Tag: Tricolour

Tricolour

  • Kargil Vijay Diwas: কার্গিল বিজয় দিবস, ভারতীয় সেনার বিজয়গাথা আজও জাতির প্রেরণা

    Kargil Vijay Diwas: কার্গিল বিজয় দিবস, ভারতীয় সেনার বিজয়গাথা আজও জাতির প্রেরণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৬ জুলাই। ফি বছর এই দিনটি পালিত হয় কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) হিসেবে। এটি কেবল একটি সামরিক জয়ের (Indias Immortal Symbol) স্মরণ নয়, বরং দেশের সেই অমর বীরদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং অটল সংকল্পের প্রতীক, যাঁরা নিজেদের রক্ত দিয়ে ভারতের তেরঙ্গার সম্মান, মর্যাদা ও গৌরব রক্ষা করেছিলেন। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়, স্বাধীনতা একবার অর্জন করলেই তার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না, প্রতিটি প্রজন্মকে কর্তব্যবোধ, সাহস এবং আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে হয়।

    কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas)

    কিছু বিজয় শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত হয় না, বরং জাতির আত্মায় অমর হয়ে থাকে। সেগুলি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে, জাতীয় চরিত্র গঠনে অবদান রাখে এবং এই বিশ্বাস জাগিয়ে তোলে যে মাতৃভূমির সম্মান বিপন্ন হলে ভারতীয় সেনা হিমালয়ের মতোই অটল থেকে দেশের মর্যাদা রক্ষা করবে। কার্গিল বিজয় এমনই এক অমর গাথা। এটি শুধু দুর্গম পাহাড়চূড়া পুনর্দখলের ইতিহাস নয়, বরং ভারতের সেই অদম্য জাতীয় সংকল্পের প্রতীক, যা গোটা বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছিল—ভারত শান্তির পক্ষপাতী হলেও, সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং আত্মমর্যাদা রক্ষায় যে কোনও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীরা কার্গিল, দ্রাস, বাটালিক এবং টোলোলিং এলাকার দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল অবৈধভাবে দখল করে ভারতের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় হিমাঙ্কের নীচে তাপমাত্রা, অক্সিজেনের ঘাটতি এবং শত্রুপক্ষের কৌশলগত সুবিধার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ভারতীয় সেনা অসাধারণ সাহস, ধৈর্য ও সামরিক কৌশলের পরিচয় দিয়েছিল।

    অপারেশন বিজয়

    ‘অপারেশন বিজয়ে’র মাধ্যমে ভারতীয় সেনারা একে একে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ শৃঙ্গে ফের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। এর মাধ্যমে তাঁরা প্রমাণ করেছিলেন, দেশের এক ইঞ্চি জমিও রক্ষার প্রশ্নে ভারতীয় সেনার সঙ্কল্প কখনও নড়চড় হবে না। কার্গিলের বরফঢাকা দুর্গম পাহাড়ে ভারতীয় জওয়ানরা অসীম সাহস, অতুলনীয় বীরত্ব এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের মাধ্যমে পাকিস্তানের অনুপ্রবেশ ও সামরিক দুঃসাহসিকতার জবাব দিয়েছিলেন। এই বিজয় শুধু সামরিক সাফল্য নয়, বরং ভারতীয় সেনার দেশপ্রেম, বীরত্ব এবং আত্মবলিদানের এক অমর ইতিহাস। রাজস্থানের ভূমি বরাবরই বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য পরিচিত। মহারানা প্রতাপ, বীর দুর্গাদাস রাঠোর, পৃথ্বীরাজ চৌহান, পান্না ধাই, হাড়ি রানির মতো অসংখ্য বীর ব্যক্তিত্বের উত্তরাধিকার বহনকারী এই রাজ্য থেকে বহু সেনা কার্গিল যুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন। অসংখ্য পরিবার তাঁদের সন্তানদের দেশের প্রতিরক্ষার জন্য উৎসর্গ করেছে। তাঁদের আত্মত্যাগ সমগ্র রাজস্থানের গর্ব এবং প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

    ‘কার্গিল শৌর্য বাতিকা’

    এই ভাবনা থেকেই রাজস্থান বিধানসভা প্রাঙ্গণে গড়ে তোলা হয়েছে ‘কার্গিল শৌর্য বাতিকা’ এবং ‘নক্ষত্র’ ও ভেষজ উদ্যান। এগুলি কেবল সৌন্দর্যায়নের প্রকল্প নয়, বরং গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার প্রতীক। কার্গিল যুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত এই শৌর্য বাতিকায় শহিদ সেনাদের স্ত্রীদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে মোট ১,১০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে, যাতে শহিদদের স্মৃতিকে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তার সঙ্গে যুক্ত করা যায় (Kargil Vijay Diwas)। বিধানসভা কেবল আইন প্রণয়নের স্থান নয়, সমাজকে অনুপ্রাণিত করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান (Indias Immortal Symbol)। সেই কারণে কার্গিল শৌর্য বাতিকার মতো উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের কাছে দেশসেবা, আত্মত্যাগ এবং কর্তব্যবোধের বার্তা পৌঁছে দেয়। সংবিধান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মহান ব্যক্তিত্ব এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে নেওয়া অন্যান্য উদ্যোগও বিধানসভা প্রাঙ্গণকে অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলছে। রাজস্থান বিধানসভা দেশের অল্প কয়েকটি বিধানসভার মধ্যে অন্যতম, যেখানে গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি দেশপ্রেম, পরিবেশ সচেতনতা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বিত চিত্র স্পষ্টভাবে দেখা যায় (Kargil Vijay Diwas)।

    আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা

    বর্তমানে ভারত আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা উৎপাদন, আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি এবং সীমান্ত পরিকাঠামো শক্তিশালী করার পথে এগিয়ে চলেছে। এই যাত্রাপথে কার্গিলের বীর শহিদদের আত্মত্যাগ আজও জাতিকে অনুপ্রাণিত করে। তাঁদের ত্যাগ মনে করিয়ে দেয়, দেশ গড়ার কাজ শুধু সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা সেনার একার নয়। একজন শিক্ষক মূল্যবোধ শেখান, কৃষক খাদ্য উৎপাদন করেন, বিজ্ঞানী নতুন উদ্ভাবন করেন, চিকিৎসক মানুষের জীবন বাঁচান, সেনা সীমান্ত রক্ষা করেন এবং জনপ্রতিনিধি নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করেন—সব মিলিয়েই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে ওঠে (Kargil Vijay Diwas)। কার্গিল বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, সংবিধানের আদর্শে অটল থাকা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করা, পরিবেশ সংরক্ষণকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তোলা এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, সেবাভাব ও কর্তব্যনিষ্ঠার মূল্যবোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    “দেশ সবার আগে”

    কার্গিলের অমর বীরদের প্রদর্শিত বীরত্ব শুধু ভারতের ইতিহাসের একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় নয়, বরং দেশের ভবিষ্যতের জন্য এক চিরন্তন আলোকবর্তিকা। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের শেখায়, স্বাধীনতা শুধু অর্জন করলেই হয় না, প্রতিটি প্রজন্মকে কর্তব্য, শৃঙ্খলা এবং দেশসেবার মাধ্যমে তা রক্ষা করতে হয়। কার্গিল বিজয় দিবসে “দেশ সবার আগে” এই আদর্শকে জীবনের মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করে একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভর, উন্নত এবং গৌরবময় (Indias Immortal Symbol) ভারত গড়ার প্রত্যয়ই হবে কার্গিলের অমর শহিদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি (Kargil Vijay Diwas)।

     

  • Chhattisgarh: এবারই প্রথম স্বাধীনতা দিবসের আনন্দে মাতলেন ছত্তিশগড়বাসীর একাংশ

    Chhattisgarh: এবারই প্রথম স্বাধীনতা দিবসের আনন্দে মাতলেন ছত্তিশগড়বাসীর একাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস (Tricolour) পালন করল দেশ। আর এবারই প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) ২৯টি নকশাল কবলিত এলাকার বাসিন্দারা। অথচ দেশ স্বাধীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীনতা পেয়েছিলেন এই সব এলাকার বাসিন্দারাও। কিন্তু মাওবাদীদের (স্থানীয় ভাষায় বনপার্টি) রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জাতীয় পতাকা তোলার সাহস তাঁদের ছিল না। তাই গত ৭৮ বছর এই জঙ্গলরাজ্যে তিরঙ্গা ঝাণ্ডা ওড়েনি। মোদি-শাহের জমানায় বদলেছে জঙ্গলমহলের ছবিটা। তার জেরেই এবার প্রথম ‘স্বাধীনতা’র মুখ দেখলেন এই সব এলাকার বাসিন্দারা।

    মাওবাদীদের দাপট (Chhattisgarh)

    বস্তার ডিভিশন, যার মধ্যে রয়েছে ৭টি জেলা, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দাপিয়ে বেড়াত বনপার্টি। স্থানীয়দের তারা বোঝাতে ‘ইয়ে আজাদি ঝুটা হ্যায়’। কোনও কোনও এলাকায় তো আবার এদিন উত্তোলন করা হয় কালো পতাকা। তৃতীয়বার দেশের কুর্সিতে বসেই প্রথমে নকশাল দমনে জোর দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দেশকে মাওবাদীমুক্ত করতে বেঁধে দেন ডেডলাইন, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ। তার পরেই কোমর বেঁধে মাও দমনে নেমে পড়েন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। ফল মেলে হাতে হাতে। একদিকে যেমন এনকাউন্টারে খতম হয় মাওবাদীদের বড় বড় চাঁইরা, তেমনি অন্য দিকে, রাজ্যের বিজেপি সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আত্মসমর্পণ করে সমাজের মূলস্রোতে ফেরেন বহু মাওবাদী। জঙ্গলের ওই সব অঞ্চলে বইয়ে দেওয়া হয় উন্নয়নের জোয়ার। এই ত্র্যহস্পর্শে খেলা ঘুরে যায়। মাও-মুক্ত হয় ছত্তিশগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। তার পর এটাই ছিল এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের কাছে প্রথম স্বাধীনতা দিবস। তাই দিনটিকে যথেষ্ঠ মর্যাদার সঙ্গে পালন করলেন ওই গ্রামগুলির কয়েক হাজার বাসিন্দা। তবে সরল গ্রামবাসীদের এমনতর ‘পরবে’ যাতে মাওবাদীরা ‘কাল’ হয়ে না দাঁড়ায়, তাই বিভিন্ন জেলায় ছিল কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা।গ্রামগুলির প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে ব্যবস্থা করা হয়েছিল পুলিশ ক্যাম্প, ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড, বস্তার ফাইটার্স, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের।

    স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এদিন স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহের অন্ত ছিল না (Chhattisgarh)। নারায়ণপুর জেলায় হোরাড়ি, গারপা, কচ্ছপাল, কোডলিয়ার, কুতুল, বড়েমাকোটি, পদ্মাকোট, কান্দুলনার, নেলাঙ্গুর, পানগুর ও রায়নারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সুকমা জেলায় রায়গুডেম, তুমালপাদ, গোলাকুন্ডা, গোমগুডা, মেট্টাগুডা, উস্কাভায়া ও মূলকাথং গ্রামে প্রথমবারের মতো তিরঙ্গা পতাকা উত্তোলন করা হয়। অন্যদিকে বিজাপুর জেলায় কন্ডাপল্লি, জিডাপল্লি, ভাটেবাগু, কার্রেগুটা, পিডিয়া, গুঞ্জেপার্তি, পূজারি, কানকার, ভীমারাম, কোরচোলি ও কোটপল্লি গ্রামেও স্বাধীনতা দিবসের আনন্দঘন উৎসবে সবাই অংশ নেন (Tricolour)।

    পুলিশের বক্তব্য

    সুকমার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট কিরণ চৌহান জানান, প্রান্তিক এলাকাগুলিতে ধারাবাহিকভাবে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে এবং নেল্লানার প্রকল্পের অধীনে রাস্তা, বিদ্যুৎ এবং মোবাইল টাওয়ারের মতো মৌলিক পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য বিজাপুর, সুকমা, কাঁকড়, দান্তেওয়াড়া ও নারায়ণপুরের মতো জেলাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা, যাতে নাগরিকদের সঙ্গে সরকারের কল্যাণমূলক সেবার সংযোগ বাড়ে এবং এর মাধ্যমে মাওবাদীদের প্রভাব দুর্বল হয় (Chhattisgarh)। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত শুধু সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতীকী বিজয়ই নয়, বরং ভারতের অন্যতম হিংসাপীড়িত অঞ্চলে সমন্বয়, উন্নয়ন ও স্থায়ী শান্তির নতুন আশারও প্রতীক।

    গ্রামে এল বিজলি, আত্মহারা শিশু থেকে বৃদ্ধ

    এদিকে, চলতি বছরের মে মাসে ছত্তিশগড়ের মোহলা-মানপুর-আম্বাগড় চৌকি জেলায় প্রায় ৫৪০ পরিবার প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ গ্রিডের সংযোগ পেয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মজরাটোলা বিদ্যুতায়ন যোজনার অধীনে, যার জন্য ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি টাকা। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, দুর্গম ভূখণ্ড ও নকশালদের ক্রমাগত হুমকির কারণে এই কাজটি ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং, ফলে বিদ্যুৎ গ্রিডের সংযোগ পাওয়া ছিল একপ্রকার মিশন সম্পন্ন করার মতোই (Chhattisgarh)। আগে গ্রামবাসীরা সৌরশক্তির ওপর নির্ভর করতেন বাল্ব জ্বালানোর জন্য। কিন্তু বারবার প্যানেল চুরি এবং দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণের (Tricolour) কারণে শিশুদের কেরোসিনের আলোয় পড়াশোনা করতে হত। এখন কাটুলঝোরা, কাট্টাপার, বোদ্রা, বুকমার্কা, সাম্বলপুর, গাট্টেগাহান, পুগদা, আমাকোদো, পেটেমেতা, টাটেকাসা, কুন্দালকাল, রাইমানহোরা, নাইনগুদা, মেতাতোদকে, কোকাটোলা, এদাসমেতা এবং কুঞ্জাকানহারে আনন্দের বন্যা বইছে, কারণ তাদের ঘরে প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ পৌঁছেছে স্বাধীনতা দিবসের দিন। এক আধিকারিক বলেন, “কিছু গ্রামে শিশুরা নাচছিল, আবার অন্য কিছু গ্রামে প্রবীণরা আনন্দে পটকা ফাটাচ্ছিলেন—এটি ছিল সেই মুহূর্ত, যার জন্য তাঁরা দশকের পর দশক ধরে অপেক্ষা করেছিলেন (Chhattisgarh)।”

  • Tricolour Hoisting Rule: জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সঠিক নিয়ম জানেন তো? মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

    Tricolour Hoisting Rule: জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সঠিক নিয়ম জানেন তো? মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার (Independence) ৭৫ বছর উপলক্ষ্যে এবার দেশের পতাকা (Flag) নিয়মে (Rule) বিরাট পরিবর্তন করেছে ভারত সরকার। আগে সূর্যোদয়ের পর পতাকা উত্তোলন করা হত আর সূর্যাস্তের আগেই সেই পতাকা নামিয়ে নিতে হতো। এবার ২৪ ঘণ্টাই আকাশে পতাকা ওড়াতে পারবেন আপনি। আগে ভারতের জাতীয় পতাকা শুধুমাত্র খাদির কাপড় দিয়ে তৈরি হত। কিন্তু এবার থেকে সুতি, উল, সিল্ক, হাতে তৈরি বা মেশিনে তৈরি এই সব পতাকা উত্তোলনেরই অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার।  

    আরও পড়ুন: প্রোফাইলে তেরঙ্গা! নিজে ছবি বদল করে সকলকে এই কর্মসূচিতে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দিবসের দিন অনেকেই নিজের বাড়িতে পতাকা উত্তোলন করে থাকেন। কিন্তু পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম।

    আরও পড়ুন: হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন, মন কি বাতে অনুরোধ মোদির   

    জেনে নিন সেই নিয়মগুলি কী কী? 

    • জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় সবসময় মনে রাখতে হবে যে, জাতীয় পতাকার কোনওভাবেই যেন অবমাননা না হয়। ছেড়া বা নোংরা পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।  
    • জাতীয় পতাকা দিয়ে কোনও ব্যক্তি বা বস্তুকে অভিবাদন জানানো উচিত নয়।
    • তেরঙ্গার সমান উচ্চতায় বা বেশি উচ্চতায় অন্য কোনও পতাকা রাখা যাবে না।
    • ফুল, মালা বা অন্য কোনও বস্তু, যেখান থেকে পতাকাটি ওড়ানো হয়, সেই ফ্ল্যাগমাস্টের উপরে রাখা উচিত নয়। 
    • পতাকা ফেস্টুন, রোসেট, বান্টিং বা অন্য কোনওভাবে সাজসজ্জার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।
    • জাতীয় পতাকা মাটিতে বা মেঝেতে বা জলে রাখা যাবে না।
    • অন্য কোনও পতাকার সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।
    • জাতীয় পতাকাকে কোমরের নীচে পোশাক বানিয়ে পরা যাবে না। জাতীয় পতাকার ওপর কোনও কারুকার্য করা যাবে না। 
    • জাতীয় পতাকার ওপর কোনও লেখা থাকবে না। জাতীয় পতাকা দিয়ে কোনও গাড়ির ওপর, নীচ বা পেছন দিক আবৃত করা যাবে না।  

     

LinkedIn
Share