Tag: Tarique Rahman

  • Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের সাংসদ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (Dinesh Trivedi) বাংলাদেশে (Bangladesh) পাঠানো হচ্ছে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে। দীর্ঘ সময় পর প্রতিবেশী দেশে এই প্রথম রাজনৈতিক নিয়োগ হিসেবে ত্রিবেদী দায়িত্ব নেবেন। তিনি পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রণয়কে পাঠানো হচ্ছে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে। ঢাকার তারেক রহমান সরকারের কাছ থেকে ত্রিবেদীর জন্য সম্মতি চাওয়া হবে। বছর পঁচাত্তরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত বিদেশমন্ত্রকের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা দেয়।

    ত্রিবেদীর অভিজ্ঞতা (Dinesh Trivedi)

    ইউপিএ আমলে ত্রিবেদী রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তখন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল ছাড়েন, যোগ দেন বিজেপিতে। বস্তুত, ত্রিবেদীর এই নিয়োগ এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ মহঃ ইউনূস জমানার সঙ্কটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার অপসারণের পর সংঘটিত অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আন্দোলনকারীদের (Dinesh Trivedi) ওপর গুলি চালাতে অস্বীকার করেছিল।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    মার্কিন সমর্থিত ইউনূসের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংখ্যালঘুদের (হিন্দু-সহ আরও কয়েকটি ধর্ম) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসায় লাগাম টানতে ব্যর্থ হয় তাঁর সরকার। দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগ থেকে এটা স্পষ্ট যে, মোদি সরকার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠাতে আপত্তি করছে না, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি আর শুধুমাত্র ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার কর্তাদের জন্য সংরক্ষিত নয় (Bangladesh)। এর আগে প্রাক্তন সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ত্রিবেদীর ঢাকায় নিয়োগ এই ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত এখন প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের দূত হিসেবে পাঠাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর ফলে অন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে শুধু ভালো সময়ের রাষ্ট্রদূত পাঠানোর যুগ শেষ হয়ে এসেছে (Dinesh Trivedi)।

  • Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদে পড়ে সাধুও কলার খোসা খায়! তেমনই দশা হয়েছে বাংলাদেশ, মলদ্বীপের। মাস কয়েক আগেও ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দিচ্ছিল (Iran War) যারা, তারাই (Energy Crisis) ফের হাত পাতছে ভারতের কাছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট চরমে। এমতাবস্থায় ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ এবং মলদ্বীপকে। শ্রীলঙ্কাকেও জ্বালানি দেবে নরেন্দ্র মোদির ভারত। যে ভারতের বিরুদ্ধে এক সময় কুকথা বলেছিল বাংলাদেশের মৌলবাদীরা, বয়কটের ডাক দিয়েছিল ভারতীয় পণ্য, জ্বালানি সঙ্কটের জেরে সেই মোদি সরকারের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ-মলদ্বীপকে। আর ভারত? যাবতীয় তিক্ততা ভুলে গিয়ে সে বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত। এটি তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অংশ।

    হরমুজ প্রণালী (Iran War)

    অবশ্য একটি কঠিন সত্য হল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এশিয়ার দেশগুলির জন্য নির্ধারিত। এতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো জ্বালানি আমদানি-নির্ভর দেশগুলির দুর্বলতা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে ইরান ভারতের “বন্ধু” হিসেবেই চিহ্নিত। তাই তেল এবং এলপিজি  ট্যাঙ্কারগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। যার ফলে স্বস্তিতে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, সঙ্কটকালে ভারত ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পাঠিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায়। বিবেচনা করা হচ্ছে মলদ্বীপের অনুরোধও। যদিও ভুটান ও নেপালে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে নরেন্দ্র মোদির দেশ (Iran War)।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ওই দেশগুলি ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে (Energy Crisis)। অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বিবেচনা করেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। বর্তমানে ভারতের কাছে প্রায় দু’মাসের জ্বালানি মজুদ থাকায় আতঙ্কের পরিস্থিতি নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সঙ্কটকালে দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত অপরিহার্য শক্তি। ইরান-যুদ্ধজনিত সঙ্কটের সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। দেশটি ৯৫ শতাংশ তেল এবং ৩০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাত ডিজেলের অভাবে হুমকির মুখে।

    বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত

    বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে, স্থগিত করা হয়েছে পাঁচটির মধ্যে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার কাজকর্ম।এই সঙ্কট-পর্বের মোকাবিলা করতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার। ভারত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকেও জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে (Energy Crisis)। জানা গিয়েছে, ১০ মার্চ ভারত বাংলাদেশকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠিয়েছে। এটি ১৫ বছরের চুক্তির অংশ। পরবর্তী সপ্তাহে আরও ১০,০০০ টন এবং নতুন করে ৭,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। এই সহযোগিতার ঘটনা এমন একটি সময়ে ঘটছে, যখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে (Iran War)।

    “বয়কট ইন্ডিয়া” স্লোগান

    ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় তলানিতে পৌঁছয় ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক। সেই সময় “বয়কট ইন্ডিয়া”-সহ ভারতবিরোধী মনোভাব বেড়ে গিয়েছিল। সেই আবহে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হয় গভীর। বিএনপি সরকারের উদ্যোগে অবশ্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের লেখচিত্র ফের ঊর্ধ্বমুখী। এক বছর আগেও ভারতের কড়া সমালোচক ছিল মলদ্বীপ। এখন জ্বালানি সঙ্কটে পড়ে দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু “ইন্ডিয়া আউট” প্রচারের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করেন এবং চিনের দিকে ঝোঁকেন। তবে বর্তমান সঙ্কটের প্রেক্ষিতে মলদ্বীপ আবার ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতির এই দেশ মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে (Iran War)। পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজির ঘাটতিতে দৈনন্দিন জীবন প্রায় স্থবির। মলদ্বীপ এখন ভারতের কাছে জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ করেছে, যা বিবেচনা করছে দিল্লি (Energy Crisis)।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারতের ভূমিকা

    শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ২০২২ সালের অর্থনৈতিক সংকটের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। তখন দেশটি চিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করে চিনা জাহাজকে বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেয়। বর্তমান ইরান যুদ্ধ আবারও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটি তার ৬০ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। সঙ্কটের কারণে জ্বালানির দাম ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে (Iran War)। মার্চের মাঝামাঝি প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। এর পরেই ভারত দ্রুত ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ও ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল পাঠায়। দিসানায়েকে বলেন, “ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চলের পরিস্থিতি অস্থির ছিল। যার প্রমাণ মলদ্বীপে “ইন্ডিয়া আউট” প্রচার বা বাংলাদেশে ভারতবিরোধী শক্তির মাথাচাড়া দেওয়া। কিন্তু ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সঙ্কট একটি কঠিন বাস্তবতা সামনে এনে দিয়েছে। এটি হল, রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, ভৌগোলিক বাস্তবতাই গুরুত্বপূর্ণ (Iran War)। এই বাস্তবতায় (Energy Crisis) দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত এখনও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

  • Bangladesh: একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা পাক বাহিনীর, শহিদ-তর্পণ করলেন তারেক রহমান

    Bangladesh: একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা পাক বাহিনীর, শহিদ-তর্পণ করলেন তারেক রহমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মাথা নোয়াল বাংলাদেশের (Bangladesh) শাসক দল বিএনপি। ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবসে’ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির তারেক রহমান (PM Tarique Rahman)। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছিল। নির্বিচারে খুন করা হয়েছিল লাখ লাখ বাঙালিকে। সেই ঘটনার স্মরণেই ফি বছর পালিত হয় ‘গণহত্যা দিবস’।

    কী বললেন তারেক (Bangladesh)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকারতম দিন বলে উল্লেখ করেন। এই দিন পাক দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু করেছিল। এই অপারেশনে তারা রাতের অন্ধকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইন-সহ বিভিন্ন জায়গায় নিরস্ত্র সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। রহমান লেখেন, “তবে ২৫ মার্চ রাতেই চট্টগ্রামে ৮ম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট ‘উই রিভল্ট’ ঘোষণা করে আনুষ্ঠানিকভাবে গণহত্যার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু করে। এই প্রতিরোধের মাধ্যমেই দীর্ঘ ন’মাসের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।”

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ)-এর বাঙালিদের বিরুদ্ধে পাক বাহিনীর চালানো এই নির্মম গণহত্যা ন’মাসব্যাপী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে, যা শেষ হয় ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে, স্বাধীনতার মাধ্যমে। নাগরিকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, তাঁরা যেন নতুন প্রজন্মের মধ্যে সমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের চেতনা জাগ্রত করে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলেন। শহিদদের আত্মার শান্তিও কামনা করেন তিনি (Bangladesh)। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। রহমান তাঁর পোস্টে লেখেন, “আসুন, আমরা সবাই মিলে (PM Tarique Rahman) একটি ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত, সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি (Bangladesh)।” উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিএনপির একটি লিখিত এবং স্পষ্ট অবস্থানের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছেন বাংলাদেশিরা।

  • Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধোপে টিকল না ভারত দখলের হম্বিতম্বি! শেষমেশ সেই ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশকে। জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছেও সাহায্য চেয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOCL) এবং অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (NRL) থেকে চার মাসের মধ্যে ৫০,০০০ টন ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।

    জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা (Bangladesh)

    এদিকে, নিদারুণ জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে আজ, সোমবার থেকে  জেরে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে দেশে জ্বালানি সঙ্কট আরও তীব্র হয়ে ওঠায় ঈদের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। এই পদক্ষেপের ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে এবং যানজটও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার জেরে সাশ্রয় হবে জ্বালানি। বাংলাদেশ সরকারের কর্তাদের মতে, আবাসিক হল, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। তাই ঈদের ছুটি আগেই ঘোষণা করলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে।

    স্কুল-কলেজে তালা

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলি ইতিমধ্যেই পুরো রমজান মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে প্রতিদিনের সীমা নির্ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি বেসরকারি কোচিং সেন্টার এবং বিদেশি পাঠ্যক্রমভিত্তিক স্কুলগুলিকে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সঙ্কটের দরুন বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত চারটি সার কারখানার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এ বিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং আমদানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ব্যবহার কমাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

     

  • Bangladesh Army: বাংলাদেশ সেনায় বিরাট রদবদল! প্রধানমন্ত্রী হয়েই খোলনলচে পাল্টাচ্ছেন তারেক

    Bangladesh Army: বাংলাদেশ সেনায় বিরাট রদবদল! প্রধানমন্ত্রী হয়েই খোলনলচে পাল্টাচ্ছেন তারেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল (Bangladesh Army) ঘটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Bangladesh PM Tarique Rahman)। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেরও দায়িত্বে রয়েছেন। ‌বাংলাদেশে এখন নতুন সরকার। ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি (BNP)। তারেক রহমান (Tarique Rahman) প্রধানমন্ত্রী হতেই শীর্ষ স্তর থেকে নীচু স্তর- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সব জায়গাতেই বদল করেছেন। দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনে কর্মরত এক সেনাকর্তারও বদলি করা হয়েছে। সেনার এই রদবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত কমান্ড থেকে গোয়েন্দা সংস্থা-সবেতেই প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোন পদে কাকে আনলেন তারেক

    ঢাকা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনার নতুন চিফ অফ জেনারেল স্টাফ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুর রহমানকে। তিনি এতদিন আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে ছিলেন। পাশাপাশি আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এসএম কামরুল হাসানকে বিদেশ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। কোনও দেশের রাষ্ট্রদূত করা হতে পারে তাঁকে। বাংলাদেশের সেনার নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার করা হয়েছে মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে। তিনি পদাতিক বাহিনীর ২৪ তম ডিভিশনে ছিলেন। মেজর জেনারেল জেএম ইমদাদুল ইসলাম পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনে ছিলেন। তাঁকে পাঠানো হয়েছে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে। মেজর জেনারেল ফিরদৌস হাসানকে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পদ থেকে পদাতিক বাহিনীর ২৪তম ডিভিশনের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। মেজর জেনারেল কাইসের রশিদ চৌধুরী এতদিন সেনা হেডকোয়ার্টারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে ছিলেন। তাঁকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (DGFI)-র ডিরেক্টর জেনারেল করা হয়েছে।

    পদোন্নতি ভারতীয় উপদেষ্টার

    পদোন্নতি হয়েছে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনে কর্মরত এক সেনাকর্তারও। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছে। বাংলাদেশের পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Bangladesh Home Ministry) সালাউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পদেও (changes in Bangladesh Police top ranks) কিছু মুখ বদল হবে। তবে কবে এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত করা হবে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে রাজি হননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন আগামী ১২ মার্চ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হবে। ‌ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এর আগে হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের জমানায় একাধিকবার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘাত বেঁধেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের। এবার সেনা বাহিনীতে এই রদবদলে ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের সম্পর্কে কী প্রভাব পড়বে, তা-ই দেখার।

  • India-Bangladesh Visa: সম্পর্ক মেরামতের বার্তা! ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া ফের শুরু ঢাকার, তারিকের প্রথম বিদেশ সফর কি দিল্লি?

    India-Bangladesh Visa: সম্পর্ক মেরামতের বার্তা! ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া ফের শুরু ঢাকার, তারিকের প্রথম বিদেশ সফর কি দিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, বাংলাদেশে ভারতের নাগরিকদের জন্য পুনরায় সব ধরনের ভিসা (India-Bangladesh Visa) পরিষেবা চালু করা হয়েছে। ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া সাময়িক ভাবে বন্ধ রেখেছিল বাংলাদেশ। ফের তা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েনের আবহে বড় পদক্ষেপ ঢাকার নতুন সরকারের। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর বদলে গিয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। বিদায় নিয়েছেন মহম্মদ ইউনূস, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তারেক রহমান। কূটনৈতিক মহলে জল্পনা প্রধানমন্ত্রী তারেকের প্রথম বিদেশ সফর শুরুও হতে পারে ভারত দিয়ে।

    দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত

    ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য পুনরায় সব ধরনের ভিসা পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। প্রায় দুই মাস ধরে এই পরিষেবা স্থগিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। গত ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ও ভারত-বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ভিসা পরিষেবা স্থগিত ছিল। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেকের (Tarique Rahman) নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সব ক্যাটাগরিতে ভিসা পুনরায় চালু

    বাংলাদেশ শুক্রবার থেকে পর্যটন, চিকিৎসা, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানসহ সব ধরনের ভিসা ইস্যু পুনরায় শুরু হয়েছে। নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন এবং ত্রিপুরার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশন থেকে ফের ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশের ভিসা পাবেন। ভিসা ও দূতাবাস সংক্রান্ত (কনস্যুলার) অন্যান্য সুযোগসুবিধা ভারতীয়দের জন্য ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। বিএনপি নেতারা ভারতকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখছেন। এর আগে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতির জেরে গত ডিসেম্বরে কনস্যুলার ও ভিসা পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছিল। ভারতবিরোধী ছাত্রনেতা শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদে বাংলাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়, যেখানে ভারতবিরোধী স্লোগান ওঠে এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটে। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছায়। তবে ঢাকায় নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, ব্যবসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ভিসা আগেই চালু ছিল, কিন্তু এখন চিকিৎসা, পর্যটন-সহ সমস্ত বিভাগেই ভিসা পরিষেবা পুনরায় স্বাভাবিক করা হয়েছে।

    ভারতের ইতিবাচক ইঙ্গিত

    এদিকে, নয়াদিল্লিও ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে উভয় দেশ ভিসা প্রক্রিয়ায় একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। যার ফলে ভারতে যাওয়ার জন্য কেবল মেডিক্যাল ভিসা ও ডাবল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হচ্ছিল এতদিন। এবার গোটা ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হতে চলছে বলেই জানিয়েছেন সিলেটের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। ২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি ত্যাগ করে ভারতে চলে আসার পর থেকেই সে দেশে সংখ্যালঘুদের অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ। সংখ্যালঘু নির্যাতনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে বার বার। একাধিক বার তা নিয়ে উদ্বেগ জানায় ভারত সরকারও। এই পরিস্থিততে গত ডিসেম্বরে সংখ্যালঘু পীড়নের প্রতিবাদে দুই দেশের মধ্যে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করা হয়। পদ্মা-পাড়ে সরকার পরিবর্তনের ফলে দু’মাসের মধ্যে তা বদল করা হল।

    সম্পর্ক রক্ষায় বিশ্বাসী ভারত

    ভারত (India-Bangladesh Visa) সরকারের তরফে আগেই আভাস দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে। সেইমতো নাগরিক স্তরের যোগাযোগের দুয়ার খুলে দেওয়া হচ্ছে।‌ এদিকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত সুসম্পর্ক গড়ার কাজ চালিয়ে ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক মহলের খবর, চলতি বছরে গঙ্গার জল চুক্তির পুনর্নবীকরণকে‌ ভিন্নমাত্রা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। যদিও অফিসার পর্যায়ে এখনও চুক্তি পুনর্নবীকরণের বেশ কিছু ইস্যুর ফয়সালা হয়নি।

    স্বাস্থ্য-শিক্ষা-কৃষি-জলবায়ু থেকে ক্রীড়া

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পরেই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্কের উন্নতি চায় বাংলাদেশ। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজ়ুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা চালিয়ে নিয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশ। মঙ্গলবার শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন বাংলাদেশের নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ক্ষমতায় আসার পরই তারেক জানিয়েছিলেন, তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার হবে দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং খাদ্য নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। এর পাশাপাশি অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের নীতি প্রণয়ন করবে সরকার। ভারত এবং অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক স্থাপন করা বাংলাদেশের বিদেশনীতিতে অগ্রাধিকার পাবে।

    ভারতে আসছেন তারেক

    ইউনূস শাসনের দীর্ঘ ১৭ মাসের অস্থিরতা শেষে বাংলাদেশের বুকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্থায়ী সরকার। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শপথের দিনেই সপরিবারে ভারতে আসার জন্য খালেদা পুত্রকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘দূত’ ওম বিড়লা। শুধু তাই নয়, তারেকের সঙ্গে একান্ত বৈঠকও করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। ফলে অতীত ভুলে নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ ফের কাছাকাছি! মনে করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথের দিনেই বাংলাদেশে গম রফতানির দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ভারত। যা ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এরপরই ভিসা নিয়ে সিদ্ধান্ত। কূটনৈতিক মহলের অনুমান, ভারতের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে খুব শীঘ্রই গঙ্গা-পাড়ে আসতে পারেন তারেক। অতীতে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীরা প্রথম বিদেশ সফরে ভারত সফরের রীতি অনুসরণ করেছেন। যদিও গত বছর মহম্মদ ইউনূস প্রথম সফরে চিন যাওয়ায় সেই প্রথা ভেঙেছিল, যা নয়াদিল্লিতে অসন্তোষের কারণ হয়েছিল।

  • Bangladesh India Cricket: ‘ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চায় বাংলাদেশ’, জানালেন ঢাকার নয়া ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    Bangladesh India Cricket: ‘ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চায় বাংলাদেশ’, জানালেন ঢাকার নয়া ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি (BNP) সরকার শপথ নিয়েছে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নয়া যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ইঙ্গিত দেন, আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ইস্যুতে (Bangladesh India Cricket) যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তার পর ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে ঢাকা। আমিনুল জানান, তিনি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে মতভেদ নিরসনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ-সংকটের সময় দায়িত্বে থাকা বিসিবির কর্মকর্তাদের নির্বাচনের প্রক্রিয়াকেও তিনি সন্দেহজনক বলে কটাক্ষ করেন।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে অবনতি (Bangladesh India Cricket)

    মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সামগ্রিকভাবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে, যার প্রভাব পড়ে ক্রিকেট সম্পর্কেও। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ায় বিরোধের সূচনা হয়। ঢাকার দৃষ্টিতে এই সিদ্ধান্ত ছিল অন্যায্য। এরপর ইউনূস সরকারের সময় বাংলাদেশ ভারত মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত সফরে যেতে নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলতে রাজি হবে না জেনে আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে না বলে। শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে (BNP)। যদিও বাংলাদেশকে কোনও ক্রীড়া বা প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতে আয়োজক হওয়ার সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় (Bangladesh India Cricket)।

    মামলাগুলির নিষ্পত্তি চাই

    এই প্রেক্ষাপটে আমিনুল বলেন, “আওয়ামি লিগ-ঘনিষ্ঠ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলির নিষ্পত্তি চাই আমি, যাতে প্রাক্তন দুই অধিনায়ক আবারও বাংলাদেশ ক্রিকেটে ফিরতে পারেন। দুই খেলোয়াড়ই আওয়ামি লিগের সাংসদ ছিলেন। ২০২৪ সালের অগাস্টে ইউনূস প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে সাকিব দেশে ফিরতে পারেননি এবং মাশরাফিকেও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টে শেখ হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। নির্বাচনের পর ঢাকায় নতুন সরকার গঠনের পর প্রাক্তন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ ক্রিকেট সম্পর্ক মেরামতের পরিকল্পনা তুলে ধরেন (BNP)।

    ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

    তিনি বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আমি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই এবং ক্রীড়া অঙ্গনের সমস্যাগুলি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চাই। ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আইসিসি বিধিমালা অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি এও বলেন, “সংসদ ভবনে আমি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছি। তিনি খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন এবং আমিও বন্ধুত্বপূর্ণভাবে কথা বলেছি (Bangladesh India Cricket)। আমরা দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চাই, কারণ সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। খেলাধুলা থেকে শুরু করে অন্যান্য সব ক্ষেত্রেই আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।”

    কূটনৈতিক জটিলতা

    তিনি বলেন, “কূটনৈতিক জটিলতার কারণে আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। বিষয়গুলি আগে আলোচনা করে সমাধান করা গেলে হয়তো আমাদের দল অংশ নিতে পারত।” যদিও আমিনুলের বক্তব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, বিসিবির তৎকালীন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। বিসিবির প্রধান এক্সিকিউটিভ নিজামউদ্দিন চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন যে, বুলবুল অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছেন, যেখানে তাঁর পরিবার বসবাস করে (BNP)। আমিনুল বলেন, “আমি আগেই বলেছি, ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন প্রশ্নবাণে জর্জরিত ছিল। আমরা বসে আলোচনা করব। সঠিক পথে এগোতে চাই। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত নেওয়া হবে (Bangladesh India Cricket)।” ২০২৫ সালের মে মাসে ইউনূসের রাজত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে নির্বাচিত হন নয়া কর্মকর্তারা। বোর্ডের দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

    ভারতের মাটিতে খেলবে না

    তিনি যখন দায়িত্বে ছিলেন, তখন নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের মাটিতে খেলবে না বলেই জানিয়ে দেয়। সেই সময় বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিল। তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করায় পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানান (Bangladesh India Cricket)। তবে পরে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ম্যাচটি খেলে এবং হেরে যায়। ইসলামাবাদ যখন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের কথা ঘোষণা করে, তখন আইসিসি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। লাহোরে আইসিসির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত বদলে যায়। বৈঠকে অংশ নিতে বুলবুল রাত ১টার ফ্লাইটে লাহোরে যান (BNP)।

    বর্তমানে নতুন বিএনপি সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন এখন অগ্রাধিকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হলেও, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে ঢাকা আলোচনার পথেই এগোতে চায় বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (Bangladesh India Cricket)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দুই সংখ্যালঘুর, জানেন তাঁরা কারা?

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দুই সংখ্যালঘুর, জানেন তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) বিএনপির মন্ত্রিসভায় (BNP Led Cabinet) ঠাঁই হল দুই সংখ্যালঘুরও। বিএনপির নবনির্বাচিত সাংসদরা ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে বিএনপি নেতা তথা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠনের পথ সুগম হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হিন্দু নেতা নিতাই রায়চৌধুরী এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দীপেন দেওয়ান। নতুন মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের সাউথ প্লাজায় শপথ নেন।

    নয়া মন্ত্রিসভা (Bangladesh)

    সংবাদ মধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ জন নেতা পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। মুসলিম-প্রধান দেশে হিন্দু ও বৌদ্ধ পরিচয়ের কারণে চৌধুরী ও দেওয়ানকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর সংখ্যালঘুরা, বিশেষ করে হিন্দুরা, বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরপর থেকে বাংলাদেশে হাজার হাজার হিন্দুর বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। সাধারণ নির্বাচনের আগে বেশ কয়েকজন হিন্দুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল, এবং সেই সব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ফলাও করে। যদিও বিএনপি মন্ত্রিসভায় একজন হিন্দু ও একজন বৌদ্ধ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, তবুও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন কমাতে এর প্রভাব পড়বে কি না—তা সময়ই বলবে (BNP Led Cabinet)।

    পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকা

    এবার দেখে নেওয়া যাক পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকাটি (Bangladesh)। মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরি, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন, খালিলুর রহমান, আবদুল আওয়াল মিন্টু, কাজি শাহ মোফাজ্জল হোসেন কাইকোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরি, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, আফরোজা খানম রিতা, শহিদউদ্দিন চৌধুরি অ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মহম্মদ আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, এএনএম এহসানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এবং শেখ রাবিউল আলম।

    প্রতিমন্ত্রীর তালিকায় ঠাঁই হয়েছে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মহম্মদ শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক, মির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মহম্মদ রাজীব আহসান, মহম্মদ আবদুল বারি, মির শাহে আলম, জুনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরি, একে ইকবাল (BNP Led Cabinet) হোসেন, এমএ মুহিত, আহমেদ সোহেল মনজুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলি নেওয়াজ মাহমুদ খাইয়াম (Bangladesh)।

  • Tarique Rahman: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান, সঙ্গী আরও ৪৯ মন্ত্রী

    Tarique Rahman: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান, সঙ্গী আরও ৪৯ মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর মঙ্গলবার শপথ নেন তিনি। দেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়ের পাঁচ দিন পর হল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি এদিন সকালেই ঢাকায় পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের সাউথ প্লাজায় হয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

    বিএনপির জয়জয়কার (Tarique Rahman)

    ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়। এক সময়ের মিত্র এবং বর্তমানে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডানপন্থী জামায়াতে ইসলামি (জামাত নামে পরিচিত) পেয়েছে ৬৮টি আসন। অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগকে নির্বাচনে অংশই নিতে দেওয়া হয়নি। তাঁর দলের ওপর জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা।

    শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী-সহ ৫০ জন

    এদিন তারেক ছাড়াও শপথ নিয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের প্রথম সারির দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির মন্ত্রিসভায় মোট ৫০ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ৩ জন টেকনোক্র্যাট। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১৭ জনই নতুন (Bangladesh) মুখ, এবং সব প্রতিমন্ত্রীই প্রথমবারের মতো এই দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী রহমান নিজেও প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার সদস্য হলেন (Tarique Rahman)।

    প্রসঙ্গত, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারে ছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। সম্প্রতি প্রয়াত হন তিনি। ২০০৬ এর পর থেকে বাংলাদেশের রশি ছিল দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের হাতে। ২০ বছর পরে ত্রয়োদশ জাতীয় (Bangladesh) সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গড়ল বিএনপি (Tarique Rahman)।

  • Bangladesh: তারেককে ভারতে আমন্ত্রণ মোদির, সম্পর্কের মাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    Bangladesh: তারেককে ভারতে আমন্ত্রণ মোদির, সম্পর্কের মাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী রূপে শপথ গ্রহণ করবেন তারেক রহমান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং উপস্থিত না থাকতে পারলেও বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি মোদির চিঠি নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছেন। চিঠিতে মোদি তারেককে (Tarique Rahman) ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারত চাইছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের কিছু সময়ের পরেই যেন ভারত সফরে আসেন এই বিএনপি নেতা।

    সম্পর্কের বিরাট অবনতি হয়েছিল (Bangladesh)

    ঢাকার (Bangladesh) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যেতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী মোদি। অবশ্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তিনি দিল্লি এবং মুম্বইতে একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষ ভাবে ব্যস্ত থাকবেন। তবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর গত দেড় বছরের বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের বিরাট অবনতি ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস নিজেও কট্টর ভারত বিরোধিতা করে পাকিস্তান এবং আইএসআই-এর সঙ্গে সম্পর্ক সুগম্য করেছেন। তাই বিএনপি সরকার গড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের দ্রুত উন্নতি চায়। তারেক রহমানকে সেই জন্য নির্বাচনের পরে মোদি স্বয়ং অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছিলেন। উল্লেখ্য, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। ভারত সব সময়েই বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার গঠনের পক্ষে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে।

    চুক্তি সম্পন্ন হলে দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হবে

    শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করে তারেক রহমান বলেছেন, “কোন একটি দেশের (Bangladesh) সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের পথে পা বাড়াবো না। আমাদের বিদেশনীতি হবে স্বাধীন এবং সাবলক। সরকারের বিদেশনীতির মূলমন্ত্র হবে সবার আগে দেশ (Tarique Rahman)।”

    তবে ভারতের কাছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। উপমহাদেশে শান্তি এবং সুরক্ষা বজায় রাখতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও মজবুত করা প্রয়োজন। ইউনূসের শাসনের কালা অধ্যায়কে দ্রুত কাটাতে চায় ভারত। এই জন্য দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে বিশেষ বৈঠক করা একান্ত প্রয়োজন। তবে তারেক রহমান ভারত সফরে আসলে দুই দেশের মধ্যে একাধিক বিষয়ে চুক্তিকে বাস্তবায়ন করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন। তারমধ্যে হল গঙ্গার জল বণ্টন চুক্তি। গত ৩০ বছর আগে এই চুক্তি হয়েছিল এবং এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সালে ফের আরেকবার চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হবে। ইতিমধ্যে দুই দেশের অফিসার এবং ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে ইতিমধ্যে কথাবার্তা হয়েছে। অভিজ্ঞ মহল অবশ্য মনে করছে, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হলে সম্পর্কের মাত্রা ভালো হবে।

LinkedIn
Share