Tag: test cricket

test cricket

  • Mohammed Shami: সাদা জার্সিকে বিদায়, টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর মহম্মদ শামির

    Mohammed Shami: সাদা জার্সিকে বিদায়, টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর মহম্মদ শামির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। শুক্রবার রাতে নিজের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন ভারতের এই জোরে বোলার। দীপাবলির আগে ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন পোস্টে শামি লিখেছেন, “আমি সাদা জার্সি থেকে বিদায় নিচ্ছি। কিন্তু এর সঙ্গে জড়িত স্মৃতিগুলো রয়ে যাবে। যখন আমি প্রথম ভারতের টেস্ট জার্সি পরেছিলাম, তখন আমার একটাই স্বপ্ন ছিল— দেশের জন্য কিছু করা। তারপর থেকে প্রতিটা উইকেট, প্রতিটা লড়াই, প্রতিটা চোট এবং প্রতিটা প্রত্যাবর্তন আমাকে কিছু না কিছু শিখিয়েছে।” নিজের পোস্টে শামি লিখেছেন, “আমি সাদা জার্সিকে বিদায় জানাচ্ছি, কিন্তু তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিগুলিকে কখনও নয়।”

    অবসরের সিদ্ধান্ত সহজ ছিল না

    অবসরের সিদ্ধান্ত যে সহজ ছিল না, তা-ও স্পষ্ট হয়েছে শামির (Shami Retirement) বার্তায়। লিখেছেন, “আজ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে এবং অসংখ্য সুন্দর স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।” এই দীর্ঘ যাত্রায় যাঁরা পাশে থেকেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভারতীয় পেসার। ভালো সময়ের পাশাপাশি কঠিন সময়েও যাঁরা তাঁর উপর আস্থা রেখেছেন, সেই ক্রিকেটপ্রেমীদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ৩৬ বছর বয়সী এই পেসার ২০২৩ সালে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন। সেটি ছিল সে বারের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ওভালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফাইনাল। ২০১৩ সালে ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল শামির। প্রথম টেস্টেই ৯টি উইকেট নিয়েছিলেন। মোট ছ’বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। ২০১৮ সালে পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫৬ রানে ৬ উইকেট তাঁর সেরা বোলিং। ভারতের হয়ে ৬৪টি টেস্টে ২২৯টি উইকেট রয়েছে শামির।

    বিসিসিআই ও সিএবি-কে ধন্যবাদ

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এবং এই রাজ্যের ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা সিএবি-কে ধন্যবাদ জানিয়ে শামি লেখেন, “আমার উপর বিশ্বাস রাখা, আমাকে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া এবং আমার ক্রিকেট যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য বিসিসিআই এবং সিএবি-কে আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনাদের সমর্থন এবং বিশ্বাস সব সময় আমার হৃদয়ে বিশেষ হয়ে থাকবে।” বাংলার এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার তাঁর রাজ্যের হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন। যদিও জানা যাচ্ছে, শামি তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে দেড় বছর আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি পাঁচ দিনের ক্রিকেটের ধকল আর নিতে পারছেন না। নির্বাচকেরাও জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁকে আর টেস্ট ক্রিকেটের জন‍্য বিবেচনা করা হচ্ছে না। চলতি রঞ্জি ট্রফিতে শামি তিন ম্যাচে ১৪টি উইকেট নিয়েছেন। এর আগে দলীপ ট্রফিতে পূর্বাঞ্চলের হয়ে তিন ম্যাচে সাতটি উইকেট নিয়েছিলেন। শামি আধুনিক যুগের ভারতের অন্যতম সেরা এবং সফল ফাস্ট বোলার। নিখুঁত, সোজা সিম পজিশনে বলের পর বল করে গিয়েছেন শামি। যে কোনও পিচ থেকে মুভমেন্ট আদায় করার ক্ষমতা ছিল তাঁর। প্রায় এক দশক ধরে ভারতের পেস আক্রমণের মূল স্তম্ভ ছিলেন।

     

     

     

     

     

  • Auqib Nabi: স্কুল শিক্ষকের ছেলে থেকে টিম ইন্ডিয়ায়! ইতিহাস গড়লেন কাশ্মীরের আকিব নবি

    Auqib Nabi: স্কুল শিক্ষকের ছেলে থেকে টিম ইন্ডিয়ায়! ইতিহাস গড়লেন কাশ্মীরের আকিব নবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় ক্রিকেট খেলাকে ভবিষ্যৎহীন পেশা মনে করতেন বাবা। ছেলেকে ডাক্তার বানানোর স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু সেই ছেলের জেদ, পরিশ্রম আর প্রতিভাই আজ তাঁকে এনে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেটের দরজায়। জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লার আকিব নবি গড়লেন ইতিহাস। ছোটবেলায় ক্রিকেট তারকা আকিব নবিকে (Auqib Nabi) তাঁর ভাইপো বিলাল আহমদ দার একদিন প্রশ্ন করেছিলেন, ‘‘এত ক্রিকেট তারকার সঙ্গে খেলো, তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলো না কেন?’’ আকিবের উত্তর ছিল, ‘‘একদিন এমন জায়গায় পৌঁছব, যখন ওরাই আমার সঙ্গে সেলফি তুলতে চাইবে।’’ বছর কয়েক পর সেই কথাই সত্যি হয়েছে।

    কাশ্মীর থেকে প্রথম টেস্টে ডাক (India Test Team)

    বছর ঊনত্রিশের অলরাউন্ডার আকিব নবি (Auqib Nabi) হলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম ক্রিকেটার, যিনি ভারতীয় টেস্ট দলে (India Test Team) ডাক পেলেন। জসপ্রীত বুমরাহর পরিবর্তে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি। সিরিজ শুরু ১৫ অগাস্ট। সংঘাত, দীর্ঘ শীত, তুষারপাত এবং সীমিত পরিকাঠামোর কারণে জম্মু-কাশ্মীরে ক্রিকেটের পথ বরাবরই কঠিন। ১৯৫৭ সালে BCCI-র সঙ্গে যুক্ত হলেও বর্তমানে গোটা অঞ্চলে মাত্র দু’টি বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম রয়েছে, দুটিরই সুযোগ-সুবিধা সীমিত।

    ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন বাবা

    বারামুল্লা জেলার একটি ছোট গ্রামে বড় হয়েছেন আকিব (Auqib Nabi)। তাঁর বাবা গুলাম নবি দার পেশায় স্কুল শিক্ষক। শুরুতে তিনি ক্রিকেটকে ভবিষ্যৎহীন মনে করতেন এবং ছেলেকে পড়াশোনা করে ডাক্তার হতে বলতেন। কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি আকিবের অদম্য আগ্রহ দেখে শেষ পর্যন্ত বাবা মত বদলান। তিনি বুঝতে পারেন, নিজের পছন্দের পথে ছেলেকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।

    অনুশীলনের জন্য পাড়ি ৭০ কিমি

    ছোটবেলায় ভালো ক্রিকেট পরিকাঠামোর অভাবে আকিবকে (Auqib Nabi) প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে শ্রীনগরে নিয়মিত অনুশীলন করতে যেতে হতো। প্রথম ক্রিকেট ট্রায়ালে যাওয়ার সময় তাঁর নিজের একজোড়া স্পাইক জুতোটুকুও ছিল না। শৈশবের বন্ধু জুনেইদ দার জানান, তাঁদের এলাকায় পেশাদার ক্রিকেটের ধারণাই প্রায় ছিল না। পরিকাঠামোও ছিল অপ্রতুল। কিন্তু আকিব ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট নিয়ে ভীষণ একাগ্র ছিলেন। ভাইপো বিলালের কথায়, আকিব প্রতিদিন ভোরে জিমে যেতেন এবং তারপর সারাদিন অনুশীলন করতেন। প্রায় ১০ বছর ধরে এই রুটিন বজায় রেখেছিলেন তিনি।

    রঞ্জিতে শুরু সাফল্য

    ২০২০ সালে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে অভিষেক হয় আকিবের। অভিষেকেই ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন তিনি। ২০২৪-২৫ মরশুমে ৪৪টি উইকেট নিয়ে প্রতিযোগিতার সেরা পেসার হন। তবে এত সাফল্যের পরেও জাতীয় স্তরে তাঁর পরিচিতি সেভাবে তৈরি হয়নি। বাবা গুলাম নবি বলেন, ভালো খেলেও স্বীকৃতি না পাওয়াটা কষ্টের ছিল। তবুও তিনি ছেলের সময় আসবে বলেই বিশ্বাস রেখেছিলেন।

    ৬০ উইকেটে বদলে গেল ভাগ্য

    পরের মরশুমে আকিব (Auqib Nabi) করেন তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। মাত্র ১০ ম্যাচে ৬০টি উইকেট নিয়ে রঞ্জি ট্রফির সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন। তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জম্মু-কাশ্মীর ৬৭ বছর পরে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফি জেতে। এই পারফরম্যান্সের পর ৮.৪ কোটি টাকার আইপিএল চুক্তি পান দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে। আইপিএলে সুযোগ খুব বেশি না পেলেও, লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর ধারাবাহিকতা জাতীয় নির্বাচকদের নজরে আসে।

    পারভেজের গর্ব

    জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার তথা আকিবের (Auqib Nabi) দীর্ঘদিনের অধিনায়ক পারভেজ রসুল বলেন, আকিবের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিকতা। রসুলের নিজেরও টেস্ট খেলার স্বপ্ন ছিল। তাই আকিবের টেস্ট ডাককে তিনি শুধু একজন ক্রিকেটারের সাফল্য হিসেবে দেখছেন না। তাঁর মতে, জম্মু-কাশ্মীরের বহু ক্রিকেটারের যে স্বপ্ন ছিল, নবির হাত ধরে তা বাস্তব হয়েছে।

    নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা

    রসুলের কথায়, অন্য জায়গার তুলনায় জম্মু-কাশ্মীর থেকে ভারতীয় দলে পৌঁছনোর চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। সীমিত পরিকাঠামো, কম সুযোগ, দীর্ঘ শীত ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আকিব নিজের উপর বিশ্বাস রেখেছেন। তাঁর এই সাফল্য কাশ্মীরের নতুন প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে বলেই মনে করেন রসুল। তাঁর মতে, কোথা থেকে এসেছেন বা কী বাধার মুখে পড়েছেন, তা নয়- পরিশ্রম, মানসিক শক্তি ও অধ্যবসায় থাকলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছনো সম্ভব।

    বাবার গর্ব

    আজ বারামুল্লায় গুলাম নবি যেখানেই যান, মানুষ তাঁকে চিনে ফেলেন। অনেকে কাছে এসে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘‘ইনি আকিবের বাবা।’’ যে বাবা একসময় ক্রিকেটকে ভবিষ্যৎহীন মনে করে ছেলেকে ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন, আজ সেই ছেলের ইতিহাস গড়ার সাক্ষী হয়ে তাঁর একটাই অনুভূতি- অপরিসীম গর্ব।

  • India: লর্ডসে ইতিহাস গড়ে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে উড়িয়ে দিল ভারত, শতরানে উজ্জ্বল যাস্তিকা

    India: লর্ডসে ইতিহাস গড়ে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে উড়িয়ে দিল ভারত, শতরানে উজ্জ্বল যাস্তিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লর্ডসের ১৪২ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার অনুষ্ঠিত হওয়া মহিলাদের টেস্ট ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখল ভারত (India)। ঐতিহাসিক এই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে একতরফা জয় তুলে নিল হরমনপ্রীত কৌরের দল। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই (Womens Test) ইংল্যান্ডকে ছাপিয়ে গিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ভারতের প্রমীলা বাহিনী।

    টেস্ট ক্রিকেটে অটুট ভারতের দাপট (India)

    এই জয়ের ফলে মহিলাদের টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের সাম্প্রতিক দাপট আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। শেষ ১১টি টেস্টে ভারতের ঝুলিতে রয়েছে সাতটি জয়, তিনটি ড্র এবং মাত্র একটি হার। পাশাপাশি ইংল্যান্ডের মাটিতে খেলা ১১টি মহিলাদের টেস্টেও এখনও অপরাজিত ভারত।ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য ৪৫৭ রানের কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির দেশের ‘দুর্গা’রা। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের খেলায় মাত্র ১৮৬ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফলে অনায়াসেই ২৭০ রানের জয় নিশ্চিত করে ভারত। ভারতের এই ঐতিহাসিক জয়ের ভিত গড়ে দেন যাস্তিকা ভাটিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে দুরন্ত শতরান করে তিনি লর্ডসে টেস্টে শতরান করা প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান। তাঁর অনবদ্য ইনিংসের সুবাদে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে সাত উইকেটে ৩৪১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। প্রথম ইনিংসে ১১৫ রানের লিড থাকায় ভারতের মোট লিড দাঁড়ায় ৪৫৬ রান। স্মৃতি মন্ধনা ৭০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। রিচা ঘোষ অপরাজিত ৫০ রান করে ইংল্যান্ডের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেন।

    ‘অপরাজিতা’…

    এর আগে প্রথম ইনিংসে ভারত ২৮৫ রান তোলে। স্মৃতি মন্ধনা ৮৩, অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর ৫৮ এবং দীপ্তি শর্মা ৫৭ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন। জবাবে ইংল্যান্ড মাত্র ১৭০ রানেই অলআউট হয়ে যায়। অভিষেক ম্যাচেই পেসার ক্রান্তি গাউড পাঁচ উইকেট নিয়ে ভারতের প্রথম ইনিংসের লিড নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা নেন (India)। ৪৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। ট্যামি বিউমন্ট শূন্য রানে প্রথম বলেই আউট হন। অভিজ্ঞ হেদার নাইটও অল্প রান করে ফিরে যান (Womens Test)। এরপর অ্যামি জোনস ও সোফি একলস্টোন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। একলস্টোন ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও লড়াই করেন। তবে ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে সেই প্রতিরোধ টেকেনি। শেষ দিনে দীপ্তি শর্মা চার উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংস গুটিয়ে দেন এবং ভারতের স্মরণীয় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের মাধ্যমে মহিলাদের টেস্ট ক্রিকেটে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত। যাস্তিকার ঐতিহাসিক শতরান এবং ক্রান্তির অভিষেকেই পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব যেমন ভারতের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি (Womens Test) হয়ে রইল, তেমনই অভিজ্ঞ হেদার নাইট ও ট্যামি বিউমন্টের বিদায়ী টেস্ট ইংল্যান্ডের কাছে (India) হতাশার স্মৃতি হয়ে রইল।

     

  • India Vs South Africa: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় টেস্টে কেন ঘটল এমন ঘটনা?

    India Vs South Africa: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় টেস্টে কেন ঘটল এমন ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! অবাক লাগছে, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা (India Vs South Africa) দ্বিতীয় টেস্টে ঘটল এমন ঘটনা। ১৮৭৭ সাল থেকে টেস্ট ক্রিকেটের যে ছন্দ চলে আসছে, এ বার তা উল্টে গেল। এটি নিছক কোনও অদ্ভুত ফুটনোট নয়। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম বার, একটি নিয়মিত দিনের খেলায় বিরতির ক্রম পাল্টে গেল। সাধারণত ধারা থাকে— টস → লাঞ্চ → চা → স্টাম্পস। কিন্তু গুয়াহাটিতে এ বার হলো— টস → চা → লাঞ্চ → স্টাম্পস। গুয়াহাটির বরষাপাড়া স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের খেলার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ২৪৭/৬।

    কেন লাঞ্চের আগে চা

    উত্তর-পূর্ব ভারতের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেশের অন্য অংশের তুলনায় অনেক আগে হয়। গুয়াহাটি, প্রায় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত, যেখানে সূর্য ওঠে এবং অস্ত যায় মুম্বই বা দিল্লির চেয়ে অনেক আগে। তবুও এই শহর অনুসরণ করে ভারতীয় সময় (IST), যা নির্ধারিত ৮২.৫° পূর্ব দ্রাঘিমায়। ফলে বিকেল ৪:৩০-এর মধ্যেই এখানে সন্ধ্যার আবহ তৈরি হয়— ৯০ ওভার শেষ করতে তখন বড় সমস্যা হয়। খেলার সময় বাঁচাতে, বিসিসিআই ও ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা সম্মত হয়েছে গুয়াহাটি টেস্ট সকাল ৯টায় শুরু করার বিষয়ে, যা সাধারণ ভারতীয় টেস্ট টাইমিংয়ের আধঘণ্টা আগে। দিনের কাঠামো হল, প্রথম সেশন: সকাল ৯টা – ১১টা, চা বিরতি: ১১টা – ১১:২০, দ্বিতীয় সেশন: ১১:২০ – ১:২০, লাঞ্চ বিরতি: ১:২০ – ২:০০, তৃতীয় সেশন: ২:০০ – ৪:০০ (সর্বোচ্চ ৪:৩০ পর্যন্ত বাড়ানো যাবে)।

    ব্যাটে-বলে লড়াই

    নেতৃত্বের ব্যাটন শুভমন গিলের হাত থেকে ঋষভ পন্থের হাতে গেলেও টস ভাগ্য বদলাল না। টস জিতে অজানা পিচে প্রথমে ব্যাটিং নিতে ভুল করেননি বাভুমা। ব্যাট করতে নেমে ঝুঁকিহীন থাকার চেষ্টা করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারেরাও। দুই ওপেনার এডেন মার্করাম এবং রায়ান রিকলটন ধীরে শুরু করেন। প্রথম উইকেটের জুটিতে তাঁরা তোলেন ৮২ রান। ৩৮ রান করে বুমরার বলে আউট হন মার্করাম। তার আগে পর্যন্ত প্রায় নিখুঁত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার। যদিও শুরুর দিকে মার্করামের দেওয়া সহজ ক্যাচ স্লিপে ফেলে দেন লোকেশ রাহুল। এ দিন অধিনায়ক হিসাবে বাভুমা ১০০০ টেস্ট রান পূর্ণ করলেন। বাভুমাকে (৪১) আউট করেন রবীন্দ্র জাদেজা। এদিন ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার কুলদীপ ৪৮ রানে ৩ উইকেট নেন। ৩০ রানে ১ উইকেট জাদেজার। ৩৮ রানে ১ উইকেট বুমরার। দিনের শেষবেলায় ১টি উইকেট পান মহম্মদ সিরাজ।

LinkedIn
Share