Tag: Teacher Recruitment scam

Teacher Recruitment scam

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকেতনে’ গেলেন ইডি আধিকারিকরা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব

    Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শান্তিনিকেতনে’ গেলেন ইডি আধিকারিকরা, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (Teacher Recruitment Scam) তদন্তে ফের বড়সড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বুধবার বিকেলে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দক্ষিণ কলকাতার বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ হাজির হন ইডি আধিকারিকরা। তবে সে সময় অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না; তিনি কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তদন্তকারীরা কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সুরক্ষাকর্মীদের মাধ্যমে সমনের নোটিসটি দিয়ে আসেন।

    রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে কেন্দ্রীয় তৎপরতা (Abhishek Banerjee)

    বুধবার দিনভর রাজ্য রাজনীতি উত্তাল ছিল বিধানসভার অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষর সহ চিঠি এবং নতুন বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বর সরগরম হয়ে ওঠে। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) মিলে দলের সমস্ত রাজ্য কমিটি ও শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই সাংগঠনিক রদবদলের পর্যালোচনার জন্য বিকেল গড়াতেই কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছান অভিষেক। ঠিক তার পরপরই বিকেল ৫টা নাগাদ ইডির দু’জন উচ্চপদস্থ আধিকারিক একটি ফাইল হাতে অভিষেকের বাসভবনে পৌঁছান এবং সেখানে তাঁকে না পেয়ে কালীঘাটের ঠিকানায় গিয়ে সমন (Teacher Recruitment Scam) দিয়ে আসেন।

    সিআইডি বনাম অভিষেক স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলা ও আইনি লড়াই

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Teacher Recruitment Scam) ইডির এই নতুন সমনের সমান্তরালে, রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র সঙ্গেও অভিষেকের একটি মামলা পিছু ছাড়ছে না। তবে মনে করা হচ্ছে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংক্রান্ত নথিপত্র এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই ইডি ফের নতুন করে এই সমন পাঠিয়েছে। তবে এই কেন্দ্রীয় তৎপরতা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা অভিষেকের শিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও রকম প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

    সিআইডি-র তলব ও হাজিরা এড়ানো

    বিধানসভায় জমা পড়া একটি চিঠিতে বিধায়কদের সই জালিয়াতির অভিযোগে গত সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনের সিআইডি সদর দফতর সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে তিনি সেই হাজিরা এড়িয়ে যান এবং পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৫ দিনের সময় চেয়ে লিখিত আবেদন করেন।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক

    সিআইডি-র এই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হয়। আইনজীবীর দাবি, সিআইডি-র এই নোটিস আইনত বৈধ নয়, তাই এটি খারিজ করা হোক। আদালত মামলা দায়েরের (Teacher Recruitment Scam) অনুমতি দিয়েছে এবং আগামী ৫ জুন এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচন সংক্রান্ত একটি চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। স্বাক্ষর জালিয়াতির এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিধানসভার পক্ষ থেকে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যার তদন্তভার বর্তমানে সিআইডি-র হাতে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তের আতসকাচে অভিষেক

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর পরিবারকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিক মামলায় (Teacher Recruitment Scam) তাঁকে ও তাঁর সংস্থাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির অশীতিপর বৃদ্ধও, কী অভিযোগ ভবানীপুরের এই ভোটারের?

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির অশীতিপর বৃদ্ধও, কী অভিযোগ ভবানীপুরের এই ভোটারের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) ‘জনতার দরবারে’ (Janata Darbar) হাজির ৮১ বছরের এক বৃদ্ধও। ছিলেন চাকরি হারা চাকরিপ্রার্থীরাও। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে ফি সোমবার বসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবার। প্রতিটি দরবারেই ব্যাপক ভিড় হয়। আজ, সোমবারও ছিল উপচে পড়া ভিড়। সেই ভিড়েই ছিলেন চাকরিহারা থেকে চাকরিপ্রার্থীরাও। ছিলেন প্রবীরবাবুর মতো অসহায় মানুষও। রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নানা অভাব-অভিযোগ জানাতে এসেছেন তাঁরা।

    জনতার দরবারে হাজির অশীতিপর বৃদ্ধও (Suvendu Adhikari)

    এঁদের মধ্যেই ছিলেন বছর একাশির প্রবীর মুখোপাধ্যায়ও। তিনি ভবানীপুরের টাউনসেন্ড রোডের বাসিন্দা। মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে এসে তিনি জানান, তিনি  জয় কামদার এবং সোনা পাপ্পুর প্রতারণার শিকার। তাঁর মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, কামদার ও তার সাগরেদরা প্রোমোটিংয়ের নামে প্রবীরবাবুর বাড়িটি জরবদখল করে। কিন্তু তার পরে দীর্ঘ দিন পেরিয়ে গেলেও, এ পর্যন্ত ফ্ল্যাট দেওয়া হয়নি প্রবীরবাবুকে। মাথা গোঁজার ঠাঁই খুইয়ে তাঁকে থাকতে হচ্ছে ভাড়া বাড়িতে। মাস গেলে ভাড়া বাবদ গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। তাঁর দাবি, প্রতারিত হয়েছেন তিনি। বিচার পাওয়ার আশায় নিজের কেন্দ্রের বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে হাজির তিনি। তাঁর কাছে সব শুনে সমাধানের আশ্বাস দেন রাজ্যের প্রথম পদ্ম-মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর সোম-দরবারে এদিন সব থেকে বেশি নজর কাড়েন চাকরিহারা এবং ‘বঞ্চিত’ চাকরিপ্রার্থীরা। সব মিলিয়ে মোট ন’টি চাকরিপ্রার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে, তাঁদের ক্ষোভ এবং দাবিদাওয়া জানাতে।

    দরবারে দাবি নিয়ে হাজির বঞ্চিত শিক্ষক ও চাকরিপ্রার্থীরাও

    তৃণমূল জমানায় নিয়োগ দুর্নীতি কেলেঙ্কারির জেরে রাজ্যে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ অথৈ জলে পড়েছে। সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে একে একে সকলের অভাব-অভিযোগ শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই দেখা গেল ২০১৬ সালের প্যানেলের বঞ্চিত শিক্ষক ও চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধিদের। তাঁদের পক্ষে সুমন বিশ্বাস বলেন, “আমরা চাই যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্যদের চাকরি দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়া হোক। এই সরকারকে আমরা বিরক্ত করব না (Suvendu Adhikari)। কিন্তু আমাদের হাতে সময় কম। অন্যান্য বিষয়ের মতো এই বিষয়েও নয়া সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই আমাদের আশা।” তিনি বলেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) ঔদ্ধত্য দেখিয়েছিলেন (Janata Darbar)। আমাদের মতো যুবকদের অবজ্ঞা করার পরিণাম তিনি এখন দেখছেন।”

    কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা

    কেবল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নয়, রাজ্যের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশার কথাও কয়েকজন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে। কারিগরি শিক্ষার চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম দুর্নীতির জেরে গত ১৫ বছর ধরে কোনও নিয়োগ হয়নি। অবিলম্বে এই শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা দরকার।” শুধু শিক্ষক বা চাকরিপ্রার্থীরাই নন, নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘দরবারে’ অভাব-অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষও। কোচবিহার থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকেও বহু মানুষ জনতার দরবারে এসেছিলেন ব্যক্তিগত ও সামাজিক নানা সমস্যার সুরাহার আশায়। সল্টলেকে গেরুয়া পার্টির এই ‘শুভেন্দু-দরবারে’ উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মতো বিজেপির হেভিওয়েট রাজ্য নেতৃত্বও (Suvendu Adhikari)।

    শূন্যপদ পূরণই সরকারের আশু লক্ষ্য

    সরকারে যে দলই থাকুক না কেন, সাধারণ মানুষের নানান অভাব-অভিযোগ থাকেই। তবে ভারতের মতো একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মের বেড়াজালে আটকে গিয়ে সেই সব সমস্যা অনেক সময়ই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রীর কান পর্যন্ত পৌঁছয় না।  সাধারণ মানুষের দাবি-দাওয়া-অভাব-অভিযোগ সম্বলিত সেই সব চিঠি নবান্নে বা মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পাঠালেও, সব সময় সেগুলি উদ্দিষ্ট ব্যক্তির টেবিলে পৌঁছয় না বলেই অভিযোগ। সেই সব জটিলতা এড়িয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতেই এহেন দরবারের সিদ্ধান্ত রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর। ইতিমধ্যেই নয়া সরকার সব দফতরের কাছ থেকে শূন্য পদের সংখ্যা জানতে চেয়েছে। তাই শূন্যপদ পূরণই যে রাজ্যের পদ্ম-সরকারের কাছে প্রাধান্য পাবে, তা বলাই বাহুল্য (Janata Darbar)। রাজ্যবাসী যাতে তাঁদের নিজেদের নানা সমস্যার কথা খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে জানাতে পারেন, তা-ই ফি সোমবার ‘জনতার দরবার’ চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের অভিযোগ বা সমস্যার গুরুত্ব বিচার করে ঘটনাস্থলেই উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশও এই দরবার থেকেই দেন তিনি। আজ, সোমবার নিয়ে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর এই দরবারের বয়স হল দু’সপ্তাহ (Suvendu Adhikari)।

    মর্যাদা পুরুষোত্তমের পথে শুভেন্দু!

    প্রসঙ্গত, শুভেন্দু আগেই জানিয়েছিলেন, প্রতি সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সল্টলেকের দলীয় অফিসে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হবেন মুখ্যমন্ত্রী। চেষ্টা করবেন সমস্যার দ্রুত সমাধানের। কলকাতা থেকে শুরু হলেও, অদূর ভবিষ্যতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়ও ‘জনতার দরবার’ বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে শুভেন্দুর সরকারের। সেই সব দরবারেও গুরুত্ব দেওয়া হবে সাধারণ মানুষের ছোটখাট সমস্যাকেও। চেষ্টা করা হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেই সব সমস্যার সমাধানের। রামায়ণ থেকে জানা যায়, অযোধ্যার প্রজাদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে নিয়মিত রাম দরবার বসাতেন ইক্ষ্বাকু বংশের রাজা দশরথের জ্যেষ্ঠ পুত্র রামচন্দ্র স্বয়ং। ক্রমে সনাতন ধর্মের এই অবতার হয়ে (Suvendu Adhikari) ওঠেন অযোধ্যাবাসীর চোখের মণি।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শুভেন্দুও এগোচ্ছেন রামের পথে। স্বাভাবিক। মর্যাদা পুরুষোত্তম রামই যে আরাধ্য বঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রীরও (Janata Darbar)!

     

  • Tet Scam: কলকাতা হাইকোর্টের দুই সিদ্ধান্তে চাপ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    Tet Scam: কলকাতা হাইকোর্টের দুই সিদ্ধান্তে চাপ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Tet Scam) মামলায় এবার নতুন মোড়। ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট নিয়ে জটিলতার মাঝে ২০১৭ সালের প্রাথমিক টেটের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটের সমস্ত ডিজিটাইজড কপি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে (High Court) নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ আগস্ট। সেদিন পর্ষদকে ওএমআর শিটের কপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

    ওএমআর শিট নষ্টের রহস্য (Tet Scam)

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের টেটে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। টিনা মুখোপাধ্যায় নামে এক মামলাকারীর অভিযোগ, ২০১৭ সালের টেটে অকৃতকার্য হওয়ার পর তিনি পর্ষদের কাছে ওএমআর শিটের কপি চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু তাঁকে আসল ওএমআর শিটের বদলে একটি ফটোকপি দেওয়া হয়। অন্যদিকে (Tet Scam) মামলার আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত এবং বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওএমআর শিটের যে কপি দেওয়া হয়েছিল। সেটি আদৌ তাঁর ছিল না বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত এই মামলায় আগে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছিল, পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওএমআর শিটের সমস্ত আসল কপি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত হয়েছিল রেজুলেশনের ভিত্তিতে।

    প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে (High Court)

    অন্যদিকে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অনুমতি দিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্ট বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, “চলতি শিক্ষাবর্ষে ওই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে। ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে প্রাথমিকের দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছিল। ২০১৬ সালের ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনেকেই ডিএলএড কোর্স না করেই চাকরি পেয়েছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, পাঁচ বছরের মধ্যে তাঁদের প্রশিক্ষণ করিয়ে নিতে হবে। কিন্তু এতদিনেও সেই প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য পর্ষদ আগ্রহ দেখায়নি।

    আরও পড়ুন: ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    পরে (Tet Scam) এ নিয়ে মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে (High Court)। রাজ্যে কয়েক হাজার এমন প্রশিক্ষণ চাকরি প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক চাকরি করছেন। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানান, প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অনুমতি ও ব্যবস্থা ব্যবস্থা করতে হবে পর্ষদকে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: ওএমআর শিটের তথ্য উদ্ধারে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিক সিবিআই, নির্দেশ হাইকোর্টের

    CBI: ওএমআর শিটের তথ্য উদ্ধারে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিক সিবিআই, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের (CBI) দক্ষতায় অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। ওএমআর শিটের আসল সার্ভার বা হার্ডডিস্কের তথ্য জানতে প্রয়োজনে যে কোনও সংস্থা বা বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়ার নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। প্রসঙ্গত আদালতের তদন্তেই প্রাথমিক মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি রাজাশেখার মান্থা বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।

    বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ (CBI)

    ২০১৪ সালের প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় এবার সিবিআইকে অলআউট ঝাঁপানোর নির্দেশ দেওয়া হল। ২০১৪ সালের ওএমআর ও সার্ভার দুর্নীতির শেষ দেখতে সিবিআইকে হাইকোর্টের (High Court) নির্দেশ। এই ঘটনার রহস্য উন্মোচনে পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তের এক্সপার্টদের শরণাপন্ন হতে পারবে সিবিআই (CBI)। প্রয়োজনে নিতে হবে বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা বা ব্যক্তিদের সাহায্য। শুক্রবার মামলার শুনানিতে এমনই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তবে এ সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ বহন করবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

    ওএমআর শিটের তথ্য চায় আদালত (High Court)

    এ প্রসঙ্গে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “সিবিআই তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছে, ওএমআর শিটের ওরিজিনাল ডিস্ক নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আদালত জানতে চায়, এভাবে ডিস্ক নষ্ট করা যায় কি? নষ্ট করা গেলেও তথ্য উদ্ধার করা যায় কি না। আদালতের (High Court) ধারণা, তথ্য উদ্ধার করা যায়। ডিজিটাল রেকর্ড এত সহজে ধ্বংস করা যায় না। সে ব্যাপারে সিবিআইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তাঁরা যে কোনও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।” প্রসঙ্গত ২০১৪ সালে প্রাথমিকে নিয়োগের পরীক্ষায় আসল ওএমআর শিট নষ্ট করা হয়েছে বলে হাইকোর্টে আগেই জানিয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আসল প্রতিলিপি নষ্ট করা হলেও পরিবর্তে তার ডিজিটাইজড তথ্য রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি নামের একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁরাই ওএমআর শিট স্ক্যান করেছে।

    আরও পড়ুন : হকার উচ্ছেদে অক্ষত পার্টি অফিস! তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? শোরগোল বোলপুরে

    এর আগে ওএমআর শিট সংক্রান্ত এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন হাই কোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তার পর এই মামলায় সিবিআইয়ের (CBI) কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন বিচারপতি মান্থা। মঙ্গলবার আদালতে ওএমআর শিট নিয়ে রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে ওই রিপোর্টে সন্তুষ্ট হয়নি উচ্চ আদালত।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: নিয়োগ দুর্নীতিতে মন্ত্রীর বাড়িতে ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি ইডি-র, বাজেয়াপ্ত ৪১ লক্ষ টাকা

    ED: নিয়োগ দুর্নীতিতে মন্ত্রীর বাড়িতে ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি ইডি-র, বাজেয়াপ্ত ৪১ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বোলপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তদন্তের খবর পেয়ে দলীয় কর্মসূচি ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন মন্ত্রী। রাত ১০টা ৪০ নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে বের হন ইডি (ED) আধিকারিকরা। দিনভর তল্লাশি চালিয়ে ইডি আধিকারিকরা কী করলেন তা নিয়ে শনিবার জেলাজুড়ে জোর চর্চা চলছে। জানা গিয়েছে, ৪১ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    মন্ত্রীর বাড়িতে দিনভর তল্লাশি চালিয়ে কী পেল ইডি? (ED)

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোজা বীরভূমে অনুব্রতের গড়ে হানা দেয় ইডি (ED)। ইডি সূত্র অনুযায়ী, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইতিমধ্যে ইডির হাতে ধৃত তৃণমূল প্রাক্তন যুবনেতা কুন্তল ঘোষের কাছ থেকেই বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার নাম জানতে পারেন তদন্তকারীরা। কুন্তলের কাছ থেকে ১০০ জনের নাম লেখা তালিকায় ছিল তাঁর নামও। তালিকায় থাকা এই ১০০ জন শিক্ষক নিয়োগের নামে আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িত বলে কুন্তল ইডির কাছে বয়ান দেয়। তার ভিত্তিতেই শুক্রবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নিচুপট্টির বাড়িতে সকাল ৮টা ৪০ নাগাদ পৌঁছে যান ইডির ৮ থেকে ১০ জনের আধিকারিক দল। সঙ্গে ছিল বিশাল কেন্দ্রীয়বাহিনী। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুক্রবার ১৪ ঘণ্টা ধরে তল্লাশির পর ইডি আধিকারিকরা মন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, একাধিক নথিপত্র পরীক্ষা করে কিছু কিছু বাজেয়াপ্তও করেছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, মন্ত্রীকে একদিন ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন পাঠানো হতে পারে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নাম পেয়েই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের। সূত্রের খবর, মন্ত্রীর ছেলে ও স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এদিন। বাজেয়াপ্ত হয়েছে জমির দলিল ও বেশ কিছু নথিপত্র এবং নগদ ৪১ লক্ষ টাকা। সেগুলি কীসের, তা খতিয়ে দেখবে ইডি।

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের মুখে পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মী খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    কী বললেন মন্ত্রী?

    ইডি (ED) বোলপুরের বাড়িতে হানা দেওয়ার সময় মন্ত্রী এই বাড়িতে ছিলেন না। তিনি ছিলেন মুরারইয়ে গ্রামের বাড়িতে। ইডি হানার খবর পেয়ে দুপুর প্রায় ২টো নাগাদ বোলপুর এসে পৌঁছন। তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ইডি। মুরারই থেকে বোলপুর আসতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগার কথা। কিন্তু মন্ত্রী প্রায় ৫ঘণ্টা পর এলেন কেন? মন্ত্রী এই বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, “আমাকে যা যা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে,আমি সেসবের উত্তর দিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jiban Krishna Saha: ২১ তারিখ পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে জীবনকৃষ্ণ, জেরায় উঠে আসবে আর কী কী তথ্য?

    Jiban Krishna Saha: ২১ তারিখ পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে জীবনকৃষ্ণ, জেরায় উঠে আসবে আর কী কী তথ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে (Jiban Krishna Saha) ৪ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আলিপুরের বিশেষ আদালত। সোমবার সকালে তাঁকে মুর্শিদাবাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে কলকাতায় নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। প্রথমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর তাঁকে পেশ করা হয় আদালতে। সেখানেই শাসক দলের বিধায়ককে আগামী ২১ তারিখ পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে পাঠিয়ে দেন বিচারক।

    পরতে পরতে নাটক

    জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) বাড়িতে সিবিআই হানা ও তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হওয়া—এই দুইয়ের মধ্যে ফারাক ছিল প্রায় ৬৭ ঘণ্টার, যার পরতে পরতে লুকিয়ে ছিল একাধিক নাটকীয় মুহূর্ত। সেই শুক্রবার সকালে শুরু হয় তদন্তকারীদের অভিযান। সিবিআই দেখেই বাড়ির পাশের পুকুরে নিজের জোড়া মোবাইল ফেলে দেন জীবনকৃষ্ণ। সেই শুরু। এক সময় বিধায়ককে দেখা যায়, পাঁচিল টপকে পালানোর চেষ্টাও করছেন। তাঁকে পাকড়াও করা হয়। তারপর পুকুরের জল ছেঁচে ৩৮-ঘণ্টা পর একটা মোবাইল উদ্ধার করা হয়। ৬৫-ঘণ্টা পর পুকুরের ধারের ঝোপ থেকে দ্বিতীয় ফোনও উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘক্ষণ জেরা পর্বের পর অবশেষে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    আদালতে সওয়াল সিবিআইয়ের

    এদিন আদালতে পেশ করা হলে, বিধায়কের জামিনের আর্জির বিরোধিতা করে সিবিআইয়ের আইনজীবী দাবি করেন, ‘‘জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha) প্রার্থীদের থেকে টাকা নিয়ে কোটি কোটি টাকা তুলেছেন৷ টাকার বিনিময়ে বহু অযোগ্য প্রার্থীকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। তাঁর বাড়ি থেকে প্রচুর নথি উদ্ধার হয়েছে। তল্লাশির সময় ফোন পুকুরে ছুড়ে ফেলে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। সিবিআইয়ের আইনজীবীর আরও দাবি, জীবনকৃষ্ণের বাড়ি থেকে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত প্রচুর মূল্যবান নথি পাওয়া গিয়েছে৷

    পাল্টা জীবনকৃষ্ণর (Jiban Krishna Saha) আইনজীবী বলেন, ‘জীবনকৃষ্ণকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি নির্দোষ। তাঁর বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা ও ছোট সন্তান রয়েছে। তাই তাঁকে যেন জামিন দেওয়া হয়।’ সওয়াল শুনে ধৃত তৃণমূল বিধায়ককে ৪ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    কী জানার চেষ্টায় সিবিআই?

    নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সির নজরে রাজ্যের আরও কয়েকজন বিধায়ক। সিবিআই-এর দাবি, ইতিমধ্যেই ৮-১০ জন বিধায়কের নাম উঠে এসেছে। বিভিন্ন জেলার এই বিধায়করা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন। কেউ নিজের লেটার প্যাডে চাকরির সুপারিশ করেছেন। কেউ আবার চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা পাঠিয়েছেন। এই চাকরি-বিক্রি চক্রে আরও কোনও বিধায়ক আছেন কি না, তা জানতে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে (Jiban Krishna Saha) জেরা করতে চায় সিবিআই। প্রয়োজনে বিভিন্ন ব্যক্তির ও সন্দেহভাজনদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ককে। 

  • Kalighater Kaku: খুলবে রহস্যের জাল! ‘কালীঘাটের কাকু’-র কণ্ঠস্বর কেন ইডি-র কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল?

    Kalighater Kaku: খুলবে রহস্যের জাল! ‘কালীঘাটের কাকু’-র কণ্ঠস্বর কেন ইডি-র কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ে চার মাসের অপেক্ষার অবসান। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালানোর পর অবশেষে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত ‘কালীঘাটের কাকু’-র (Kalighater Kaku) ভয়েস স্যাম্পল হাতে পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কতটা তাৎপর্যপূর্ণ এই ঘটনা? তদন্তেই বা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এই কণ্ঠস্বর নমুনা?

    অগাস্ট থেকে এসএসকেএমেই ঠিকানা ‘কাকু’র

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের (Recruitment Scam) স্বার্থে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’-র কণ্ঠস্বর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেটা গত বছরের অগাস্ট মাস। সেই মাসেই একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়। তার পর ২২ অগাস্ট থেকে ‘কালীঘাটের কাকু’-র ঠিকানা হয়ে যায় এসএসকেএম হাসপাতাল। কখনও তাঁর ঠাঁই হয় হাসপাতালের আইসিসিইউ বেডে তো কখনও কার্ডিওলজি বিভাগে। সেই থেকে প্রায় সাড়ে চার মাস ওই বিভাগের একটি শয্যা দখল করে রয়েছেন ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighater Kaku)। 

    ‘কাকু’-র কণ্ঠ পেতে মরিয়া ছিল ইডি

    সুজয়কৃষ্ণর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল ইডি। তদন্তকারীরা জানতেন, তদন্তের স্বার্থে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, গ্রেফতারের পর দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে ইডি-কে। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও এতদিন তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা এতদিন সংগ্রহ করতে পারেনি ইডি৷ কারণ, শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ‘কাকু’ (Kalighater Kaku)। বার বার এসএসকেএমে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে ইডিকে। এমনকী, ডিসেম্বরের শুরুতে জোকা থেকে অ্যাম্বুল্যান্স গিয়েও ফিরে এসেছিল। 

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে মুখ খুললেন ‘কালীঘাটের কাকু’, কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেল ইডি

    ‘কাকু’কে আড়াল করছে এসএসকেএম!

    এই প্রেক্ষিতে, ফের আদালতের দ্বারস্থ হয় তদন্তকারী সংস্থা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাদের দাবি ছিল, ‘কাকু’-কে আড়াল করছে এসএসকেএম। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ ছিল, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের শারীরিক অবস্থার দোহাই দিয়ে বার বার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি করছিল এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ৷ ইচ্ছে করেই তাঁর স্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এর পরই হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ইএসআই হাসপাতালে ‘কাকু’কে নিয়ে গিয়ে শারীরিক পরীক্ষা করা হোক। ২ জানুয়ারি কণ্ঠস্বরের নমুনার উপর ফের জোর দেয় আদালত। ফলস্বরূপ, বুধবার মধ্যরাতে জোকা ইএসআই হাসপাতালে হয় ‘কাকু’র (Kalighater Kaku) কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ। যা তদন্তের (Recruitment Scam) গতিপ্রকৃতি স্থির করতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    ১০০ শতাংশ বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়া

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট ভীষণই বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়া। তাঁরা জানান, ডিএনএ স্যাম্পেলিং, রেটিনাল ম্যাপিং কিংবা ফিঙ্গারপ্রিন্ট অ্যানালিসিস-এর মতোই শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া হিসেবে ১০০ শতাংশ বিজ্ঞানসম্মত এই ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট।  সূত্রের খবর, এবার সুজয়কৃষ্ণর এই কণ্ঠস্বরের নমুনা ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ যার ফলাফলের উপর নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তের (Recruitment Scam) ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে বলে ওয়াকিবহল মহলের মত৷ তদন্তকারীদের ধারণা, সেখান থেকেই অনেক রহস্যের উন্মোচন হবে (Kalighater Kaku)। 

    কথোপকথন পরীক্ষা করা হবে…

    ইডি সূত্রর দাবি, নিয়োগ মামলার তদন্তে (Recruitment Scam) এই পরীক্ষা অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে বিশ্বাস। গোয়েন্দাদের মতে, এই নমুনা তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ইডি সূত্রের দাবি, তদন্ত করতে গিয়ে যেদিন সুজয়কৃ্ষ্ণর বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি, সেদিনই বিষ্ণুপুর থানায় কর্মরত ‘কাকু’-র ঘনিষ্ঠ রাহুল বেরা নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতেও পৌঁছেছিল তদন্তকারী দল। ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। সেখান থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। তার মধ্য়ে ছিল একটি কথোপকথন। ইডির দাবি, অডিও ক্লিপিংয়ে শোনা যাচ্ছে, রাহুলকে বলা হচ্ছে, মোবাইলে থাকা নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য মুছে ফেলো। ইডি-র দাবি, বক্তা আর কেউ নন, ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighater Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। সেই জন্যই এই কণ্ঠস্বর পাওয়া এত জরুরি ছিল ইডি-র কাছে, চ্যালেঞ্জও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: ইচ্ছেপূরণ হল না! বাড়িতে বসেই চিকিৎসা করানোর নয়া আবদার পার্থর

    Partha Chatterjee: ইচ্ছেপূরণ হল না! বাড়িতে বসেই চিকিৎসা করানোর নয়া আবদার পার্থর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মূল্যে জামিন পেতে মরিয়া নিয়োগ দুর্নীতিতে (Teacher Recruitment Scam) গ্রেফতার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। কিন্তু বারবার আবেদন করেও জামিন মিলছে না। বুধবারও আদালতে জামিনের জন্য আর্জি জানান পার্থর আইনজীবী। এদিন আদালতে আইনজীবী, তাঁর শারীরিক সমস্যার কথা তুলে ধরে তাঁকে যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আর্জি জানান। জেলে ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না৷ তাই বাড়িতে বসেই চিকিৎসার অনুমতি দেওয়া হোক৷ এমন কি, তার জন্য যে কোনও শর্ত পালনেও রাজি ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ কিন্তু এবারও মিলল না অনুমতি। ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

    পার্থর আবেদন

    এদিন আদালতে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের (Partha Chatterjee) আইনজীবী বলেন, “যে কোনও শর্তে জামিন চাইছি। দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ। বাড়িতে বসে চিকিৎসা করার আবেদন জানাচ্ছি।” আদালতে আইনজীবি আরও জানান যে, “মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ ছিল নিয়মিত রক্তপরীক্ষা করার। কিন্তু গত ৯ মাসে রক্তপরীক্ষা হয়নি। জেলে থেকে চিকিৎসা হচ্ছে না। যেভাবে চিকিৎসা হওয়া দরকার, সেটা হচ্ছে না। দিনের পর দিন বিনা চিকিৎসায় রয়েছেন। হেফাজতে রয়েছেন, তদন্ত হচ্ছে না।” মেডিক্যাল বোর্ড অনুসারে, ওনার নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা দরকার৷ কিন্তু সেটা হচ্ছে না। কিডনির সমস্যা, হাই ব্লাড সুগার, জয়েন্টে সমস্যা ও একাধিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে। এই পরিস্থিতি নেতাজি নগর থানা এলাকার নাকতলায় পৈতৃক বাড়িতে বসে ওনার চিকি়ৎসার ব্যবস্থা করা হোক৷

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে মুখ খুললেন ‘কালীঘাটের কাকু’, কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেল ইডি

    সিবিআই-এর বিরোধিতা

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) আইনজীবীর এই আবেদনের বিরোধিতা করেন সিবিআই-এর আইনজীবী৷ তিনি বলেন, “মিডলম্যানদের সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের সরাসরি যোগ ছিল। আর্থিক লেনদেন হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়-ই নির্দেশ দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে অফিসারদের দুর্নীতিতে যুক্ত করেছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়-ই এই দুর্নীতির কিংপিন।” দু-পক্ষের সওয়াল জবাবের পর ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়কে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। প্রসঙ্গত, শিক্ষা দুর্নীতির (Teacher Recruitment Scam) দায়ে ২০২২-এর জুলাই মাসে ইডি গ্রেফতার করে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়কে। একইসঙ্গে গ্রেফতার করা হয় পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্য়ায়কেও। তারপর থেকে জেলেই দিন কাটছে প্রাক্তন মন্ত্রীর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: মধ্যরাতে মুখ খুললেন ‘কালীঘাটের কাকু’, কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেল ইডি

    Kalighater Kaku: মধ্যরাতে মুখ খুললেন ‘কালীঘাটের কাকু’, কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ টালবাহানা, টানাপোড়েন পেরিয়ে প্রায় সাড়ে চার মাস পর অবশেষে নিয়োগকাণ্ডের (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighater Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে সক্ষম হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি। বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া চরম নাটকের যবনিকা পড়ল বৃহস্পতিবার ভোররাতে।

    মুখে মাস্ক, গায়ে চাদর চাপিয়ে বের হন ‘কাকু’

    বুধবার রাত ৯.৫০ নাগাদ হাসপাতাল থেকে বের করা হয় ‘কালীঘাটের কাকু’কে। এসএসকেএমের হৃদরোগ বিভাগের কেবিন থেকে খয়েরি রঙের চাদর মুড়ি দিয়ে বের হয়েছিলেন ‘কাকু’ (Kalighater Kaku)। মুখে ছিল মাস্ক। হুইলচেয়ারে করে তাঁকে তোলা হয় অ্যাম্বুল্যান্সে। আদালতের নির্দেশ মতো, তাঁকে সোজা আনা হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে। আগে থেকেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল জোকা ইএসআই হাসপাতালে তৈরি ছিল৷ মেডিক্যাল পরীক্ষার পর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়৷ 

    ভয়েস দিতে রাজি হচ্ছিলেন না ‘কাকু’

    সূত্রের খবর, তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করতে গিয়ে এদিনও যথেষ্ঠ বেগ পেতে হয়েছে তদন্তকারী গোয়েন্দা সংস্থা ইডি-কে (Enforcement Directorate)। প্রথম দিকে প্রায় একঘণ্টা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য রাত পৌনে একটা নাগাদ চিকিৎসক এবং ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের নির্দেশ মতো বাক্যগুলি বলতে রাজি হন ‘কালীঘাটের কাকু’ (Kalighater Kaku)৷ দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে চলে তাঁর ‘ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট’ এর প্রক্রিয়া। জানা গিয়েছে, ‘কাকু’র মুখ দিয়ে তিনটি বাক্য বার বার বলানো হয়। সেগুলি হল— ‘আপনার নাম কী?’, ‘আপনার স্ত্রীর নাম কী?’ এবং ‘আমার সাহেবকে কেউ ছুঁতে পারবে না’৷

    এসএসকেএমে ফিরলেন ভোর রাতে…

    শেষে রাত্রি ২টো বেজে ৫০ মিনিট নাগাদ জোকা ইএসআই হাসপাতাল থেকে ‘কাকু’কে (Kalighater Kaku) সঙ্গে নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স ফের রওনা দেয় এসএসকেএমের উদ্দেশে। সেখানেও ফিরেও একপ্রস্থ নাটক হয়। গেট বন্ধ থাকায় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ‘কাকুকে’। অবশেষে ভোর ৩টে ২০ নাগাদ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Teacher Recruitment Case: নিয়োগ প্যানেল নিয়ে বিচারপতি সিনহার নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক পর্ষদ!

    Teacher Recruitment Case: নিয়োগ প্যানেল নিয়ে বিচারপতি সিনহার নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক পর্ষদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে (Teacher Recruitment Case) চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ১২ ডিসেম্বর জেলা ভিত্তিক নিয়োগের প্যানেল আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে এই মামলার।

    সিঙ্গল বেঞ্চের রায়

    ২০১৪ সালের পর রাজ্যে টেট পরীক্ষা হয় দু বার। একবার ২০১৬ সালে। আর দ্বিতীয়বার ২০২০ সালে। নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল ৪২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। এই দুই নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। পর্ষদকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল বিচারপতি সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই সময় পর্ষদ আদালতে জানিয়েছিল, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ইতিমধ্যেই একটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে। তবে নিয়োগের রীতি মেনে ২০১৬ সালের প্যানেল প্রকাশের নিয়ম নেই।

    বিচারপতি সিনহার মন্তব্য

    যদিও আদলত চেয়েছিল দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়ারই সম্পূর্ণ প্যানেল দেখাতে। বিচারপতি সিনহার মন্তব্য ছিল, “আমি প্রাথমিকের প্যানেল (Teacher Recruitment Case) দেখতে চাই। মেয়াদ শেষের আগে একটা প্যানেল প্রস্তুত হয়। সেটি দেখতে চাই। নিয়োগের প্যানেল খতিয়ে দেখার অধিকার রয়েছে আদালতের।” তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, “নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ না করে কি পর্ষদ কাউকে আড়াল করতে চাইছে? এই প্যানেল বাড়িতে গচ্ছিত রাখার সম্পত্তি নয়। প্যানেল প্রকাশ হলে অসুবিধা কোথায়?” বিচারপতি সিনহার সেই প্যানেল প্রকাশের নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

    আরও পড়ুুন: “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এই মামলায়ই বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন এমন ৯৪জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। পর্ষদের তরফে আদালতে জানানো হয়েছিল, যে দুটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে, তা ঠিক নয়। প্যানেলের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। তখনই বিচারপতি সিনহার মন্তব্য ছিল, “আর কতদিন অপেক্ষায় থাকবেন বঞ্চিতেরা? তাঁদের (Teacher Recruitment Case) কাছে প্রতিটি দিনের মূল্য রয়েছে। চাকরি প্রার্থীদের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share