Tag: Tata Group

Tata Group

  • Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! ১৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে টাটা গ্রুপ

    Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! ১৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে টাটা গ্রুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আরও এক পদক্ষেপ নিল টাটা গ্রুপ। মনে করা হচ্ছে আগামী বছর থেকেই বিমান বহর বাড়তে চলেছে সংস্থার। সূত্রের খবর, বোয়িং-কে খুব শীঘ্রই বিশাল অঙ্কের চুক্তি দিতে পারে টাটা গোষ্ঠী। এয়ার ইন্ডিয়া মোট ৫০টি ৭৩৭ ম্যাক্স এয়ারক্রাফ্টের অর্ডার দিতে পারে। সব মিলিয়ে মোট ১৫০টি বিমান কেনার কথা ভেবেছে টাটা। বোয়িং ৭৩৭ বিমানের এই বিশাল অর্ডার নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের। এয়ার ইন্ডিয়ার মালিকানা পাওয়ার পর থেকেই টাটা গ্রুপের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পরিবর্তন করা হচ্ছে বিমান পরিষেবা ক্ষেত্রে। যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল এই চুক্তি।

    বোয়িং-এর সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার চুক্তি

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আমেরিকার বিমান তৈরির কোম্পানি বোয়িং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, ২০২৩ সালের মধ্যে ৫০ টি বিমান এয়ার ইন্ডিয়াকে ডেলিভারি করবে। আর আমেরিকার এই কোম্পানি প্রথম ৫০ টি বিমান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ফলেই এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং-এর সঙ্গে চুক্তি করতে সম্মত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া-বোয়িং চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে খবর। আর ২০২১ সালের পর থেকে বিমান প্রস্তুতকারকদের জন্য এই অর্ডারটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড়। প্রসঙ্গত, বোয়িং কোম্পানি ২০২১ সালে আকাশা এয়ারের কাছে ৭৫ টি বিমান বিক্রি করেছিল।

    আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ভিস্তারা, জানিয়ে দিল টাটা সন্স

    সূত্রের খবর অনুযায়ী আরও জানা গিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) বিমান কেনার চুক্তি এয়ারবাসের সঙ্গেও পরে করতে পারে। কারণ এয়ার ইন্ডিয়াকে সত্যিকারের বিশ্বমানের বিমান সংস্থায় পরিণত করতে ও পরিষেবা উন্নত করতে আরও অনেক বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটা গ্রুপ। কিন্তু বিমান কেনার চুক্তিটি প্রথমে বোয়িং-এর সঙ্গেই চূড়ান্ত করতে চায়, কারণ, এয়ারবাস ২০২৫ সালের মধ্যে এ৩২০ ডেলিভারি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি।

    এয়ার ইন্ডিয়াকে উন্নত করতে একাধিক পদক্ষেপ

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতেই টাটা গ্রুপ এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) অধিগ্রহণ করে। তারপর থেকেই দেনার দায়ে জর্জরিত সংস্থার ভোল পাল্টানোর চেষ্টা করছেন নয়া মালিকরা। এয়ার ইন্ডিয়াকে ঢেলে সাজাতে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে টাটা গোষ্ঠী। ইতিমধ্যেই রতন টাটার এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সঙ্গে মিশে যেতে চলেছে বিমান সংস্থা ভিস্তারা(Vistara)। আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যেই এই একত্রীকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে দুই সংস্থা। এছাড়াও দেশ তথা আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের শেয়ার বাড়াতে চাইছে এয়ার ইন্ডিয়া। আবার বিভিন্ন অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিযুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে নতুন ব্র্যান্ড-বিল্ডিং টিমও। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে এয়ার ইন্ডিয়াকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ও নতুন রুপ দিতে টাটা গ্রুপ ব্রিটিশ ব্র্যান্ড এবং ডিজাইন কনসালটেন্সি ফার্ম ফিউচারব্র্যান্ডের সঙ্গেও কাজ করছে।  বর্তমানে এভিয়েশনে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বাজার দক্ষিণ এশিয়া। আর সেই বাজারেই বাজিমাত করার লক্ষ্য টাটা গোষ্ঠীর।

  • Air India: বাড়বে পরিষেবা! এয়ার ইন্ডিয়ার জন্য ৩০০ টি বিমান কেনার পরিকল্পনা টাটার

    Air India: বাড়বে পরিষেবা! এয়ার ইন্ডিয়ার জন্য ৩০০ টি বিমান কেনার পরিকল্পনা টাটার

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাটা (Tata) গোষ্ঠী মালিকাধীন এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) নতুন করে ৩০০টি ‘ন্যারো বডি এয়ারক্র্যাফট’ (narrowbody jets) বা ছোট, মাঝারি মাপের বিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে। ২০০৬ সালের পর থেকে এয়ার ইন্ডিয়া নতুন করে কোনও বিমান কেনেনি। ফলে এই বিমান কেনার চুক্তি সফল হলে দেশের বাণিজ্যিক বিমান পরিষেবায় এয়ার ইন্ডিয়া এক নতুন ইতিহাস তৈরি করবে।

    আরও পড়ুন: ঘটনার সময় বিমান ছিল অটোপাইলট মোডে! ‘বসিয়ে দেওয়া’ হল পাইলট, ইঞ্জিনিয়ারদের

    খবর সূত্রে জানা যায়, এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারবাস এসই-র এ৩২০নিও ফ্যামিলি জেট (Airbus SE’s A320neo family jets) অথবা বোয়িং কো’র ৭৩৭ ম্যাক্স (Boeing Co.’s 737 Max) মডেলের বিমান অথবা দুটোরই অর্ডার দিতে পারে। জানা যায়, ৩০০টি ৭৩৭ ম্যাক্স-১০ জেট (737 Max-10 jets) কিনতে খরচ হতে পারে প্রায় ৪০.৫ বিলিয়ন ডলার($40.5 billion )। তবে এই বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে কোনও ঘোষণা করা হয়নি।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে মোদি সরকারের কাছ থেকে লোকসানে থাকা এয়ার ইন্ডিয়া কিনে নেয় টাটা গোষ্ঠী (Tata Group)।

    বোয়িং (Boeing )কোম্পানির সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার ৩০০ টি বিমান কেনার চুক্তিটি সফল হলে বোয়িং কোম্পানির জন্যই ভালো হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ করোনার আগে পর্যন্ত এয়ারবাস (Airbus) কোম্পানিই বিমান পরিষেবার বাজারে বিশ্বে প্রথম স্থানে ছিল। এছাড়া ইন্ডিগো (IndiGo),  ভিস্তারা(Vistara), গো এয়ারলাইন্স (Go Airlines)-এর বিমালগুলো  ইন্টারগ্লোব অ্যাভিয়েশন (InterGlobe Aviation Ltd) কোম্পানির থেকেই অর্ডার করা হয়। এয়ারবাস একমাসেই ৫০ টি ‘ন্যারো বডি এয়ারক্র্যাফট’ তৈরি করে। এয়ার ইন্ডিয়া পরিকল্পনা করেছে ২০২৩ সালের মধ্যে ৬৫ টি এবং ২০২৫-এর মধ্যে ৭৫ টি ন্যারো বডি বা ছোট, মাঝারি মাপের বিমানের অর্ডার করা হবে।

    আরও পড়ুন: ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে এখন ‘হিরো’, কে এই ক্যাপ্টেন মণিকা?

    এয়ার ইন্ডিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রন টাটা গ্রুপকে দেওয়ার পর থেকেই  টাটা গ্রুপ এটিকে পুনর্গঠিত করার চেষ্টা করছে। এয়ার ইন্ডিয়া নতুন বিমান দিয়ে তার পরিষেবা বাড়ানোর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। এছাড়াও এয়ার ইন্ডিয়াকে পুনর্গঠিত করার জন্য ইতিমধ্যেই অনেক পরিকল্পনাও নিয়েছে টাটা গ্রুপ।

LinkedIn
Share