Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Titagarh: প্রকাশ্যে স্কুল ছাত্রীকে জুতোপেটা করে শ্লীলতাহানি! গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    Titagarh: প্রকাশ্যে স্কুল ছাত্রীকে জুতোপেটা করে শ্লীলতাহানি! গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা তৃণমূলের কাউন্সিলর। স্বাভাবিকভাবে ছেলে নিজেকে ‘বেতাজ বাদশা’ ভাবে। আর সেই ক্ষমতার দম্ভে এক স্কুল ছাত্রীকে প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় (Titagarh) পুরসভা এলাকায়। নির্যাতিতা ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলরের ছেলেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম রাহুল সোনকার। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Titagarh)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টিটাগড়ের (Titagarh) এক স্কুল ছাত্রীর সঙ্গে কাউন্সিলরের ছেলের পরিচিত এক কিশোরীর পড়াশুনার কোনও একটি বিষয় নিয়ে গন্ডগোল বাধে। দুই স্কুল ছাত্রীর মধ্যে বচসা হয়। হাতাহাতি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিষয়টি মিটে যায়। এরপরই বিষয়টি কাউন্সিলরের ছেলেকে সমস্ত বিযয়টি ওই কিশোরী বলে। তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে রাহুল বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়ে। এরপরই তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের কতটা ক্ষমতা তা দেখাতে দলবল নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়িতে এসে হাজির হয়। ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে প্রকাশ্যে জুতো দিয়ে মারতে থাকে বলে অভিযোগ। ওই ছাত্রী বাধা দিতে গেলে তার জামা ছিঁড়ে দেয়। পরে, এক প্রতিবেশী যুবক নিজের জামা খুলে ওই ছাত্রীকে দেন। এক প্রতিবেশী বলেন, তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে বলেই কী ও যা খুশি তাই করবে। সকলের সামনে ওই মেয়েটাকে মারল। তার শ্লীলতাহানি করল। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    নির্যাতিতার কী বক্তব্য?

    নির্যাতিতা (Titagarh) ছাত্রী বলে, পড়াশুনা নিয়ে সামান্য গন্ডগোল। বচসা চলাকালীন আমাকে গালিগালাজ করে। আমিও তাকে গালিগালাজ করি। তারপর মিটে যায়। আমি বাড়ি ফিরে আসার পর কয়েকজন দল বেঁধে এসে আমার বাড়িতে চড়াও হয়। কাউন্সিলরও ছিল। তাঁর ছেলে আমার ওপর চড়াও হয়। সকলের সামনে আমাকে জুতোপেটা করে। আমার দাদা প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করে। আমি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে আমার জামা ছিঁড়ে দেয়। সামান্য গন্ডগোলের জন্য আমার সঙ্গে এভাবে আচরণ করবে তা ভাবতে পারছি না।

    তৃণমূল কাউন্সিলরের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর রাজেন্দ্র সোনকার বলেন, দুজন ছাত্রীর মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। কী কারণে ঝামেলা তা আমি জানি না। তবে, এই গন্ডগোলের সঙ্গে আমার ছেলের নাম জড়িয়ে গিয়েছে। এরপরই পুলিশ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। আইন আইনের পথে চলবে। এতে আমার কিছু বলার নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barasat: “লক্ষ্মীর ভান্ডারের হাজার টাকায় কি সংসার চলে?” দোকান গুঁড়িয়ে দিতেই ক্ষিপ্ত নাসিমা বিবি

    Barasat: “লক্ষ্মীর ভান্ডারের হাজার টাকায় কি সংসার চলে?” দোকান গুঁড়িয়ে দিতেই ক্ষিপ্ত নাসিমা বিবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো ফুটপাথ জবরদখল করে থাকা দোকান ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে (Barasat)। বুলডোজার দিয়ে ফুটপাথ জবর দখল করে থাকা সব দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। আর রহস্যজনকভাবে এই উচ্ছেদ অভিযানে ভাঙা পড়ল না তৃণমূলের পার্টি অফিস। ভাঙা পড়ল তৃণমূল পার্টি অফিস সংলগ্ন সব দোকান। আর এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barasat)

    বারাসত দক্ষিণপাড়া মোড় থেকে হরিতলা হয়ে বড়বাজার মোড় পর্যন্ত সোমবার উচ্ছেদ অভিযানে নামে বারাসত (Barasat) পুরসভা। রাস্তার ওপর দখল করে থাকা বেআইনি দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। দোকানের পাশে জ্বলজ্বল করছে তৃণমূলের বারাসত ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের অফিস। আশপাশের সমস্ত দোকান ভেঙে দেওয়া হলেও ওয়ার্ড অফিস ভাঙার বিষয়ে কোনও উদ্যোগ চোখে পড়ল না। কয়েকদিন আগে বারাসত পুরসভা থেকে উচ্ছেদ নোর্টিশ দেওয়া হয়েছিল। সোমবার শেষ দিন ছিল। সেই মতো এদিন সকাল থেকেই উচ্ছেদ অভিযানে নামে বারাসত পুরসভা।

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    লক্ষ্মীর ভান্ডারের ১০০০ টাকায় কি সংসার চলে?

    নাসিমা বিবি নামে এক দোকানদার বলেন, “আমার দোকানটি তৃণমূলের (Trinamool Congress) পার্টি অফিস থেকে অনেকটাই ভিতরে ছিল। ভেবেছিলাম, পার্টি অফিস ভাঙার পর আমার দোকানে হাত পড়বে। কিন্তু, দেখলাম, পার্টি অফিসে কোনও হাত পড়ল না, তারপরও আমার দোকান ভাঙা হল। ৫০ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। আমার দোকানের সব কিছু নষ্ট করে দিল। লক্ষ্মীর ভান্ডারের ১০০০ টাকায় কি সংসার চলে?” দোকান ভাঙচুর হওয়ার পর এদিন পার্টি অফিসের (Trinamool Congress) সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করতেও দেখা যায় বেশ কয়েকজন মহিলাকে। তাঁরা বলেন, “পার্টি অফিস না ভেঙে আমাদের দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আমরা কীভাবে সংসার চালাব? বাচ্চাদের নিয়ে বিষ খেয়ে মরা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না আমাদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কলেজের মধ্যে পিস্তল হাতে তৃণমূল ছাত্র নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

    Nadia: কলেজের মধ্যে পিস্তল হাতে তৃণমূল ছাত্র নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিস্তল হাতে কলেজ ইউনিয়ন রুমের মধ্যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভাপতি! ভিডিও ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে শাসক দল। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরের একটি কলেজে। এই ঘটনা জানাজানি হতে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূল ছাত্র নেতার এই আচরণে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    ভাইরাল ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? (Nadia)

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কৃষ্ণনগরের (Nadia) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কলেজ ইউনিয়নের একটি ঘরের মধ্যে বেশ কয়েকজন তৃণমূল ছাত্র নেতা-কর্মী বসে রয়েছেন। এরমধ্যে একজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। তিনি কৃষ্ণনগর শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইমরান শেখ। আর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তৃণমূলের কৃষ্ণনগর শহর ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইমরান শেখ বলেন, “যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিওতে আমি নেই। বোঝাই যাচ্ছে এটা পুরোটাই বিরোধীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। যে বা যারা এই ভিডিওটি ভাইরাল করে আমার নামে দোষারোপ করার চেষ্টা করছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেব।”

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি

    এই প্রসঙ্গে নদিয়া (Nadia) জেলা উত্তরের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সম্রাট পাল বলেন, “ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে সেটা আমাদের শহর সভাপতি ইমরান শেখ নয়। তাছাড়া, প্রথমে জানতে হবে, পিস্তলটি আসল কি না। এখন ফ্লিপকার্টেও এই ধরনের খেলনা পিস্তল পাওয়া যাচ্ছে। এটা পুরোটাই বিজেপির চক্রান্ত। আর যিনি এই ভিডিওটি ছেড়েছেন তিনি বিজেপি নেতা রাজশ্রী লাহিড়ী। তিনি প্রমাণ করুন,এই পিস্তলটি আসল। আমরা আইনজীবীর সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনত ব্যবস্থা নেব।” ভাইরাল ভিডিওতে কী রয়েছে দেখে নিন।

    <

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সন্দীপ মজুমদার। তিনি বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। এখানে যা কিছু হয় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় হয়। যে ছাত্রের হাতে খাতা কলম থাকার কথা, সেই ছাত্রের হাতে রয়েছে পিস্তল। সেই কারণেই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের বলব, আপনারা তৃণমূল (TMCP) থেকে নিজের ছেলে-মেয়েকে সরিয়ে আনুন। এরা আপনার ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেবে। অবিলম্বে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’! খেলার মাঠ দখলের চেষ্টা, শোরগোল

    Purulia: আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’! খেলার মাঠ দখলের চেষ্টা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’! গ্রামের খেলার মাঠ দখল করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদা থানার তুলিন এলাকায়। ইতিমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। গ্রামবাসীরা জোটবদ্ধ হয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Purulia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তুলিন (Purulia) গ্রামের পাশে ইউনাইটেড ক্লাবের মাঠ। প্রায় দেড় একর জমি এখানে। সেই জমিই দখল করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তোলেন গ্রামবাসীরা। অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সহ- সভাপতি শেখ সুলেমানের দিকে। এলাকার লোকজনের দাবি, প্রায় শতবর্ষ প্রাচীন এই মাঠ। এখানে দিনের পর দিন এলাকার বাচ্চারা খেলাধূলা করে। এলাকার তিনটি প্রাথমিক স্কুলের খেলার মাঠ নেই। তাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতারও একমাত্র মাঠ এটিই। সেটাই দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ইউনাটেড ক্লাবের সদস্য যজ্ঞেশ্বর মাহাত বলেন, “মাঠটা ১০০ বছরের পুরানো। হঠাৎ শুনলাম তৃণমূল নেতা শেখ সুলেমান নিজের নামে জমি রেকর্ড করে নিয়েছে। এটা দখলের চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। অস্ত্র নিয়ে এসেছিল। আমাদের মারধর করার চেষ্টা করে। এরপর এলাকার লোকজন রুখে দাঁড়াতেই ওরা চলে যায়। মাঠ তো আমরা ছাড়ব না।”

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা শেখ সুলেমান বলেন, ” দু’বছর আগে জমিটা কিনেছি। যখনই জমির মাপজোক করতে যাই আমাকে বাধার মুখে পড়তে হয়। খুনের হুমকি পর্যন্ত দেয়। বলে, অনেকদিন ধরে জমি দখল করে আছি, ছাড়ব না। আমি ঝালদার আইসি, বিডিও অফিস, বিএলআরও অফিসে চিঠিও দিয়েছি। জমি মাপজোক করতে গিয়ে দেখি, গ্রামের লোকজন লাঠি, শাবল নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমি বললাম, আমার রেকর্ডভুক্ত জমি, মাপ তো করবই। তোমরা বাধা দিচ্ছ কেন? আমি কোনও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যাইনি। এসব মিথ্যা অভিযোগ।”

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা বলেন, “এই সরকার (Trinamool Congress) মাফিয়াদের ওপরই চলছে। জমি, বালি, কয়লা, চাকরি মাফিয়ারা এ সরকারের স্তম্ভ। গ্রামবাসীরা বলছেন, এই জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বাচ্চারা খেলাধূলা করে। অনুষ্ঠান হয়। সেই জমি নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে দখল করতে চাইছেন তৃণমূল নেতা। এসব হতে পারে না। এই অন্যায়ের প্রতিরোধ হওয়া দরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “কাজ করতে দিচ্ছেন না জেলাশাসক”, বিধানসভায় অবস্থানে বসার হুমকি বিজেপি বিধায়কের

    Siliguri: “কাজ করতে দিচ্ছেন না জেলাশাসক”, বিধানসভায় অবস্থানে বসার হুমকি বিজেপি বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধায়ক হিসেবে এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করতে চান। কিন্তু, পারছেন না। বিধায়ক তহবিলের টাকা খরচ করতে বাধা দিচ্ছে প্রশাসন। তৃণমূল সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিধানসভার অভ্যন্তরে অবস্থানে বসার হুমকি দিলেন শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধায়ক তথা বিজেপির মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষ।

    ঠিক কী বললেন বিজেপি বিধায়ক? (Siliguri)

    শনিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) জার্নালিস্ট ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে করে  বিজেপি বিধায়ক বলেন, নিজের বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় এখনও পর্যন্ত মোট ৬০টি প্রকল্প দিয়েছি। তারমধ্যে মাত্র আটটি প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হলেও সেই কাজ নানা টালবাহানা আটকে রেখেছেন জেলাশাসক। বাকি প্রকল্পগুলি ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি কোনও টাকা ছাড়ছেন না। এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করতে দিচ্ছেন না জেলাশাসক। এতে সাধারণ মানুষের কাছে বিধায়ক হিসেবে আমার সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। জেলাশাসক তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের খুশি রাখতে চাইছেন। তাই শিলিগুড়িতে আসেন শুধু শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের কর্মসুচিতে যোগ দিতে। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, আমি বিধায়ক হয়েও তার সঙ্গে দেখা করতে পারি না। মনে রাখতে হবে, আজ না হোক কাল সরকার পরিবর্তন হবে। আমরা ক্ষমতায় আসব। তখন কাউকে ছাড়ব না।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

     জমি কাণ্ড নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নাটক করছেন

     বিধায়ক (BJP) শঙ্কর ঘোষ বলেন, সরকারি জমি উদ্ধারের নামে গজলডোবা রিসর্ট ভাঙ্গা থেকে শুরু করে ফুলবাড়ির জমি কাণ্ডে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার, পুরোটাই নাটক করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চা বাগানের (Siliguri) লিজ নেওয়া জমি দখল করে দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের চেয়ারম্যান মেয়ের নামে ফ্ল্যাট বানিয়েছেন। জেলাশাসক থেকে শুরু করে বিধানসভা সর্বত্র অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও সেই অবৈধ নির্মাণ ভাঙ্গার ব্যাপারে জেলাশাসক কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না।  আগামী সোমবার  বিধানসভার অধিবেশন শুরু হবে। সেখানে আমি স্পিকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এরকম আরও অনেক দুর্নীতি নিয়ে চিঠি দেব। রাজ্য সরকার কোনও ব্যবস্থা না নিলে আমি বিধানসভার অভ্যন্তরে অবস্থানে বসব।

    জলপাইগুড়ির জেলাশাসকের বিরুদ্ধে সরব

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক আরও বলেন, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকা সহ জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের গজলডোবা অন্যান্য জায়গায় জমি দুর্নীতি নিয়ে আমি জলপাইগুড়ি জেলাশাসকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তাঁর দফতরের সামনে আমাকে ৫০ মিনিট বসিয়ে রাখার পর আমার সঙ্গে দেখা না করে বেরিয়ে যান। বলেন, পূর্ব নির্ধারিত অন্য কর্মসূচি রয়েছে, সেখানে তাঁকে যেতে হবে। তা জেনেও  আমাকে তিনি ৫০ মিনিট  বসিয়ে রেখেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী যেমন  নাটক করবেন সেভাবেই চলবেন আমলারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barasat: “ভেঙে দিলেও আবারও বসব”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে হুঁশিয়ারি দিলেন হকাররা

    Barasat: “ভেঙে দিলেও আবারও বসব”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে হুঁশিয়ারি দিলেন হকাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও হকার উচ্ছেদ শুরু হল উত্তর ২৪ পরগনার (Barasat) বারাসতে। শনিবার কোর্ট চত্বরে বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হল রাস্তার পাশে ফুটপাতে তৈরি হওয়া  প্রায় ৮০টি দোকান। কান্নায় ভেঙে পড়লেন হকাররা। উচ্ছেদ হওয়া হকাররা (Hawker) প্রকাশ্যে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন।

    ভেঙে দিলেও আবারও বসব (Barasat)

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য জুড়েই শুরু হয়েছে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ। যারা মূলত বেআইনিভাবে রাস্তার ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদেরকে উঠে যাওয়ার জন্য প্রথমে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। পরে, তা থেমে যায়। হকারদের আশা ছিল, আর ভাঙা হবে না। এদিন সকালেই বারাসতের (Barasat) কোর্ট চত্বরে বুলডোজার নিয়ে এসে দোকান ভাঙা শুরু হয়। পুরসভার কর্মী, কাউন্সিলরদের পাশাপাশি বারাসত থানার পুলিশ কর্মীরা ছিলেন। স্বপন হালদার নামে এক হকার বলেন, আগেই দোকান ভেঙে দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু, ভাঙেনি। আমরা ভেবেছিলাম, দোকানে আর হাত পড়বে না। আমি নিজে তৃণমূল করি। এখানে অনেকেই আমার সঙ্গে ২১ জুলাইয়ের মিটিংয়ে গিয়েছিল। মিটিং শেষ হয়ে গেল। আর আমাদের কথা ভাবল না। দোকান ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল। এখানেই ফের দোকান করব। রূপা মজুমদার নামে আর এক হকার বলেন, ২৫ বছর ধরে দোকান করছি। কিছুদিন আগেই পুরসভার কর্মীরা এসে তথ্য নিয়ে গেল। আমরা ভেবেছিলাম, আর ভাঙা হবে না। কিন্তু, এদিন সব শেষ করে দিল। আমরা মেনে নেব না। আমি এখানে আবার বসব।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

     পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই বিষয়ে বারাসত (Barasat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় বলেন, ” জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাতদিন আগে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো এদিন দোকান ভাঙা হয়েছে। এতে আমাদের কিছু করার নেই। ওপর থেকে আমাদের যেভাবে নির্দেশ দিচ্ছে, আমরা তা শুধু পালন করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় অভিযোগ হতেই তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, শোরগোল

    Siliguri: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় অভিযোগ হতেই তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়ির (Siliguri) খড়িবাড়ি এলাকায়। শুক্রবার সকালে খড়িবাড়ির চক্করমারি শ্মশানঘাট এলাকায় অভিযুক্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জগদীশ রায় (৬৫)। তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং বিশিষ্ট লোকশিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

     ঠিক কী হয়েছিল? (Siliguri)

    জানা গিয়েছে, এলাকার নবম শ্রেনির এক ছাত্রীকে চাকরি দেওয়ার নাম করে ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এরমধ্যে ওই ছাত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। গত বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার বেশ কিছু পরিবর্তন ও জটিলতা দেখা দেওয়ায় অভিভাবকরা তাকে চেপে ধরতেই ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারেন। তারপর ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা খড়িবাড়ি থানায় (Siliguri) অভিযোগ দায়ের করেন। তৃণমূল নেতার নাম দিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়। মূলত, ওই তৃণমূল নেতা লোকশিল্পী ছিলেন। সেই সূত্র ধরে ওই ছাত্রীকে তিনি গান শেখাতেন। সেখানেই ওই ছাত্রীকে চাকরির টোপ দিয়ে তিনি ধর্ষণ করেন। পরিবারের অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শুক্রবার  সকালে অভিযুক্তের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠায়। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

     স্থানীয় বাসিন্দারা কী বলছে?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাস চারেক আগে ওই তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা এই অপকর্ম করেন। এতদিন পর জানাজানি হতেই অভিযোগ থানা (Siliguri) পর্যন্ত গড়ায়। এরপরই বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে সমাজে মুখ দেখাতে পারবে না ভেবেই ওই তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা চরম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বিজেপির এলাকায় উন্নয়ন বন্ধ করেছে তৃণমূল! দিনভর আন্দোলনে গেরুয়া শিবির

    Bankura: বিজেপির এলাকায় উন্নয়ন বন্ধ করেছে তৃণমূল! দিনভর আন্দোলনে গেরুয়া শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা বিধানসভায় লিড পেয়েছে বিজেপি। ওন্দার মেদিনীপুর পঞ্চায়েত এলাকাতেও একাধিক বুথে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করেছে গেরুয়া শিবির। অভিযোগ, ভালো ফল করার জন্য বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যদের এলাকায় উন্নয়ন বন্ধ করে দিয়েছে তৃণমূল পঞ্চায়েত। এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত সদস্যরা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য? (Bankura)

    এদিন অবস্থান বিক্ষোভে মেদিনীপুর পঞ্চায়েতের ৬ জন, ওন্দা (Bankura) পঞ্চায়েত সমিতির ২ জন যোগ দেন। বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা বলেন, মেদিনীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আমাদের দলের যে সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্য আছেন, সেখানে উন্নয়নমূলক কাজের কোনওরকম সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। গ্রামের রাস্তাঘাটের সমস্যা, পানীয় জলের সমস্যা সহ একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আমাদেরকে কোনওরকম কাজ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। ফলে, সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। এমনকী পঞ্চায়েত এলাকায় উন্নয়নের জন্য যে সমস্ত আলোচনা সভা ডাকা হচ্ছে, সেখানেও আমাদের ডাকা হচ্ছে না। তাই, এলাকার মানুষের স্বার্থে আমরা বাধ্য হয়ে এদিন আন্দোলনে নেমেছি। এরপরও পঞ্চায়েতের টনক না নড়লে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ওন্দার (Bankura) বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা বলেন, তৃণমূল নোংরা রাজনীতি করছে। সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করছে। আমরা এটা মেনে নেব না। আমাদের দাবি পূরণ না হলে মেদিনীপুর পঞ্চায়েত চাবি দিয়ে বন্ধ করে দেব। তৃণমূলের ওন্দা ব্লকের সভাপতি উত্তম বিট বলেন, কাউকে কোনও বঞ্চনা করা হয়নি। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে। সব এলাকায় একসঙ্গে কাজ দেওয়া সম্ভব নয়। আসলে যে এলাকায় কাজ দেওয়ার দরকার সেখানে কাজ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বিজেপি (BJP) সদস্যদের এলাকায় কাজ দেওয়া হবে। আসলে এসব করে ওরা নাটক করছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: চোপড়ায় দাপাচ্ছেন জেসিবি বাহিনীর জব্বার, টাকা চাইতে গিয়ে আক্রান্ত পাওনাদার

    Uttar Dinajpur: চোপড়ায় দাপাচ্ছেন জেসিবি বাহিনীর জব্বার, টাকা চাইতে গিয়ে আক্রান্ত পাওনাদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ডের জেরে তৃণমূল নেতা জেসিবি এখন জেলে রয়েছেন। তাতে কী হয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চোপড়ায় এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে জব্বার। জব্বার আবার জেসিবি বাহিনীর অন্যতম সদস্য। ফলে, তাঁর সামনে কথা বলার এখন কারও সাহস নেই। জব্বারের এই দাপাদাপিতে বেজায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তাঁরা চাইছেন, জেসিবির মতো জব্বারের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। প্রসঙ্গত, জেসিবি নিজের মতো করে সালিশি বসিয়ে প্রকাশ্যে নির্যাতন চালাতেন। কিছুদিন আগে চোপড়ায় একজন মহিলা এবং পুরুষকে প্রকাশ্যে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই ঘটনা সামনে আসতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Uttar Dinajpur)

    জানা গিয়েছে, কালিকাপুরের (Uttar Dinajpur) মনসুর আলম নামে এক শ্রমিক জব্বারের দাদা জামশেদের সঙ্গে সিকিমে কাজ করতে গিয়েছিলেন। জামশেদ শ্রমিক সরবরাহের ঠিকাদারির কাজ করেন। সেই সুবাদে জামশেদের কাছে থেকে মনসুর প্রায় ১৪ হাজার টাকা পান। বছর খানেক হল তাঁকে সেই টাকা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার রাতে সেই টাকা চাইতে যান তিনি। টাকা না পেয়ে খালি হাতে ফিরে আসেন তিনি। অভিযোগ, বুধবার জব্বারের নেতৃত্বে হামলা হয়। হামলায় পাঁচজন জখম হন। তাঁদের চোপড়ার দলুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় জব্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে চোপড়া থানায়। তবে, দুদিন হতে চলল এখনও অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    আক্রান্তের কী বক্তব্য?

    আক্রান্ত ব্যক্তি মনসুর  আলম বলেন, “আমি শ্রমিকের কাজ করি। প্রায় পাঁচ থেকে ছ’মাস আমায় কোনও টাকা দেয়নি। আমি সেই টাকা চাইতে গিয়েছিলাম। তখনই মারধর করা হয়। মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আসলে ওরা এলাকায় শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ কিছু করবে না, সেটা জানে বলেই ওদের এত বাড়বাড়ন্ত। আমি চাই, অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জোড়া খুনে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার! পুলিশে আস্থা হারিয়ে সিবিআই চাইছে পরিবার

    South 24 Parganas: জোড়া খুনে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার! পুলিশে আস্থা হারিয়ে সিবিআই চাইছে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি নিয়ে বিবাদের জেরে দুই বোনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ঢোলাহাট থানার গুরুদাসপুরে। তিন মাস আগের সেই খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় তৃণমূল নেতা গৌরহরি মাল সহ কয়েকজনের। মৃতের পরিবারের লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে বাদ দিয়ে লোকদেখানো দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। দুজনেই আবার মৃতের আত্মীয়। পুলিশ তদন্তে অসহযোগিতা করছে অভিযোগ তুলে সরব হলেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।

    সিবিআই তদন্তের দাবি! (South 24 Parganas)

    মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঢোলাহাট থানার (South 24 Parganas) গুরুদাসপুরে মৃত দুই বোনের নামে জমি রয়েছে। সেই সম্পত্তি জোর করে দখল করে রেখেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা গৌরহরি মাল। সেই জায়গা তিনি ছাড়তে চাইছেন না। গত মে মাসে খুনের ঘটনার দুদিন আগে তৃণমূল নেতা গৌড়হরি মাল জোরপূর্বক তাঁদের জায়গার একটি গাছ কেটে নেয়। আর তা নিয়ে ওই দুই বোনের সঙ্গে বচসা হয়েছিল। সেই সময় তৃণমূল নেতা ওই দুই বোনকে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। এই খুনের পিছনে ওই তৃণমূল নেতার বড় হাত রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। পুলিশ ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেনি। মৃতের এক আত্মীয় প্রসেন মণ্ডল বলেন, তৃণমূল নেতার নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই, পুলিশের ওপর আমাদের আস্থা নেই। প্রকৃত অভিযুক্ত (Trinamool Congress) এখন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই, খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্তের জন্য আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা গৌরহরি মাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। যে জমি নিয়ে বিবাদের কথা বলা হচ্ছে, মৃত দুই বোনের বাবা বেঁচে থাকতে আমি এই জায়গা কিনেছি। কাগজে সমস্ত কিছু লেখা আছে, তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি। দীর্ঘ বহু বছর ধরে আমি তা দখলে রেখেছি। তাই, ওই জমি আমার নামে লিখে দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share