Tag: Terror conspiracy

  • NIA Arrests: ভারতবিরোধী কার্যকলাপে সাহায্য! ইউক্রেনের ৬ ও এক মার্কিন নাগরিককে ধরল এনআইএ

    NIA Arrests: ভারতবিরোধী কার্যকলাপে সাহায্য! ইউক্রেনের ৬ ও এক মার্কিন নাগরিককে ধরল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে সাত বিদেশিকে গ্রেফতার করল এনআইএ (National Investigation Agency)। তাঁদের মধ্যে ছ’জন ইউক্রেনের নাগরিক। এক জন আমেরিকার। সোমবার দিল্লিতে এনআইএ জানিয়েছে, মায়ানমারে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। বেআইনি অনুপ্রবেশ, বেআইনি অস্ত্র রাখা এবং ড্রোন প্রশিক্ষণ দেওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে ইউরোপ থেকে বেআইনি ভাবে ড্রোন নিয়ে আসারও। আদালত তাঁদের ১১ দিনের জন্য এনআইএ হেফাজতে (NIA Arrests) পাঠিয়েছে।

    ড্রোন পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল মায়ানমারে

    জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, অভিযুক্তেরা সকলেই বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু তার পরে কোনও অনুমতি ছাড়াই মিজোরামের দিকে চলে যান তাঁরা। দাবি করা হচ্ছে, তাঁরা লুকিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে মায়ানমারেও চলে গিয়েছিলেন। সেখানে ভারতবিদ্বেষী কিছু গোষ্ঠীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। তদন্তকারীদের অনুমান, ইউরোপ থেকে নিয়ে আসা ড্রোনও তাঁরা পৌঁছে দিয়েছিলেন মিজোরামে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ইউরোপ থেকে অবৈধ উপায়ে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছিল ড্রোনগুলি। তার পরে ভারত থেকেই পাঠানো হয়েছিল মায়ানমারের ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীকে। এনআইএ-র বক্তব্য, অভিযুক্তেরা কোন পথে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অপরাধের কোথায় কোথায় টাকা ঘুরেছে, তা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এবং এর জন্য অভিযুক্তদের মোবাইল ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখতে চান তদন্তকারীরা। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা-ও জানার চেষ্টা করছেন এনআইএ আধিকারিকেরা।

    লখনউ-দিল্লি-কলকাতা থেকে গ্রেফতার

    ভারতের নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা মায়ানমারের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে ধৃত সাত বিদেশির বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগেই সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হানা দিয়ে পাকড়াও করা হয়। অভিযুক্ত আমেরিকানকে ধরা হয় কলকাতা বিমানবন্দর থেকে। বাকিদের মধ্যে তিন জনকে আটক করা হয় লখনউ বিমানবন্দর থেকে এবং তিন জনকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে। দিল্লির বাইরে যাঁদের আটক করা হয়েছিল, তাঁদেরও ইতিমধ্যে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে আদালতে পেশ করা হলে বিচারক অভিযুক্তদের তিন দিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দেন। পরে হেফাজতের মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করে ২৭ মার্চ পর্যন্ত করা হয়।

  • Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার (Tahawwur Rana) নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা (Canada)। কয়েক দিনের মধ্যেই ভারত সফরে আসার কথা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির। তাঁর সেই সফরের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে কানাডা তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের তোড়জোড় করছে। বর্তমানে ভারতে বন্দি রয়েছেন রানা। কানাডা সরকারের এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোও হয়েছে তাঁকে। বছর চৌষট্টির রানা জন্মেছিলেন পাকিস্তানে। পরে কানাডীয় নাগরিকত্ব নেন। ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির ঘনিষ্ঠ সহযোগী। হেডলি মার্কিন নাগরিক।

    রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Canada)

    গ্লোবাল নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ রানার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ এনেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০০১ সালে কানাডীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় রানা তাঁর বসবাস ও ভ্রমণ সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য দিয়েছিলেন। রানা দাবি করেছিলেন যে, তিনি আগের চার বছর অটোয়া ও টরন্টোয় বসবাস করেছেন—যা অভিবাসন কর্তাদের মতে অসত্য। তিনি আরও জানান যে, তিনি কানাডার বাইরে মাত্র ছ’দিন ছিলেন, অথচ জানা গিয়েছে, তিনি শিকাগোয় বসবাস করছিলেন। সেখানে সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর (Canada)। অভিবাসন বিভাগ কথিত জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের বিষয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে। এখন আদালতের হাতেই রানার কানাডীয় নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে। বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন (Tahawwur Rana) হলে রানা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাগরিকত্ব হারাবেন বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    রানা বর্তমানে তিহার জেলে

    চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনার পর পাক-বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যবসায়ী রানা বর্তমানে তিহার জেলে আটক রয়েছেন, যেখানে তদন্তকারীরা তাঁকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ১০ এপ্রিল তাঁকে আমেরিকা থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়। এর আগে ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করলে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছিল। প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে রানা সব ধরনের আইনি সুযোগ ব্যবহার করেছিলেন, যার ফলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হয়। সব আইনি পথ শেষ হলে তাঁকে ভারতে পাঠানো হয় এবং বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয় (Canada)।

    তদন্তকারীরা মামলার তদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখছেন, যার মধ্যে রানা ও সহ-অভিযুক্ত ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির মধ্যে হওয়া বহু টেলিফোন কথোপকথনের প্রমাণও রয়েছে। হেডলি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাজা ভোগ করছেন (Tahawwur Rana)। রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি হেডলি, লস্কর-ই-তৈবা, হরকত-উল-জিহাদি ইসলামি-সহ পাকিস্তানভিত্তিক অন্য সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলে মুম্বইয়ে প্রাণঘাতী হামলার (Canada) পরিকল্পনা করেছিলেন।

     

LinkedIn
Share