Tag: Tirumala Tirupati Devasthanams

Tirumala Tirupati Devasthanams

  • Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিরও উচিত নয় সরাসরি রাষ্ট্রের দ্বারা পরিচালিত (Sabarimala Case) হওয়া। সুপ্রিম কোর্টকে (SC) এমনই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন্দ্রের বক্তব্য (Sabarimala Case)

    কেন্দ্রীয় সরকারের এই বক্তব্যটি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা নয়-সদস্যের সংবিধান বেঞ্চের সামনে উপস্থাপন করেন। এই বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি সূ্র্য কান্ত। বেঞ্চটি সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারা এবং ২৬ নম্বরের অধীনে রাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করছে, যা শবরীমালা রিভিউ পিটিশনস থেকে উদ্ভূত।

    কী বললেন সলিসিটর জেনারেল

    কেন্দ্রের অবস্থান ধর্মীয় স্বায়ত্তশাসন এবং ধর্মনিরপেক্ষ সিস্টেমের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্যের ওপর জোর দেয়। সরকার সাফ  জানিয়ে দিয়েছে, তারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সরাসরি সরকারি পরিচালনার পক্ষে নয়। যদিও অনুচ্ছেদ ২৫(২) রাষ্ট্রকে আর্থিক ও রাজনৈতিক মতো ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অনুমতি দেয়, সরকার যুক্তি দেয় যে এটি চিরকালের জন্য মন্দির দখলের অনুমতি দেয় না। সলিসিটর জেনারেল আরও বলেন, “সংবিধানের ব্যাখ্যা সব ধর্মের জন্য সমান হওয়া উচিত এবং কোনও একক ধর্মের প্রথার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয়।” কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, অনেক হিন্দু প্রথা স্বভাবতই বহুমাত্রিক, যেখানে কিছু মন্দিরে রীতিনীতির ভিত্তিতে প্রবেশ সীমাবদ্ধ থাকে, এবং এই বৈচিত্র্য উপেক্ষা করে একরূপ কাঠামো চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করে (Sabarimala Case)।

    পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

    যদিও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে কথা বলা হয়েছে, বেঞ্চ সম্পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালতের মন্তব্য, সম্পূর্ণ বর্জনের অধিকার সমাজকে (SC) বিভক্ত করতে পারে এবং হিন্দু ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ক্ষুণ্ণ করতে পারে। বিচারপতি বিভি নাগারাথনার মন্তব্য, “সবারই প্রতিটি মন্দির ও মঠে প্রবেশাধিকার থাকতে হবে”। সামাজিক সংস্কার ও বৈষম্য প্রতিরোধে রাষ্ট্র অনুচ্ছেদ ২৫(২)(খ)-এর অধীনে হস্তক্ষেপ করতে পারে। সংশ্লিষ্ট রায়গুলিতে আদালত ধারাবাহিকভাবে বলেছে যে মন্দিরের অর্থ “দেবতার সম্পত্তি” এবং তা শুধুমাত্র মন্দিরের স্বার্থেই ব্যবহার করা উচিত, অন্য কোনও সরকারি ব্যয় বা বাণিজ্যিক কাজে নয়।

    বিতর্কিত বিষয়

    এই বিষয়টি এখনও বিতর্কিত। অনেকেরই যুক্তি, হিন্দু মন্দিরগুলিই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা সরকারি নিয়ন্ত্রণের অধীনে, যেখানে মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বারগুলি সাধারণত স্বশাসিত। ভক্তরা প্রায়ই আপত্তি করেন যে মন্দিরের আয় ধর্মীয় কার্যকলাপের ক্রমের বদলে অন্যান্য সরকারি প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আশঙ্কা রয়েছে যে সরকার নিযুক্ত প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান বা ভক্তি নাও থাকতে পারে (Sabarimala Case)। সমালোচকদের মতে, এই নিয়ন্ত্রণ মন্দির বোর্ডগুলোকে ‘রাজনৈতিক পার্কিং লটে’ পরিণত করতে পারে, যেখানে নিয়োগগুলি যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় হয় (SC)।

    এই বিতর্ক ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মন্দির পরিচালনায় ব্যাপক সরকারি অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে চলছে। কেরলের বিভিন্ন দেবস্বম বোর্ড প্রায় ৩,০০০ মন্দির পরিচালনা করে। তামিলনাড়ুতে হিন্দু ধর্মীয় ও দাতব্য এনডাউমেন্টস বিভাগ ৩০,০০০-এরও বেশি মন্দির পরিচালনা করে। অন্ধ্রপ্রদেশে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমস তিরুপতি বালাজি মন্দির পরিচালনা (Sabarimala Case) করে। কর্নাটক ও উত্তরাখণ্ড-সহ অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কাঠামো রয়েছে।

     

  • Ayodhya Ram Temple: মন্দির উদ্বোধনে তিরুপতি থেকে অযোধ্যায় পৌঁছাবে ১ লক্ষ লাড্ডু প্রসাদ

    Ayodhya Ram Temple: মন্দির উদ্বোধনে তিরুপতি থেকে অযোধ্যায় পৌঁছাবে ১ লক্ষ লাড্ডু প্রসাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দির উদ্বোধনে ভক্তদের জন্য অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Temple) বিশেষ প্রসাদ পাঠাবে তিরুপতি মন্দির ট্রাস্ট। প্রভু শ্রীরামের মন্দিরে রামলালার মূর্তিতে যখন প্রাণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে প্রস্তুতিপর্ব চূড়ান্ত ব্যস্ততার মুখে, ঠিক সেই সময় দক্ষিণ ভারতের তিরুপতি মন্দিরধামও রামভক্তদের জন্য প্রসাদ পাঠানোর বার্তা দিল। দক্ষিণের এই মন্দির ট্রাস্ট জানিয়েছে, উদ্বোধনের দিনে আগত ভক্তদের জন্য লাড্ডু প্রসাদ পাঠানো হবে।

    ১ লক্ষ লাড্ডু পাঠানো হবে (Ayodhya Ram Temple)

    আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় শ্রীরামের মন্দির (Ayodhya Ram Temple) উদ্বোধন হবে। দেশের প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থেকে এই অনুষ্ঠান কাজ সম্পন্ন করবেন। আসবেন সারা দেশের ৭ হাজার বিশিষ্ট অতিথি। তাই রামনগরীতে সাজো সাজো রব। শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতির ব্যস্ততাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা চলছে। এই অনুষ্ঠানে প্রসাদ থাকবে লাড্ডু, যা তিরুপতি থেকে পাঠানো হবে অযোধ্যার রামভক্তদের কাছে। এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিরুমালা তিরুপতি দেবাস্থানামস।

    কী জানিয়েছে তিরুপতি মন্দিরের ট্রাস্ট

    তিরুপতি মন্দির ট্রাস্টের কার্যকরী অধিকর্তা এভি রেড্ডি বলেছেন, “ভাগবান বেঙ্কটেশ্বর এবং ভগবান রাম-উভয়ই মহা বিষ্ণুর অবতার। মন্দির উদ্বোধনের অপেক্ষায় সমস্ত দেশ। ভক্তদের জন্য আমরা মন্দিরের তরফ থেকে লাড্ডু বিতরণ করব। সমস্ত রামভক্ত এবং বিশিষ্ট অতিথিদের জন্য সৌজন্যের নিদর্শন হবে এই প্রসাদ।” সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ তিরুপতি মন্দিরে ১৭০ গ্রাম ওজনের লাড্ডু প্রসাদ হিসাবে ভক্তদের বিতরণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Temple) যেহেতু এক লক্ষ লাড্ডু পাঠানো হবে, তাই প্রতি প্রসাদ লাড্ডুর ওজন হবে ২৫ গ্রাম।

    উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্টরা

    দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসাবে থাকবেন মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) উদ্বোধনে। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজনৈতিক দলের নেতা, বলি তারকা, খেলোয়াড় এবং বিদেশের কূটনীতিকরাও থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের সাধুসন্ত, সন্ন্যাসীরা উপস্থিত থাকবেন। মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই দিন সাধারণ ভক্তদের মন্দির চত্বরে প্রবেশের অনুমতি থাকবে না। কেবলমাত্র বিশিষ্টরাই যোগদান করবেন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share