Tag: TMC MP Abhishek

TMC MP Abhishek

  • FIR Against Abhishek: উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের, অভিষেকর বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর, কোন কোন ধারায় অভিযোগ?

    FIR Against Abhishek: উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের, অভিষেকর বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর, কোন কোন ধারায় অভিযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উসকানিমূলক ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর। বিধানসভা ভোটের প্রচারপর্বে বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক সভা থেকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। ভোটের ফল ঘোষণার পর বিজেপি কর্মীদের ‘দেখে নেওয়া’, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম করে হুঁশিয়ারি এবং ডিজে বাজানোর রূপক ব্যবহার করে মন্তব্য—এসব নিয়েই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। সেই সমস্ত বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই এবার বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের (FIR Against Abhishek) করলেন বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার।

    কোন ধারায় মামলা?

    রাজীব সরকার নামে এক সমাজকর্মীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, হিংসায় উস্কানি, হুমকি-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সাব-ইন্সপেক্টর সোমনাথ সিনহা রায়কে। অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ মে-র মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচনী জনসভা থেকে উসকানিমূলক বক্তব্য পেশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, গত ৭ এপ্রিল কলকাতায় আয়োজিত একটি প্রাক-নির্বাচনী সভায় অভিষেকের একটি মন্তব্যকে ঘিরেও মূল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে তৃণমূল সাংসদকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “আমি দেখে নেব ৪ মে কে তাঁদের বাঁচাতে আসে। দিল্লি থেকে কোন গডফাদার তাঁদের রক্ষা করতে আসেন, তাও আমি দেখে নেব।”

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা

    অভিযোগকারী দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উস্কানিমূলক ও ভয় দেখানোর মতো ভাষণ দিয়েছেন। অভিযোগে আরামবাগ, হরিণঘাটা ও নানুরের সভার উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে, ওই ভাষণগুলিতে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং এমন আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল যা জনশৃঙ্খলা নষ্ট করতে পারে। আরও দাবি করা হয়েছে, সেই বক্তৃতার ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়া ও ফেসবুক পেজে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগেই বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ তুলেছিল, নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষা ও শব্দচয়ন রাজনৈতিক সৌজন্যের সীমা ছাড়িয়েছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক হিংসাকে উসকে দিতে পারে। এর ফলে আইন-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে দাঙ্গা বাঁধানোর উসকানি, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা তৈরি করা, ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা প্রচারের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • Rujira Banerjee: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

    Rujira Banerjee: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার (coal smuggling) কাণ্ডে নয়া মোড়। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ অভিষেক (Abhishek) বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরার (Rujira Banerjee) বিরুদ্ধে এবার গ্রেফতারি পরোয়ানা (Arrest warrant) জারি করল দিল্লির একটি আদালত। এর আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দফায় দফায় সমন পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। প্রতিবারই নানা অজুহাতে, ইডির (ED) জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে গেছেন রুজিরা। এরপরই জামিনযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। এবার জিজ্ঞাসাবাদ এড়াতে চাইলে পরে কঠোর ধারাও যুক্ত করা হতে পারে। ফলে এবার বিপাকে পড়লেন অভিষেক জায়া রুজিরা।

    এর আগে দু’দফার তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়লা কাণ্ডে জেরা করেছে ইডি। মার্চের ২১-২২ তারিখে দিল্লিতে অভিষেক ও তার স্ত্রী রুজিরাকে ইডি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। ইডির সমনের বিরোধিতা করে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন অভিষেক। কিন্তু অভিষেকের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। তৃণমূল সাংসদ একাধিকবার দাবি করেন তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে দিল্লিতে নয় কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। না মঞ্জুর হয় সেই আবেদনও। এরপর টানা ৮ ঘণ্টা ইডির জেরার মুখোমুখি হতে হয় তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। যদিও মার্চেও ইডির জেরা এড়িয়ে যান অভিষেক জায়া। এর আগেও দফায় দফায় ইডির সমন এড়িয়ে গেছেন রুজিরা। গতবছর সেপ্টেম্বরেও কয়লা পাচার কাণ্ডে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছিল রুজিরাকে। তখন কোভিড অতিমারীর অজুহাতে জেরা এড়িয়ে গেছিলেন রুজিরা। যদিও সে সময় তিনি দিল্লিতেই ঘুরতে গেছিলেন।

    কয়লা পাচার কেস

    কয়লা-পাচার কাণ্ডে সিবিআই অনুপ মাঝি, ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটেড (ECL) ও ‘কয়েকজন অচেনা’ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) করে। অভিযোগ, দুর্গাপুর-আসানসোল বেল্ট, ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনি থেকে অবৈধ কয়লা তোলা ও বিক্রি করার সঙ্গে এরা যুক্ত। অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকার কয়লা এভাবে পাচার হয়ে গেছে। উঠে আসে, এর সঙ্গে সরকারি আধিকারিক ও রাজনৈতিক নেতারা যুক্ত ছিলেন। রাজস্ব বাবদ কোটি কোটি হারিয়েছে দেশের সরকার।

    ইডি তদন্ত

    তদন্তে ইডি দুটি কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার একটির নাম লিপস এন্ড বাউন্ডস লিমিটেড। অন্যটি লিপস এন্ড বাউন্ড ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস এলএলপি। যে দুটি কোম্পানিরই ডিরেক্টর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। একজন তাঁর বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যজন তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি নির্মাণ সংস্থার পক্ষ থেকে ‘প্রোটেকশন ফান্ড’ বাবদ ৪.৩৭ কোটি টাকা এই দুই কোম্পানি পেয়েছে। এক ব্যবসায়িক সংস্থা থেকে দুই কোম্পানিই মোটা অঙ্কের অর্থ পায় স্থানীয় স্তরে সিন্ডিকেট সমস্যা সমাধানের জন্য। ইডির দাবি, ২০২০ মার্চে কয়লা পাচার চক্রের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝির নির্দেশেই পুলিশকর্তা অশোক মিশ্রর কাছে নিয়মিত বিপুল অঙ্কের টাকার যেত ট্রাঙ্কে করে। সেই বিশাল অঙ্কের টাকা দ্রুত চলে যেত অন্য কিছু অ্যাকাউন্টে। পুলিশকর্তা অশোক মিশ্রকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে ইডি।

LinkedIn
Share