ্ধে স্কটল্যান্ডের লড়াকু ধারাবাহিকতা আইসিসির সিদ্ধান্তকে আরও যুক্তিযুক্ত করে।

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যত

    ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বল গড়াবে। তার আগে বাংলাদেশের ভেন্যু নিয়ে চলছিল টালবাহানা। নিরাপত্তার আশঙ্কায় ভারতে না খেলার ব্যাপারে অনড় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলও ছাড় দেয়নি বাংলাদেশকে। আইসিসিও বাংলাদেশের ভেন্যু ভারত থেকে সরাতে নারাজ ছিল। আইসিসি বোর্ডের সভায় ভোটাভুটিতে হারও মেনেছিল বাংলাদেশ। বুধবার আইসিসি একপ্রকার আলটিমেটাম দিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ যদি ভারতের মাটিতে এসে না খেলে তাহলে তাদের পরিবর্তে বিশ্বকাপে ঢুকে যাবে স্কটল্যান্ড। আদতে তাই হল। বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের!

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের কী হবে

    ক্রিকেটে নিজেদের রাজনৈতিক ও কট্টরপন্থী অ্যাজেন্ডাকে চরিতার্থ করতে, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের গাঢ় অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল বিসিবি। ইউনূস সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বে মশগুল হয়ে বিসিবি-কে বলে দিল, ভারতে গিয়ে খেলা যাবে না। বিসিবি-রও হাত-পা বাঁধা। প্লেয়ারদের কী হবে? বাংলাদেশ ক্রিকেটের কী হবে? বাংলাদেশ এখনও পর্যন্ত কোনও আইসিসি টুর্নামেন্ট ট্রফি জেতেনি। ২০০০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে ঠাঁই পেয়েছিল জগমোহন ডালমিয়ার (তত্‍কালীন আইসিসি সভাপতি) দয়ায়। টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট মানে বাংলাদেশের ক্রিকেট অর্থনীতিতে বিরাট ক্ষত। স্পনসররা বিদায় নেবে, র‍্যাঙ্কিং পড়ে যাবে, ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলিও অনিশ্চিত।

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের আত্মহত্যা!

    সবচেয়ে বড় আঘাত হল, ২০৩১ সালে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা। সেই স্বপ্নও চুরমার হয়ে গেল। বেসিক্যালি, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কবর দেওয়ার সব রকম বন্দোবস্ত করে ফেলল ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিতর্কের আবহ ২০৩১ সালের একদিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত গড়াতে পারে। এই আশঙ্কা আইসিসি-র কর্তাদেরই। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চের কোনও ব্যাক আপ হয় না। বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেট সাংবাদিক শান্ত মাহমুদের সতর্কবার্তা, বয়কটের সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারদের মানসিক অবস্থা এবং কেরিয়ারের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর মতে, এত বড় মাপের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ না নিতে পারলে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং কেরিয়ারের অগ্রগতিও থমকে যেতে পারে। বিশ্ব ক্রিকেটে স্থান পাওয়া কঠিন, কিন্তু হারানো খুব সহজ। বাংলাদেশ বর্তমানে সেই প্রান্তে দাঁড়িয়ে। যদি বাংলাদেশের কাছ থেকে বিশ্বকাপের আয়োজনও হাতছাড়া হয় , তাহলে তা খেলার কাছে নয়, রাজনীতির কাছে হারা হবে।

  • T20 World Cup: ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না, জানালেন আসিফ নজরুল

    T20 World Cup: ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না, জানালেন আসিফ নজরুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট খেলাতেও ভারত বিদ্বেষী মনোভাব ইউনূস সরকারের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) খেলতে আসবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এবং বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন যুব ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তারপর তাঁর সিদ্ধান্তের কথা বলেন। ওই দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়েছিল হাসিনা বিদ্বেষী মনোভাব থেকে। তবে এখন এই বিদ্বেষ (Bangladesh Cricket Board) শুধু হাসিনা পর্যন্ত থেমে নেই, প্রথমত পাকিস্তানের আইএসআই প্রীতি এবং দ্বিতীয়ত ভারত বিরোধীর পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। ক্রিকেটের ময়দানেও ভারত বিরোধিতা অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম পদক্ষেপ।

    খুব একটা নিরাপদ নয় (T20 World Cup)

    আফিস নজরুল বলেন, “বাংলাদেশের জাতীয় দল ক্রিকেট এবং বোর্ডের সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। আমরা চেয়েছি টি ২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ম্যাচ খেলতে। এই সুযোগকে আমরা হাত ছাড়া করতে চাই না। ভারতের মাটিতে খেলা আমাদের জন্য খুব একটা নিরাপদ নয়। নিরাপত্তার যে অভাব রয়েছে তা স্পষ্ট। এটা কোনও বায়বীয় বিশ্লেষণ নয়, সত্যতার নিরিখে ভাবা হয়েছে। আমাদের একজন সেরা ক্রিকেটারকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ভারত থেকে বার করে দিতে বলা হয়েছে। আবার বিশ্বকাপ (Bangladesh Cricket Board) ওই দেশেই হচ্ছে।”

    একজন ক্রিকেটারও নিরাপত্তা পায়নি

    যদিও আইসিসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়েছিল, ভারতে খেলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কোনও ঝুঁকি নেই। তবে নজরুল বলেন, “আইসিসি যতই বলুক, যে দেশে আমাদের একজন ক্রিকেটারও নিরাপত্তা পায়নি, সেই দেশেই তো বিশ্বকাপ হচ্ছে। সেই দেশের পুলিশেরই তো দায়িত্ব থাকবে বিশ্বকাপে (T20 World Cup) নিরাপত্তা দেওয়ার। ভারতে এমন কী বদল হয়েছে যাতে আমাদের মনে হবে যে, বিশ্বকাপে আমাদের দলের ক্রিকেটার, গণমাধ্যমের কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে পারবে। আইসিসি আসল ঘটনা বাদ দিয়েছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও আমাদের কিছু বলা হয়নি। তাই আমাদের সিদ্ধান্ত বদলের কোনও জায়গা নেই।”

    আসিফ নজরুল অবশ্য আইসিসিকে বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket Board) সমস্ত ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় করার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ যদি নিজের অবস্থানে অবিচল থাকে তাহলে হয়তো সব চেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতি বাংলাদেশেরই হবে। আইপিএল থেকে বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের নাম বাদ পড়ার পর থেকেই দর কষাকষি শুরু হয়। আগামী দিনে ভারত বিদ্বেষী মনোভাব বাংলাদেশকে আরও চরম মাশুল দিতে হয় কিনা তাই এখন দেখার।

  • T20 World Cup 2026: ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে’, বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা আইসিসি’র

    T20 World Cup 2026: ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে’, বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা আইসিসি’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতেই খেলতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) বাংলাদেশকে স্পষ্ট বলল আইসিসি। ‘ভারতে খেলতে যাব না, পাকিস্তানের মতো আমাদেরও ম্যাচও শ্রীলঙ্কায় দিতে হবে’। এটা ছিল আসন্ন বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের দাবি। তাদের এই দাবি প্রথমে উড়িয়ে দিয়েছিল বিসিসিআই। এবার একই পথে হাঁটল আইসিসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারতে কোনও নিরাপত্তা সমস্যা নেই। আইসিসির স্পষ্ট বার্তা, ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে। আর না আসলে, কাটা যাবে পয়েন্ট।’

    বাংলাদেশের আবেদন নাকচ

    বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে স্থানান্তরিত করার দাবিতে গত রবিবার, ৪ জানুয়ারি দুপুরে আইসিসিকে ই-মেল করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশের চিঠির জবাব দেয়নি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। শেষ পর্যন্ত মিলল উত্তর। বাংলাদেশের আবেদনকে পাত্তাই দিল না আইসিসি। ফিরিয়ে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনুরোধ। বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতেই আসতে হবে বাংলাদেশকে। নাহলে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে তাদের। ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়ে দিল আইসিসি। ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ কলকাতা ও মুম্বইয়ে খেলবে। প্রস্তুতি সারা। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচ সরে গেলে সবদিক থেকে সমস্যা হবে আয়োজকদের। তাই বিসিবিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, বিশ্বকাপ খেলতে হলে তাদের ভারতেই আসতে হবে। যদি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না আসে, তা হলে পয়েন্ট কাটা যাবে। অর্থাৎ, বিপক্ষকে ওয়াকওভার দেওয়া হবে।

    কী করবে, নিরুপায় বাংলাদেশ

    প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই বাংলাদেশে চরমে উঠেছে ভারত বিরোধিতা (India-Bangladesh)। সাম্প্রতি হিন্দু যুবক দীপু দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর আন্তর্জাতিক মহলেও মুখ পোড়ে বাংলাদেশের। তবে তারপরেও হিন্দু নিধন থামেনি। এদিকে বাংলাদেশে একের পর এক ঘটনার প্রতিবাদের রেশ পড়েছে ভারতেও। চলছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়েও ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েই চলেছেন ওপারের প্রশাসনিক কর্তারা। এরইমধ্যে আবার আইপিএল থেকে বাদ পড়েছেন মুস্তাফিজুর। নিষেধাজ্ঞার কারণে তাঁকে আর নিতে পারছে না কেকেআর। এ নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে দেওয়ার জন্য আইসিসি-র কাছে দরবার করে বাংলাদেশ। তবে আইসিসি সেই দাবি নাকচ করে দেয়। এই সিদ্ধান্তে ফলে বাংলাদেশের সামনে খোলা রইল দুটো রাস্তা। তাদের খেলতে আসতে হবে। আর যদি না আসে তা হলে তাদের বিপক্ষকে ওয়াকওভার দেওয়া হবে। যদিও আরও একটা কাজ করতে পারে আইসিসি, তারা বাংলাদেশের জায়গায় অন্য দলকে ডাকতে পারে বিশ্বকাপের জন্য।

  • ICC T-20 World Cup: বাংলাদেশকে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরানোর দাবি আইসল্যান্ডের, কেন জানেন?

    ICC T-20 World Cup: বাংলাদেশকে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরানোর দাবি আইসল্যান্ডের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে আসন্ন আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ (ICC T-20 World Cup) থেকে সরানোর দাবি তুলল আইসল্যান্ড। ভারতে প্লেয়ারদের নিরাপত্তা নেই বলে এ দেশে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ। তারা আইসিসি-কে চিঠি পাঠিয়েছে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে। আগামী আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানকে কেকেআর তথা টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকার করেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ট্রোল করল আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। তারা টুইট করে সরাসরি খোঁচা মারল বাংলাদেশকে। আইসল্যান্ড ক্রিকেট বরাবরই কোনও বিষয়ে ট্রোল করার জন্য জনপ্রিয়। আন্তর্জাতিক ম্যাচ হোক বা ঘরোয়া ক্রিকেটে কোনও চর্চিত বিষয়, আইসল্যান্ড সবসময় খোঁজা মেরে পোস্ট করে থাকে। এবার তাদের নিশানায় বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশকে তোপ

    বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সরাসরি তোপ দাগল আইসল্যান্ড। তারা দাবি করল, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে তাদের সুযোগ দেওয়ার জন্য। এক ট্যুইট বার্তায় আইসল্যান্ড ক্রিকেটের তরফে লেখা হয়, ‘আমাদের জিজ্ঞাসা করার আগেই আমরা বলছি, হ্যাঁ। আসন্ন টি-টোটেন্টি বিশ্বকাপে আইসল্যান্ড বাংলাদেশের জায়গা নিতে পারে। এবং আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।’ এই টুইটটা মজার ছলে হলেও বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত বদলে আইসল্যান্ড ক্রিকেট যে খুশি নয় সেটার প্রমাণ তারা দিল।

    আইপিএল বয়কট বাংলাদেশের

    মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসবে না। এই মর্মে তারা চিঠি পাঠিয়েছে। রবিবার বিসিবির পরিচালন সমিতির বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয় দল ভারত সফরে যাবে না। বিসিবির এক কর্তা স্পষ্ট করে বলেন যে, একজন খেলোয়াড়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে গোটা দলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। এই অবস্থায় ভারতের মাটিতে খেলা সম্ভব নয়। যদিও বিসিসিআই বাংলদেশের দাবি খারিজ করে দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে তারা এ বার আইপিএল সম্প্রচার করবে না তাদের দেশে। যার অর্থ, ২০২৬ সালের আইপিএল বাংলাদেশে সম্প্রচার করা হবে না।

     

     

     

     

     

  • T20 World Cup: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলিকে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় চায় বিসিবি

    T20 World Cup: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলিকে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় চায় বিসিবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ক্রিকেটের ময়দানেও ভারত বিরোধিতার স্বর বাংলাদেশে। ২০২৬ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএল (IPL) থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি করেছে। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) বাংলাদেশের ম্যাচগুলিকে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের জন্য আইসিসিকে জানিয়েছে বাংলাদেশ।

    ফ্লাইট এবং হোটেল ইতিমধ্যেই বুক (T20 World Cup)

    ২০২৬ সালে ২০টি দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এখানে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, ইতালি, নেপাল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গেও গ্রুপ রয়েছে। বাংলাদেশের ম্যাচগুলি কলকাতা এবং মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা। তবে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে সম্ভাব্য খেলার স্থান পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে চিঠি লিখেছে। প্রতিক্রিয়ায় স্বরূপ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অর্থাৎ বিসিসিআইয়ের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক বাংলাদেশের দাবিকে অত্যন্ত অবাস্তব বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “কারও ইচ্ছায় খেলা পরিবর্তন করা যায় না। এটা একটা লজিস্টিকাল দুঃস্বপ্ন। প্রতিপক্ষ দলের ফ্লাইট এবং হোটেল ইতিমধ্যেই বুক করা আছে। প্রতিটি ম্যাচের দিনে তিনটি করে খেলার সময়সূচি নির্ধারিত থাকে, যার মধ্যে একটি শ্রীলঙ্কায়। সম্প্রচার কর্মী এবং অপারেশনাল দলগুলিও এতে জড়িত থাকে, তাই বলা সহজ কিন্তু করা সহজ নয়।”

    রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব

    শনিবার কলকাতা নাইট রাইডার্স চলতি বছর আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেয়। এরপর পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ৩০ বছর বয়সী এই পেসারকে ৯.২০ কোটি টাকায় কিনে নেওয়া হয়। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায়, বিসিবি একটি জরুরি সভা করে এবং বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রক কর্তৃক আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ২০২৬ ম্যাচের সময়সূচি-

    • বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ – ৭ ফেব্রুয়ারি (কলকাতা)
    • বনাম ইতালি – ৯ ফেব্রুয়ারি (কলকাতা)
    • বনাম ইংল্যান্ড – ১৪ ফেব্রুয়ারি (কলকাতা)
    • বনাম নেপাল – ১৭ ফেব্রুয়ারি (মুম্বই)

    এখন পর্যন্ত, আইসিসি কর্তৃক কোনও আনুষ্ঠানিক অনুরোধ নিশ্চিত করা হয়নি এবং টুর্নামেন্টের সময়সূচি অপরিবর্তিতই রয়েছে।

  • India T20 World Cup Squad: টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা ভারতের, বাদ শুভমান, ফিরলেন রিঙ্কু-ইশান

    India T20 World Cup Squad: টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা ভারতের, বাদ শুভমান, ফিরলেন রিঙ্কু-ইশান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যটার সূর্যকুমারের ফর্ম নিয়ে চিন্তা থাকলেও, অধিনায়ক সূর্যকুমারের ওপরই ভরসা রাখল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। আর তাই, আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে, সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বেই খেলবে ভারত।

    শনিবার, টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল বিসিসিআই। তাতে সবচেয়ে বড় চমক, সহ-অধিনায়ক শুভমান গিলের বাদ পড়া। বেশ কিছু দিন ধরেই, ক্রিকেটের কনিষ্ঠ ফর্ম্যাটে রান পাচ্ছিলেন না শুভমান। সদ্যসমাপ্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজেও তেমনভাবে দাগ কাটতে পারেননি টেস্ট দলের অধিনায়ক। যে কারণে, তাঁর বাদ পড়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিলই। তাতে শিলমোহর দিল টিম ম্যানেজমেন্ট।

    দলে জায়গা পেলেন যাঁরা…

    এদিনের মুম্বইয়ে বোর্ডের সদর দফতরে বৈঠকে বসে অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচক কমিটি। ছিলেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও। বৈঠকের পর দল ঘোষণা বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ, তাই দলে চার জন নিয়মিত স্পিনারকে রাখা হয়েছে। স্পিন বোলিং আক্রমণে রাখা হয়েছে দুই লেগ স্পিনার কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তীকে। তাঁদের সঙ্গে অলরাউন্ডার কোঠায় আছেন অক্ষর প্যাটেল ও ওয়াশিংটন সুন্দর। ঘোষিত ১৫ জনের দলে ডাক পেয়েছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার ইশান কিসান। সঞ্জু স্যামসনের বিকল্প ব্যাটার এবং বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে তাকে। পেস বোলিং আক্রমণে অবধারিতভাবে আছেন জসপ্রীত বুমরা। তার সঙ্গে অর্শদীপ সিং ও হার্শিত রানাকে নেওয়া হয়েছে। পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে রাখা হয়েছে হার্দিক পান্ডিয়া ও শিভম দুবেকে।

    বিশ্বকাপের ঘোষিত ১৫…

    ভারতের দলটা এরকম: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), জশপ্রীত বুমরা, অর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), ওয়াশিংটন সুন্দর, ইশান কিসান (উইকেটকিপার), রিঙ্কু সিং।

    ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু বিশ্বকাপ

    ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপ। যুগ্ম আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। ফাইনাল ৮ মার্চ। গত বারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত প্রথম দিনই এই টুর্নামেন্টে তাদের অভিযান শুরু করছে। ৭ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে প্রথম ম্যাচ খেলবে টিম ইন্ডিয়া। বোর্ড জানিয়েছে, বিশ্বকাপের এই দলই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জানুয়ারিতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে।

  • T20 World Cup: দেশে ফিরলেন বিশ্বজয়ীরা, আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত বিরাট-রোহিতদের

    T20 World Cup: দেশে ফিরলেন বিশ্বজয়ীরা, আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত বিরাট-রোহিতদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে বাধা-বিঘ্ন কাটিয়ে ঘরে ফিরল সোনার ছেলেরা। টি২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup) নিয়ে দেশে ফিরল ভারতীয় ক্রিকেট দল (Team India)। আজ, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা নাগাদ রোহিতরা দেশের মাটি ছুঁতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে ভারতীয় ক্রিকেট অনুরাগীরা। এদিন সকাল ১১টার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করার কথা বিশ্বজয়ীদের। প্রধানমন্ত্রী নিজে তাঁদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এরপর সারাদিন উৎসবের পালা। তারপর ঘরে ফিরে বিশ্রাম।

    আবেগে ভাসল ভক্তরা (T20 World Cup)

    ঘরের মাটিতে ভারতের বিশ্বকাপ (T20 World Cup) হাত ছাড়ার আক্ষেপ হয়তো সবে ভুলতে বসেছিল ক্রিকেটপ্রেমীরা। ঠিক তখনই ভারতকে বিশ্বকাপ এনে দিল টিম ইন্ডিয়া (Team India)। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ ঘরে তুলল রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) ব্রিগেড। মাঝরাত থেকেই দিল্লি বিমানবন্দর চত্বর ছেয়ে গিয়েছিল ভারতীয় দলের জার্সি পরা, জাতীয় পতাকা গায়ে জড়ানো সমর্থকের ভিড়ে। বিরাট-রোহিতদের পোস্টারও থিকথিক করছিল। ১৭ বছর পরে দেশে এসেছে টি২০ বিশ্বকাপ জয়ের ট্রফি। ফলে উচ্ছ্বাসের মাত্রাও বেশি। এদিন টিম ইন্ডিয়া বিমানবন্দর থেকে বেরোতেই বাঁধ ভেঙে যায় সমর্থকদের। সামাল দিতে হিমসিম খেতে হয় নিরাপত্তারক্ষীদের। সমর্থকদের উদ্দেশে হাতও নাড়েন বিরাট। 

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ৬টার কিছু পরেই দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করে রোহিতদের চার্টার্ড উড়ান। সেই বিমানে করেই দেশে ফিরেছেন ক্রিকেটারদের পরিবার, বিসিসিআই কর্তা এবং ক্যারিবিয়ানে আটকে পড়া ভারতীয় সাংবাদিকরা। এরপর পৌনে ৭টা নাগাদ রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে টিম (Team India) বাসে উঠে পড়েন। আজ বিশ্বজয়ী এই ভারতীয় ক্রিকেট দলের দেখা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। বিসিসিআই সূত্রের খবর, আজ সকাল ১১টা নাগাদ ‘মেন ইন ব্লু’ দেখা করতে যাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। তিনি তাঁদের সকলকে নিজের বাসভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    রোহিতদের সারাদিন (T20 World Cup)

    বিসিসিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই দিল্লিতে টিম (Team India) হোটেলে পৌঁছেছে ভারতীয় দল, সেখানেই রোহিতদের জন্য বিশেষ কেকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত সেরে দিল্লি থেকে ক্রিকেটাররা বিকেলের বিমানে পৌঁছবেন মুম্বই। সেখানে কার্যত জনপ্লাবন হবে। কারণ মুম্বইয়ের নরিম্যান পয়েন্ট থেকে বিজয়যাত্রা করার কথা টিম ইন্ডিয়ার। হুডখোলা বাসে বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ট্রফি নিয়ে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম পর্যন্ত হবে এই বিজয় প্যারেড। সেই প্যারেডে অংশ নেওয়ার জন্যে ক্রিকেটপ্রেমীদের আহ্বান জানান খোদ বিশ্বজয়ী অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সন্ধ্যায় ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। বিশ্বজয়ীদের দেওয়া হবে সংবর্ধনা, আর্থিক পুরস্কার। 

    বিমান-বিতর্ক

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য বার্বাডোজেই আটকে পড়েছিলেন বিশ্বজয়ীরা (T20 World Cup)। ক্যারিবিয়ান থেকে রোহিতদের (Team India) দেশে ফেরাতে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান নিউ ইয়র্ক থেকে গিয়েছিল বার্বাডোজে। এবার তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হল। দাবি করা হয়, সেই বিমানটি নিউ ইয়র্ক-দিল্লির উড়ানের জন্যে নির্ধারিত ছিল। এই আবহে সেই উড়ান বাতিল করে এই বিমানটি বার্বাডোজ থেকে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এনিয়ে বুধবার এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে রিপোর্ট তলব করে দেশের অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রক ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA)। উল্লেখ্য, উড়ান বাতিল ডিজিসিএ-র অসামরিক বিমান পরিবহণ বিধির গুরুতর লঙ্ঘন। এ বিষয়ে ওয়াকিবহাল এক বিমান আধিকারিক বলেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট দলের বিমান বাতিল করতে হয়েছিল, যার পরে এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। তখনই বি৭৭৭-কে বার্বাডোজে পাঠানো হয়। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফ থেকে জানানো হয়, উড়ান বাতিলের বিষয়ে যাত্রীদের আগে থেকে অবগত করা হয়েছিল এবং এর জন্যে বিকল্প ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ১৭ বছর পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়, ভারতীয় ক্রিকেটারদের ফোন করে শুভেচ্ছা মোদির

    PM Modi: ১৭ বছর পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়, ভারতীয় ক্রিকেটারদের ফোন করে শুভেচ্ছা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৭ সালের পর ২০২৪ সাল। ১৭ বছর পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরে তুলল ভারত। দেশের এমন সাফল্যে শনিবার রাতেই শুরু হয়ে যায় উৎসব। ভারতীয় ক্রিকেট দলের এমন সাফল্যে ক্রিকেটারদের ফোন করে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। প্রসঙ্গত, গত বছরের নভেম্বর মাসে বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাস্ত হওয়ার পরে ড্রেসিংরুমে গিয়ে ক্রিকেটারদের মনোবল জুগিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রী ফোনে কথা বলেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদব, জসপ্রীত বুমরা এবং ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে। সকলকেই এমন জয়ের জন্য তিনি অভিনন্দন জানান।

    রাহুল দ্রাবিড়কে ফোন মোদির (PM Modi)

    রাহুল দ্রাবিড়কে ফোন করে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন জানান। এর পাশাপাশি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “দেশ কৃতজ্ঞ রাহুল দ্রাবিড়ের কাছে। তাঁর অবদান পরবর্তী প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে।”

    রোহিত শর্মাকে ফোন মোদির

    ভারতীয় ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক রোহিত শর্মাকেও প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) অভিনন্দন জানান, তাঁর অসাধারণ অধিনায়কত্বের (T20 World Cup) জন্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রোহিত শর্মার অধিনায়কত্ব ভারতীয় ক্রিকেট টিমকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।”

    বিরাট কোহলিকে ফোন মোদির

    ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন কোহলি। এমন অবদানের জন্য বিরাট কোহলির প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “কোহলি ভারতীয় ব্যাটিংকে দুর্দান্তভাবে পরিচালনা করেছেন। টি২০ ক্রিকেট তোমায় মিস করবে কিন্তু আমার বিশ্বাস যে তুমি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দেরও অনুপ্রাণিত করবে।”

    ফোন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও

    এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী হার্দিক পান্ডিয়াকে ফোন করে তাঁকে শেষ ওভারে দুর্দান্ত পারফরমেন্সের জন্য অভিনন্দন জানান। অন্যদিকে, সূর্যকুমার যাদবকে ফোন করে শেষ মুহূর্তে অসাধারণ ক্যাচ ধরার জন্য প্রশংসা করেন মোদি। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাহুল দ্রাবিড় ও রোহিত শর্মাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rohit Sharma: ‘‘এই জয় ৩-৪ বছরের পরিশ্রমের ফল’’! টি-২০ থেকে অবসর ঘোষণা রোহিতেরও

    Rohit Sharma: ‘‘এই জয় ৩-৪ বছরের পরিশ্রমের ফল’’! টি-২০ থেকে অবসর ঘোষণা রোহিতেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৭ সালে শেষবারের মতো টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। সেবার প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান। এরপর ২০১১ সালে একদিনের বিশ্বকাপ জয়, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। পরের বিশ্বকাপ ভারতের ঘরে এল ২০২৪ সালে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে আশা জাগিয়েও বিশ্বকাপ জয়ে ব্যর্থ হয় ভারত। প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া। শনিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) বললেন, ‘‘এই জয় ৩-৪ বছরের পরিশ্রমের ফল’’।

    রাতেও লাখ লাখ দর্শক টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখেছেন  

    ভারত অধিনায়কের (Rohit Sharma) মতে, “গত ৩-৪ বছর ধরে যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছি, তা এক কথায় বলে বোঝাতে পারব না। সত্যি বলতে, দলের প্রত্যেকে প্রচুর পরিশ্রম করেছে। তাই এই জয় একটা দিনের নয়, গত ৩-৪ বছরের জয়। গত ৩-৪ বছরে যা পরিশ্রম করেছি তারই ফল পেলাম।” বিদেশের মাঠেও বিপুল সমর্থন পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। এনিয়ে ভারত অধিনায়ক বলেন, “নিউ ইয়র্ক থেকে বার্বাডোজ, যেখানে গিয়েছি, সমর্থকদের পেয়েছি। ওঁদের সেলাম। আমি জানি, এই রাতেও লাখ লাখ দর্শক টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখেছেন। ওঁরাও দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করছিলেন। সেই অপেক্ষা এ বার শেষ হল।” 

    দলের সবাইকে নিয়ে আমি গর্বিত (T20 World Cup)

    ভারত অধিনায়ক (Rohit Sharma) বলেন, “হারতে হারতে সবাই বুঝেছে, কঠিন পরিস্থিতিতে কেমন খেলতে হয়। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে কী ভাবে ফিরতে হয়, সেটা আমরা দেখিয়েছি। যখন খেলা দক্ষিণ আফ্রিকার হাতে ছিল তখনও আমরা একটা দল হিসাবে খেলেছি। আমরা জিততে চেয়েছিলাম। এ রকম একটা প্রতিযোগিতা জিততে চেয়েছিলাম। দলের সবাইকে নিয়ে আমি গর্বিত।”

    বিরাটের মতো অবসর ঘোষণা রোহিতেরও

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যাচের সেরা হন বিরাট কোহলি। সে সময় মঞ্চে পুরস্কার নিতে গিয়ে বিরাট ঘোষণা করেন, এটিই তাঁর শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সেই ঘোষণার ১২০ মিনিট পরেই অবসর ঘোষণা করলেন রোহিত শর্মা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে তিনি অবসর নিচ্ছেন। সাংবাদিকদের রোহিত শর্মা বলেন, “এটাই ভারতের হয়ে আমার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল। এর পরে আমি আর দেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলব না। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এর থেকে ভাল মুহূর্ত হতে পারে না। এই ফরম্যাটেই ভারতীয় দলে আমার অভিষেক হয়েছিল।” টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিলেও অবশ্য এক দিন ও টেস্ট ক্রিকেট তিনি খেলবেন বলে জানিয়েছেন রোহিত। ভারত অধিনায়কের আরও সংযোজন, “যে দিন থেকে টি-টোয়েন্টি খেলেছি, উপভোগ করেছি। আমি বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া ছিলাম। শেষ পর্যন্ত যে জিততে পেরেছি তার জন্য খুশি।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup: রোহিত-দ্রাবিড় জুটিতে ফের বিশ্ব সেরা ভারত! চোখের জলে ভাসলেন কোহলি-হার্দিকরা

    T20 World Cup: রোহিত-দ্রাবিড় জুটিতে ফের বিশ্ব সেরা ভারত! চোখের জলে ভাসলেন কোহলি-হার্দিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়িতে তখন ভারতীয় সময় রাত ১১টা। ভারতের ১৭৬/৭ স্কোর তাড়া করতে নেমে একটা সময় ২৪ বলে ২৬ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। ক্রিজে বিধ্বংসী ফর্মে থাকা হেনরিখ ক্লাসেন। সঙ্গে ডেভিড মিলার। অতি বড় ভারত সমর্থকও তখন ভাবতে পারেননি যে, সেখান থেকে ৭ রানে ম্যাচ জিতবে ভারত। কিন্তু জয়ের খিদেটা ছিল রোহিত-কোহলি-হার্দিক-বুমরাদের মধ্যে। ১৭তম ওভারে বল করতে এসে শুরুতেই ভয়ঙ্কর ক্লাসেনকে (২৭ বলে ৫২ রান) ফেরালেন হার্দিক। সেই ওভারে খরচ করলেন মাত্র ৪ রান। তিন ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার চাই ২২ রান। ক্রিজে তখনও বিপজ্জনক ডেভিড মিলার। রোহিত শর্মা বল তুলে দিলেন সেরা অস্ত্র যশপ্রীত বুমরার হাতে। আর একটি ওভারই তখনও বাকি বুমরার। ক্যাপ্টেন জানেন এবার নইলে নেভার। আর সেই ওভারেই কামাল আমদাবাদের পেসারের। মাত্র ২ রান খরচ করলেন ওই ওভারে। তুলে নিলেন জানসেনকে। আর চাপ নিতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। “আমরা করব জয়” এই বিশ্বাস থেকেই টি-টোয়েন্টি (T20 World Cup) চ্যাম্পিয়ন ভারত। দুরন্ত পারফরম্যান্সের জন্য ছেলেদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    বাই বাই বিরাট

    বিশ্ব জয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়েই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ভারতকে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানোর পর জানিয়ে দিলেন টি-টোয়েন্টিতে (T20 World Cup) আর নয়। বললেন, ” এটাই ভারতের হয়ে আমার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। চেষ্টা করেছি দলে যতটা সম্ভব অবদান রাখার। পরিস্থিতিকে সম্মান দেখিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। এখন পরের প্রজন্মকে দায়িত্ব নিতে হবে। দারুণ কিছু খেলোয়াড় আছে, যারা দলকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবে।”

    শাপমুক্তি দ্রাবিড়ের

    ২০০৭ সালে ওয়ান ডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হেরে। ঘটনাচক্রে, সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন যিনি, সেই রাহুল দ্রাবিড় শনিবার ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার কোচের ভূমিকায়। ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে এটাই তাঁর শেষ ম্যাচ। যদি না ভবিষ্যতে ফের কোনওদিন দলের দায়িত্ব নেন। তাই কাপ হাতে নিয়ে আবেগে ভাসলেন চিরকাল নিজেকে গুটিয়ে রাখা দ্রাবিড়ও। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে যে শাপমোচন হল রাহুলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share