Tag: TMC councillor

TMC councillor

  • Arijit Das Thakur: তোলাবাজির অভিযোগে ফের গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর, তালিকায় এবার অরিজিৎ দাস ঠাকুর

    Arijit Das Thakur: তোলাবাজির অভিযোগে ফের গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর, তালিকায় এবার অরিজিৎ দাস ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই একের পর এক শাসকদলের বিদায়ী নেতা ও কাউন্সিলরের গ্রেফতারির পালা চলছে। সুদীপ পোল্লে এবং সচিন সিংয়ের পর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কলকাতা পুরনিগমের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur)। তোলাবাজিসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে গড়ফা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। বুধবারই তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি এবং তোলাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিজেপি সরকার।

    ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ (Arijit Das Thakur)

    তৃণমূল নেতাদের (TMC Councillor) বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তৎকালীন বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি এই নিয়ে বারবার সরব হলেও, শাসকদলের পক্ষ থেকে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠত। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চিত্রটি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আইন এখন নিজের পথে চলছে এবং একের পর এক প্রভাবশালী নেতার শ্রীঘরে ঠাঁই হচ্ছে। অরিজিতের বিরুদ্ধে মূলত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা তোলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই এভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধরপাকড় চলছে।

    অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur) তৃণমূলের দীর্ঘদিনের প্রবীণ নেতা দুলাল দাস ঠাকুরের পুত্র। এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল। অথচ, সম্প্রতি দল তাঁকে নিজেদের আইটি (IT) সেলে বড়সড় দায়িত্বও দিয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না; ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গড়ফা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

    এক নজরে সাম্প্রতিক গ্রেফতারি

    কলকাতা পুরনিগমে এই নিয়ে পরপর তিনজন তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Councillor) পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। যারা যারা অসৎ উপায় অবলম্বন করে মানুষের জনজীবনকে বিপন্নকে করেছেন তাঁদের আরও কয়েকজন সম্পর্কে অভিযোগগুলি ছিল ভীষণ গুরুতর। সুদীপ পোল্লে, ওয়ার্ড নম্বর ১২৩, কলকাতা পুরনিগমের প্রথম কাউন্সিলর হিসেবে কয়েকদিন আগে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। এরপর সচিন সিং, ওয়ার্ড নম্বর ৩৬, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভাঙচুর, লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে গত ২৭ মে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    সচিন সিংয়ের গ্রেফতারির নেপথ্যে রয়েছে ২০২১ সালের ৪ মে-র একটি ঘটনা। অভিযোগকারী আদর্শ পাণ্ডে দাবি করেন, ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ সচিন সিংয়ের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর পাশাপাশি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। সেই পুরনো মামলার তদন্তে নেমেই পুলিশ সচিনকে গ্রেফতার করে। আর তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুলিশের জালে ধরা পড়লেন ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur)।

  • Recruitment Scam: নিয়োগকাণ্ডে ২ তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত ও দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে সিবিআই

    Recruitment Scam: নিয়োগকাণ্ডে ২ তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত ও দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় দুর্নীতির শিকড়ে (Recruitment Scam) পৌঁছতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে সিবিআই-এর তল্লাশি অভিযান। তৃণমূলের বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে পৌঁছছে সিবিআই। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতেও অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের অঙ্গ হিসাবেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে ওই দুই কাউন্সিলরের বাড়িতে।  

    পার্থ-ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য

    পাটুলিতে কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তর বাড়িতে এদিন হানা দিয়েছে সিবিআই। পার্থ-ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর হিসাবেই পরিচিত তিনি। এর পাশাপাশি তিনি পুরসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতকও বটে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ বাপ্পাদিত্যের বাড়ির সামনে পৌঁছন বেশ কয়েক জন সিবিআই আধিকারিক। তাঁরা বাড়ির সদর দরজার সামনে কড়া নাড়েন। বেশ কয়েক মিনিট অপেক্ষা করার পর নিজেই দরজা খুলে দেন বাপ্পাদিত্য। সিবিআই আধিকারিকেরা নিজেদের পরিচয় দিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢোকেন। সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও।

    অভিষেক ঘনিষ্ঠ দেবরাজ

    এদিন সকাল ৯টা ১০ নাগাদ বিধাননগর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীর রাজারহাটের বাড়িতে পৌঁছয় সিবিআইয়ের একটি দল। তখন দেবরাজ বাড়িতে ছিলেন না। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি বাড়ি পৌঁছে যান। সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা তাঁকে সঙ্গে নিয়ে ভিতরে ঢুকে যান। দেবরাজ তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সীর স্বামী। এর আগেও তাঁকে একটি মামলায় তলব করেছিল সিবিআই। রাজনৈতিক মহলে তাঁকে অনেকেই চেনেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে।

    আরও পড়ুন: শক্তিশালী সাইক্লোনের রূপ নেবে ‘মিগজাউম’! শনি-রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা

    সিবিআই তল্লাশি মুর্শিদাবাদ, কোচবিহারেও

    সকাল থেকেই নতুন করে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সক্রিয় তদন্তকারীরা। মুর্শিদাবাদ এবং কোচবিহারেও চলছে সিবিআই তল্লাশি। মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দিয়েছে সিবিআই। বিধায়কের বাড়িতে শুরু হয়েছে তল্লাশি। তাঁর বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় আগে জাফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। ডোমকলের পাশাপাশি বড়ঞাতেও চলছে তল্লাশি। সেখানে ঝণ্টু শেখের বাড়িতে হানা দিয়েছে সিবিআই। আবার বড়ঞাতে বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ ‘ঘনিষ্ঠ’ ঝণ্টু শেখের বাড়িতে হানা দিয়েছে সিবিআই আধিকারিকরা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share