Tag: Tehran

Tehran

  • Iran-US Conflicts: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন! ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা বাহরিন-কুয়েতে তেহরানের ড্রোন হানা

    Iran-US Conflicts: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন! ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা বাহরিন-কুয়েতে তেহরানের ড্রোন হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিচুক্তি জলে। ইরান ও আমেরিকার (Iran-US Conflicts) মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য। ফের অশান্ত হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz)। বুধবার রাতভর ইরানে গোলাবর্ষণ করেছে আমেরিকা। পালটা জবাব দিয়েছে তেহরানও। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। ইরানের একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে বাহরিন, কুয়েত ও জর্ডনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের এই হামলার নিন্দা করেছে বাহারিন সেনা। কুয়েত ও জর্ডনও এই হামলার বিরোধিতা করেছে। অসামরিক নাগরিকদের উপর এই হামলা চালোনো হয়েছে বলে দাবি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি।

    ইরানের একাধিক শহরে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র

    ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আগেই। সেই মতো বুধবার ইরানে আক্রমণের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি করে মার্কিন সেনা। বুধবার রাতভার সিরিক, মিনাব-সহ ইরানের একাধিক শহরে আছড়ে পড়ে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র। মুহুর্মুহু বিস্ফোরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। সূত্রের খবর, তড়িঘড়ি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে ইরানি সেনা। যদিও এই হামলায় হতাহতের খবর এখনও জানা যায়নি। ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলির তরফে জানানো হয়েছে, কেবল সিরিক এবং মিনাব শহরেই নয়, বন্দর আব্বাস, কাশেম দ্বীপেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ইরানের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন হামলার পালটা জবাব দেয় তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তারা। ইরানের ইসলামিক রিভ্যালুশিনারী গার্ডের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে প্রত্যাঘাত করে তেহরান। কুয়েত, বাহরিন-সহ একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একটি মার্কিন বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

    ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, পাল্টা ইরানের

    বুধবারই ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমেরিকা গত কাল জোরালা হামলা চালিয়েছে। আজ আবার ওদের (ইরান) উপর হামলা চালাতে চলেছে। ওরা চুক্তির জন্য সমঝোতা করতে অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলেছে। চুক্তি করলে তা ওদের জন্য খুব ভাল হত। কিন্তু এখন ওদের মূল্য চোকাতে হবে।” ট্রাম্পের কথার সূত্র ধরেই মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ পরে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। আমেরিকাকে জবাব দিয়েছে ইরানও। সে দেশের পার্লামেন্টের জাতীয় সুরক্ষা সংক্রান্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজির হুঁশিয়ারি, “যুদ্ধ নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না।” মনে করা হচ্ছে, এই মন্তব্য করে ইরান ইঙ্গিত দিতে চেয়েছে যে, পশ্চিম এশিয়ার যে দেশগুলিতে মার্কিন ঘাঁটি আছে, সেই সমস্ত দেশে হামলা চালাবে তারা।

    ফের অশান্ত হরমুজ, তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

    আমেরিকার পাল্টা কৌশলে হরমুজ প্রণালী ধরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করেছে ইরান। তেহরানের হুঁশিয়ারি, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে কোনও জাহাজ প্রণালী অতিক্রম করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। আমেরিকার যদিও দাবি, হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়, ইরানের ‘ধারাবাহিক আগ্রাসন’ মোকাবিলায় সক্রিয় আমেরিকা। তব, হরমুজ প্রণালীতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC)। আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী অবৈধভাবে অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালীতে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। উল্লেখ্য, গত সোমবার হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ইরান সেটি ভূপাতিত করেছে বলে অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা চলছে।

    কেন হামলা,জানাল ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের জবাবে বাহরিন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। আল জাজিরা জানিয়েছে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে বাহরিনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল সালেম ও আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরান দাবি করেছে, গত এপ্রিলে দুই দেশের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বারবার তা লঙ্ঘন করেছে। এ প্রেক্ষাপটে নিজেদের প্রতিরক্ষার অংশ হিসেবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

    রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় ইরানের দাবি

    বাহরিনে অবস্থিত আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ইরানি ড্রোন। রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় বিষয়টিকে ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে ইরান। বুধবার ইরানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় বাহরিনে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোটা কতটা জরুরি ছিল, তা বিশদে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ ইরানে হামলা চালিয়ে আমেরিকা আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদকে উপেক্ষা করেছে— এমন অভিযোগও এনেছে তেহরান। পাশাপাশি, বিষয়টি আমেরিকার পরিকল্পিত আগ্রাসন ছাড়া কিছু নয়, এমনটাও দাবি করেছে ইরান।

    ইরানি হামলার নিন্দা বাহরিন-কুয়েত-সৌদি-মিশরের 

    বাহরিন, কুয়েত, জর্ডন, আরব-আমিরাত ইরানের হামলার নিন্দা করেছে। জর্ডান, বাহরিন এবং কুয়েতের ওপর ইরানের হামলার ঘটনায় ‘কঠোর ভাষায়’ নিন্দা জানিয়েছে মিশরও। একই সঙ্গে এই তিন দেশের প্রতি ‘পূর্ণ সংহতি’ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই অস্থিরতায় জর্ডন, বাহরিন এবং কুয়েতের পাশে আছে মিশর। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব হামলার ঘটনা ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার চরম লঙ্ঘন। এতে বিপজ্জনক ভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে যা সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বাহরিন দাবি করেছে, অসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান, যা কখনওই কাম্য নয়। বাহরিন সেনা এর জবাব দিতে প্রস্তুত। সৌদি আরব ইরানের এই হামলাকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছে।

  • Trump China Visit: চিন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, কী কারণে বেজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Trump China Visit: চিন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, কী কারণে বেজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের চিন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump China Visit)। ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত চিনে থাকবেন তিনি। বহুচর্চিত এই রাষ্ট্রীয় সফর ওয়াশিংটন ও বেজিংয়ের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে (Xi Jinping) বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। প্রায় এক দশকের মধ্যে কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট পা রাখেননি চিনে। ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেরও এটিই প্রথম চিন সফর। যদিও তাঁর প্রথম মেয়াদের ২০১৭ সালের সফরের পর এটিই প্রথম তাঁর চিন-যাত্রা।

    সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাষার আড়ালে চাপ! (Trump China Visit)

    চিন সম্পর্কে নানা সময় কড়া ভাষায় মন্তব্য করলেও, ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। গত সপ্তাহেও তিনি শি-কে ‘ভালো মানুষ’ এবং ‘বুদ্ধিমান মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। জানিয়ে দেন, তাঁদের মধ্যে ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে। বিশ্ব রাজনীতির খবরাখবর যাঁরা রাখেন, তাঁদের মতে, এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাষার আড়ালে চাপ ক্রমশ বাড়ছে। ট্রাম্প-জিনপিং বৈঠক এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্য-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিকে কূটনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে হিমশিম খাচ্ছে ট্রাম্পের দেশ। ট্রাম্পের বেজিং সফরের ওপর সবচেয়ে বড় ছায়া ফেলেছে ইরান সঙ্কট। কয়েক সপ্তাহ ধরে হোয়াইট হাউস চেষ্টা করছে যাতে চিন তেহরানের ওপর তার প্রভাব খাটিয়ে মার্কিন-সমর্থিত সমাধান নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। তা না হলেও, অন্তত যাতে হরমুজ প্রণালী ফের খুলে দেওয়া হয়, সেজন্য চাপ সৃষ্টি করে।

    মার্কিন প্রভাবের সীমাবদ্ধতা

    যদিও এই যুদ্ধে আমেরিকা সরাসরি পরাজিত হয়নি, তবে এই সংঘাত মার্কিন প্রভাবের সীমাবদ্ধতার কঙ্কালসার চেহারাটাই বেআব্রু (Xi Jinping) করে দিয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অশান্তির প্রভাব পড়লেও, এখনও যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেনি ওয়াশিংটন। ট্রাম্প অবশ্য (Trump China Visit) মচকাচ্ছেন না। তিনি বলেন, “আমি এর শেষ দেখতে চাই।”  অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ ওই প্রণালী ফের চালু করতে যে তিনি মরিয়া, তা স্পষ্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্যেই। ট্রাম্পের দাবি, ইরানের যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। কারণ তিনি তেহরানের (ইরানের রাজধানী) সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। আধিকারিকদের মতে, ওই প্রস্তাবে ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কিছু সমঝোতার ইঙ্গিত ছিল। যদিও ট্রাম্প সেটিকে ‘জঞ্জাল’ বলে উড়িয়ে দেন। এহেন আবহে ওয়াশিংটন তাকিয়ে রয়েছে বেজিংয়ের সাহায্যের দিকে। চিন ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার এবং এখনও বিপুল পরিমাণ ইরানি তেল কেনে। তাই তেহরানের ওপর তাদের এমন প্রভাব রয়েছে, যা আমেরিকারও নেই।

    বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞের বক্তব্য

    হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের চিনা (Xi Jinping) বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞ আলেহান্দ্রো রেয়েস বলেন, “ট্রাম্প আলোচনায় প্রবেশ করছেন দুর্বল অবস্থান থেকে। ট্রাম্পের চিনকে প্রয়োজন চিনের তুলনায় বেশি (Trump China Visit)।” তিনি এও বলেন, “ট্রাম্প একটি বিদেশনীতি-সংক্রান্ত সাফল্য চান। এমন একটি সাফল্য, যা দেখাবে তিনি শুধু বিশ্ব রাজনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছেন না, বরং স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করতে চাইছেন।” এদিকে, ট্রাম্পের চিন সফরের আগে উত্তেজনা কমানোর তেমন কোনও ইঙ্গিত দেয়নি তেহরান। ইরানের নয়া সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলি আকবর ভেলায়াতি বলেন, “মিস্টার ট্রাম্প, কখনও ভাববেন না যে ইরানের বর্তমান শান্ত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে আপনি বিজয়ীর বেশে বেজিংয়ে ঢুকতে পারবেন।” অন্যদিকে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ফের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এ থেকে স্পষ্ট সংঘাত এখনও শেষ হয়নি (Trump China Visit)।

    ইরান ইস্যুতে চিনের সাহায্য বিনামূল্যে!

    তবে ইরান ইস্যুতে চিনের সাহায্য বিনামূল্যে আসবে না। বেজিং হয়তো ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করবে, বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে। প্রসঙ্গত, চিন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে মনে করে। তাইপের (তাইওয়ানের রাজধানী) সঙ্গে আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিরুদ্ধে বারবার সোচ্চার হয়েছে চিন। মনে রাখতে হবে, ওয়াশিংটনের নীতিতে সামান্য পরিবর্তনও এশিয়ায় মার্কিন মিত্রদের উদ্বিগ্ন করতে পারে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ট্রাম্পের কূটনৈতিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে বেজিং হয়তো তাইওয়ানের প্রতি আমেরিকার প্রতিশ্রুতি শিথিল করার চেষ্টা করবে। তাই এই বৈঠকেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, চিনের সহযোগিতার বিনিময়ে কতদূর আপস করতে প্রস্তুত ট্রাম্প। শি-ট্রাম্প বৈঠকের আর একটি বড় বিষয় হবে বাণিজ্য, বিশেষ করে গত বছরের তীব্র শুল্কযুদ্ধের পর (Xi Jinping)।

    হাতিয়ার যখন বিরল খনিজ রফতানি

    এই বৈঠকের পথ তৈরি হয় অক্টোবর মাসে বুসানে, যখন দুই দেশ ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য সংঘাত সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছিল। সেই সংঘাতে চিনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক পৌঁছেছিল ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত (Trump China Visit)। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় চিন বিরল খনিজ (Rare Earth Minerals) রফতানিতে কড়াকড়ি করে। এসব খনিজ আমেরিকার প্রযুক্তি কোম্পানি ও সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিনের কড়াকড়ির জেরে আমেরিকার কয়েকটি কারখানায় দেখা দেয় বড় ধরনের উৎপাদন সমস্যা। এই অচলাবস্থা দেখিয়ে দেয়, চিন এখন আমেরিকার অর্থনীতির কৌশলগত খাতগুলিতেও আঘাত হানার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে উভয় পক্ষই অন্তত সাময়িকভাবে সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে আগ্রহী। চিন মার্কিন প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও রফতানি নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতা চায়। আর ওয়াশিংটন চায় চিন আরও বেশি করে মার্কিন পণ্য কিনুক, প্রতিশ্রুতি দিক নয়া লগ্নির (Trump China Visit)।

    সংঘর্ষের সুতোয় জড়িয়ে গিয়েছে সব

    সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ঘোষণাগুলির মধ্যে রয়েছে বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের আলোচিত বিমান চুক্তি। জানা গিয়েছে, চিন ৫০০টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স এবং আরও কয়েক ডজন ওয়াইড-বডি বিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ২০১৭ সালের পর এটাই হবে চিনের সবচেয়ে বড় বোয়িং কেনা। আমেরিকা আরও চাইছে চিন যেন সয়াবিন, মুরগি, গরুর মাংস, কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস-সহ মার্কিন কৃষি ও জ্বালানি পণ্যের আমদানি ব্যাপকভাবে বাড়ায় (Xi Jinping)। বিশ্লেষকদের মতে, চিনের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার এখনও তাদের বিরল খনিজ সরবরাহ ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ। বেজিং বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য আমেরিকাকে দীর্ঘমেয়াদি বিরল খনিজ সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে পারে, যদিও সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত সরবরাহ সীমিত রাখবে (Trump China Visit)। এই কৌশলগত প্রভাবই ট্রাম্পের চিন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হয়ে উঠতে পারে, যেখানে কূটনীতি, বাণিজ্য এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা – সব একসঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সংঘর্ষের সুতোয়।

     

  • Iran: লেবাননে ইজরায়েলি হামলা, ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান

    Iran: লেবাননে ইজরায়েলি হামলা, ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পর দু’সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। তার পরেই খুলে দেওয়া হয়েছিল হরমুজ প্রণালী। যদিও ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যেই ফের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হল ওই প্রণালীতে। ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে। তাদের দাবি, লেবাননে হিজবুল্লাদের টার্গেট করে ইজরায়েল ১০০টি বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। ইজরায়েলের ওই হামলায় ২৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হোয়াইট হাউস ইরানকে অবিলম্বে প্রণালী খুলে দিতে বলেছে। যদিও হরমুজ প্রণালী বন্ধের আগে দু’টি জাহাজকে প্রণালী পার হতে দেওয়া হয়েছিল।

    লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয় (Iran)

    ইজরায়েলের মতে, লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয়, যদিও ইরান তা অস্বীকার করেছে। তেহরান বলেছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় ইজরায়েলের পক্ষ থেকে হিজবুল্লাহ ও অন্যান্য ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ওপর হামলা-সহ সব ধরনের সংঘাত বন্ধ করতে হবে। এক শীর্ষ ইরানি আধিকারিক লেবাননের বিরুদ্ধে নৃশংস ইহুদি আগ্রাসনের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধের দাবি জানান। তিনি বলেন, “যুদ্ধবিরতি সবার জন্যই প্রযোজ্য হওয়া উচিত।” ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা তথা বিদেশনীতি কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজেই এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “লেবাননের বিরুদ্ধে নৃশংস জায়নিস্ট আগ্রাসনের জবাবে এখনই হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে হবে… লেবাননের মানুষ আমাদের জন্য প্রাণ দিয়েছে, আমরা তাদের এক মুহূর্তও একা ছেড়ে দিতে পারি না। যুদ্ধবিরতি হয় সব ফ্রন্টে হবে, নয়তো কোথাও নয়।” এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরানকে প্রণালী খুলতে হবে। তবে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নীতিগতভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নিয়েছে।

    ইরানি আধিকারিকের বক্তব্য

    প্রবীণ এক ইরানি আধিকারিক জানান, ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা হওয়ার আগে বৃহস্পতি বা শুক্রবারের মধ্যে ইরান অবরোধ কিছুটা শিথিল করতে পারে, যদিও জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানের অনুমতি লাগবে। হরমুজ প্রণালী ইরান এবং ওমান-সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে অবস্থিত একটি সঙ্কীর্ণ জলপথ। এটি পারস্য উপসাগরকে আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং বিশ্বের দৈনিক তেল এবং এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই হয় এই প্রণালী-পথে। এসবই ঘটে যখন ইজরায়েল লেবাননে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় হামলা চালায় এদিন, যদিও হিজবুল্লাহ উত্তর ইজরায়েলে আক্রমণ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছিল এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তির মধ্যেই ছিল ইজরায়েলি বাহিনীও।

    বেইরুটে শক্তিশালী বিস্ফোরণ

    এদিন বেইরুটে শক্তিশালী বিস্ফোরণের জেরে শহর কেঁপে ওঠে, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়ার মেঘ। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, তারা সংঘাতের সবচেয়ে বড় যৌথ হামলা চালিয়েছে, যেখানে বেইরুট, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননে ১০০টিরও বেশি হিজবুল্লাহ ঘাঁটি টার্গেট করা হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মতে, অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ৮০০ জনেরও বেশি জখম হয়েছেন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, “ইরানের ক্ষেত্রে ছ’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবাননে প্রযোজ্য নয়। তাই হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।” উল্লেখ্য, এটি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। কারণ শরিফ বলেছিলেন লেবাননও যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ হামলা জনবহুল এলাকায় হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী।

    বর্বর আগ্রাসন

    এদিকে, হিজবুল্লাহ এই হামলাকে বর্বর আগ্রাসন বলে নিন্দে করেছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, “বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি কাঠামোর মধ্যে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাব।” ইরানের ইসলামিক রিভলুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলকে সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে হামলা চললে তার জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, হিজবুল্লাহর কারণে লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয়। তিনি একে আলাদা সংঘর্ষ হিসেবে বর্ণনা করেন। যদিও তিনি বলেন বিষয়টি সমাধান করা হবে। হোয়াইট হাউসের তরফেও একই অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে। ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযানে ১,৫০০-র বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩০-এরও বেশি শিশু ও ১০০-এরও বেশি নারী রয়েছে। উল্লেখ্য যে, হিজবুল্লাহ ইরানের সমর্থনে ইজরায়েলের দিকে রকেট ছোড়া শুরু করেছে।

     

  • Iran: ‘দ্রুত ইরান ছাড়ুন’, যুদ্ধবিরতির আবহে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ ভারতের দূতাবাসের

    Iran: ‘দ্রুত ইরান ছাড়ুন’, যুদ্ধবিরতির আবহে ভারতীয় নাগরিকদের পরামর্শ ভারতের দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে তারা যে সামরিক অভিযান চালিয়েছিল, তার নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। এই অপারেশনই আপাতত স্থগিত থাকছে। যুদ্ধবিরতির খবর চাউর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানে (ইরানের রাজধানী) অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জরুরি পরামর্শ জারি করে ভারতীয় নাগরিকদের এই সময়ে  দ্রুত ইরান ছেড়ে চলে যেতে বলে। দূতাবাস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নাগরিকদের অবশ্যই আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে এবং নির্ধারিত পথই ব্যবহার করতে হবে।

    কয়েকটি জরুরি যোগাযোগ নম্বর (Iran)

    সতর্কবার্তায় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়, আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্তে নিজ উদ্যোগে যাওয়া যাবে না। আধিকারিকরা বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের যাতায়াত দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই করতে হবে।” যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি বলেও জানান তাঁরা। ভারতীয় নাগরিকদের সাহায্যের জন্য দূতাবাস কয়েকটি জরুরি যোগাযোগ নম্বর প্রকাশ করেছে। এগুলি হল—

    • +৯৮৯১২৮১০৯১১৫
    • +৯৮৯১২৮১০৯১০২
    • +৯৮৯১২৮১০৯১০৯
    • +৯৮৯৯৩২১৭৯৩৫৯

    ইরান ছাড়ার পরিকল্পনা করার সময় নাগরিকদের দূতাবাসের কর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখান আহ্বানও জানানো হয়েছে।

    কী বলা হয়েছিল আগের নির্দেশিকায়

    নয়া এই নির্দেশনা জারির মাত্র ১৬ ঘণ্টা আগে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ইরানে থাকা সব ভারতীয় নাগরিককে ৪৮ ঘণ্টা ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। দূতাবাস নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছিল সামরিক ও বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন, ভবনের উঁচুতলা থেকে দূরে থাকুন, চলাচল সীমিত রাখুন এবং সরকারি নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলুন। যাঁরা দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় থাকা আবাসনে রয়েছেন, তাঁদের ঘরের ভেতরে থাকার এবং সেখানে নিয়োজিত দূতাবাসের দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয়সড়কে যে কোনও ভ্রমণ অবশ্যই আধিকারিকদের জানিয়ে এবং তাঁদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে করতে হবে।

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

  • Iran: ‘‘সংঘাত থামাতে ফলপ্রসূ আলোচনা হচ্ছে ইরানের সঙ্গে’’ দাবি ট্রাম্পের, নস্যাৎ করল তেহরান

    Iran: ‘‘সংঘাত থামাতে ফলপ্রসূ আলোচনা হচ্ছে ইরানের সঙ্গে’’ দাবি ট্রাম্পের, নস্যাৎ করল তেহরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সংঘাত শেষ করতে খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে।’ সম্প্রতি এমনই দাবি করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের এহেন দাবি নস্যাৎ করে দিল ইরান (Iran)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনাই হয়নি। সোমবার ইরানি সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফের নামে পরিচালিত এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি।” গালিবাফ এই জাতীয় খবরকে ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেন। তিনি লিখেছেন, “ফেক নিউজ আর্থিক ও তেল বাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে আটকে রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।”

    ইরানের বার্তা (Iran)

    তাঁর এই মন্তব্য ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আলোচনা হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে বাঘাই বলেন, “যুদ্ধ শেষ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধুপ্রতিম দেশ থেকে বার্তা পাওয়া গিয়েছে।” এই আদান-প্রদান এমন একটা সময়ে ঘটছে, যখন আমেরিকা-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং উভয় পক্ষই সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছে ইজরায়েল

    ইজরায়েল জানিয়েছে, তারা সোমবার তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এদিকে, ইরানও অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এই প্রণালী বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয় এই পথেই (Donald Trump)। এই বিঘ্নের জেরে বিশ্বজুড়ে বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। উদ্বেগ বাড়ছে বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে।

    ট্রাম্পের দাবি

    তবে ইরান অস্বীকার করলেও, ট্রাম্প দাবি করে চলেছেন যে আলোচনা এগিয়ে চলছে। সপ্তাহান্তে তিনি সতর্ক করে বলেন, “৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের (Iran) বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে।” সোমবার এক পোস্টে অবশ্য ট্রাম্প জানান, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর সব ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত বর্তমানে চলা বৈঠক ও আলোচনা সাফল্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প (Donald Trump) আরও জানান, রবিবার ইরানের এক শীর্ষ ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যদিও তিনি ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি (Iran)।

     

  • S Jaishankar: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে আর্মেনিয়ার জনগণকে ধন্যবাদ জয়শঙ্করের, জানুন আসল কারণ

    S Jaishankar: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে আর্মেনিয়ার জনগণকে ধন্যবাদ জয়শঙ্করের, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান থেকে ৫৫০ জন ভারতীয় নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে আনতে সাহায্য করায় আর্মেনিয়ার (Armenia) জনগণকে ধন্যবাদ জানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    কী লিখেছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে জয়শঙ্কর লেখেন, “ইরান থেকে ৫৫০-রও বেশি ভারতীয় নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে আনতে সাহায্য করায় আর্মেনিয়ার সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ। এই কঠিন সময়ে সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।” এর আগে জম্মু-কাশ্মীর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরানে আটকে পড়া ৭০-এরও বেশি ভারতীয় ছাত্র, যাদের অধিকাংশই জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা, উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে আর্মেনিয়া ও দুবাই হয়ে নিরাপদে ভারতে ফিরে এসেছেন।

    নিরাপদে দেশে ফিরছে ভারতীয় ছাত্ররা

    সংগঠনটি জানিয়েছে, এই অঞ্চলে যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার অবনতির জন্য এই ছাত্ররা ইরানে আটকে পড়েছিল। বর্তমানে তারা নিরাপদে দেশে ফিরছে। এই ব্যাচের অধিকাংশ ছাত্র আর্মিয়া ইউনিভার্সিটি অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস, তেহরান ইউনিভার্সিটি অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস এবং ইরানের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। ফ্লাইটে ওঠার আগে তারা ইরানের বিভিন্ন শহর থেকে বাসে করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আর্মেনিয়ায় পৌঁছয় এবং ইয়েরেভানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার অভিযানে পাঠানো বিমানে ওঠে। নয়াদিল্লি, ইয়েরেভান এবং তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই উদ্ধার অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে খবর।

    ইজরায়েলি এয়ারফোর্সের বক্তব্য

    এদিকে, সংঘাত তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করতেই ইজরায়েলি এয়ারফোর্স তেহরানের মেহেরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানি নেতৃত্বের ব্যবহৃত একটি বিমান ধ্বংস করেছে। এই ঘটনা তাদের কৌশলগত চলাচলের ওপর বড় আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (S Jaishankar)। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বিমানবাহিনী জানিয়েছে, “তারা তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর নেতার বিমান ধ্বংস করেছে।” এই বিমানটি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই, অন্য শীর্ষ আধিকারিক এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক ও কূটনৈতিক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হত। ইজরায়েলি এয়ারফোর্স জানিয়েছে, এই বিমানটি সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং তথাকথিত ‘অ্যাক্সিস’ দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফলে এই অভিযানটি বিশেষভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল তেহরান ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাহত করতে।

    হাইপ্রোফাইল হামলা

    সামরিক আধিকারিকদের মতে, “এই বিমান ধ্বংসের ফলে ইরানি নেতৃত্ব ও তাঁদের মিত্র দেশগুলির মধ্যে সমন্বয়, সামরিক শক্তি গঠন এবং পুনর্গঠন সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Armenia)।” এই গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট ধ্বংসের মাধ্যমে ইজরায়েল দাবি করেছে, তারা ইরানি শাসনের সামরিক ও কূটনৈতিক নেটওয়ার্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করেছে এবং আর একটি কৌশলগত সম্পদ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই হাইপ্রোফাইল হামলাটি একটি বৃহত্তর ও তীব্র বিমান অভিযানের অংশ ছিল। ইজরায়েলি এয়ারফোর্স জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম ও মধ্য ইরানে ২০০-রও বেশি টার্গেটে হামলা চালানো হয়েছে, যার মধ্যে ছিল (Armenia) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, প্রতিরক্ষা দফতর এবং অপারেশনাল সদর দফতর (S Jaishankar)।

  • Iran Israel War: ইজরায়েলি হানায় ইরানে ব্যাপক বিস্ফোরণ, কালচে রংয়ের বৃষ্টিতে ভিজল তেহরান

    Iran Israel War: ইজরায়েলি হানায় ইরানে ব্যাপক বিস্ফোরণ, কালচে রংয়ের বৃষ্টিতে ভিজল তেহরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল ইরানের রাজধানী তেহরান (Iran Israel War)। বিশাল বিস্ফোরণ, সঙ্গে চোখ ধাঁধানো আলো এবং কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়ায় ভরে উঠল রাজধানীর আকাশ (Tehran)। তেহরানের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ডিপো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সিইও জানান, এতে চারজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দু’জন ট্যাংকার চালকও ছিলেন।

    তেল ডিপোয় হামলা (Iran Israel War)

    যুদ্ধবিমানগুলি তেহরান ও এর আশপাশের একাধিক তেল ডিপোয় হামলা চালায়। এতে ব্যাপক আগুন লাগে এবং ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় শহরের আকাশ, যা পাশের শহর কারাজ থেকেও দেখা যাচ্ছিল। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে আগুনের গোলা, দীর্ঘ ধোঁয়ার স্তম্ভ এবং রাতের আকাশে জ্বলতে থাকা আগুন দেখা যায়। বিস্ফোরণে শহরের বিভিন্ন অংশ কেঁপে ওঠে। কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশে ছড়িয়ে পড়া জ্বালানি আগুন ধরে যাওয়ায় সড়কের ধারে আগুন জ্বলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা একে ‘আগুনের নদী’ বলে বর্ণনা করেছেন, যা শহরের রাস্তায় প্রবাহিত হচ্ছিল। আক্রান্ত প্রধান ডিপোগুলোর মধ্যে ছিল শহরান ও আঘদাসিয়েহ, পাশাপাশি একটি পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহণ কেন্দ্রও। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি পরিষেবা কর্মীরা সারা রাত কাজ করেন। সিএনএনের প্রতিবেদক ফ্রেডেরিক প্লাইটগেন এক ভিডিওতে জানান, হামলার পর শহরে কালচে রঙের বৃষ্টি পড়ছিল। অনুমান, এটি তেল ও জ্বলন্ত সংরক্ষণাগারের ধোঁয়া-ধূলির সঙ্গে মিশে থাকা বৃষ্টির জল।

    ইরানি কর্তাদের বক্তব্য

    ইরানি কর্তারা জানান, তেহরান ও আশপাশে অন্তত পাঁচটি তেল সংস্থায় হামলা হয়েছে, যার মধ্যে চারটি সংরক্ষণ ডিপো এবং একটি পেট্রোলিয়াম পরিবহণ কেন্দ্র। পরবর্তীকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের সময় জ্বালানি সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। আগুনের ধোঁয়ায় রবিবার সকাল পর্যন্ত রাজধানীর আকাশে ঘন কালো কুয়াশার মতো স্তর দেখা গিয়েছে এবং বাতাসে পোড়া জ্বালানির গন্ধ ছড়িয়ে ছিল বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। ইরানের আধিকারিকরা বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।  তাঁদের দাবি, দেশের জ্বালানি মজুত নিরাপদেই রয়েছে (Iran Israel War)। ফ্রান্স২৪-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে তাদের বিমান বাহিনী তেহরানের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে, যাতে সেগুলি ইরানের সামরিক বাহিনী ব্যবহার করতে না পারে (Tehran)।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সতর্কবার্তা

    ইজরায়েল তাদের ফারসি ভাষার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি সতর্কবার্তা দেয়। এতে বলা হয়, ইরানের ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ যদি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির উত্তরসূরি নির্বাচনের বৈঠক করে, তাহলে তা টার্গেট করা হতে পারে। বার্তায় বলা হয়, “এটি একটি সতর্কবার্তা। যারা উত্তরসূরি নির্বাচন বৈঠকে অংশ নিতে চান, তাঁদের আমরা সতর্ক করছি—আমরা আপনাদের টার্গেট করতে দ্বিধা করব না। এটি একটি সতর্কবার্তা।” ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ ইতিমধ্যেই একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে, যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি (Iran Israel War)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সর্বশেষ ইরান-বিরোধী যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে, যেখানে আয়াতুল্লাহ খামেইনি এবং ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্তাদের হত্যা করা হয়।

    বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অঙ্গীকার

    ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কয়েক মাস ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে। গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাইনি বলেন, “এখন পর্যন্ত ইরান প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে আগামী দিনে আরও উন্নত ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে (Tehran)।” তিনি ফার্স নিউজ এজেন্সিকে বলেন, “বর্তমান গতিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অন্তত ছ’মাস তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে (Iran Israel War)।” এই আঞ্চলিক সংঘাত উপসাগরীয় অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। লেবাননে ইজরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহর অবস্থান ও বেইরুটের কেন্দ্রস্থলকে টার্গেট করা হয়েছে। একটি হোটেলে চারজন-সহ গত সপ্তাহে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৯৪ জন। এদিকে, সৌদি আরব জানিয়ে দিয়েছে, রিয়াধের কূটনৈতিক এলাকায় লক্ষ্য করে পাঠানো ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। কুয়েত এবং বাহরাইনও যথাক্রমে জ্বালানি ট্যাংক ও একটি লবণাক্ত জল বিশুদ্ধকরণ প্লান্টে ইরানি ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছে।

    ইরানে হামলার পরিসংখ্যান

    ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ইজরায়েল ইরানের ওপর প্রায় ৩,৪০০টি হামলা চালিয়েছে। সর্বশেষ রাতের হামলায় তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ১৬টি সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একাধিক তেল ডিপোয় হামলার ফলে রাজধানীতে জ্বালানি সরবরাহ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে (Tehran)। হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় কুয়েত সতর্কতামূলকভাবে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন কমানোর কথা ঘোষণা করেছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,২০০ জন অসামরিক নাগরিক নিহত এবং প্রায় ১০,০০০ জন জখম হয়েছেন (Iran Israel War)।

     

  • Israel: তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে খামেনেইয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল ইজরায়েল!

    Israel: তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে খামেনেইয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল ইজরায়েল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল (Israel) বহু বছর ধরে তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে এবং মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে ঢুকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই (Khamenei) ও তাঁর নিরাপত্তা দলের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল, তাঁকে হত্যা করার অনেক আগে থেকেই। একাধিক বর্তমান ও প্রাক্তন ইজরায়েলি গোয়েন্দা আধিকারিক এবং অভিযানের সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম। জানা গিয়েছে, তেহরানের প্রায় সব ট্রাফিক ক্যামেরাই বছরের পর বছর হ্যাক করা হয়েছিল। সেগুলির ভিডিও ফুটেজ এনক্রিপ্ট করে তেল আভিভ ও দক্ষিণ ইজরায়েলের সার্ভারে পাঠানো হত।

    নজরদারির খুঁটিনাটি (Israel)

    সূত্রের খবর, একটি নির্দিষ্ট ক্যামেরার কোণ বিশেষভাবে কার্যকর ছিল—এর মাধ্যমে দেহরক্ষীরা কোথায় তাঁদের ব্যক্তিগত গাড়ি পার্ক করতেন, তা নির্ধারণ করা যেত এবং পাস্তুর স্ট্রিটের নিকটবর্তী কম্পাউন্ডের ভেতরের রুটিন সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যেত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জটিল অ্যালগরিদম ব্যবহার করে খামেনেইয়ের নিরাপত্তা রক্ষীদের ওপর বিস্তারিত ডসিয়ার প্রস্তুত করা হয়েছিল। এতে তাঁদের ঠিকানা, ডিউটির সময়সূচি, কর্মস্থলে যাওয়ার রুট এবং কোন কর্মকর্তাকে রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন—এসব তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। গোয়েন্দাদের ভাষায় এটি হল, “প্যাটার্ন অব লাইফ”। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পাস্তুর স্ট্রিটের আশপাশে প্রায় এক ডজন মোবাইল ফোন টাওয়ারের বিভিন্ন উপাদানও ইজরায়েল বিঘ্নিত করেছিল। ফলে ফোনে কল করলে সেটি ‘ব্যস্ত’ দেখাত এবং খামেনেইয়ের নিরাপত্তা দলের সদস্যরা সম্ভাব্য সতর্কবার্তা গ্রহণ করতে পারতেন না (Israel)।

    ইজরায়েলি গোয়েন্দা আধিকারিকের বক্তব্য

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইজরায়েলি গোয়েন্দা আধিকারিক বলেন, হামলার অনেক আগেই আমরা তেহরানকে ঠিক যেমনভাবে জেরুজালেমকে চিনি, তেমনভাবেই চিনতাম।” তিনি জানান, ইজরায়েলের সিগন্যালস ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ৮২০০, মোসাদের নিয়োগ করা মানবসূত্র (Khamenei) এবং সামরিক গোয়েন্দা বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিপুল তথ্য সংগ্রহ করে একটি ঘন ও বিস্তৃত ইন্টেলিজেন্স মানচিত্র তৈরি করা হয়েছিল। পত্রিকাটি আরও জানায়, ইজরায়েল ‘সোশ্যাল নেটওয়ার্ক অ্যানালিসিস’ নামে পরিচিত একটি গাণিতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডেটা পয়েন্ট বিশ্লেষণ করেছিল, যাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র ও নয়া লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা যায়, অন্তত এমনই জানিয়েছেন এই পদ্ধতির ব্যবহারের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি (Israel)।

    বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দু’জন জানান, হামলার দিন সকালে খামেনেই ও শীর্ষ আধিকারিকরা কম্পাউন্ডে উপস্থিত ছিলেন। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে ইজরায়েলি গোয়েন্দারা সিগন্যালস ইন্টেলিজেন্সের ওপর নির্ভর করেছিলেন, যার মধ্যে হ্যাক করা ট্রাফিক ক্যামেরা ও অনুপ্রবেশ করা মোবাইল নেটওয়ার্কও অন্তর্ভুক্ত ছিল (Khamenei)। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পক্ষেরও একটি অতিরিক্ত মানবসূত্র ছিল, যা খামেনেই ও শীর্ষ আধিকারিকদের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।

     

  • Khameneis Death: খামেইনির মৃত্যুর জের, পাকিস্তানে মার্কিন কনস্যুলেটে ভাঙচুর, আগুন

    Khameneis Death: খামেইনির মৃত্যুর জের, পাকিস্তানে মার্কিন কনস্যুলেটে ভাঙচুর, আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেহরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হানায় নিহত হয়েছেন আলি খামেইনি (Khameneis Death)। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পাকিস্তানের করাচির (US Consulate Karachi) রাস্তায়। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে জড়ো হন।

    কনস্যুলেটে আগুন (Khameneis Death)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেটের বাইরের প্রবেশপথ ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ছে, সম্পত্তির ক্ষতি করছে, ভবনের কিছু অংশে আগুনও লাগিয়ে দিচ্ছে।  প্রাঙ্গণ থেকে ঘন ধোঁয়ার কুন্ডলিও উঠতে দেখা গিয়েছে। এই সময় নিরাপত্তা বাহিনী ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে উন্মত্ত জনতাকে। আপাতত হতাহত কিংবা গ্রেফতারির বিষয়ে কোনও সরকারি প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।করাচির এই অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটেছে। আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিকাঠামো টার্গেট করে যৌথ হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

    বিক্ষোভ ভারতেও

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই ঘোষণা করে দেন খামেইনি নিহত হয়েছেন। এরপরেই তেহরান ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। জানা গিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরেই এই যৌথ হামলা শুরু হয়, যা এলাকাজুড়ে নয়া সামরিক সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে (Khameneis Death)। পাকিস্তানের পাশাপাশি বিক্ষোভের খবর মিলেছে ভারতেরও বিভিন্ন জায়গায়। জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগর, বান্দিপোরা ও বারামুল্লার পাশাপাশি লখনউ ও কর্নাটকের বিভিন্ন অংশে বিক্ষোভের খবর পাওয়া (US Consulate Karachi) গিয়েছে। শিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিরাট সংখ্যায় রাস্তায় নামেন।

    হামলার নিন্দা জানিয়ে স্লোগান

    বিক্ষোভকারীরা কালো পতাকা ও ইরানি নেতার প্রতিকৃতি সঙ্গে নিয়ে হামলার নিন্দা জানিয়ে স্লোগান দেন এবং ইরানের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। শ্রীনগর ও কাশ্মীর উপত্যকার অন্যান্য জেলায় শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হয় এবং শোকগাথা পাঠ করা হয়। বক্তারা এই হত্যাকাণ্ডকে বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের ওপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেন (Khameneis Death)। লখনউতেও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। শিয়া জনসংখ্যার প্রচুর মানুষ এই শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মিছিল করেন। পশ্চিম এশিয়ায় বিদেশি আগ্রাসন বন্ধের আহ্বানও জানান তাঁরা (US Consulate Karachi)। বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের বাইরেও বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে বলে খবর। বিক্ষোভকারীরা ওয়াশিংটনকে কাঠগড়ায় তুলে বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানান।

    ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা দাহ

    ভারতে জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে রামবানে, বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়।শিয়া সম্প্রদায়ের নেতা সঈদ সামার কাজমি এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে বলেন, “প্রতারণা করে এই ইরানি নেতাকে টার্গেট করা হয়েছে।” তিনি জানান, তাঁর সম্প্রদায় তথাকথিত নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন। বিশ্লেষকদের মতে, খামেইনির মৃত্যুর পর দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অংশে কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এই ধরনের ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে (Khameneis Death)। অস্থিরতার আশঙ্কায় একাধিক দেশে মার্কিন কূটনৈতিক দফতরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে (US Consulate Karachi)।

     

LinkedIn
Share