Tag: Terror Plot

Terror Plot

  • ISI Terror Plot: পাকিস্তানভিত্তিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ৯ জঙ্গি

    ISI Terror Plot: পাকিস্তানভিত্তিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ৯ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানভিত্তিক একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ন’জন জঙ্গিকে (ISI Terror Plot) গ্রেফতার করল দিল্লি (Delhi) পুলিশের স্পেশাল সেল। তদন্তকারীদের দাবি, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই এবং মুম্বই আন্ডারওয়ার্ল্ডের কিছু এলিমেন্টের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁরা জানান, অভিযুক্তরা দিল্লি, মুম্বই এবং দেশের অন্যান্য বড় শহরে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল।

    কলকাঠি নাড়া হচ্ছিল সীমান্তের ওপার থেকে (ISI Terror Plot)

    তদন্তকারীদের দাবি, এই গোষ্ঠী সীমান্তের ওপারে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাজ করছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত করা। নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ সেলের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্র ও বিস্ফোরক। উদ্ধার হওয়া জিনিসপত্রের মধ্যে রয়েছে উন্নতমানের পিস্তল, গ্রেনেড এবং জঙ্গি কার্যকলাপ চালাতে প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস।

    পাক-সমর্থিত অপারেটিভদের সঙ্গে যোগাযোগ

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা পাক-সমর্থিত অপারেটিভদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে নির্দেশনা পাচ্ছিল। আধিকারিকদের সন্দেহ, এই চক্রটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল (ISI Terror Plot)। সূত্রের খবর, ধৃতরা দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও পাঞ্জাব-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দা। এদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশিও রয়েছে।  তবে পুলিশ এখনও তাদের পরিচয় এবং তারা কোন দেশের নাগরিক, তা জানায়নি (Delhi)। তদন্তকারীরা অভিযুক্তদের সঙ্গে মুম্বই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সম্ভাব্য সম্পর্কও খতিয়ে দেখছেন। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অনুমান, এই নেটওয়ার্কটি লজিস্টিক সহায়তা, অর্থায়ন এবং গোষ্ঠীর সদস্যদের চলাচলের জন্য অপরাধ চক্রের সাহায্য নিতে পারে।

    স্ক্যানারে চক্রের নেটওয়ার্ক

    স্পেশাল সেল বর্তমানে অর্থের উৎস ও প্রবাহ, যোগাযোগের রেকর্ড এবং এই চক্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরীক্ষা করছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই চক্রের আরও কেউ সক্রিয় রয়েছে কি না। অভিযুক্তরা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলির রেকি করেছে কি না (ISI Terror Plot)। তদন্তকারীরা এই অভিযানকে সম্ভাব্য একটি জঙ্গি ষড়যন্ত্র ভেস্তে দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাফল্য বলে বর্ণনা করেছেন। সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নেটওয়ার্কটির ব্যাপ্তি এবং সীমান্তপারের যোগাযোগের যে অভিযোগ উঠেছে, তার মাত্রা মূল্যায়ন করে চলেছে (Delhi)। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং উদ্ধারকরা সামগ্রী বিশ্লেষণ করে পুলিশ আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (ISI Terror Plot)।

     

  • Red Fort Blast Case: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, লখনউয়ে বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়ায় বিস্ফোরণের ছক! তথ্য সামনে আনল এনআইএ

    Red Fort Blast Case: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, লখনউয়ে বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়ায় বিস্ফোরণের ছক! তথ্য সামনে আনল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউয়ে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়াকে লক্ষ্য করে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক ভেস্তে দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ২০২৫ সালে লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা লখনউয়ের (Blast in Lucknow) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও জনবহুল এলাকায় গোপনে রেকি চালিয়ে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি হামলার পরিকল্পনা করছিল।

    কীভাবে হামলার পরিকল্পনা

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত মুজাম্মিল শাকিল অনলাইনে লখনউয়ের বিভিন্ন রাসায়নিক দোকানের খোঁজ করছিলেন, যেখান থেকে ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড (TATP) তৈরির উপকরণ সংগ্রহ করা সম্ভব। অত্যন্ত শক্তিশালী ও অস্থিতিশীল এই বিস্ফোরককে “মাদার অফ স্যাটান” নামেও ডাকা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার (Red Fort Blast Case) কাছে যে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছিল, তাতেও এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করা হয়েছিল। এনআইএ আরও জানিয়েছে, শাহিন সঈদ মুজাম্মিলের নির্দেশে সম্ভাব্য রাসায়নিক সরবরাহকারীদের একটি হাতে লেখা তালিকা তৈরি করেছিলেন। পরে তদন্তে বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোন থেকে সেই নথি উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারী সংস্থার মতে, এটি বড়সড় নাশকতার প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।

    কোথায় কোথায় হামলার ছক

    তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২৫ সালের ২৫ থেকে ৩০ অগাস্টের মধ্যে মুজাম্মিল ও শাহিন ফরিদাবাদ থেকে লখনউয়ে গিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের রেকি চালান। অভিযুক্তরা উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, বাপু ভবন, আমিনাবাদ, লালবাগ এবং ঐতিহাসিক বড়া ইমামবাড়া চত্বরে ঘোরাফেরা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও জনসমাগম খতিয়ে দেখেছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারী সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “ওরা বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি ব্যবহার করে এই ভবনগুলির কাছে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করছিল। জনবহুল এলাকা ও প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলিকেই মূল লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।”

    আন্তঃরাজ্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    এনআইএ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে। আর্থিক লেনদেন, ডিজিটাল তথ্য, যোগাযোগের রেকর্ড এবং আন্তঃরাজ্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তথ্যগুলি ১৪ মে এনআইএ-র জমা দেওয়া প্রায় ৭,৫০০ পাতার চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, লখনউয়ের এই রেকি আসলে বৃহত্তর জঙ্গি চক্রের অংশ, যা আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ একটি সংগঠনের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত বহু-শহরভিত্তিক নাশকতা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে যানজটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই হামলায় ১৫ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হন। তদন্তকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল একদল চরমপন্থায় প্রভাবিত উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি, যাদের মধ্যে চিকিৎসকরাও ছিলেন।

  • Delhi Terror Plot: খেলনা গাড়িতে বোমা! দিল্লি পুলিশের জালে ৪ জঙ্গি, রাজধানীতে হামলার ছক বানচাল

    Delhi Terror Plot: খেলনা গাড়িতে বোমা! দিল্লি পুলিশের জালে ৪ জঙ্গি, রাজধানীতে হামলার ছক বানচাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানী দিল্লিকে লক্ষ্য করে এক বড় জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা (Delhi terror plot) বানচাল করে দিল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। শনিবার পুলিশ জানিয়েছে, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা ও বিহার থেকে চার ‘র‌্যাডিক্যালাইজড’ যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) এবং খেলনা গাড়িতে বোমা লাগিয়ে হামলা চালানোর সরঞ্জাম। পুলিশের অভিযোগ, তারা সংবেদনশীল স্থানগুলোর রেকি করেছিল, অনলাইন এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরও লোককে নিয়োগের চেষ্টা করছিল এবং দিল্লিতে বড় ধরনের হামলার ছক কষছিল।

    বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ

    ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ও মহারাষ্ট্র এটিএস-এর যৌথ অভিযানে মুম্বইয়ের কুর্লা ও খাদাভলি এলাকা থেকে দুজনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরে তদন্তের সূত্র ধরে ওড়িশা ও বিহার থেকে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। আটক চারজনের মধ্যে দুজনের নাম মোসাব আহদাম ওরফে কালাম কল্যাণ এবং মোহাম্মদ হামাদ কোল্লারা। তারা জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেএম) এবং আইএসআইএস-এর প্রভাবিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অনলাইনে ‘মিশন খিলাফত’ ও ‘সোলজার্স অফ জিহাদ’-এর মতো গ্রুপের মাধ্যমে তারা র‌্যাডিক্যালাইজড হয়েছে। টেলিগ্রামের মতো এনক্রিপ্টেড অ্যাপে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে জানা গিয়েছে।

    জঙ্গিদের লক্ষ্যে ছিল রাম মন্দির, সংসদ ভবন

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা খেলনা গাড়ির ভিতরে আইইডি লুকিয়ে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করছিল। এই পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল নিরাপত্তা চেকপয়েন্ট এড়িয়ে ভিড়াক্রান্ত এলাকায় পৌঁছে হামলা চালানো। তারা দিল্লির সংবেদনশীল স্থানগুলোর রেকি করেছিল এবং আইইডি তৈরির প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে সংবেদনশীল নথি, ডিজিটাল চ্যাট, বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ এবং একাধিক আইইডি। পুলিশের দাবি, ভুবনেশ্বরের শেখ ইমরান এমন কিছু অনলাইন গ্রুপ তৈরি করেছিল যেখানে “জিহাদ”, “খিলাফত” এবং সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে রাম মন্দির, সংসদ ভবন ও সামরিক স্থাপনা নিয়ে আলোচনা হত। অন্যদিকে, সোহেল একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট চালিয়ে যুবকদের উসকানি দিত এবং অর্থ সংগ্রহ করত। এছাড়াও, এক অভিযুক্ত দিল্লির লালকেল্লা-সহ কয়েকটি সংবেদনশীল স্থানে গিয়ে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে এই জঙ্গিদের ধরতে অভিযান চালায় স্পেশাল সেল।

    খেলনা গাড়ির মতো সাধারণ জিনিসে বিস্ফোরক

    এই গ্রেফতার দেশজুড়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানের এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, “অনলাইন র‌্যাডিক্যালাইজেশন এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। যুবকরা সোশ্যাল মিডিয়া ও এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ ধরনের ছক কষছে। খেলনা গাড়ির মতো সাধারণ জিনিসকে অস্ত্র বানানোর চেষ্টা দেখে বোঝা যায়, জঙ্গিরা নতুন নতুন কৌশল নিচ্ছে।” তদন্তে আরও বড় নেটওয়ার্কের সন্ধান মিলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • Pakistani Arrested: মার্কিন মুলুকে হামলার ষড়ষন্ত্র, গণহত্যার পরিকল্পনা, গ্রেফতার পাক তরুণ

    Pakistani Arrested: মার্কিন মুলুকে হামলার ষড়ষন্ত্র, গণহত্যার পরিকল্পনা, গ্রেফতার পাক তরুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মুলুকে (New York Terror Plot) হামলা চালানোর ষড়ষন্ত্র করার অভিযোগে গ্রেফতার পাক তরুণ (Pakistani Arrested)। বর্তমানে কানাডায় বাস করে বছর কুড়ির ওই তরুণ। ইসলামিক স্টেটের সমর্থনে নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে একটি ইহুদি কেন্দ্রে গণহত্যার পরিকল্পনা করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ওই পাকিস্তানি নাগরিককে। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের ওপর হামাসের হামলার বর্ষপূর্তিতে ওই হামলার পরিকল্পনা করেছিল ওই পাকিস্তানি তরুণ।

    কানাডায় গ্রেফতার পাক তরুণ (Pakistani Arrested)

    অভিযুক্ত তরুণের নাম শাহজেব খান ওরফে শাহজেব জাদুন। তার বিরুদ্ধে যত বেশি সম্ভব ইহুদিকে হত্যা করার জন্য স্বয়ংক্রিয় ও আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগের দাবি, শাহজেব সীমান্ত পেরিয়ে কানাডা থেকে আমেরিকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিল। সেই সময় কুইবেকের ওরমসটাউন এলাকা থেকে রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    কী বলছে পুলিশ

    পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত তরুণ ইসলামিক স্টেট সমর্থকদের একটি অফলাইন সেল তৈরির ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল। প্রশাসনের কর্তাদের আক্রমণ করতে অ্যাসল্ট রাইফেল, গোলাবারুদ এবং অন্য উপকরণ জোগাড়ের নির্দেশ দিয়েছিল সে। নিউইয়র্ক শহরে প্রচুর ইহুদি বাস করেন। তাই ওই পাক তরুণ টার্গেট করেছিল নিউইয়র্ককে।

    জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে আইএসআইএসের প্রতি অনলাইনে সে সমর্থন প্রকাশ করে (Pakistani Arrested)। পরে বিলি করতে থাকে প্রচার সামগ্রী। এনক্রিপ্ট করা মেসেজ অ্যাপ্লিকেশনগুলোয় অন্যদের সঙ্গে জড়িত ছিল সে। পরে সে প্রশাসনের দুই কর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে। সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে তাদের জানায়। ওই পাক তরুণ ইহুদিদের ওপর হামলা চালানোর জন্য বেছে নিয়েছিল ৭ ও ১১ অক্টোবর।

    আরও পড়ুন: “এনআরসি’তে আবেদন না করলে মিলবে না আধার”, বড় ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    এই দু দিনের একটি হামাসদের ওপর আক্রমণের বার্ষিকী, অন্যটি ইয়োম কিপ্পুরের। ওই তরুণের বিরুদ্ধে একটি নির্দিষ্ট বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনকে মেটিরিয়াল সাপোর্ট দেওয়া এবং সম্পদ দেওয়ার দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ আনা হয়েছে (New York Terror Plot)। দোষী সাব্যস্ত হলে তার সর্বোচ্চ ২০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে (Pakistani Arrested)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রায় নাশকতার ছক? অস্ত্রবোঝাই ড্রোন ধ্বংস পুলিশরে

    Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রায় নাশকতার ছক? অস্ত্রবোঝাই ড্রোন ধ্বংস পুলিশরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রায় (Amarnath Yatra) নাশকতা হতে পারে, এই অশঙ্কায় সক্রিয় হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) পুলিশ। পাক সীমান্ত এলাকায় চলছে একাধিক জায়গায় জঙ্গি-বিরোধী অভিযান। সেই অভিযান চলার সময়, অস্ত্রবোঝাই একটি পাকিস্তানি ড্রোনকে (Pak Drone) গুলি করে নামাল নিরাপত্তা বাহিনী।

    কাশ্মীরের (Kashmir) হীরানগর সেক্টরের কাঠুয়ার তাল্লি হারিয়া চক এলাকায় উড়ে আসে ড্রোনটি। দেখামাত্রই সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করেন টহলরত পুলিশকর্মীরা। সেটি ভেঙে পড়তেই ড্রোনটির পে-লোড অর্থাৎ তাতে কী কী বহন করা হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বম্ব ডিসপোজ়াল স্কোয়াডকে ডাকা হয়। তাঁরাই ভেঙে পড়া ড্রোন থেকে সাতটি ম্যাগনেটিক বোমা (Magnetic bomb) এবং সাতটি আন্ডার-ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার (UBGL) উদ্ধার করেন। 

    অমরনাথ যাত্রার আগে সীমান্তে তল্লাশি বৃদ্ধি করেছে পুলিশ ও সেনা। তার জেরেই ওই ড্রেনের সন্ধান মিলল। এমনটাই মনে করছে জেলা প্রশাসন। জম্মু এডিজি জানিয়েছেন, গুলি করার পর ড্রোনটি এসে পড়ে সীমান্তের তাল্লা হারিয়া চক এলাকায়। কাঠুয়ায় এসএসপি আর সি কোতওয়াল সংবাদমাধ্যমে বলেন, রুটিন তল্লাশিতে নেমেছিল রাজাবর পুলিস। তখনই ওই ড্রোনের দেখা মেলে। 

    গোটা ঘটনার সঙ্গে জঙ্গি যোগের প্রবল আশঙ্কা করছে পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, অমরনাথ যাত্রায় (Amarnath Yatra) নাশকতার ছক কষেই বিস্ফোরক আসছিল সীমান্তের ওপার থেকে। আদতে কোন ঠিকানায় সেগুলি আসছিল, তা খতিয়ে দেখতে কাঠুয়ার একটা বড় অংশ জুড়ে তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ বাহিনীও।

    অন্য দিকে পুলওয়ামায় অভিযান চলার সময় পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে দু’জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তারা স্থানীয় জঙ্গি বলেই পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ দু’টি একে ৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৩০ জুন থেকে শুরু হচ্ছে অমরনাথ যাত্রা। ৪৩ দিনের এই যাত্রায় এবার দু’টি রুটের বন্দোবস্ত রাখা হয়েছে। পহেলগামের (Pahalgam) চিরাচরিত ৪৮ কিমি রুটের পাশাপাশি গান্দেরবাল (Ganderbal) এলাকার ১৪ কিমির রুট দিয়েও পৌঁছনো যাবে অমরনাথ মন্দিরে। দু’টি রুটেই আগাম কড়া নজরদারি শুরু করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। স্বাভাবিক ভাবেই যাত্রা শুরুর মাসখানেক আগে কাঠুয়ার ড্রোন-কাণ্ড চিন্তা বাড়াল প্রশাসনের।

LinkedIn
Share