Tag: Tata Group

Tata Group

  • Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ (এআই) বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও কানাডা কীভাবে (Tata Group) অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    কার্নির বক্তব্য (Canada PM)

    এক্স হ্যান্ডেলে কার্নি লিখেছেন, “কানাডা ও ভারত—উভয়ই দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি, যাদের জ্বালানি, প্রযুক্তি ও এআই খাতে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন এবং আমি মুম্বইয়ে সাক্ষাৎ করেছি—আমাদের দুই দেশ কীভাবে এই ক্ষেত্রগুলিতে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে উভয় দেশের মানুষের জন্য অধিকতর নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে মার্ক কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভারতে সরকারি সফরে রয়েছেন। এটি প্রধানমন্ত্রী কার্নির প্রথম সরকারি ভারত সফর। কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে পৌঁছন। পরবর্তী দু’দিনে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডীয় পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন (Canada PM)।

    ভারত-কানাডা সিইও ফোরামে অংশ নেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী কার্নির ১ মার্চ নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে দুই প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে কানানাস্কিসে এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে তাঁদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হবে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুই নেতা চলমান সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলি—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন, এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক—পর্যালোচনা করবেন (Canada PM)। এছাড়াও তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করবেন।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। উল্লেখ্য যে (Tata Group), দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

     

  • Tata Group: আগামী ৫ বছরে ৫ লক্ষের বেশি উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের ঘোষণা টাটা গোষ্ঠীর

    Tata Group: আগামী ৫ বছরে ৫ লক্ষের বেশি উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের ঘোষণা টাটা গোষ্ঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৫ বছরে ৫০০,০০০ টির বেশি উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের (Manufacturing Jobs) কথা জানালেন টাটা গ্রুপের (Tata Group) চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণ। তিনি এই সম্ভাবনার কথা বলে অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। নতুন বছরে জন্য এই বার্তা বর্তমান কর্মী এবং যুব সমাজের কাছে বিরাট খুশির খবর বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যে অপার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

    ব্যাটারি, সেমি কন্ডাক্টার, বৈদ্যুতিক যান ও সৌর সরঞ্জাম নির্মাণে ব্যাপক সম্ভাবনা (Manufacturing Jobs) 

    টাটার (Tata Group) পক্ষে এন চন্দ্রশেখরণ বলেন, “আগামী প্রজন্মের জন্য বিরাট কর্মসংস্থানের কথা আমরা ভাবছি। একাধিক কারখানা এবং বিনিয়োগ ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করব। ব্যাটারি, সেমি কন্ডাক্টার, বৈদ্যুতিক যান, সৌর সরঞ্জাম এবং আরও নানা গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার উৎপাদনের উপর নজর দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এই সব ক্ষেত্র ভারতের অর্থনীতিকে ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত করবে। একই ভাবে এইসব উৎপাদনের বাইরে প্রযুক্তি পরিষেবা, এয়ারলাইন্স, পর্যটন এবং আতিথেয়তা সহ পরিষেবা ভিত্তিক সেক্টরে বেশি বেশি পরিমাণে কর্মসংস্থান (Manufacturing Jobs) তৈরি করা হবে। একইভাবে দেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের কথাও ভাবা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত মন্দির চাই’, সাধু-সন্তদের নেতৃত্বে আন্দোলনে নামছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    গুজরাট-কর্নাটক-তামিলনাড়ুতে বিনিয়োগ

    এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “গুজরাটের ধলেরাতে ভারতের প্রথম সেমি কন্ডাক্টার ওএসটি প্ল্যান্ট সহ সাতটিরও বেশি নতুন উৎপাদন সুবিধার জন্য নির্মাণ শুরু হয়েছে। এই রাজ্যের সানন্দে নতুন ব্যাটারি সেল তৈরি করা হবে। আবার ভাদোদরায় সি২৯৫ ফাইনাল অ্যাসেম্বলি লাইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। একই ভাবে আরও অতিরিক্ত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে কর্নাটকের নারসাপুরায় একটি ইলেকট্রনিক্স অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট, তামিলনাড়ুর পানপাক্কামে একটি স্বয়ংচালিত কারখানা, তিরুনেলভেলিতে সোলার মডিউল উৎপাদন চালু করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উৎপাদন শিল্প (Manufacturing Jobs) হল দুটি ক্ষেত্র, যা অর্থনৈতিক সামাজিক অগ্রগতির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।”

    তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতে ভারতের কাছে এখন অপার সম্ভাবনা রয়েছে। একদিকে যেমন বিদেশী সংস্থাগুলি বিনিয়োগে ভারতকে একটি বৃহৎ হাব বলে মনে করছেন, তেমনি দেশীয় বিলগ্নীকারী সংস্থাগুলিও দেশের বাজারকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে প্রবলভাবে উৎসাহী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে টাটা গোষ্ঠী (Tata Group) হল প্রধান সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TATA: তামিলনাড়ুতে বৃহত্তম আইফোন প্ল্যান্ট গড়ছে টাটা, হবে ৫০ হাজার কর্মসংস্থান!

    TATA: তামিলনাড়ুতে বৃহত্তম আইফোন প্ল্যান্ট গড়ছে টাটা, হবে ৫০ হাজার কর্মসংস্থান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য ফিরছে দেশীয় অর্থনীতির। আয় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে আইফোনের ক্রেতাও। দেশে তৈরি আইফোনের কদর বাড়ছে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। তাই টাটা (TATA) গোষ্ঠী চাইছে দেশেই আইফোন তৈরির সর্ববৃহৎ প্ল্যান্ট তৈরি করতে। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর হোসুরে এই প্ল্যান্ট গড়তে চাইছে টাটা।

    ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ

    প্ল্যান্টটি তৈরি হবে ৫০০ একর জমির ওপর। জমি পরিদর্শনও সেরে ফেলেছেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। প্ল্যান্ট তৈরির বরাত পেয়েছে টাটা ইলেকট্রনিক্স প্রাইভেট লিমিটেড। এই সংস্থা টাইটান ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অটোমেশন লিমিটেডের প্রযুক্তিগত সাহায্যে গড়বে নয়া প্ল্যান্ট। ইতিমধ্যেই ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ফেলেছে টাটা (TATA) গোষ্ঠী। প্ল্যান্ট তৈরি করতে নিয়োগ করা হয়েছে ১৫ হাজারেরও বেশি কর্মী। জানা গিয়েছে, এই প্ল্যান্টে প্রায় ২০টি অ্যাসেম্বলি লাইন থাকছে। এখানেই হবে আইফোন অ্যাসেম্বল করার কাজ। প্ল্যান্টটিতে আগামী দু’বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে টাটা গোষ্ঠী। তার বছরখানেক পর থেকেই শুরু হয়ে যাবে আইফোন তৈরির কাজ। 

    কর্নাটকেও রয়েছে টাটার আইফোন প্ল্যান্ট

    প্রসঙ্গত, কর্নাটকে আগেই একটি আইফোন প্ল্যান্ট গড়েছে টাটা গোষ্ঠী। সংস্থায় কর্মী রয়েছেন ১০ হাজারেরও বেশি। তাইওয়ানের সংস্থা ফক্সকন এবং পেগাট্রনও আইফোন নির্মাণ করছে দক্ষিণ ভারতে। ভারতে আরও বেশি করে আইফোন তৈরি করতে ১.৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করছে ফক্সকন। প্রসঙ্গত, ভারতে তৈরি আইফোন ইতিমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে বিশ্ব বাজারে। দেশেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে দেশীয় এই আইফোনের। আইফোনের অত্যাধুনিক মডেল আইফোন ১৬। এই ফোনের ব্যাটারিও দেশে তৈরির পরিকল্পনা করছে লাক্সারি এই ফোন প্রস্তুতকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: আশাতীত বৃদ্ধি জিডিপি-র, মোদি জমানাতেই বিশ্বের তৃতীয় বৃত্ততম অর্থনীতি হচ্ছে ভারত!

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ দক্ষ শ্রমিক। এটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে টাটা গোষ্ঠী। আইফোনের মানও আরও উন্নত করতে চাইছে সংস্থাটি। এই কারখানায় তৈরি আইফোন যাতে বিশ্ববাজারের বিরাট বাজার ধরতে পারে, সেই ব্যবস্থাও করতে চলেছে সংস্থাটি (TATA)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Air India: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    Air India: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন রূপে আসতে চলেছে এয়ার ইন্ডিয়া! দেশের অন্যতম বিমান সংস্থা, এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)-কে ইতিমধ্যে অধিগ্রহণ করেছে টাটা গোষ্ঠী। যার প্রেক্ষিতে বদলে গেল এয়ার ইন্ডিয়ার লোগো ও রং। বৃহস্পতিবার টাটা গ্রুপের (Tata Group) মালিকানাধীন বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া নতুন লোগো এবং লিভারির রঙ প্রকাশ করেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার লোগোর অংশ হিসেবে, এয়ার ইন্ডিয়া লাল এবং সাদা রং ধরে রেখেছে, তবে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বেগুনি রঙ। নতুন লোগোটির নাম হবে ‘দ্য ভিস্তা’। 

    লাল, সাদা রঙের সঙ্গে বেগুনির মিশেল

    নতুল লোগো প্রকাশ করে টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান এন.চন্দ্রশেখরন বলেন, “এটি ‘সীমাহীন সম্ভাবনা’র ইঙ্গিত দেয়।” এয়ার ইন্ডিয়া মানেই চোখে ভেসে ওঠে আভিজাত্যপূর্ণ লাল-সাদা রঙের বিমান। সেই লাল, সাদা রং ধরে রেখেছে টাটা গোষ্ঠী। লোগোতেও থাকবে এই রং। তবে তার সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে বেগুনি রং। এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) বিমান আরও স্টাইলিশ করে তোলা হচ্ছে। সেজন্য এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারলাইন্সের আইকনিক মহারাজা ম্যাসকটের আধুনিক রূপ লোগোয় তুলে ধরা হয়েছে। লাল, সাদা রঙের সঙ্গে বেগুনি রঙের মিশেলে এই নতুন লোগো করা হয়েছে।

    মিলবে ভিস্তারাও

    আগে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) লোগো হিসাবে উঠে আসত কোনারক চক্র সম্বলিত একটি লাল রাজহাঁস। এদিন সংস্থার নতুন লোগোর সূচনা করে টাটা গোষ্ঠীর তরফে বিবৃতিতে বলা হয়, এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন লোগোর প্রতীক ‘দ্য ভিস্তা’, সীমাহীন সম্ভাবনা, প্রগতিশীলতার দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং ভবিষ্যতের জন্য সাহসী, আত্মবিশ্বাসী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়। উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরেই লোকসানে চলছিল, ভারত সরকার অধীনস্থ বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া। ২০২২ সালে এটি অধিগ্রহণ করে টাটা সন্স। পরবর্তীতে সংস্থার তরফে ঘোষণা করা হয় যে, টাটা সন্সের আরেকটি এয়ারলাইন্স ভিস্তারাও এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী টাটা গোষ্ঠী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Air India: আরও বড় হতে পারে এয়ার ইন্ডিয়ার চুক্তি, মোট ৮৪০টি বিমান কেনার সুযোগ থাকছে টাটাদের

    Air India: আরও বড় হতে পারে এয়ার ইন্ডিয়ার চুক্তি, মোট ৮৪০টি বিমান কেনার সুযোগ থাকছে টাটাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বড় আকার নিতে পারে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) ঐতিহাসিক চুক্তি। এই অবধি ৪৭০ টি বিমান কেনার চুক্তি করা হলেও, সুযোগ থাকছে তার সঙ্গে আরও অতিরিক্ত ৩৭০ বিমান কেনার। এমনটাই জানিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়ার এক আধিকারিক নিপুন আগরওয়াল। 

    গত মঙ্গলবারই এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছিল যে তারা এয়ার বাসের কাছ থেকে ২৫০ টি এবং বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২২০ টি বিমান কিনতে চলেছে। এই চুক্তিকে রীতিমতো ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছিল টাটা গোষ্ঠীর এই বিমান সংস্থা। 

    কী জানাল এয়ার ইন্ডিয়া 

    নিপুন আগরওয়াল জানান, আরও ৩৭০টি বিমান কেনা যাবে। ফলে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) কাছে মোট ৮৪০ টি বিমান কেনার সুযোগ থাকছে। আগামী ১০ বছরের সময় সীমায় এই বিমানগুলি কিনতে পারবে এয়ার ইন্ডিয়া।

    এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা বোয়িংয়ের কাছ থেকে কেনা হবে ১৯০ টি B737Max, ২০ টি B787s এবং ১০ টি B777s। এছাড়াও ইঞ্জিন মেরামতির জন্যে দীর্ঘ মেয়াদী একটি চুক্তি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। চুক্তি করা হয়েছে সিএফএম ইন্টারন্যাশানালের সঙ্গে। রোলস রয়েস এবং জি এয়ারস্পেসের সঙ্গেও এয়ার ইন্ডিয়া একটি চুক্তি করেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কবে থেকে এই বিমানগুলি ভারতে আসা শুরু করবে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না গ্রুপ ডি কর্মীদের, স্থগিতাদেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

    এদিকে এয়ারবাসের (Air India) A350 বিমানও ২০২৩ সালের শেষের দিকে দেশে আসা শুরু করবে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে মনে করা হচ্ছে, A321 বিমানগুলি পেতে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে। নিপুন আগরওয়াল এই প্রসঙ্গে আরও জানিয়েছেন, বছর দুয়েক আগেই বেসরকারি করণের প্রক্রিয়া শুরু হয় এয়ার ইন্ডিয়ার। আর এরপর থেকেই ৮৪০টি বিমান কেনার পরিকল্পনা। টাটা গ্রুপ এয়ার ইন্ডিয়াকে বিশ্বমানের সংস্থা হিসাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে। আর এটা তাঁরই পদক্ষেপ। এমনটাই জানান, ওই আধিকারিক। নিপুন জানান, ভারতের সঙ্গে যাতে বিশ্বের যে কোনও দেশের যোগাযোগ অব্যাহত থাকে সেই উদ্যোগই নেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     

          

         

  • Apple Stores: ভারতে অ্যাপেলের স্টোর? নেপথ্যে টাটা গ্রুপ

    Apple Stores: ভারতে অ্যাপেলের স্টোর? নেপথ্যে টাটা গ্রুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে অ্যাপেলের স্টোর (Apple Stores) খুলতে চলেছে টাটা গ্রুপের মালিকানাধীন সংস্থা ইনফিনিটি রিটেল। ভারত জুড়ে মোট ১০০টি রিটেল স্টোর খুলবে টাটা। আইফোন, ম্যাকবুক সহ সব ধরনের অ্যাপেল প্রোডাক্টের জন্যে বিভিন্ন দেশে রয়েছে অ্যাপেল স্টোর। অ্যাপেল স্টোরগুলিতে চলতে থাকে বিভিন্ন অফার। এই স্টোরগুলির ডিজাইনেও বিশেষত্ব রয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকায় থাকলেও, এতদিন এরকম স্টোর ভারতে ছিল না। ঝাঁ চকচকে এই কাঁচের দোকানগুলি তৈরি করবে টাটাদের মালিকানাধীন ইনফিনিটি রিটেল। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে ইনফিনিটি কোম্পানির ইলেকট্রনিক রিটেল চেন ক্রোমা পরিচালনা করে। 

    কী বলছে রিপোর্ট? 

    গত মাসে প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছিল, খুব তাড়াতাড়ি ভারতে আইফোন (Apple Stores) তৈরিতে গতি আনতে অ্যাপেলকে সাহায্য করতে পারে টাটারা। এই জন্য আইফোন উৎপাদন কেন্দ্রে বিপুল লগ্নি করেছে ভারতীয় সংস্থাটি।

    টাটা গ্রুপ ভারতে ৫,০০০ কোটি টাকা দিয়ে উইসট্রন- এর ম্যানুফ্যাকচারিং হাব কেনার চেষ্টা করছে। যারা ভারতে অ্যাপল প্রোডাক্ট (Apple Stores) তৈরির অন্যতম প্রধান ভেন্ডর। যদি টাটা গ্রুপের প্রস্তাব উইসট্রন ফিরিয়ে দেয় তবে তারা একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলেও রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এমনকী ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে বলা হয় যে, টাটা, উইসট্রনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতে যৌথভাবে আইনফোন তৈরি করবে। তারা কোনও প্ল্যান্ট কেনার কথা ঘোষণা করেনি।

    আরও পড়ুন: “ভগবান থেকে শয়তান হয়ে গিয়েছি”, কেন এমন বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?  

    উল্লেখ্য, ভারতে এই মুহূর্তে তিনটি বড় কোম্পানি আইফোন (Apple Stores) তৈরি করে। যারা হল, উইসট্রন, ফক্সকন ও পেগাট্রন। প্রথম কোম্পানিটির প্ল‌্যান্ট কর্ণাটকে এবং অন্য দুটির প্ল্যান্ট তামিলনাড়ুতে অবস্থিত।  

    যাইহোক, প্রতিটি রিপোর্ট থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, টাটা গ্রুপ অ্যাপলের (Apple Stores) সঙ্গে ব্যবসা করতে বদ্ধপরিকর। তাই তারা আইফোন অ্যাসেম্বেল প্ল্যান্ট তৈরি বা রিটেল স্টোরের মাধ্যমে এই প্রিমিয়াম ফোন বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! ১৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে টাটা গ্রুপ

    Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! ১৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে টাটা গ্রুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আরও এক পদক্ষেপ নিল টাটা গ্রুপ। মনে করা হচ্ছে আগামী বছর থেকেই বিমান বহর বাড়তে চলেছে সংস্থার। সূত্রের খবর, বোয়িং-কে খুব শীঘ্রই বিশাল অঙ্কের চুক্তি দিতে পারে টাটা গোষ্ঠী। এয়ার ইন্ডিয়া মোট ৫০টি ৭৩৭ ম্যাক্স এয়ারক্রাফ্টের অর্ডার দিতে পারে। সব মিলিয়ে মোট ১৫০টি বিমান কেনার কথা ভেবেছে টাটা। বোয়িং ৭৩৭ বিমানের এই বিশাল অর্ডার নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের। এয়ার ইন্ডিয়ার মালিকানা পাওয়ার পর থেকেই টাটা গ্রুপের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পরিবর্তন করা হচ্ছে বিমান পরিষেবা ক্ষেত্রে। যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল এই চুক্তি।

    বোয়িং-এর সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার চুক্তি

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আমেরিকার বিমান তৈরির কোম্পানি বোয়িং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, ২০২৩ সালের মধ্যে ৫০ টি বিমান এয়ার ইন্ডিয়াকে ডেলিভারি করবে। আর আমেরিকার এই কোম্পানি প্রথম ৫০ টি বিমান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ফলেই এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং-এর সঙ্গে চুক্তি করতে সম্মত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া-বোয়িং চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে খবর। আর ২০২১ সালের পর থেকে বিমান প্রস্তুতকারকদের জন্য এই অর্ডারটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড়। প্রসঙ্গত, বোয়িং কোম্পানি ২০২১ সালে আকাশা এয়ারের কাছে ৭৫ টি বিমান বিক্রি করেছিল।

    আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ভিস্তারা, জানিয়ে দিল টাটা সন্স

    সূত্রের খবর অনুযায়ী আরও জানা গিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) বিমান কেনার চুক্তি এয়ারবাসের সঙ্গেও পরে করতে পারে। কারণ এয়ার ইন্ডিয়াকে সত্যিকারের বিশ্বমানের বিমান সংস্থায় পরিণত করতে ও পরিষেবা উন্নত করতে আরও অনেক বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটা গ্রুপ। কিন্তু বিমান কেনার চুক্তিটি প্রথমে বোয়িং-এর সঙ্গেই চূড়ান্ত করতে চায়, কারণ, এয়ারবাস ২০২৫ সালের মধ্যে এ৩২০ ডেলিভারি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি।

    এয়ার ইন্ডিয়াকে উন্নত করতে একাধিক পদক্ষেপ

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতেই টাটা গ্রুপ এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) অধিগ্রহণ করে। তারপর থেকেই দেনার দায়ে জর্জরিত সংস্থার ভোল পাল্টানোর চেষ্টা করছেন নয়া মালিকরা। এয়ার ইন্ডিয়াকে ঢেলে সাজাতে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে টাটা গোষ্ঠী। ইতিমধ্যেই রতন টাটার এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সঙ্গে মিশে যেতে চলেছে বিমান সংস্থা ভিস্তারা(Vistara)। আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যেই এই একত্রীকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে দুই সংস্থা। এছাড়াও দেশ তথা আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের শেয়ার বাড়াতে চাইছে এয়ার ইন্ডিয়া। আবার বিভিন্ন অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিযুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে নতুন ব্র্যান্ড-বিল্ডিং টিমও। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে এয়ার ইন্ডিয়াকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ও নতুন রুপ দিতে টাটা গ্রুপ ব্রিটিশ ব্র্যান্ড এবং ডিজাইন কনসালটেন্সি ফার্ম ফিউচারব্র্যান্ডের সঙ্গেও কাজ করছে।  বর্তমানে এভিয়েশনে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বাজার দক্ষিণ এশিয়া। আর সেই বাজারেই বাজিমাত করার লক্ষ্য টাটা গোষ্ঠীর।

  • Air India: বাড়বে পরিষেবা! এয়ার ইন্ডিয়ার জন্য ৩০০ টি বিমান কেনার পরিকল্পনা টাটার

    Air India: বাড়বে পরিষেবা! এয়ার ইন্ডিয়ার জন্য ৩০০ টি বিমান কেনার পরিকল্পনা টাটার

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাটা (Tata) গোষ্ঠী মালিকাধীন এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) নতুন করে ৩০০টি ‘ন্যারো বডি এয়ারক্র্যাফট’ (narrowbody jets) বা ছোট, মাঝারি মাপের বিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে। ২০০৬ সালের পর থেকে এয়ার ইন্ডিয়া নতুন করে কোনও বিমান কেনেনি। ফলে এই বিমান কেনার চুক্তি সফল হলে দেশের বাণিজ্যিক বিমান পরিষেবায় এয়ার ইন্ডিয়া এক নতুন ইতিহাস তৈরি করবে।

    আরও পড়ুন: ঘটনার সময় বিমান ছিল অটোপাইলট মোডে! ‘বসিয়ে দেওয়া’ হল পাইলট, ইঞ্জিনিয়ারদের

    খবর সূত্রে জানা যায়, এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারবাস এসই-র এ৩২০নিও ফ্যামিলি জেট (Airbus SE’s A320neo family jets) অথবা বোয়িং কো’র ৭৩৭ ম্যাক্স (Boeing Co.’s 737 Max) মডেলের বিমান অথবা দুটোরই অর্ডার দিতে পারে। জানা যায়, ৩০০টি ৭৩৭ ম্যাক্স-১০ জেট (737 Max-10 jets) কিনতে খরচ হতে পারে প্রায় ৪০.৫ বিলিয়ন ডলার($40.5 billion )। তবে এই বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে কোনও ঘোষণা করা হয়নি।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে মোদি সরকারের কাছ থেকে লোকসানে থাকা এয়ার ইন্ডিয়া কিনে নেয় টাটা গোষ্ঠী (Tata Group)।

    বোয়িং (Boeing )কোম্পানির সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার ৩০০ টি বিমান কেনার চুক্তিটি সফল হলে বোয়িং কোম্পানির জন্যই ভালো হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ করোনার আগে পর্যন্ত এয়ারবাস (Airbus) কোম্পানিই বিমান পরিষেবার বাজারে বিশ্বে প্রথম স্থানে ছিল। এছাড়া ইন্ডিগো (IndiGo),  ভিস্তারা(Vistara), গো এয়ারলাইন্স (Go Airlines)-এর বিমালগুলো  ইন্টারগ্লোব অ্যাভিয়েশন (InterGlobe Aviation Ltd) কোম্পানির থেকেই অর্ডার করা হয়। এয়ারবাস একমাসেই ৫০ টি ‘ন্যারো বডি এয়ারক্র্যাফট’ তৈরি করে। এয়ার ইন্ডিয়া পরিকল্পনা করেছে ২০২৩ সালের মধ্যে ৬৫ টি এবং ২০২৫-এর মধ্যে ৭৫ টি ন্যারো বডি বা ছোট, মাঝারি মাপের বিমানের অর্ডার করা হবে।

    আরও পড়ুন: ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে এখন ‘হিরো’, কে এই ক্যাপ্টেন মণিকা?

    এয়ার ইন্ডিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রন টাটা গ্রুপকে দেওয়ার পর থেকেই  টাটা গ্রুপ এটিকে পুনর্গঠিত করার চেষ্টা করছে। এয়ার ইন্ডিয়া নতুন বিমান দিয়ে তার পরিষেবা বাড়ানোর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। এছাড়াও এয়ার ইন্ডিয়াকে পুনর্গঠিত করার জন্য ইতিমধ্যেই অনেক পরিকল্পনাও নিয়েছে টাটা গ্রুপ।

LinkedIn
Share