Tag: tariffs

  • Donald Trump: মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি ভারত, ফের শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    Donald Trump: মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি ভারত, ফের শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি নরেন্দ্র মোদির ভারত। পাত্তা দেয়নি ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক (US Tariffs) আরোপের হুঁশিয়ারিকে। তার পরেও দিব্যি রাশিয়া থেকে তেল কেনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। নয়াদিল্লির এহেন সিদ্ধান্তে বেজায় চটেছেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। একাধিকবার বলা সত্ত্বেও রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ না করায় ভারতের ওপর ফের একপ্রস্ত উল্লেখযোগ্য শুল্ক বৃদ্ধির হুঁশিয়ারি দিলেন ‘হাউডি মোদি’র আয়োজক ট্রাম্প। ‘বন্ধু’র প্রতি তাঁর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

    ট্রাম্পের গলায় ভিন্ন সুর (Donald Trump)

    ভারত ও আমেরিকার মধ্যে এখনও চূড়ান্ত হয়নি বাণিজ্যচুক্তি। চলছে দর কষাকষি। এমতাবস্থায় ভারতকে ‘বন্ধু দেশ’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, নয়াদিল্লির সঙ্গে ব্যবসার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। মঙ্গলবার ‘হাউডি মোদি’র আয়োজক ট্রাম্পের গলায় শোনা গেল ভিন্ন সুর। এদিন তিনি জানান, ভারত ভালো ব্যবসায়িক বন্ধু নয়। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত ভালো ব্যবসায়িক বন্ধু নয়। কারণ ওরা আমাদের সঙ্গে ব্যবসা করে। কিন্তু আমরা ওদের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারি না।” এর পরেই মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতের ওপর আরও শুল্ক চাপাতে চলেছি।” তবে ভারতীয় পণ্যের ওপর কত পরিমাণ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে আমেরিকা, এদিন তা স্পষ্ট করেননি ‘নমস্তে ট্রাম্পে’র ‘নায়ক’ (US Tariffs)।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের পোস্ট

    ট্রুথ সোশ্যালে ফের একটি পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “ভারত যে শুধু রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে তেল কিনছে, তা নয়। বরং মুনাফার জন্য তারা কেনা তেলের বেশিরভাগটাই (Donald Trump) খোলা বাজারে বিক্রিও করছে। এদিকে রাশিয়ার যুদ্ধপ্রক্রিয়া যে ইউক্রেনের কত মানুষের প্রাণ কাড়ছে, তার পরোয়াও করছে না ভারত। এই কারণেই আমি ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক আরও বাড়াব।” গত বুধবারই ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প (Donald Trump)। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল এবং অস্ত্র কেনার জন্য ভারতকে ‘জরিমানা’ও দিতে হবে বলে (US Tariffs) জানিয়েছিলেন মোদির ‘বন্ধু’।

  • Donald Trump: মার্কিন চাপের কাছে নতিস্বীকার নয়, শুল্ক-যুদ্ধে ট্রাম্পের চোখে চোখ মোদির

    Donald Trump: মার্কিন চাপের কাছে নতিস্বীকার নয়, শুল্ক-যুদ্ধে ট্রাম্পের চোখে চোখ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের হালটা যে নরেন্দ্র মোদির হাতে, মার্কিন চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে তা বুঝিয়ে দিল ‘হাতি’। ভারতকে ‘বন্ধু রাষ্ট্র’ বলে উল্লেখ করেও, সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) জানিয়ে দিয়েছেন, ১ অগাস্ট থেকে ভারতীয় পণ্যের ওপর (American Bullying) ২৫ শতাংশ শুল্কের পাশাপাশি নয়াদিল্লিকে অতিরিক্ত পেনাল্টিও দিতে হবে। তাঁর অভিযোগ, নয়াদিল্লি অসহনীয় নন-মানিটরি ট্রেড ব্যারিয়ার্স বজায় রেখেছে, রাশিয়া থেকে জ্বালানি ও সামরিক সরঞ্জাম কিনছে এবং বাণিজ্য নিয়ে আলোচনার সময় মার্কিন চাপকে প্রতিহত করছে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য (Donald Trump)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লিখেছেন, “মনে রাখবেন, ভারত আমাদের বন্ধু হলেও, বছরের পর বছর ধরে তাদের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা তুলনামূলকভাবে খুব কম হয়েছে। কারণ ওরা অনেক বেশি শুল্ক নেয়। বিশ্বের সব চেয়ে বেশি হারে শুল্ক নেওয়া দেশগুলির মধ্যে একটি। ওদের সঙ্গে ব্যবসায় অনেক বিরক্তিকর বাধা রয়েছে, যার সঙ্গে আর্থিক কোনও সম্পর্ক নেই। এছাড়া ওরা সব সময় সামরিক সরঞ্জামের একটি বড় অংশ কেনে রাশিয়া থেকে। রাশিয়ার জ্বালানিও ওরা সব চেয়ে বেশি কেনে।” তিনি লিখেছেন, “যখন সকলে চাইছে রাশিয়া ইউক্রেনে হত্যালীলা বন্ধ করুক, তখন এসব কাজ ভালো নয়। তাই ভারত ২৫ শতাংশ শুল্ক দেবে এবং উল্লিখিত বিষয়গুলির জন্য একটি জরিমানাও নেওয়া হবে ১ অগাস্ট থেকে।”

    ট্রাম্পের এই চাপের কাছে মাথা নত করেনি মোদির দেশ

    ট্রাম্পের এই চাপের কাছে মাথা নত করেনি মোদির দেশ। বরং নিজের অবস্থানেই অটল রয়েছে ভারত। অর্থনৈতিক অধীনতার বদলে অগ্রাধিকার দিয়েছে কৌশলগত সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে (Donald Trump)। সম্প্রতি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সঙ্গীকে ১৫ শতাংশ বা তারও কম হারে শুল্কের সুবিধা দিয়েছেন ট্রাম্প। ‘বন্ধুদেশ’ হওয়ায় ভারতও তেমনটাই আশা করেছিল। ভারতের সেই আশায় জল ঢেলে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্বয়ং। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত যদি আমেরিকার কৃষিপণ্যকে অবাধ প্রবেশাধিকার দিত এবং নিজস্ব শিল্প রক্ষার নীতি শিথিল করত, তাহলে মার্কিন শুল্কে ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা থাকত। ভারত তা তো করেইনি, উল্টে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে কঠোর অবস্থান নেয় মোদি সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মোদির এই কঠোর অবস্থানেই ‘ব্যবসায়ী’ ট্রাম্প বুঝে যান, এই দেশ নয়া ‘ইন্ডিয়া’ নয়, বরং (American Bullying) ‘মোদির ভারত’।

    বন্ধুদেশকে শাস্তি

    বন্ধুদেশকে শাস্তি দেওয়ার আরও একটি কারণ রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের। সেটি হল ‘অপারেশন সিঁদুরে’র জেরে ভারত-পাক যে সংঘাত হয়েছিল, তাতে রাশ টেনেছিলেন তিনি। ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, ভারত-পাক যুদ্ধবিরতি হয়েছে তাঁরই হস্তক্ষেপে। ‘নোবেল শান্তি পুরস্কার’ প্রত্যাশী ট্রাম্পের এহেন দাবিকেও নস্যাৎ করে দেয় নয়াদিল্লি। বিভিন্ন সময় নানা জায়গায় ভারত সাফ জানিয়ে দেয়, পাকিস্তান অনুনয়-বিনয় করায় যুদ্ধবিরতি হয়েছে, তৃতীয় কোনও পক্ষের হস্তক্ষেপে নয় (Donald Trump)। বৃহত্তর অর্থনৈতিক শক্তির দেশের তালিকায় আমেরিকা রয়েছে এক নম্বরে, চারে রয়েছে ভারত। তাই ফোর্থ হওয়া স্টুডেন্টটি যেভাবে ‘ফার্স্টবয়’কে উপেক্ষা করছে, সেটা ভালো চোখে দেখেননি ট্রাম্প। অথচ মোদি জমানায় ভারত বরাবর তা-ই করে এসেছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সময় ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ায় আমেরিকা।

    মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা “৫৬ ইঞ্চির ছাতি”র  

    রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনায় জারি করে নিষেধাজ্ঞা। মার্কিন রক্তচক্ষুর ভয়ে যখন বিড়াল সেজে বিভিন্ন দেশ রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে সেঁধিয়ে গিয়েছে টেবিলের তলায়, সেই সময়ও রাশিয়া থেকে বীর-বিক্রমে নিয়মিত তেল কিনে চলেছেন “৫৬ ইঞ্চির ছাতি”র মানুষের (নরেন্দ্র মোদি নিজেকে এভাবেই পরিচয় দেন) দেশ। তার জেরে ব্যয় কমেছে ভারতের জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে। কারণ মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে বিশ্ববাজারে বেড়ে যায় জীবাশ্ম জ্বালানির দাম, কমতে থাকে রাশিয়ার তেলের দর (American Bullying)। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বাঁচিয়ে তিনি আদতে আরও বেশি করে মজবুত করেছেন দেশীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ডটি।

    বন্ধুত্বের বার্তা

    ২০২০ সালে গুজরাটে ‘নমস্তে ট্রাম্পে’র আয়োজন করে বন্ধুত্বের বার্তা দিয়েছিলেন মোদি। পরে ট্রাম্পও পাল্টা বন্ধুত্বের বার্তা দিতে মার্কিন মুলুকে আয়োজন করেছিলেন ‘হাউডি মোদি’র। তার পরিণতি যে এমন হবে, চার বছর পরে মার্কিন কুর্সিতে ফিরে তা ভাবতেও পারেননি ট্রাম্প। তাঁর আশা ছিল, ভারত আর পাঁচটা দেশের মতোই মার্কিন হুমকি উপেক্ষা করতে পারবে না (Donald Trump)। রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ করবেন মোদি। কিন্তু তা না হওয়ায় বড্ড হতাশ হয়েছেন মিস্টার প্রেসিডেন্ট। এহ বাহ্য। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই সামরিক অস্ত্র কিংবা যুদ্ধ সরঞ্জাম কিনে আসছে রাশিয়া থেকে। সেই নেহরু জমানা থেকে শুরু করে ভায়া অটলবিহারী বাজপেয়ী এবং মনমোহন সিং হয়ে বর্তমানে মোদি আমলেও ছেদ পড়েনি তাতে। কারণ মস্কোর সঙ্গে নয়াদিল্লির প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রচিত হয়েছে প্রয়োজন এবং নির্ভরযোগ্যতার ভিত্তিতে (American Bullying)। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কিংবা তারও আগে বিভিন্ন সংঘাতের সময় বারবার ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে মস্কো।

    ঠান্ডা যুদ্ধের সময় আমেরিকার ভূমিকা

    অথচ ঠান্ডা যুদ্ধের সময় আমেরিকা আফগানিস্তানে মুজাহিদিন যুদ্ধ চালানোর জন্য পাকিস্তানকে কোলে টেনে নিয়েছিল। যার জেরে তখন ভারতের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজারের দোর। সেই সময়ও প্রকৃত বন্ধুর মতোই ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল রাশিয়া। এমতাবস্থায় ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বা তাঁর দেশ যদি আশা করে, ভারত দশকের পর দশক ধরে গড়ে তোলা অস্ত্র ব্যবসার কার্যকর সামঞ্জস্যতা, প্রশিক্ষণ প্রোটোকল এবং সরবরাহ শৃঙ্খলা ছিঁড়ে বেরিয়ে স্রেফ মার্কিন খামখেয়ালিপনা মেটাতে পদক্ষেপ করবে, তবে তা হবে আদতে অবাস্তব এবং মূর্খের স্বর্গে বাস করার শামিল (Donald Trump)। বস্তুত, এই ঘটনা কেবল বাণিজ্য সংক্রান্ত নয়। এটা ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। ব্যবসায়ী ট্রাম্পের আগ্রাসী এবং লেনদেন নির্ভর কূটনীতির সামনে নতিস্বীকার না করে ভারত তামাম বিশ্বকে এই বার্তাই দিয়েছে যে, ভারত কোনও বৈশ্বিক শক্তির তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হবে না। হবে না ‘জো হুজুরে’র মতো ধামাধারীও। তা সে সামরিক সিদ্ধান্তই হোক কিংবা জ্বালানি কেনা কিংবা বাণিজ্য নীতি – ভারত সিদ্ধান্ত নেবে তার জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই, অন্য কোনও দেশকে খুশি করতে নয়।

    কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখতে অর্থনৈতিক মূল্য চোকাতেও প্রস্তুত

    ট্রাম্পের চোখে চোখ রেখে নয়াদিল্লি দেখিয়ে দিয়েছে, কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখতে অর্থনৈতিক মূল্য চোকাতেও প্রস্তুত মোদির ভারত। বন্ধুরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে আমেরিকা ভেবে ছিল, চাপে পড়ে বাপ বলবে ভারত। তবে তা না করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট-সহ তামাম দুনিয়াকে নয়াদিল্লি বুঝিয়ে দিয়েছে (American Bullying), কোনও মূল্যেই ভারত তার সার্বভৌমত্ব বিক্রি করবে না, এমনকি পৃথিবীর সব চেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রের কাছেও নয়। ভারত কারও উপগ্রহ হয়ে থাকতে চায় না, চায় না কৃপার পাত্র হয়ে থাকতে, সে নিজেই হতে চায় গ্রহ, বাঁচতে চায় নিজের শর্তে। মোদির ভারত কারও রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না, বরং চোখে চোখ রেখে কথা বলে।

    ওহ, ডার্লিং ইয়ে হ্যায় নয়া ইন্ডিয়া (Donald Trump)!

  • India: আমেরিকা থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ভারতের

    India: আমেরিকা থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের (India)। আনুষ্ঠানিকভাবে একথা নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডাব্লুটিওকে (WTO)। আমেরিকা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের ওপর সুরক্ষা শুল্ক সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার জেরেই ভারতের এই সিদ্ধান্ত বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ডব্লুটিও-র কাউন্সিলর ফর ট্রেড ইন গুডসকে পাঠানো একটি নোটিশে ভারত জানিয়ে দিয়েছে, তারা এগ্রিমেন্ট অন সেফগার্ডসের আর্টিকেল ৮.২ অনুযায়ী কিছু ছাড় এবং অন্যান্য বাধ্যবাধকতা স্থগিত রাখবে এবং প্রস্তাবিত পদক্ষেপ আর্টিকেল ১২.৫ এর অধীনে গ্রহণ করা হবে। যদি আলোচনার উদ্যোগ না নেওয়া হয় বা সমাধানে পৌঁছনো না যায়, তাহলে এই পাল্টা শুল্ক ৩০ দিনের মধ্যে কার্যকর হতে পারে।

    ক্ষতির সম্মুখীন (India)

    হিসেব বলছে, মার্কিন সুরক্ষা শুল্কের ফলে ভারতকে প্রায় ১.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। ভারত জানিয়েছে, “এই সুরক্ষা শুল্কের কারণে মার্কিন মুলুকে ভারতে উৎপাদিত ৭.৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সংশ্লিষ্ট পণ্যের আমদানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যার ওপর শুল্ক আদায় হবে ১.৯১ বিলিয়ন ডলার। অতএব, ভারতের প্রস্তাবিত ছাড় স্থগিত করার পদক্ষেপে আমেরিকা থেকে আসা পণ্যের ওপর সমপরিমাণ শুল্ক আদায়ে পরিণত হবে।”

    বিতর্কিত শুল্ক আরোপ

    প্রসঙ্গত, আমেরিকা প্রথম ২০১৮ সালের ৮ মার্চ প্রেসিডেন্সিয়াল ঘোষণার মাধ্যমে বিতর্কিত শুল্ক আরোপ করে। সেই হার ছিল ইস্পাতের ওপর ২৫ শতাংশ এবং অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ১০ শতাংশ। এই শুল্কগুলি জানুয়ারি ২০২০ সালে এবং ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ফের একটি প্রোক্লেমেশনের মাধ্যমে পুনরায় বর্ধিত করা হয়, যা কার্যকর হয়েছে ২০২৫ সালের ১২ মার্চ থেকে।

    ভারতের যুক্তি, যদিও ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপগুলিকে ডাব্লুটিওর নিয়ম অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে সেফগার্ড হিসেবে ঘোষণা করেনি, তবুও এগুলি সেভাবেই কাজ করছে। এই কাজ ১৯৯৪ সালের সাধারণ শুল্ক ও বাণিজ্য চুক্তি এবং সেফগার্ড সংক্রান্ত চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ভারত এও জানিয়ে দিয়েছে, যেহেতু এগ্রিমেন্ট অন সেফগার্ডসের (India) অনুচ্ছেদ ১২.৩ অনুসারে কোনও আলোচনাই হয়নি, তাই ভারত মার্কিন পণ্যের ওপর সমপর্যায়ের শুল্ক আরোপের কথা ভাবছে। ভারতীয় এই শুল্ক (WTO) ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে জুনের শুরুতেই (India)।

LinkedIn
Share