Tag: Tiljala

Tiljala

  • Chaos at Park Circus: ভিড়ে মিশে বহিরাগতরা, আগাম ইন্টেলিজেন্স ছিল, কীভাবে পার্ক সার্কাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করল কলকাতা পুলিশ?

    Chaos at Park Circus: ভিড়ে মিশে বহিরাগতরা, আগাম ইন্টেলিজেন্স ছিল, কীভাবে পার্ক সার্কাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করল কলকাতা পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার প্রতিবাদে অশান্ত পার্ক সার্কাস (Chaos at Park Circus) সেভেন পয়েন্ট। বেআইনি জমায়েত, রাস্তা অবরোধের চেষ্টা। রবিবার অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ইটবৃষ্টি করে। পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় জখম হয়েছেন একাধিক পুলিশকর্মী। ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়ি ও একটি বাসও। পুলিশ সূত্রে খবর, তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দাদের নামে এই জমায়েত হলেও সেখানে বাইরের লোকও উপস্থিত ছিল।

    কীভাবে চলে হামলা

    পুলিশের দাবি, জমায়েতের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এগিয়ে গেলে আচমকাই তাদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘটনার জেরে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশবাহিনী। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও (Central Forces) ঘটনাস্থলে নামানো হয়েছে বলে খবর। ঘটনা প্রসঙ্গে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অসীম বিশ্বাস জানান, অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা চলছিল। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের উপর হামলা করা হয়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশেই থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি বাসেও বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।

    কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনল পুলিশ

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের ৩ জন আহত হন। ঘটনার পর কড়া পদক্ষেপ পুলিশের। গ্রেফতার করা হয়েছে ২০ জনকে। ধৃতদের মধ্যে একজন ফেসবুক লাইভ করে আজ জমায়েতের ডাক দিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে। তিনি আরও জানান, গোটা ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলায় জড়িত কাউকেই ছাড়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারিও দেন পুলিশকর্তা। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস এই ঘটনার তাব্র নিন্দা করেন। ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।

    কেন অশান্ত পার্ক সার্কাস

    গত ১২ মে তিলজলা থানা এলাকার জিজে খান রোডের একটি চারতলা বাড়ির দোতলায় থাকা কারখানায় আগুন লাগে। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের তদন্তে প্রাথমিক ভাবে ওই ঘটনায় বেআইনি বাড়ি, বেআইনি কারখানার মতো বিষয় সামনে এসেছে। আগুন লাগার ঘটনার পরেই তিলজলার ওই বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হয়। তবে তার উপর কলকাতা হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, পার্ক সার্কাসে রবিবার দুপুরে বিক্ষোভের মূল কারণ তিলজলায় বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙা। পুলিশের একাংশের দাবি, শনিবার রাতেই পার্ক সার্কাসে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা হয়, তবে সেই সময়ে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে পার্ক সার্কাসে বিক্ষোভ দেখানোর ডাক দেওয়া হয়। এ দিন দুপুর ২টো নাগাদ প্রায় ৪০০ জনের একটি জমায়েত দেখা যায় পার্ক সার্কাস সাত মাথার মোড়ে। ওই বিক্ষোভ ও অবরোধের জেরে ঘণ্টা খানেক রাস্তা বন্ধ ছিল। রবিবার হওয়া সত্ত্বেও ব্যস্ত ওই তল্লাটে স্বভাবতই যানজট হয়

    বাইরের লোকও মিশেছিল দাবি পুলিশের

    তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার ব্যবহারের প্রতিবাদে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টে উপস্থিত হন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের বক্তব্য, স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অবৈধ জমায়েতে বাইরের লোকও মিশে ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ইন্টেলিজেন্সের তথ্য পেয়ে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল পুলিশ। সেজন্য বড় ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানালেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করছিল। পুলিশ হঠাতে গিয়েছিল। তখন পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।” ডেপুটি কমিশনার (সাউথ–ইস্ট ডিভিশন বা এসইডি) সৈকত ঘোষ জানান, এ দিনের ঘটনায় কলকাতা পুলিশের এক জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার, বেনিয়াপুকুর থানার ওসি এবং কয়েক জন পুলিশকর্মী, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাসচালক ও সাধারণ মানুষ— সব মিলিয়ে জনা দশেক আহত হয়েছেন।

    ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল, বড় কিছু হয়নি

    পুলিশের উপর হামলাকারীদের ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “এর পিছনে কারা রয়েছে, আমরা খতিয়ে দেখছি। আমাদের কাছে তথ্য এসেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরে থেকেও লোক এসেছিল। আমরা সব খতিয়ে দেখছি। কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা কাউকে ছাড়ব না। কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমাদের ৩ পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। আমাদের কাছে ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল। আমরা তৈরি ছিলাম। সেজন্য বড় কিছু হয়নি।” বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশের উপর হামলা হলে লাঠিচার্জ হবেই। জেন্ডার দেখা হবে না।” রাজ্যের শাসকদল বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র দেবজিত সরকার বলেন, ‘সংবিধান স্বীকৃত আইনের কোনও বিরোধিতা করা যাবে না। সকলকে সংবিধান ও দেশের আইন মেনে চলতে হবে। না–মানলে পুলিশ পদক্ষেপ নেবে। রাজ্য সরকারের পুলিশ পদক্ষেপ করায় তাদের অভিনন্দন।’

  • Tiljala: তিলজলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! সাবান তৈরির কারখানায় নিমতেলের ট্যাঙ্কারে ডুবে মৃত ২ শ্রমিক

    Tiljala: তিলজলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! সাবান তৈরির কারখানায় নিমতেলের ট্যাঙ্কারে ডুবে মৃত ২ শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala) সাবান তৈরির কারখানায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল। নিম তেলের ট্যাঙ্কারে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল এক খালাসি ও একজন শ্রমিকের। এঁদের মধ্যে খালাসি দক্ষিণ ভারতীয়। জানা গিয়েছে, লোগাননাথন (৩৩) তিলজলার সেই সাবান কারখানায় ট্যাঙ্কারে করে দক্ষিণ ভারত থেকে নিম তেল নিয়ে এসেছিলেন। অন্যদিকে অপর শ্রমিক কার্তিক হালদারের (৪৩) বাড়ি সোনারপুরে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কলকাতা পুলিশ।

    ট্যাঙ্কারের ভিতর নিম তেলের পরিমাপ করতে গিয়েই দুর্ঘটনা

    পুলিশ সূত্রের খবর, এ দিন দুপুর ২টো নাগাদ তিলজলার ওই সাবান কারখানায় দক্ষিণ ভারত থেকে একটি ট্যাঙ্কার এসে পৌঁছয়। তাতে একটি নির্দিষ্ট ধরনের সাবান তৈরির উপকরণ, নিম তেল ভরা ছিল। প্রায় ২৪ হাজার লিটারের ওই ট্যাঙ্কারের পেটে ছ’টি ঢাকনা রয়েছে। সেগুলি দিয়ে ট্যাঙ্কারে তরল ভরা এবং বার করা যায়। ট্যাঙ্কার খালি করার আগে একটি ঢাকনার সামনে ঝুঁকে তরলের উচ্চতা মাপতে যান লোগাননাথন। তখনই হঠাৎ ট্যাঙ্কারের তরলের মধ্যে পড়ে যান তিনি। তা দেখে অন্যেরা চিৎকার শুরু করলে ছুটে যান কার্তিক। কিন্তু তিনিও ট্যাঙ্কারের তরলে পড়ে যান। এর পরে আর কেউ এগোতে সাহস করেননি।

    কীভাবে উদ্ধার করা হল

    ভিতরে নিম তেল ভর্তি থাকার কারণে দু’জনের দেহ উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয় কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীদের। অবশেষে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর দু’টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় ভিতর থেকে। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য খালাসি ও শ্রমিকের মৃতদেহ পাঠানো হয় হাসপাতালে। পাশাপাশি কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে দু’জনের বাড়িতেই খবর পাঠানো হয়েছে।

    কী বলল পুলিশ

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক পুলিশকর্তা বলেন, ‘‘ময়না তদন্তের পরে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা-ও দেখা হবে।’’ তবে ওই সাবান কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে রাত পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sexual Harassment: তিলজলায় তরুণীকে গণধর্ষণ! অভিযুক্ত দুই বিদেশি ফুটবলার

    Sexual Harassment: তিলজলায় তরুণীকে গণধর্ষণ! অভিযুক্ত দুই বিদেশি ফুটবলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক তরুণীকে ধর্ষণের (Sexual Harassment) অভিযোগে এক মহিলা ও দুই বিদেশি ফুটবলার সহ তিনজনকে গ্রেফতার করল নিউটাউন থানার পুলিশ। অভিযুক্ত দুই ফুটবলার দক্ষিণ আফ্রিকার ঘানার বাসিন্দা। কলকাতায় তারা বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টে টাকার বিনিময়ে ফুটবল খেলে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে অভিযুক্ত মহিলা মিজোরামের বাসিন্দা। রবিবার তিনজনকেই বারাসত জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক অভিযুক্তদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

    টাকা চাইতে গিয়েই বিপদ

    পুলিশ সূত্রে খবর, এক তরুণী নিউটাউন থানায় এসে অভিযোগ করেন যে তাঁর সঙ্গে পূর্ব পরিচিত এক মহিলার কাছে টাকা চাইতে যান তিনি। ওই মহিলা জানান, তাঁর কাছে টাকা নেই। কিন্তু তাঁর সঙ্গে গেলে তিনি টাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন। সেই বিশ্বাসে তাঁর সঙ্গে সাহায্যপ্রার্থী তরুণী গিয়েছিলেন দুই বিদেশি ফুটবলারের কাছে। অভিযোগ, তারা নিজেদের ফ্ল্যাটে টাকা দেওয়ার অছিলায় ধর্ষণ (Sexual Harassment) করে ওই তরুণীকে। পাঁচ দিন আগের এই ঘটনায় শনিবার রাতে তিলজলা ও নিউটাউন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক মহিলা-সহ তিন অভিযুক্তকে। নিউটাউন থানা এলাকার বাসিন্দা ওই তরুণী পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন গত ১৯ মে। তার ভিত্তিতে এই ধরপাকড় চালায় পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    ধৃতদের পরিচয়

    বিধাননগর কমিশনারেট সূত্রের খবর, ধৃত দুই ফুটবলারের নাম ক্রিস জোসেফ ও মোজেস জুটা। কলকাতার তিলজলায় একটি ফ্ল্যাটে তাঁরা থাকেন। ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জেনেছে, ঘানার ওই দুই ফুটবলার চুক্তির বিনিময়ে খেলে থাকেন। তবে কলকাতার কোনও নামী ক্লাবের সঙ্গে তাঁদের এখনও কোনও যোগসূত্র পাওয়া যায়নি বলেই দাবি করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, দুই ফুটবলার ২০১৯ সালে কলকাতায় এসেছিলেন। কোভিডের সময়ে তাঁরা ঘানায় ফিরে যান। ফের ২০২১ সালে তাঁরা কলকাতায় আসেন। ময়দান সূত্রের খবর, দক্ষিণ শহরতলিতে এই ধরনের বিদেশি ফুটবলারদের বসবাস রয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই নামী ক্লাবের সঙ্গে জড়িত নন। ধৃত তরুণী লিজার প্রসঙ্গে পুলিশের দাবি, ওই তরুণী নানা ধরনের কাজ করে থাকেন। অনেক বিদেশির সঙ্গেই তাঁর বন্ধুত্ব রয়েছে। লিজার কাজকর্ম নিয়েও সন্দেহ রয়েছে পুলিশের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Priyank Kanoongo: তিলজলায় এনসিপিসিআর কর্তাকে মারধরে অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে মামলা, জানাল পুলিশ   

    Priyank Kanoongo: তিলজলায় এনসিপিসিআর কর্তাকে মারধরে অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে মামলা, জানাল পুলিশ   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala) ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসের (NCPCR) কর্তা প্রহৃত হওয়ার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। রবিবার একথা জানাল কলকাতা পুলিশ। সাউথ ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এনসিপিসিআরের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগোর (Priyank Kanoongo) অভিযোগের ভিত্তিতে তিলজলা থানার ওসি (OC) বিশ্বক মুখার্জির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলায় তদন্ত চলছে।

    প্রিয়ঙ্ক কানুনগোর (Priyank Kanoongo) অভিযোগ…

    তিলজলায় নাবালিকা খুনকাণ্ডের তদন্তে এসে থানার ভিতরে পুলিশের অনৈতিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করায় ওসির হাতে প্রহৃত হন ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসের (NCPCR) চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। ঘটনার জেরে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্ফোরক ট্যুইট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ট্যুইটার হ্যান্ডেলকে ট্যাগ করে ট্যুইট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানে তিনি লেখেন, তিলজলা থানার ভিতরে এনসিপিসিআরের চেয়ারপার্সনকে মারধর করা হয়। এটাই পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। অবিলম্বে রাজ্যপাল ও কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: শিবপুর যাওয়ার পথে সুকান্তকে বাধা পুলিশের, কী বললেন সাংসদ?

    প্রিয়ঙ্কর (Priyank Kanoongo) কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে ছুটিতে পাঠানো হয় তিলজলা থানার ওসি বিশ্বক মুখোপাধ্যায়কে। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ওই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। লালবাজার সূত্রে খবর, বিশ্বকের বিরুদ্ধে মারধর, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, অবৈধভাবে আটকে রাখা ও সম্মিলিতভাবে অপরাধ সংগঠিত করার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, তিলজলায় বছর সাতেকের এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুন করার অভিযোগ ওঠে। ওই অভিযোগের তদন্তে এসে তিলজলা থানায় যান প্রিয়ঙ্ক। সেখানেই ওসি বিশ্বক তাঁকে হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ। জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের কর্তার বাধা পাওয়ার ঘটনায় রাজ্যকে নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, আগামিদিনে এ নিয়ে কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে তারা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tiljala: তিলজলা থানায় প্রহৃত এনসিপিসিআর কর্তা, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি

    Tiljala: তিলজলা থানায় প্রহৃত এনসিপিসিআর কর্তা, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala) নাবালিকা খুনকাণ্ডের তদন্তে এসে থানার ভিতরে পুলিশের অনৈতিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করায় ওসির (OC) হাতে প্রহৃত হয়েছেন ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটসের (NCPCR) চেয়ারপার্সন। ঘটনার জেরে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্ফোরক ট্যুইট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ট্যুইটার হ্যান্ডেলকে ট্যাগ করে ট্যুইট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানে তিনি লেখেন, তিলজলা থানার ভিতরে এনসিপিসিআরের চেয়ারপার্সনকে মারধর করা হয়। এটাই পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। অবিলম্বে রাজ্যপাল ও কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি করেন শুভেন্দু।

    এনসিপিসিআরের (NCPCR) চেয়ারপার্সনের অভিযোগ…

    এদিকে, এনসিপিসিআরের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগোকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় দায়ের হয়েছে মামলা। তার জেরে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে তিলজলা থানার ওসি বিশ্বক মুখোপাধ্যায়কে। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ওই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। লালবাজার সূত্রে খবর, বিশ্বকের বিরুদ্ধে  মারধর, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, অবৈধভাবে আটকে রাখা ও সম্মিলিতভাবে অপরাধ সংগঠিত করার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    বছর সাতেকের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুন এবং তার তদন্তে এসে (Tiljala) জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের বাধা পাওয়ার ঘটনায় রাজ্যকে নিশানা করছে বিজেপি। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, আগামিদিনে এ নিয়ে কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে তারা। বাংলার যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, সেই একই পরিস্থিতির কথা বলেছেন প্রিয়ঙ্কও। এই পরিস্থিতিতেই প্রকাশ্যে এসেছে মালদহের গাজোলে নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডের তদন্তে গিয়ে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের সঙ্গে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের গন্ডগোলের ছবি।

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, গোটা দেশের কাছে লজ্জার ঘটনা ঘটেছে গতকাল (শুক্রবার)। বাংলা ও বাঙালির মানুষের কাছে এটা লজ্জার যে, শিশুদের অধিকার রক্ষার কমিশনের চেয়ারম্যানের গায়ে হাত তুলছে পুলিশ। তিনি বলেন, তাহলে বাংলার বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী তথা সাধারণ মানুষের অবস্থা ঠিক কেমন, তা সহজেই অনুমেয়।

    আরও পড়ুুন: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    বিজেপি (Tiljala)  নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, তিলজলার ঘটনা একটা উদাহরণ মাত্র। এ দিয়ে সংবিধানের রক্ষাকর্তারা হয়তো বুঝতে পারছেন যে, এ রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক কী। পশ্চিমবঙ্গে মানবাধিকার ও আইনের শাসন ঠিক কোন পর্যায়ে গিয়েছে, সেটাও প্রত্যক্ষ করছে সারা দেশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tiljala Murder: নাবালিকা খুনে অগ্নিগর্ভ তিলজলা, জনতার রোষে পুড়ল পুলিশের গাড়ি, বাইক

    Tiljala Murder: নাবালিকা খুনে অগ্নিগর্ভ তিলজলা, জনতার রোষে পুড়ল পুলিশের গাড়ি, বাইক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাবালিকা খুনে অগ্নিগর্ভ তিলজলা (Tiljala Murder)। পুলিশের গাড়িতে আগুন (Fire)। দাউদাউ করে জ্বলল বাইক। ট্রেন লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি উত্তেজিত জনতার। পরিস্থিতির জেরে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন (Train) চলাচল। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকেও লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। অশান্ত হয়ে ওঠে বন্ডেল গেট, পিকনিক গার্ডেন এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। করে লাঠিচার্জও। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন পুলিশের পদস্থ কর্তারা। শুরু হয়েছে ধরপাকড়। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। লাঠি হাতে টহল দিচ্ছে র‌্যাফ।  

    জনরোষের নেপথ্যে…

    পুলিশের দাবি, স্ত্রীর গর্ভপাত এড়াতেই এক তান্ত্রিকের কথায় ওই নাবালিকাকে খুন (Tiljala Murder) করা হয়েছে বলে জেরায় জানিয়েছেন ধৃত অলোক কুমার। নাবালিকার মাথা, কান ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এর সঙ্গে মিলেছে যৌন নিগ্রহের প্রমাণও। পুলিশি জেরায় অলোক কুমার জানিয়েছেন, তাঁর এখনও কোনও সন্তান নেই। তাঁর স্ত্রী গর্ভবতী। এর আগে বেশ কয়েকবার গর্ভপাত হয়ে গিয়েছিল তাঁর স্ত্রীর। বিহারের এক তান্ত্রিকের কথায় সন্তান লাভের আশায় বছর সাতেকের ওই নাবালিকাকে খুন করেন অলোক। সূত্রের খবর, পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। অভিযুক্ত তান্ত্রিককে ধরতেও বিহার যেতে পারে কলকাতা পুলিশের একটি দল।

    আরও পড়ুুন: ‘মন্ত্রিত্ব বাঁচাতেই প্রয়াত বাবাকে চোর বলছেন’, উদয়নকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে আবর্জনা ফেলতে শিশুটিকে পাঠানো হয়েছিল আবাসনের নীচে। অনুমান তখনই তাকে ঘরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালান দোতলার ফ্ল্যাটের বাসিন্দা অলোক। শিশুটিকে খুন করার পর তার হাত-পা বেঁধে বস্তার ভিতরে রেখে দেওয়া হয়েছিল। সোমবার সকালে এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে তিলজলা। বন্ডেলে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। একটি বাসের ছাদে চেপে বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতার একাংশ। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রবিবার সকাল থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ সঠিক পদক্ষেপ করেনি। রবিবার রাতে তিলজলা (Tiljala Murder) থানায় ভাঙচুর চালায় জনতা।

    ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবারের বিক্ষোভের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় রেল চলাচল। অবরোধের কারণে প্রায় ২০টি ট্রেন লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। চরম দুর্ভোগের শিকার যাত্রীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের পাশাপাশি পকসো আইনের ৬ নম্বর ধারায়ও মামলা রুজু হয়েছে অলোক কুমারের বিরুদ্ধে।

     
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Tiljala Case: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    Tiljala Case: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গর্ভবতী স্ত্রীর গর্ভপাত ঠেকাতে তান্ত্রিকের নির্দেশে শিশু বলি দিয়েছিল তিলজলা-কাণ্ডে অভিযুক্ত অলোক কুমার। জেরায় পুলিশকে একথাই জানিয়েছে অলোক। তিলজলায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের পর খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অলোক কুমার সন্তানহীন। সন্তান লাভের আশাতেই সাত বছরের প্রতিবেশী শিশুকে খুন করেছে সে, দাবি পুলিশের। মাথায় হাতুড়ির আঘাত, সারা শরীর সুচলো অস্ত্রে ক্ষতবিক্ষত। শেষমেশ শ্বাসরোধ করে খুন। তিলজলাকাণ্ডে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের হাতে উঠে আসছে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

    সন্তান লাভের আশা

    পুলিশ সূত্রে খবর, বিহারের এক তান্ত্রিক সন্তান লাভের জন্য অলোককে নরবলি দিতে বলেছিলেন। তার পর থেকেই নাকি তক্কে তক্কে ছিল বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা অলোক। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত সন্তানহীন। তার স্ত্রী বার বার চেষ্টা করেও মা হতে পারেননি। তিন বার তাঁর গর্ভপাত হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, এর পরেই সন্তান লাভের আশায় বিহারের এক তান্ত্রিকের পরামর্শ নেয় অলোক। ওই তান্ত্রিককে ধরতে বিহারে যেতে পারে কলকাতা পুলিশের একটি দল।  খুনের অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত অলোক কুমারের বিরুদ্ধে পকসো আইনেও মামলা শুরু করেছে পুলিশ। 

    তান্ত্রিকের কাণ্ড!

    পুলিশ সূত্রে খবর অলোক জানিয়েছে, প্রথমে ওই নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে সে। তার পর মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধ করে শিশুটিকে খুনের চেষ্টা করে সে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে শিশুটিকে ধর্ষণও করে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে নাবালিকার ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ।  

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    প্রসঙ্গত রবিবার সকালে তিলজলার ওই আবাসনের বাইরে ময়লা ফেলতে গেছিল সাত বছরের নাবালিকা। কিন্তু সে আর নিজের ফ্ল্যাটে ফেরেনি। এর পরেই শিশুটির খোঁজ শুরু করে বাবা-মা। কিন্তু শিশুটি বাড়ি না আসায় শেষে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশ বিষয়টি শুনে কোনও তৎপরতাই দেখায়নি। এর পরেই ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসে। সেখানে দেখা যায়, ময়লা ফেলার পরে আবাসনের মধ্যে প্রবেশ করেছিল ওই নাবালিকা। কিন্তু নিজের ফ্ল্যাটে ঢোকেনি। তখনই সন্দেহ হয়, আবাসনের মধ্যেই অন্য কোনও একটি ফ্ল্যাটে রয়েছে সে। ওই আবাসনে মোট ৩২ টি ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। অলোকের ফ্ল্যাটটি বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। সন্ধ্যায় সেখান থেকে শিশুর দেহ উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

    তিলজলার ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা তিলজলা থানায় বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, রবিবার সকাল থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ পাত্তা দেয়নি। আরও আগে পদক্ষেপ করলে হয়তো শিশুটিকে বাঁচানো যেত, দাবি প্রতিবেশীদের। রবিবার রাতে তিলজলা থানায় ঢিল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। বিক্ষোভ সামলাতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share