Tag: Tarique Rahman

  • Tarique Rahman: তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দু’বার আমন্ত্রণ করা হয়েছে, জানাল নয়াদিল্লি

    Tarique Rahman: তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দু’বার আমন্ত্রণ করা হয়েছে, জানাল নয়াদিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে (Tarique Rahman) ভারত সরকার দু’বার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একটি আমন্ত্রণ ছিল দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য। অন্যটি ছিল বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন।

    নয়াদিল্লিতে (India) গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে তারেক রহমান যোগ দেননি। একই সঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এখনও ভারত সফরে যাননি তিনি। তাঁর প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে এখনও কোনও নিশ্চিত বার্তাও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ভারত।

    রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। পরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। অর্থাৎ, তিনি দু’টি আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন—একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য এবং অন্যটি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের জন্য।” তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে আমরা এখনও কিছু শুনিনি।”

    ব্রিকসের আমন্ত্রণ নিয়ে বাংলাদেশের বক্তব্য (Tarique Rahman)

    ভারতের এই বক্তব্যের আগে বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, আমন্ত্রণটি দেওয়া হয়েছিল বিমসটেকের চেয়ারম্যানকে।

    হুমায়ুন কবিরের কথায়, “আমরা কীভাবে যাব? বাংলাদেশের সরকারের কাউকে কি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল? আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কে আপনাদের বলেছে যে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল? বিমসটেকের চেয়ারম্যানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।”

    ভারত অবশ্য জানিয়েছে, ব্রিকসের সম্প্রসারিত অধিবেশনে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভুটান, ভারত, মায়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ।

    এর আগে জুলাই মাসেও বাংলাদেশের (Tarique Rahman) বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    দ্বিপাক্ষিক সফরেই জোর ঢাকার

    বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগে থেকেই বলা হয়েছে, তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর বহুপাক্ষিক কোনও সম্মেলনকে কেন্দ্র করে না হয়ে দ্বিপাক্ষিক সফর হওয়াই প্রত্যাশিত। হুমায়ুন কবিরও জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ঢাকা।

    আগস্টের শেষ দিকে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দুই দেশ পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সময়সূচিতে একমত হলেই সফরটি হবে।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ঢাকা একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, প্রত্যর্পণের অনুরোধটি পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

    রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে তারেক রহমান

    ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই তারেক রহমানের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কর্মসূচি হতে চলেছে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা তাঁর। এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার সাধারণ পরিষদে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

    সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে ৮ সেপ্টেম্বর। এই অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য, “আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন পরিচালনা: সবার জন্য কার্যকর একটি রাষ্ট্রসংঘ”।

    নিউইয়র্ক সফরে তারেক রহমান বাংলাদেশের (Tarique Rahman) দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলি বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিয়েও একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করার কথা (India) রয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে এ বছরের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশেষ আলোচনা হবে বলেও বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

     

  • Bangladesh: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা বাংলাদেশের, পর্যালোচনায় ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি

    Bangladesh: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা বাংলাদেশের, পর্যালোচনায় ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে চায় বাংলাদেশ। অতীতের রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে পিছনে ফেলে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়াদিল্লির সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর জানিয়েছেন, বহুপাক্ষিক মঞ্চের পরিবর্তে সরাসরি (BRICS Summit) দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করতে চায় বাংলাদেশ।

    এই বক্তব্য এমন একটা সময়ে এল, যখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী নয়, বর্তমান নির্বাচিত সরকার শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, এসব চুক্তির কোনগুলি বহাল থাকবে, কোনগুলি সংশোধন করা হবে এবং কোনগুলি বাতিল করা হতে পারে, তা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    ভারতের সঙ্গে ‘নতুন সম্পর্ক’ চায় ঢাকা (Bangladesh)

    হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আরও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেও বাংলাদেশের উচিত নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করা।

    তিনি বলেন, “আমরা একটি নতুন সম্পর্কের দিকে এগোতে চাই। এই সম্পর্ক বহুপাক্ষিক মঞ্চের মাধ্যমে নয়, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।”

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অতিরিক্ত নির্ভরতার সমালোচনাও করেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারতকে নিয়ে এই অতিরিক্ত মোহ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। ভারত অন্য সব দেশের মতোই একটি দেশ এবং বাংলাদেশের সঙ্গে তার ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকা উচিত।”

    ভারতকেন্দ্রিক অতিরিক্ত মনোযোগ বোঝাতে তিনি বলেন, “ভারতে প্রাতরাশ, ভারতে মধ্যাহ্নভোজ, ভারতে নৈশভোজ—তা হলে নিজের দেশের খাবার খাবেন কখন?”

    হুমায়ুন কবির আরও জানান, শেখ হাসিনার সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসন কালে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক “অস্বস্তিকর” হয়ে উঠেছিল। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে পারস্পরিক স্বার্থ ও সরাসরি আলোচনার ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে এগোতে চায় (Bangladesh)।

    ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে ঘিরে টানাপোড়েন

    সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের এই বার্তার ঠিক আগে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে ভারতীয় পক্ষের আমন্ত্রণ ছিল বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগের চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি থেকেই দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য পৃথক আমন্ত্রণও ছিল (BRICS Summit)।

    দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলন রবিবার শেষ হয়েছে। সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ না করা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে অসন্তোষ তৈরি হয়।

    ভারতের সঙ্গে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার।

    তিনি বলেন, “আমরা ১০১টি সমঝোতা স্মারক-সহ চুক্তিগুলি পর্যালোচনা করছি। খুব শিগগিরই এর ফলাফল জানতে পারবেন (Bangladesh)।”

    চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যবস্থার প্রসঙ্গও ওঠে। নূরুল ইসলাম মনি অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময়ে এমন কিছু ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যাতে একই সময়ে বাংলাদেশি ও বিদেশি জাহাজ বন্দরে এলে বিদেশি জাহাজ সুবিধা পেত। জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাগুলি পরিবর্তন বা বাতিল করার কথাও জানান তিনি।

    তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই অগ্রাধিকার পাবে।

    হাসিনা প্রসঙ্গ এখনও সম্পর্কে বড় বাধা

    ২০২৪ সালের অগাস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন রয়েছে। হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় হয়ে রয়েছে (Bangladesh)।

    এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ঢাকা অতীতের রাজনৈতিক মতপার্থক্যের পরিবর্তে সরাসরি যোগাযোগ এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে যেতে চাইছে।

    ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন তারেক

    এদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে তাঁর এই সফর। তিনি ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে থাকবেন বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির।

    সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তারেকের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হতে পারে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির বলেন, বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সময় এই ধরনের বৈঠক অনেক ক্ষেত্রেই শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত হয় (BRICS Summit)।

    তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখা। পার্শ্ববৈঠকগুলির বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানা যাবে (Bangladesh)।

    সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন এবং ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার ঘোষণার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবার সম্পর্ক পুনর্গঠনের স্পষ্ট বার্তা এল। তবে সেই নতুন সম্পর্কের ভিত্তি হবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ এবং (BRICS Summit) দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা (Bangladesh)।

     

  • Sheikh Hasina: ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশে ফিরতে চান হাসিনা, তারেকের দিল্লি সফরের সঙ্গে প্রত্যর্পণ জুড়ে দেওয়ায় তুললেন প্রশ্নও

    Sheikh Hasina: ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশে ফিরতে চান হাসিনা, তারেকের দিল্লি সফরের সঙ্গে প্রত্যর্পণ জুড়ে দেওয়ায় তুললেন প্রশ্নও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগ সভাপতি শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) জানিয়েছেন, তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নিজের দেশে ফিরতে চান। তাঁর প্রত্যাবর্তনকে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফরের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া প্রথম টেলিফোন সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, কোনও প্রত্যর্পণ চুক্তির শর্তে নয়, তিনি নিজের ইচ্ছাতেই দেশে ফিরতে চান। ২০২৪ সালের অগাস্টে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে আন্দোলনের পর তাঁর সরকারের পতন ঘটে। এরপর থেকেই হাসিনা ভারতে রয়েছেন। দীর্ঘদিন পর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, দেশে ফেরার ইচ্ছা, বিএনপি সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেন।

    হাসিনার সাফ কথা (Sheikh Hasina)

    হাসিনা বলেন, তাঁর দেশে ফেরার ইচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও কারণ নেই। তাঁর কথায়, “আমি আমার নিজের দেশে ফিরে যাচ্ছি। তিনি কেন এতে আপত্তি করছেন, তা আমি বুঝতে পারছি না। তারা প্রত্যর্পণ চুক্তির কথা বলছে। আমি নিজের ইচ্ছায় নিজের দেশে ফিরে যেতে চাই। আমি ফিরে যাব। আমি কি সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারি? আমাকে আমার দেশে, আমার নিজের মানুষের কাছে ফিরতেই হবে।”

    হাসিনার উপস্থিতি সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে নয়াদিল্লি থেকে ৫ অগাস্ট তাঁর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেই সময় বাংলাদেশ ও ভারত তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর নিয়ে আলোচনা করছিল। কিন্তু হাসিনার ওই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন পুরো প্রক্রিয়াটিকে প্রভাবিত করেছে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

    এমনকি তারেকের ভারত সফরের সঙ্গে হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টিকেও শর্ত হিসেবে সামনে আনা হয়েছিল। ভারত ইতিমধ্যেই তারেককে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এর পাশাপাশি আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের বিশেষ যোগাযোগমূলক অধিবেশনেও তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে এই দুই আমন্ত্রণের বিষয়ে ঢাকা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

    বিএনপি সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন

    হাসিনা অবশ্য বিএনপি সরকারের এই অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, বিএনপি সরকার ভারতে বসে তাঁর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের বিরোধিতা করলেও অতীতে তারেক নিজেই লন্ডনে থাকাকালীন বিএনপির বিভিন্ন ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ব্রিটেনে বসবাসের সময় রাজনীতিতে অংশ নেবেন না বলে অঙ্গীকার করার পরেও, তারেক বিএনপির ভার্চুয়াল রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন। ফলে তাঁর মতে, বর্তমান অবস্থান এবং অতীতের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে।

    বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন হাসিনা। তাঁর দাবি, সত্য কথা বলার কারণে দুই দেশের সম্পর্ক নষ্ট হয় না। বরং গণতন্ত্র ধ্বংস হলে, উগ্রপন্থার উত্থান ঘটলে, সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়লে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কাজে ব্যবহার করা হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষতি হয় (Sheikh Hasina)।

    সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ

    হাসিনা বলেন, “সত্যের কারণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। গণতন্ত্র ধ্বংস হলে, উগ্রপন্থার উত্থানের সুযোগ দেওয়া হলে, সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তাহীন বোধ করলে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়লে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য ব্যবহার করা হলে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

    বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, দেশে যখন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে, সাধারণ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির চাপে রয়েছেন, তখন বিপুল অর্থ ব্যয় করে যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক (Tarique Rahman)।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কেনার জন্য প্রায় ২৩০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি সরকার। এই সময়েই দেশের জ্বালানি সংকট এবং জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে এনে হাসিনা সরকারের অগ্রাধিকার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

    যুদ্ধবিমান কেনায় প্রশ্ন

    তিনি বলেন, “এমন কঠিন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমান কেনার জন্য এত অর্থ ব্যয়ের এই সিদ্ধান্ত কেন? সেটাই আমার প্রশ্ন। তবে এই প্রশ্ন আপনারা বিএনপি সরকারকেও করুন।”

    বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হাসিনা। তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের করা সতর্কবার্তার প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে “আর একটি পাকিস্তানে” পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে (Sheikh Hasina)।

    হাসিনা আরও বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নজরদারি ব্যবস্থাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়েদা বাংলাদেশকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি গড়ে তোলার চেষ্টা করতে পারে। স্থানীয় তদন্তেও একই ধরনের বিপদের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে (Sheikh Hasina)।”

    হাসিনার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তাঁর দেশে ফেরা, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং তারেকের সম্ভাব্য ভারত সফর—এই তিনটি বিষয়ই আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাঁর প্রত্যর্পণ নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির অবস্থানও ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

    তবে হাসিনার বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট—তিনি তাঁর দেশে ফেরার প্রশ্নটিকে কোনও রাজনৈতিক সমঝোতা বা অন্য কোনও নেতার বিদেশ সফরের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছেন না। তাঁর দাবি, দেশের মানুষের কাছে ফিরে যাওয়া তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত এবং সেই কারণেই তিনি ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন (Tarique Rahman)।

    হাসিনার বার্তা

    এদিকে, তাঁর এই বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে গণতন্ত্র, সংখ্যালঘু নিরাপত্তা, উগ্রপন্থা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার—এই সব প্রশ্নকে সামনে রেখে হাসিনা বর্তমান সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও তাঁর বক্তব্যে একটি বার্তা রয়েছে। সেটি হল, দুই দেশের সম্পর্কের স্থায়িত্ব কেবল কূটনৈতিক যোগাযোগের ওপর নির্ভর করে না, বরং গণতন্ত্র, নিরাপত্তা, সংখ্যালঘু অধিকার এবং পারস্পরিক আস্থার মতো বিষয়গুলিও তার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত (Sheikh Hasina)।

     

  • Teesta Water Ties: “তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চায় না বাংলাদেশ”, বললেন ঢাকার জলসম্পদমন্ত্রী

    Teesta Water Ties: “তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চায় না বাংলাদেশ”, বললেন ঢাকার জলসম্পদমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তিস্তা নদীর জলবণ্টন চুক্তিকে (Teesta Water Ties) কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করতে চায় না বাংলাদেশ।” অন্তত এমনই বললেন বাংলাদেশের জলসম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী আনে।তবে একইসঙ্গে নিজেদের স্বার্থের কথাও নয়াদিল্লিকে (India Bangladesh) বিবেচনা করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, “প্রতিবেশী দেশ একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। তাদের যেমন নিজেদের স্বার্থ রয়েছে, তেমনই আমাদেরও স্বার্থ রয়েছে—এই বিষয়টি তাদের ভাবতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “একজন বন্ধু আর এক বন্ধুর স্বার্থ রক্ষা করবে। তাদের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কখনও নষ্ট হোক, আমরা তা চাই না।”

    তিস্তা সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের তৎপরতা (Teesta Water Ties)

    দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের নতুন করে তৎপরতার মধ্যেই জলসম্পদমন্ত্রীর এহেন মন্তব্য সামনে এল। এর অংশ হিসেবে চিনের সহযোগিতায় প্রস্তাবিত তিস্তা নদীর যৌথ ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করছে ঢাকা। এই প্রকল্পের লক্ষ্য, উত্তর বাংলাদেশের বারবার দেখা দেওয়া বন্যা, নদীভাঙন এবং শুকনো মরশুমে জলসংকট মোকাবিলা করা। মন্ত্রী জানান, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে সরকার একাধিক সেমিনার ও পরামর্শ বৈঠকের আয়োজন করেছে। এসব আলোচনায় পাওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে বিস্তারিত সমীক্ষা করা হবে। সেই সমীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে সরকার।তিস্তা প্রকল্পকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নদীভাঙন-সহ নানা সমস্যায় বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত উত্তরাঞ্চলের পাঁচ-ছ’টি জেলার মানুষের এই প্রকল্প নিয়ে ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে। তাঁর কথায়, “আমরা যদি এটি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হই, তাহলে ওই এলাকার পরিবারগুলির ক্ষয়ক্ষতি ও সমস্যার পরিমাণ আরও বাড়তে থাকবে। যে কোনও মূল্যে আমাদের এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে (Teesta Water Ties)।”

    জলবণ্টন নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ বিরোধ

    তিস্তা নদীর জলবণ্টন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কয়েক দশক ধরে বিরোধ রয়েছে। হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে নদীটি সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং পরে বাংলাদেশের যমুনা নামে পরিচিত ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। উত্তর বাংলাদেশের কৃষি ও মানুষের জীবিকার জন্য তিস্তার জল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে পশ্চিমবঙ্গেও সেচ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এই নদীর জল গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের একাধিক জেলার মানুষের জীবন ও কৃষি নির্ভরশীল তিস্তার ওপর। আটের দশক থেকেই তিস্তার জল ভাগাভাগি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। ১৯৮৩ সালে একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই ব্যবস্থায় তিস্তার জলের ৩৯ শতাংশ ভারতের জন্য এবং ৩৬ শতাংশ বাংলাদেশের জন্য নির্ধারণ করা হয়। বাকি ২৫ শতাংশ জল বণ্টন করা হয়নি (India Bangladesh)।

    তিস্তার জল বণ্টন চুক্তি জরুরি প্রয়োজন

    এরপর ২০১১ সালে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। তাতে শুষ্ক মরশুমে তিস্তার জল ভাগাভাগির একটি সূত্র প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে জলের প্রাপ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ওই ব্যবস্থার বিরোধিতা করায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়নি (Teesta Water Ties)। জলসম্পদমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত প্রস্তাবিত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর এবং বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তিস্তা নিয়ে একটি চুক্তি “জরুরি প্রয়োজন” বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সেটিকে তিস্তা চুক্তি বা অন্য কোনও ব্যবস্থার নামে অভিহিত করা হোক না কেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চিন সফর

    জুন মাসে বেজিংয়ে সরকারি সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিনের নেতাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে প্রস্তাবিত তিস্তা পুনরুদ্ধার প্রকল্পের কারিগরি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে চিনের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছে বলে জানানো হয়েছে (India Bangladesh)। তিস্তা প্রকল্পে চিনকে যুক্ত করার সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিনের এই জলবণ্টন বিরোধে নতুন কৌশলগত মাত্রা যুক্ত হয়েছে। ভারতের কাছে বিষয়টি বিশেষভাবে সংবেদনশীল, কারণ উত্তর বাংলাদেশের ওই অঞ্চলের অবস্থান ভারতের শিলিগুড়ি করিডরের (চিকেন্স নেকের) কাছাকাছি। এই সরু স্থলপথই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করেছে (Teesta Water Ties)। ভারত বরাবরই বলে আসছে, তিস্তা সমস্যার সমাধান সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে করা উচিত। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও রয়েছে।

    রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্য

    জুলাই মাসে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের মতামত বাংলাদেশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ভারতের সামগ্রিক অবস্থানের অংশ হিসেবে “সংশ্লিষ্ট সব উন্নয়ন” বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। তিস্তা জলবণ্টন বিরোধ ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি থেকে আলাদা। ওই চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর এবং ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ভারত ও বাংলাদেশের (India Bangladesh) মধ্যে মোট ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। এসব নদী ও জলসম্পর্কিত বিষয় নিয়ে দুই দেশ প্রায়ই আলোচনা করে থাকে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে (Teesta Water Ties)।

     

  • India Bangladesh Talks: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী! কী নিয়ে হল দীনেশ-তারেক বৈঠক?

    India Bangladesh Talks: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী! কী নিয়ে হল দীনেশ-তারেক বৈঠক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে তৎপরতা দেখা দিয়েছে ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কে (India Bangladesh Talks)। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) সঙ্গে সোমবার বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের সম্পর্কের নানা টানাপোড়েনের মধ্যে এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে হবে ব্রিকস সম্মেলন। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যখন জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ই হল এই বৈঠক। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নয়াদিল্লিতে। সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত ব্রিকসের সব সদস্য রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাবে বলেই আশা। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান অর্থনীতি ও উন্নয়নশীল দেশগুলির সমন্বয়ে গঠিত এই আন্তঃসরকারি সংগঠনে বর্তমানে ১১টি দেশ সদস্য হিসেবে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, গত কয়েক মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে অস্বস্তি ও টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

    ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে তারেকের বৈঠক (India Bangladesh Talks)

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকের সময় ভারতীয় হাইকমিশনারকে দেখা যায় তারেককে একটি শাল উপহার দিতে। প্রধানমন্ত্রী তারেক হাসিমুখে সেই উপহার গ্রহণ করেন। এর এক দিন আগে, রবিবার বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠক প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকে অর্থবহ হিসেবে উল্লেখ করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কমাতেও এই বৈঠকের ভূমিকা রয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, আলোচনায় নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের অংশগ্রহণের বিষয়টিও উত্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে চলমান বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও খবর। তবে বৈঠকে ঠিক কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ কিংবা ভারত—কোনও পক্ষই এখনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

    ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনা

    তারেকের সঙ্গে বৈঠকের আগে ভারতীয় হাইকমিশনার জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। এর মধ্যেই শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ দাবির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ঢাকার পক্ষ থেকে হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানানো হলেও নয়াদিল্লির অবস্থানে এখনও বড় কোনও পরিবর্তন আসেনি বলেই কূটনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা। হাসিনা বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। ভারত সরকার তাঁকে অতিথি হিসেবে বিবেচনা করছে এবং তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে নয়াদিল্লি এখনও পর্যন্ত কোনও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়নি। ফলে হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় হয়েই রয়ে গিয়েছে। এদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে এই বার্তাও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেককে দিল্লিতে দ্বিপাক্ষিক সফরে স্বাগত জানাতে নয়াদিল্লি আগ্রহী। অর্থাৎ শুধু ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের জন্য নয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেকের পৃথক রাষ্ট্রীয় সফরের বিষয়েও ভারত আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে (Tarique Rahman)।তবে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেকের নয়াদিল্লির ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা কম। যদিও ঢাকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।

    শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে নতুন করে অস্বস্তি

    বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের অন্যতম কারণ হিসেবে হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে দেখা হচ্ছে। গত বুধবার বিদেশি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় হাসিনা জানিয়েছিলেন, তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ (India Bangladesh Talks)। হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশকে আবার উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার পথে ফিরিয়ে নেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কারাবাস কিংবা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকলেও, পিছিয়ে যাবেন না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। হাসিনা বলেন, “আমি জানি, তারা আমাকে জেলে দিতে পারে অথবা হত্যা করতে পারে। তবে আমি আমার জনগণের সঙ্গে থাকার জন্য দেশে ফিরে যাব।” হাসিনার এই বক্তব্যের পর বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিকে আগে থেকেই ওই অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছিল। তারপরেও অনুষ্ঠানটি হওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য, হাসিনার ওই বক্তব্য দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে সতর্ক করা হয়েছিল। ফলে বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক অস্বস্তির জন্ম দেয়।

    ভারতকে ‘মহান বন্ধু’ আখ্যা হাসিনার

    তবে একই বক্তব্যে শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন। তিনি ভারতকে বাংলাদেশের “মহান বন্ধু” হিসেবে উল্লেখ করেন। সংকটের সময় ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে থেকেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নিজের দেশে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন হাসিনা। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বর্তমানে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, সেগুলি নিয়েও তিনি কথা বলেন। তাঁর দাবি, দেশে ফেরার উদ্দেশ্য ক্ষমতা দখল করা নয়। বরং বাংলাদেশকে আবার উন্নয়ন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমৃদ্ধির পথে ফিরিয়ে নেওয়াই তাঁর লক্ষ্য (India Bangladesh Talks)। হাসিনার এই বক্তব্যের পর থেকেই ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রীর ধারাবাহিক বৈঠককে তাই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন কূটনৈতিক (Tarique Rahman) পর্যবেক্ষকেরা।

    সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা কি মিলছে?

    পরপর দু’দিনে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক হওয়ায় দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন কোনও কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ এবং হাসিনাকে ঘিরে বিরোধ—এই দু’টি বিষয়ই এখন ঢাকা-নয়াদিল্লির আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে বলে মনে (India Bangladesh Talks) করা হচ্ছে। আবার তিনি সম্মেলনে না গেলে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অস্বস্তির প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। কারণ, ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের অংশগ্রহণের বিষয়ে ঢাকার তরফে এখনও কোনও ঘোষণা করা আসেনি। আবার, ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে হাসিনা এবং তারেকের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তারও বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। ফলে আগামী কয়েক দিনে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে (Tarique Rahman) কূটনৈতিক যোগাযোগ কোন দিকে এগোয় এবং ব্রিকস সম্মেলনে তারেক যোগ দেন কি না, এখন সেটাই দেখার (India Bangladesh Talks)।

     

  • Sheikh Hasina: মৃত্যুদণ্ডের রায় সত্ত্বেও ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন হাসিনা, জানালেন আদালতে আত্মসমর্পণের কথাও

    Sheikh Hasina: মৃত্যুদণ্ডের রায় সত্ত্বেও ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন হাসিনা, জানালেন আদালতে আত্মসমর্পণের কথাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরছেন পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। তাঁর সঙ্গেই স্বদেশে (Bangladesh) ফিরবেন নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। বর্তমানে ভারতে রয়েছেন হাসিনা। তিনি জানান, ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে জেনেও, বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা।সংবাদসংস্থাকে দেওয়া ঘণ্টাখানেকের টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে আশি ছুঁইছুঁই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বলেন, “আমি দেশে ফিরব। আমায় গ্রেফতার করা হতে পারে। হত্যা করা হলেও, আমি ফিরব।”

    ‘যদি মৃত্যুই আসে…'(Sheikh Hasina)

    তিনি বলেন, “আমার দলের নেতা-কর্মীদের ওপর ভয়াবহ দমন-পীড়ন চলছে। যদি মৃত্যুই আসে, তবে আমি চাই সেটি আমার নিজের মাটিতেই আসুক, যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন এবং যেখানে তাঁদের রক্ত ঝরেছে।” এটাই প্রথমবার, যখন হাসিনা প্রকাশ্যে দেশে ফেরার সম্ভাব্য সময়সীমা জানালেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামি লিগের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাও তাঁর সঙ্গে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও। হাসিনার পাশাপাশি এঁকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের জেরে টানা কয়েক সপ্তাহের হিংসাত্মক বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশ (Bangladesh) ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন হাসিনা। সেনাপ্রধানের পরামর্শেই নিরাপত্তার স্বার্থে দেশ ছাড়েন বলে সেই সময় জানা গিয়েছিল। এরপর থেকে হাসিনা রয়েছেন ভারতেই।

    মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হাসিনা

    গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন দমনে তাঁর ভূমিকার অভিযোগে দেশে না থাকা অবস্থায়ও হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। যদিও প্রথম থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন পড়শি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina)। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার বারবার হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “ঢাকার কর্তৃপক্ষ আমাকে ফেরাতে ভারতের কাছে বারবার চিঠি পাঠাচ্ছে। কিন্তু আমি নিজেই দেশে ফিরব।” তিনি জানান, দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বিদেশি সরকারের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেননি। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আওয়ামি লিগের রাজনৈতিক অধিকার কোনও গোপন আলোচনার বিষয় নয়। তাই এ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।’’ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এর আগে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত আবেদন আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নয়াদিল্লি ঢাকার সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

    রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা

    তাঁর বিরুদ্ধে (Sheikh Hasina) দায়ের হওয়া মামলাগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে হাসিনা বলেন, “আমি বিচারব্যবস্থার ওপর (Bangladesh) বিশ্বাস রাখি। আদালতে মামলা শুরু হলে মানুষ বুঝতে পারবেন এই বিচার কতটা প্রহসনের।” তিনি বলেন,  ‘‘আমাদের প্রায় সব নেতা এবং কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অধিকাংশই আত্মগোপন করে রয়েছেন। তাই আমি বলেছি, এ বার আমি ঘরে ফিরছি। এক দিন আপনাদের সকলকেই ফিরতে হবে। আমরা সকলে একসঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব। বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হলে আদালতের প্রহসনমূলক চরিত্র প্রকাশিত হয়ে যাবে। আমি সেটাই চাই।’’ মহম্মদ ইউনূসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিষেধাজ্ঞার জেরে গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামি লিগ। হাসিনা চান, তাঁর দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুক বাংলাদেশের জনগণ। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের প্রায় সব নেতা এবং কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অধিকাংশই আত্মগোপন করে রয়েছেন।

    কারাবাসের ভয় নেই

    তিনি জানান (Sheikh Hasina), কারাবাসের ভয় তাঁর নেই। অতীতেও একাধিকবার তাঁকে জেলে যেতে হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৭ সালে, সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। অবশ্য তাঁর কারাবাস দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কারণ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবারও ক্ষমতায় ফেরেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো হাসিনা। হাসিনা এও জানান, নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও আওয়ামি লিগকে পুনর্গঠন করতে তিনি অনলাইনে বাংলাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২৫টি আসনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছেন। তিনি মনে করেন, আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত নয়।

    আত্মসমালোচনা হাসিনার

    দীর্ঘ ২০ বছরের রাজপাট নিয়ে আত্মসমালোচনাও করেন হাসিনা। তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে ভুল হতেই পারে। কোনও সরকারই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে একটি সরকারের ভালো-মন্দের বিচার করার অধিকার জনগণের। সেই বিচার আমি জনগণের হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি (Sheikh Hasina)।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে ঢাকা-দিল্লি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে। হাসিনা ভারত ছেড়ে নিজের দেশে না ফেরায় দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপড়েন চলছিল। চলতি বছরেই তিনি যে বাংলাদেশে (Bangladesh) ফিরবেন, তা আগেই জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী। তবে এ বার নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরেই তিনি ফিরছেন বাংলাদেশে (Sheikh Hasina)।

     

  • Bangladesh PM: চিন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তিস্তা প্রকল্পে নজর ভারতের

    Bangladesh PM: চিন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তিস্তা প্রকল্পে নজর ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের সরকারি সফরে চিনে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (Bangladesh PM) বিএনপির তারেক রহমান। সোমবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমানকে নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ (Teesta Project Talks) ফ্লাইট চিনের দালিয়ান ঝৌশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    তারেকের কর্মসূচি (Bangladesh PM)

    এই সফরে তারেক বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স (সামার দাভোস ফোরাম ২০২৬)-এ অংশ নেবেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং আয়োজিত নৈশভোজেও যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। সফরের মধ্যেই বেজিংয়ে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকও করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ২৪ জুন তিনি বৈঠক করবেন কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। পরে দ্রুতগতির ট্রেনে তিনি যাবেন দালিয়ান থেকে বেজিংয়ে। বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন জানান, বাংলাদেশের নয়া সরকারের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরও জোরদার করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বহুমাত্রিক বিনিময় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে সমন্বয় জোরদার করার সুযোগ হিসেবে চিন এই সফরকে দেখছে (Bangladesh PM)।

    ভারতের নজর

    এদিকে, তারেকের এই সফরে তিস্তা পরিকল্পনা নিয়ে কোনও অগ্রগতি বা ঘোষণা করা হয় কি না, সেদিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়না (POWERCHINA) তিস্তা যৌথ ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের (Teesta Comprehensive Management and Restoration Project) মউয়ের মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তি করে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হল, তিস্তা নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, নদী খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন বাঁধ নির্মাণ ও পুরোনো বাঁধ সংস্কার, খনন করা মাটি ব্যবহার করে জমি পুনরুদ্ধার এবং শুখা মরশুমে জল সংরক্ষণের জন্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা (Bangladesh PM)। এই প্রকল্পে চিন যুক্ত হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছে ভারত। কারণ তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেকে’র কাছেই। বিশ্লেষকদের মতে, এই এলাকায় চিনের প্রভাব বাড়লে ভারতের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থ নিয়ে নয়া উদ্বেগ তৈরি (Teesta Project Talks) হতে পারে।

    ‘গোল্ডেন ৫০ ইয়ার্স’

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বাংলাদেশে চিনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। চিনের দাবি, দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা গভীর হয়েছে এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা উভয় দেশের জনগণের জন্যই ইতিবাচক ফল নিয়ে আসছে। এই সফরে বাংলাদেশ ও চিনের মধ্যে একাধিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এবং সমঝোতা সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য আর্থিক সাহায্য নিয়ে আলোচনা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ঢাকা চিনকে প্রযুক্তি, শিল্প বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অর্থায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশ-চিন সম্পর্কের ‘গোল্ডেন ৫০ ইয়ার্সে’ প্রবেশের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

    এদিকে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভবিষ্যতে ভারত সফরের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। ওই সূত্রের বক্তব্য, কিছু অমীমাংসিত ইস্যু এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে বর্তমানে সেই পরিবেশ পুরোপুরি তৈরি হয়নি (Teesta Project Talks)। যদিও বাংলাদেশ মনে করে, ভারত ও চিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক কোনওভাবেই ‘জিরো-সাম গেম’ নয়, বরং (Bangladesh PM) উভয় দেশের সঙ্গেই ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ঢাকা।

     

  • Sheikh Hasina: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও অন্ধকার সময় ফিরে আসবে”, বাংলাদেশবাসীকে সতর্ক করলেন হাসিনা

    Sheikh Hasina: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও অন্ধকার সময় ফিরে আসবে”, বাংলাদেশবাসীকে সতর্ক করলেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মতো অন্ধকার সময় ফিরে আসবে।” কথাগুলি বললেন বাংলাদেশের (Bangladesh) পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। প্রসঙ্গত, ওই সময় বাংলাদেশের রাশ ছিল বিএনপির হাতে। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা জানান, তিনি খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে ফিরে যাবেন। আওয়ামি লিগের এই নেত্রী ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে রয়েছেন ভারতে।

    জনকল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি (Sheikh Hasina)

    হাসিনা বলেন, “ফিরে আসার বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভর করে না। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এটি শুধু আমার ফিরে আসার জন্য নয়, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যও জরুরি।” তিনি বলেন, “আমি একটি বিষয় খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই। আমার অনুপস্থিতি মানে আমার নীরবতা নয়। আমি প্রতিটি মুহূর্তে দেশের জন্য লড়াই করছি এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে, আন্তর্জাতিক আইনগত কাঠামোর মধ্যে এবং বৈশ্বিক গণমাধ্যমের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।” চলতি বছর সাধারণ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে বিএনপি। তার পরেই দেশটিতে ভারতবিরোধী নানা মন্তব্য করার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে।

    ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু

    এ প্রসঙ্গে হাসিনা জানান, ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং প্রতিবেশী (Sheikh Hasina)। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সমর্থন ছিল প্রশ্নাতীত। তিনি বলেন, “অবশ্য আমাদের দেশে ভারতবিরোধী বক্তব্য দীর্ঘদিন ধরেই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও আদর্শগতভাবে দেউলিয়া গোষ্ঠীগুলির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারও এই চর্চায় যোগ দিয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা প্রায়ই আওয়ামি লিগের বিরুদ্ধে (Sheikh Hasina) ভারতের কাছে নতি স্বীকার করা এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি করার অভিযোগ তুলত। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার তাদের ১৮ মাসের শাসন কালে কিংবা বিএনপি—কেউই এমন একটি চুক্তিরও প্রমাণ দিতে পারেনি, যা জাতীয় স্বার্থবিরোধী।

    ফের ভিসা পরিষেবা চালুর পথে দুই দেশ

    বছর দেড়েকের অস্থিরতার পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারত ও বাংলাদেশ পুরো মাত্রায় ফের ভিসা পরিষেবা চালুর পথে এগোচ্ছে (Bangladesh)। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই সব ধরনের ক্যাটাগরিতে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা চালু করেছে। এদিকে, ভারতও ফের ধীরে ধীরে ভিসা কার্যকলাপ শুরু করার পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভারত সফরের এক মাস পরেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাঁর সফরে ভিসা স্বাভাবিকীকরণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল। উল্লেখ্য, ভারতে থাকা বাংলাদেশের সব ভিসা কেন্দ্র—নয়াদিল্লির হাইকমিশন এবং কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই ও চেন্নাইয়ের কনস্যুলার বিভাগ (Bangladesh), এখন আগের মতোই কাজকর্ম শুরু করেছে (Sheikh Hasina)।

     

  • Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের সাংসদ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (Dinesh Trivedi) বাংলাদেশে (Bangladesh) পাঠানো হচ্ছে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে। দীর্ঘ সময় পর প্রতিবেশী দেশে এই প্রথম রাজনৈতিক নিয়োগ হিসেবে ত্রিবেদী দায়িত্ব নেবেন। তিনি পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রণয়কে পাঠানো হচ্ছে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে। ঢাকার তারেক রহমান সরকারের কাছ থেকে ত্রিবেদীর জন্য সম্মতি চাওয়া হবে। বছর পঁচাত্তরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত বিদেশমন্ত্রকের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা দেয়।

    ত্রিবেদীর অভিজ্ঞতা (Dinesh Trivedi)

    ইউপিএ আমলে ত্রিবেদী রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তখন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল ছাড়েন, যোগ দেন বিজেপিতে। বস্তুত, ত্রিবেদীর এই নিয়োগ এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ মহঃ ইউনূস জমানার সঙ্কটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার অপসারণের পর সংঘটিত অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আন্দোলনকারীদের (Dinesh Trivedi) ওপর গুলি চালাতে অস্বীকার করেছিল।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    মার্কিন সমর্থিত ইউনূসের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংখ্যালঘুদের (হিন্দু-সহ আরও কয়েকটি ধর্ম) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসায় লাগাম টানতে ব্যর্থ হয় তাঁর সরকার। দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগ থেকে এটা স্পষ্ট যে, মোদি সরকার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠাতে আপত্তি করছে না, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি আর শুধুমাত্র ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার কর্তাদের জন্য সংরক্ষিত নয় (Bangladesh)। এর আগে প্রাক্তন সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ত্রিবেদীর ঢাকায় নিয়োগ এই ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত এখন প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের দূত হিসেবে পাঠাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর ফলে অন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে শুধু ভালো সময়ের রাষ্ট্রদূত পাঠানোর যুগ শেষ হয়ে এসেছে (Dinesh Trivedi)।

  • Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদে পড়ে সাধুও কলার খোসা খায়! তেমনই দশা হয়েছে বাংলাদেশ, মলদ্বীপের। মাস কয়েক আগেও ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দিচ্ছিল (Iran War) যারা, তারাই (Energy Crisis) ফের হাত পাতছে ভারতের কাছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট চরমে। এমতাবস্থায় ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ এবং মলদ্বীপকে। শ্রীলঙ্কাকেও জ্বালানি দেবে নরেন্দ্র মোদির ভারত। যে ভারতের বিরুদ্ধে এক সময় কুকথা বলেছিল বাংলাদেশের মৌলবাদীরা, বয়কটের ডাক দিয়েছিল ভারতীয় পণ্য, জ্বালানি সঙ্কটের জেরে সেই মোদি সরকারের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ-মলদ্বীপকে। আর ভারত? যাবতীয় তিক্ততা ভুলে গিয়ে সে বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত। এটি তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অংশ।

    হরমুজ প্রণালী (Iran War)

    অবশ্য একটি কঠিন সত্য হল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এশিয়ার দেশগুলির জন্য নির্ধারিত। এতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো জ্বালানি আমদানি-নির্ভর দেশগুলির দুর্বলতা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে ইরান ভারতের “বন্ধু” হিসেবেই চিহ্নিত। তাই তেল এবং এলপিজি  ট্যাঙ্কারগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। যার ফলে স্বস্তিতে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, সঙ্কটকালে ভারত ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পাঠিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায়। বিবেচনা করা হচ্ছে মলদ্বীপের অনুরোধও। যদিও ভুটান ও নেপালে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে নরেন্দ্র মোদির দেশ (Iran War)।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ওই দেশগুলি ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে (Energy Crisis)। অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বিবেচনা করেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। বর্তমানে ভারতের কাছে প্রায় দু’মাসের জ্বালানি মজুদ থাকায় আতঙ্কের পরিস্থিতি নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সঙ্কটকালে দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত অপরিহার্য শক্তি। ইরান-যুদ্ধজনিত সঙ্কটের সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। দেশটি ৯৫ শতাংশ তেল এবং ৩০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাত ডিজেলের অভাবে হুমকির মুখে।

    বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত

    বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে, স্থগিত করা হয়েছে পাঁচটির মধ্যে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার কাজকর্ম।এই সঙ্কট-পর্বের মোকাবিলা করতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার। ভারত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকেও জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে (Energy Crisis)। জানা গিয়েছে, ১০ মার্চ ভারত বাংলাদেশকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠিয়েছে। এটি ১৫ বছরের চুক্তির অংশ। পরবর্তী সপ্তাহে আরও ১০,০০০ টন এবং নতুন করে ৭,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। এই সহযোগিতার ঘটনা এমন একটি সময়ে ঘটছে, যখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে (Iran War)।

    “বয়কট ইন্ডিয়া” স্লোগান

    ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় তলানিতে পৌঁছয় ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক। সেই সময় “বয়কট ইন্ডিয়া”-সহ ভারতবিরোধী মনোভাব বেড়ে গিয়েছিল। সেই আবহে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হয় গভীর। বিএনপি সরকারের উদ্যোগে অবশ্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের লেখচিত্র ফের ঊর্ধ্বমুখী। এক বছর আগেও ভারতের কড়া সমালোচক ছিল মলদ্বীপ। এখন জ্বালানি সঙ্কটে পড়ে দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু “ইন্ডিয়া আউট” প্রচারের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করেন এবং চিনের দিকে ঝোঁকেন। তবে বর্তমান সঙ্কটের প্রেক্ষিতে মলদ্বীপ আবার ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতির এই দেশ মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে (Iran War)। পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজির ঘাটতিতে দৈনন্দিন জীবন প্রায় স্থবির। মলদ্বীপ এখন ভারতের কাছে জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ করেছে, যা বিবেচনা করছে দিল্লি (Energy Crisis)।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারতের ভূমিকা

    শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ২০২২ সালের অর্থনৈতিক সংকটের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। তখন দেশটি চিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করে চিনা জাহাজকে বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেয়। বর্তমান ইরান যুদ্ধ আবারও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটি তার ৬০ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। সঙ্কটের কারণে জ্বালানির দাম ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে (Iran War)। মার্চের মাঝামাঝি প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। এর পরেই ভারত দ্রুত ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ও ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল পাঠায়। দিসানায়েকে বলেন, “ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চলের পরিস্থিতি অস্থির ছিল। যার প্রমাণ মলদ্বীপে “ইন্ডিয়া আউট” প্রচার বা বাংলাদেশে ভারতবিরোধী শক্তির মাথাচাড়া দেওয়া। কিন্তু ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সঙ্কট একটি কঠিন বাস্তবতা সামনে এনে দিয়েছে। এটি হল, রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, ভৌগোলিক বাস্তবতাই গুরুত্বপূর্ণ (Iran War)। এই বাস্তবতায় (Energy Crisis) দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত এখনও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

LinkedIn
Share