Tag: tax

tax

  • Income Tax Department: বিদেশে বিপুল অর্থ পাঠিয়েও নামমাত্র লেনদেন, ৩৯৪ সংস্থার বিরুদ্ধে আয়কর দফতরের যাচাই অভিযান

    Income Tax Department: বিদেশে বিপুল অর্থ পাঠিয়েও নামমাত্র লেনদেন, ৩৯৪ সংস্থার বিরুদ্ধে আয়কর দফতরের যাচাই অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামমাত্র বা কোনও ব্যবসায়িক লেনদেন না দেখিয়েও, গত তিন বছরে বিদেশে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর অভিযোগে একাধিক সংস্থার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিস্তারিত যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করল আয়কর দফতর (Income Tax Department)। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমন বেশ কিছু সংস্থার হদিশ মিলেছে, যাদের ঘোষিত ব্যবসার পরিমাণের সঙ্গে বিদেশে পাঠানো অর্থের চোখে পড়ার মতো কোনও সামঞ্জস্য নেই। ফিল্ড লেভেলের গোয়েন্দা তথ্য এবং বিদেশে পাঠানো অর্থ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সংস্থাগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেই খবর (Remittances)।

    আয়কর দফতরের তৎপরতার সূত্রপাত (Income Tax Department)

    আয়কর দফতরের এই পদক্ষেপের সূত্রপাত একটি ভুয়ো দাতব্য ট্রাস্টের গোষ্ঠীকে ঘিরে তল্লাশি অভিযান থেকে। অভিযোগ, ওই ট্রাস্টগুলির মাধ্যমে ভুয়ো অনুদান ও চাঁদার বিনিময়ে হিসাবের খাতায় সাজানো লেনদেন দেখানো হত। তল্লাশি অভিযানের পর তদন্তকারীদের নজরে আসে আরও বিস্তৃত একটি নেটওয়ার্ক, যার সঙ্গে বিদেশে অর্থ পাঠানোর মতো সন্দেহজনক লেনদেন জড়িয়ে রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তদন্তে উঠে এসেছে, বিদেশে অর্থ পাঠানো সংস্থাগুলির একটি অংশ হয় আয়কর রিটার্নই জমা দেয়নি, নয়তো খুব সামান্য ব্যবসায়িক লেনদেন দেখিয়ে রিটার্ন জমা দিয়েছে। অথচ সেই সংস্থাগুলির মাধ্যমেই বিদেশে পাঠানো হয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। ঘোষিত ব্যবসার পরিমাণ এবং বিদেশে পাঠানো অর্থের মধ্যে কোনও সুস্পষ্ট সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    সন্দেহ যেখানে যেখানে

    শুধু অর্থের পরিমাণই নয়, বিদেশে টাকা পাঠানোর যে কারণগুলি দেখানো হয়েছিল, সেগুলিও তদন্তকারীদের সন্দেহের কারণ হয়ে উঠেছে। পণ্য পরিবহণের খরচ, সফটওয়্যার আমদানি এবং পরামর্শ পরিষেবার মূল্য মেটানোর মতো বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বিদেশে অর্থ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক অনুসন্ধানে সেই লেনদেনগুলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির বাস্তব ব্যবসায়িক কার্যকলাপের সামঞ্জস্যও স্পষ্ট হয়নি। ফিল্ড লেভেলের আরও কিছু তথ্য আয়কর দফতরের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তদন্তকারীদের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির অনেকগুলিই তাদের নথিতে যে ঠিকানা উল্লেখ করেছিল, বাস্তবে সেখানে তাদের কোনও কার্যক্রম ছিল না। অর্থাৎ কাগজে-কলমে অস্তিত্ব থাকলেও, বাস্তবে সংস্থাগুলির ব্যবসায়িক উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    তথ্য বিশ্লেষণের সময় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে। দেখা গিয়েছে, তুলনামূলকভাবে অল্প সংখ্যক পেশাজীবীর কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক ১৫সিবি ফর্মের শংসাপত্র জারি করা হয়েছে। একই সময়ে বিদেশে পাঠানো অর্থের প্রাপক হিসেবেও একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সংস্থার নাম বারবার উঠে এসেছে। ফলে অর্থের উৎস, প্রেরক সংস্থা, শংসাপত্র প্রদানকারী পেশাজীবী এবং বিদেশি প্রাপকদের মধ্যে কোনও সংগঠিত যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Income Tax Department)। বিদেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে ১৫সিবি ফর্মের শংসাপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৬২ সালের আয়কর বিধির ৩৭বিবি নিয়মের সঙ্গে পাঠযোগ্য ১৫সিবি ফর্মের বিধান অনুযায়ী, বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষককে হিসাবের খাতা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথির ভিত্তিতে ওই অর্থের উপর কর প্রযোজ্য কি না, তা যাচাই করতে হয়। ২০২৬ সালের আয়কর বিধিতে এর সমতুল্য ব্যবস্থা রয়েছে ২২০ নম্বর নিয়মের সঙ্গে পাঠযোগ্য ১৪৬ নম্বর ফর্মে।

    দেশজুড়ে যাচাই অভিযান

    এই নিয়মের প্রেক্ষিতে তদন্তকারীদের মূল প্রশ্ন, সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষক কিংবা পেশাজীবীরা শংসাপত্র দেওয়ার আগে প্রয়োজনীয় মাত্রায় যাচাই-বাছাই এবং সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন কি না। কারণ, বিদেশে পাঠানো অর্থের প্রকৃতি, সংশ্লিষ্ট লেনদেনের বাস্তবতা এবং কর সংক্রান্ত দায় সম্পর্কে যথাযথ পরীক্ষা না করে শংসাপত্র দেওয়া হয়ে থাকলে তা আর্থিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলতে পারে (Remittances)। ১৮ অগাস্ট, মঙ্গলবার, আয়কর দফতর বিদেশে পাঠানো অর্থ সংক্রান্ত এই দেশজুড়ে বিস্তারিত যাচাই অভিযান শুরু করেছে। অভিযানের আওতায় শুধু সন্দেহজনক সংস্থাগুলিই নয়, তাদের পিছনে থাকা ব্যক্তিরাও রয়েছেন। একই সঙ্গে যে পেশাজীবীরা ১৫সিবি ফর্মের শংসাপত্র জারি করেছেন, তাঁদের ভূমিকাও আলাদা করে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে (Income Tax Department)।

    বিদেশে পাঠানো হয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ

    দেশের স্থলসীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অবস্থিত এবং বিদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছে—এমন সংস্থাগুলিকেও এই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে তদন্তের পরিধি শুধু বড় শহর বা আর্থিক কেন্দ্রগুলিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে থাকা সন্দেহজনক সংস্থাগুলির লেনদেনও একইভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আয়কর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে মোট প্রায় ৩৯৪টি সংস্থাকে এই যাচাইয়ের আওতায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের স্থলসীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে অবস্থিত প্রায় ১১৭টি সংস্থাও রয়েছে। পাশাপাশি ৩৬ জন পেশাজীবীর ভূমিকা পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাঁদের জারি করা শংসাপত্রের ভিত্তি, সংশ্লিষ্ট লেনদেনের নথি এবং অর্থ পাঠানোর উদ্দেশ্য—সবই যাচাই করা হবে।

    হিসাবরক্ষকদের ভূমিকা

    দফতরের বক্তব্য, ১৫সিবি বা ১৪৬ নম্বর ফর্মে শংসাপত্র দেওয়ার সময় হিসাবরক্ষকদের যথাযথ সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা এবং পেশাগত বিচারবোধ প্রয়োগ করা প্রত্যাশিত। বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের মূল নথি, বাস্তব তথ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় ভালোভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। আয়কর দফতর জানিয়েছে, এই ধরনের শংসাপত্র আর্থিক ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শুধু নথি পূরণ বা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করাই যথেষ্ট নয়, শংসাপত্র দেওয়ার আগে লেনদেনের প্রকৃত চরিত্র যাচাই করাও জরুরি।

    যেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে আয়কর দফতর

    প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এখন আরও বিস্তৃত তদন্ত চালানো হচ্ছে। সন্দেহজনক সংস্থাগুলি আদৌ বাস্তবে ব্যবসা করত কি না, তাদের ঘোষিত লেনদেন এবং বিদেশে পাঠানো অর্থের মধ্যে কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, বিদেশি প্রাপকদের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র কী, এবং শংসাপত্র প্রদানকারী পেশাজীবীরা কতটা যথাযথ যাচাই করেছিলেন—এই সব প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছে আয়কর দফতর (Income Tax Department)। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে বিদেশে অর্থ পাঠানোর এই নেটওয়ার্কের প্রকৃত পরিধি এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা আরও (Remittances) স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আপাতত প্রায় ৩৯৪টি সংস্থা এবং ৩৬ জন পেশাজীবীকে ঘিরে চলা দেশজুড়ে এই যাচাই অভিযানের পরবর্তী ফলাফলের দিকেই নজর রয়েছে দেশবাসীর (Income Tax Department)।

     

  • ITR Filing: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির খবর ভুয়ো, সাফ জানাল আয়কর দফতর

    ITR Filing: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির খবর ভুয়ো, সাফ জানাল আয়কর দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনার অবসান। ৩০ সেপ্টেম্বর আয়কর রিটার্ন ফাইলের (ITR Filing) সময়সীমা বৃদ্ধি নিয়ে মুখ খুলল আয়কর বিভাগ (Income Tax)। কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ আর্থিকবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ আজ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালের পরে আর বাড়ানো হবে না। ওই রিপোর্টকে জাল বলেও অস্বীকার করেছেন কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, আইটিআর দাখিলের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আয়কর দফতর জানিয়েছে, এই ভুয়ো খবরগুলিতে বিশ্বাস করবেন না, আয়কর বিভাগের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলের ওপর বিশ্বাস রাখুন।

    আইটিআর ফাইল করতে হবে (ITR Filing)

    অডিট না করা করদাতাদের জরিমানা এড়াতে তাঁদের আইটিআর ফাইল করতে হবে। তবে যেসব করদাতার অ্যাকাউন্ট অডিট করা প্রয়োজন, যেমন, কোম্পানি, মালিকানা এবং কোনও ফার্মে কর্মরত অংশীদার, তাদের ২০২৫-২৬ মূল্যায়ন বর্ষের জন্য ৩১ অক্টোবর, ২০২৫-এর আইটিআর দাখিল করতে হবে। এর আগে তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিতে হবে ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এর মধ্যে। অডিট না করা করদাতাদের জন্য আইটিআর দাখিলের শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর মিস করলেও, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ তাদের স্বস্তি দিতে আয়কর বিভাগ ই-ফাইলিং পোর্টালে দেরি হওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি রেখেছে।

    ছাড় পাবেন কারা

    যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কিংবা পরিবারের কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে অথবা অন্য কোনও গুরুতর কারণে জরুরি পরিস্থিতিতে সময় মতো রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি, তখন তাঁদের কোনও জরিমানা বা জরিমানা ছাড়াই দেরিতে রিটার্ন দাখিল করার বিকল্প দেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে প্রথমে দেরির জন্য ক্ষমা চাওয়ার আবেদন করতে হবে। অনুরোধ গৃহীত হলে কোনও জরিমানা দিতে হবে না। এ ক্ষেত্রে অবশ্য পর্যাপ্ত প্রমাণপত্রও জমা দিতে হবে (ITR Filing)। প্রসঙ্গত, কর আইন অনুসারে যাঁরা ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখটি মিস করবেন, তাঁদের দিতে হবে লেট ফি। বার্ষিক (Income Tax) আয় ৫ লাখ হলে জরিমানা দিতে হবে হাজার টাকা, এর ওপর হলে গুণতে হবে ৫ হাজার টাকা (ITR Filing)।

  • NRI: আমেরিকার প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য সুখবর, রেমিট্যান্স ট্যাক্স কমে হল ১ শতাংশ, কতটা লাভ হল ভারতের?

    NRI: আমেরিকার প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য সুখবর, রেমিট্যান্স ট্যাক্স কমে হল ১ শতাংশ, কতটা লাভ হল ভারতের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবাসী ভারতীয়দের (NRI) জন্য সুখবর শোনাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। সে দেশের সেনেট ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। এই সংশোধনের ফলে রেমিট্যান্স (প্রবাসীরা যে অর্থ নিজের দেশে পাঠান)-এর (Remittance Tax) ওপর কর ৩.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হয়েছে মাত্র ১ শতাংশ। এই সুখবর শোনা গেল এমন একটা সময়, যখন বিশ্বজুড়ে প্রবাসী ভারতীয়রা ব্যাপক উদ্বেগে ছিলেন। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, আন্তর্জাতিক অর্থ পাঠানোয় ভারী আর্থিক বোঝা চাপবে।

    ব্যাপক উদ্বেগ (NRI)

    জানা গিয়েছে, প্রথমে বিলটিতে ৫ শতাংশ কর প্রস্তাব করা হয়েছিল। হাউস সংস্করণে এটাই কমিয়ে করা হয়েছিল ৩.৫ শতাংশ। এই হারও ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করে। কারণ প্রবাসী ভারতীয়রা ফি বছর ভারতে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠান। রিজার্ভ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেই ভারতের মোট রেমিট্যান্সের ২৭.৭ শতাংশ এসেছে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ প্রায় ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সংশোধিত সংস্করণ অনুযায়ী, এখন থেকে আমেরিকাভিত্তিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে স্থানান্তর এবং সে দেশে ইস্যু করা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে করা লেনদেনগুলি রেমিট্যান্স কর থেকে ছাড় পাবে। এই পরিবর্তন প্রবাসী ভারতীয়দের পক্ষ থেকে স্বাভাবিক পারিবারিক ও ব্যক্তিগত রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সুরক্ষা দেবে।

     যোগ্য রেমিট্যান্সের ওপর প্রযোজ্য

    এই কর কেবলমাত্র (NRI) ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর পরে করা যোগ্য রেমিট্যান্সের ওপর প্রযোজ্য হবে। ফলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলির প্রস্তুতির জন্য হাতে যথেষ্ট সময় থাকবে। এই এক্সসাইজ করটি কেবল যাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন, তাঁদের জন্য প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী, ছাত্রছাত্রী এবং গ্রিন কার্ডধারীরাও। ট্রাম্প প্রশাসনের এহেন সিদ্ধান্তের ফলে বহু ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বাসিন্দার আর্থিক সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়তে পারে (Remittance Tax)।যদিও ১ শতাংশ করের হারটি সাধারণ মনে হতে পারে, তবে এর প্রভাব যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এটি এখনও উচ্চমূল্যের লেনদেনগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে, যেমন এনআরই অ্যাকাউন্টে জমা, সম্পত্তি বিনিয়োগ এবং কর্পোরেট পুনর্বাসন কর্মসূচি ইত্যাদি। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা-পরবর্তী আয়ও যদি করমুক্ত পদ্ধতির মাধ্যমে স্থানান্তর না করা হয়, তবে এটি এই করের আওতায় পড়তে পারে।

    স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি

    যদিও কমিয়ে দেওয়া করহার স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি এনে দেয়, তবে অনেক এনআরআই এখন আরও স্পষ্ট নির্দেশনা ও সম্ভাব্য বৃহত্তর কর-ছাড়ের দাবি জানাচ্ছেন, বিশেষ করে পরিবারের জন্য পাঠানো প্রয়োজনীয় অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে। আইনটির কার্যকর রূপ চূড়ান্ত হলে এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো দেশের মধ্যে ভবিষ্যতের আর্থিক লেনদেনের গতিপথ নির্ধারণ করবে। এদিকে, প্রবাসী ভারতীয়রা গত অর্থবর্ষে দেশে ১৩৫.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। রিজার্ভ ব্যাংকের প্রকাশিত সাম্প্রতিক পেমেন্ট ব্যালেন্স ডেটা অনুযায়ী, প্রবাসী ভারতীয়দের পাঠানো ‘ব্যক্তিগত হস্তান্তর’ এর মাধ্যমে মোট প্রাপ্ত অর্থ আগের বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি (NRI)।

    প্রবাসী রেমিটেন্সের সবচেয়ে বড় প্রাপক ভারত

    ভারত গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসী রেমিটেন্সের সবচেয়ে বড় প্রাপক দেশ। ২০১৬-১৭ সালে যেখানে এই অঙ্ক ছিল ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, সেখানে আট বছরের মধ্যে তা হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি (Remittance Tax)। রিজার্ভ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৩১ মার্চ শেষ হওয়া অর্থবর্ষে মোট কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ইনফ্লোর ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মধ্যে রেমিটেন্সের অংশ ছিল ১০ শতাংশেরও বেশি। আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ গৌরী সেনগুপ্ত বলেন, “ক্রুড অয়েলের দাম কম থাকা সত্ত্বেও রেমিটেন্সের জোরালো প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।” তিনি বলেন, “এর কারণ হল দক্ষ শ্রমশক্তির একটি ক্রমবর্ধমান অংশ উন্নত দেশ যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং সিঙ্গাপুরে অভিবাসন করছে। আরবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই তিনটি দেশ থেকে মোট রেমিটেন্সের প্রায় ৪৫ শতাংশ আসে,” তিনি বলেন, “তবে জিসিসি (GCC) দেশগুলির অংশ ক্রমেই কমে আসছে (NRI)।”

    প্রবাসী আয়ের ওপর প্রভাব

    তেলের দাম প্রায়ই গাল্ফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (GCC) দেশগুলির কাছ থেকে প্রবাসী আয়ের ওপর প্রভাব ফেলে। ভারতের শীর্ষ ব্যাঙ্কের একটি গবেষণাপত্র থেকে জানা গিয়েছে. ভারত এখনও ২০০ মার্কিন ডলার পাঠানোর জন্য বিশ্বের অন্যতম স্বল্প-ব্যয়বহুল দেশ হিসেবে রয়ে গিয়েছে। কারেন্ট অ্যাকাউন্টের অন্যান্য প্রধান উৎসগুলির মধ্যে রয়েছে সফটওয়্যার পরিষেবা আয় এবং ব্যবসায়িক পরিষেবা আয়। প্রতিটিই গত অর্থবর্ষে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে (Remittance Tax)। এই তিনটি উৎস (প্রবাসী আয়, সফটওয়্যার পরিষেবা ও ব্যবসায়িক পরিষেবা) মিলে মোট কারেন্ট অ্যাকাউন্টের আয়ের ৪০ শতাংশের বেশি অংশ জোগান দিয়েছে (NRI)।

  • Budget 2025: ৮-১২ লাখ আয়ে ১০% ট্যাক্স ধার্য হলে, কীভাবে ১২ লক্ষ পর্যন্ত কর-মুক্ত আয়? রইল ব্যাখ্যা

    Budget 2025: ৮-১২ লাখ আয়ে ১০% ট্যাক্স ধার্য হলে, কীভাবে ১২ লক্ষ পর্যন্ত কর-মুক্ত আয়? রইল ব্যাখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়লা ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Budget 2025)। তাঁর এই বাজেটে স্বস্তি পেয়েছেন মধ্যবিত্তরা। ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কোনও কর (Income Tax Slab) দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তার পরেই উঠছে প্রশ্ন, তাহলে ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকার আয়ে ৫ শতাংশ এবং ৮ থেকে ১২ লাখে যে ১০ শতাংশ কর দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তা কীসের? সেক্ষেত্রে, কীভাবে কর-মুক্ত সম্ভব?

    স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন (Budget 2025)

    নয়া কর ব্যবস্থায়, বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে ১২ লাখ টাকার ওপর ৭৫ হাজার টাকা স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন হিসেবে আয়ের ওপর কোনও কর দিতে হবে না। যদিও সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, ৪ লাখ টাকা থেকে ৮ লাখ টাকা রোজগারে ৫ শতাংশ, ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্সের পরিমাণ ১০ শতাংশ, ১২ থেকে ১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ১৫ শতাংশ। ১৬ লক্ষ টাকা থেকে ২০ লক্ষ টাকাপর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ২০ শতাংশ, ২০ লক্ষ টাকা থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ট্যাক্স দিতে হবে ২৫ শতাংশ। এবং ২৪ লক্ষ টাকার উপরে বার্ষিক আয়ের উপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হবে সবাইকে৷

    আইনের ৮৭এ ধারা

    আমজনতার প্রশ্ন হল, বার্ষিক ১২ লক্ষ আয়ের উপর কোনও ট্যাক্স না থাকলে, ৪ থেকে ৮ লক্ষের উপর ৫ শতাংশ এবং ৮ থেকে ১২ লক্ষের উপর ১০ শতাংশ ট্যাক্স তাহলে দেখানো হচ্ছে কেন? বিষয়টা অনেকের কাছেই গোলমেলে লাগছে। তাই প্রয়োজন ব্যাখ্যার। সরকার যে ছাড়ের আইন করেছে, তা আইনের ৮৭এ ধারায়। এর অর্থ হল, আপনার আয়ের মোট ট্যাক্স যদি কোনও স্ল্যাব অনুযায়ী গণনা করা হয়, তাহলে করদাতা কিছু ছাড় পাবেন। বিষয়টা ভালো করে বোঝা যাক। যদি কারও বার্ষিক আয় ৪ থেকে ৮ লাখ টাকার মধ্যে হয়, তাহলে ওই ব্যক্তির ট্যাক্স হবে ২০ হাজার টাকা। বার্ষিক আয় ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা হলে, কর দিতে হবে ৪০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে মোট কর হয় ৬০ হাজার টাকা। এবার ৮৭এ-এর আওতায় ১২ লাখ টাকার বার্ষিক আয়ের ওপর কর রিবেট বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তির বার্ষিক আয় ৪ থেকে ৮ লাখ বা বার্ষিক ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা হয়, তাঁকে কোনও ট্যাক্স দিতে হবে না। এটাই হল ট্যাক্স রিবেট (Budget 2025)।

    প্রশ্ন হল, ট্যাক্স রিবেট কী? ট্যাক্স রিবেট হল একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক আইন, যা করদাতাদের রোজগারের ওপর ধার্য কর থেকে ত্রাণ হিসেবে দেওয়া হয়। এই আইনটি তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁদের বার্ষিক আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার নীচে (Income Tax Slab)। ভারতে এই বিধানটিই আসে আয়কর আইনের ৮৭এ ধারায় (Budget 2025)।

  • GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি (GST) সংগ্রহ। চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতে (India) এই প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.৮৭ লাখ কোটি টাকা। গত বছর অক্টোবরে এর পরিমাণ ছিল ১.৭২ লাখ কোটি টাকা। শতাংশের বিচারে এবার জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বেড়েছে ৮.৯।

    জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ (GST)

    শুক্রবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর ঠিক এক মাস আগে, সেপ্টেম্বরে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১.৭৩ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট জিএসটি সংগ্রহ ৯.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। ২০২৩ সালে এই সময় এর পরিমাণ ছিল ১১.৬৪ লাখ কোটি টাকা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় জিএসটি, রাজ্য জিএসটি, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি এবং সেস সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে কী কী রয়েছে

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় জিএসটি (GST) ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১  কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই অক্টোবর দ্বিতীয় সেরা জিএসটি সংগ্রহের মাস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। কারণ সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল এপ্রিল মাসে, আদায় হয়েছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকারও বেশি।

    আরও পড়ুন: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    রিভিউয়ের মাসে, দেশীয় লেনদেন থেকে জিএসটি ১০.৬ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ১.৪২ লাখ কোটি টাকায়। আমদানি কর থেকে রাজস্ব প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৪৫,০৯৬ কোটি টাকায়। গোটা মাসে ফেরত দেওয়া হয়েছে ১৯,৩০৬ কোটি টাকা। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ১৮.২ শতাংশ বেশি।

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জিএসটি ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১ কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। অক্টোবর ২০২৪-এ জিএসটি সংগ্রহ ছিল (India) দ্বিতীয় সর্বোত্তম মানের। সর্বোচ্চ সংগ্রহ এপ্রিল ২০২৪-এ ছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকার বেশি (GST)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union budget 2024: দেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে জমা দিতে হবে ইনকাম ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট

    Union budget 2024: দেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে জমা দিতে হবে ইনকাম ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ জুলাই সংসদে বাজেট পেশ (Union budget 2024) করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার পরে পরেই পেশ হয়েছে অর্থবিল ২০২৪। তাতে বলা হয়েছে, ভারতে বসবাসকারী কোনও ব্যক্তিকে দেশ ছেড়ে যেতে হলে জমা দিতে হবে আয়কর সংক্রান্ত ছাড়পত্রের (Income Tax Clearance) শংসাপত্র। বিলের ৭১ নম্বর ক্লজ আয়কর অ্যাক্ট সংক্রান্ত আইনের ২৩০ নম্বর ধারা সংশোধন করতে চায় সরকার। এই আয়কর অ্যাক্ট ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংক্রান্ত। এই সংশোধনী কার্যকর হবে চলতি বছরের পয়লা অক্টোবর থেকে।

    সার্টিফিকেট প্রয়োজন (Union budget 2024)

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উক্ত ধারার উপধারা (১এ), অনুযায়ী, ভারতে বসবাসকারী কোনও ব্যক্তি ভারত ছেড়ে যেতে পারবেন না, যদি না তিনি আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি শংসাপত্র না পান। এই শংসাপত্রে উল্লেখ থাকতে হবে যে, তাঁর কোনও দায় নেই। আয়কর আইন বা সম্পদকর আইন, ১৯৫৭ বা উপহারকর আইন ১৯৫৮ বা ব্যয়কর আইন ১৯৮৭ অনুযায়ী তাঁর কোনও দায় নেই।

    আয়কর আইনের ২৩০ ধারা

    আয়কর আইনের ২৩০ সেকশন অনুযায়ী, যাঁরা ভারতে বসবাস করছেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে তাঁদের অবশ্যই আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে। এই সার্টিফিকেটেই বলা থাকে, ওই ব্যক্তির কোনও কর বকেয়া নেই কিংবা তাঁকে মোটা অঙ্কের টাকা জমা দিতে হবে। সদ্যই যে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, সেখানে ৪২ ও ৪৩ নম্বর ধারায় ব্ল্যাক মানি অ্যাক্ট, ২০১৫-এর তালিকায় যোগ করার প্রস্তাব (Union budget 2024) দেওয়া হয়েছে। যার অধীনে যে কোনও ব্যক্তির ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স শংসাপত্র পাওয়ার জন্য তাঁকে তাঁর দায়গুলি ক্লিয়ার করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ফের লাভ জিহাদ! হিন্দু মেয়েকে তুলে নিয়ে গেল মুসলমান শ্রমিক

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ১৯৬১-র ধারা ২৩০ অনুযায়ী, প্রত্যেক ব্যক্তিকে ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হবে না। কেবলমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে (Income Tax Clearance), যাঁদের ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন (Union budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nirmala Sitharaman: বাজেটে বদলাল ইনকাম ট্যাক্স স্ল্যাব, নয়া হার কী হল জানেন?

    Nirmala Sitharaman: বাজেটে বদলাল ইনকাম ট্যাক্স স্ল্যাব, নয়া হার কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই সংসদে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করল তৃতীয় মোদি সরকার। বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। পুরানো ব্যবস্থায় আয়করের (Income Tax) ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন করা না হলেও, নয়া ব্যবস্থায় হয়েছে।

    কী বললেন সীতারামন? (Nirmala Sitharaman)

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “নয়া কর ব্যবস্থায় স্ল্যাবের হার বদলাবে। স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন বাড়ানো হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। আগে ছিল ৫০ হাজার টাকা। নয়া ব্যবস্থায় সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার টাকা।” তিনি জানান, তবে পুরনো ব্যবস্থায় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন যে ৫০ হাজার টাকা ছিল, সেটা অপরিবর্তিত থাকবে। যাঁরা পারিবারিক পেনশন পান, নয়া ব্যবস্থায় ১৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে তাঁদের স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন হবে ২৫ হাজার টাকা। মন্ত্রী জানান, এর ফলে উপকৃত হবেন ৪ কোটি বেতনভোগী ও পেনশন হোল্ডার।

    রিভাইজড স্ল্যাব

    এই বাজেটে রিভাইজড স্ল্যাব দাঁড়াল-

    ১) ০ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত বছরে আয় করলে কোনও ট্যাক্স দিতে হবে না।

    ২) ৩ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয় হলে ট্যাক্স দিতে হবে ৫ শতাংশ হারে।

    ৩) বাৎসরিক আয় ৭ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা হলে কর দিতে হবে ১০ শতাংশ হারে।

    ৪) ১০ লাখ টাকা থেকে ১২ লাখ টাকার মধ্যে হলে ট্যাক্স দিতে হবে ১৫ শতাংশ।

    ৫) ১২ লাখ টাকা থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক রোজগার হলে ট্যাক্স দিতে হবে ২০ শতাংশ হারে।

    ৬) বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকার ওপর হলে কর দিতে হবে ৩০ শতাংশ হারে।

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় স্বাস্থ্য ফিরেছে ভারতীয় অর্থনীতির, বড় খবর শোনালেন নাগেশ্বরণ

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) বলেন, যাঁরা নয়া ব্যবস্থার আওতায় চলে আসবেন, তাঁদের সঞ্চয় হবে সাড়ে ১৭ হাজার টাকা। ১৯৬১ সালের আয়কর আইনের কমপ্রিহেনসিভ রিভিউ হবে বলেও ঘোষণা করেন তৃতীয় মোদি সরকারের অর্থমন্ত্রী। সীতারামন জানান, কর্মীদের মূল বেতনের ওপর নিয়োগকর্তারা যে টাকাটা দেন ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম ডিডাকশনে ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে সেটা করা হয়েছে ১৪ শতাংশ (Income Tax)। সরকারি ও বেসরকারি সর্বত্রই প্রযোজ্য হবে এই নিয়ম, জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ITR Filing: ডেডলাইন পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন আয়কর রিটার্ন, না হলে জরিমানা

    ITR Filing: ডেডলাইন পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন আয়কর রিটার্ন, না হলে জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘনিয়ে আসছে রিটার্ন দাখিলের (ITR Filing) ডেডলাইন। এই ডেডলাইন পার হয়ে যাওয়ার পর যিনি রিটার্ন দাখিল (Income Tax) করবেন, তাঁকে গুণতে হবে জরিমানা। মনে রাখতে হবে, রিটার্ন দাখিল করা কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন হল সংক্ষিপ্ত নথি, যা থেকে জানা যায় আয়কর দাতা একটা অর্থবর্ষে কত টাকা রোজগার করেছেন।

    রিটার্ন দাখিল (ITR Filing)

    এই রিটার্ন দাখিল করলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, আয়কর দাতাকে কত কর দিতে হয়েছে, কিংবা আয়কর দফতর থেকে তিনি কিছু ফেরত পাবেন কিনা। আয়কর দফতর বিভিন্ন রোজগারের মানুষের জন্য নানা রকম কর দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। কোনও ব্যক্তি যদি রিটার্ন দাখিল না করেন, তাহলে তাঁকে জরিমানা দিতে হবে। আয়কর দাতাদের রিটার্ন দাখিলের বিষয়টি মনে করিয়ে দিতে আয়কর দফতর মেসেজ পাঠায়। রিটার্ন দাখিল করতে গিয়ে কোনও সমস্যায় পড়লে কিংবা ইচ্ছে করে রিটার্ন দাখিল না করলে, জরিমানা দিতে হবে।

    গুণতে হবে জরিমানা

    অর্থবর্ষ শেষ হয়েছে ৩১ মার্চ, ২০২৪। তবে চলতি অর্থবর্ষে আইটি রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ জুলাই। রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) করাটা বেশ সমস্যার, বিশেষত যাঁরা একা একাই ট্যাক্স দেন (অর্থাৎ, কোম্পানি নয়, ট্যাক্স দিতে হয় ব্যক্তি মানুষকে)। অফিস-কাছারির কাজ শেষ করে প্রয়োজনীয় নথি জোগাড় করে রিটার্ন দাখিল করাটা বেশ চাপের। এই সব করতে গিয়েই অনেকে ডেডলাইন মিস করে ফেলেন। পরে যখন রিটার্ন দাখিল করেন, তখন দিতে হয় গচ্চা।

    আরও পড়ুন: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    রোজগারের বহরের ভিত্তিতে ঠিক হয়, জরিমানা বাবদ আপনাকে দিতে হবে ঠিক কত টাকা। কাউকে দিতে হবে হাজার টাকা, কারও ক্ষেত্রে আবার জরিমানার পরিমাণ দাঁড়াবে গিয়ে পাঁচ হাজার টাকায়। এর পর রয়েছে সুদ। তিনি কত দেরিতে রিটার্ন দাখিল করছেন, তার ওপর ভিত্তি করে দিতে হবে সুদ। মনে রাখতে হবে, যাঁদের বার্ষিক রোজগার পাঁচ লাখ টাকার নীচে, রিটার্ন দাখিলে দেরি হলে তাঁদের জরিমানা দিতে হবে এক হাজার টাকা। পাঁচ লাখ টাকার ওপর বার্ষিক আয় হলে, জরিমানার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে পাঁচ হাজার টাকা। তাই ডেডলাইন (Income Tax) পার হওয়ার আগেই দাখিল করুন রিটার্ন (ITR Filing)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ITR Filing: ঠিকমতো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন কিনা, যাচাই করেন? জানুন বিশদে

    ITR Filing: ঠিকমতো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন কিনা, যাচাই করেন? জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। ঘনিয়ে আসছে সময়। চলতি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যেই দাখিল করতে হবে আয়কর রিটার্ন (ITR Filing)। ট্যাক্স ফাইলিংয়ের (Tax Return) একটি অংশ হল ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া। আইটি রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে কিনা, তা জানার জন্য হাতে সময় থাকে মাত্র ৩০ দিন। এই পর্বটি বৈধ। তার পরেই যদি দাখিল করা হয় আইটি রিটার্ন, তবে তা বৈধ বলা যাবে না।

    আয়কর রিটার্ন দাখিল যাচাইকরণ (ITR Filing)

    প্রশ্ন হল, কোনও একজন আয়কর দাতা কীভাবে জানবেন তিনি আয়কর রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) করেছেন কিনা? এর একাধিক উপায় রয়েছে। এগুলির মধ্যে অন্যতম হল আধার ওটিপি, নেট ব্যাঙ্কিং কিংবা সরাসরি আইটিআর-ফাইভ ফর্ম দাখিল করে। একবার আপনি যদি যাচাই করে নিতে পারেন, আপনার আইটি রিটার্ন দাখিল হয়েছে কিনা, তাহলে আয়কর দফতর সেটি রিভিউ করবে। পরে ইমেলের মাধ্যমে ১৪৩(১) ধারায় আপনাকে একটি নোটিশ পাঠানো হবে। তখনই আপনি জানতে পারবেন, আপনার আইটি দাখিল হয়েছে, কি হয়নি।

    অনলাইন যাচাইকরণ

    এই যে নোটিশটি আপনি পাবেন, সেটাই আপনাকে জানিয়ে দেবে আপনার প্রসেসিং স্টেটাস, আপনার কোনও ট্যাক্স লায়াবিলিটিজ রয়েছে কিনা কিংবা আপনি কত টাকা ফেরত পাবেন। আইটি রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) যাচাইয়ের জন্য সরকার অনেকগুলো অপশন দিয়েছ। যাঁরা অনলাইনে যাচাই করবেন, তাঁদের ওটিপি পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে সরকারের তরফে। তবে এসবই করা হবে আইটি রিটার্ন দাখিল করার পর। মনে রাখতে হবে আইটি রিটার্ন দাখিল প্রসেসের চূড়ান্ত ধাপ হল এই অনলাইন যাচাইকরণ।

    আরও পড়ুন: বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নেই টাস্ক ফোর্সের, কবুল ‘নিধিরাম’দের

    আইটি রিটার্ন দাখিল করেছেন কিনা, তা যাচাই করা না হলে সমস্যায় পড়তে হতে পারে আয়কর দাতাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাচাই করা না হলে আপনার আইটি রিটার্ন অবৈধ বলে গণ্য হতে পারে, দিতে হতে পারে জরিমানা, আয়কর দফতরের তরফে আপনাকে নোটিশও পাঠানো হতে পারে। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT) আরও তিরিশ দিন বাড়িয়েছে আইটি রিটার্ন দাখিল ভেরিফিকেশনের জন্য। এর আগে রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল ১২০ দিন। যাচাইকরণের দিন (Tax Return) বাড়িয়ে দেওয়া হল আরও ৩০ দিন (ITR Filing)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ITR Filing: ঘনিয়ে আসছে আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, জেনে নিন কী কী লাগবে

    ITR Filing: ঘনিয়ে আসছে আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, জেনে নিন কী কী লাগবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাঁরা কর দেন, ভারতে তাঁদের প্রতিবছর আয়কর রিটার্ন দাখিল (ITR Filing) করতে হয়। পয়লা এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হয়। এজন্য প্রয়োজনীয় কী কী নথি (Essential Documents) লাগে, কী-ই বা করতে হবে, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

    প্রয়োজনীয় নথি (ITR Filing)

    আইটিআর ফাইল করার জন্য সবার আগে প্রয়োজন প্যান ও আধার কার্ড। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণও দিতে হয়। টিডিএসের শংসাপত্র, ট্যাক্স পেমেন্ট চালান, কর সাশ্রয়ী বিনিয়োগের(দান করার ক্ষেত্রে) প্রমাণপত্রও লাগবে।

    বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে

    যাঁরা বেতনভোগী, তাঁদের পূরণ করতে হবে ‘ফর্ম ১৬’। আপনি যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, সেই সংস্থা এটি দেবে। লাগবে মাসিক বেতনের স্লিপও। করযোগ্য ভাতার (বাড়ি ভাড়ার মতো যেসব ভাতা পান) যাবতীয় বিবরণও।

    অন্যান্য উৎস থেকে আয়

    ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়াও অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের নথিও লাগবে। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট এবং সেভিংস অ্যাকাউন্ট, ফিক্সড ডিপোজিট ইত্যাদি থেকে অর্জিত সুদও রেকর্ড করতে হবে। অন্তর্ভুক্ত করতে হবে অ্যাকাউন্ট নম্বর, আইএফএসসি কোড এবং ব্যাঙ্কের নাম। ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট সংক্রান্ত নথিও লাগবে। জমা দিতে হবে ফর্ম ২৬এএস। এখানে টিডিএস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লটারি কেনা, এনএসসির মতো অর্জিত সুদের নথি, কৃষি আয় এবং ক্লাবড ইনকামের বিষয়েও রিপোর্ট করতে হবে।

    সম্পত্তি থেকে আয়

    সম্পত্তি থেকে পাওয়া ভাড়ার বিবরণ (ITR Filing) অন্তর্ভুক্ত করানো প্রয়োজন। ব্যাঙ্ক থেকে কোনও লোন নিলে, সে সংক্রান্ত শংসাপত্রে মূল ও সুদের পেমেন্ট দেখানো উচিত। প্রয়োজন হতে পারে মিউনিপ্যাল ট্যাক্স-প্রদত্ত রসিদ। ভাড়া সংক্রান্ত ফর্ম ১৬ এ-ও প্রয়োজন হলে দিতে হতে পারে। হোম লোন নেওয়া থাকলে মালিকানার প্রমাণপত্র পেশ করতে হবে। প্রসঙ্গত, আয়কর আইন ১৯৬১-র ২৪(বি)-র অধীনে হোম লোন চার্জ ছাড়যোগ্য।

    আর পড়ুন: রাজার দেশে লেবার পার্টির জয়, কোন খাতে বইবে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের জল?

    অতিরিক্ত ছাড়যোগ্য খরচ

    শিশুদের স্কুলের টিউশন ফি(যাঁদের দিতে হয়)-এর রসিদ সঙ্গে রাখুন। জীবন বিমা পলিসিতে করা প্রিমিয়াম পেমেন্টের রসিদ কাছে রাখুন। স্ট্যাম্প ডিউটি এবং সম্পত্তির ওপর দেওয়া রেজিস্ট্রেশন চার্জের রসিদ রাখুন। হোম লোনের (যাঁরা লোন নিয়েছেন) মূল পরিশোধের রেকর্ড ঠিকঠাক রাখুন। ইক্যুইটি লিঙ্কড সেভিংস স্কিম বা মিউচুয়াল ফান্ডে যদি বিনিয়োগ করা থাকে, তারও রেকর্ড (Essential Documents) রাখতে হবে। মনে রাখবেন, ৮০-র অধীনে অনুমোদিত সর্বোচ্চ ছাড় হল ১.৫ লাখ টাকা (ITR Filing)।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share