Tag: telecom

telecom

  • Asset Monetization Plan: সরকারি সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের নকশা প্রকাশ নির্মলা সীতারামনের

    Asset Monetization Plan: সরকারি সম্পদ নগদীকরণ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের নকশা প্রকাশ নির্মলা সীতারামনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সরকারি সম্পদ নগদীকরণ (Public Asset Monetisation) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের (Centre) নকশা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই পর্যায়ে ২০৩০ অর্থবর্ষের মধ্যে ১০.৮২ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনায় দেওয়া সম্পদের পূর্ণ কনসেশন মেয়াদে অতিরিক্ত ৫.৯ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। নীতি আয়োগ প্রস্তুত করা এই পরিকল্পনা প্রথম পর্যায়ের অর্থবর্ষ ২০২২–২৫-এর  তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড় আকারের, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ কোটি টাকা।

    সুব্রহ্মণ্যমের বক্তব্য (Asset Monetization Plan)

    নীতি আয়োগের প্রধান এক্সিকিউটিভ বিভি আর সুব্রহ্মণ্যম জানান, আগের লক্ষ্যের ৮৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে এবং মূলত সড়কপথ, কয়লা, খনি, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস খাত থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ৫.৩ লাখ কোটি টাকা। মোট ১৬.৭২ লাখ কোটি টাকার নগদীকরণ (Asset Monetization Plan) লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে হস্তান্তরিত সম্পদের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি খাতের ৫.৮ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই কর্মসূচি থেকে বছরে প্রায় ৮০,০০০–৯০,০০০ কোটি টাকা আয়ের আশা করছে। শুধু ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষেই ২.৪৯ লাখ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য রাখা হয়েছে (Centre)।

    সম্পদের আইনি মালিকানা বিক্রি করা হচ্ছে না

    গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সম্পদের আইনি মালিকানা বিক্রি করা হচ্ছে না। নির্দিষ্ট কনসেশন সময়ের জন্য—সাধারণত ১৫ থেকে ৩৫ বছর—সম্পদ বেসরকারি খাতের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মেয়াদ শেষে সম্পদ আবার সরকারের মালিকানায় ফিরে আসবে। সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “সম্পদ আপনারই থাকে, এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা।” তিনি একে বিনিয়োজন (Disinvestment) থেকে আলাদা বলে ব্যাখ্যা করেন (Asset Monetization Plan)। এই পরিকল্পনা ১২টি খাত জুড়ে বিস্তৃত—যেমন সড়কপথ, রেলপথ, বিদ্যুৎ, বন্দর, বেসামরিক বিমান পরিবহন, টেলিযোগাযোগ, কয়লা, খনি, গুদামজাতকরণ এবং নগর পরিকাঠামো। মোট লক্ষ্যমাত্রার এক-চতুর্থাংশেরও বেশি আসবে সড়কপথ, মাল্টিমোডাল লজিস্টিকস পার্ক এবং রোপওয়ে খাত থেকে। রেল, বিদ্যুৎ ও বন্দর-এই খাতগুলির (Asset Monetization Plan) অবদান হবে ১৬–১৭ শতাংশ করে (Centre)।

     

  • BSNL: এবার ৫জি পরিষেবা চালু করতে চলেছে বিএসএনএল, কবে থেকে জানেন?

    BSNL: এবার ৫জি পরিষেবা চালু করতে চলেছে বিএসএনএল, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর ১ অক্টোবর ভারতে (India) চালু হয়েছিল ৫জি (5G) পরিষেবা। পরিষেবার সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। এই পরিষেবা চালু হওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যে প্রথম ১ লক্ষ ৫জি সাইট চালু হয়েছিল। ভারতী এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিওর মতো বেসরকারি সংস্থা ইতিমধ্যেই এই পরিষেবা দিতে শুরু করেছে। এই দুই সংস্থাই দেশের প্রায় প্রতিটি অংশে এই পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছে। বেসরকারি সংস্থা ৫জি পরিষেবা দিতে পারলেও, পারেনি সরকারি সংস্থা বিএসএনএল (BSNL)। ৫জি তো দূর অস্ত, এখনও ৪জি পরিষেবাই চালু হয়নি।

    পিছিয়ে পড়েছিল বিএসএনএল (BSNL)

    প্রত্যাশিতভাবেই বেসরকারি টেলিকম সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারছে না রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিএসএনএল। তবে সরকারি সংস্থার দুর্দশার এই দিন ঘুঁচতে চলেছে বলে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, বিএসএনএলের ২০০টি সাইটে ৪জি নেটওয়ার্ক চালু হয়েছে। আপাতত তিন মাস ধরে চলবে পরীক্ষা। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রতিদিন গড়ে ২০০টি সাইটে চালু করা হবে এই পরিষেবা।

    কী জানালেন মন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “বিএসএনএল যে গতিতে মোতায়েন করবে, তাতে আপনি অবাক হবেন। তিন মাস পরীক্ষার পর আমরা প্রতিদিন ২০০টি সাইটে কাজ করব। এই গতি আমরা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাব। বিএসএনএল নেটওয়ার্ক প্রাথমিকভাবে ৪জি হবে। এটি সেই মতোই কাজ করবে। কিন্তু খুব শীঘ্রই নভেম্বর-ডিসেম্বরের কাছাকাছি এটি ছোট সফ্টওয়্যার সমন্বয় সহ ৫জি হয়ে যাবে।” তিনি বলেন, “বিএসএনএলের (BSNL) ৪জি আপগ্রেডেবল। অল্প কিছু সফ্টওয়্যারের পরিবর্তন ঘটালেই নেটওয়ার্ক ৫জিতে পরিণত হয়ে যাবে। আমি বিশ্বাস করি, নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই গোটা দেশে বিএসএনএল নেটওয়ার্ক চালু হয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুুন: সাবধান! চিনে ফের করোনার হানা, লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ

    প্রসঙ্গত, বিএসএনএলের (BSNL) প্রতিদ্বন্দ্বী রিলায়েন্স জিও ও ভারতী এয়ারটেল ৫জি পরিষেবা দিচ্ছে গ্রাহকদের। সেই জায়গায় বিএসএনএল এখনও তাদের গ্রাহকদের দিচ্ছে ২জি কিংবা ৩জি পরিষেবা। সেই কারণে ক্রমেই গ্রাহক সংখ্যা নিত্যদিন কমছে। তাই আরও লোকসানে চলছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থা। সেই কারণেই দ্রুত ৫জি চালু করে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মাত দিয়ে চাইছে এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share