Tag: Thailand

Thailand

  • Thailand Cambodia Ceasefire: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি

    Thailand Cambodia Ceasefire: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্তে যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire)। সপ্তাহ তিনেক ধরে চলা প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ফলে প্রায় দশ লাখ মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে যে অবস্থানে সেনারা রয়েছেন, সেখানেই ফ্রন্টলাইন স্থির রাখা হবে, নতুন করে সেনা বা রসদ পাঠানো বন্ধ থাকবে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষকে যত দ্রুত সম্ভব নিজ নিজ (Deadly Clash) বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি টানা ৭২ ঘণ্টা কার্যকর থাকলে, জুলাই মাস থেকে তাইল্যান্ডের হেফাজতে থাকা ১৮ জন কম্বোডিয়ান সেনাকে মুক্তি দেওয়া হবে।

    যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire)

    চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সহায়তায় দুই দেশের মধ্যে টানা কয়েক দিনের আলোচনার পর এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। চুক্তিটিতে বাস্তুচ্যুতদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মাইন সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে। তাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাথাফন নার্খফানিত যুদ্ধবিরতিকে অন্য পক্ষের আন্তরিকতার একটি পরীক্ষা বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “যদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হয় বা লঙ্ঘিত হয়, তবে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার তাইল্যান্ড বজায় রাখবে।” রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার টুর্কের আশা, এই যুদ্ধবিরতি শান্তির পথ প্রশস্ত করবে। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক মুখপাত্রের বাস্তবায়নে সদিচ্ছা দেখানোর আহ্বানও জানান।

    যুদ্ধবিরতিতে গররাজি ছিল তাইল্যান্ড

    তাইল্যান্ড প্রথমে যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে গররাজি ছিল। তাদের যুক্তি ছিল, আগের যুদ্ধবিরতি সঠিকভাবে কার্যকর হয়নি। পাশাপাশি, কম্বোডিয়া সংঘাতটিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার যে চেষ্টা করছে বলে তাইল্যান্ড মনে করে, তাতেও তারা অসন্তুষ্ট ছিল। জুলাই মাসের আগের যুদ্ধবিরতির তুলনায় এবার একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যভাবে এতে যুক্ত ছিলেন না, যদিও আমেরিকার বিদেশ দফতর প্রক্রিয়াটির সঙ্গে জড়িত ছিল। চলতি মাসের শুরুতেই সেই আগের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে, যখন নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire) ভাঙার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে। তাই সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাইল্যান্ডের সি সা কেট প্রদেশে কম্বোডিয়ার দিক থেকে গোলাবর্ষণের জবাবে তাদের সেনারা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। ওই ঘটনায় দুজন তাই সেনা জখম হন।

    তাইবাহিনীর হানা

    অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রকের দাবি, প্রথমে আক্রমণ চালায় তাইবাহিনী, প্রেয়াহ ভিহেয়ার প্রদেশে। তারা আরও জানায়, কম্বোডিয়া পাল্টা আক্রমণ করেনি। ডিসেম্বরজুড়ে সংঘর্ষ চলতে থাকে। শুক্রবার তাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার ভেতরে আরও বিমান হামলা চালায় (Deadly Clash)। তাই বিমান বাহিনীর দাবি, বেসামরিক লোকজন এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তারা কম্বোডিয়ার একটি সুরক্ষিত সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তবে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এসব হামলাকে সাধারণ মানুষের বাড়িঘরের ওপর নির্বিচার আক্রমণ বলে অভিযোগ করেছে। এবার যুদ্ধবিরতি কতটা টিকে থাকবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর। কারণ দুই দেশেই জাতীয়তাবাদী আবেগ তীব্রতর হয়ে উঠেছে।

    যুদ্ধ ব্যাপক ক্ষয় কম্বোডিয়ার

    বিশেষ করে কম্বোডিয়া বিপুল সংখ্যক সেনা এবং উল্লেখযোগ্য সামরিক সরঞ্জাম হারিয়েছে। সীমান্তে আগে দখলে থাকা অবস্থানগুলো থেকে তাদের সরে যেতে হয়েছে এবং তাই বিমান হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। এসব ক্ষোভ দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে (Thailand Cambodia Ceasefire)। সীমান্ত নিয়ে এই দুই দেশের মতবিরোধের ইতিহাস এক শতাব্দীরও বেশি পুরানো। তবে চলতি বছরের শুরুতে উত্তেজনা বেড়ে যায়, যখন বিতর্কিত একটি মন্দিরে কম্বোডিয়ার কয়েকজন নারী দেশাত্মবোধক গান গেয়েছিলেন (Deadly Clash)। মে মাসে এক সংঘর্ষে এক কম্বোডিয়ান সেনা নিহত হন। এর দুমাস পরে, জুলাইয়ে, সীমান্তজুড়ে টানা পাঁচ দিন ধরে তীব্র লড়াই চলে। এতে কয়েক ডজন সেনা ও নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান,  বাস্তুচ্যুত হন হাজার হাজার নাগরিক। মালয়েশিয়া এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যস্থতার পরে দুই দেশের মধ্যে একটি ক্ষণস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হয়, যা অক্টোবরের শেষ দিকে স্বাক্ষরিত হয়।

    কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি

    ট্রাম্প এই চুক্তির নাম দেন “কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি”। এই চুক্তি অনুযায়ী, উভয় পক্ষকে বিতর্কিত অঞ্চল থেকে ভারী অস্ত্র প্রত্যাহার করতে হবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি অস্থায়ী পর্যবেক্ষক দল গঠন করতে হবে। তবে নভেম্বর মাসে তাইল্যান্ড এই চুক্তি স্থগিত করে দেয়, যখন মাইন বিস্ফোরণে তাই সেনারা জখম হন। তাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সেই সময় জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তাজনিত হুমকি বাস্তবে একেবারেই কমেনি (Thailand Cambodia Ceasefire)।

  • Demolition Of Hindu Deitys: এবার মূর্তি ভাঙার অভিযোগ কাম্বোডিয়ায়, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Demolition Of Hindu Deitys: এবার মূর্তি ভাঙার অভিযোগ কাম্বোডিয়ায়, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মূর্তি ভাঙার (Demolition Of Hindu Deitys) অভিযোগ কাম্বোডিয়ায় (Cambodia)। সেখানে একটি বিষ্ণুমূর্তি ভাঙা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে একটি ব্যাকহো লোডার দিয়ে বিষ্ণু মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। মূর্তি ভাঙছে সে দেশের সেনাবাহিনী। বুধবার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, এই ধরনের অশ্রদ্ধাজনক কাজ বিশ্বজুড়ে অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত করে এবং এমন ঘটনা ঘটা উচিত নয়।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল?

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা সম্প্রতি নির্মিত একটি হিন্দু ধর্মীয় দেবমূর্তি ভাঙচুর সংক্রান্ত খবর দেখেছি। এই মূর্তিটি ছিল বর্তমানে থাই–কম্বোডিয়া সীমান্ত বিরোধ প্রভাবিত একটি এলাকায়।” তিনি জানান, হিন্দু ও বৌদ্ধ দেবদেবীরা এই অঞ্চলের মানুষের কাছে পূজিত হন। এগুলি আমাদের সাধারণ সভ্যতাগত ঐতিহ্যের অংশ। প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করতে ভারত দুই দেশকে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আলাপ-আলোচনা ও কূটনীতির পথ অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে। জুলাই মাসে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হলেও, চলতি মাসে ফের শুরু হয়েছে সংঘাত।

    কাম্বোডিয়ার বক্তব্য

    প্রেহ ভিহেয়ারের (কাম্বোডিয়ার রাজধানী) মুখপাত্র লিম চ্যানপানহা জানান, মূর্তিটি কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডের মধ্যেই আন সেস এলাকায় অবস্থিত ছিল (Cambodia)। তিনি বলেন, “২০১৪ সালে নির্মিত বিষ্ণু মূর্তিটি সোমবার ভেঙে ফেলা হয়। এটা থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত ছিল। বৌদ্ধ ও হিন্দুধর্ম অনুসারীদের দ্বারা পূজিত প্রাচীন মন্দির ও মূর্তিগুলির ধ্বংসের আমরা তীব্র নিন্দা করি (Demolition Of Hindu Deitys)।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সাফ কথা, আঞ্চলিক দাবি সত্ত্বেও, এই ধরনের অসন্মানজনক কাজ বিশ্বজুড়ে ভক্ত ও অনুগামীদের অনুভূতিতে আঘাত করে। তাই এই ধরনের কাজ করা উচিত নয়। আর কোনও প্রাণহানি, সম্পত্তি এবং ঐতিহ্যের ক্ষতি এড়াতে আমরা আবারও উভয় পক্ষকে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার এবং কূটনীতির ওপর ভরসা রাখার অনুরোধ করছি। শান্তি পুনরুদ্ধার করার আহ্বানও জানাচ্ছি (Demolition Of Hindu Deitys)।

  • Donald Trump: তাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া যুদ্ধ বিরতি? বড় ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    Donald Trump: তাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া যুদ্ধ বিরতি? বড় ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার (Thailand Cambodia War) মধ্যে সংঘাত শীঘ্রই শেষ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের পর এই সম্ভাবনা আরও প্রবল হয়েছে। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ঘোষণা করেন, তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার নেতারা তিনদিনের সংঘর্ষের পর নিজেদের মধ্যে যুদ্ধবিরোধী আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছেন। এই সংঘাতের ফলে উভয় দেশের মোট ৩১ জন নিহত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প।

    দুই দেশের সঙ্গে কথা (Donald Trump)

    ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) জানান, সংঘাত বন্ধ করতে তিনি ইতিমধ্যে উভয় দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের সতর্ক করেছেন যে, যদি সংঘাত চলতে থাকে, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের সঙ্গেই বাণিজ্য চুক্তিতে প্রবেশ করবে না। সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, উভয় পক্ষ—তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া—যুদ্ধবিরোধী এবং শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় (Thailand Cambodia War)।তিনি আরও জানান, উভয় দেশই অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার এবং একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমঝোতার পথে এগিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, সবকিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে এবং শান্তি পুরোপুরিভাবে প্রতিষ্ঠিত হলে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে দুই দেশের সঙ্গে শক্তিশালী বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে উদ্যোগ নেবেন।

    ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

    তবে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। অন্যদিকে, তাইল্যান্ডের কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী ফুমাথাম হোয়ে চায়া চাই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং বলেন, তাইল্যান্ডের নীতি হলো—‘তাইল্যান্ড শান্তি চায়, যুদ্ধ নয়’। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, তিনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন যে তাইল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চায়, যার মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত হয়। তবে তিনি এটাও বলেন যে, কম্বোডিয়ার (Thailand Cambodia War) দিক থেকেও এ বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা পাওয়া জরুরি।

  • Plane Crash: ২৭ বছর আগে বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েও বেঁচে গিয়েছিলেন ১১এ-র যাত্রী

    Plane Crash: ২৭ বছর আগে বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েও বেঁচে গিয়েছিলেন ১১এ-র যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী অদ্ভূত সমাপতন! দু’জনেই পড়ে গিয়েছিলেন বিমান দুর্ঘটনার (Plane Crash) কবলে। বরাত জোরে বেঁচেও গিয়েছেন দু’জনে। অবাক করার বিষয় হল দু’জনের সিট নম্বরও এক – ১১এ। দু’টি দুর্ঘটনার সময়ের ব্যবধান অবশ্য ২৮ বছরের। ফেরা যাক খবরে, গত ১২ জুলাই আমেদাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ভেঙে পড়ে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। সব মিলিয়ে বিমানে ছিলেন ২৪২ জন। তাঁর মধ্যে বেঁচে গিয়েছেন মাত্র একজন। তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিশ্বাস কুমার রমেশ। তিনি বসেছিলেন বিমানটির ১১এ আসনে।

    ১১এ আসনের যাত্রী (Plane Crash)

    তাইল্যান্ডে বসে রমেশের বেঁচে যাওয়ার খবর জানতে পারেন ঠিক ২৭ বছর আগে এমনই এক বিমান দুর্ঘটনার কবল থেকে বেঁচে ফেরা অভিনেতা-গায়ক জেমস রুয়াংসাক লইচুসাক। ১৯৯৮ সালে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল তাই এয়ারওয়েজের একটি বিমান। টিজি২৬১ নম্বর বিমানটি দক্ষিণ তাইল্যান্ডের সুরাত থানি শহরে অবতরণের চেষ্টা করার সময় মাঝ আকাশেই ভেঙে পড়ে। বিমানটিতে ছিলেন ১৪৬ জন। দুর্ঘটনায় মারা যান ১০১ জন। যাঁরা সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন লইচুসাকও। রমেশের মতো তিনিও বসেছিলেন ১১এ নম্বর সিটে। বছর সাতচল্লিশের অভিনেতা-গায়ক ফেসবুকে লিখেছেন, “ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় জীবিত ব্যক্তি। তিনি আমার মতো একই সিটে বসেছিলেন – ১১এ।”

    ভয়ঙ্কর স্মৃতি

    ঘটনাটি (Plane Crash) নিছকই কাকতালীয়। তবে ভারতের এই বিমান দুর্ঘটনায় অবিশ্বাস্যভাবে একজনের বেঁচে যাওয়ার খবর উসকে দিয়েছে তাইল্যান্ডের লইচুসাকের ভয়ঙ্কর স্মৃতি। যদিও ২৭ বছর আগের সেই দুর্ঘটনা এবং ভারতের এদিনের বিমান দুর্ঘটনার প্রেক্ষিত এবং বিমানও আলাদা আলাদা, তবুও ৪ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দূরে বসে লইচুসাকের স্মৃতিতে ভেসে ওঠে সেদিনের ভয়ঙ্কর সব স্মৃতি। বরাত জোরে যেদিন আরও ৪৪ জনের মতোই বেঁচে গিয়েছিলেন তিনিও। তাঁরও সিট নম্বর ছিল ১১এ। তবে দু’টি বিমানের গঠন এবং জাত – দুটোই আলাদা (Plane Crash)।

    তা হোক না, তবে সিট নম্বর তো দু’জনেরই এক!

  • Bhutan PM: “প্রধানমন্ত্রী মোদি আমার দাদা, আমার গুরু,” তাইল্যান্ডে দাঁড়িয়ে বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

    Bhutan PM: “প্রধানমন্ত্রী মোদি আমার দাদা, আমার গুরু,” তাইল্যান্ডে দাঁড়িয়ে বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আমার দাদা। তিনি আমার গুরু।” শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এমনই প্রশস্তি করলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী (Bhutan PM) শেরিং টোবগে। দ্বীপরাষ্ট্র তাইল্যান্ডে শুক্রবার শেষ হয়েছে ষষ্ঠ বিমস্টেকের (BIMSTEC) শীর্ষ সম্মেলন। সেই সম্মেলনের ফাঁকেই শেষ দিন হয় ভারত ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। সেখানেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর গলায়। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে টোবগে বলেন, ‘‘আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমার দাদা বলে মনে করি। তিনি আমাকে নির্দেশনা দেন। তাই আমি তাঁকে আমার গুরু বলেও মনে করি। তাঁর সঙ্গে প্রতিটি বৈঠকই আমার জন্য খুব বিশেষ।’’

    মোদি ‘আধ্যাত্মিক নেতা’ (Bhutan PM)

    ভুটানের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘আধ্যাত্মিক নেতা’ বলেও অভিহিত করেন। আমেরিকান পডকাস্টার লেক্স ফ্রিডম্যানের সঙ্গে তাঁর পডকাস্টের প্রশংসা করে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথাগুলি শুনতে শুনতে আমার মনে হচ্ছিল, আমি যেন একজন আধ্যাত্মিক গুরুর কথা শুনছি।” তিনি জানান, পডকাস্টটি তিনি ইংরেজি এবং হিন্দি উভয় ভাষায়ই শুনেছেন। শেরিং টোবগে (Bhutan PM) বলেন, ‘‘আমি লেক্স ফ্রিডম্যানের প্রধানমন্ত্রী মোদির সাক্ষাৎকার শুনেছি। আমি এটি ইংরেজিতে শুনেছি। হিন্দিতেও শুনেছি। যদিও আমি খুব বেশি হিন্দি বুঝি না। তবে আমি এটি মূল ভাষায় শুনতে চেয়েছিলাম। আমি প্রধানমন্ত্রীকে সে কথা জানিয়েওছি।” তিনি বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে বলেছিলাম, দাদা, আমি সেই পডকাস্টটি শুনেছি এবং আমি একজন আধ্যাত্মিক নেতাকে দেখেছি। আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন একজন আধ্যাত্মিক গুরুর ভাষণ শুনছি। এটি খুবই আধ্যাত্মিকভাবে পরিপূর্ণ ছিল।’’

    ভারতের নেতৃত্বের ভূমিকায় জোর

    বিমস্টেকের মধ্যে ভারত সব চেয়ে বড় দেশ। তাই ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ভারতের নেতৃত্বের ভূমিকার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “এই বৈঠকের সময় আমরা খুব সংক্ষেপে বিমস্টেকের কার্যক্রম ও ভারতের নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছি। কারণ ভারত বিমস্টেকের সব চেয়ে বড় সদস্য রাষ্ট্র, সব চেয়ে জনবহুল সদস্য রাষ্ট্র, সব চেয়ে বড় অর্থনীতি এবং বিমস্টেক অঞ্চলের সব চেয়ে শক্তিশালী দেশ। আমরা ভারতের নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সেই নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। তাই আমি বলেছি যে বিমস্টেকের জন্য অনেক ভালো কিছু (Bhutan PM) পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।”

  • PM Modi: “রামায়ণের গল্প তাই জনগণের জীবনের অংশ,” তাইল্যান্ডে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “রামায়ণের গল্প তাই জনগণের জীবনের অংশ,” তাইল্যান্ডে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রামায়ণের গল্প তাই জনগণের জীবনের অংশ।” বৃহস্পতিবার তাইল্যান্ড সফরে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “ভারত ও তাইল্যান্ডের শতাব্দীপ্রাচীন (BIMSTEC Summit) সম্পর্ক আমাদের গভীর সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত। বৌদ্ধধর্মের প্রসার আমাদের জনগণকে সংযুক্ত করেছে। আয়ুথায়া থেকে নালন্দা পর্যন্ত বুদ্ধিজীবীদের আদান-প্রদান হয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “রামায়ণের গল্প তাই জনগণের জীবনের অংশ।”

    সহযোগিতার বন্ধন (PM Modi) 

    ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দু’দিনের সফরে বৃহস্পতিবার তাইল্যান্ডে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান উপপ্রধানমন্ত্রী তথা পরিবহণমন্ত্রী সুরিয়া জংরুংগ্রেয়াংকিট। ব্যাংককে অবতরণের পর এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ভারত ও তাইল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতার বন্ধন জোরদার করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।” তাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংস্কৃত ও পালি ভাষার প্রভাব আজও ভাষা ও ঐতিহ্যে প্রতিফলিত হয়। আমি তাইল্যান্ড সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ যে, আমার সফরের সময় ১৮শ শতকের রামায়ণ ম্যুরাল চিত্রভিত্তিক একটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছিল।”

    ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি

    তিনি বলেন, “ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনে তাইল্যান্ডের একটি বিশেষ জায়গা রয়েছে। ভারত ও তাইল্যান্ড মুক্ত, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং নিয়ম-ভিত্তিক শৃঙ্খলাকে সমর্থন করে। আমরা উন্নয়নবাদের নীতিতে বিশ্বাস করি, সম্প্রসারণবাদে নয়।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা ভারত-তাইল্যান্ড সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বের স্তরে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    এদিন প্রধানমন্ত্রীকে তাই প্রধানমন্ত্রী শিনাওয়াত্রা “ওয়ার্ল্ড তি-পিটক: সজঝায়া ফোনেটিক সংস্করণ” নামক পবিত্র ধর্মগ্রন্থ উপহার দেন। ২০১৬ সালে থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল অদুল্যাদেজ ও রানি সিরিকিটের ৭০ বছরের রাজত্বের স্মরণে এই গ্রন্থ প্রকাশ করেছিল তাইল্যান্ড সরকার।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন (BIMSTEC Summit), “প্রধানমন্ত্রী শিনাওয়াত্রা এইমাত্র আমাকে ত্রিপিটক উপহার দিয়েছেন। ‘বুদ্ধ ভূমি’ ভারতের পক্ষ থেকে আমি বিনম্রভাবে এটি গ্রহণ করেছি। গত বছর ভারত থেকে তাইল্যান্ডে ভগবান বুদ্ধের পবিত্র ধ্বংসাবশেষ পাঠানো হয়েছিল। এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে ৪ মিলিয়নেরও বেশি ভক্ত সেটি দর্শনের সুযোগ পেয়েছেন (PM Modi)।”

  • PM Modi: তাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    PM Modi: তাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৩ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত তাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা সফর করবেন। এই সফরের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ৪ এপ্রিল ব্যাংককে ষষ্ঠ বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন সামিট-এ (বিমস্টেক) শীর্ষ সম্মেলনে (BIMSTEC Summit) অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি ঘোষিত মহাসাগর নীতির অধীনে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোয় ভারতের লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই সফর করা হচ্ছে। এই সামিট শেষে ৪ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি শ্রীলঙ্কা সফর করবেন।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি (PM Modi)

    অতীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৫, ২০১৭ এবং ২০১৯ সালে একদিনের সংক্ষিপ্ত, অথবা সর্বাধিক দু’দিনের শ্রীলঙ্কা সফর করেছিলেন। এবার তিনি যাবেন তিনদিনের সফরে। কলম্বোর বাইরে সম্ভাব্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমার দিশানায়েকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে শ্রীলঙ্কা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এটি হবে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) তৃতীয় তাইল্যান্ড  সফর। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রীর তাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা সফর এবং ৬ষ্ঠ বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ভারতের ‘প্রথমে প্রতিবেশী’ নীতি, ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি, ‘মহাসাগর’ দর্শন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক দর্শনের প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যক্ত করবে।” ‘মহাসাগর’ বা “মিউচুয়াল অ্যান্ড হোলিস্টিক অ্যাডভান্সমেন্ট ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ অ্যাক্রস রিজিয়নস” দর্শন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর মরিশাস সফরের সময়ই ঘোষণা করেছিলেন।

    বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলন

    বিমস্টেকের (BIMSTEC Summit) সদস্য দেশগুলি হল ভারত, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, মায়ানমার, নেপাল ও ভুটান। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের পর এটি হবে প্রথমবারের মতো বিমস্টেক নেতাদের মুখোমুখি বৈঠক। পঞ্চম (PM Modi) বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলন ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২২ মার্চ, শ্রীলঙ্কার কলম্বোয়। এই শীর্ষ সম্মেলনে নেতারা বিমস্টেক সহযোগিতাকে আরও গতিশীল করার উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “নেতারা বিমস্টেক কাঠামোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সক্ষমতা নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ভারত বিমস্টেকে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব জোরদার করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজীকরণ, স্থল, সামুদ্রিক ও ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন, খাদ্য, শক্তি, জলবায়ু ও মানব নিরাপত্তায় সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা।” বিমস্টেক (BIMSTEC Summit) ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৩ এপ্রিল তাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেটোংটান শিনাওয়াত্রার সঙ্গে একটি বৈঠক করবেন। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে যে, দুই প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পর্যালোচনা করবেন এবং ভবিষ্যতের অংশীদারিত্বের জন্য রূপরেখা তৈরি করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কা সফর করবেন

    তাইল্যান্ড সফর শেষ করে, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ২০২৫ সালের ৪ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুর কুমার দিসানায়ক প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং এই দুই নেতা “একটি সম্মিলিত ভবিষ্যতের জন্য অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা” যৌথ দর্শনের অধীনে সম্মত সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করবেন। এটি গৃহীত হয়েছিল শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির ভারত সফরের সময়। শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় হাইকমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারত ঐতিহ্যগতভাবে শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারদের মধ্যে একটি এবং শ্রীলঙ্কা সার্কে ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারদের মধ্যে একটি।

    বাণিজ্য বিভাগের খবর

    বাণিজ্য বিভাগের খবর, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে পণ্য বাণিজ্য ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ভারতের রফতানির পরিমাণ ৪.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, আর শ্রীলঙ্কার রফতানির পরিমাণ ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বিভিন্ন ঋণ লাইন ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহের জন্য একটি ঋণ সুবিধা দ্বারাও সমর্থিত ছিল। এফটিএ-র পরিধি (PM Modi) আরও বিস্তৃত করার জন্য এবং উৎপত্তির নিয়মগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য, পণ্য এবং পরিষেবা উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে একটি অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তি সহযোগিতা চুক্তির (ইটিসিএ) প্রস্তাব করা হয়েছিল।

    শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার ভারত

    ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহের সফরের পরে ফের আলোচনা (BIMSTEC Summit) শুরু হয়েছে দুই দেশের। এখানে ইটিসিএ নিয়ে আলোচনাও করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত ১৪ দফা আলোচনা হয়েছে, যার মধ্যে সর্বশেষ আলোচনাটি হয়েছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে, কলম্বোয়। শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হওয়ার পাশাপাশি, ভারত শ্রীলঙ্কায় প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের বৃহত্তম অবদানকারীদের মধ্যে একটি, যার মোট পরিমাণ ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রায় ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতের প্রধান বিনিয়োগগুলি হল জ্বালানি, আতিথেয়তা, রিয়েল এস্টেট, উৎপাদন, টেলিযোগাযোগ, ব্যাঙ্কিং এবং আর্থিক পরিষেবা ক্ষেত্রে (PM Modi)।

  • PM Modi: বিশ্বের বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে বুদ্ধের দর্শন, বললেন মোদি

    PM Modi: বিশ্বের বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে বুদ্ধের দর্শন, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বুদ্ধের মধ্যম পথ অনুসরণের শিক্ষা এবং চরমপন্থা পরিহার করার দর্শন বিশ্বব্যাপী বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক সংঘাতের মূল কারণ হল চরমপন্থী অবস্থান গ্রহণ করা। এর পরিবর্তে উচিত একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা।”

    বুদ্ধের শরণ (Samvad Programme)

    বর্তমানে দুদিনের (Samvad Programme) সফরে আমেরিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই থাইল্যান্ডে আয়োজিত সংঘাত পরিহারের লক্ষ্যে বৈশ্বিক হিন্দু-বৌদ্ধ উদ্যোগ ‘সংবাদ’-এর চতুর্থ সংস্করণের ভিডিও ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি ফের শরণ নিলেন বুদ্ধের। তিনি বলেন, “এশিয়ার ধম্ম-ভিত্তিক ঐতিহ্য পরিবেশগত সংকটের সমাধান দিতে পারে যা বর্তমানে বিশ্বকে বিপর্যস্ত করছে। হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, শিন্তোবাদ এবং অন্যান্য এশীয় ঐতিহ্য মানুষকে প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বসবাস করতে শেখায়। এগুলি নিজেকে প্রকৃতি থেকে আলাদা কিছু মনে করে না, বরং প্রকৃতিরই অংশ হিসেবে দেখে।”

    থাইল্যান্ড প্রশস্তি

    থাইল্যান্ডের আতিথেয়তা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রশংসা করে মোদি (PM Modi) বলেন, “এটি এশিয়ার যৌথ দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক সুন্দর উদাহরণ।” ভারত ও থাইল্যান্ডের দুহাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যমান গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রামায়ণ ও রামাকিয়েন উভয় দেশকে সংযুক্ত করে এবং ভগবান বুদ্ধের প্রতি তাদের সম্মিলিত শ্রদ্ধা তাদের একত্রিত করে।”

    বুদ্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংযমের নীতি আজও প্রাসঙ্গিক, যা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দিকনির্দেশনা দেয়।” তিনি দুই দেশের মধ্যে বহুমুখী খাতে প্রাণবন্ত অংশীদারিত্বের কথার উল্লেখ করেন। বলেন, “ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি ও থাইল্যান্ডের ‘অ্যাক্ট ওয়েস্ট’ নীতি পরস্পরের পরিপূরক।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংঘাতের আর একটি কারণ হল অন্যদের মৌলিকভাবে ভিন্ন হিসেবে দেখা। এই পার্থক্য দূরত্ব সৃষ্টি করে। আর এই দূরত্ব বিভেদের রূপ নিতে পারে। এর প্রতিকারে, তিনি ধম্মপদ থেকে একটি শ্লোক উদ্ধৃত করেন, যেখানে বলা হয়েছে যে সবাই যন্ত্রণা ও মৃত্যুকে ভয় (Samvad Programme) পায়।” তিনি বলেন, “ভগবান বুদ্ধের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ভারত সরকারের নীতিগুলির প্রতিফলনে দেখা যায় (PM Modi)।”

  • Thai Captives: ঘুঁচল বন্দিদশা, হামাসের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে দেশে ফিরলেন ৫ থাই নাগরিক

    Thai Captives: ঘুঁচল বন্দিদশা, হামাসের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে দেশে ফিরলেন ৫ থাই নাগরিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাসের হাতে বন্দি (Thai Captives) ছিলেন এক বছরেরও বেশি সময়। শেষমেশ ঘুঁচল বন্দিদশা। রবিবার গাজা (Gaza) থেকে দেশে ফিরলেন পাঁচ থাই নাগরিক। এদিন সকালে ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে অবতরণের পর ওয়াচারা শ্রীয়াউন, পংসাক থায়েন্না, সাথিয়ান সুওয়ান্নাখাম, সারুসাক রুমনাও এবং বান্নাওয়াত সায়েথাওকে তাঁদের স্বাগত জানান পরিবারের সদস্যরা।

    থাই নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন (Thai Captives)

    এক বছরেরও বেশি সময় পরে দেশে ফেরায় প্রিয়জনকে কাছে পেয়ে আনন্দাশ্রু ফেলতেও দেখা গিয়েছে কয়েকজনকে। দেশের মাটিতে পা রাখার পর পংসাক বলেন, “জন্মস্থানে ফিরতে পেরে আমরা সকলেই গভীরভাবে মুগ্ধ। আমি আর কী বলব জানি না। আমরা সবাই সত্যিই কৃতজ্ঞ।” ছেলেকে আর বাড়ি থেকে দূরে রাখতে চান না সোমবুন। উত্তর থাইল্যান্ডের নান প্রদেশের এই প্রৌঢ় বলেন, “আমি আর আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে দূরে কোথাও পাঠাব না।”

    বন্দিদশা ঘুঁচল

    গত মাসে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে মুক্তি পান থাইল্যান্ডের এই পাঁচজন। টানা ১৫ মাস ধরে চলেছে ইহুদি রাষ্ট্র ইজারায়েলের সঙ্গে গাজার মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধ। পরে স্বাক্ষরিত হয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি। সেই চুক্তির কারণেই বন্দিদশা ঘুঁচল হামাসের হাতে বন্দি থাকা এই পাঁচ থাই নাগরিকেরও। থাইল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী মারিস সাংগিয়াম্পোংসা বন্দিদের ফিরিয়ে এনেছেন ইজরায়েল থেকে। নাগরিকরা দেশে ফিরে আসায় স্বস্তির শ্বাস ফেলেছেন তিনি। বলেন, “এটি একটি আবেগঘন মুহূর্ত … তাঁরা তাঁদের পরিবারে ফিরে এসেছেন। আমরা কখনও হাল ছাড়িনি। এটি (Thai Captives) তারই ফল।”

    প্রধানমন্ত্রী পায়োংটার্ন সিনাওয়াত্রা বলেন, “দেশের পাঁচ নাগরিক মুক্তি পাওয়ায় আমরা উল্লসিত। ধন্যবাদ ইজরায়েল, কাতার, মিশর, ইরান, তুরস্ক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। তাদের জন্যই আমাদের দেশের নাগরিকদের বন্দিদশা ঘুঁচল।” জানা গিয়েছে, থাইল্যান্ডে ফেরা পাঁচ নাগরিকই শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। সরকার আগামী কয়েক মাস ধরে তাঁদের ওপর নজর রাখবে। তাঁরা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, তাই এই নজরদারি।

    ইজরায়েলে কাজের খোঁজে গিয়ে হামাসের হাতে বন্দি হন সব মিলিয়ে মোট ৩১জন থাই নাগরিক। ২০২৩ সালের অক্টোবরে তাঁদের বন্দি করা হয়। এঁদের মধ্যে ২৩ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল ২০২৩ সালেই। গত মে মাসে বন্দি দশায়ই মৃত্যু হয় দুজনের (Gaza)। পাঁচজন ফিরলেন দেশে। থাই প্রশাসনের আশা, বাকিদেরও দ্রুত দেশে ফেরানো হবে (Thai Captives)।

  • Thailand: ভারতীয় পর্যটকদের জন্য সুখবর! অনির্দিষ্টকালের জন্য ভিসা ফ্রি হয়ে গেল তাইল্যান্ডে

    Thailand: ভারতীয় পর্যটকদের জন্য সুখবর! অনির্দিষ্টকালের জন্য ভিসা ফ্রি হয়ে গেল তাইল্যান্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইল্যান্ড (Thailand) সরকার ভারতীয় পর্যটকদের জন্য বিরাট সুযোগ করে দিল। জানা গিয়েছে, ভারতীয় পর্যটকদের ক্ষেত্রে সে দেশে ভিসা-মুক্ত যে প্রবেশ ছিল, তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভিসা-মুক্ত প্রবেশের অর্থ হল, ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের ওই দেশে যাওয়া-আসা করতে কোনও ভিসার আর প্রয়োজন নেই।

    ৬০ দিন পর্যন্ত তাইল্যান্ডে ভিসা-মুক্ত থাকার অনুমোদন (Thailand)

    ভারতীয় পর্যটকদের কাছে এখন তাইল্যান্ড (Thailand) খুবই পছন্দের জায়গা। এর আগের নিয়ম ১১ নভেম্বর, ২০২৪-এ শেষ হওয়ার কথা। নিয়ম পরিবর্তনের ফলে ভারতীয় আঞ্চলিক অভিবাসন দফতর থেকে অতিরিক্ত ৩০ দিন বাড়ানোর বিকল্প সহ ৬০ দিন পর্যন্ত থাইল্যান্ডে ভিসা-মুক্ত অবস্থায় থাকার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে ভারতীয় পর্যটকদের ভ্রমণ আরও সহজ  হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কোনও রকম ভিসা আবেদনের ঝামেলা ছাড়াই তাইল্যান্ডের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক এবং দ্রষ্টব্য স্থলগুলি পরিদর্শন করতে পারবেন ভারতীয়রা।

    অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে দেশের

    তাইল্যান্ডের (Thailand) পর্যটন কর্তৃপক্ষ (TAT) এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য জারি করেছে। একই সঙ্গে নতুন দিল্লিতে রয়্যাল থাই দূতাবাসের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, ভিসা-মুক্ত প্রবেশ নীতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়েছে। ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ নানা রকম সুবিধা বাড়িয়ে দেবে। আয়োজক দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। উক্ত দেশের পর্যটনে রাজস্ব ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাবে। হোটেল ব্যবসা, পরিবহণ ব্যবসা সহ পর্যটন-সম্পর্কিত নানা পরিষেবার মাধ্যমে আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি দ্রুত ঘটেবে। একই ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, চাহিদার সাপেক্ষে স্থানীয় উৎপাদন এবং বাজারের বিরাট ক্ষেত্র তৈরি হবে।

    আরও পড়ুনঃ মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ব্যালটে থাকছে বাংলা ভাষাও

    কোন কোন জায়গা আকর্ষণীয়?

    তাইল্যান্ডে (Thailand) সংস্কৃতি, প্রকৃতি এবং অ্যাডভেঞ্চারের প্রাণবন্ত পরিবেশ পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। জমজমাট রাজধানী ব্যাঙ্ককে গ্র্যান্ড প্যালেস এবং ওয়াট অরুণের মতো অলঙ্কৃত মন্দিরগুলি জ্বলজ্বল করে। অন্যতম স্বস্তিদায়ক পরিবেশ রয়েছে এই দেশের একাধিক দর্শনীয় স্থানগুলিতে। আবার রাজধানীর উত্তরের শহর চিয়াং মাই-এর নির্মল মন্দির এবং অত্যাশ্চর্য পার্বত্য অঞ্চলগুলি ট্রেকিংয়ের জন্য উপযুক্ত। সেই সঙ্গে ব্যাংককের কাছে বিখ্যাত ভাসমান বাজারগুলি বেশ আকর্ষিণীয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share